৫৩. প্রয়াণ

সহযোগী মূলক পরভিাষা

রূপক পরিভাষা

সহযোগী রূপক পরভিাষা

উপমান পরিভাষা

চারিত্রিক পরিভাষা

ছদ্মনাম পরিভাষা

৫৩. প্রয়াণ
Decease (ডিসিজ)/ ‘وفاة’ (ওফাত)

ভূমিকা (Introduction)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীবাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা এবং প্রয়াণ পরিবার প্রধান বিশেষ। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা তিরোধান। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা লোকান্তর এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা মরা। এটি একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক প্রধান মূলক সত্তা

অভিধা (Appellation)
প্রয়াণ (বাপৌমূ)বি তিরোধান, অবসান, decease, ‘وفاة’ (ওফাত) (শ্ববি) দেহত্যাগ, দেহরাখা, প্রাণত্যাগ, জীবের এক জীবনের অবসান, departure, ওফাত (.ﻮﻔﺎﺓ), বিদায় (.ﻮﺪﺍﻉ), মউত (.ﻤﻮﺖ) (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীর ‘প্রয়াণ’ পরিবার প্রধান ও একটি বাঙালী পৌরাণিক প্রকৃত মূলক পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) জীবদেহের বিদ্যুৎ নিষ্ক্রিয় হওয়াকে বাংলায় জীবের ‘প্রয়াণ বলা হয় (বাপৌছ) মরা (বাপৌউ) লোকান্তর (বাপৌরূ) তিরোধান (বাপৌমূ) প্রয়াণ।

প্রয়াণের সংজ্ঞা (Definition of decease)
সাধারণত; জীবের দেহত্যাগকে প্রয়াণ বলে।

প্রয়াণের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা(Theological definition of decease)
জীবদেহে বিদ্যুৎ নিষ্ক্রিয় হওয়াকে জীবের প্রয়াণ বলে।

পারিবারিক অবস্থান (Domestic position)

মূলক

রূপক উপমান চারিত্রিক

ছদ্মনাম

প্রয়াণ তিরোধান লোকান্তর মরা

প্রাথমিক পরিপত্র (Primary circular)
প্রয়াণের আভিধানিক, রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষা।

বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা; প্রয়াণ।
বাংলা আভিধানিক প্রতিশব্দ; অন্তর্ধান, দেহাবসান, পরলোকগমণ, পরলোকপ্রাপ্তি, মহাপ্রয়াণ ও মহাপ্রস্থান।
বাঙালী পৌরাণিক রূপক; তিরোধান।
বাঙালী পৌরাণিক উপমান; অনন্তশয়ন, অনন্তশয্যা, অবসান, কাশীপ্রাপ্তি, কাশীলাভ, দেহান্ত, বিয়োগ, পরিনির্বাণ, মহাপরিনির্বাণ, মহাযাত্রা ও লোকান্তর।
বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক; ০০।
বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম; মরা

বাংলা, ইংরেজি ও আরবি (Bengali, English and Arabic)

বাংলা

ইংরেজি

আরবি

৫৩. প্রয়াণ Decease (ডিসিজ) ‘وفاة’ (ওফাত)
৫৩/১. তিরোধান Exhalation (এক্সহেলেশন) ‘زفير’ (ঝাফির)
৫৩/২. লোকান্তর Departure (ডিপার্চার) ‘رحيل’ (রাহিল)
৫৩/৩. মরা Death (ডেথ) ‘موت’ (মাওয়াতা)

প্রয়াণের প্রকারভেদ (Variations of decease)
সাধারণত; প্রয়াণ দুই প্রকার। যথা; ১. স্বাভাবিক প্রয়াণ ও ২. অকাল প্রয়াণ।

. স্বাভাবিক প্রয়াণ (Normal decease)
স্বাভাবিক বয়স উত্তীর্ণ হয়ে সুস্থদেহে তিরোধান করাকে স্বাভাবিক প্রয়াণ বলে।

. অকাল প্রয়াণ (Premature decease)
যে কোনো রোগব্যাধি বা দুর্ঘটনা কবলিত হয়ে স্বাভাবিক বয়সের পূর্বেই তিরোধান করাকে অকাল প্রয়াণ বলে।

প্রয়াণের পরিচয় (Identity of decease)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীপ্রয়াণ পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা বিশেষ। জীবদেহের বিদ্যুৎ নিষ্ক্রিয় হওয়াকে প্রয়াণ বলা হয় বা জীবনসায়াহ্নে জীবকুলের দেহে বিদ্যুৎরূপ জীবাত্মা নিষ্ক্রিয় হওয়াকে প্রয়াণ বলা হয়। স্থূলদৃষ্টিতে জীবের জন্ম ও প্রয়াণ দেখা গেলেও সূক্ষ্মদৃষ্টিতে জীবের কোনো জন্ম ও প্রয়াণ নেই। জীবের জন্ম ও প্রয়াণ ধড়ান্তর বা কায়ান্তর মাত্র। প্রশ্ন হতে পারে জীবদেহের অসংখ্য দেবতার মধ্যে কোনো সত্তার প্রয়াণ হয়। সমাধান হলো বিশ্বের কোনো পদার্থের সৃষ্টি ও ধ্বংস বা জন্ম-মরণ নেই শুধু রূপান্তর হয় মাত্র। জীবের রূপান্তরের সময় হলে আপনাপনি বায়ু সঞ্চালন ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়। জীবের বায়ু সঞ্চালন ক্রিয়া বন্ধ হওয়াকেই আমরা প্রয়াণ বলি। মূলে জীবের কোনো সত্তারই প্রয়াণ হয় না। মূলত রূপান্তরের জন্যই জীবের প্রয়াণ ক্রিয়াসাধিত হয়। অপমৃত্যু হলো শক্তি প্রয়োগের দ্বারা জীবদেহে বিদ্যুৎ উৎপাদনক্রিয়া বন্ধ করা। প্রয়াণ বা লোকান্তর নিয়ে আধ্যাত্মিক বিজ্ঞানে বা আধ্যাত্মিক সাহিত্যে কোনকিছু লেখা হয় না। কারণ; মানুষ দেহত্যাগ করার পর ব্যক্তি-সত্তার কোনো কর্ম করার ক্ষমতা থাকে না। প্রয়াত দেহ হয় পুড়িয়ে ফেলা হয় অথবা মাটির নিচে পুঁতে ফেলা হয়। অতঃপর; পচনক্রিয়ার মাধ্যমে উক্ত দেহ আবার উদ্ভিদ ও অন্যান্য প্রাণীর খাদ্যে পরিণত হয়। প্রয়াতের আত্মা নিয়ে অনেকে চিন্তা ভাবনা করে থাকেন এবং বলে থাকেন প্রয়াতের আত্মা যায় কোথায়? আত্মা অনুচ্ছেদে অবশিষ্ট আলোচনা করা হয়েছে।

প্রয়াণ কী? কেন জীবের প্রয়াণ সংঘটিত হয়? এমন প্রশ্ন অতি প্রাচীনকাল হতেই অনেক মানুষের মুখে শুনতে পাওয়া যায়। কিন্তু প্রশ্নটির উত্তর পাওয়া যায় না কারো মুখে। আমরা অত্যন্ত সংক্ষেপে এসব প্রশ্নের সমাধান তুলে ধরার চেষ্টা করব। যেমন, প্রয়াণ কী? এর উত্তর হলো; প্রয়াণ হলো জীবদেহ হতে বিদ্যুৎরূপ জীবাত্মার নিষ্ক্রিয়তা। জীবদেহে জীবাত্মা নিষ্ক্রিয় হওয়াকেই জীবের প্রয়াণ বলা হয়। কেন জীবের প্রয়াণ সংঘটিত হয়? এমন প্রশ্নের উত্তর হলো; যে কোনো কারণে যদি জীবদেহে রক্ত সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যায় তবে রক্তের কণিকার ঘর্ষণও বন্ধ হয়ে যায়। যারফলে; জীবদেহে বিদ্যুৎ উৎপাদনও বন্ধ হয়ে যায়। যেহেতু; বিদ্যুৎ জীবদেহের জীবাত্মা বা চালিকাশক্তি। এজন্য; বলা যায় জীবদেহে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেলেই জীবের প্রয়াণ সাধিত হয়। জীবের প্রয়াণের পর প্রয়াতব্যক্তির আত্মা কোথায় যায়? এমন প্রশ্নের সমাধান হলো; জীবদেহ হতে বিদ্যুৎরূপ জীবাত্মা নিষ্ক্রিয় হওয়ার জন্য তা বের হয়ে অন্য কোথাও চলে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না। কারণ; বিদ্যুৎটি যেখানে উৎপন্ন হয় আবার সেখানেই নিষ্ক্রিয় হতে পারে। এ ব্যাপারে অত্র গ্রন্থের ২য় খণ্ডের মন, জ্ঞান ও আত্মা অধ্যায়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

