১৬. কানাই

সহযোগী মূলক পরভিাষা

রূপক পরিভাষা

সহযোগী রূপক পরভিাষা

১৬. কানাই
Leaky (লিকে)/ ‘راشح’ (রাশাহ)

ভূমিকা (Introduction)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীকানাই পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপান্তরিত মূলক সত্তা। এর বাঙালী পৌরাণিক অশালীন মূলক সত্তা যোনি। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা রজকিনী। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা অন্ধকূপ, করঙ্গ, গোকুল, চিতা, চুলা, পাখিপ্রস্তর। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা অনন্ত, কবন্ধ, ধন্বন্তরী, বরুণ, বৃত্র, মাধাইহিবাচী এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা কলাপী, কালনাগিনী, দস্যু, দানব, ব্রজপুর, মরারাক্ষস। এটি; একটি বাঙালী পৌরাণিক উপমান প্রধান মূলক সত্তা

অভিধা (Appellation)
কানা বিণ অন্ধ, চক্ষুহীন, এক চক্ষুহীন স্ত্রী কানী।
কানা বিবিণ . ছিদ্র, ফুটা, রন্ধ্র, ছেঁদা, ফোঁকা, ফাটা, ফাটল, ফাঁক, বিন, বিবর . গর্ত, গহব্বর (শ্ববি) গাণ্ডিব, ধনুক, ঘাট, নৌকা, পথ, মাল্যবান (বাপৌচা) গাণ্ডিব (বাপৌউ) ঘাট, ধনুক (বাপৌরূ) ব্রজ (বাপৌমূ) ভগ।

কানা (বাপৌছ)বি কানছি, প্রান্ত, কলসির গলা, পাত্রের মুখের বেড়, হাঁড়ি বা কলসির গলা (শ্ববি) কানাই, অযোধ্যা, গোকুল, গোষ্ঠ, নাগিনী, ব্রজ, রজকিনী, হিবাচী (বাপৌচা) ধন্বন্তরী (বাপৌরূ) রজকিনী (বাপৌমূ) কানাই।

কানাই (বাপৌমূ)বিণস্ত্রী ছিদ্রযুক্ত, ফুটাযুক্ত, রন্ধ্রযুক্ত, কানাবিশিষ্ট, leaky, ‘راشح’ (রাশাহ) (ভাঅ) গুদ, গুহ্য, ভগ, মাঙ্গ, মার্গ, যোনি, sex, vagina, ফারজ (.ﻔﺮﺝ) (আঞ্চ) গুয়া, সেঁটা, গাঁড় (শ্ববি) অযোধ্যা, গণ্ডগ্রাম, গোকুল, গোষ্ঠ, নাগিনী, নৌকা, পাথর, ব্রজ, রজকিনী, স্রাবস্তী (ইংপ) destroyer, origin (ইপৌছ) গন্দম (ফা.گندم), মক্কা (.ﻤﻜﺔ), দাজ্জাল (.ﺪﺟﺎﻞ), হামান (.ﻫﺎﻤﺎﻦ), হারুত (.ﻫﺎﺭﻮﺓ), হাজরে আসুদ (حجر أسود) (ব্য্য) যোনি কানা বা ছিদ্র। তাই; পুরো স্ত্রী জননতন্ত্রকে কানাই বলা হয় (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীকানাই পরিবার প্রধান ও ভারতীয় বাঙালী পৌরাণিক দেবতা বিশেষ (সংজ্ঞা) . সাধারণত; ফুটা, ফাটা, ছেঁদা বা ছিদ্রযুক্ত দ্রব্যাদিকে বাংলায় ‘কানাই বলা হয় ২. বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, যোনিকে রূপকার্থে ‘কানাই বলা হয় (বাপৌছ) কলাপী, কালনাগিনী, দস্যু, দানব, ব্রজপুর, মরা ও রাক্ষস (বাপৌচা) অনন্ত, কবন্ধ, ধন্বন্তরী, বরুণ, বৃত্র, মাধাই ও হিবাচী (বাপৌউ) অন্ধকূপ, করঙ্গ, গোকুল, চিতা, চুলা, পাখি ও প্রস্তর (বাপৌরূ) রজকিনী (বাপৌমূ) কানাই {বাং. কানা (ছিদ্র) + বাং. আই}

