২৩. চক্ষু

সহযোগী মূলক পরভিাষা

রূপক পরিভাষা

সহযোগী রূপক পরভিাষা

উপমান পরিভাষা

চারিত্রিক পরিভাষা

ছদ্মনাম পরিভাষা

২৩. চক্ষু
Eye (আই)/ ‘ﻋﻴﻦ’ (আইয়্যিন)

ভূমিকা (Introduction)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীবাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা পরিবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা এবং চক্ষু পরিবার প্রধান বিশেষ। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা দ্রষ্টা। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা নয়ন এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা দৃষ্টি। এটি; একটি বাঙালী পৌরাণিক মূলক প্রধান মূলক সত্তা

অভিধা (Appellation)
চক্ষু (বাপৌমূ)বি চোখ, নয়ন, আঁখি, অক্ষি, লোচন, গো, নেত্র, দৃষ্টি, দর্শনেন্দ্রিয়, বিবেচনা, Eye, ‘ﻋﻴﻦ’ (আইয়্যিন), বিচার বিণ দর্শক, দর্শনকারী, দর্শনেন্দ্রিয় (রূপ্রশ) দ্রষ্টা (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীচক্ষু পরিবার প্রধান ও একটি বাঙালী পৌরাণিক মূলক প্রধান মূলক সত্তা বিশেষ (সংজ্ঞা) . সাধারণত; জীবের দর্শন ইন্দ্রিয়কে বাংলায় চক্ষু বলা হয় . বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, যে কোনো দর্শন যন্ত্রকেই রূপকার্থে চক্ষু বলা হয় (বাপৌছ) দৃষ্টি (বাপৌচা) নয়ন (বাপৌরূ) দ্রষ্টা (বাপৌমূ) চক্ষু।

চক্ষুর সংজ্ঞা (Definition of eye)
সাধারণত; জীবের দর্শনেন্দ্রিয়কে (Sight) চক্ষু বলে।

পারিবারিক অবস্থান (Domestic position)

মূলক

রূপক উপমান চারিত্রিক

ছদ্মনাম

চক্ষু দ্রষ্টা নয়ন দৃষ্টি

প্রাথমিক পরিপত্র (Primary circular)
চক্ষুর আভিধানিক, রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষা।

বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা; চক্ষু।
বাংলা আভিধানিক প্রতিশব্দ; অক্ষি, আঁখি, আখি, গো, নেত্র ও লোচন।
বাঙালী পৌরাণিক রূপক; দ্রষ্টা।
বাঙালী পৌরাণিক উপমান; ০০।
বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক; নয়ন
বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম; দৃষ্টি।

বাংলা, ইংরেজি ও আরবি (Bengali, English and Arabic)

বাংলা

ইংরেজি

আরবি

২৩. চক্ষু Eye (আই) ‘ﻋﻴﻦ’ (আইয়্যিন)
২৩/০১. দ্রষ্টা Observer (ওব্জারভার) ‘مراقب’ (মুরাক্বাব)

চক্ষুর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of Eye)
১.   “আমার ঘরের চাবি পরের হাতে, কেমনে খুলে সে ধন দেখব চোখেতে।” (পবিত্র লালন- ১২৪/১)
২.   “আমার সাড়ে তিন টন- অমৃতসুধা রসরতন, আর মাল্লা বারোজনা- মণিপুর ত্রিবেণে গিয়া- ধনীকে নিঃস্ব বানাইয়া, ডাকাতরা চক্ষু করে কানা।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১০৯)
(মুখ; ছয় ডাকাতে দিয়াছে হানা, নৌকাখানা”)
৩.   “খুলে যায় চোখের বাঁধন, দেখিনা স্বরূপ কিরণ, পাল উড়ায় উতাল পবন, চুঁইয়ে তলায় মূলাধার।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৯১)(মুখ; গুরু উপায় কী আমার, কেমনে হব মায়ানদী পার”)
৪.   “ডান পথে হয় চক্ষুকানা, গুরু বিনা একা যাবি না, ভাঙ্গিস না তোর তরীখানা, পড়িয়া কামিনীর পাকে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৯৮)(মুখ; বলাই যাস না যমুনা ঘাটে, নিবে তোর মাথা কেটে”)
৫.   “বলবো কী সে পাপের দুষ্কর, চক্ষু হয় ঘোর অন্ধকার, কেউ দেখে না কারো ব্যাপার, কে যায় কেমনে।” (পবিত্র লালন- ৬৩৫/৩)(মুখ; পুলসিরাতের কথা কিছু ভাবিও মনে”)

