৬,৬৬৬ (ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি) পৌরাণিক সংখ্যা

ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি প্রপারিচ/(Six thousand six hundred sixty six ‘Propari’)/‘ستة آلاف ستمائة ستة وستون فريفريس’ (সিত্তা আলাফ সিত্তামি’য়া সিত্তা ওয়া সিত্তুনা ফার্ফারিচ)

ভূমিকা (Introduction)
বিশ্বের বিভিন্ন শ্বরবিজ্ঞান, পুরাণ, মরমী গীতি, আধ্যাত্মিক, আত্মতাত্ত্বিক, সাম্প্রদায়িক, পারম্পরিক ও শাস্ত্রীয় পুস্তক-পুস্তিকা পাঠ করার সময় প্রায়সই (frequently) ,৬৬৬ (ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি), ডানে শূন্যযুক্ত ৬,৬৬৬ (ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি)  কিংবা ৬,৬৬৬ (ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি) সহগ বিশিষ্ট পরিভাষা চোখে পড়ে। যেমন; ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি, ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি পুত্র, ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি প্রপারি ও ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি মাত্রা ইত্যাদি।

অবগতি  (Informed)
এখন পর্যন্ত; সারাবিশ্বের সব শ্বরবিজ্ঞানে ও পুরাণে এরূপ ১টি সংখ্যা পাওয়া যায়। যাদের দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি {,৬৬৬ প্রপারিচ}। যথা; ৬,৬৬৬।

প্রস্তাবনা (Preamble)
,৬৬৬ (ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি) বিশ্বের বিভিন্ন সাম্প্রদায়িক, পারম্পরিক, মরমী, আত্মতাত্ত্বিক ও আধ্যাত্মিক সম্প্রদায়ের শ্বরবিজ্ঞান, পুরাণ ও শাস্ত্রীয় পুস্তক-পুস্তিকায় বহুল ব্যবহৃত একটি পৌরাণিক সংখ্যা। সংখ্যাটির দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি বের করতে হবে।

পৌরাণিক সাংখ্যিক পরিচয় (Mathematical numeric identity)
এটি একটি পৌরাণিক স্থাপক মূলক সংখ্যা। কারণ; মানবদেহে বিদ্যমান বিষয়বস্তুর সাংখ্যিক প্রতীক সরলভাবে স্থাপন করে সংখ্যাটি সৃষ্টি করা হয়েছে। আমরা জানি যে; শ্বরবিজ্ঞানে বর্ণিত ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি মূলক সংখ্যার সাংখ্যিক প্রতীক (Numeric symbol) ,৬৬৬ (ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি)। সেজন্য; স্পষ্টভাবে বলা যায় যে; ,৬৬৬ (ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি) একটি পৌরাণিক স্থাপক মূলক সংখ্যা

সংজ্ঞা (Definition)
শ্বরবিজ্ঞানে; ছয় প্রহর, ছয় পা, ছয় রিপুষটচক্র কে একত্রে ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি প্রপারিচ বলে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
আমরা জানি যে; ছয় প্রহর এর সাংখ্যিক প্রতীক ৬ (ছয়), ছয় পা এর সাংখ্যিক প্রতীক ৬ (ছয়), ছয় রিপু মূলক সংখ্যার সাংখ্যিক প্রতীক ৬ (ছয়) ও ষটচক্র মূলক সংখ্যার সাংখ্যিক প্রতীক ৬ (ছয়)। এই চারটি ৬কে পাশাপাশি সরলভাবে স্থাপন করে ৬৬৬৬ সংখ্যাটি সৃষ্টি করা হয়েছে। অতঃপর; গাণিতিক কমা দিয়ে ৬,৬৬৬ রূপে ব্যবহার করা হয়েছে।

