৩০ (ত্রিশ) পৌরাণিক সংখ্যা

ত্রিশ বছর/ (Thirty years)/ ‘ثلاثون سنة’ (ছালাসুনা সানাতান)

ভূমিকা (Introduction)
বিশ্বের বিভিন্ন শ্বরবিজ্ঞান, পুরাণ, মরমী গীতি, আধ্যাত্মিক, আত্মতাত্ত্বিক, সাম্প্রদায়িক, পারম্পরিক ও শাস্ত্রীয় পুস্তক-পুস্তিকা পাঠ করার সময় প্রায়সই (frequently) ৩০ (ত্রিশ), ডানে শূন্যযুক্ত ৩০ (ত্রিশ) কিংবা ৩০ (ত্রিশ) সহগ বিশিষ্ট পরিভাষা চোখে পড়ে। যেমন; ত্রিশ, ত্রিশ অক্ষর, ত্রিশ অর্হৎ, ত্রিশ অশ্ব, ত্রিশ উট, ত্রিশ ঊষা, ত্রিশ কেজি, ত্রিশ গুণ, ত্রিশ গ্রাম, ত্রিশ জন, ত্রিশ তরুণ, ত্রিশ দিন, ত্রিশ পা, ত্রিশ পাত্র, ত্রিশ বছর, ত্রিশ ভগিনী, ত্রিশ ভিক্ষু, ত্রিশ মাস, ত্রিশ মুদ্রা, ত্রিশ মুহূর্ত, ত্রিশ যাগ, ত্রিশ যোজন, ত্রিশ রাত্র, ত্রিশ রাত্রি, ত্রিশ সাল, ত্রিশ স্থান ও ত্রিশ হাত ইত্যাদি। এসব সংখ্যা সহগের ভাবার্থ জানার কৌতুহল জাগে।

অবগতি  (Informed)
এখন পর্যন্ত; সারাবিশ্বের সব শ্বরবিজ্ঞানে ও পুরাণে এরূপ ২টি সংখ্যা পাওয়া যায়। যাদের দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি {৩০ বছর}। যথা; ৩০,০০০ ও ৩০। অত্র গ্রন্থের তৃতীয় অধ্যায়ে-এ পৌরাণিক শূন্যক সূত্র এর অধীনে এদের বর্ণনা করা হয়েছে।

প্রস্তাবনা (Preamble)
৩০ (ত্রিশ) বিশ্বের বিভিন্ন সাম্প্রদায়িক, পারম্পরিক, মরমী, আত্মতাত্ত্বিক ও আধ্যাত্মিক সম্প্রদায়ের শ্বরবিজ্ঞান, পুরাণ ও শাস্ত্রীয় পুস্তক-পুস্তিকায় বহুল ব্যবহৃত একটি পৌরাণিক সংখ্যা। সংখ্যাটির দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি বের করতে হবে।

পৌরাণিক সাংখ্যিক পরিচয় (Mathematical numeric identity)
এটি একটি পৌরাণিক মৌলিক মূলক সংখ্যা। কারণ; মানবদেহে বিদ্যমান একই জাতীয় বিষয়বস্তুর সাংখ্যিক প্রতীক রূপে সংখ্যাটি সৃষ্টি করা হয়েছে। আমরা জানি যে; শ্বরবিজ্ঞানে বর্ণিত ত্রিশ বছর মূলক সংখ্যার সাংখ্যিক প্রতীক (Numeric symbol) ৩০ (ত্রিশ)। সেজন্য; স্পষ্টভাবে বলা যায়; ৩০ (ত্রিশ) একটি পৌরাণিক মৌলিক মূলক সংখ্যা