চক্ষুর কয়েকটি সাধারণ উদ্ধৃতি (Some ordinary quotations of eye)
১.   “অন্য ধনের নয়রে দুঃখী, মনে বলে হৃদয়ে রাখি, শ্রীচরণখানা, লালন বলে মোর- পাপে চক্ষু ঘোর, তাইতো; আশা পূর্ণ হলো না।” (পবিত্র লালন- ২৮৪/৪)
২.   “কুড়িচক্ষু চৌদ্দহস্ত, তাই শুনে হলাম ব্যস্ত, শোনার কারণ করি ন্যস্ত, শুনব আমি তোমার মুখেতে।” (পবিত্র লালন- ২৬১/২)
৩.   “ছেলের চক্ষু নাই বেশ দেখতে পায়, চরণ নাই হেঁটে বেড়ায়, যেথা সেথায়, হস্ত নাই বিমূর্তগুণে, আহা কী ক্ষমতা।” (পবিত্র লালন- ৫৫২/৩)
৪.   “দেখলি না বস্তু খুঁজে, কাষ্ঠমালা নেড়েচেড়ে, মিছা নাম জপা, লালন কয়- কী হয় উপায়, বৈদিক মেঘে চক্ষু ঝাঁপা।” (পবিত্র লালন- ২২১/৪)
৫.   “মাস ঘুরে তিন দিন পর, বারো দিনে ঘুরে বছর, আমার যৌবন বাতাসে- বলন কয় বন্ধু কানা, চক্ষেতে দেখেও দেখে না, কাঁন্দি আমি দুয়ারে বসে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৩)
৬.   “লালন বলে মায়াজালে প্রাণ যায়, চারযুগে দেখি কালা দয়াময়, সে নিঠুর কালা, নাই তার বিচ্ছেদ জ্বালা, চক্ষু বুঁজে জপে মালা, সে কালা।” (পবিত্র লালন- ২৯০/৫)
৭.   “সকাল বিকাল দুই রং ধরে সাদা কালো একমাসে, বলন কয় থাইক সেই তাজা কালো ফলের আশে, চার বাহক ছয় প্রহরে- পাহারা দেয় ছয়টি চোরে, ফাঁকি দিয়া তিন চক্ষুকে– বুলবুলিতে খাইয়া যায়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৪৬)

চক্ষুর প্রকারভেদ (Variations of Eye)
সাধারণত; চোখ চার প্রকার। যথা; চর্ম-চক্ষু, অন্তর-চক্ষু, জ্ঞান-চক্ষু ও দিব্য-চক্ষু।

. চর্মচক্ষু (Eyeball/ Cuticle eye)
সাধারণত; জীবের চর্ম নির্মিত দর্শনযোগ্য অক্ষি গোলককে চর্মচক্ষু বলে।
১.   “চক্ষু অন্ধ মনের ধোঁকায়, কেশের আড়ে পাহাড় লুকায়, কী রঙ্গ সাঁই করছে সদাই, বসে নিগম ঠাঁই।” (পবিত্র লালন- ৩৫০/২)
২.   “চক্ষু আছে না দেখে, আবার তিন মরা একত্রে থাকে, মুখ দিয়ে সে পরের মুখে, মর্মের কথা কয়।” (পবিত্র লালন- ৯২৩/২)
৩.   “চক্ষু কর্ণ করো সংবরণ, বন্ধ রাখ পাণি চরণ, পঞ্চ চিহ্ন বলে বলন, গোপন চিহ্ন বলে তাই।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৮০)(মুখ; পঞ্চ চিহ্নের ভেদ বুঝিলে, দিব্য আখি খুলে যায়, এই পঞ্চ চিহ্নের ওপর, ভদ্রতার আর কিছু নাই”)

