১৫. উপাসক

সহযোগী মূলক পরভিাষা

রূপক পরিভাষা

সহযোগী রূপক পরভিাষা

উপমান পরিভাষা

চারিত্রিক পরিভাষা

ছদ্মনাম পরিভাষা

১৫. উপাসক 
Adorer (অ্যাডোরার)/ ‘عابد’ (আবিদ)

ভূমিকা (Introduction)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীবাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তাউপাসক পরিবার-প্রধান বিশেষ। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা সাধক। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা চকোরচাতক। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা কপিঞ্জলতাপস এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা তপস্বীমুনি। এটি; একটি বাঙালী পৌরাণিক উপমান প্রধান মূলক সত্তা বিশেষ। এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীর গুরুত্বপূর্ণ বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তাগুলোর মধ্যে অন্যতম। উপাসনা কি? মানবের উপাসনা কি কি? এছাড়াও; উপাসক কে ও উপাসক কত প্রকার ইত্যাদি বিষয় এ শিরোনামে আলোচনা করা হয়েছে।

অভিধা (Appellation)
উপাসক (বাপৌমূ)বিণ উপাসনাকারী, সাধনাকারী, adorer, ‘عابد’ (আবিদ), efficient বি সাম্প্রদায়িক, devotee, মুজাহিদ (.ﻤﺟﺎﻫﺪ) (রূপ্রশ) তপস্বী, মুনি, যোগী (বাদে) ঋভু (ইপৌচা) মুত্তাক্বি (.ﻤﺘﻗﻰ) (ইংপ) pious, extoller (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীউপাসক পরিবার প্রধান ও একটি বাঙালী পৌরাণিক প্রকৃত মূলক পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) . সাধারণত; যে কোনো উপাসনাকারীকেই বাংলায় ‘উপাসক বলা হয় ২. বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, কেবল সাম্প্রদায়িক উপাস্যের উপাসনাকারীকে রূপকার্থে ‘উপাসক বলা হয় (বাপৌছ) তপস্বী ও মুনি (বাপৌচা) কপিঞ্জল ও তাপস (বাপৌউ) চকোর ও চাতক (বাপৌরূ) সাধক (বাপৌমূ) উপাসক।

উপাসকের সংজ্ঞা (Definition of adorer)
সাধারণত; যে কোনো উপাসনাকারীকেই উপাসক বলে (বিদ্যার্থী, পরীক্ষার্থী)।

উপাসকের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of adorer)
শ্বরবিজ্ঞানে; কেবল সাম্প্রদায়িক উপাস্যের উপাসনাকারীকে উপাসক বলে। যেমন; ভক্ত ও শিষ্য ইত্যাদি।

পারিবারিক অবস্থান (Domestic position)

মূলক

রূপক উপমান চারিত্রিক

ছদ্মনাম

উপাসক সাধক চকোর ও চাতক কপিঞ্জল ও তাপস তপস্বী ও মুনি

প্রাথমিক পরিপত্র (Primary circular)
উপাসকের আভিধানিক, রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষা।

বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা; উপাসক।
বাংলা আভিধানিক প্রতিশব্দ; আরাধক, ধর্মকৃৎ, ধর্মচারী, ধর্মনিষ্ঠ, ধর্মপরায়ণ, ধর্মপ্রবণ, ধর্মপ্রাণ, ধর্মভীরু, ধর্মশীল, ধর্মাচারী, ধর্মাবলম্বী, ধার্মিক, পূজক ও পূজারী।
বাঙালী পৌরাণিক রূপক; সাধক।
বাঙালী পৌরাণিক উপমান; ককুঞ্জল, কণ্ঠীরব, কৃষক, কৃষাণ, কৃষিজীবী, কৃষীবল, চকোর, চাতক ও পাখি
বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক; কপিঞ্জল, তাপস ও সুরাপ।
বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম; অর্হৎ, অর্হন, আর্হত, ঋত্বিক, ঋষি, গোরখ, তপস্বী, তাপসী, দেবাজীব, দেবাশ্রিত, ধনৈষী, পুরুৎ, পুরুত, পুরোধা, পুরোহিত, পুষ্পজীবী, বিবাগী, বিরাগী, মর্মী, মহাজন, মহাতপা, মাহাজন, মুনি, যজমান, যজ্ঞকর্তা, যাজনিক, যাজী, যাজ্ঞিক, যুগি, যোগী, শারঙ্গ, ষড়ঙ্ঘ্রি, সদাত্মা, সন্মার্গী, সন্ন্যাসী, সুধাজীবী, সুরাজীবী, সুরাপায়ী, হবিষ্যাশী, হোতা ও হোত্রী।

