৫৮. বলাই

সহযোগী মূলক পরভিাষা

রূপক পরিভাষা

সহযোগী রূপক পরভিাষা

৫৮. বলাই
Extender (এক্সটেন্ডার)/ ‘الماذقة’ (আলমাঝিক্বা)

ভূমিকা (Introduction)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীশিশ্ন বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপান্তরিত মূলক সত্তা বিশেষ। এর বাঙালী পৌরাণিক প্রকৃত মূলক সত্তা শিশ্ন। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা বৈঠা। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা আঁচল, খুঁটি, গাছ, চরণ, দৈত্য, লাঠি হাত। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা অনস্থী, আঙ্গুল, কর্ণ, জগাই, জনক, বিম্বল শুক্রাচার্য এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা কামগুরু, কিরীটী, বণিক, বাবা, বামন, মরা শ্রীচরণ। এটি একটি বাঙালী পৌরাণিক উপমান প্রধান মূলক সত্তা

অভিধা (Appellation)
বল (বাপৌছ)বি . শক্তি, সামর্থ্য, ক্ষমতা, সৈন্য, সহায়, বলরাম, রাজা ও বড়ে ভিন্ন দাবা খেলার অন্যান্য ঘুঁটি, হিন্দুদের উপাধি বিশেষ . বর্তুল, গোলাকার, বৃত্তসদৃশ বি গোলক, বাঁটুল, গোলাকার বস্তু, গোলকপিণ্ড, বর্তুলাকার পিণ্ড, পা দ্বারা খেলার গোলক বিশেষ qক্রি প্রকাশ কর, কথা প্রকাশ কর কথা স্বীকার কর (তুই বল) (প্র) ভারতীয় পুরাণে বর্ণিত; ইক্ষ্বাকু বংশীয় রাজা পরীক্ষিৎ ও মণ্ডুকরাজ আয়ুর কন্য সুশোভনার ব্রাহ্মণ বিদ্বেষী পুত্র।

বলা (বাপৌছ)বি কথন, বর্ণন, জ্ঞাপন, উল্লেখকরণ বিণ কথিত, পূর্বে বর্ণিত ক্রি কহা, বিবৃত, আদেশ, অনুরোধ, ডাকা, উল্লেখ করা, সম্মতি দেওয়া, অনুমতি দেওয়া, জ্ঞাপন করা, উপদেশ দেওয়া, পরামর্শ দেওয়া, প্রকাশ করা, ব্যক্ত করা, নিমন্ত্রণ করা, আহবান করা, লজ্জা দেওয়া, তিরস্কার করা, অনুমতি নেওয়া, সম্মতি নেওয়া (শ্ববি) ইঙ্গিত, চি‎হ্ন, ছাপ, লক্ষণ, সাধন।

বলা  (বাপৌছ)ক্রি বাড়া, বৃদ্ধি পাওয়া, বড় হওয়া, প্রশস্ত হওয়া (রুটি বলা, গাছটি দ্রুত বলেছে)

