২১ (একুশ) পৌরাণিক সংখ্যা

একুশ দিন/ (Twenty one days)/ ‘واحد وعشرين يوما’ (ওয়াহিদা ও ইশরুনা ইয়াওমান)

ভূমিকা (Introduction)
বিশ্বের বিভিন্ন শ্বরবিজ্ঞান, পুরাণ, মরমী গীতি, আধ্যাত্মিক, আত্মতাত্ত্বিক, সাম্প্রদায়িক, পারম্পরিক ও শাস্ত্রীয় পুস্তক-পুস্তিকা পাঠ করার সময় প্রায়সই (frequently) ২১ (একুশ), ডানে শূন্যযুক্ত ২১ (একুশ) কিংবা ২১ (একুশ) সহগ বিশিষ্ট পরিভাষা চোখে পড়ে। যেমন; একুশ, একুশ অগ্নি, একুশ অনুচর, একুশ আদিত্য, একুশ ঋক, একুশ গাভী, একুশ ছন্দ, একুশ জন, একুশ দিন, একুশ ধেনু, একুশ নদী, একুশ নাম, একুশ পরিধি, একুশ পর্বত, একুশ বাক্য, একুশ বৈরাজ্য, একুশ ময়ুর, একুশ রূপ, একুশ সমিধ, একুশ সাম, একুশ স্তোম ও একুশ স্থান ইত্যাদি। এসব সংখ্যা সহগের ভাবার্থ জানার কৌতুহল জাগে।

অবগতি  (Informed)
এখন পর্যন্ত; সারাবিশ্বের সব শ্বরবিজ্ঞানে ও পুরাণে এরূপ ২টি সংখ্যা পাওয়া যায়। যাদের দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি {২১ দিন}। যথা; ২১০ ও ২১। অত্র গ্রন্থের তৃতীয় অধ্যায়ে-এ পৌরাণিক শূন্যক সূত্র এর অধীনে এদের বর্ণনা করা হয়েছে।

প্রস্তাবনা (Preamble)
২১ (একুশ) বিশ্বের বিভিন্ন সাম্প্রদায়িক, পারম্পরিক, মরমী, আত্মতাত্ত্বিক ও আধ্যাত্মিক সম্প্রদায়ের শ্বরবিজ্ঞান, পুরাণ ও শাস্ত্রীয় পুস্তক-পুস্তিকায় বহুল ব্যবহৃত একটি পৌরাণিক সংখ্যা। সংখ্যাটির দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি বের করতে হবে।

পৌরাণিক সাংখ্যিক পরিচয় (Mathematical numeric identity)
এটি একটি পৌরাণিক মৌলিক মূলক সংখ্যা। কারণ; মানবদেহে বিদ্যমান একই জাতীয় বিষয়বস্তুর সাংখ্যিক প্রতীক রূপে সংখ্যাটি সৃষ্টি করা হয়েছে। আমরা জানি যে; শ্বরবিজ্ঞানে বর্ণিত একুশ দিন মূলক সংখ্যার সাংখ্যিক প্রতীক (Numeric symbol) ২১ (একুশ)। সেজন্য; স্পষ্টভাবে বলা যায় যে; ২১ (একুশ) একটি পৌরাণিক মৌলিক মূলক সংখ্যা

সংজ্ঞা (Definition)
শ্বরবিজ্ঞানে; নারীর জরায়ুতে সন্তান সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাব্য সময়সীমাকে একুশ দিন বলে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
শ্বরবিজ্ঞানী মনীষীগণের মতে; নয় প্রহরে দেহজগৎ চির আবর্তমান। স্মরণীয় যে; শ্বরবিজ্ঞানে; সাড়ে তিন দিনে এক প্রহর ধরা হয়। প্রহরগুলো হলো; ১ ঊষা ২ নিশা ৩ ঊর্ধ্বা ৪ শঙ্কা ৫ বিপদ ৬ নীরব ৭ নিরাপদ ৮ অর্যমা ও ৯ স্রাবণ্য। নারীর জরায়ুতে সন্তান জন্মের সময়সীমা পবিত্রতার প্রথম দিবস হতে ছয় প্রহর বা ২১ দিন। অর্থাৎ; ঋতুমতীদের রজস্রাব প্রত্যাগমনের পর প্রথম দিন হতে ছয় প্রহর বা ২১ দিন পর্যন্ত সন্তান জন্ম নেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অতঃপর; ২২ হতে ২৭ দিন পর্যন্ত সন্তান সৃষ্টি হয় না। তারপর; ২৮শ দিবসে আবার রজস্রাব আগমন করে। তাই; মধ্যপ্রাচ্যের ইসলামী পৌরাণিক বর্ণনায় বলা হয়; প্রভু ছয় প্রহরে আকাশ-ভূমি সৃষ্টি করেন। এখানে আকাশ হলো; নাভির ওপরের অংশ ও ভূমি হলো; নাভির নিচের অংশ।