বাংলা, ইংরেজি ও আরবি (Bengali, English and Arabic)

বাংলা

ইংরেজি

আরবি

১৫. উপাসক Adorer (অ্যাডোরার) ‘عابد’ (আবিদ)
১৫/০১. সাধক Hermit (হার্মিট) ‘قديس’ (ক্বাদিস)
১৫/০২. চকোর Partridge (পার্ট্রিজ) ‘الحجل’ (আলহাজালা)
১৫/০৩. চাতক Jacobinus (জ্যাকৌবিনাস) ‘عندليب’ (আন্দালীব)

উপাসকের প্রকারভেদ (Variations of adorer)
শ্বরবিজ্ঞানে; সাধক বা উপাসক মোট পাঁচ প্রকার। যথা; ১. আউল ২. বাউল ৩. নাড়া ৪. সাঁইজি ও ৫. কাঁইজি। একেক স্তরের সাধকের একেক প্রকার সাধন। সবার জন্য সারাজীবন একই সাধন হয় না।

আউল (Indiscriminate/ ‘عشوائية’ (আশুয়াইয়া))
আউল স্তরের ৪০টি সাধন প্রক্রিয়া সম্পাদনকারীকে আউল বলে।

বাউল (Inhalers/ ‘الاستنشاق’ (আলইস্তেনশাক্ব))
বাউল স্তরের ৫টি সাধন প্রক্রিয়া সম্পাদনকারীকে বাউল বলে।

নাড়া (Mummer/ ‘بكماء’ (বাকমা))
নাড়া স্তরের ১২টি সাধন প্রক্রিয়া সম্পাদনকারীকে নাড়া বলে।

সাঁইজি (Godship/ ‘إلهية’ (ইলহিয়া))
সাঁইয়ের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরক্ষভাবে দর্শনলাভকারীকে সাঁইজি বলে।

কাঁইজি (Lordship/ ‘مسترشيب’ (মুস্তারাশিব))
কাঁইয়ের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরক্ষভাবে দর্শনলাভকারীকে কাঁইজি বলে।

আউল স্তরের সাধন (Accomplish of indiscriminate stages)
আউল হলো সাধন রাজ্যের একেবারে প্রাথমিক স্তর। এজন্য; এ স্তরের সাধকদের সাধনগুলো একেবারে সাধারণ। নিচে আউল স্তরের সাধনগুলো তুলে ধরা হলো।