সংজ্ঞা (Definition)
শ্বরবিজ্ঞানে; গড়ে এগারো (১১) হতে চল্লিশ (৪০) বছরের মধ্যবর্তী বয়সকালকে মানুষের যৌবনকাল বা যৌবনসেতু বা রূপকার্থে ত্রিশ বছর বলে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
সারাবিশ্বের সব শ্বরবিজ্ঞানী ও আত্মতাত্ত্বিক মনীষীগণ একমত যে; ১১ হতে ৪০ বছরের মধ্যবর্তী ৩০টি বছরই হলো মানুষের যৌবনকাল। শ্বরবিজ্ঞানে উপরোক্ত পরিভাষাগুলো দ্বারা কেবলই মানুষের যৌবনকালের ৩০ বছর বুঝানো হয়। একেই মুসলমান সাম্প্রদায়িক মনীষীগণ রূপকভাবে সিরাতুল মুস্তাক্বিম (ﺼﺮﺍﻄ ﺍﻟﻤﺴﺗﻗﻴﻢ) বা পুলসিরাত (ﭙﻞ ﺼﺮﺍﻄ) বলে থাকেন।

এসব পরিভাষার অর্থ যৌবনপথ, যৌবনসেতু ও যৌবনকাল, যৌবনের ত্রিশ বছর (৩০), মানবজাতির গড়ে এগারো (১১) হতে চল্লিশ বছর (৪০) বয়স পর্যন্ত সময়। ইসলামী পুরাণে যৌবনের এ ত্রিশ বছরের (৩০) অতিক্রম্য পথকে আরবি ভাষায় সিরাতুল মুস্তাক্বিম (ﺼﺮﺍﻄ ﺍﻟﻤﺴﺗﻗﻴﻢ) এবং ফার্সি ভাষায় পুলসিরাত্ব (ﭙﻞ ﺼﺮﺍﻄ) বলা হয়। প্রতিটি নারী-পুরুষ গড়ে চল্লিশ বছর (৪০) বয়স অতিক্রম করলেই পুলসিরাত্ব (ﭙﻞ ﺼﺮﺍﻄ) বা সিরাতুল মুস্তাকিম (ﺼﺮﺍﻄ ﺍﻟﻤﺴﺗﻗﻴﻢ) অতিক্রম করে থাকেন। প্রতিটি মানুষকে প্রতি জন্মেই একবার করে আলোচ্য রূপকথার পুলসিরাত্ব (ﭙﻞ ﺼﺮﺍﻄ) অতিক্রম করতে হয়। শ্বরবিজ্ঞানে আধ্যাত্মিক পাণ্ডিত্যের জন্য যৌবনকালের প্রতি এক (১) বছরকে এক সহস্র বছর (১,০০০) ধরা হয়। যারফলে; যৌবনকালের ত্রিশ বছর (৩০) সমান ত্রিশ সহস্র বছর হয়। এ গণনা মতে; এগারো হতে বিশ (১১-২০) এর মধ্যবর্তী দশ বছর (১০)। অর্থাৎ; এই দশ সহস্র বছর (১০,০০০) যৌবন বাড়তে থাকে, একুশ হতে ত্রিশ (২১-৩০) এর মধ্যবর্তী দশ বছর (১০)। অর্থাৎ; এই দশ সহস্র বছর (১০,০০০) যৌবন স্থির থাকে এবং একত্রিশ হতে চল্লিশ (৩১-৪০) এর মধ্যবর্তী দশ বছর (১০)। অর্থাৎ; এই দশ সহস্র বছর (১০,০০০) যৌবন ভাটির দিকে যেতে থাকে। রূপকারগণ রূপকতত্ত্ব দ্বারা সাধারণ মানুষকে বাণী-বধ বা বাণী-মুগ্ধ করার জন্য বা সাধারণ মানুষকে আড়াল করার জন্য; যৌবনের এই ত্রিশ (৩০) বছর সময়কে আরবীয় ইসলামী পুরাণে ত্রিশ সহস্র বছর (৩০,০০০) বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এখান থেকেই ইসলামী পুরাণে পুলসিরাত ও হিন্দু পুরাণে বৈতরণী পারাপার হওয়ার পৌরাণিক কাহিনী সৃষ্টি করা হয়েছে। ইসলামী পুরাণে বর্ণিত আছে যে; পুলসিরাত হবে ৩০,০০০ হাজার বছরের পথ। সেই সেতুতে উঠতে ১০,০০০ বছর, পাড়ি দিতে ১০,০০০ বছর এবং নামতে ১০,০০০ বছর লাগবে। সেতুটি হবে চুলের চেয়ে চিকন ও হীরার চেয়ে ধারালো। আর অমাবস্যার রাতের মতো ঘুটঘুটে অন্ধকারে সেতুটি পার হওয়ার জন্য আরোহণ করতে হবে। যারা পুণ্যবান তারা অলৌকিক আলো পাবে এবং পার হয়ে যাবে। অন্যদিকে; যারা পাপী তারা কেটে কেটে নিচে পড়বে। নিচে আছে নরক। আর নরকের মধ্যে বিষধর সাপ ও ক্ষুধার্ত বাঘ থাবা ধরে অপেক্ষা করছে। আর আগুন অবিরত জ্বলছে ইত্যাদি।