এখানে বিশেষভাবে স্মরণীয় যে; হিন্দুদের ধর্মগ্রন্থ বেদ এ চারটি ৬৬৬৬ আছে। কিন্তু খ্রিস্টানদের ধর্মগ্রন্থ ইঞ্জিল এ তিনটি ৬৬৬ আছে। তাই; শ্বরবিজ্ঞানী ও আত্মতাত্ত্বিক মনীষীগণ অনুমান করেন যে; ইঞ্জিল সংকলনের সময়ে একটি ৬ পরিত্যাগ করা হয়েছে। কারণ; বেদ সংকলন আগে ও ইঞ্জিল সংকলন পরে। আর এটি করা হয়েছে চারটি ৬৬৬৬ এর দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি ও তিনটি ৬৬৬ এর দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি না জানার কারণে। সংকলকগণ যদি চারটি ৬৬৬৬ এর সঠিক ব্যুৎপত্তি জানতেন; তবে; হয়তো এরূপ করতেন না। তারা তিনটি ৬৬৬ সম্পর্কে জানতেন; তাই হয়তো তিনটি ৬৬৬ সংকলন করেছেন। অথবা এটি বেদ এর অনুকরণ হতে আত্মরক্ষার জন্যই করা হয়েছে।

এখানে আরও স্মরণীয় যে; বর্তমানকালের বিজ্ঞানীরা ভিন্ন ভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্রের ভিন্ন ভিন্ন সংকেত বা কোড (code) আবিষ্কার করেছেন। কিন্তু মানুষের কোড নং এখনও বের করতে পারেন নি। অথচ; শ্বরবিজ্ঞানী বা আত্মতাত্ত্বিক মনীষীগণ মানুষের কোড নং বের করেছিলেন প্রায় খ্রিস্টপূর্ব ৪,০০০ (চার হাজার) বছর আগে। ইঞ্জিলের নিচের শ্লোকটি হতে তা পরিষ্কারভাবে বুঝা যায়। এটা হতে আরও প্রমাণিত হয় যে; যে ব্যক্তি নিজের কোড নং জানেন না তাঁকে বুদ্ধিমানও বলা যায় না। আরও স্মরণীয় যে; বর্তমানে সংকলিত ইঞ্জিলের বাংলা অনুবাদে বিষয়টি অন্যভাবে লেখা হয়েছে। তাই; অবশ্যই বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না।

গাণিতক সমাধান (Mathematical solution)
,৬৬৬ প্রপারিচ
= ৬,৬,৬,৬
= {৬ প্রহর, ৬ পা, ৬ রিপু ও ৬ চক্র}

ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি প্রপারিচ/(Six thousand six hundred sixty six ‘Propari’)

ভূমিকা (Introduction)
এখানে ‘ছয় প্রহর’, ‘ছয় পা’, ‘ছয় রিপু’ ও ‘ষটচক্র’ এর প্রহর, পা, রিপু, চক্রের প্রথম অক্ষর গ্রহণ করে প্রপারিচ শব্দ সংক্ষেপ সৃষ্টি করা হয়েছে। প্রপারিচ সংম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হয়েছে।

ছয় প্রহর; (Six moments)/ ‘ستة لحظات’ (সিত্তা লাহজাত)

সংজ্ঞা (Definition)
মাতৃগর্ভে মানবসন্তান সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাব্য ছয় প্রহরকে একত্রে ছয় প্রহর বলে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
মাতৃগর্ভে মানবসন্তান সৃষ্টি হয় ঋতুমতীর রজঃস্রাব হতে পবিত্রতালাভের প্রথম দিন হতে ২১ দিনের মধ্যে। উক্ত ২১ দিবস সমান ছয় প্রহর। যথা; ১ ঊষা ২ নিশা ৩ ঊর্ধ্বা ৪ শঙ্কা ৫ বিপদ ও ৬ নীরব। তাই; মধ্যপ্রাচ্যের শ্বরবিজ্ঞান ও পুরাণগুলোতে লেখা হয়েছে; প্রভু ছয় প্রহরে আকাশ ও ভূমি সৃষ্টি করেছেন। এখানে আকাশ হলো নাভির ওপরের অংশ এবং ভূমি হলো নাভির নিচের অংশ। বিস্তারিত জানার জন্য আত্মতত্ত্ব ভেদ (২য় খণ্ড) দেখুন।

ছয় পা; (Six leg)/ ‘ستة ساق’ (সিত্তাতা সাক্ব)

