২৮. জীবনীশক্তি

সহযোগী মূলক পরভিাষা

রূপক পরিভাষা

সহযোগী রূপক পরভিাষা

উপমান পরিভাষা

চারিত্রিক পরিভাষা

ছদ্মনাম পরিভাষা

২৮. জীবনীশক্তি
Vitality (ভাইটালিটি)/ ‘حيوية’ (হাইওয়িয়া)

ভূমিকা (Introduction)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীবাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা পরিবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তাজীবনীশক্তি পরিবার প্রধান বিশেষ। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা সঞ্জীবনী। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা পিতৃহীন। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা কানীন এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা ব্রহ্মশক্তি। এটি একটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্র প্রধান মূলক সত্তা

অভিধা (Appellation)
জীবনীশক্তি (বাপৌমূ)বি ত্তজস্বিতা, সঞ্জীবনী, ব্রহ্মশক্তি, যে শক্তির বলে বীজ অঙ্কুরিত হয়, vitality, ‘حيوية’ (হাইওয়িয়া) (রূপ্রশ) স্বায়ম্ভু, স্বয়ংসৃষ্ট (ইপৌচা) আল্লাহ (.ﺍﻟﻠﻪ), ইসা (.ﻋﻴﺴﻰٰ), মসিহ (.ﻤﺴﻴﺢ), শিশ (.ﺸﻴﺶ) (ইংপ) Lord (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীজীবনীশক্তি পরিবার প্রধান বিশেষ (সংজ্ঞা) ১. সাধারণত; জীবকোষ জীবন্ত রাখার সূক্ষ্মশক্তিকে বাংলায় ‘জীবনীশক্তি বলা হয় ২. বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, শুক্রাণুর দেহধারণ ক্ষমতাকে রূপকার্থে ‘জীবনীশক্তি বলা হয় (বাপৌছ) ব্রহ্মশক্তি (বাপৌচা) কানীন (বাপৌউ) পিতৃহীন (বাপৌরূ) সঞ্জীবনী (বাপৌমূ) জীবনীশক্তি {বাং. জীবনী+ বাং. শক্তি}

জীবনীশক্তির সংজ্ঞা (Definition of vitality)
সাধারণত; জীবকোষ জীবন্ত রাখার সূক্ষ্মশক্তিকে জীবনীশক্তি বলে।

জীবনীশক্তির আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of vitality)
শ্বরবিজ্ঞানে; শুক্রাণুর জীবন উৎপাদন করার ক্ষমতাকে জীবনীশক্তি বলে।

পারিবারিক অবস্থান (Domestic position)

মূলক

রূপক উপমান চারিত্রিক

ছদ্মনাম

জীবনীশক্তি সঞ্জীবনী পিতৃহীন কানীন ব্রহ্মশক্তি

প্রাথমিক পরিপত্র (Primary circular)
জীবনীশক্তির আভিধানিক, রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষা।

বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা; জীবনীশক্তি।
বাংলা আভিধানিক প্রতিশব্দ; প্রাণশক্তি, ব্রহ্মশক্তি ও সৃজনীশক্তি।
বাঙালী পৌরাণিক রূপক; সঞ্জীবনী।
বাঙালী পৌরাণিক উপমান;   ০।
বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক; অঙ্কুর ও কানীন।
বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম;   অষ্ঠিনন্দন ও পিতৃহীন।

বাংলা, ইংরেজি ও আরবি (Bengali, English and Arabic)

বাংলা

ইংরেজি

আরবি

২৮. জীবনীশক্তি Vitality (ভাইটালিটি) ‘حيوية’ (হাইওয়িয়া)
২৮/০১. সঞ্জীবনী Regenerative (রিজেনারেটিভ) ‘التجديدية’ (আত্তাজদিদিয়া)
২৮/০২. পিতৃহীন Orphan (অরফান) ‘ﻴﺘﻴﻡ’ (ইয়াতিম)
২৮/০৩.  কানীন Embryo (এমব্রিও) ‘ﻋِﻴْﺴٰﻰ’ (ইসা)
২৮/০৪.  ব্রহ্মশক্তি Plasma (প্লাজমা) ‘مصل’ (মুসালা)