যদি প্রভু ছয় দিনে আকাশ ও ভূমি সৃষ্টি করেন, তবে; তখন তো কিছুই সৃষ্টিই হয় নি; দিন গণনা করেছিলেন কিভাবে? আরও বড় কথা হলো, ঐ বর্ণনায় আরও আছে যে, তখন; প্রভুর সিংহাসন ছিল জলের ওপর। আকাশ ও ভূমি সৃষ্টির সময় জল পাবে কোথায়? জল থাকবে কোথায়? এসব প্রশ্নের যৎকিঞ্চিৎ উত্তর সাম্প্রদায়িক ঠাক-পুরুৎ ও মোল্লা-মুন্সির নিকট আছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে এসব প্রশ্নের উত্তর মানুষকে দিয়েও আসছেন। তবে; সেগুলো জীবনবিধান সম্মত উত্তর নয়। অন্যদিকে; পবিত্র বেদ, বাইবেল, ত্রিপিটক, তোরাহ, যাবুর, ইঞ্জিল, কুরান, লালন ও বলন এসব মানুষের জীবনবিধান। দেহজগতের প্রশ্নের উত্তর সৌরজগৎ দিয়ে দেওয়ার কারণেই সাম্প্রদায়িক মতবাদের অন্ধবিশ্বাসীদের এরূপ করুণ পরিণতি।

গাণিতক সমাধান (Mathematical solution)
২১ দিন
= {(২১ ÷ ) প্রহর (সাড়ে তিন দিন = ১ প্রহর। তাই; সাড়ে তিন দ্বারা ভাগ করে)}
= {(২১ ÷   ) প্রহর}
= {(২১ ×   ) প্রহর}
= {৩ × ২ প্রহর}
= {৬ প্রহর}

= {মাতৃ জরায়ুতে সন্তান সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাব্য ৬টি প্রহর}

২১ এর মহাকাব্যিক প্রমাণ (Epical evidence of twenty-one)
.   “হে ঋভুগণ তোমরা আমাদের শোভনীয় স্তুতি প্রাপ্ত হয়ে অভিষবকারীকে তিন গুণ সপ্ত প্রকার রত্ন এক এক করে প্রদান করো।” (ঋবেসপ্রখপ্রম, সূ-২০, ঋ-৭)
.   “সে প্রজাপতি থেকে শ্রোত্র, শরৎঋতু, অনুষ্টুপছন্দ, স্বারসাম, মন্থী, একবিংশ বৈরাজ্য ও জমগগ্নি ঋষি পরস্পরা ক্রমে উৎপন্ন হয়েছে।” (যবেসচকাতৃপ্র, ম-২)
.   “তোমরা প্রথম মাসের চৌদ্দ দিনের সন্ধ্যাবেলা হতে আরম্ভ করে সে মাসের একুশ দিন সন্ধ্যাবেলা পর্যন্ত খামিহীন রুটি খাবে। এই সাতদিন তোমাদের বাড়িতে যেন কোনো খামি না থাকে।” (তোরাহ, স্থানান্তর, ১২/১৮-১৯)

.   “সাড়ে তিন দিন জোয়ার ধারা
      একুশ দিনে ভাটা সারা
খালের মাঝে নিগূঢ় কারা
ষোল জনে পাহারা দেয়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৭৮)

তথ্যসূত্র (References)
আত্মতত্ত্ব ভেদ (পৌরাণিক সংখ্যা) (৮ম খণ্ড); লেখক; বলন কাঁইজি।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক সংখ্যা সারণী

পৌরাণিক রূপক সংখ্যার সারণী। এসব সংখ্যা দ্বারাই বিশ্বের সব শ্বরবিজ্ঞান ও পুরাণ রচনা করা হয়েছে। এতে ১৬টি সংখ্যার অথবা আছে। অথবাগুলো ব্যতীত ২১০টি সংখ্যা আছে।