কানাই (বাপৌছ)বি কানু, কাঁই, কৃষ্ণ, শ্রীকৃষ্ণ, নন্দনন্দন, নন্দপুত্র (পরি) মানবদেহে প্রাপ্ত কালোবর্ণের মধুবৎ অমৃতসুধা (শ্ববি) . ঈশ্বর, অনন্ত, বিধাতা, স্বায়ম্ভু ২. কালা, বিরিঞ্চি, ব্রহ্মা, শ্যাম (ইপৌচা) আল্লাহ (.ﺍﻠﻠﻪ), ইসা (.ﻋﻴﺴﻰٰ), মসিহ (.ﻤﺴﻴﺢ), শাম (.ﺷﺄﻢ), শামস (.ﺸﻤﺲ), শিশ (.ﺸﻴﺶ) (ইংপ) Lord, maker, designer (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীসৃষ্টিকর্তা পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা ও ভারতীয় বাঙালী পৌরাণিক দেবতা বিশেষ (সংজ্ঞা) . সাধারণত; ফুটা, ফাটা, ছেঁদা বা ছিদ্রযুক্ত দ্রব্যাদিকে বাংলায় ‘কানাই বলা হয় ২. বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, সৃষ্টিক্রিয়ার সরাসরি অংশ গ্রহণকারী কাঁইকে রূপকার্থে ‘কানাই বলা হয় (বাপৌছ) আদি, সূর্য, স্রষ্টা, স্বায়ম্ভু ও হর (বাপৌচা) অসিত, কালা, কালু, কৃষ্ণ ও  ব্রহ্মা (বাপৌউ) ঘি, নীর, পীযূষ, মধু ও শস্য (বাপৌরূ) কাঁই (বাপৌমূ) সৃষ্টিকর্তা {বাং. কানু + বাং. আই}

কানাইয়ের সংজ্ঞা (Definition of leaky)
সাধারণত; ফুটা, ফাটা, ছেঁদা বা ছিদ্রযুক্ত দ্রব্যাদিকে কানাই বলে।

কানাইয়ের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of leaky)
শ্বরবিজ্ঞানে; যোনিকে রূপকার্থে কানাই বলে।

পারিবারিক অবস্থান (Domestic position)

মূলক

রূপক উপমান চারিত্রিক

ছদ্মনাম

কানাই রজকিনী অন্ধকূপ, করঙ্গ, গোকুল, চিতা, চুলা, পাখি ও  প্রস্তর অনন্ত, কবন্ধ, ধন্বন্তরী, বরুণ, বৃত্র, মাধাই ও হিবাচী কলাপী, কালনাগিনী, দস্যু, দানব,  ব্রজপুর, মরা ও রাক্ষস

প্রাথমিক পরিপত্র (Primary circular)
কানাইয়ের আভিধানিক, রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষা।

বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা; কানাই।
বাংলা আভিধানিক প্রতিশব্দ; কানা, ছিদর ও ছিদ্র।
যোনির প্রতিশব্দ; গুদ, গুয়া, গুহ্য, গুহ্যক ও যৌনাঙ্গ।
বাঙালী পৌরাণিক রূপক; রজকিনী।

বাঙালী পৌরাণিক উপমান; অগ্নিকুণ্ড, অগ্নিগর্ভ, অন্ধকূপ, অন্ধ্রদেশ, অলাত, অশ্বী, অহি, আইলা, আখা, আয়লা, আলাত, উখল, উখলি, উখা, উঠান, উদখল, উনন, উনান, উনুন, করঙ্গ, কুমির, কুম্ভীর, কির্মীর, কুয়া, কুয়ো, কুর্ম, কূর্ম, কোদাল, গিরিপথ, গুহা, গোকুল, চিতা, চিমটা, চুলা, চুল্লি, জাঁতি, জাঁতিকল, ঝিল, ডহর, ডাইনি, ডাকিনী, ডোবা, তলোয়ার, তিমি, দ, দও, দানব, দ্রোণী, নাগ, নেকড়ে, পাখি, পিনাক, পুকুর, পুষ্কর, পুষ্করিণী, প্রমোদকানন, প্রমোদোদ্যান, প্রস্তর, বধির, বয়রা, বাঘ, বাঘিনী, বাঘী, বিছা, ব্যাঘ্র, ভুজঙ্গ, ভুজঙ্গনা, যাঁতি, যাতা, শ্মশান, সর্প, সর্পিণী, সর্পী, সাঁড়াশি, সাপ, সাপুড়িয়া, সাপুড়ে, হবনী, হসন্তি, হসন্তিকা, হাঙ্গর ও হেঁশেল।

বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক; অনন্ত, অনিরুদ্ধ, কদ্রু, কবন্ধ, কল্মাষ, গার্গ্য, জলেশ, তাড়কা, তুম্বুরু, দ্রুপদ, ধন্বন্তরী, নরান্তক, নাগেন্দ্র, নাগেশ, পদ্মাবতী, ফণীশ্বর, বরুণ, বাসুকি, বিদর্ভ, বিষহরী, বৃত্র, বৈশম্পায়ন, ভীম, মনসা, মাধাই, মারীচ, রজকী, শাবর, শাল্মাল, শাল্মালি, সগর, সুমালী, সৌদাস, সৌবল, সৌভিক, সৌম্যা, স্রাবণী, হিবাচী ও হিমাঙ্গ।

বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম; অগ্নিবেশ্য, অগ্নিভাণ্ড, অগ্ন্যস্ত্র, অঘাট, অঘাসুর, অঙ্গারধানী, অঙ্গারপূর্ণ, অঙ্গিরা, অচ্ছোদ, অডং, অতল, অথর্বা, অন্তঃসলিলা, অন্তর্বেদি, অন্নপূর্ণা, অব্জদেব, অভয়া, অভিরাম, অযোধ্যা, অয়নবৃত্ত, অয়নমণ্ডল, অয়োময়, অয়োমুখ, অয়োমুখী, অরণি, অরদী, অরিষ্টনেমি, অলর্ক, অশ্বত্থমা, অশ্বপাল, অশ্বা, অশ্বিনী, অশ্বিনীকুমার, অশ্ম, অহিক, অহিচ্ছত্রদেশ, অহিতুণ্ডক, অহিভুক, অহীশ্বর, আখণ্ডল, আখেটিক, আগ্নিমাঠর, আগ্নেয়গিরি, আগ্নেয়াদ্রি, আঙ্গারধানী, আড্ডা, আড়ামু, আড়ামো, আততায়ী, আতায়ী, আথাল, আনন্দপুর, আনন্দমঞ্জুলা, আয়োদধৌম্য, আশীবিষ, ইন্দ্রবর্মা, ইন্দ্রাসন, উঘা, উত্তরকোশল, উৎস, উপকীচক, উপবন, উপসুন্দ, উলূখল, ওঝা, কঙ্কমুখ, কচ্ছপ, কমঠ, কমণ্ডলু, করাল, করালিনী, করালী, করোয়া, কর্কট, কর্কোটক, কর্বুর, কর্মক্ষেত্র, কর্মভূমি, কর্মশালা, কর্মস্থল, কর্মস্থান, কল, কলঘর, কলসি, কলাপী, কল্মাষপাদ, কাছিম, কাঠগড়, কাম-কুম্ভীর, কামট, কামবর্ত্ম, কামার, কামারঘর, কামারশাল, কার্মুকধারী, কার্মুকধারিণী, কাল৩, কালকেতু, কালনাগ, কালনাগিনী, কালনেমি, কালসর্প, কালসাপ, কালসাপিনী, কালিয়, কালী, কালীয়, কুণ্ড, কুণ্ডলিনী, কুন্তলা, কুমারশাল, কুমুদব্রতী, কুমুদিনী, কুম্ভ, কুম্ভকর্ণ, কুম্ভশাল, কুম্ভশালা, কুম্ভাণ্ড, কুম্ভিপাক, কম্ভীনসী, কুলকুণ্ডলিনী, কুলির, কুলিয়ক, কুহকজাল, কুহকী, কৃতবীর্য, কেলিগৃহ, কেশিনী, কেশী, কৈটভ, কোষা, কোসল, ক্ষপাচর, ক্ষপাট, ক্রুর, খর, খল, খলট, খাই, খাণ্ডার, খাণ্ডারনী, খাণ্ডারী, খেদঙ্গ, খেদা, খোক্কশ, খোক্কস, গগনমার্গ, গজারি, গণভবন, গারুড়িক, গারুড়ী, গিরিকন্দর, গিরিগহ্বর, গিরিগুহা, গিরিদরী, গিরিবর্ত্ম, গুফা, গুম্ফা, গূঢ়পাদ, গূঢ়ফণা, গূঢ়মার্গ, গেঁড়াকল, গোকর্ণ, গোখরা, গোত্রভিৎ, গোপ, গোবাঘ, গোবৈদ্য, গোব্রজ, গোভাগাড়, গোমসা, গোয়াল, গোরক্ষক, গোষ্ঠ, গোষ্ঠগৃহ, গোষ্ঠবিহার, গৌরাঙ্গ, গ্যাঁড়াকল, গ্রীষ্মমণ্ডল, ঘাটি, ঘোড়াশাল, ঘোষ২, চক্র, চক্রধর, চক্রব্যুহ, চক্রী, চণ্ড, চত্বর, চত্বাল, চাতর, চাতাল, চিতা, চিত্ররথ, চিত্রশিখণ্ডী, চৈত্ররথ, চোল, ছিন্নমস্তক, ছিন্নমস্তা, জউঘর, জউহর, জগন্মোহন, জগমোহন, জতুগৃহ, জন্মান্ধ, জমদগ্নি, জয়সেন, জলছত্র, জলদস্যু, জলদেবতা, জলপতি, জলযন্ত্র, জলযান, জলশূকর, জলসত্র, জলসেচাকল, জলাধিপ, জলাধিপতি, জলেশ্বর, জাঙ্গলী, জাঙ্গুলী, জারিতা, জীবান্তক, জ্