সংজ্ঞা (Definition)
মানুষের চলার ৬টি অবলম্বনকে একত্রে ছয় পা বলে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
সাধারণত; কোন কিছুর অবলম্বনকেই পা বলা হয়। তবে; শ্বরবিজ্ঞানে মানুষের চলার মাধ্যমগুলোকে পা বলা হয়। যথা; ১ মন ২ জ্ঞান ৩ নয়ন ৪ নাসিকা ৫ হাত ও ৬ পা। মানুষ মন দ্বারা চলে তাই মনকে পা ধরা হয়। জ্ঞান করে চলে তাই জ্ঞানকে পা ধরা হয়। চোখ দিয়ে দেখে চলে তাই চোখকে পা বলা হয়। নাসিকার ডান-বাম শ্বাস দ্বারা শুভাশুভ দেখে চলে তাই নাসিকাকে পা বলা হয়। যাদের পা নেই তারা হাত দ্বারা চলে তাই হাতকেও পা বলা হয়। এই সূত্র হতে বুঝা যায়; সাধারণ মানুষের পা ২টি। জ্ঞানী মানুষের পা ৪টি। আর সাধকের পা ৬টি। বিস্তারিত জানার জন্য আত্মতত্ত্ব ভেদ (২য় খণ্ড) দেখুন।

ষড়রিপু; (Six enemies)/ ‘ستة أعداء’ (সিত্তা আদুয়িন)

সংজ্ঞা (Definition)
মানুষের মনে সৃষ্টি ও বসবাসকারী ৬টি শত্রুকে একত্রে ষড়রিপু বলে। যেমন; কাম।

ব্যাখ্যা (Explanation)
জন্মের পর হতে মানুষের মনে অনেক মন্দা ও ভালার সৃষ্টি হয়। যেমন; মন্দার মধ্যে রয়েছে; রিপু ৬ জন, রুদ্র ১১ জন, মন্দা ১০ জন ও দশা ১০ জন। অন্যদিকে; ভালার মধ্যে আছে; ১০টি ভালা। এদের মধ্যে ছয় রিপু অন্যতম। যথা; ১ কাম ২ ক্রোধ ৩ লোভ ৪ মোহ ৫ মদ ও ৬ মাৎসর্য্য (কাম ক্রোধ লোভ মোহ মদ মাৎর্সয্য, এ কয়জন দেহের অবাধ্য, প্রেমাগুনে করো দগ্ধ, জব্দ করো শক্ত হাতে”)(পবিত্র লালন- ৫০৭/৩)। বিস্তারিত জানার জন্য আত্মতত্ত্ব ভেদ (২য় খণ্ড) দেখুন।

ষটচক্র; (Six glands)/ ‘ستة الغدد’ (সিত্তাতাল গাদাদ)

সংজ্ঞা (Definition)
মানবদেহের ৬টি অনাল গ্রন্থিকে একত্রে ষটচক্র বলে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
এ চক্রগুলোর গুরুত্ব অনেক। এগুলোর যে কোন একটি নিষ্ক্রিয় বা অধিক সক্রিয় হলে শারীরিক অনেক পরিবর্তন ঘটে। যেমন; অধিক মিথ্যা বলা, চুরি করা, শিশুর কান্না করা, খাবারের রুচি হ্রাস পাওয়া ইত্যাদি। চক্রগুলো হলো; ১ মূলাধার ২ স্বাধিষ্ঠান ৩ মণিপুর ৪ অনাহত ৫ বিশুদ্ধ ও ৬ আজ্ঞা। বিস্তারিত জানার জন্য আত্মতত্ত্ব ভেদ (২য় খণ্ড) দেখুন।

৬৬৬৬ এর বৈদিক প্রমাণ (Vedic evidence of Six thousand six hundred sixty-six)
“অনুর ও দ্রুহ্যুর গবাভিলাষী ষষ্ঠীশত এবং ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি (৬,৬৬৬) সংখ্যক পুত্রগণ পরিচর্যাভিলাষী সুদাসের জন্য শয়িত হয়েছিল; এ সমস্ত কার্য ইন্দ্রের বীর্য সূচক।” (ঋবেসদ্বিখসম, সূ-১৮, ঋ-১৪)

৬৬৬ এর ইঞ্জিলীয় প্রমাণ (Gospel’s evidence of Six hundred sixty-six)
“এ সমস্ত বিষয় বুঝতে বুদ্ধির প্রয়োজন। যার বুদ্ধি আছে সে সে-ই জন্তুটার সংখ্যা গণনা করে দেখুক, কারণ; সেটা এমন একটি সংখ্যা যার দ্বারা একজন মানুষকে বুঝায়, আর সে সংখ্যাটি হলো ছয়শত ছেষট্টি (৬৬৬)।” (ইঞ্জিল- ২৭শ খণ্ড, প্রকাশিত কালাম- ১৩/১৮) (C বি, বি, এস, ১৯৮০) (বি, বি, এস, ডাকঘর- ৩৬০, ঢাকা-২) (Benfali CVL 260p, printed by, Skylab printers & packages Ltd., 1994-4p, ISBN 984 17 0125 1)

