১০. আশ্রম

সহযোগী মূলক পরভিাষা

রূপক পরিভাষা

সহযোগী রূপক পরভিাষা

উপমান পরিভাষা

চারিত্রিক পরিভাষা

ছদ্মনাম পরিভাষা

১০. আশ্রম
Monastery (মোনাস্ট্যারি)/ ‘دير’ (দাইয়্যির)

ভূমিকা (Introduction)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীবাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা তপোবন। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা ভজনালয় এবং এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা বিহার। এটি একটি রূপক-প্রধান মূলক বিশেষ।

অভিধা (Appellation)
আশ্রম (বাপৌরূ)বি গোফা, তপোবন, মঠ, বিহার, monastery, ‘دير’ (দাইয়্যির) (ইংপ) hermitage (ইপ) মা’ওয়া (.ﻤﺄﻮٰﻯ), মালজা (.ﻤﻟﺠﺎﺀ) (প্র) হিন্দুদের সাম্প্রদায়িক জীবনযাত্রার ব্রহ্মচর্য, গার্হস্থ্য, বানপ্রস্থ ও সন্ন্যাস এ চতুর্বিধ অবস্থা (রূপ্রশ) আখড়া, তপোবন (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীআশ্রম পরিবার প্রধান বিশেষ (সংজ্ঞা) . সাধারণত; যে কোনো আশ্রয়স্থলকে বাংলায় ‘আশ্রম বলা হয় ২. বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, আত্মদর্শন শিক্ষাদীক্ষা দেওয়ার স্থানকে রূপকার্থে ‘আশ্রম বলা হয় (বাপৌছ) তপলোক (বাপৌচা) বিহার (বাপৌউ) ভজনালয় (বাপৌরূ) তপোবন (বাপৌমূ) আশ্রম।

আশ্রমের সংজ্ঞা (Definition of monastery)
সাধারণত; যে কোনো আশ্রয়স্থানকে আশ্রম বলে।

আশ্রমের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of monastery)
শ্বরবিজ্ঞানে; আত্মদর্শন শিক্ষাদীক্ষা দেওয়ার স্থানকে আশ্রম বলে।

পারিবারিক অবস্থান (Domestic position)

মূলক

রূপক উপমান চারিত্রিক

ছদ্মনাম

আশ্রম তপোবন ভজনালয় বিহার তপলোক

প্রাথমিক পরিপত্র (Primary circular)
আশ্রমের আভিধানিক, রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষা।

বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা; আশ্রম।
বাঙালী পৌরাণিক রূপক; তপোবন।
বাংলা আভিধানিক প্রতিশব্দ; আখড়া, আড্ডা, বেদি, মঠ, মন্দির ও বিদ্যাপীঠ।
বাঙালী পৌরাণিক উপমান;   উপাসনালয় ও ভজনালয়।
বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক; বিহার।
বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম;   তপলোক।

বাংলা, ইংরেজি ও আরবি (Bengali, English and Arabic)

বাংলা

ইংরেজি

আরবি

১০. আশ্রম Monastery (মোনাস্ট্যারি) ‘دير’ (দাইয়্যির)
১০/০১. তপোবন Hermitage (হার্মিটেজ) ‘محبسة’ (মাহাবাসা)
১০/০২. ভজনালয় Tabernacle (ট্যাবার্নেকল) ‘مصلى’ (মুসালি)

আশ্রমের উদ্ধৃতি (A highly important quotations of monastery)
“আপন ছেড়ে কারে খুঁজিস মন গিয়ে বৃন্দাবন, পূজাঘর আশ্রম খুঁজে আপন পাবি নাকের দম।” (বলনা তত্ত্বাবলী- ১৪)

আশ্রমের প্রকারভেদ (Variations of monastery)
শ্বরবিজ্ঞানে; আশ্রম দুই প্রকার। যথা; ১. বিদ্যাশ্রম ও ২. সাধনাশ্রম।

. বিদ্যাশ্রম (Seminary)
যে স্থানে নিরাপদভাবে শিষ্যদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আত্মদর্শন বা শ্বরবিজ্ঞান শিক্ষা প্রদান করা হয় তাকে বিদ্যাশ্রম বলে।

. সাধনাশ্রম (Asylum)
যে নিরাপদ স্থানে কোনো বিশেষ বিশেষ বিষয়বস্তু নিয়ে ধ্যান বা গবেষণা করা হয় তাকে সাধনাশ্রম বলে।

ভারতীয় হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী মানবজীবনের চারটি বিশেষ স্তরকে আশ্রম বলা হয়। যথা; ব্রহ্মচর্য, গার্হস্থ্য, বানপ্রস্থ ও সন্ন্যাস। এ চার স্তরকে চতুরাশ্রমও বলা হয়। প্রাচীন ভারতে যথাসম্ভব শাস্ত্রের এ বিধান অনুযায়ী মানবজীবন পরিচালিত হতো। ভারতীয় পুরাণ মতে; সাধনাশ্রম চার প্রকার। যথা; ১. ব্রহ্মচর্য ২. গার্হস্থ্য ৩. বানপ্রস্থ ও ৪. সন্ন্যাস।

