৪৩. পঞ্চরস

সহযোগী মূলক পরভিাষা

রূপক পরিভাষা

সহযোগী রূপক পরভিাষা

উপমান পরিভাষা

চারিত্রিক পরিভাষা

ছদ্মনাম পরিভাষা

৪৩. পঞ্চরস
Pentagon (পেন্টগন)/ ‘المخمس’ (আলমুখাম্মাস)

ভূমিকা (Introduction)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীবাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা এবং পঞ্চরস পরিবার প্রধান বিশেষ। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা পাণ্ডব। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা পাঁচভাই। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা পাঞ্চিতা এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা পঞ্চরত্ন। এটি একটি বাঙালী পৌরাণিক মূলক প্রধান মূলক সত্তা

অভিধা (Appellation)
পঞ্চরস (বাপৌমূ)বি পঞ্চজল, পাঁচটি নির্যাস, pentagon, ‘المخمس’ (আলমুখাম্মাস), penta-juice, ‘ خماسي عصير’ (খুমাসি আসির), fivejuice, ‘خمسة عصير’ (খামসা আসির), five nectar, five elixir (শ্ববি) পঞ্চামৃত, পঞ্চামৃতবারি, পঞ্চজীবজল (ফাপ) পাঞ্জাতন (ফা.ﭙﻨﺟﺗﻦ), পাঞ্জাব (ফা.ﭙﻨﺠﺎﺐ) (পরি) ১. লালা ২. দুগ্ধ ৩. শুক্র ৪. সুধা ও ৫. মধু- মানবদেহের এ পবিত্র পঞ্চজীবজল (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীপঞ্চরস পরিবার প্রধান ও একটি বাঙালী পৌরাণিক মূলক প্রধান মূলক সত্তা বিশেষ (সংজ্ঞা) ১. যে কোনো পাঁচ প্রকার রসকে একত্রে বাংলায় ‘পঞ্চরস বলা হয় ২. বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, মানবদেহে প্রাপ্ত পবিত্র পাঁচটি অমৃতরসকে ‘পঞ্চরস বলা হয় (বাপৌছ) পঞ্চরত্ন (বাপৌচা) পাঞ্চিতা (বাপৌউ) পাঁচভাই (বাপৌরূ) পাণ্ডব (বাপৌমূ) পঞ্চরস {বাং. পঞ্চ + বাং. রস}

পঞ্চরসের সংজ্ঞা (Definition of pentagon)
পাঁচটি পবিত্ররসের সমষ্টিকে পঞ্চরস বলে।

পঞ্চরসের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of pentagon)
মানবদেহে প্রাপ্ত পবিত্র পাঁচটি অমৃতরসকে পঞ্চরস বলে।

পারিবারিক অবস্থান (Domestic position)

মূলক

রূপক উপমান চারিত্রিক

ছদ্মনাম

পঞ্চরস পাণ্ডব পাঁচভাই পাঞ্চিতা পঞ্চরত্ন

প্রাথমিক পরিপত্র (Primary circular)
পঞ্চরসের আভিধানিক, রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষা।

বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা; পঞ্চরস।
বাঙালী পৌরাণিক রূপক; পাণ্ডব।
বাঙালী পৌরাণিক উপমান;  পাঁচভাই।
বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক; পাঞ্চিতা।
বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম;   পঞ্চরত্ন।

বাংলা, ইংরেজি ও আরবি (Bengali, English and Arabic)

বাংলা

ইংরেজি

আরবি

৪৩. পঞ্চরস Pentagon (পেন্টগন) ‘المخمس’ (আলমুখাম্মাস)
৪৩/১. পাণ্ডব Pentad (পেন্টাড) ‘خماسية’ (খুমাসিয়্যা)
৪৩/২. পাঁচভাই Pentagram (পেন্টাগ্রাম) ‘خمسيه’ (খামসিয়্যাহু)

পঞ্চরসের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি
(Some highly important quotations of pentagon)

