৪ (চার) পৌরাণিক সংখ্যা

চার চন্দ্র/ (Four moons)/ ‘أربعة قمر’ (আরবায়া ক্বামরা)

ভূমিকা (Introduction)
বিশ্বের বিভিন্ন শ্বরবিজ্ঞান, পুরাণ, মরমী গীতি, আধ্যাত্মিক, আত্মতাত্ত্বিক, সাম্প্রদায়িক, পারম্পরিক ও শাস্ত্রীয় পুস্তক-পুস্তিকা পাঠ করার সময় প্রায়সই (frequently) (চার), ডানে শূন্যযুক্ত ৪ (চার) কিংবা ৪ (চার) সহগ বিশিষ্ট পরিভাষা চোখে পড়ে। যেমন; চার, চার অংশ, চার অক্ষ, চার অক্ষর, চার অগ্নি, চার অঙ্গ, চার অভিপ্লব, চার অর্হৎ, চার অশ্ব, চার অসূর্য, চার আঙ্গুল, চার আদিত্য, চার আর্য মার্গ, চার আর্যসত্য, চার ইয়ার, চার ঈর্ষা পথ, চার ঊধ (বাট, স্তন), চার ঋক, চার ঋত্বিক, চার ওঘ, চার কড়া, চার কন্যা, চার কপর্দক, চার কপাল, চার কলস, চার কার, চার কিতাব, চার কিনারা, চার কুম্ভ, চার কোণ, চার কোণা, চার খুঁটি, চার গাড়ী, চার গাভী, চার গুণ, চার গোল, চার গ্রন্থি, চার চক্ষু, চার চন্দ্র, চার চরু, চার চাঁদ, চার চামস, চার ছন্দ, চার জন, চার জল, চার জ্ঞান, চার ডাল, চার ত্বরীকা, চার তৃষ্ণা, চার দল, চার দিক, চার দিবস, চার দুষ্কর্ম, চার দেব, চার দেশ, চার দ্বার, চার ধন, চার ধনী, চার ধেনু, চার ধ্যান, চার নদী, চার নমস্কার, চার নারী, চার নায়ক, চার নূর, চার নোংগর, চার নৌকা, চার পক্ষী, চার পতি, চার পত্নী, চার পথ, চার পদী, চার পর্দা, চার পর্যায়, চার পা, চার পা দানি, চার পাপ, চার পায়া, চার পাশ, চার পুত্র, চার পুরুষ, চার পেয়ালা, চার প্রতীতি, চার প্রাণী, চার প্রচার, চার প্রধান, চার প্রস্তর, চার ফল, চার ফুল, চার বছর, চার বলদ, চার বাক্য, চার বাহক, চার বিভাগ, চার বেণী, চার বেদ, চার ব্র‏হ্ম, চার ব্র‏‏হ্মলোক, চার ব্রা‏হ্মণ, চার ভঙ্গ, চার ভাগ, চার ভুবন, চার ভূত, চার ভূমি, চার ভেড়া, চার মত, চার মন্ত্র, চার মহাদিক, চার মার্গ, চার মার্গফল, চার মাস, চার যাজন, চার যুগ, চার যুগল, চার যোনি, চার রং, চার রক্ষাকার্য, চার রস, চার রাত্র, চার রাহ, চার রূপ, চার লায়েক, চার শপথ, চার শব্দ, চার শরাব, চার শাখা, চার শিশু, চার শীল, চার সংখ্যা, চার সন্তান, চার সম্রাট, চার সমুদ্র, চার সাক্ষী, চার সারি, চার সৈন্য, চার সোম, চার স্কন্ধ, চার স্তোম, চার স্থান, চার স্থালী, চার স্বামী, চার হাত, চতুর্থ, চতুর্থ অংশ, চতুর্থ আশ্রম, চতুর্থ কাণ্ড, চতুর্থ কপাল, চতুর্থ গুণ, চতুর্থ তালা, চতুর্থ দিক, চতুর্থ দিন, চতুর্থ ধাম, চতুর্থ ধারা, চতুর্থ নদী, চতুর্থ পার্শ্ব, চতুর্থ পতি, চতুর্থ পদ, চতুর্থ পদা, চতুর্থ বছর, চতুর্থ বর্গ, চতুর্থ বর্গফল, চতুর্থ বাক, চতুর্থ ভূত, চতুর্থ মাস্য, চতুর্থ মায়া, চতুর্থ মুখ, চতুর্থ রূপ, চতুর্থ শৃঙ্গ, চতুর্থ স্তোম, চতুর্থ স্তর, চতুর্থ স্থান, চতুর্থ হোতু, চতুর্দল, চতুর্ভূত, চতুষ্পদ ও চৌ পা ইত্যাদি।