. অন্তরচক্ষু (Prudence/ Spiritual-Eye)
সাধারণত; জীবের মন বা মানসপটকে অন্তরচক্ষু বলে।
১.   “এ কুরানের দুটি মানে দেখ প্রকাশ্যে ও গোপনে, সব শ্লোকের গণনা এসে মিলবে এ দেহধামে, বলনের ছিন্ন বর্ণালী- রুকু পাড়া সেজদাগুলি, অন্ধ চোখের পর্দা খুলি- দেখিয়ে দেয় গুরুধনী” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৩৪)
২.   “বাপের ধন খেল সর্পে, রাগচক্ষু নাই দেখবি কিরূপে, লালন বলে হিসাব কালে, যাবে জানা।” (পবিত্র লালন- ৭৩৪/৪)(মুখ; মন আমার তুই, করলি একি ইতরপনা, দুগ্ধেতে যেমন তোর মিশল চোনা”)

. জ্ঞান-চক্ষু (Experience/ Wisdom Eye)
সাধারণত; জীবের পঞ্চজ্ঞানেন্দ্রিয়কে একত্রে জ্ঞান-চক্ষু বলে।

১.   “আমার মনেরে বুঝাই কিসে, কুলের ঘোরে আমার জ্ঞান-চক্ষু আঁধার, ঘিরল যেন রাহুতে এসে, বনে আগুন লাগলে দেখে সর্ব লোকে, মনের আগুন কে দেখে মনকোঠা ফেঁসে।” (পবিত্র লালন- ১৩৮/১)
২.   “শক্তিহারা ভাবুক যে; কপট ভাবের কুরসিক সে, লালন বলে তার- জ্ঞান-চক্ষু আঁধার, রাগের পথ চেনে না।” (পবিত্র লালন- ১৮১/৪)
৩.   “শান্ত হ’রে ও মনভোলা, ক্ষান্ত দেরে ঝাঁপই খেলা, লালন বলে ডুবল বেলা, দেখনা এবার চক্ষু মেলে।” (পবিত্র লালন- ৪১৬/৪)(মুখ; গেঁড়ে গাঙেতে খেয়া, হাপুরহুপুর ডুব পাড়লে, এবার মজা যাবে বুঝা, কার্তিকের ওলানিকালে”)

. দিব্যচক্ষু (Clairvoyance, Telepathy, supernal Eye, inward eye; spiritual insight)
সাধারণত; সাধকের দেহতাত্ত্বিক জ্ঞানকে দিব্য-চক্ষু বলে।

দিব্যচক্ষুকে দিব্যদৃষ্টিও বলা হয়। ইংরেজিতে বলা হয়; Clairvoyance, Telepathy, inward eye; spiritual insight, second sight; inner sight; inward eye; heavenly vision; mystical perception or vision; supernatural or spiritual vision. দিব্যচক্ষু সম্পর্কে আব্দুল কাদির জিলানীর ১টি বাণী রয়েছে। তা হলো; “نظرت الى البلاد التى الجمع ك خردل على حكم التوسل” উচ্চারণ; “নাজারতু ইলা আলবিলাদ আল্লাতি জাময়া, কা খারদালাতিন, আলা হুকমি আত্তিসাল।” অর্থ; “আমি প্রেমাবিষ্ট হয়ে, যখন বিশ্বের দিকে দৃষ্টিপাত করি, তখন সারাবিশ্বকে একটি সরষের মতো দেখি।” চর্মচক্ষু দ্বারা কেবল সামনে দেখা যায়। অন্যদিকে; দিব্যচক্ষু দ্বারা সারাবিশ্ব দেখা যায়। আর এটি; কেবল গালগল্প নয়। এর চরম বাস্তবতা আত্মজ্ঞানী সাধকগণের নিকট রয়েছে। যার যার গোঁসাই-গুরুর নিকট বিষয়টি জেনে নেওয়ার পরামর্শ রইল।