বলাই (বাপৌরূ)বি বলে বা বাড়ে যে; ক্রমে ক্রমে বড় হয় যে; দ্রুত বড় হয় যে; দ্রুত বেড়ে ওঠে যে (পিঠা বলে বড় করা), extender, ‘الماذقة’ (আলমাঝিক্বা), ‘الباسطة’ (আলবাসিত্বা), extensor (ব্য্য) ক্রমে ক্রমে বলে বা বড় হয়। তাই; শ্বরবিজ্ঞানে; শিশ্নকে বলাই বলা হয় (প্র) বলরামের সাদর সম্ভাষণরূপ নাম বলাই, শ্রীকৃষ্ণের জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা, বিষ্ণুর অষ্টম অবতার বিশেষ (শ্ববি) পুরুষজাতির শিশ্ন বা পুরুষাঙ্গ (আপ্রশ) শিশ্ন, চ্যাঁট, নুনু, বণ্ড, বাঁড়া, মেঢ়্র, হুল, হোল, penis, ‘.ﺬﻜﺭ’ (জকর) (রূপ্রশ) আঙুল, আঙ্গুলিমাল, কামদেব, চণ্ডীদাস, নারদ, নাড়া, নেড়ে, মদন, মন্মথ, মাধব, মাধাই (আঞ্চ) চ্যাং, চণ্ডী, সোনা, পোতা, ধন (ইংপ) finger,  Cupid (ইপৌচা).ﻋَﺼَﺎ’ (আসা), ‘ﻘﻟﻨﺪﺮ’ (ক্বলন্দর), ‘.ﺯﻜﺭﻴﺎ’ (জাকারিয়া), ‘.ﺸﻤﺭ’ (শিমার), ‘.ﺤﺎﺒﻞ’ (হাবিল), ‘.ﻤﺎﺭﻮﺕ’ (মারুত) (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীবলাই পরিবার প্রধান ও ভারতীয় বাঙালী পৌরাণিক দেবতা বিশেষ (সংজ্ঞা) ১. সাধারণত; যা ক্রমে ক্রমে বলে (বৃদ্ধি পায়) তাকেই বাংলায় ‘বলাই বলা হয় ২. বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, পুরুষজাতির শিশ্নকে রূপকার্থে ‘বলাই বলা হয় (বাপৌছ) কামগুরু, কিরীটী, বণিক, বাবা, বামন, মরা ও শ্রী-চরণ (বাপৌচা) অনস্থী, আঙ্গুল, কর্ণ, জগাই, জনক, বিম্বল ও শুক্রাচার্য (বাপৌউ) আঁচল, খুঁটি, গাছ, চরণ, দৈত্য, লাঠি ও হাত (বাপৌরূ) বৈঠা (বাপৌমূ) বলাই {বাং.বলা (বৃদ্ধি) + আই}

বলাইয়ের সংজ্ঞা (Definition of extender)
সাধারণত; যা ক্রমে ক্রমে বলে (বৃদ্ধি পায়) তাকে বলাই বলে।

বলাইয়ের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of extender)
শ্বরবিজ্ঞানে; পুরুষজাতির শিশ্নকে বলাই বলে।

পারিবারিক অবস্থান (Domestic position)

মূলক

রূপক উপমান চারিত্রিক

ছদ্মনাম

বলাই বৈঠা   আঁচল, খুঁটি, গাছ, চরণ, দৈত্য, লাঠি ও হাত অনস্থী, আঙ্গুল, কর্ণ, জগাই, জনক, বিম্বল ও শুক্রাচার্য কামগুরু, কিরীটী, বণিক, বাবা, বামন, মরা ও শ্রীচরণ

প্রাথমিক পরিপত্র (Primary circular)
বলাই এর আভিধানিক, রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষা।