. বেদ (Significance)
“যখন সোমরস ইন্দ্রের উদর অর্থাৎ; কলসের মধ্যে স্থাপিত হন কিংবা যখন সুগঠন বাহুবিশিষ্ট ব্যক্তিগণ আপনাদের দশঅঙ্গুলি দ্বারা তার সুমধুর ও প্রীতিকর রস শোধন করতে থাকেন তখন অনেক বুদ্ধিমান লোক একবাক্যে তার গুণকীর্তন করেন।” (ঋবেসদ্বিখনম, সূ- ৭২, ঋ- ২)

. ত্রিপিটক (Triplet)
“যস্স ছত্তিং সতী সোতা মনাপস্সবনা ভুয়া, বাহা বহস্তি দুদ্দিট্ঠিং সংকপ্পা রাগ নিস্সিতা।” অর্থ; “যার ছত্রিশটি স্রোত প্রবল বেগে মনোজ্ঞ বস্তুতে ধাবিত হয়, সে দূরদৃষ্টিসম্পন্ন  ব্যক্তিকে অনুরাগ নিঃসৃত সংকল্প স্রোত বিপদের দিকে দুঃখ মুখে পরিচালিত করে।” (ত্রিপিটক, ধম্মপদ, গাথা- ৩৩৯)

. তোরাহ (ﺗﻮﺮﺍﺓ) (Torah)
“অতঃপর; কাঁইজি বললেন, “জলের মধ্যে একটা ফাঁকা স্থান সৃষ্টি হোক, আর তাতে জল দুইভাগ হয়ে যাক।” (তৌরাত, সূচনাক্রম ১/৬- ৭)

. যাবুর (زبور) (Psalms)
“চাষ করা ভূমির চরাদি তুমি জল ভরে দাও, আর তার দুইধার সমান করো, তাতে নতুন গজানো চারাকে আশীর্বাদ করো।” (জাবুর-  ৬৫/১০)

. ইঞ্জিল (ﺍﻧﺠﻴﻝ) (Gospel)
“তিনি আমাকে আরও বললেন, “শেষ হয়েছে। আমি আলফা এবং ওগিমা- সূচনা ও শেষ। যারা পিপাসা পেয়েছে তাকে আমি জীবনজলের ঝর্ণা হতে বিনামূল্যে জল পান করতে দিব। যে জয়ী হবে, সে এ সমস্তের অধিকারী হবে। আমি তার সাঁই হব এবং সে আমার পুত্র হবে। কিন্তু যারা ভীতু, যারা বিশ্বাস করে নাই, যারা ঘৃণার যোগ্য, হত্যাকারী, ব্যভিচারী, কুহক ও প্রতিমা পূজারী- তাদের এবং সমস্ত মিথ্যাবাদীর স্থান হবে জলন্ত আগুন ও গন্ধকের হ্রদের মধ্যে। এটাই দ্বিতীয় মৃত্যু।” (ইঞ্জিল- ২৭শ খণ্ডঃ প্রকাশিত কথা- ২১/৬- ৮)

. কুরান (ﻘﺭﺍﻦ) (Triad)
“وَهُوَ الَّذِي مَرَجَ الْبَحْرَيْنِ هَذَا عَذْبٌ فُرَاتٌ وَهَذَا مِلْحٌ أُجَاجٌ وَجَعَلَ بَيْنَهُمَا بَرْزَخًا وَحِجْرًا مَحْجُورًا” অর্থ; তিনিই যিনি দুটি সাগরকে মিলিত করেছেন, একটা তৃষ্ণা নিবারক ও মিষ্টজল এবং একটা লবণাক্ত ও বিস্বাদজল, এবং উভয়ের মধ্যে আবরণ ও প্রাচীর স্থাপন করেছেন এবং সেটি হলো অত্যন্তনিরাপদ সুরক্ষিত পাথর (কুরান, ফুরকান- ৫৩)

. লালন (Lalon)
“পঞ্চতত্ত্ব পঞ্চরস, তার ওপর একের কলস, তাতে জ্বলছে বাতি দিবারাতি, তাতে দৃষ্ট রয় রসহরা।” (পবিত্র লালন- ৮০৬/৩)

