৩ (তিন) পৌরাণিক সংখ্যা

তিন তার/  (Three wires)/ ‘ثلاثة أسلاك’ (সালাসাতা সালাকি)

ভূমিকা (Introduction)
বিশ্বের বিভিন্ন শ্বরবিজ্ঞান, পুরাণ, মরমী গীতি, আধ্যাত্মিক, আত্মতাত্ত্বিক, সাম্প্রদায়িক, পারম্পরিক ও শাস্ত্রীয় পুস্তক-পুস্তিকা পাঠ করার সময় প্রায়সই (frequently) (তিন), ডানে শূন্যযুক্ত ৩ (তিন) কিংবা ৩ (তিন) সহগ বিশিষ্ট পরিভাষা চোখে পড়ে। যেমন; তিন, তিন অদিতি, তিন অন্ধকার, তিন অন্ন, তিন অনাবৃত, তিন অনুমতি, তিন অর্থ, তিন অংশ, তিন অস্ত্র, তিন অস্বীকার, তিন অসুর, তিন আক্রমন, তিন আকার, তিন আকাশ, তিন আগমন, তিন আঘাত, তিন আধার, তিন আবৃত্তি, তিন আর্য প্রজা, তিন আশ্রয়, তিন উত্তর দ্বার, তিন উপাদান, তিন ঊর্ধ্ব, তিন ঊষা, তিন ঋষি, তিন ঔষধি, তিন কক্ষ, তিন কথার, তিন করব, তিন কলি, তিন কাঁই, তিন কাল, তিন কোণা, তিন কোশ, তিন কোশী, তিন খণ্ড, তিন খানি, তিন খুঁটি, তিন গাছি, তিন গুণ, তিন গমন, তিন গুহা, তিন ঘন্টা, তিন ঘর, তিন ঘাট, তিন চক্র, তিন চক্ষু, তিন চন্দ্র, তিন চরণ, তিন চামস, তিন ছিদ্র, তিন ছেলে, তিন ছৈল (ছেলে), তিন জগৎ, তিন জন, তিন জনপদ, তিন জনা, তিন জন্ম, তিন জন্মস্থান, তিন জিহবা, তিন জ্যোতিষ্ক, তিন ঝিঁক, তিন যক্ষ্মা, তিন টুকরী, তিন ডাল, তিন তনুণ্ড, তিন তলা, তিন তার, তিন তারা, তিন তারিখ, তিন তাল, তিন তূরীবাদক, তিন তেজ, তিন দক্ষিণ দ্বার, তিন দিক, তিন দিন, তিন দীপ্ত, তিন দেব, তিন দেবলোক, তিন দেবী, তিন দ্যুলোক, তিন দ্বার, তিন দ্রব্য, তিন ধন, তিন ধাতু, তিন ধার, তিন ধারা, তিন ধ্বনি, তিন নদী, তিন নাভি, তিন নাম, তিন নারী, তিন নাল, তিন নালা, তিন নির্জনতা, তিন নিষ্কর্ষণ, তিন নিষ্পীড়ন, তিন নিঃর্ঋতির, তিন পথ, তিন পদ, তিন পদক্ষেপ, তিন পবিত্র,তিন পশ্চিশ দ্বার, তিন পাগল, তিন পা দানি, তিন পাড়, তিন পিতা, তিন পিষ্ঠ, তিন পুত্র, তিন পুরুষ, তিন পূর্ব দ্বার, তিন পৃথিবী, তিন পেয়ালা, তিন পোড়া, তিন প্রকার, তিন প্রকোষ্ঠ, তিন প্রকরণ, তিন প্রাণ, তিন প্রজা, তিন ফল, তিন ফুল, তিন বক্ষ, তিন বছর, তিন বজ্র, তিন বদ্ধ, তিন বন্ধন, তিন বন্ধুর, তিন বর্ণ, তিন বাক্য, তিন বাঞ্চা, তিনবার, তিন বারি বাহক, তিন বাসনা, তিন বাসস্থান, তিন বিপুল, তিন বিশ্রামবার, তিন বীর্য, তিন বুদ্ধ, তিন বুদ্ধি, তিন বেদ, তিন ব্যক্তি, তিন ব্যাপ্তস্থান, তিন