অবগতি  (Informed)
এখন পর্যন্ত; সারাবিশ্বের সব শ্বরবিজ্ঞানে ও পুরাণে এরূপ ৫টি সংখ্যা পাওয়া যায়। যাদের দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি {৪ চন্দ্র}। যথা; ৪০,০০০; ৪,০০০; ৪০০; ৪০ ও ৪। তৃতীয় অধ্যায়ে-এ পৌরাণিক শূন্যক সূত্র এর অধীনে এদের বর্ণনা করা হয়েছে।

প্রস্তাবনা (Preamble)
(চার) বিশ্বের বিভিন্ন সাম্প্রদায়িক, পারম্পরিক, মরমী, আত্মতাত্ত্বিক ও আধ্যাত্মিক সম্প্রদায়ের শ্বরবিজ্ঞান, পুরাণ ও শাস্ত্রীয় পুস্তক-পুস্তিকায় বহুল ব্যবহৃত একটি পৌরাণিক সংখ্যা। সংখ্যাটির দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি বের করতে হবে।

পৌরাণিক সাংখ্যিক পরিচয় (Mathematical numeric identity)
এটি একটি পৌরাণিক মৌলিক মূলক সংখ্যা। কারণ; মানবদেহে বিদ্যমান একই জাতীয় বিষয়বস্তুর সাংখ্যিক প্রতীক রূপে সংখ্যাটি সৃষ্টি করা হয়েছে। আমরা জানি যে; শ্বরবিজ্ঞানে বর্ণিত চার চন্দ্র মূলক সংখ্যার সাংখ্যিক প্রতীক (Numeric symbol) (চার)। সেজন্য; স্পষ্টভাবে বলা যায়; (চার) একটি পৌরাণিক মৌলিক মূলক সংখ্যা

সংজ্ঞা (Definition)
শ্বরবিজ্ঞানে; মানবদেহের চার প্রকার রসকে একত্রে চার চন্দ্র বলে। যেমন; দুগ্ধ।

ব্যাখ্যা (Explanation)
শ্বরবিজ্ঞান কিংবা পুরাণে সব উত্তম বিষয়বস্তুকে চন্দ্র বা চাঁদ বলা হয়। যেমন; গুরু চাঁদ, শিষ্য চাঁদ, মন চাঁদ ও নয় চাঁদ ইত্যাদি। তবুও; শ্বরবিজ্ঞানে চন্দ্র চার প্রকার। যথা; ১. সরল-চন্দ্র ২. গরল-চন্দ্র ৩. রোহিণী-চন্দ্র ও ৪. মোহিনী-চন্দ্র।

গাণিতক সমাধান (Mathematical solution)
৪ চন্দ্র
= {সরল চন্দ্র + গরল চন্দ্র + রোহিণী চন্দ্র + মোহিনী চন্দ্র}
= {১ সরল চন্দ্র + ১ গরল চন্দ্র + ১ রোহিণী চন্দ্র + ১ মোহিনী চন্দ্র}
= {(১ + ১ + ১ + ১) (সরল চন্দ্র/ গরল চন্দ্র/ রোহিণী চন্দ্র/ মোহিনী চন্দ্র)}
= {৪ (সরল চন্দ্র/ গরল চন্দ্র/ রোহিণী চন্দ্র/ মোহিনী চন্দ্র)}

= {মানবদেহের ৪টি জল বিশেষ}

চার চন্দ্র/ (Four moons)/‘أربعة قمر’ (আরবায়া ক্বামরা)

. সরল-চন্দ্র/ (Simplistic phoebe)/ ‘قمر تبسيطية’ (ক্বামারা তাবাসিত্বিয়া)

সংজ্ঞা (Definition)
শ্বরবিজ্ঞানে; কেবল দুগ্ধ বা শুক্রকে একত্রে সরল-চন্দ্র বলে।

সরল-চন্দ্রের পরিচয় (Identity of simplistic phoebe)
শ্বরবিজ্ঞানে; সহজে হস্তগত করা যায় এমন বিষয়বস্তুকে সরল-চন্দ্র বলা হয়। যেমন; দুগ্ধ ও শুক্র। সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার পারম্পরিক, মরমী ও আধ্যাত্মিক পুস্তক-পুস্তিকার মধ্যে এ দুটি বস্তুর সর্বাধিক আলোচনা দেখা যায়।