,৬৬৬ এর মহাকাব্যিক প্রমাণ (Epical evidence of six thousand six hundred sixty-six)

.   “অনুর ও দ্রুহ্যুর গবাভিলাষী ষষ্টিশত এবং ছয় সহস্র ছয়শত ছেষট্টি (৬,৬৬৬) সংখ্যক পুত্রগণ পরিচর্যাভিলাষী সুদাসের জন্য শয়িত হয়েছিল; এ সমস্ত কার্য ইন্দ্রের বীর্য সূচক।” (ঋবেসদ্বিখসম, সূ-১৮, ঋ-১৪)

.   “ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি মাত্র
      মানবদেহ বেদ গ্রন্থে আছে বর্ত
ইঞ্জিলে লেখা দেখি সত্য
ছয়শত ছেষট্টি মান।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৪৪)

বা

৬৬৬ (ছয়শত ছেষট্টি) পৌরাণিক সংখ্যা

ছয়শত ছেষট্টি প্রপারি/ (Six hundred sixty six ‘Propari’)/‘ستمائة ستة وستين “Propari”’ (সিত্তুমিয়াতু সিত্তাতুও ওয়া সিত্তিনা প্রপারি)

ভূমিকা (Introduction)
বিশ্বের বিভিন্ন শ্বরবিজ্ঞান, পুরাণ, মরমী গীতি, আধ্যাত্মিক, আত্মতাত্ত্বিক, সাম্প্রদায়িক, পারম্পরিক ও শাস্ত্রীয় পুস্তক-পুস্তিকা পাঠ করার সময় প্রায়সই (frequently) ৬৬৬ (ছয়শত ছেষট্টি), ডানে শূন্যযুক্ত ৬৬৬ (ছয়শত ছেষট্টি) কিংবা ৬৬৬ (ছয়শত ছেষট্টি) সহগ বিশিষ্ট পরিভাষা চোখে পড়ে। যেমন; ছয়শত ছেষট্টি, ছয়শত ছেষট্টি প্রহরপাশক্তি ও ছয়শত ছেষট্টি মান ইত্যাদি। এসব সংখ্যা সহগের ভাবার্থ জানার কৌতুহল জাগে।

অবগতি  (Informed)
এখন পর্যন্ত; সারাবিশ্বের সব শ্বরবিজ্ঞানে ও পুরাণে এরূপ ১টি সংখ্যা পাওয়া যায়। যাদের দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি {৬৬৬ প্রপারি}। যথা; ৬৬৬।

প্রস্তাবনা (Preamble)
৬৬৬ (ছয়শত ছেষট্টি) বিশ্বের বিভিন্ন সাম্প্রদায়িক, পারম্পরিক, মরমী, আত্মতাত্ত্বিক ও আধ্যাত্মিক সম্প্রদায়ের শ্বরবিজ্ঞান, পুরাণ ও শাস্ত্রীয় পুস্তক-পুস্তিকায় বহুল ব্যবহৃত একটি পৌরাণিক সংখ্যা। সংখ্যাটির দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি বের করতে হবে।

পৌরাণিক সাংখ্যিক পরিচয় (Mathematical numeric identity)
এটি একটি পৌরাণিক স্থাপক মূলক সংখ্যা। কারণ; মানবদেহে বিদ্যমান বিষয়বস্তুর সাংখ্যিক প্রতীক সরলভাবে স্থাপন করে সংখ্যাটি সৃষ্টি করা হয়েছে। আমরা জানি যে; শ্বরবিজ্ঞানে বর্ণিত ছয়শত ছেষট্টি প্রপারি মূলক সংখ্যার সাংখ্যিক প্রতীক (Numeric symbol) ‘৬৬৬ (ছয়শত ছেষট্টি)’। সেজন্য; স্পষ্টভাবে বলা যায় যে; ‘৬৬৬ (ছয়শত ছেষট্টি)’ একটি পৌরাণিক স্থাপক মূলক সংখ্যা