ব্রত, তিন ভগ্নী, তিন ভাগ, তিন ভূত, তিন ভুবন, তিন ভূমি, তিন মঘবা, তিন মতি, তিন মন, তিন মরম, তিন মরা, তিন মস্তক, তিন মাতা, তিন মানুষ, তিন মারা, তিন মালা, তিন মাস, তিন মূর্তি, তিন যজ্ঞ, তিন যাগ, তিন যুগ, তিন যোগ, তিন রং, তিন রক্ষাকার্য, তিন রক্ষী, তিন রজ্জু, তিন রস, তিন রতি, তিন রথী, তিন রাক্ষস, তিন রাত, তিন রাত্রী, তিন রুটি, তিন রূপ, তিন রোগ, তিন লোক, তিন রশ্মি, তিন শত্রু, তিন শরীর, তিন শশী, তিন শহর, তিন শিক্ষা, তিন শিষ্য, তিন শ্রেণী, তিন সতিন, তিন সন্তান, তিন সন্ধি, তিন সবন, তিন সম্বৎসর, তিন সমুদ্র, তিন সময়, তিন সরাই গ্রাম, তিন সরোবর, তিন সাক্ষ্য, তিন সাক্ষী, তিন সাধন, তিন সুগতি, তিন সূত্র, তিন সূর্য, তিন সের, তিন সোম, তিন সোমাভিষব, তিন স্তোভ, তিন স্তুতি, তিন স্তম্ভ, তিন স্তর, তিন স্থান, তিন স্বর, তিন স্রক, তিন হবি, তিন হাত, তেতার, তেতালা, তেতলা, তেমাথা, তেহাটা, তৃতীয় ঋতু, তৃতীয় কার্য, তৃতীয় জন্ম, তৃতীয় জীবন্ত প্রাণী, তৃতীয় জ্যোতির্ময়তা, তৃতীয় তল, তৃতীয় দল, তৃতীয় দিন, তৃতীয় দিবালোক, তৃতীয় দুইটা, তৃতীয় নাগলোক, তৃতীয় পতি, তৃতীয় পুরুষ, তৃতীয় প্রতীতি, তৃতীয় ভ্রাতা, তৃতীয় লোক, তৃতীয় সবন, তৃতীয় স্তব, তৃতীয় স্থান, ত্রি অগ্নি, ত্রি অভীষ্ট, ত্রি কারা, ত্রিকালজ্ঞ, ত্রি কোণ, ত্রি কর্ম, ত্রি খণ্ড, ত্রি গুণ, ত্রি চক্র, ত্রি জগৎ, ত্রি জ্বালা, ত্রি ঝর্ণা, ত্রি তত্ত্ব, ত্রি তাপ, ত্রি তেজ, ত্রি দল, ত্রি দিবপতি, ত্রি ধমনী, ত্রি ধাতু, ত্রি ধারা, ত্রি ধারী, ত্রি ধন, ত্রি নয়নী, ত্রি নাল, ত্রি পাপ, ত্রি পিটক, ত্রি-পিতৃপুরুষ, ত্রি পুর, ত্রি প্রাণ, ত্রি ফল, ত্রি বন্ধুর, ত্রি বর্গ, ত্রি বরুথ, ত্রি বিদ্যা, ত্রি বিধ, ত্রি বিমুক্তি, ত্রি বীণনগর, ত্রি বীণি, ত্রি বৃত, ত্রি বৃষ্ণ, ত্রিবেণী, ত্রি বেদ, ত্রি ভঙ্গ, ত্রি ভব, ত্রি ভুবন, ত্রি মণি, ত্রি মণিধর, ত্রি মণ্ডল, ত্রি মস্তক, ত্রি মাত্রা, ত্রি মোহনা, ত্রি যোগ, ত্রি রক্ষক, ত্রি রশ্মি, ত্রি রস, ত্রি রসী, ত্রি রূপ, ত্রি রূপী, ত্রি লক্ষণ, ত্রি লোক, ত্রিলোচন, ত্রিলোচনী, ত্রি শরণ, ত্রি শাখা, ত্রিশূল, ত্রি শোক, ত্রিসন্ধ্যা, ত্রি সম্বৎসর, ত্রি সামর্থ, ত্রি সৃষ্টি, ত্রেতা, ত্রোয়া ও ত্রোয়া শহর ইত্যাদি। এসব সংখ্যা সহগের ভাবার্থ জানার কৌতুহল জাগে।