. ব্রহ্মচর্য  (Celibacy)
উপনয়নকৃত বালক নিয়মনিষ্ঠ হয়ে গুরুগৃহে বেদ প্রভৃতি শাস্ত্র শিক্ষা করাকে ব্রহ্মচর্য বলে।
বিবরণ (Description)
ব্রহ্মচর্য আশ্রমে উপনয়নকৃত বালক নিয়মনিষ্ঠ হয়ে গুরুগৃহ থেকে বেদ প্রভৃতি শাস্ত্র শিক্ষা করতো।

. গার্হস্থ্য (Domestic)
বিবাহ, সন্তান উৎপাদন, পরিজনপোষণ ইত্যাদি দ্বারা জীবনযাপন প্রণালীকে গার্হস্থ্য বলে।
বিবরণ (Description)
শিক্ষা সমাপনান্তে গুরুর আদেশ অনুযায়ী তার গার্হস্থ্য আশ্রম আরম্ভ হতো। বিবাহ, সন্তান উৎপাদন, পরিজন পোষণ ইত্যাদি এ আশ্রমের কর্তব্য।

. বানপ্রস্থ (Consummation)
পঞ্চাশোর্ধ প্রৌঢ় বয়সে বন গমনপূর্বক ঈশ্বরচিন্তায় জীবনযাপন করাকে বানপ্রস্থ বলে।
বিবরণ (Description)
পরিণত বয়সে গৃহীর কর্তব্য সমাপন ও পৌত্রমুখ দর্শনের পর স্ত্রীকে পুত্রের কাছে রেখে কিংবা সঙ্গে নিয়ে বনে গিয়ে ঈশ্বর চিন্তা করার নাম বানপ্রস্থ। এ সময় পূজার্চনা ছাড়া অতিথিসেবা, ভিক্ষাবৃত্তি ইত্যাদি কর্তব্য।

. সন্ন্যাস (Asceticism)
ত্যাগ, উৎসর্গ, সমর্পণ, সংস্থাপন ও সর্বত্যাগ ইত্যাদির মাধ্যমে সংসার ত্যাগপূর্বক সাঁই ও কাঁইয়ের চিন্তায় নিমগ্ন সম্পূর্ণ একাকী জীবনযাপন প্রণালীকে সন্ন্যাস বলে।
বিবরণ (Description)
বয়স সত্তরে পৌঁছলে সবকিছু ত্যাগ করার নাম সন্ন্যাস। তখন শুধু কর্তব্য নির্জনে বসে ঈশ্বর চিন্তা করা।

আশ্রমের পরিচয় (Identity of monastery)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীআশ্রম পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা বিশেষ। যে কোনো আশ্রয়স্থলকে আশ্রম বলা হয়। সাধনা বা শাস্ত্র চর্চা অনুশীলন ও গবেষণার নির্দিষ্ট স্থানই আশ্রম। সাধু, সন্ন্যাসী ও মনীষীগণ আত্মদর্শন ও পরমদর্শনের নিগূঢ় সন্ধান করার জন্য যে নিরাপদ স্থানে বসে ধ্যান-সাধনা, জ্ঞান ও শাস্ত্র চর্চা করেন তা-ই আশ্রম নামে অভিহিত। স্থূলদৃষ্টিতে কেবল শ্বরবিজ্ঞান বা আত্মদর্শন শিক্ষাদীক্ষা দেওয়ার স্থানকে আশ্রম বলা হয়। অন্যদিকে; শ্বরবিজ্ঞানে; সব বিদ্যালয়, বিদ্যাপীঠ, ভজনালয়, উপাসনালয় ও গবেষণাগারকে আশ্রম বলা হয়। অর্থাৎ; সব দরবার, খানকা, মার্কাজ, মসজিদ, মন্দির ও আড্ডাস্থলকেই আশ্রম বলা হয়। যে কোনো স্থাপনা বা প্রতিষ্ঠানকেও আশ্রম বলা হয়। এজন্য; বলা যায়; আশ্রম পরিভাষাটি দ্বারা কেবল আধ্যাত্মিক গুরু ও গোঁসাইদের আখড়াই বুঝায় না বরং এ পরিভাষা দ্বারা সর্বপ্রকার আশ্রয়স্থল ও কর্মস্থল বুঝায়। তবুও; কিছু কিছু অজ্ঞ ও অশিক্ষিত গণ্ডমূর্খের দল আশ্রম বলতে কেবল পৌরাণিক চতুরাশ্রম বা গুরু ও গোঁসাইদের আখড়া বলেই বুঝে ও বুঝিয়ে থাকে। এটি; চরম নির্বুদ্ধতার পরিচায়ক বটে। এটি; একটি উপমান পদ। এর প্রকৃত উপমিত পদ হচ্ছে মানবদেহ। শ্বরবিজ্ঞানে; রূপকার্থে মানবদেহকেও আশ্রম বলা হয়। দেহ অনুচ্ছেতে এর আলোচনা করা হয়েছে। সর্বপ্রকার পারম্পরিক ও মরমী পুরাণে আশ্রম দ্বারা দেহ সদৃশ উপমিত পদের আলোচনা করা হয়।
———————————————————————————————————————–