প্রয়াণোত্তর মানুষের অবস্থান (The man position after decease)
যে কোনো একজন পাকা সাধকগুরুর নিকট শিষ্যত্বগ্রহণ করে যদি কোনো ব্যক্তি আত্মশুদ্ধি করতে সক্ষম হন তবেই তিনি প্রয়াণ দ্বারা চির মুক্তিলাভ করতে পারেন। যে মহাশক্তি হতে সৃষ্টি হয়ে মানুষ ক্রমান্বয়ে মূর্তমান রূপে প্রকাশিত হয়েছিল চির মুক্তিলাভের পর আবার সে মহাশক্তির সাথেই মানুষ মিলিত হয়। আত্মশুদ্ধিকারী শুদ্ধ ব্যক্তিগণ মহাশক্তির সাথে মিশে যান এবং অসুদ্ধব্যক্তিরা এ ধরাধামে মানব রূপে পুনঃপুন জন্মগ্রহণ করে স্বস্ব কৃত পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে থাকে। মুক্তিলাভের দ্বারা মহাশক্তির সাথে মিলিত সিদ্ধ মহাপুরুষগণের প্রয়াণোত্তরকালে নিচের বিষয়াদি দেখা যায়।

১.   প্রয়াণোত্তরকালে তাঁদের প্রতি সর্বসাধারণের শ্রদ্ধাভক্তি বাড়তে থাকে।
২.   ক্রমে ক্রমে তাঁদের প্রচার-প্রসার বাড়তে থাকে।
৩.   তাঁদের নাম সর্বস্থলে ভজিত ও পূজিত হতে থাকে।
৪.   তাঁদের গুণগান ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকে।
৫.   তাঁদের নামে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় স্থাপনা ও স্থাপত্য গড়ে উঠতে থাকে।
৬.   তাঁদের সমাধিপ্রাঙ্গনে বড় বড় সম্মেলন সমাবেশ ও সঙ্গ অনুষ্ঠিত হতে থাকে।
৭.   বিদ্যালয় ও বিদ্যাপীঠে তাঁদের আদর্শ ও দর্শনের পাঠদান করা হতে থাকে।
৮.   সর্বোপরি বিশ্বের সর্বত্র তাঁদের মহামানবত্ব প্রতিষ্ঠালাভ করে থাকে।