. বলন (Bolon)
১.   “চৌদেশ পঞ্চাশ্রয় পঞ্চরস, পঞ্চবায়ু পঞ্চবাণ পঞ্চবশ, অষ্টভ্রমন আটপাশ, সপ্তকর্ম দশদশী।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৫৬)
২.   “দশজনে বাঁধ বাঁন্ধিলে- ছয়জনে কাটিয়া ফেলে, দুইজন ঘরে মহাজন, পঞ্চরস সদা ভুলে রই- পঞ্চবাণ ছিলে কাটিলে কই, পঞ্চভূত করছনি বশীকরণ।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৪৯)
৩.   “প্রাতঃ সন্ধায় করো পূজা, দুর কর পাপের বোঝা, হতে চাও রাজার রাজা, প্রেম পঞ্চরস ধরো কষে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৭৮)
৪.   “সপ্তকর্ম ঘাটা প্রেমতরণী, মূলবস্তু পঞ্চরস পঞ্চবাণই, বলন কয় দয়াল গুণি, দেখাও সে স্বরূপেরে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩০০)
৫.   “সাদা কালো ফুলের বাসর, পঞ্চরসে পেতেছি আসর- গো, নিধুবনে নাইকো দোসর, রাঙ্গা ঠোঁটী খাইয়া পান।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৫৪)
৬.   “সেই পঞ্চরস অমৃতসুধার বাণিজ্য মেলায়, দুগ্ধ রতী সুধা মধু কত যে ভেঁসে বেড়ায়, বলন কাঁইজি ভেবে বলে, ত্রিবেণীর দরজা খুলে, পঞ্চরস নিও তুলে জনমভরি (ও ভোলা মন)।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৪১)

মানবদেহের পবিত্র ও উপকারী রস মোটপ্রকার। যথা; ১. লালা ২. দুগ্ধ ৩. শুক্র ৪. সুধা ও ৫. মধু।

. লালা (Slaver)
স্বস্ব মুখ হতে নিঃসৃত রসকে লালা বলে।

. দুগ্ধ (Milk)
স্তন্য হতে নিঃসৃত শুভ্ররসকে দুগ্ধ বলে।

. শুক্র (Semen)
নরদেহে প্রাপ্ত বীর্য নামক শুভ্ররসকে শুক্র বলে।

. সুধা (Nectar)
রজস্বলা রমণীদের জরায়ুতে উৎপন্ন সুমিষ্ট ও সুপেয় সুভ্রবর্ণের রসকে সুধা বলে।

. মধু (Honey)
রজস্বলা রমণীদের জরায়ুতে উৎপন্ন মধুবৎ মিষ্ট কৃষ্ণবর্ণের জলকে মধু বলে।

পঞ্চরসের উপকার (Benefits of pentagon)
১.   নিয়মিত পঞ্চরস সেবনে মানুষের গড় আয়ু অনেক বাড়ানো যায়।
২.   নিয়মিত পঞ্চরস সেবনে সহজে মানুষের চুল ও দাড়ি পাকে না।
৩.   নিয়মিত পঞ্চরস সেবনে সহজে বার্ধক্য মানুষকে আক্রমণ করতে পারে না।
৪.   নিয়মিত পঞ্চরস সেবনে প্রয়াণ ব্যতীত সব রোগ হতে আরোগ্যলাভ করা যায়।
৫.   পঞ্চরস সেবনের মাধমে অতি সহজেই দিব্য আখি উম্মুক্ত করা যায়।
৬.   নিয়মিত পঞ্চরস সেবনের মাধমে দেহকে চির সুস্থ রাখা যায়।
৭.   নিয়মিত পঞ্চরস সেবনের মাধমে দীর্ঘজীবী হওয়া যায়।