১.   নিজকে ও পরিবার-পরিজনকে সুষ্ঠু এবং সুন্দরভাবে পরিচালনা করা।
২.   সন্তানাদি সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালনার পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক ও আধ্যাত্মিক সুশিক্ষায় শিক্ষিত করা।
৩.   নিজে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করা ও সন্তানাদিকে প্রাতিষ্ঠানিক উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করানো।
৪.   নিজের ভূমিতে বা রাষ্ট্রীয় পতিতভূমিতে; অথবা পথের পাশে মাসে ও বছরে অন্তত কয়েকবার সময় ও সুযোগমত বৃক্ষরোপণ করা।
৫.   নিজের পুকুরে বা রাষ্ট্রীয় যে কোনো জলাশয়ে মাসে ও বছরে অন্তত কয়েকবার সময় ও সুযোগমত মৎস্যপোনা ছাড়া।
৬.   অন্তত প্রতি সপ্তাহে একবার করে পার্শ্ববর্তী পথঘাট পরিষ্কার করা।
৭.   যে কোনো একটি সাম্প্রদায়িক মতবাদ মেনে চলা।
৮.   সাম্প্রদায়িক মতবাদের নিয়মানুযায়ী সঠিকভাবে স্বস্ব সাম্প্রদায়িক উপাসনা করা।
৯.   সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক মতবাদকে আন্তরিকভাবে শ্রদ্ধা করা।
১০. সাম্প্রদায়িক ও পাম্পরিক মতবাদ এবং উপাসনাদি নিয়ে কখনই কারো সাথে বাড়াবাড়ি না করা।
১১.  সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মতবাদ কর্তৃক নির্ধারিত বসনগুলো পরিধান করা।
১২. সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মতবাদ কর্তৃক নির্ধারিত অন্ন-পানীয় গ্রহণ করা।
১৩. সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মতবাদ কর্তৃক নির্ধারিত পশুপাখি আহার করা।
১৪. স্ব স্ব সাম্প্রদায়িক গ্রন্থ অধ্যয়ন করে; মাতৃভাষায় সাম্প্রদায়িক গ্রন্থের মন্ত্রগুলোর প্রকৃত অর্থ, ভাবার্থ, প্রকৃতশিক্ষা ও সামাজিক শিক্ষা ভালোভাবে বুঝে নেওয়া।
১৫. সাম্প্রদায়িক পার্বণে সাধ্যমত সহযোগীতাসহ স্বশরীরে অংশ গ্রহণ করা।
১৬. সামাজিক সর্বপ্রকার বিধিবিধান মেনে চলা।
১৭.  রাষ্ট্রীয় সর্বপ্রকার বিধিবিধান মেনে চলা।
১৮. সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় বিচার বা মীমাংসা সর্বদাই মান্য করা।
১৯. পন্থবিধান বা পথচারী পারাপারের সর্বপ্রকার বিধিবিধান মেনে চলা।
২০. সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মতবাদকে আন্তরিকভাবে শ্রদ্ধা করা।
২১. সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মতবাদের বড় বড় মনীষী ও পুরোহিতকে আন্তরিকভাবে শ্রদ্ধা করা।
২২. সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মতবাদের উগ্রতা ও সাম্প্রদায়িকতা চিরতরে পরিহার করা।
২৩. আধুনিক বৈজ্ঞানিক সর্বপ্রকার প্রযুক্তি ব্যবহার করা।
২৪. জাতীয় ও আঞ্চলিক সংস্কৃতির প্রতি বিদ্বেষ বা বিরোধীতা না করা।
২৫. অশ্লীল ভাষায় কথা না বলা।
২৬. কোনভাবেই কথা ও কাজের দ্বারা নিজের বড়ত্ব প্রকাশ না করা।
২৭. যৌবন বয়সে নিজে বিবাহ করা এবং ছেলে-মেয়েদেরকেও বিবাহ দেওয়া।
২৮. পরকীয়া হতে নিজেও বিরত থাকা এবং সন্তানদেরকেও বিরত রাখা।
২৯. বিনা প্রয়োজনে কোনো প্রাণী হত্যা না করা।
৩০. যে কোনো বৈধ কৃষি, ব্যবসা ও বৃত্তি দ্বারা নিজের ও পরিবারের পালনপোষণ করা।
৩১. মিথ্যা না বলা এবং কারো কুৎস্যা না করা।
৩২. চুরি, দস্যুতা ও অপহরণ কার্যাদি না করা এবং সর্বপ্রকার অন্যায় করা হতে সর্বদা বিরত থাকা।
৩৩. সাধ্যমত পিতা-মাতা ও আত্মীয় স্বজনদের সেবা ও সাহায্য করা।
৩৪. প্রত্যাহিক জাতীয় পত্র-পত্রিকা পাঠ করা।
৩৫. প্রাতিষ্ঠানিক ও রাষ্ট্রীয় ছুটি মেনে চলা।
৩৬. রোগব্যাধি নিরাময়ের জন্য বৈদ্য, গণক ও জ্যোতিষীর নিকট না গিয়ে আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি গ্রহণ করা।
৩৭. পরিবার ও সমাজের সবার সাথেই মিলেমিশে থাকা এবং সৎ ও ভদ্র ব্যবহার করা।
৩৮. প্রত্যহ নিয়মিত আহার, নিদ্রা ও স্নান করা।
৩৯. একজন সাধকগুরুর নিকট দীক্ষাগ্রহণ করে গুরুসেবা ও সাধুসঙ্গে আত্মনিয়োগ করা।
৪০. উচ্চপর্যায়ের সাঁইজি ও কাঁইজিগণের সাথে সর্বদা সুসম্পর্ক রাখা।

অথবা (Or)
যে কোনো একটি সাম্প্রদায়িক মতবাদ অনুযায়ী নিচের এ চল্লিশটি বিষয়; কাকে বলে? কত প্রকার? উপস্থিতি আছে কিনা? এবং এসব অর্জন-বর্জনের নিয়ম কী? এ চার ধারার নিয়ম ভালোভাবে জেনে ও বুঝে শাস্ত্রীয়-কর্ম করা। সাম্প্রদায়িক আউলরা মনে করে সাম্প্রদায়িক শাস্ত্র নির্ধারিত দুয়েকটি শাস্ত্রকর্ম করলেই হয়তো পরকালে মুক্তি মিলবে। তাহলে এতগুলো শাস্ত্রকর্ম করে লাভ কী? তাই; তারা মাত্র দুয়েকটি শাস্ত্রকর্মের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে চায়।