সংজ্ঞা (Definition)
শ্বরবিজ্ঞানে; ছয় প্রহর, ছয় পাছয় রিপুকে একত্রে ছয়শত ছেষট্টি প্রপারি বলে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
আমরা জানি যে; ছয় প্রহর এর সাংখ্যিক প্রতীক ৬ (ছয়), ছয় পা এর সাংখ্যিক প্রতীক ৬ (ছয়) ও ছয় রিপু মূলক সংখ্যার সাংখ্যিক প্রতীক ৬ (ছয়)। এই তিনটি ৬কে পাশাপাশি সরলভাবে স্থাপন করে ৬৬৬ সংখ্যাটি সৃষ্টি করা হয়েছে।

এখানে বিশেষভাবে স্মরণীয় যে; হিন্দুদের ধর্মগ্রন্থ বেদ এ চারটি ৬৬৬৬ আছে। কিন্তু খ্রিস্টানদের ধর্মগ্রন্থ ইঞ্জিল এ তিনটি ৬৬৬ আছে। তাই; শ্বরবিজ্ঞানী ও আত্মতাত্ত্বিক মনীষীগণ অনুমান করেন যে; ইঞ্জিল সংকলনের সময়ে একটি ৬ পরিত্যাগ করা হয়েছে। কারণ; বেদ সংকলন আগে ও ইঞ্জিল সংকলন পরে। আর এটি করা হয়েছে চারটি ৬৬৬৬ এর দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি ও তিনটি ৬৬৬ এর দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি না জানার কারণে। সংকলকগণ যদি চারটি ৬৬৬৬ এর সঠিক ব্যুৎপত্তি জানতেন তবে হয়তো এরূপ করতেন না। তারা তিনটি ৬৬৬ সম্পর্কে জানতেন; তাই হয়তো তিনটি ৬৬৬ সংকলন করেছেন। অথবা এটি বেদ এর অনুকরণ হতে আত্মরক্ষার জন্যই করা হয়েছে।

এখানে আরও স্মরণীয় যে; বর্তমানকালের বিজ্ঞানীরা ভিন্ন ভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্রের ভিন্ন ভিন্ন সংকেত বা কোড (code) আবিষ্কার করেছেন। কিন্তু মানুষের কোড নং এখনও বের করতে পারেন নি। অথচ; শ্বরবিজ্ঞানী বা আত্মতাত্ত্বিক মনীষীগণ মানুষের কোড নং বের করেছিলেন প্রায় খ্রিস্টপূর্ব ৪,০০০ (চার হাজার) বছর আগে। ইঞ্জিলের নিচের শ্লোকটি হতে তা পরিষ্কারভাবে বুঝা যায়। এটা হতে আরও প্রমাণিত হয় যে; যে ব্যক্তি নিজের কোড নং জানেন না তাঁকে বুদ্ধিমানও বলা যায় না। আরও স্মরণীয় যে; বর্তমানে সংকলিত ইঞ্জিলের বাংলা অনুবাদে বিষয়টি অন্যভাবে লেখা হয়েছে। তাই; অবশ্যই বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না। নিচে ইঞ্জিলের উদ্ধৃতিটি দেখুন।

গাণিতক সমাধান (Mathematical solution)

৬৬৬ প্রপারি
= ৬,৬,৬
= {৬ প্রহর, ৬ পা ও ৬ রিপু}

ছয়শত ছেষট্টি প্রপারি/ (Six hundred sixty six ‘Propari’)/‘ستمائة ستة وستين “Propari”’ (সিত্তুমিয়াতু সিত্তাতুও ওয়া সিত্তিনা প্রপারি)

ভূমিকা (Introduction)
এখানে ‘ছয় প্রহর’, ‘ছয় পা’ ও ‘ছয় রিপু’ এর প্রহর, পা ও রিপুর প্রথম অক্ষর গ্রহণ করে প্রপারি শব্দ সংক্ষেপ সৃষ্টি করা হয়েছে। প্রপারি সংম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হয়েছে।

ছয় প্রহর; (Six moments)/ ‘ستة لحظات’ (সিত্তা লাহজাত)