অবগতি  (Informed)
এখন পর্যন্ত; সারাবিশ্বের সব শ্বরবিজ্ঞানে ও পুরাণে এরূপ ৫টি সংখ্যা পাওয়া যায়। যাদের দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি {৩ তার}। যথা; ৩৩,০০,০০,০০০; ৩,৩০০; ৩,০০০; ৩০০ ও ৩। যথাযথ স্থানে এদের সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হয়েছে।

প্রস্তাবনা (Preamble)
(তিন) বিশ্বের বিভিন্ন সাম্প্রদায়িক, পারম্পরিক, মরমী, আত্মতাত্ত্বিক ও আধ্যাত্মিক সম্প্রদায়ের শ্বরবিজ্ঞান, পুরাণ ও শাস্ত্রীয় পুস্তক-পুস্তিকায় বহুল ব্যবহৃত একটি পৌরাণিক সংখ্যা। সংখ্যাটির দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি বের করতে হবে।

পৌরাণিক সাংখ্যিক পরিচয় (Mathematical numeric identity)
এটি একটি পৌরাণিক মৌলিক মূলক সংখ্যা। কারণ; মানবদেহে বিদ্যমান একই জাতীয় বিষয়বস্তুর সাংখ্যিক প্রতীক রূপে সংখ্যাটি সৃষ্টি করা হয়েছে। আমরা জানি যে; শ্বরবিজ্ঞানে বর্ণিত তিন তার মূলক সংখ্যার সাংখ্যিক প্রতীক (Numeric symbol) (তিন)। সেজন্য; স্পষ্টভাবে বলা যায়; (তিন) একটি পৌরাণিক মৌলিক মূলক সংখ্যা

সংজ্ঞা (Definition)
শ্বরবিজ্ঞানে; নাসিকার দুই শ্বাস ও মোটা শিরাকে একত্রে তিন তার বলে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
শ্বরবিজ্ঞানে তিন তার বলতে নাসিকার ইড়া, পিঙ্গলাসুষুম্না বুঝায়। ‘ইড়া’ হলো ‘বামশ্বাস’, ‘পিঙ্গলা’ হলো ‘ডানশ্বাস’ ও ‘সুষুম্না’ হলো নাসিকার মধ্যমা বরাবর অবস্থিত ও ঘাড়ের মোটা শিরার সাথে সংযুক্ত শিরা বিশেষ। শ্বরবিজ্ঞানে নাসিকার বাম, ডান ও মধ্যমাকেই রূপকার্থে ‘তিন তার বলা হয়। এর ইংরেজি পরিভাষা Three wires (থ্রি অয়্যারস) ও আরবি পরিভাষা ‘ثلاثة أسلاك’ (সালাসাতা সালাকি)। পরিশেষে বলা যায় যে; সারাবিশ্বের সর্ব প্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক শ্বরবিজ্ঞান, পুরাণ ও শাস্ত্রীয় পুস্তক-পুস্তিকায় বর্ণিত ৩ তার হলো মানুষের ইড়া, পিঙ্গলাসুষুম্না