অত্মশুদ্ধি না করে যারা প্রয়াণলাভ করে তারা কখনই মহাশক্তির সাথে মিলিত হতে পারে না। যারফলে; তারা পুনঃপুন এ ধরাধামেই ফিরে আসতে থাকে। শত জন্মেও যদি তাদের আত্মশুদ্ধি না হয় তবে শতবারই তাদের ফিরে আসতে হয়। পাপীরা এরূপে পুনঃপুন ফিরে আসতে আসতে যদি কখনও কোনো পাকা সাধকগুরুর সন্ধানলাভ করতে পারে এবং তাঁর নিকট দীক্ষিত হয়ে আত্মশুদ্ধি করতে পারে তবেই তাদের চির মুক্তি নিশ্চিত হয়। আত্মশুদ্ধি না করা পর্যন্ত পাপীরা জন্ম-মৃত্যুর মানবচক্রে ঘুরতেই থাকে। এজন্য; বিশ্বের সব মানুষকে সর্বপ্রকার পাপকার্য পরিত্যাগ করে এ জীবনেই আত্মশুদ্ধি করা একান্ত প্রয়োজন। যেমন, অনেক জন্মের পাপে পাপীদের পাপের বোঝা বাড়তে থাকে; তেমনই; অনেক জন্মের পুণ্যের ফলেও পুণ্যবানগণ ক্রমান্বয়ে আত্মশুদ্ধির দ্বারপ্রান্তে গিয়ে উপনীত হন। স্মরণীয় আত্মশুদ্ধি ছাড়া কোনো ক্রমেই মানুষের মুক্তি হয়নি, হয় না এবং হবেও না। আত্মশুদ্ধিলাভ করার জন্য সিদ্ধসাধকগণের শরণাপন্ন হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক বিদ্যা দ্বারা কেবল সামাজিকতা রক্ষা করা যায়, কিছু কিছু অর্থও উপার্জন করা যায়, কখনও কখনও সামান্য-সামান্য শান্তিলাভও করা যায় কিন্তু আত্মশুদ্ধি ও আত্মমুক্তিলাভ করা যায় না কখনও। অশুদ্ধ বা পাপীদের ব্যাপারে নিচের বিষয়াদি লক্ষ্য করা যায়।

১.   প্রয়াণোত্তরকালে পাপীরা মহাশক্তির সাথে মিলিত হতে পারে না। এজন্য; তারা পুনঃপুন এ ধরাধামেই ফিরে আসে।
২.   তাদের কৃতপাপের প্রায়শ্চিত্ত করতেই তারা পুনঃপুন ফিরে আসে।
৩.   স্ব স্ব অসমাপ্ত কার্যাদি সমাপ্ত করার জন্যই তারা পুনঃপুন ফিরে আসে।
৪.   অন্যান্যদের দেনা ও পাওনা বুঝিয়ে দেওয়ার জন্যই তারা পুনঃপুন ফিরে আসে।
৫ .  প্রয়াণের পর পাপীদের প্রতি সাধারণ মানুষের তিরোস্কার ও ধিক্কার পতিত হতে থাকে।
৬.   প্রয়াণোত্তরকালে পাপীদের সমাধিপ্রাঙ্গনে কেউ যায় না।
৭.   যেমন জীবিত থাকতেও পাপীদের কাছে যেতে মানুষ ভয় পেত; তেমনই; প্রয়াণের পরও তাদের সমাধিপ্রাঙ্গনে যেতে ভয় পায়।
৮.   সর্বোপরি পাপীরা কিছুদিনের মধ্যেই মানুষের চিত্ত হতে চিরদিনের জন্যই চির বিলীন হয়ে যায়।

পরিশেষে বলতে চাই মানুষের প্রয়াণ ও মৃত্যু এক নয়। সাধারণত; মানুষের তিরোধানকে প্রয়াণ বলা হয়। অর্থাৎ; আমরা যাকে বলি দেহত্যাগ, দেহরাখা, আড়াল হওয়া, পর্দা নেওয়া কিংবা লোকান্তরিত হওয়া। কিন্তু শ্বরবিজ্ঞানে; শুক্রপাতকে মৃত্যু বলা হয়। বড় হাস্যকর বিষয় হলো শুক্রপাতরূপ মৃত্যু দ্বারা বিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুরাণ নির্মিত হয়। অন্যদিকে; সেসবের আধুনিক অনুবাদক, ব্যৈখ্যিক ও টৈকিকরা মৃত্যুর অভিধা রূপে কেবল প্রয়াণকেই গ্রহণ করে থাকে। অধুনা অনুবাদক, ব্যৈখ্যিক ও টৈকিক কেউই শ্বরবিজ্ঞানে; ব্যবহৃত মৃত্যু পরিভাষাটির দ্বারা শুক্রপাতরূপ অভিধাটি গ্রহণ করে না। আলোচ্য বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার বাঙালী পৌরাণিক রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষার আলোচনা যথাস্থানে করা হয়েছে।

(তথ্যসূত্র; আত্মতত্ত্ব ভেদ (৬ষ্ঠ খণ্ড); লেখক; বলন কাঁইজি)

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!