মূলক সংখ্যা ৪০ রূপক সংখ্যা
, , , , , , , , , ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, ১৮, ১৯, ২০, ২১, ২৩, ২৪, ২৫, ২৭, ৩০, ৩২, ৩৬, ৫২, ৫৪, ৭২, ৮০, ৮৪, ২০৬, ৩১০, ৩৬০, ৫০০, ১,০০০, ৬,৬৬৬, ১,০০,০০,০০০, ৩৩, ১৭, ২২, ২৮, ২৯, ৩১, ৩৪, ৩৫, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪২, ৪৪, ৪৫, ৪৬, ৪৮, ৪৯, ৫০, ৫৩, ৫৫, ৬০, ৬১, ৬৩, ৬৫, ৬৬, ৭০, ৭৩, ৭৫, ৭৭, ৮৩, ৮৬, ৮৮, ৯০, ৯৩, ৯৪, ৯৯, ১০০, ১০১, ১০৫, ১০৭, ১১০, ১১৯, ১২০, ১২৩, ১২৭, ১৩০, ১৩৩, ১৩৭, ১৪৪, ১৪৭, ১৫০, ১৫৩, ১৬২, ১৬৮, ১৭৫, ১৮০, ১৮২, ১৮৭, ২০০, ২০৫, ২০৭, ২০৯, ২১০, ২৫০, ২৭৩, ২৭৬, ৩০০, ৩০৯, ৩১৩, ৩১৮, ৩৩৩, ৩৫০, ৩৬৫, ৪০০, ৪০৩, ৪৩০, ৪৫০, ৪৯০, ৫৯৫, ৬০০, ৬০১, ৬৭৫, ৭০০, ৭২০, ৭৭৭, ৭৮২, ৮০০, ৮০৭, ৮১৫, ৮৩০, ৮৪০, ৮৯৫, ৯০০, ৯০৫, ৯১০, ৯১২, ৯৩০, ৯৫০, ৯৬২, ৯৬৯, ৯৯৯, ১,০৬০, ১,২৬০, ১,৩০০, ১,৫০০, ১,৬০০, ১,৮০০, ২,০০০, ২,১২৪, ২,৬৩০, ২,৭৫০, ৩,০০০, ৩,২০০, ৩,৩০০, ৩,৩৩৯, ৩,৬০০, ৪,০০০, ৪,৮০০, ৫,০০০, ৫,৪০০, ৬,০০০, ৬,২০০, ৭,০০০, ৭,৫০০, ৮,০০০, ৮,৫৮০, ৮,৬০০, ৯,৩৩৩, ১০,০০০, ১২,০০০, ১৪,৭০০, ১৫,০০০, ১৬,০০০, ১৭,৭৫০, ১৮,০০০, ২০,০০০, ২২,০০০, ২২,২০০, ২২,২৭৩, ২৩,০০০, ২৪,০০০, ৩০,০০০, ৩০,৫০০, ৩২,০০০, ৩২,২০০, ৩২,৫০০, ৩৫,৪০০, ৩৬,০০০, ৪০,০০০, ৪০,৫০০, ৪১,৫০০, ৪৩,৭৩০, ৪৫,৪০০, ৪৫,৬০০, ৪৫,৬৫০, ৪৬,৫০০, ৫০,০০০, ৫২,৭০০, ৫৩,০০০, ৫৩,৪০০, ৫৪,৪০০, ৫৭,৪০০, ৫৯,৩০০, ৬০,০০০, ৬০,০৯৯, ৬০,৫০০, ৬১,০০০, ৬২,৭০০, ৬৪,৩০০, ৬৪,৪০০, ৭০,০০০, ৭২,০০০, ৭৪,৬০০, ৭৬,৫০০, ৮৪,০০০, ৯০,০০০, ৯৯,০০০, ১,০০,০০০, ১,০৮,১০০, ১,২৪,০০০, ১,৪৪,০০০, ১,৫১,৪৫০, ১,৫৭,৬০০, ১,৮৬,৪০০, ৩,৩৭,৫০০, ৩,৫০,০০০, ৬,০০,০০০, ৬,০১,৭৩০, ৬,০৩,৫৫০, ৬,৭৫,০০০, ৮,৭৭,৩০০, ৯,০০,০০০, ১০,০০,০০০, ৮৪,০০,০০০, ১০,০০,০০,০০০, ১৪,০০,০০,০০০, ১৬,০০,০০,০০০, ২০,০০,০০,০০০, ৩৩,০০,০০,০০০, ৫৪,০০,০০,০০০, ৬০,০০,০০,০০০, ১০০,০০,০০,০০০, ১,০০০,০০,০০,০০০, ১০,০০০,০০,০০,০০০, ১,০০,০০,০০০,০০,০০,০০০, ৩০,১৭,৭৫০, ৭০,১৮,০০০,

পৌরাণিক রূপক সংখ্যার সারণী। এসব সংখ্যা দ্বারাই বিশ্বের সব শ্বরবিজ্ঞান ও পুরাণ রচনা করা হয়েছে। এতে ১৬টি সংখ্যার অথবা আছে। অথবাগুলো ব্যতীত ২১০টি সংখ্যা আছে।

ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!