পঞ্চরসের পরিচয় (Identity of pentagon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীপঞ্চরস পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা বিশেষ। মানবদেহে প্রাপ্ত পবিত্র পাঁচটি সাধনীয় রসকে একত্রে পঞ্চরস বলা হয়। মানবদেহের; ১. লাল ২. দুগ্ধ ৩. শুক্র ৪. সুধা ও ৫. মধু; এ পঞ্চপ্রকার রসকে একত্রে পঞ্চরস বলে। কিশোর-কশোরীদের দেহে এ পবিত্র পঞ্চরস থাকে না। আবার বৃদ্ধ বৃদ্ধাদের দেহেও এ পবিত্র পঞ্চরস পাওয়া যায় না। কেবল যৌবনকালে অর্থাৎ; গড়ে ৩০ (১১ হতে ৪০) বছর পর্যন্ত মানবদেহে এ পবিত্র পঞ্চরস অবস্থান করে। সময় ব্যতীত এসব দেবতা মানবদেহে থাকেন না। আধ্যাত্মিক পাকা সাধক-গুরুর সহচার্য গ্রহণ করলে এসব রসের নিগূঢ়তত্ত্ব ভালভাবে জানা যায়।

মানবদেহের অসংখ্য প্রকার রসের মধ্যে মাত্র পাঁচটি রস উপাসনাযোগ্য। তারমধ্যে; দুটি রস সুধা ও মধুকে সরাসরি উপাস্য বলা হয়। বিশ্বের সর্বভাষায় সর্ব সাম্প্রদায়িক মহাকাব্যের মূল আলোচ্য বিষয় হলো এ পঞ্চরস। মূল পঞ্চরসের অসংখ্য ছদ্মনাম সর্বভাষায় সর্ব সাম্প্রদায়িক মহাকাব্যে অতিসূক্ষ্মভাবে সুচারুরূপে বর্ণনা করা হয়েছে। কোনো মহাকাব্যের কোথাও এ পঞ্চরসের নামগুলোর ব্যাপারে সাধারণ আভিধানিক শব্দ ব্যবহার করা হয় নি। অত্যন্ত উচ্চ পর্যায়ের বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা বা আধ্যাত্মিক পরিভাষাগুলোর মাধুর্যময় প্রতিশব্দ ব্যবহার বা প্রয়োগ করে মূল মহাগ্রন্থ নির্মাণ করা হয়েছে। যা সাধারণ জনগণের বোধগম্যের অনেক ঊর্ধ্বে। এজন্য; সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষাপ্রাপ্ত যত শিক্ষিতই হোন না কেন শ্বরবিজ্ঞানের কোনো পদ বা চরণের মর্মোদ্ঘাটন করতে পারেন না। কিন্তু কেবল গুরুদীক্ষা গ্রহণকারী অশিক্ষিত একজন সাধক টাস টাস করে বলে দিতে পারে মহাকাব্যের কোনো মন্ত্রের মর্ম কী? শ্বরবিজ্ঞানের ষড়াশ্রয়ের পঞ্চম আশ্রয় বা রসাশ্রয়ের মরমীকবি বা মরমী দার্শনিকগণের আবির্ভাব হয়। যেমন; মুহাম্মাদ, লালন ও বলন ইত্যাদি। এসব মহান মনীষী মানবদেহের বিশিষ্ট পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ রস নিয়ে সুকৌশলে রূপকার্থে অগণিত পদ বা চরণ বা মন্ত্র নির্মাণ করে গেছেন। আজ হতে কয়েক হাজার বছর পূর্বেই বিশিষ্ট বিশিষ্ট মহা গ্রন্থাদি নির্মিত হয়েছে। অথচ সেসব গ্রন্থ পৃথিবীবাসীর নিকট দুর্বোধ্য দুষ্প্রবেশ্য ও কিংবদন্তির মতো হয়ে রয়েছে চিরদিন।