আউলদের অবশ্য পালনীয় ৪০টি বিষয় (Peremptory forty subjects of indiscriminate’s)

ক্রমিক

উপাসনা সম্পর্ক পরিত্যজ্য

পরিত্রাণ

. জ্ঞানার্জন খাওয়া অহংকার প্রতীজ্ঞা
. শ্বরবিজ্ঞান বিবাহ হিংসা ধৈর্য
. প্রযুক্তি আয় শত্রুতা প্রশংসা
. সম্প্রদায় বৈধাবৈধ রাগ সাহস
. পরম্পরা বন্ধুত্ব কুৎসা নিষ্ঠা
. রাজনীতি সঙ্গম লোভ ভয়
. পবিত্রতা ভ্রমণ মিথ্যা তৃপ্তি
. প্রাণায়াম প্রাপ্য কৃপণতা প্রেম
. তাপন নৈকট্য কলা অভিনিবেশ
১০. প্রাণরস গুরু ভুল গণনা

আরবি ভাষায় এগুলোকে; ইবাদৎ. (عبادة) (উপাসনা), মুয়ামিলাৎ (معاملات) (সম্পর্ক), মুহলিকাৎ (ﻤﻬﻟﻜﺔ) (ধ্বংসকারী) ও মুনজিয়াতৎ (ﻤﻨﺠﻴﺎﺓ) (পরিত্রাণকারী) বলা হয়। এসবই হলো পৃথিবীর সব আউলদের অবশ্য করণীয় সাম্প্রদায়িক শাস্ত্রকর্ম। বিস্তারিত জানার জন্য পরম্পরাতত্ত্ব ভেদ ১ম খণ্ড দেখুন।

বাউল স্তরের সাধন (Accomplish of inhalers stages)
আউল স্তরের সর্বপ্রকার সাধন সমাপ্ত করার পর; বাউল স্তরের সাধকদের সাধন নিচে আলোচনা করা হলো।

১.   নাসিকার শ্বাসের শুভাশুভ ইঙ্গিত ধরে সর্বসময় চলাফেরা করা। কারণ; কথায় বলে; “বাউ (বাতাস↔শ্বাস) যার মূল সেই তো বাউল।”
২.   ন্যূনতম চারজন সাধকগুরুর নিকট দীক্ষাগ্রহণ করা এবং গুরুদেবগণের আদেশ ও নিষেধ সর্বদা মান্য করা।
৩.   অতি উত্তমভাবে নিরীক্ষ তত্ত্ব ও অটলতা অর্জন করা।
৪.   প্রত্যহ পুরাণ পাঠ করা। আত্মতত্ত্ব, আধ্যাত্মিক তত্ত্ব, কামতত্ত্ব ও প্রেমতত্ত্বের দুয়েকটি সঙ্গীত নিয়মিত শ্রবণ করা।
৫.   উচ্চপর্যায়ের সাঁইজি ও কাঁইজিগণের সাথে সর্বদা সুসম্পর্ক রাখা।

নাড়া স্তরের সাধন (Accomplish of mummer stages)
আউল ও বাউল স্তরের সাধন সমাপ্ত করার পর; নাড়া স্তরের সাধকদের সাধন হলো;

১.   জীবনের অধিকাংশ সময় মৌনতা অবলম্বন করা।
২.   সাধাসিধে বসন পরিধান করা এবং সর্বসময় আত্ম পরিত্রাণের ধ্যান করা।
৩.   আহার, নিদ্রা ও স্নান ক্রমান্বয়ে হ্রাস করা।
৪.   মানবের কর্ণে এক নেতা, চোখে দুই নেতা, নাসিকায় দুই নেতা, মুখে দুই নেতা, শিশ্নে এক নেতা ও যোনিতে তিন নেতা এ ১২ নেতার সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম আদেশ নিষেধ পরিপূর্ণভাবে মান্য করা। অর্থাৎ; ১. শ্রত্র ২. দ্রষ্টা ৩. সূক্ষ্মদ্রষ্টা ৪. ইড়া ৫. পিঙ্গলা ৬. সুষুম্না ৭. জিহ্বা ৮. বাক ৯. শুক্র ১০. বসিধ ১১. সাঁই ও ১২. কাঁই এ ১২ দেবতার সর্বপ্রকার আদেশ ও নিষেধ মান্য করা।
৫.   উচ্চপর্যায়ের সাঁইজি ও কাঁইজিগণের সাথে সর্বদা সুসম্পর্ক রাখা।