বালেশ্বর, ঠগ, ডিম্বক, ডিহি, ডুণ্ডক, ডুণ্ডুভ, ডেকরা, ডেকরী, ডেগরা, ডেহেরি, তক্ষক, তঞ্চক, তড়াক, তড়াগ, তণ্ডুলাম্বু, তরক্ষু, তরাই, তর্ক্ষু, তাতাল, তাপিতা, তারকাসুর, তার্ক্ষ্য, তিমিঙ্গিল, তীর্থ, তৃণকান্তার, তেজবর, তেজোগর্ভ, তৈলকার, তৈলিক, ত্যান্দোড়, থৈল, থৈলতদার, থৈলা, দংশ, দংশক, দগ্ধরথ, দণ্ডস্থান, দন্তবক্র, দন্তাল, দমক, দময়িত্রী, দয়াহীন, দরি, দর্ভাসন, দলনী, দস্যি, দস্যু, দানব, দানবদলনী, দাবা, দিঙনাগ, দীর্ঘরোমা, দুঃশাসন, দুনী, দুরজন, দুর্জন, দুর্নিবার, দুর্নিবার্য, দুর্বিগাহ, দুর্বিনীত, দুলকি, দৃঢ়স্যু, দেবখাত, দৈত্য, দোন, দোনী, দোলমঞ্চ, দোহারা, দ্বারদেশ, দ্বারপ্রান্ত, দ্বিজিহ্ব, দ্বীপী, ধড়িবাজ, ধনুর্ধর, ধনুর্ধারী, ধরণীধর, ধরাশয্যা, ধরাসন, ধর্মক্ষেত্র, ধর্মপথ, ধর্মরথ, ধর্মশালা, ধর্মারণ্য, ধাউড়, ধুনাচি, ধূমবর্ণ, ধৃতবর্মা, ধৃতরাষ্ট্র, ধৃষ্টকেতু, ধৃষ্টদ্যুম্ন, ধেনুক, ধোঁকারটাটি, ধোনকার, ধোপা, ধোপানী, নক্র, নখায়ুধ, নটক, নন্দিকেশ্বর, নন্দিন, নরক, নরককুণ্ড, নরগ্ন, নর্তনশালা, নলকুবর, নলিয়া, নলে, নাখাল, নাখালপাড়া, নাগগর্ভ, নাগদমন, নাগপতি, নাগপাশ, নাগফণা, নাগফণী, নাগমাতা, নাগরাজ, নাগলোক, নাগাধিপ, নাগাধিপতি, নাগাধিপা, নাগিনী, নাগী, নাচঘর, নাটমন্দির, নাটমহল, নাট্যগৃহ, নাট্যমন্দির, নাট্যরঙ্গ, নাট্যশালা, নাড়ী, নারিকেলমালা, নাশক, নাশন, নাশী, নিকুম্ভিলা, নিপান, নিমি, নিরাপদনগরী, নিশুম্ভ, নিষদদেশ, নৃত্যশালা, পটীয়স, পটীয়ান, পট্টিশ, পতঞ্জলি, পদ্মপ্রিয়া, পন্নগ, পন্নগী, পরাক্রমশালী, পরাক্রান্ত, পরাবসু, পরিখ, পল্বল, পাড়া, পাণ্ডদেশ, পাতালকেতু, পারিন্দ্র, পাশ, পাশক, পাশী, পিশাচ, পুরোভূমি, পুষ্পদন্ত, পুষ্পোৎকটা, পৈঘর, প্রগল্ভ, প্রচেতা, প্রদাতা, প্রবঞ্চক, প্রবঞ্চিকা, প্রবল, প্রবৃত্তিমার্গ, প্রাগজ্যোতিষপুর, প্রেক্ষাগার, প্রেতপুরী, প্রেতলোক, প্রেমদেশ, প্রেমধাম, প্রেমাঙ্গন, প্রেমাগার, প্রেমাধার, প্লাবক, প্লাবী, ফণ, ফণা, ফণাকর, ফণাধর, ফণাবান, ফণাভৃৎ, ফণিনী, ফণী, ফণীদ্র, ফণীরাজ, বজ্রদ্রংষ্ট্র, বজ্রনখ, বজ্রযান, বড়বা, বধক, বধী, বধ্যভূমি, বধ্যস্থলী, বধ্যস্থান, বর্গি, বহ্নিমুখ, বাতাপি, বাথান, বাসুকেয়, বাহুমূল, বিচিত্রবীর্য, বিটলা, বিতংস, বিদেহ, বিদ্যুৎজিহ্ব, বিদ্যুন্মালী, বিপ্রচিত্তি, বিভাবসু, বিমানঘাঁটি, বিলাপিনী, বিলাপী, বিশাখা, বিশ্বাসঘাতক, বিষকুম্ভ, বিষবৈদ্য, বিষহর, বিহঙ্গ, বিহঙ্গী, বীরভদ্র, বৃকোদর, বেঙ্গমা, বেড়া, বেতাল, বেষ্টনী, বৈঠকঘর, বৈদ্য, বৈদ্যশালা, বৈষ্ণবাস্ত্র, ব্যাঘ্রনখ, ব্যাঙ্গমা, ব্যাঙ্গমী, ব্যাধ, ব্যাল, ব্যালী, ব্রজ, ব্রজপুর, ব্রহ্মদৈত্য, ব্রহ্মপিচাশ, ব্রহ্মরাক্ষস, ভড়, ভস্মলোচন, ভাওর, ভাটি, ভিমরুল, ভীমকর্মা, ভীষণ, ভীষণা, ভুজকোটর, ভুজগপতি, ভুজগেন্দ্র, ভুজপাশ, ভুজঙ্গজননী, ভুজঙ্গম, ভুজঙ্গিনী, ভুজঙ্গী, ভুশণ্ডি, ভুশুণ্ডি, ভূষণ্ড, ভৃঙ্গী, ভোগগৃহ, মউমাছি, মকর, মকরকুণ্ডল, মকরকেতন, মকরকেতু, মকরধ্বজ, মকরবাহন, মকরবাহনা, মকরবাহিনী, মঞ্চ, মড়া, মড়িঘর, মধুছন্দা, মধুসূদন, মন্থরা, ময়দানব, মরা, মল্লভূমি, মশান, মসান, মহাখালি, মহানস, মহাপক্ষী, মহাবিষ, মহাবৈদ্য, মহাশ্মশান, মহোদর, মহোরগ, মাঠ, মাতঙ্গিনী, মাতঙ্গী, মাতামহী, মায়াবিনী, মায়াবী, মায়িক, মায়িনী, মার্গ, মালবৈদ্য, মুচিনী, মুরু, মূলোষ্ণ, যজ্ঞকুণ্ড, যজ্ঞবেদি, যন্ত্রগৃহ, যব, যমঘর, যমপুকুর, যমপুরী, যমালয়, যশোর, রংপুর, রক্ষ, রক্ষপুরী, রঙ্গমঞ্চ, রঙ্গশালা, রঙ্গস্থল, রঙ্গভূমি, রঙ্গালয়, রঞ্জকঘর, রণক্ষেত্র, রণচণ্ডী, রণস্থল, রণাঙ্গন, রথীতর, রন্ধনগৃহ, রন্ধনশালা, রন্ধনী, রমনা, রমনাপার্ক, রম্ভ, রসবতী, রসময়ী, রাক্ষস, রাক্ষসী, রাখাল, রাজভিষক, রাজসর্প, রাবণচিতা, রাবণমুখী, রায়বাঘিনী, রাহু, রেবন্ত, রোহিণী, লব, লীলাকানন, লীলাক্ষেত্র, লুটেরা, লোহার, লোহারু, শকুনি, শতঘ্নী, শতপদী, শতপাদিকা, শত্রুঘ্ন, শবর, শবরী, শবাহারী, শমনভবন, শমনসদন, শম্বু, শম্বুক, শরশয্যা, শশিমুখ, শশিমুখী, শস্ত্রজীবী, শস্ত্রধর, শস্ত্রধারী, শস্ত্রপাণি, শস্ত্রভৃৎ, শস্ত্রাজীব, শস্ত্রী, শার্দূল, শার্দুলী, শূরসেন, শূর্পণখা, শেষনাগ, শৈবলিনী, শোণিতাক্ষ, শ্রী, শ্রীপাট, শ্মশানপুরী, শ্মশানভূমি, সঙ্কর্ষণ, সন্দংশ, সন্দংশিকা, সন্দংশী, সমন্তপঞ্চক, সমরপোত, সমরভূমি, সমরাঙ্গন, সম্পাতি, সরসা, সরসী, সর্পভুক, সর্পরাজ, সর্পহা, সর্বগ্রাসী, সর্বগ্রাসিনী, সর্বনাশিনী, সর্বনাশী, সর্বভক্ষ, সর্বভক্ষ্য, সর্বভুক, সাধনঘর, সিংহিকা, সিংহিনী, সিংহী, সীতাকুণ্ড, সুকেশ, সুদর্শনচক্র, সুযোধন, সুরথ, সুরসা, সূর্যধর্মা, সেনানিবাস, সেনাশিবির, স্ত্রীলিঙ্গ, স্থানেশ্বর, স্থূলশিরা, স্নানাগার, স্ববৈদ্য, স্মরহর, স্মরারি, স্রাবস্তী, স্রোতস্বতী, স্রোতস্বিনী, স্রোতোবহ, হত্যাকারী, হন্তা, হন্তারক, হন্তী, হরিদ্বার, হর্তা, হাঁড়ি, হাড়গিলা, হাফারঘর, হালট, হাসিয়াল, হিড়িম্বা, হুতাসন, হেঁশেলঘর, হেদুয়া, হেদো ও হোমকুণ্ড।