বিশ্ব যখন সভ্যতার দিকে ধাপে ধাপে অগ্রসর হচ্ছে তখন দুর্ভাগ্যকবলিত ও অবহেলিত শ্বরবিজ্ঞান কেন বসে থাকবে? শ্বরবিজ্ঞানের সূক্ষ্ম ও সুনিপুণ গবেষণার দ্বারা বিশ্বমানবতার মুক্তির পথ একটার পর একটা করে খোঁজে বের করতে হবে। শ্বরবিজ্ঞানের আবিষ্কারের নিকট অন্যান্য বিজ্ঞানের আবিষ্কার অত্যন্ত তুচ্ছ। আজ হতে কয়েক হাজার বছর পূর্বে সম্পূর্ণ অবৈজ্ঞানিক যুগে সুমহান আত্মজ্ঞানী মনীষীগণ একমাত্র শ্বরবিজ্ঞানে বিশ্বমানবতার মুক্তির জন্য সুখীপরিবার গঠন, সুস্বাস্থ্য রক্ষা, দীর্ঘায়ুলাভ করা, শুক্র নিয়ন্ত্রণ করা ও জন্মনিয়ন্ত্রণ করা ইত্যাদি জটিল সমস্যাদির সঠিক ও সূক্ষ্ম সমাধান প্রদান করেছিলেন। যা আজও অবিকল রয়েছে। যা বর্তমান বিজ্ঞানের পক্ষে আজও সম্ভব হয় নি। আত্মজ্ঞানী মনীষীদের আবিষ্কৃত কোনো প্রাকৃতিক প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য কোনো অর্থ ব্যয় হয় না। কিন্তু বিজ্ঞান প্রদত্ত সুবিধগুলোর ব্যবহার অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও ক্ষণভঙ্গুর। সাধুগণ বিনা অর্থব্যয়ে বিশ্বমানবতার মুক্তি ও প্রশান্তির চিরামর বিধান প্রদান করেছেন কিন্তু বিজ্ঞান বহু অর্থব্যয়েও একমাত্র অতিরঞ্জিত রঙ্গিন বিলাসিতা ও ধ্বংসযজ্ঞের সহজলভ্য অস্ত্রাদির সুলভতা ব্যতীত আর কিছুই দিতে পারে নি বিশ্ববাসীকে। রসিকগণ রসাশ্রয়ের লব্ধজ্ঞান ও কৌশলগুলো লেখনির মাধ্যমে গণমানুষের নিকট প্রদান করার চেষ্টা করতে গিয়েই বড় বড় মহাগ্রন্থ নির্মাণ করেছেন। রসাশ্রয় হতে বের হওয়ার সময়ে রসিকগণ শ্বরবিজ্ঞানের ষষ্ঠস্তর রূপাশ্রয় গ্রহণ করে বের হয়ে আসেন। রসাশ্রয়ের কথা, ছন্দ, ভাব, সুর ও বচন সবকিছুই সম্পূর্ণ ভিন্ন। শ্বরবিজ্ঞানের এ রসাশ্রয় হতেই বিশিষ্ট মহামানব বা জগদ্বিখ্যাত সাধু ও সন্ন্যাসীর আবির্ভাব হয়।

মানবের পালনকর্তা সাঁই বা শুভ্ররসের সাথে দর্শনলাভকারী রসিকগণ সাঁইজি, বৈষ্ণব, অলি ও গডস উপাধিলাভ করেন। বাংলাভাষায় যত সাঁইজি, সংস্কৃত ভাষায় যত বৈষ্ণব, আরবি ভাষায় যত অলি এবং ইংরেজি ভাষায় যত গডস রয়েছেন, সবাই রসাশ্রয়ের শিক্ষা সমাপণ করে মানবদেহ হতে সাধনবলে মানবের পালনকর্তা সাঁইয়ের দর্শনলাভকারী। আবার বাংলাভাষায় যত কাঁইজি, সংস্কৃতভাষায় যত ব্রহ্মচারী, আরবি ভাষায় যত অলিউল্লাহ এবং ইংরেজি ভাষায় যত লডস রয়েছেন- সবাই আধ্যাত্মিক শাস্ত্রের শিক্ষা সমাপণ করে মানবের সৃষ্টিকর্তা কাঁইয়ের দর্শনলাভকারী। আলোচ্য ‘বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা’র বাঙালী পৌরাণিক রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষার আলোচনা যথাস্থানে করা হয়েছে।

(তথ্যসূত্র; আত্মতত্ত্ব ভেদ (৫ম খণ্ড); লেখক; বলন কাঁইজি)

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!