জীবনীশক্তির প্রকারভেদ (Variations of vitality)
জীবনীশক্তি দুই প্রকার। যথা; ১. জীবনধারণ ক্ষমতা ও ২. জীবন উৎপাদন ক্ষমতা।

. জীবনধারণ ক্ষমতা (Living ability)
শ্বরবিজ্ঞানে; দেহকোষের জীবনীশক্তিকে জীবনধারণ ক্ষমতা বলে।

. জীবন উৎপাদন ক্ষমতা (Life production ability)
শ্বরবিজ্ঞানে; শুক্রাণুর জীবনীশক্তিকে জীবন উৎপাদন ক্ষমতা বলে।

জীবনীশক্তির উপকার (Benefits of vitality)
জীবনীশক্তি বীজের অংকুরোদ্গমনে সাহায্য করে।

জীবনীশক্তির পরিচয় (Identity of vitality)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীজীবনীশক্তি পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা বিশেষ। জীবদেহে অব্যাহতভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী শক্তিকে জীবনীশক্তি বলা হয়। বিশ্বের সব জীবের মধ্যেই ন্যূনাধিক জীবনীশক্তি রয়েছে। জীবনীশক্তি না থাকলে জীবকুল বহু পূর্বেই পৃথিবীর বুক থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যেত। যে শক্তির প্রভাবে জীবকুল পুনর্জন্ম বা পুনরুত্থানলাভ করে তাকে জীবনীশক্তি বলা হয়। বিশ্বের প্রতিটি জীব শৈশব, বাল্য ও কৈশোরকাল অতিবাহিত করে; যখনই যৌবনকাল উপস্থিত হয়; তখনই অলৌকিকভাবে একটি ঐশি অভ্যন্তরীণ আলোড়নের মাধ্যমে জীবনীশক্তির সৃষ্টি হয়। এ অভ্যন্তরীণ আলোড়নের পূর্বে কোন জীবের মধ্যে জীবনীশক্তি থাকে না। যেমন; ধান পেকে সোনালী বর্ণ ধারণ করার পূর্বে; যদি কোন চাষী কাঁচা ধান কেটে শিষ হতে ঝরিয়ে গোলাজাত করে ও যথাসময়ে তা বপন করে; তবে উক্ত বীজ কখনও অঙ্কুরিত হয় না।

কারণ; চাষীরা জানে যে ধান পেকে সোনালী বর্ণ ধারণ করার পূর্বে তার মধ্যে জীবনীশক্তি সৃষ্টি হয় না। কিন্তু ধান পেকে সোনালী বর্ণ ধারণ করার পর; তারমধ্যে; জীবনীশক্তি সৃষ্টি হয়। তাই; ধান সোনালীবর্ণ ধারণ করার পর কেটে গোলাজাত করলে এবং যথাসময়ে বপন করলে অবশ্যই অঙ্কুরিত হয়। কারণ; উক্ত ধানের মধ্যে অভ্যন্তরীণ আলোড়ন হওয়ার পর জীবনীশক্তি সৃষ্টি হয়েছে। তাদৃশ কিশোরের শুক্র কোন সুস্থ্য জরায়ুতে স্থাপন করার পরও সন্তান সৃষ্টি হয় না। কারণ; কিশোর দেহের মধ্যে তখনও অভ্যন্তরীণ আলোড়ন হয় নি। তাই; জীবনশক্তিও সৃষ্টি হয় নি। কিন্তু যুবকের শুক্র কোন সুস্থ জরায়ুতে সংস্থাপন করলে অবশ্যই সন্তান জন্ম হয়। কারণ; যুবকের দেহ অভ্যন্তরীণ আলোড়ন হয়েছে। যেমন; মহাত্মা লালন সাঁইজি যথার্থই বলেছেন; “অসময়ে কৃষি করে, মিছামিছি খেটে মরে, গাছ যদি হয় বীজের জোরে, তাতে ফল ধরে না।” (পবিত্র লালন- ৯২১/৩)