বাংলা, ইংরেজি ও আরবি (Bengali, English and Arabic)

বাংলা

ইংরেজি

আরবি

১৬. কানাই Leaky (লিকে) ‘راشح’ (রাশাহ)
১৬/০. যোনি Fanny (ফেনি) ‘مروحي’ (মিরওয়াহি)
১৬/০১. রজকিনী Laundress (লোন্ড্রেস) ‘غسالة’ (গাসালা)
১৬/০২. অন্ধকূপ Dungeon (ডানজান) ‘زنزانة’ (ঝিনঝানা)
১৬/০৩. করঙ্গ Vessel (ভেসেল) ‘وعاء’ (ওয়া‘য়াউ)
১৬/০৪. গোকুল Herd (হার্ড) ‘قطيع’ (ক্বাতিয়া)
১৬/০৫. চিতা Pyre (পায়ার) ‘مسخنات’ (মাসখানাত)
১৬/০৬. চুলা Furnace (ফারসেন) ‘ﻤﻮﻘﺪ’ (মাওক্বিদ)
১৬/০৭. পাখি Phoenix (ফিনিক্স) ‘عنقاء’ (আনক্বা)
১৬/০৮. প্রস্তর Rock (রক) ‘صخرة’ (সাখরা)
১৬/০৯. কবন্ধ Acephalous (এসেফ্যালাস) ‘بلا رأس’ (বাল্লা রা‘স)
১৬/১০. ধন্বন্তরী Archangel (আখেঞ্জেল) ‘عزرائيل’ (আযরাইল)
১৬/১১. বরুণ Oceanus (ওসেনাস) ‘أسنوس’ (আসানুস)
১৬/১২. বৃত্র Sheath (শীথ) ‘غمد’ (গামেদা)
১৬/১৩. মাধাই Nectary (নেক্টারি) ‘الرحيقية’ (আররাহিক্বিয়া)
১৬/১৪. হিবাচী Heater (হিটার) ‘سخان’ (সখান)
১৬/১৫. কালনাগিনী Basilisk (ব্যাসিলিস্ক) ‘البازيليسق’ (আলবাজিলিসাক্ব)
১৬/১৬. দস্যু Mobster (মবস্টার) ‘الشقي’ (আশশুক্বিউ)
১৬/১৭. দানব Monster (মনস্টার) ‘وحش’ (ওয়াহাস)
১৬/১৮. ব্রজপুর Stockyard (স্টকইয়ার্ড) ‘حظيرة’ (হাজিরা)
১৬/১৯. মরা Murrain (মারেন) ‘للآفات’ (লিলাফাত)
১৬/২০. রাক্ষস Ogre (ওগার) ‘غول’ (গুল)

কানাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of leaky)
১.   “ও মা যশোদা তোর কৃষ্ণধনকে, দে মা গোষ্ঠে যাই, সব রাখল গেছে গোষ্ঠে, বাকি কেবল কানাই বলাই।” (পবিত্র লালন- ২৫৬/১)
২.   “কানাই বলাই ছিল ভালো, মাছের ধারা তারাই পেল, মাছ ধরে যায় তারা, আমি লালন ভাবছি বসে, সার হলো মোর লালপড়া।” (পবিত্র লালন- ৩৪৯/৫)
৩.   “তোরে জানাই ওরে কানাই, নির্দোষী আমার বলাই, বলন কয় পড়শি জ্বালায়, বলাই চুরি করে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৫৫)
৪.   “মারিস না কানাই ওরে, যতনের অবুঝ বলাইরে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৫৫)

কানাইয়ের সাধারণ উদ্ধৃতি (Some ordinary quotations of leaky)
১.   “আজ কী দেখতে এলি গো তোরা, বল না তাই, আমার কানাই নাই নন্দের গৃহে, আর তো সেভাব নাই।” (পবিত্র লালন- ৯৩/১)
২.   “কানাই একবার এ ব্রজের দশা দেখে যারে, তোর মা যশোদা কিরূপ হালে আছেরে।” (পবিত্র লালন- ২৭২/১)
৩.   “কানাই কার ভাবে তোর এভাব দেখিরে, ব্রজের সেভাব তো দেখি না রে।” (পবিত্র লালন)
৪.   “কানাই হেন ধন হারিয়ে, আছি সদাই হত হয়ে, বলরে কোন দেশে গেলে, আমি সে নীলরতন পাই।” (পবিত্র লালন- ৯৩/২)
৫.   “ধন-ধরা গজ বাজি, তাতে মন না হয় রাজি, আমার কানাইরে পাবার জন্যে, মন আকুল সদাই।” (পবিত্র লালন- ৯৩/৩)