সাঁইজি স্তরের সাধন (Accomplish of Godship stages)
আউল, বাউল ও নাড়া স্তরের সর্বপ্রকার সাধন সমাপ্ত করার পর সাঁইজি স্তরের সাধকদের সাধন হলো;

১.   নিয়মিত পঞ্চরসের সাধনা করা।
২.   নিয়মিত পুরাণ চর্চা ও অনুশীলন করা।
৩.   নিয়মিত মরমী সঙ্গীত শ্রবণ ও মরমী সঙ্গীতানুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা।
৪.   নিয়মিত উত্তরণ করা।
৫.   উচ্চপর্যায়ের কাঁইজিগণের সাথে সর্বদা সুসম্পর্ক রাখা।

কাঁইজি স্তরের সাধন (Accomplish of Lordship stages)
আউল, বাউল, নাড়া ও সাঁইজি স্তরের সর্বপ্রকার সাধন সমাপ্ত করার পর কাঁইজি স্তরের সাধকদের সাধন হলো;

১.   বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পুরাণ অতি উত্তম রূপে আয়ত্ত করা।
২.   নতুন নতুন পুরাণ নির্মাণ করা।
৩.   শ্বরবিজ্ঞানের প্রচার ও প্রসারের জন্য সর্বপ্রকার প্রচেষ্টা করা।
৪.   সমাজ ও রাষ্ট্রে শান্তি ও শৃংখলা প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা করা।
৫.   স্ব স্ব জাতি ও দেশের জনগণকে পরিচালনা করা।
৬.   রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাম্প্রদায়িক, পারম্পরিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা, দ্বন্দ্ব ও সংঘাত দেখা দিলে; তা মীমাংসা করার জন্য অনুষ্ঠান বা বৈঠকের আহ্বান করা হলে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করা এবং তা মীমাংসা করতে চেষ্টা করা।
৭.   রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাম্প্রদায়িক, পারম্পরিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা, দ্বন্দ্ব ও সংঘাত দেখা দিলে; তা মীমাংসা করার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে উদ্যোগ গ্রহণ করা।

উপাসকের উপকার (Benefits of adorer)
১.   উপাসকরা কঠোর সাধনায় প্রাপ্ত স্বর্গীয় অমীয় ঐশিবাণী দ্বারা মানুষের কলুষিত চরিত্র সংশোধন করে।
২.   কঠিন অধ্যাবসায় ও আত্মসংযমকারী মহান উপাসকগণ যুগে যুগে ঈশ্বর প্রদত্ত মহামূল্যবান ঐশিবাণী প্রাপ্ত হন। এর দ্বারা সত্যপথ ভোলা হিংস্র ও কলুষিত চরিত্রের মানবজাতিকে সুশিক্ষা প্রদান করেন।

উপাসকের পরিচয় (Identity of adorer)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীউপাসক’ পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা বিশেষ। কোনকিছু অধ্যায়ন, অনুশীলন বা গবেষণাকারীকে উপাসক বলা হয়। স্থূলদৃষ্টিতে; মানুষ সবাই সাধক বা সবাই উপাসক। যেহেতু; সবাই কোনো না কোনো কর্ম সম্পাদনে লিপ্ত রয়েছে। অন্যদিকে; শ্বরবিজ্ঞানীদের মতে; যারা ১.আউল ২.বাউল ৩.নাড়া ৪.সাঁইজি ও ৫.কাঁইজি এ পঞ্চস্তরের বিধিবদ্ধ সাধন সম্পাদন করে; কেবল তারাই সাধক বা উপাসক। এ চারটি স্তরের জ্ঞানার্জন বা ভজন-সাধন সমাপ্ত করে সহজসরল জীবনযাপন করাই সাধক বা উপাসকের একমাত্র লক্ষ্য। অলস ও কুঁড়েরা কখনও সাধক বা উপাসক হতে পারে না। কোনো পাকাগুরুর সুসংস্পর্শে থেকে এ পঞ্চস্তরের জ্ঞানার্জনকারী এবং তদনুযায়ী কর্ম সম্পাদনকারীই প্রকৃত সাধক বা প্রকৃত উপাসক। আলোচ্য বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার রূপক ও ব্যাপক পরিভাষাগুলো যথাস্থানে আলোচনা করা হয়েছে।

(তথ্যসূত্র; আত্মতত্ত্ব ভেদ (৪র্থ খণ্ড); লেখক; বলন কাঁইজি)

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!