১ দুগ্ধ (Milk)
মাতৃস্তন্য হতে নিঃসৃত সুপেয় দুগ্ধকে সরল-চন্দ্র বলে।

২ শুক্র (Semen)
কামযজ্ঞের সময়ে শিশ্নের মাধ্যমে স্খলিত শুক্রকে সরল-চন্দ্র বলে।

. গরল-চন্দ্র/ (Venom phoebe)/ ‘قمر سم’ (ক্বামারা সাম্মা)

সংজ্ঞা (Definition)
শ্বরবিজ্ঞানে; মূত্র ও রজকে একত্রে গরল-চন্দ্র বলে।

গরল-চন্দ্রের পরিচয় (Identity of venom phoebe)
শ্বরবিজ্ঞানে; মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর বিষয়বস্তুকে গরল-চন্দ্র বলা হয়। যেমন; মূত্র ও রজ। যেমন গরল বা বিষ মানবদেহের জন্য ভয়ঙ্কর ক্ষতিকর, তেমনই; মূত্র ও রজরক্ত দেহের জন্য ক্ষতিকর। তাই; শ্বরবিজ্ঞানে মূত্র ও রজকে গরল বলা হয়।

১ মূত্র (Urine)
শ্বরবিজ্ঞানে; মূত্রকে গরল-চাঁদ বলে।

২ রজ (Menses)
শ্বরবিজ্ঞানে; রজকে গরল-চাঁদ বলে।

. রোহিণী-চন্দ্র/ (Ascending phoebe)/ ‘قمر تصاعدي’ (ক্বামারা তাসায়াদি)

সংজ্ঞা (Definition)
শ্বরবিজ্ঞানে; শ্বেতবর্ণের মানব জলকে পালনকর্তা বা রোহিণী-চন্দ্র বলে।

রোহিণী-চন্দ্রের পরিচয় (Identity of ascending phoebe)
শ্বরবিজ্ঞানে মানবের পালনকর্তাকে রোহিণী-চন্দ্র বলা হয়। মরমী ও আত্মজ্ঞানী সাধকরা সাধনের বিশেষ স্তরে উপনীত হওয়ার পর; পালনকর্তার সন্ধানলাভ করতে পারেন। তাই; শ্বরবিজ্ঞানে; মানবের পালনকর্তা বা সাঁইকে রোহিণী-চন্দ্র বলা হয়।

. মোহিনী-চন্দ্র/ (Seductress phoebe)/ ‘قمر الغاوية’ (ক্বামারা আলগারিয়া)

সংজ্ঞা (Definition)
শ্বরবিজ্ঞানে; সৃষ্টিকর্তাকে মোহিনী-চন্দ্র বলা হয়।

মোহিনী-চন্দ্রের পরিচয় (Identity of seductress phoebe)
শ্বরবিজ্ঞানে জগৎ মোহিতকারী বিষয়বস্তুকে মোহিনী-চন্দ্র বলা হয়। মরমী ও আত্মজ্ঞানী সাধকরা কাঁইকে সর্বদা মোহনী বস্তু বলে অভিহিত করে থাকেন। শ্বরবিজ্ঞানে; এ মোহনী বস্তু হতেই মোহিনী-চন্দ্র পরিভাষাটির উদ্ভব। শ্বরবিজ্ঞানে; এ মোহিনী-চন্দ্র দ্বারা সর্বদা কাঁই বা সৃষ্টিকর্তাকে বুঝায়।

টীকা (Annotation)
বিস্তারিত জানার জন্য; আত্মতত্ত্ব ভেদ পঞ্চম খণ্ডের৪৮ পালনকর্তা/ Guardian (গার্জিয়ান)/ ‘رب’ (রাব্বা)’ এর অধীনে বর্ণিত ৪৮/৪ চন্দ্র/ Phoebe (ফিবি)/ ‘القمر’ (আলক্বামার) দেখুন।