যৌবনকালের ত্রিশ বছর সময়কেই পুলসিরাতবৈতরণী নামে রূপক নামকরণ করে এরূপ কাল্পনিক ভয়ঙ্কর করে বর্ণনা করা হয়েছে। পরিষ্কারভাবেই বুঝা যায় যে; সেতুতে উঠতে দশ হাজার বছর লাগবে। অর্থাৎ; ১১ হতে ২০ এর মধ্যবর্তী ১০ বছর। ওপরে উল্লেখ করা হয়েছে যে; উক্ত দশ বছর সমান ১০,০০০ বছর। সেতুটি পাড়ি দিতে দশ হাজার বছর লাগবে। অর্থাৎ; ২১ হতে ৩০ এর মধ্যবর্তী ১০ বছর। ওপরে উল্লেখ করা হয়েছে যে; উক্ত দশ বছর সমান ১০,০০০ বছর। আবার; উক্ত সেতু হতে নামতে দশ হাজার বছর লাগবে। অর্থাৎ; ৩১ হতে ৪০ এর মধ্যবর্তী ১০ বছর। ওপরে উল্লেখ করা হয়েছে যে; উক্ত দশ বছর সমান ১০,০০০ বছর। এখন সাম্প্রদায়িক মতবাদের এসব কাল্পনিক কাহিনীর খপ্পর হতে বা অন্ধবিশ্বাস হতে বের হওয়ার সময় হয়েছে।

গাণিতক সমাধান (Mathematical solution)
৩০ বছর
= {৩০ (বছর)}
= {(১০ + ১০ + ১০) (বছর)}
= {(১১ হতে ২০) = ১০ বছর + (২১ হতে ৩০) = ১০ বছর + (৩১ হতে ৪০) = ১০ বছর}
= {(যৌবনের উঠতি কাল ১১ হতে ২০) + (যৌবনের মধ্যম কাল ২১ হতে ৩০) + (যৌবনের শেষ কাল ৩১ হতে ৪০)}।
= {যৌবনের ১০ বছর + যৌবনের মধ্যম ১০ বছর + যৌবনের শেষ ১০ বছর}