গাণিতক সমাধান (Mathematical solution)
৩ তার
= {ইড়া + পিঙ্গলা + সুষুম্না}
= {১ ইড়া + ১ পিঙ্গলা + ১ সুষুম্না}
= {(১ + ১ + ১) (ইড়া/ পিঙ্গলা/ সুষুম্না)}
= {৩ (ইড়া/ পিঙ্গলা/ সুষুম্না)}

= {নাসিকার দুই শ্বাস ও মোটা শিরা বিশেষ}

তিন তার/  (Three wires)/‘ثلاثة أسلاك’ (সালাসাতা সালাকি)

. ইড়া/ (Chill) (চিল)/ ‘برودة’ (বুরুদা)
শ্বরবিজ্ঞানে নাসিকার বাম ছিদ্র পথে চলাচলকারী শ্বাসকে ইড়া বলে।

টীকা (Annotation)
বিস্তারিত জানার জন্য; আত্মতত্ত্ব ভেদ ৬ষ্ঠ খণ্ডের ৬০ বাম/ Left (লেফ্ট)/ ‘يسار’ (ইউসার) এর অধীনে বর্ণিত ৬০/৪ ইড়া/ Cooler  (কোলার)/ ‘المبرد’ (আলমুবাররিদ) দেখুন।

. পিঙ্গলা/ (Parcher) (পার্সার)/ ‘مجفف’ (মুজাফফিফ)

শ্বরবিজ্ঞানে নাসিকার ডান ছিদ্র পথে চলাচলকারী শ্বাসকে পিঙ্গলা বলে।

টীকা (Annotation)

বিস্তারিত জানার জন্য; আত্মতত্ত্ব ভেদ ৫ম খণ্ডের ৩১ ডান/ Right (রাইট)/ ‘ﻴﻤﻴﻦ’ (ইয়ামিন) এর অধীনে বর্ণিত ৩১/৪ পিঙ্গলা/ Parcher (পার্সার)/ ‘مجفف’ (মুজাফফিফ) দেখুন।

. সুষুম্না/ (Spinal cord)/ ‘الحبل الشوكي’ (আলহাবলু আশশারকিউ)
মস্তিষ্ক হতে মেরুদণ্ডের মধ্যভাগ দিয়ে শরীরের হস্ত ও পদ পর্যন্ত প্রলম্বিত মোটাশিরাকে মধ্যমা বা সুমুম্না বলে।

টীকা (Annotation)
বিস্তারিত জানার জন্য; আত্মতত্ত্ব ভেদ ৫ম খণ্ডের ৭৮ মোটাশিরা/ Arteritis (আর্টিরিটিস)/ ‘شرايين’ (শারাইন) এর অধীনে বর্ণিত ৭৮/৪ সুষুম্না/ Spinescent (স্পিনেসেন্ট)/ ‘وريد’ (ওয়ারিদ) দেখুন।