১.   “গুরু-শিষ্য এক আত্মা শুনি, মিলন হয় তারা কিসের জন্যি, কোন কার্যে চক্ষুষ্মানী, গুরু বলো আমারে।” (পবিত্র লালন- ৩৪৬/৩)
২.   “পঞ্চ চিহ্নের ভেদ বুঝিলে, দিব্য-আঁখি খুলে যায়, এই পঞ্চ চিহ্নের ওপর, ভদ্রতার আর কিছু নাই।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৮০)
৩.   “যদি কেউ হয় চক্ষুষ্মান, সে দেখে সে রূপ বর্তমান, লালন কয় তার জ্ঞান-ধ্যান, হরি দেখার পুঁথিমালা।” (পবিত্র লালন- ৩৪৪/৪)
৪.   “শিষ্য যদি হয় ক্বায়িমি, কর্ণে দেয় মন্ত্রবাণী, গুরু নিজে করে চক্ষুষ্মানী, নইলে অন্ধ দুই নয়ন।” (পবিত্র লালন- ৩৯৭/৩)
৫.   “স্বরূপে আসন যার, পবন হিল্লোলে নিহার, পক্ষান্তরে; দেখ এবার, দিব্যচক্ষু প্রকাশ করে, সাঁই দ্বিপক্ষেতে খেলছে খেলা, নর-নারী রূপ ধরে।” (পবিত্র লালন- ৭৮২/৩)(মুখ; মানুষ ধর রূপ-নিহারে, মন-নয়নে যোগাযোগ করে”)

চক্ষুর উপকার (Benefits of Eye)
১.   চর্মচক্ষু দ্বারা স্থূলবস্তু দর্শন করা যায়। যেমন; আকার, আকৃতি, রং, রূপ ও চলমানতা।
২.   জ্ঞান-চক্ষু দ্বারা অতি সহজে বৃত্তি ও ব্যবসা করা যায়।
৩.   অন্তর-চক্ষু দ্বারা কল্পনা, বিচার ও বিবেচনা করা যায়।
৪.   দিব্যচক্ষু দ্বারা অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎকালের বিষয়াদি অনুধাবন করা যায়।

চক্ষুর পরিচয় (Identity of Eye)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীচোখ পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা বিশেষ। দর্শন ইন্দ্রিয়কেই চক্ষু বলা হয়। ইতোমধ্যে জীববিজ্ঞানীগণ এক হতে কয়েক লাখ পর্যন্ত চক্ষুবিশিষ্ট প্রাণীর অস্তিত্ব সৃষ্টি জগতে খুঁজে পেয়েছেন। যেমন; মাছির মাথায় একত্রে কয়েক লক্ষ চক্ষুযুক্ত দুটি অক্ষিপুঞ্জ রয়েছে। যারফলে; কোনো দিক হতেই কেউ তাকে সহজে আক্রমণ করতে পারে না। আবার এমনও অনেক প্রাণী রয়েছে; যাদের কোনো চক্ষুই নেই। যেমন; জোঁক। চক্ষুহীন প্রাণীরা কর্ণ দ্বারা শব্দ বা ধ্বনি-সঙ্কেত গ্রহণ করে চলাফেরা করে। যেসব প্রাণীর চক্ষু ও কর্ণ উভয়ই নেই; তারা নাসিকা দ্বারা ঘ্রাণ গ্রহণ করে চলাফেরা করে। মানবজাতির দেহে দুটি চোখ দেখা যায়। আত্মদর্শন বা শ্বরবিজ্ঞানে ডানচক্ষুর স্পন্দন শুভ এবং বামচক্ষুর স্পন্দন অশুভ সঙ্কেত বহন করে। চক্ষু সঙ্কেত তত্ত্ব একবার ভালোভাবে জেনে নিলে; অনেক অদৃশ্য সংবাদ প্রতিনিয়তই জানা যায়। যারফলে; নিজের ও নিজের পরিবারের অনেক বিপদগুলো হতে সহজেই আত্মরক্ষা করা যায়। চোখের ছদ্মনাম দ্রষ্টা। সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকার মধ্যে যখনই দেখা যায়; “তোমরা যাকিছু করো দ্রষ্টা সবই দেখেন।” তখনই মানুষ অন্য একটি কাল্পনিক দ্রষ্টার কথা চিন্তা করে। এটি; কোনমতেই সমীচীন নয়। কারণ; মানুষ যাকিছুই করুক না কেন চোখ সদৃশ দ্রষ্টা অবশ্যই দেখেন। তবে; অন্ধের কথা ভিন্ন। এখন Camera-কেও চোখ বলা যায়। পরিশেষে বলা যায়; সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক শ্বরবিজ্ঞান, পুরাণে বর্ণিত দ্রষ্টা অবশ্যই চোখ। আলোচ্য বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার বাঙালী পৌরাণিক রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষার আলোচনা যথাস্থানে করা হয়েছে।

(তথ্যসূত্র; আত্মতত্ত্ব ভেদ (৪র্থ খণ্ড); লেখক; বলন কাঁইজি)

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!