৩০ এর মহাকাব্যিক প্রমাণ (Epical evidence of thirty)
.   “ইন্দ্র, সোমপূর্ণ ত্রিশটি কমনীয় পাত্র যুগপৎ পান করলেন।” (ঋবেসদ্বিখঅম, সূ-৭৭, ঋ-৪)
.   “জেতবনে ত্রিশজন ভিক্ষু গন্ধকুটিরে বুদ্ধের নিকট ধর্মোপদেশ শুনতে গেলেন। সে সময়ে কোনো কার্য উপলক্ষে আনন্দস্থবির বুদ্ধের নিকট এসেছিলেন।” (ত্রিপিটক-ধম্মপদ-৩২০)
.   “শালেখের ত্রিশ বছর বয়সে তাঁর ছেলে আবেরের জন্ম হয়। আবেরের জন্মের পর শালেখ আরও চারশত তিন বছর বেঁচে ছিলেন। এরমধ্যে; তার আরও ছেলেমেয়ে হয়েছিল।” (তোরাহ, সূচনাক্রম, ১১/১৪-১৫)
.   “প্রধান নেতারা ত্রিশটি রূপার মুদ্রা গুণে তাকে দিলেন। এরপর হতেই এহুদা কানীনকে ধরিয়ে দিবার জন্য সুযোগ খুঁজতে লাগলেন।” (ইঞ্জিল-১ম খণ্ডঃ মথি, ২৬/১৫-১৬)
.   “وَوَاعَدْنَا مُوسَى ثَلَاثِينَ لَيْلَةً وَأَتْمَمْنَاهَا بِعَشْرٍ فَتَمَّ مِيقَاتُ رَبِّهِ أَرْبَعِينَ لَيْلَةً وَقَالَ مُوسَى لِأَخِيهِ هَارُونَ اخْلُفْنِي فِي قَوْمِي وَأَصْلِحْ وَلَا تَتَّبِعْ سَبِيلَ الْمُفْسِدِينَ(١٤٢)”
অর্থ; “আমি পরশুর সঙ্গে ত্রিশ রাত্রির অঙ্গিকার করেছিলাম। এবং দশদিন সহ তা পূর্ণ করেছিলাম। পরে তার প্রতিপালকের চল্লীশরাত্রির অঙ্গিকার পূর্ণ হয়েছিল। এবং পরশু তার ভাই ভাণ্ডারীকে বলেছিল- “আমার দলে তুমি আমার স্থলাভিষিক্ত হও ও সদানুষ্ঠান করো, অত্যাচারিদের পথের অনুসরণ করো না।” (কুরান; আরাফ১৪৩)

.   “পুষ্করিনী তিনকোণা,
রয়েছে লাল নিশানা,
চিন্তামণি মাসে মাসে খেলে,
রসিক ডুবুরী যারা,
টের করে নিচ্ছে তারা,
পুষ্করিনী হতে মোতি নিচ্ছে তুলে।” (পবিত্র লালন- ১৫৯/৩)

.   “ত্রিশ বছর মানুষ নিধি
      আসে যায় নিরবধি
অধর-মানুষ ধরবি যদি
একপদে ত্রিবেণী বয়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৬২)

তথ্যসূত্র (References)
আত্মতত্ত্ব ভেদ (পৌরাণিক সংখ্যা) (৮ম খণ্ড); লেখক; বলন কাঁইজি।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক সংখ্যা সারণী

পৌরাণিক রূপক সংখ্যার সারণী। এসব সংখ্যা দ্বারাই বিশ্বের সব শ্বরবিজ্ঞান ও পুরাণ রচনা করা হয়েছে। এতে ১৬টি সংখ্যার অথবা আছে। অথবাগুলো ব্যতীত ২১০টি সংখ্যা আছে।