৩ এর মহাকাব্যিক প্রমাণ (Epical evidence of three)
.    “হে অশ্বি দ্বয়! তিনটি বন্ধুর বিশিষ্ট ত্রিকোণ রথে মদকর সোম পানার্থে এসো।” (ঋবেসদ্বিখঅম, সূ-৮৫, ঋ-৮)
.    “হে মেধাবী অশ্বি দ্বয়! তোমরা অদ্য তিনবার আমাদের জন্য এসো।” (ঋবেসপ্রখপ্রম, সূ-৩৪, ঋ-১)
.    “বুদ্ধ তাদের সকলকে করুণাপূর্ণ মধুরস্বরে ডেকে নিকটে এনে মধুর ও মঙ্গলজনক উপদেশদানে মুগ্ধ করে ত্রিশরণ মন্ত্র দিলেন।” (ত্রিপিটক-ধম্মপদ-৩৬৯)
.    “কোনো মানুষকে হত্যা করতে হলে দুই বা তিনজন সাক্ষীর কথার ওপর ভরসা করে তা করতে হবে, মাত্র একজন সাক্ষীর কথার ওপর ভরসা করে তা করা চলবে না।” (তোরাহ, দ্বিতীয় বিবরণ, ১৭/৬-৭)
.    “কিন্তু যদি সে না শুনে, তবে; অন্য দুই একজনকে তোমার সঙ্গে নিয়ে যেও, যেন দুই বা তিনজন সাক্ষীর কথায় প্রত্যেকটি বিষয় সত্য বলে প্রমাণিত হয়।” (ইঞ্জিল-১ম খণ্ডঃ মথি, ১৮/১৬)
.    “انطَلِقُوا إِلَى ظِلٍّ ذِي ثَلَاثِ شُعَبٍ  (৩০) لَا ظَلِيلٍ وَلَا يُغْنِي مِنْ اللَّهَبِ  (৩১)”
অর্থ; “ত্রিবেণীর ছায়ার দিকে ছুটে যাও (৩০) তা ছায়া প্রদায়ক নয় এবং তা জ্বলন্ত অগ্নি প্রশমিত করবে না (৩১)।” (কুরান; মুরসালাত৩০৩১)

.   “সময় গেলে সাধন হবে না,
দিন থাকিতে তিনের সাধন কেন করলি না।” (পবিত্র লালন- ৯২১/১)

.   “ছয় মাসের এক কন্যা ছিল, নয় মাসে তার বিয়ে হলো,
এগারো মাসে তিন সন্তান হলো, কোনটা করবে ফকিরি।” (পবিত্র লালন- ৪৪০/২)

.    “সাধু পেলে চরণ ধরে, অমূল্য-ধন বিক্রি করে,
ঘর বাঁধ গিয়ে ঢাকায়, (তেতলা) মালখানা নিলামেতে যায়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৯১)

তথ্যসূত্র (References)
আত্মতত্ত্ব ভেদ (পৌরাণিক সংখ্যা) (৮ম খণ্ড); লেখক; বলন কাঁইজি।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক সংখ্যা সারণী

পৌরাণিক রূপক সংখ্যার সারণী। এসব সংখ্যা দ্বারাই বিশ্বের সব শ্বরবিজ্ঞান ও পুরাণ রচনা করা হয়েছে। এতে ১৬টি সংখ্যার অথবা আছে। অথবাগুলো ব্যতীত ২১০টি সংখ্যা আছে।