৪ এর মহাকাব্যিক প্রমাণ (Epical evidence of four)
.    “ইন্দ্র পৃথিবীর ওপরে স্থাপিত মধুর উদকপূর্ণ যে চারটি নদী জলপূর্ণ করেছেন; তা সে দর্শনীয় ইন্দ্রের অতিশয় পূজ্য ও সুন্দর কর্ম।” (ঋবেসপ্রখপ্রম, সূ-৬২,ঋ-৬)
.    “কেহই মৃত্যুর হাত হতে রক্ষা পেতে পারে না। সেই জন্যই মনীষী চার পরিশুদ্ধি শীলে সংযত হয়ে নির্বাণ লাভের উপায় স্বরূপ আর্য অষ্টাঙ্গ মার্গ অনুসরণ পূর্বক শমথ বিদর্শন ধ্যানে নিমগ্ন থাকেন।” (ত্রিপিটক-ধম্মপদ-৩৫৮)
.    “সেজন্য; অসি গাড়ী ও বলদগুলো লেবীয়দের ভাগ করে দিলেন। গের্শোনীয়দের কাজ অনুসারে তিনি দুটা গাড়ী ও চারটা বলদ তাদের দিলেন ও মারারীয়দের কাজ অনুসারে তিনি তাদের চারটা গাড়ী ও আটটা বলদ দিলেন।” (তোরাহ, গণনা, ৭/৬-৮)
.    “যদি তোমরা তোমাদের কাঁইয়ের কাছে কোনকিছু ধার্য্য কর তা পূরণ কর। যিনি ভয়ের পাত্র তার উদ্দেশ্যে চারদিকের দেশ থেকে লোকে উপহার আনুক।” (যাবুর, ৭৬/১১)
.    “সে চারজন জীবন্ত প্রাণী বললেন; “গৃহীত করুন”। তারপর; সে নেতারা ভক্তি করল।” (ইঞ্জিল-২৭শ খণ্ডঃ প্রকাশিত কথা, ৫/১৪)
.   “(২)فَسِيحُوا فِي الْأَرْضِ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَاعْلَمُوا أَنَّكُمْ غَيْرُ مُعْجِزِي اللَّهِ وَأَنَّ اللَّهَ مُخْزِي الْكَافِرِينَ”
অর্থ; “তোমরা চার মাস পৃথিবীতে পরিভ্রমণ করো। জানিও তোমরা কাঁইকে পরাভবকারী নয় এবং কাঁইই মতবাদ বিদ্রোহীদের নির্যাতনকারী।” (কুরান; তওবা)

.    “সময়ে হয় সকলি সখা, অসময়ে কেউ দেয় না দেখা,
যার পাপে সে ভোগে একা, চার যুগেরে।” (পবিত্র লালন- ৪৯৩/৩)

.    “চেয়ে দেখনা রে মন দিব্যনজরেচার চাঁদ দিচ্ছে ঝলক,
মণিকোঠার ঘরে।” (পবিত্র লালন- ৪৫২/১)

.    “জন্মের আগে চার পতি চল্লিশ পতি গোপনে
            কী বিয়া করাইল দাদা ভাতারখাকীর সনে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১১৪)

তথ্যসূত্র (References)
আত্মতত্ত্ব ভেদ (পৌরাণিক সংখ্যা) (৮ম খণ্ড); লেখক; বলন কাঁইজি।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক সংখ্যা সারণী

পৌরাণিক রূপক সংখ্যার সারণী। এসব সংখ্যা দ্বারাই বিশ্বের সব শ্বরবিজ্ঞান ও পুরাণ রচনা করা হয়েছে। এতে ১৬টি সংখ্যার অথবা আছে। অথবাগুলো ব্যতীত ২১০টি সংখ্যা আছে।