কানাইয়ের প্রকারভেদ (Types of leaky)
সারাবিশ্বের সব শ্বরবিজ্ঞানে ও পুরাণে কানাই দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান কানাই ও ২. উপমিত কানাই।

১. উপমান কানাই (Analogical leaky)
সাধারণত; ফুটা বা ছিদ্রযুক্ত পাত্রকে উপমান কানাই বলে।

২. উপমিত কানাই (Compared leaky)
শ্বরবিজ্ঞানে ও পুরাণে যোনিকে রূপকার্থে কানাই বলে।

কানাইয়ের উপকার (Benefits of leaky)
১. কানাই দেবী নর-নারী উভয়েরই কামোত্তেজনা প্রশমনে সাহায্য করে।
২. কানাই দেবী সাধককে বৈতরণী পেরিয়ে বৈকুণ্ঠে যেতে সাহায্য করে।
৩. কানাই জীবের মূত্র অপসারণে সাহায্য করে।
৪. কানাই সাধককে সাঁই ও কাঁই দর্শনে সাহায্য করে।

কানাই পরিভাষার ব্যাখ্যা (The explanation of the leaky terminology)
বাঙালী পুরাণে কানাই পরিভাষাটির ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। এ পরিভাষাটির মূল ভাবার্থ ভগ ও যোনি। এটি; রমণীদের অত্যন্ত গোপনীয় ও লজ্জাস্কর একটি অঙ্গ। কাজেই শ্বরবিজ্ঞানে এ পরিভাষাটির পুনঃপুন ব্যবহার চরম নির্লজ্জতার পরিচায়ক বটে। আবার; পুরাণে এ পরিভাষাটির ব্যবহার এত অধিক যে; তা নির্ণয় করা কঠিন। এমন কঠিন সমস্যা সমাধানের জন্য পূর্বকালের আত্মজ্ঞানী মনীষীরা পরিভাষাটির মূল ঠিক রেখে; সুকৌশলে ছিদ্র, কানা, ফুটা, ছেদা ও রন্ধ্র ইত্যাদি পরিভাষার প্রতি লক্ষ্য করে; কানা পরিভাষার সাথে ‘আই’ প্রত্যয় যুক্ত করে কানাই (কানা+আই) পরিভাষার সৃষ্টি করেছে। যেমন; (ঢাকা+আই) ঢাকাই। যেমন; এতে পরিভাষাটির উন্মুক্ত ব্যবহারও সুনিশ্চিত হয়েছে। তেমনি, পরিভাষাটির লজ্জাস্করতাও চিরতরে দূর হয়েছে। এভাবেই; যুগে যুগে মানুষের লজ্জাস্কর প্রত্যঙ্গের পরিভাষার লজ্জাস্করতা দূর করে পূর্বকালের সুমহান মনীষীগণ পুরাণকে লজ্জাস্করতার হাত হতে অবমুক্ত করেছেন।

কানাইয়ের পরিচয় (Identity of leaky)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীর ‘কানাই’ পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা বিশেষ। সাধারণত; ফুটা, ফাটা, ছেঁদা বা ছিদ্রযুক্ত দ্রব্যাদিকে কানাই বলা হয়। শ্বরবিজ্ঞানে; দ্বিপস্থ জীবের পুরো জননতন্ত্রকেই কানাই নামে অভিহিত করা হয়। বিশেষ করে; জনিত্রকেই মহাবিজ্ঞান বা আধ্যাত্মিক বিজ্ঞানে কানাই ধরা হয়। ভগ, বৈতরণী, ভৃগু, শিশ্ন এবং মুষ্ক এগুলো যদিও কানাই দেবীর অংশ। তবুও; শ্বরবিজ্ঞানে; ভগ, বৈতরণী, ভৃগু ও জরায়ুকে একত্রে কানাই বলে উল্লেখ করা হয়। বলা হয়; ভগ, বৈতরণী, ভৃগু ও জরায়ু কানাই দেবীর প্রকৃত সত্তা। ভগ, ভৃগু, শিশ্ন এবং মুষ্ক ইত্যাদি পরিভাষার সত্তার পরিচয় ভিন্ন ভিন্ন অনুচ্ছেদে বর্ণনা করা হয়েছে।