সংজ্ঞা (Definition)
মাতৃগর্ভে মানবসন্তান সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাব্য ছয় প্রহরকে একত্রে ছয় প্রহর বলে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
মাতৃগর্ভে মানবসন্তান সৃষ্টি হয় ঋতুমতীর রজঃস্রাব হতে পবিত্রতালাভের প্রথম দিন হতে ২১ দিনের মধ্যে। উক্ত ২১ দিবস সমান ছয় প্রহর। যথা; ১ ঊষা ২ নিশা ৩ ঊর্ধ্বা ৪ শঙ্কা ৫ বিপদ ও ৬ নীরব। তাই; মধ্যপ্রাচ্যের শ্বরবিজ্ঞান ও পুরাণগুলোতে লেখা হয়েছে; প্রভু ছয় প্রহরে আকাশ ও ভূমি সৃষ্টি করেছেন। এখানে আকাশ হলো নাভির ওপরের অংশ এবং ভূমি হলো নাভির নিচের অংশ। বিস্তারিত জানার জন্য আত্মতত্ত্ব ভেদ (২য় খণ্ড) দেখুন।

ছয় পা; (Six leg)/ ‘ستة ساق’ (সিত্তাতা সাক্ব)

সংজ্ঞা (Definition)
মানুষের চলার ৬টি অবলম্বনকে একত্রে ছয় পা বলে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
সাধারণত; কোন কিছুর অবলম্বনকেই পা বলা হয়। তবে; শ্বরবিজ্ঞানে মানুষের চলার মাধ্যমগুলোকে পা বলা হয়। যথা; ১. মন ২. জ্ঞান ৩. নয়ন ৪. নাসিকা ৫. হাত ও ৬. পা। মানুষ মন দ্বারা চলে তাই মনকে পা ধরা হয়। জ্ঞান করে চলে তাই জ্ঞানকে পা ধরা হয়। চোখ দিয়ে দেখে চলে তাই চোখকে পা বলা হয়। নাসিকার ডান-বাম শ্বাস দ্বারা শুভাশুভ দেখে চলে তাই নাসিকাকে পা বলা হয়। যাদের পা নেই তারা হাত দ্বারা চলে তাই হাতকেও পা বলা হয়। এই সূত্র হতে বুঝা যায়; সাধারণ মানুষের পা ২টি। জ্ঞানী মানুষের পা ৪টি। আর সাধকের পা ৬টি। বিস্তারিত জানার জন্য আত্মতত্ত্ব ভেদ (২য় খণ্ড) দেখুন।

ষড়রিপু; (Six enemies)/ ‘ستة أعداء’ (সিত্তা আদুয়িন)

সংজ্ঞা (Definition)
মানুষের মনে সৃষ্টি ও বসবাসকারী ৬টি শত্রুকে একত্রে ষড়রিপু বলে। যেমন; কাম।

ব্যাখ্যা (Explanation)
জন্মের পর হতে মানুষের মনে অনেক মন্দা ও ভালার সৃষ্টি হয়। যেমন; মন্দার মধ্যে রয়েছে; রিপু ৬ জন, রুদ্র ১১ জন, মন্দা ১০ জন ও দশা ১০ জন। অন্যদিকে; ভালার মধ্যে আছে; ১০টি ভালা। এদের মধ্যে ছয় রিপু অন্যতম। যথা; ১. কাম ২. ক্রোধ ৩. লোভ ৪. মোহ ৫. মদ ও ৬. মাৎসর্য্য (কাম ক্রোধ লোভ মোহ মদ মাৎর্সয্য, এ কয়জন দেহের অবাধ্য, প্রেমাগুনে করো দগ্ধ, জব্দ করো শক্ত হাতে”)(পবিত্র লালন- ৫০৭/৩)। বিস্তারিত জানার জন্য আত্মতত্ত্ব ভেদ (২য় খণ্ড) দেখুন।

ষটচক্র; (Six glands)/ ‘ستة الغدد’ (সিত্তাতাল গাদাদ)