মূলক সংখ্যা ৪০ রূপক সংখ্যা
, , , , , , , , , ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, ১৮, ১৯, ২০, ২১, ২৩, ২৪, ২৫, ২৭, ৩০, ৩২, ৩৬, ৫২, ৫৪, ৭২, ৮০, ৮৪, ২০৬, ৩১০, ৩৬০, ৫০০, ১,০০০, ৬,৬৬৬, ১,০০,০০,০০০, ৩৩, ১৭, ২২, ২৮, ২৯, ৩১, ৩৪, ৩৫, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪২, ৪৪, ৪৫, ৪৬, ৪৮, ৪৯, ৫০, ৫৩, ৫৫, ৬০, ৬১, ৬৩, ৬৫, ৬৬, ৭০, ৭৩, ৭৫, ৭৭, ৮৩, ৮৬, ৮৮, ৯০, ৯৩, ৯৪, ৯৯, ১০০, ১০১, ১০৫, ১০৭, ১১০, ১১৯, ১২০, ১২৩, ১২৭, ১৩০, ১৩৩, ১৩৭, ১৪৪, ১৪৭, ১৫০, ১৫৩, ১৬২, ১৬৮, ১৭৫, ১৮০, ১৮২, ১৮৭, ২০০, ২০৫, ২০৭, ২০৯, ২১০, ২৫০, ২৭৩, ২৭৬, ৩০০, ৩০৯, ৩১৩, ৩১৮, ৩৩৩, ৩৫০, ৩৬৫, ৪০০, ৪০৩, ৪৩০, ৪৫০, ৪৯০, ৫৯৫, ৬০০, ৬০১, ৬৭৫, ৭০০, ৭২০, ৭৭৭, ৭৮২, ৮০০, ৮০৭, ৮১৫, ৮৩০, ৮৪০, ৮৯৫, ৯০০, ৯০৫, ৯১০, ৯১২, ৯৩০, ৯৫০, ৯৬২, ৯৬৯, ৯৯৯, ১,০৬০, ১,২৬০, ১,৩০০, ১,৫০০, ১,৬০০, ১,৮০০, ২,০০০, ২,১২৪, ২,৬৩০, ২,৭৫০, ৩,০০০, ৩,২০০, ৩,৩০০, ৩,৩৩৯, ৩,৬০০, ৪,০০০, ৪,৮০০, ৫,০০০, ৫,৪০০, ৬,০০০, ৬,২০০, ৭,০০০, ৭,৫০০, ৮,০০০, ৮,৫৮০, ৮,৬০০, ৯,৩৩৩, ১০,০০০, ১২,০০০, ১৪,৭০০, ১৫,০০০, ১৬,০০০, ১৭,৭৫০, ১৮,০০০, ২০,০০০, ২২,০০০, ২২,২০০, ২২,২৭৩, ২৩,০০০, ২৪,০০০, ৩০,০০০, ৩০,৫০০, ৩২,০০০, ৩২,২০০, ৩২,৫০০, ৩৫,৪০০, ৩৬,০০০, ৪০,০০০, ৪০,৫০০, ৪১,৫০০, ৪৩,৭৩০, ৪৫,৪০০, ৪৫,৬০০, ৪৫,৬৫০, ৪৬,৫০০, ৫০,০০০, ৫২,৭০০, ৫৩,০০০, ৫৩,৪০০, ৫৪,৪০০, ৫৭,৪০০, ৫৯,৩০০, ৬০,০০০, ৬০,০৯৯, ৬০,৫০০, ৬১,০০০, ৬২,৭০০, ৬৪,৩০০, ৬৪,৪০০, ৭০,০০০, ৭২,০০০, ৭৪,৬০০, ৭৬,৫০০, ৮৪,০০০, ৯০,০০০, ৯৯,০০০, ১,০০,০০০, ১,০৮,১০০, ১,২৪,০০০, ১,৪৪,০০০, ১,৫১,৪৫০, ১,৫৭,৬০০, ১,৮৬,৪০০, ৩,৩৭,৫০০, ৩,৫০,০০০, ৬,০০,০০০, ৬,০১,৭৩০, ৬,০৩,৫৫০, ৬,৭৫,০০০, ৮,৭৭,৩০০, ৯,০০,০০০, ১০,০০,০০০, ৮৪,০০,০০০, ১০,০০,০০,০০০, ১৪,০০,০০,০০০, ১৬,০০,০০,০০০, ২০,০০,০০,০০০, ৩৩,০০,০০,০০০, ৫৪,০০,০০,০০০, ৬০,০০,০০,০০০, ১০০,০০,০০,০০০, ১,০০০,০০,০০,০০০, ১০,০০০,০০,০০,০০০, ১,০০,০০,০০০,০০,০০,০০০, ৩০,১৭,৭৫০, ৭০,১৮,০০০,

পৌরাণিক রূপক সংখ্যার সারণী। এসব সংখ্যা দ্বারাই বিশ্বের সব শ্বরবিজ্ঞান ও পুরাণ রচনা করা হয়েছে। এতে ১৬টি সংখ্যার অথবা আছে। অথবাগুলো ব্যতীত ২১০টি সংখ্যা আছে।

ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!