বাহির থেকে বিকল্প শক্তি প্রয়োগ করে অভ্যন্তরীণ আলোড়নের দ্বারা সৃষ্টি জীবের এ জীবনীশক্তি হত্যা বা ধ্বংস করা যায়। যেমন; ধান বা ডিম সিদ্ধ করলে তা অঙ্কুরিত হয় না। কারণ; আগুন দ্বারা সিদ্ধ করে জীবের জীবনীশক্তি ধ্বংস করা হয়েছে। এ জীবনীশক্তিকে বাংলা ভাষায় স্বায়ম্ভু, সংস্কৃত ভাষায় ব্রহ্ম এবং আরবি ভাষায় ইসা (ﻋﻴﺴﻰٰ) বলা হয়। স্বায়ম্ভু, ব্রহ্ম ও ইসা (ﻋﻴﺴﻰٰ) মানুষের মতো রক্তমাংসে গড়া আকারধারী জীব নয়। তারা হলেন দেবালয়ের স্বয়ং ঐশি দেবতা। এজন্য; ব্রহ্ম বা ইসা (ﻋﻴﺴﻰٰ) হলেন জীবের যৌবনকালে অলৌকিক ঐশি অভ্যন্তরীণ আলোড়ন দ্বারা সৃষ্ট জীবের পুনর্জন্ম বা পুনরুদ্গমনের জীবনীশক্তি। বিশ্বের প্রতিটি জীবের ক্ষেত্রে এক প্রক্রিয়ায় জীবনীশক্তি সৃষ্টি হয়। এছাড়াও; বর্তমানে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা খাদ্যাসারকেও জীবের জীবনীশক্তি বলে থাকে। জীব যখন খাদ্য গ্রহণ করে; তখন পাকস্থলি তা পরিপাক করে খাদ্যসার বের করে নেয়। অতঃপর; উক্ত খাদ্যসার যকৃতে সঞ্চিত করে। আর খাদ্যের অসার পদার্থ জল, মল ও ঘামের মাধ্যমে দেহ হতে বের করে দেয়। অতঃপর; জীবের দৈহিক চাহিদা অনুযায়ী যকৃত প্রতিটি জীবকোষে খাদ্যসার সরবরাহ করে বাঁচিয়ে রাখে। জীবকোষের জীবিত থাকাকেই জীবের জীবিত থাকা বলা হয়। জীবদেহে খাদ্য ঘাটতি দেখা দিলে জীবকোষ ক্রমে ক্রমে দুর্বল হয়ে পড়ে। অবশেষে; জীবকোষ মারা যায়। জীবকোষগুলোর নিষ্ক্রিয় হওয়াকে জীবের প্রয়াণ বলা হয়। উল্লেখ্য; মানুষ যাকে জীব বলে; প্রকৃতপক্ষে তা কতকগুলো মৌলিক পদার্থের যৌগিকরূপ। আবার; জীবের প্রয়াণের সাথে সাথে উক্ত মৌলিক পদার্থগুলো স্ব স্ব রূপ লাভ করে। যেমন; কতকগুলো মৌলিকপদার্থ একটি বিশেষ প্রক্রিয়ায় একত্রিত হয়ে যৌগিকপদার্থ সৃষ্টি করে। তেমনই; বিশেষ কোন তাপ, চাপ বা বল প্রয়োগের কারণে আবার ভিন্ন হয়ে যায়। তেমনই; বিভিন্ন পদার্থের সংমিশ্রণ দ্বারা জীবনীশক্তি সৃষ্টি হয়। জীবের প্রয়াণের সঙ্গে সঙ্গেই তা আবার  ভিন্ন ভিন্ন পদার্থে পরিণত হয়। আলোচ্য বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার বাঙালী পৌরাণিক রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষার আলোচনা যথাস্থানে করা হয়েছে।

(তথ্যসূত্র; আত্মতত্ত্ব ভেদ (৪র্থ খণ্ড); লেখক; বলন কাঁইজি)

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!