সংজ্ঞা (Definition)
মানবদেহের ৬টি অনাল গ্রন্থিকে একত্রে ষটচক্র বলে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
এ চক্রগুলোর গুরুত্ব অনেক। এগুলোর যে কোন একটি নিষ্ক্রিয় বা অধিক সক্রিয় হলে শারীরিক অনেক পরিবর্তন ঘটে। যেমন; অধিক মিথ্যা বলা, চুরি করা, শিশুর কান্না করা, খাবারের রুচি হ্রাস পাওয়া ইত্যাদি। চক্রগুলো হলো; ১. মূলাধার ২. স্বাধিষ্ঠান ৩. মণিপুর ৪. অনাহত ৫. বিশুদ্ধ ও ৬. আজ্ঞা। বিস্তারিত জানার জন্য আত্মতত্ত্ব ভেদ (২য় খণ্ড) দেখুন।

৬৬৬৬ এর বৈদিক প্রমাণ (Vedic evidence of Six thousand six hundred sixty-six)
“অনুর ও দ্রুহ্যুর গবাভিলাষী ষষ্ঠীশত এবং ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি (৬,৬৬৬) সংখ্যক পুত্রগণ পরিচর্যাভিলাষী সুদাসের জন্য শয়িত হয়েছিল; এ সমস্ত কার্য ইন্দ্রের বীর্য সূচক।” (ঋবেসদ্বিখসম, সূ-১৮, ঋ-১৪)

৬৬৬ এর ইঞ্জিলীয় প্রমাণ (Gospel’s evidence of Six hundred sixty-six)
“এ সমস্ত বিষয় বুঝতে বুদ্ধির প্রয়োজন। যার বুদ্ধি আছে, সে সে-ই জন্তুটার সংখ্যা গণনা করে দেখুক। কারণ; সেটা এমন একটি সংখ্যা, যার দ্বারা একজন মানুষকে বুঝায়। আর সে সংখ্যাটি হলো ছয়শত ছেষট্টি (৬৬৬)।” (ইঞ্জিল- ২৭শ খণ্ড, প্রকাশিত কালাম- ১৩/১৮) (C বি, বি, এস, ১৯৮০) (বি, বি, এস, ডাকঘর- ৩৬০, ঢাকা-২) (Benfali CVL 260p, printed by, Skylab printers & packages Ltd., 1994-4p, ISBN 984 17 0125 1)

৬৬৬ এর মহাকাব্যিক প্রমাণ (Epical evidence of six hundred sixty-six)
.   “এ সমস্ত বিষয় বুঝতে বুদ্ধির প্রয়োজন। যার বুদ্ধি আছে সে সেই জন্তুটার সংখ্যা গণনা করে দেখুক। কারণ; সেটা এমন একটি সংখ্যা; যার দ্বারা একজন মানুষকে বুঝায়, আর সে সংখ্যাটি হলো ছয়শত ছেষট্টি (৬৬৬)।” (ইঞ্জিল- ২৭শ খণ্ড, প্রকাশিত কালাম- ১৩/১৮)

.   ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি মাত্র
      মানবদেহ বেদ গ্রন্থে আছে বর্ত
ইঞ্জিলে লেখা দেখি সত্য
ছয়শত ছেষট্টি মান।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৪৪)

তথ্যসূত্র (References)
আত্মতত্ত্ব ভেদ (পৌরাণিক সংখ্যা) (৮ম খণ্ড); লেখক; বলন কাঁইজি।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক সংখ্যা সারণী

পৌরাণিক রূপক সংখ্যার সারণী। এসব সংখ্যা দ্বারাই বিশ্বের সব শ্বরবিজ্ঞান ও পুরাণ রচনা করা হয়েছে। এতে ১৬টি সংখ্যার অথবা আছে। অথবাগুলো ব্যতীত ২১০টি সংখ্যা আছে।