মূলক সংখ্যা ৪০ রূপক সংখ্যা
, , , , , , , , , ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, ১৮, ১৯, ২০, ২১, ২৩, ২৪, ২৫, ২৭, ৩০, ৩২, ৩৬, ৫২, ৫৪, ৭২, ৮০, ৮৪, ২০৬, ৩১০, ৩৬০, ৫০০, ১,০০০, ৬,৬৬৬, ১,০০,০০,০০০, ৩৩, ১৭, ২২, ২৮, ২৯, ৩১, ৩৪, ৩৫, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪২, ৪৪, ৪৫, ৪৬, ৪৮, ৪৯, ৫০, ৫৩, ৫৫, ৬০, ৬১, ৬৩, ৬৫, ৬৬, ৭০, ৭৩, ৭৫, ৭৭, ৮৩, ৮৬, ৮৮, ৯০, ৯৩, ৯৪, ৯৯, ১০০, ১০১, ১০৫, ১০৭, ১১০, ১১৯, ১২০, ১২৩, ১২৭, ১৩০, ১৩৩, ১৩৭, ১৪৪, ১৪৭, ১৫০, ১৫৩, ১৬২, ১৬৮, ১৭৫, ১৮০, ১৮২, ১৮৭, ২০০, ২০৫, ২০৭, ২০৯, ২১০, ২৫০, ২৭৩, ২৭৬, ৩০০, ৩০৯, ৩১৩, ৩১৮, ৩৩৩, ৩৫০, ৩৬৫, ৪০০, ৪০৩, ৪৩০, ৪৫০, ৪৯০, ৫৯৫, ৬০০, ৬০১, ৬৭৫, ৭০০, ৭২০, ৭৭৭, ৭৮২, ৮০০, ৮০৭, ৮১৫, ৮৩০, ৮৪০, ৮৯৫, ৯০০, ৯০৫, ৯১০, ৯১২, ৯৩০, ৯৫০, ৯৬২, ৯৬৯, ৯৯৯, ১,০৬০, ১,২৬০, ১,৩০০, ১,৫০০, ১,৬০০, ১,৮০০, ২,০০০, ২,১২৪, ২,৬৩০, ২,৭৫০, ৩,০০০, ৩,২০০, ৩,৩০০, ৩,৩৩৯, ৩,৬০০, ৪,০০০, ৪,৮০০, ৫,০০০, ৫,৪০০, ৬,০০০, ৬,২০০, ৭,০০০, ৭,৫০০, ৮,০০০, ৮,৫৮০, ৮,৬০০, ৯,৩৩৩, ১০,০০০, ১২,০০০, ১৪,৭০০, ১৫,০০০, ১৬,০০০, ১৭,৭৫০, ১৮,০০০, ২০,০০০, ২২,০০০, ২২,২০০, ২২,২৭৩, ২৩,০০০, ২৪,০০০, ৩০,০০০, ৩০,৫০০, ৩২,০০০, ৩২,২০০, ৩২,৫০০, ৩৫,৪০০, ৩৬,০০০, ৪০,০০০, ৪০,৫০০, ৪১,৫০০, ৪৩,৭৩০, ৪৫,৪০০, ৪৫,৬০০, ৪৫,৬৫০, ৪৬,৫০০, ৫০,০০০, ৫২,৭০০, ৫৩,০০০, ৫৩,৪০০, ৫৪,৪০০, ৫৭,৪০০, ৫৯,৩০০, ৬০,০০০, ৬০,০৯৯, ৬০,৫০০, ৬১,০০০, ৬২,৭০০, ৬৪,৩০০, ৬৪,৪০০, ৭০,০০০, ৭২,০০০, ৭৪,৬০০, ৭৬,৫০০, ৮৪,০০০, ৯০,০০০, ৯৯,০০০, ১,০০,০০০, ১,০৮,১০০, ১,২৪,০০০, ১,৪৪,০০০, ১,৫১,৪৫০, ১,৫৭,৬০০, ১,৮৬,৪০০, ৩,৩৭,৫০০, ৩,৫০,০০০, ৬,০০,০০০, ৬,০১,৭৩০, ৬,০৩,৫৫০, ৬,৭৫,০০০, ৮,৭৭,৩০০, ৯,০০,০০০, ১০,০০,০০০, ৮৪,০০,০০০, ১০,০০,০০,০০০, ১৪,০০,০০,০০০, ১৬,০০,০০,০০০, ২০,০০,০০,০০০, ৩৩,০০,০০,০০০, ৫৪,০০,০০,০০০, ৬০,০০,০০,০০০, ১০০,০০,০০,০০০, ১,০০০,০০,০০,০০০, ১০,০০০,০০,০০,০০০, ১,০০,০০,০০০,০০,০০,০০০, ৩০,১৭,৭৫০, ৭০,১৮,০০০,

পৌরাণিক রূপক সংখ্যার সারণী। এসব সংখ্যা দ্বারাই বিশ্বের সব শ্বরবিজ্ঞান ও পুরাণ রচনা করা হয়েছে। এতে ১৬টি সংখ্যার অথবা আছে। অথবাগুলো ব্যতীত ২১০টি সংখ্যা আছে।

ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!