কানা পরিভাষাটির ৩টি অভিধা দেখতে পাওয়া যায়। যথা; ১. অন্ধ; কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন বা কানাবকের ছানা ২. ছিদ্র; কানা কলসির জল (আকাশকুসুম) এবং ৩. পাড়; কানা কানা বেয়ে যেও। এ ‘কানা’ ধাতুটির সাথে ‘আই’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে (কানা + আই) ‘কানাই’ বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষাটি সৃষ্টি করা হয়েছে। নতুন অভিধা প্রকাশ করার জন্যই ‘কানাই’ নতুন পরিভাষার সৃষ্টি করা হয়েছে। অত্যন্ত মজার বিষয় হলো; নারীদের জননাঙ্গ কানা। তাই; পুরাণ নির্মাতা সুমহান রূপকারগণ ‘কানাই পরিভাষাকে শ্বরবিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা রূপে গ্রহণ করেছেন। কোনো শব্দকে যখন একটি পরিভাষা রূপে গ্রহণ করা হয়; তখন শব্দটি অভিধা সংকুচিত হয়ে কেবল একটি মাত্র অভিধা প্রকাশ করতে বাধ্য হয়। এ সূত্র মতে; আলোচ্য ‘কানাই’ পরিভাষাটি এখন কেবল যোনি অর্থ প্রকাশ করতে বাধ্য। যেহেতু; এটি; একটি পরিভাষা। যা কানা তাই ‘কানাই’। সব নারীজীব কানা। এজন্য; নারীজীব মাত্রই ‘কানাই কিন্তু ব্যাপক অভিধা বহনকারী এ শব্দটি যখন শ্বরবিজ্ঞানের নির্দিষ্ট একটি পরিভাষায় পরিণত করা হয়েছে; তখন অত্যন্ত অসহায় ও নতজানু হয়েই কেবল যোনি অর্থ প্রকাশ করতে বাধ্য হয়েছে। অর্থাৎ; শ্বরবিজ্ঞানে; চিরদিনই ‘কানাই’ অর্থ যোনি বা স্ত্রী জননাঙ্গ। কানাইয়ের অন্য নাম কবন্ধ। কবন্ধ অর্থ; কেবল ধড় আছে কিন্তু মাথা নেই এমন। যোনিকে দেহ কল্পনা করেই তাকে মাথাহীন কল্পনা করা হয়। যেহেতু; এর কেবল দেহ আছে; কিন্তু মাথা নেই। এজন্য; একে মস্তকহীন বা কবন্ধ বলা হয়।

কবন্ধ (বাপৌছ)বি মুণ্ডহীন ধড়, মস্তকহীন দেহ, প্রেত বিশেষ, স্কন্ধকাটা, রাহু, ধূমকেতু qবিণ নিরবয়ব, আকৃতিহীন (শ্ববি) যোনি, স্ত্রী জননাঙ্গ।

প্রপক (Extensive)
এক মহাকায় দণ্ডক অরণ্যবাসী রাক্ষস। সে শ্রী নামক দানবের পুত্র। তার নাম দনু। এ রাক্ষসের বর্ণনায় আছে; তিনি মুণ্ডগ্রীবাহীন কবন্ধ। তার উদরে মুখ তাতে একটি মাত্র জ্বলন্ত চোখ অগ্নিশিখার মতো বর্তমান। যোজন প্রমাণ দীর্ঘ হস্তের সাহায্যে সে সর্বদা বিবিধ পশুপক্ষী হত্যা করে ভক্ষণ করে। রাক্ষস রূপে বনবাসী ঋষিদের প্রতিনিয়তই ভীতি প্রদর্শন করে। কানাই হতে রজ নির্গত হয় বলে একে রজকিনী, এটি; রাক্ষসের মতো কেবল কামসাধন চাই আর চাই বলে একে কর্বুর, এটি; জ্বলন্ত অগ্নিকুণ্ডলীর মতো উত্তপ্ত বলে একে হিবাচী, এটি; অন্ধকূপের মতো বলে একে অন্ধকূপ, কামজ্বরে মাথা ধরলে কানাই কামসাধন দ্বারা কামুকের কামজ্বর নিরাময় করে বলে একে ধন্বন্তরী (স্বর্গীয় চিকিৎসক), এটি; পাখির মতো কেবল শুক্র খায় বলে একে পাখি, দস্যুর মতো এটি; কেবলই শুক্র অপহরণ করে বলে একে দস্যু বলা হয়। চারিত্রিকভাবে হাবিলের সাথে একে বলা হয় কাবিল, মারুতের সাথে একে বলা হয় হারুৎ, শুম্ভের সাথে একে বলা নিশুম্ভ, শিমনের সাথে একে বলা হয় পিতর, জগাইয়ের সাথে একে বলা হয় মাধাই, চণ্ডীদাসের সাথে একে বলা হয় রজকিনী ও মাধবের সাথে একে বলা হয় মালঞ্চী ইত্যাদি। স্মরণীয় যে; একই সত্তার অনেক নাম থাকতে পারে। তাই; বলে মূল-সত্তা কখনই ভিন্ন হয় না।

(তথ্যসূত্র; আত্মতত্ত্ব ভেদ (৪র্থ খণ্ড); লেখক; বলন কাঁইজি)

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!