মূলক সংখ্যা ৪০ রূপক সংখ্যা
, , , , , , , , , ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, ১৮, ১৯, ২০, ২১, ২৩, ২৪, ২৫, ২৭, ৩০, ৩২, ৩৬, ৫২, ৫৪, ৭২, ৮০, ৮৪, ২০৬, ৩১০, ৩৬০, ৫০০, ১,০০০, ৬,৬৬৬, ১,০০,০০,০০০, ৩৩, ১৭, ২২, ২৮, ২৯, ৩১, ৩৪, ৩৫, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪২, ৪৪, ৪৫, ৪৬, ৪৮, ৪৯, ৫০, ৫৩, ৫৫, ৬০, ৬১, ৬৩, ৬৫, ৬৬, ৭০, ৭৩, ৭৫, ৭৭, ৮৩, ৮৬, ৮৮, ৯০, ৯৩, ৯৪, ৯৯, ১০০, ১০১, ১০৫, ১০৭, ১১০, ১১৯, ১২০, ১২৩, ১২৭, ১৩০, ১৩৩, ১৩৭, ১৪৪, ১৪৭, ১৫০, ১৫৩, ১৬২, ১৬৮, ১৭৫, ১৮০, ১৮২, ১৮৭, ২০০, ২০৫, ২০৭, ২০৯, ২১০, ২৫০, ২৭৩, ২৭৬, ৩০০, ৩০৯, ৩১৩, ৩১৮, ৩৩৩, ৩৫০, ৩৬৫, ৪০০, ৪০৩, ৪৩০, ৪৫০, ৪৯০, ৫৯৫, ৬০০, ৬০১, ৬৭৫, ৭০০, ৭২০, ৭৭৭, ৭৮২, ৮০০, ৮০৭, ৮১৫, ৮৩০, ৮৪০, ৮৯৫, ৯০০, ৯০৫, ৯১০, ৯১২, ৯৩০, ৯৫০, ৯৬২, ৯৬৯, ৯৯৯, ১,০৬০, ১,২৬০, ১,৩০০, ১,৫০০, ১,৬০০, ১,৮০০, ২,০০০, ২,১২৪, ২,৬৩০, ২,৭৫০, ৩,০০০, ৩,২০০, ৩,৩০০, ৩,৩৩৯, ৩,৬০০, ৪,০০০, ৪,৮০০, ৫,০০০, ৫,৪০০, ৬,০০০, ৬,২০০, ৭,০০০, ৭,৫০০, ৮,০০০, ৮,৫৮০, ৮,৬০০, ৯,৩৩৩, ১০,০০০, ১২,০০০, ১৪,৭০০, ১৫,০০০, ১৬,০০০, ১৭,৭৫০, ১৮,০০০, ২০,০০০, ২২,০০০, ২২,২০০, ২২,২৭৩, ২৩,০০০, ২৪,০০০, ৩০,০০০, ৩০,৫০০, ৩২,০০০, ৩২,২০০, ৩২,৫০০, ৩৫,৪০০, ৩৬,০০০, ৪০,০০০, ৪০,৫০০, ৪১,৫০০, ৪৩,৭৩০, ৪৫,৪০০, ৪৫,৬০০, ৪৫,৬৫০, ৪৬,৫০০, ৫০,০০০, ৫২,৭০০, ৫৩,০০০, ৫৩,৪০০, ৫৪,৪০০, ৫৭,৪০০, ৫৯,৩০০, ৬০,০০০, ৬০,০৯৯, ৬০,৫০০, ৬১,০০০, ৬২,৭০০, ৬৪,৩০০, ৬৪,৪০০, ৭০,০০০, ৭২,০০০, ৭৪,৬০০, ৭৬,৫০০, ৮৪,০০০, ৯০,০০০, ৯৯,০০০, ১,০০,০০০, ১,০৮,১০০, ১,২৪,০০০, ১,৪৪,০০০, ১,৫১,৪৫০, ১,৫৭,৬০০, ১,৮৬,৪০০, ৩,৩৭,৫০০, ৩,৫০,০০০, ৬,০০,০০০, ৬,০১,৭৩০, ৬,০৩,৫৫০, ৬,৭৫,০০০, ৮,৭৭,৩০০, ৯,০০,০০০, ১০,০০,০০০, ৮৪,০০,০০০, ১০,০০,০০,০০০, ১৪,০০,০০,০০০, ১৬,০০,০০,০০০, ২০,০০,০০,০০০, ৩৩,০০,০০,০০০, ৫৪,০০,০০,০০০, ৬০,০০,০০,০০০, ১০০,০০,০০,০০০, ১,০০০,০০,০০,০০০, ১০,০০০,০০,০০,০০০, ১,০০,০০,০০০,০০,০০,০০০, ৩০,১৭,৭৫০, ৭০,১৮,০০০,

পৌরাণিক রূপক সংখ্যার সারণী। এসব সংখ্যা দ্বারাই বিশ্বের সব শ্বরবিজ্ঞান ও পুরাণ রচনা করা হয়েছে। এতে ১৬টি সংখ্যার অথবা আছে। অথবাগুলো ব্যতীত ২১০টি সংখ্যা আছে।

ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!