চতুরাশ্রমের মধ্যে গার্হস্থ্য আশ্রমকেই শ্রেষ্ঠ মনে করা হয়। কারণ; ভিক্ষাজীবী, ব্রহ্মচারী ও সন্ন্যাসী সকলেই গৃহস্থের ওপর নির্ভরশীল। গৃহস্থ তর্পণ দ্বারা পিতৃগণের, যজ্ঞ দ্বারা দেবগণের, অন্ন দ্বারা অতিথিগণের, বেদাধ্যয়ন দ্বারা মুনিগণের, অপত্যোৎপাদন দ্বারা প্রজাপতির, বলিকর্ম বা আনুষ্ঠানিক ভোজ্যদ্রব্য দান দ্বারা প্রাণীগণের এবং বাৎসল্য দ্বারা সমস্ত জগতের সন্তোষ বিধান করে থাকে। একমাত্র ব্রাহ্মণই চারটি আশ্রমের অধিকারী। ক্ষত্রিয় ও  বৈশ্য প্রথম তিনটিতে (মতান্তরে প্রথম দুটিতে) এবং শূদ্র কেবল গার্হস্থ্য আশ্রমের অধিকারী।

প্রাচীনকালে অবশ্য ‘আশ্রম’ শব্দের আরও ব্যাপক অর্থ ছিল। তখন ‘আশ্রম’ বলতে সংসারত্যাগীদের আবাসস্থল এবং সাধনা বা শাস্ত্রচর্চার কেন্দ্রকেও বোঝাত। মুনি-ঋষিরা সেখানে সপরিবার বসবাস করতেন। তখন; আশ্রমগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রূপে ব্যবহৃত হতো। সেখানে এক বা একাধিক গুরু থাকতেন এবং তাঁরা ছাত্রদের রাজনীতি, যুদ্ধবিদ্যা, শাস্ত্র, সাহিত্য ও ব্যাকরণ ইত্যাদি বিষয়ে শিক্ষা দিতেন। তখন; ভারতবর্ষের প্রায় শিক্ষা ব্যবস্থাই ছিল আশ্রম ভিত্তিক। নির্দিষ্ট একটি বয়সে পিতা-মাতা সন্তানদের আশ্রমে পাঠিয়ে দিতেন এবং তারা সেখানে থেকেই লেখাপড়া শিখত। বিদ্যার্জন শেষ হলে ছাত্ররা স্নান করে এসে গুরুকে প্রণাম করতো। তখন; গুরু তাদের আশীর্বাদ করে অধীত বিদ্যা যথার্থভাবে কাজে লাগানোর উপদেশ দিতেন। ছাত্ররা এ বিশেষ দিনে বিশেষ উদ্দেশ্যে স্নান করে আসার পর তাদের বলা হতো স্নাতক, যা বর্তমানে ইংরেজি Graduation শব্দের বাংলা পরিভাষা রূপে ব্যবহৃত হচ্ছে। আর গুরু কর্তৃক ছাত্রদের এ বিশেষ আশীর্বাদ অনুষ্ঠানের নাম ছিল সমাবর্তন, যা বর্তমানে ইংরেজি Convocation শব্দের বাংলা অর্থ রূপে ব্যবহৃত হচ্ছে।

এই আশ্রমগুলোর ব্যয়ভার সংশ্লিষ্ট রাজ্যের রাজা বহন করতেন, কিংবা রাজপ্রদত্ত ভূসম্পত্তি ও গোসম্পত্তি থেকে আহূত সম্পদের মাধ্যমে মেটানো হতো। কোনো কোনো আশ্রমের ছাত্ররা গুরুর নির্দেশ অনুযায়ী গৃহস্থদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভিক্ষা করে আনত এবং তার মাধ্যমে তাদের অন্নসংস্থান হতো। উল্লেখ্য; প্রাচীন ভারতের এ আশ্রম ভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থার অনুকরণেই রবীন্দ্রনাথ তাঁর শান্তিনিকেতন বিদ্যাশ্রম প্রথম আরম্ভ করেছিলেন। (তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া; অঞ্জলিকা মুখোপাধ্যায়)

আলোচ্য বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার রূপক ও ব্যাপক পরিভাষাগুলো যথাস্থানে আলোচনা করা হয়েছে।

(তথ্যসূত্র; আত্মতত্ত্ব ভেদ (৪র্থ খণ্ড); লেখক; বলন কাঁইজি)

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!