মূলক সংখ্যা ৪০ রূপক সংখ্যা
, , , , , , , , , ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, ১৮, ১৯, ২০, ২১, ২৩, ২৪, ২৫, ২৭, ৩০, ৩২, ৩৬, ৫২, ৫৪, ৭২, ৮০, ৮৪, ২০৬, ৩১০, ৩৬০, ৫০০, ১,০০০, ৬,৬৬৬, ১,০০,০০,০০০, ৩৩, ১৭, ২২, ২৮, ২৯, ৩১, ৩৪, ৩৫, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪২, ৪৪, ৪৫, ৪৬, ৪৮, ৪৯, ৫০, ৫৩, ৫৫, ৬০, ৬১, ৬৩, ৬৫, ৬৬, ৭০, ৭৩, ৭৫, ৭৭, ৮৩, ৮৬, ৮৮, ৯০, ৯৩, ৯৪, ৯৯, ১০০, ১০১, ১০৫, ১০৭, ১১০, ১১৯, ১২০, ১২৩, ১২৭, ১৩০, ১৩৩, ১৩৭, ১৪৪, ১৪৭, ১৫০, ১৫৩, ১৬২, ১৬৮, ১৭৫, ১৮০, ১৮২, ১৮৭, ২০০, ২০৫, ২০৭, ২০৯, ২১০, ২৫০, ২৭৩, ২৭৬, ৩০০, ৩০৯, ৩১৩, ৩১৮, ৩৩৩, ৩৫০, ৩৬৫, ৪০০, ৪০৩, ৪৩০, ৪৫০, ৪৯০, ৫৯৫, ৬০০, ৬০১, ৬৭৫, ৭০০, ৭২০, ৭৭৭, ৭৮২, ৮০০, ৮০৭, ৮১৫, ৮৩০, ৮৪০, ৮৯৫, ৯০০, ৯০৫, ৯১০, ৯১২, ৯৩০, ৯৫০, ৯৬২, ৯৬৯, ৯৯৯, ১,০৬০, ১,২৬০, ১,৩০০, ১,৫০০, ১,৬০০, ১,৮০০, ২,০০০, ২,১২৪, ২,৬৩০, ২,৭৫০, ৩,০০০, ৩,২০০, ৩,৩০০, ৩,৩৩৯, ৩,৬০০, ৪,০০০, ৪,৮০০, ৫,০০০, ৫,৪০০, ৬,০০০, ৬,২০০, ৭,০০০, ৭,৫০০, ৮,০০০, ৮,৫৮০, ৮,৬০০, ৯,৩৩৩, ১০,০০০, ১২,০০০, ১৪,৭০০, ১৫,০০০, ১৬,০০০, ১৭,৭৫০, ১৮,০০০, ২০,০০০, ২২,০০০, ২২,২০০, ২২,২৭৩, ২৩,০০০, ২৪,০০০, ৩০,০০০, ৩০,৫০০, ৩২,০০০, ৩২,২০০, ৩২,৫০০, ৩৫,৪০০, ৩৬,০০০, ৪০,০০০, ৪০,৫০০, ৪১,৫০০, ৪৩,৭৩০, ৪৫,৪০০, ৪৫,৬০০, ৪৫,৬৫০, ৪৬,৫০০, ৫০,০০০, ৫২,৭০০, ৫৩,০০০, ৫৩,৪০০, ৫৪,৪০০, ৫৭,৪০০, ৫৯,৩০০, ৬০,০০০, ৬০,০৯৯, ৬০,৫০০, ৬১,০০০, ৬২,৭০০, ৬৪,৩০০, ৬৪,৪০০, ৭০,০০০, ৭২,০০০, ৭৪,৬০০, ৭৬,৫০০, ৮৪,০০০, ৯০,০০০, ৯৯,০০০, ১,০০,০০০, ১,০৮,১০০, ১,২৪,০০০, ১,৪৪,০০০, ১,৫১,৪৫০, ১,৫৭,৬০০, ১,৮৬,৪০০, ৩,৩৭,৫০০, ৩,৫০,০০০, ৬,০০,০০০, ৬,০১,৭৩০, ৬,০৩,৫৫০, ৬,৭৫,০০০, ৮,৭৭,৩০০, ৯,০০,০০০, ১০,০০,০০০, ৮৪,০০,০০০, ১০,০০,০০,০০০, ১৪,০০,০০,০০০, ১৬,০০,০০,০০০, ২০,০০,০০,০০০, ৩৩,০০,০০,০০০, ৫৪,০০,০০,০০০, ৬০,০০,০০,০০০, ১০০,০০,০০,০০০, ১,০০০,০০,০০,০০০, ১০,০০০,০০,০০,০০০, ১,০০,০০,০০০,০০,০০,০০০, ৩০,১৭,৭৫০, ৭০,১৮,০০০,

পৌরাণিক রূপক সংখ্যার সারণী। এসব সংখ্যা দ্বারাই বিশ্বের সব শ্বরবিজ্ঞান ও পুরাণ রচনা করা হয়েছে। এতে ১৬টি সংখ্যার অথবা আছে। অথবাগুলো ব্যতীত ২১০টি সংখ্যা আছে।

ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!