বাঙালী পৌরাণিক রূপান্তরিত মূলক সত্তা; বলাই।
অশালীন মূলক; শিশ্ন।
বাংলা আভিধানিক প্রতিশব্দ; চ্যাঁট, নুনু, বণ্ড, বাঁড়া, মেঢ়্র, শিশ্ন ও হুল, Penis, ‘ﺬﻜﺭ’।
আঞ্চলিক প্রতিশব্দ;   চ্যাং, চণ্ডী, ধন, নুনু, নুনটু, পোতা, বণ্ড ও সোনা, heru, dickhead, dick.
বাঙালী পৌরাণিক রূপক; বৈঠা।
বাঙালী পৌরাণিক উপমান; আঁচল, আঙুল, আঙ্গুল, আড়কাঠি, ইঁদুর, ঈশা, ইষ, ঈষ, ঈষা, উলঙ্গ, উলুক, কঞ্চি, কাঠি, কুঞ্জি, কুঞ্জিকাঠি, খর্ব, খাম, খাম্বা, খিড়কি, খুঁটা, খুঁটি, খেটে, খোঁড়া, খোন্তা, গদা, গাছ, গুঁজি, ঘোটনি, চরক, চরণ, চিকুর, চুরুন, চুল, জলুই, জাঠ, জামাই, জোঁক, ঝুঁটি, টাকু, টাকুয়া, ঠুটা, ঠুনি, ঠ্যাং, ঠ্যাঙ, ডাঁড়ুক, ডাঁপ, ডাণ্ডা, ডাল, ডুরি, ঢিঁকি, ঢেঁকি, তনয়, তনুজ, তাড়ু, তাত, তার, তীর, দড়ি, দণ্ড, দাঁড়ি, দাড়ুক, দাণ্ডি, দাদা, দুষ্ট, দৈত্য, দ্যৌ, ধর্মছেলে, নড়া, নড়ি, নন্দাই, নাং, নাঙ্গা, নাগর, নাড়া, নাড়ু, নাল, নুনু, নৃগ, নেড়া, পঙ্গু, পদ, পা, পাণি, পাণ্ঠি, পাদ, পিতা, পুৎ, পুত, পুত্র, পুরুষাঙ্গ, পৃশ্নি, পেঁচা, পেচক, পেষণি, পো, পোতা, পোতা, ফাল, বংশ, বর্শা, বল্লম, বাইঠা, বাঁড়া, বাঁদর, বাঁশ, বাণ, বাবা, বালক, বাহু, বিড়াল, বৃষ, বৃষভ, বেটা, বেত, বেত্র, বোঁটা, বাকা, বোনপো, বোবা, ব্যাঙ, ভব, ভাই, ভাইপো, ভাইয়া, ভগ্নিপতি, ভাতিজা, ভাশুর, ভাশুরপো, ভুজ, ভেক, ভ্রমর, ভ্রাতা, ভ্রাতৃ, মউলোভী, মণ্ডুক, মসি, মহিষ, মাঝি, মাঝি, মাঝিভাই, মুগুর, মুচি, মুড়ো, মুণ্ড, মুদ্গর, মুনাই, মুলা, মুশল, মুষল, মূষিক, যষ্টি, রজ্জু, রম্ভা, রশি, লগা, লগি, লগুড়, লড়ি, লতা, লাঙল, লাঙ্গল, লাঠি, লিঙ্গ,লেখনী, লেঙ, লেঙ্গুড়, লেজ, লজুড়, লোড়া, লোহা, লৌহ, ল্যাং, শব, শর, শলা, শলাকা, শাখা, শাবল, শালা, শাশুড়ী, শিং, শিকল, শিশ্ন, শিষ, শূল, শৃঙ্গ, ষণ্ড, ষাঁড়, ষিড়গ, সর্ব, সিঁড়ি, সিটকি, সুঁই, সুচ, সুতলি, সুতা, হংস, হনুমান, হর, হল, হস্ত, হাত, হাতুড়ি, হুড়কা ও হুড়কো।

বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক; অক্রুর, অঘোর, অঙ্কুশ, অঙ্গদ, অধিরথ, অনঙ্গ, অভিমন্যু, অরদ, অলম্বুষ, অশ্বত্থ, অশ্বসেন, আয়ান, আহিক, আহির, ইন্দ্রসেন, ইল্বল, উগ্রসেন, উদুমধুমা, উদ্দালক, উপমন্যু, উপরাজ, উপপ্লাবী, উল্লাস, উশীনর, উষ্ট্রগ্রীব, ঋক্ষরাজ, ঐলবিল, ঔর্ব, কন্দর্প, কর্ণ, কশ্যপ, কান্দর্প, কাশীশ, কাশ্যপ, কিমিন্দম, কীচক, কুবলাশ্ব, কেতু, কেতুমান, খট্টাঙ্গ, খল্বাট, খুদিরাম, গণেশ, গিরীশ, চণ্ডাল, চণ্ডীদাস, চ্যবন, জগাই, জয়ন্ত, জর্জর, জহ্নু, তরস্বান, তুন্দিল, দক্ষ, দধীচি, দিলীপ, দুর্গেশ, দুর্বাসা, দুর্যোধন, দেবল, দ্রুমিল, ধীবর, নন্দ, নর্মদ, পঞ্চানন, পুণ্ড্রর, পুরারি, পুলোমা, পুষ্কল, পৌরব, পৌলস্ত্য, প্রদ্যুম্ন, প্রবীর, প্রমথ, প্রলম্বন, প্রসেঞ্জিৎ, প্রহন্ত, প্রহ্লাদ, বক, বকাসুর, বটু, বভ্রু, বর্ধন, বর্ধিষ্ণু, বলদেব, বলরাম, বলি, বলিরাজ, বল্লভ, বশিষ্ঠ, বসুদেব, বসুষেণ, বালী, বাস্কল, বিদুর, বিপুল, বিভীষণ, বিম্বল, বিলম্ব, বিশ্বনাথ, বিশ্বমিত্র, বিশ্রবা, বৃষভানু, ব্যোমকেশ, ভগদত্ত, ভিন্দিপাল, ভিমরাজ, ভূষণ্ডী, ভৈরব, ভোলানাথ, মণিন্দ্র, মণিমান, মণিভদ্র, মদন, মদনগোপাল, মদনমোহন, মধু, মধুকর, মন্দর, মন্মথ, মহন্ত, মহাদেব, মহিষাসুর, মহেশ, মিথি, মৃত্যুঞ্জয়, যদু, যযাতি, যশোদ, যাদব, যাস্ক, যুবরাজ, যোগিন্দ্র, যোগেশ, যোগেশ্বর, রানা, রাবণ, রামদাস, রূপবান, রৈবত, লক্ষ্মণ, লখাই, লখিন্দর, লঙ্কেশ, লম্বোদর, ললিত, লোলা, শঙ্কর, শম্বর, শম্ভু, শশাদ, শিখণ্ডী, শিলাদ, শুক্রাচার্য, শম্ভু, শ্রীচরণ, শ্রীদাম, সঞ্জয়, সনক, সনন্দ, সনাল, সম্বর, সহদেব, সুগ্রীব, সুদাম, সুদামা, সুদ্যুম্ন, সুনন্দ, সুন্দ, সুবল, সুমিত্র, সুরেশ, সুরেশ্বর, সোপান, সোমদত্ত, সোমনাথ, সোমেশ্বর, স্বরোচিষ, হর্ষবর্ধন, হাঁদারাম, হিড়িম্ব ও হিরণ্যকশিপু।

বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম; অংশুমান, অকচ, অক্ষপাদ, অগাকান্ত, অগাচণ্ডী, অগারাম, অগ্নিধ্র, অঙ্ঘ্রি, অজমুখ, অজামিল, অঞ্জনপর্বা, অণীমাণ্ডব্য, অতনু, অতিকায়, অধমাধব, অধীর, অধোমুখ, অনরণ্য, অনস্থী, অনুশল্য, অন্ধ, অন্ধক, অবর, অমর্ক, অম্বুজ, অম্বুবাহ, অম্বুবাহী, অয়স, অরঘট্ট, অরিত্র, অরিষ্ট, অরিষ্টনেমা, অর্গল, অর্ধচন্দ্রবাণ, অর্ধাঙ্গ, অর্বাবসু, অলায়ুধ, অলোকসুন্দর, অশ্ব, অশ্বগ্রীব, অশ্বপতি, অশ্বিনীসূত, অশ্মক, অসংবৃত, অসমঞ্জ, অসম্বৃত, অসিতলোমা, অসুর, অহিব্রধ্ন, আখেট, আঙ্গুলিমাল, আঞ্জনেয়, আত্মজ, আত্রেয়, আদিদেব, আনন্দনীপ, আপস্তম্ভ, আবর্তনদণ্ড, আবর্তনী, আরণ্যক, আরুণি, আলান, আসুরি, আস্কন্দর, আহীর, আহুক, ইক্ষ্বাকু, ইন্দুভূষণ, ইন্দুমৌলি, ইন্দ্রদ্যুম্ন, ইন্দ্রপ্রমতি, ইন্দ্রসুত, ইন্দ্রানুজ, ইরাবান, ইল, উইরাজ, উগ্র, উগ্রমূর্তি, উড়নি, উতঙ্ক, উতথ্য, উত্তম, উত্তমৌজা, উত্তরী, উত্তরীয়, উত্তানপাদ, উদম, উদমাদা, উদলা, উদাম, উদুমধুম, উদ্ধব, উদ্বন্ধনরজ্জু, উদ্যানপাল, উদ্যানপালক, উপনেতা, উপপতি, উন্মাদ, উপরজা, ঋক্ষরজা, ঋতধ্বজ, ঋষি, ঋষ্যশৃঙ্গ, একচক্রা, একদংষ্ট্র, একদন্ত, একপদ, একপা, একপাদ, একপিঙ্গল, একলব্য, একাক্ষ, ঐতরেয়, কংশ, ককুৎস্থ, কঙ্ক, কঙ্কালমালী, কচ, কণাদ, কণ্ডু, কণ্ব, কতি, কদলী, কপর্দী, কপালী, কপি, কপিল, কপোতেশ্বর, কমলাক্ষ, কম্পন, কর্ণিক, কুর্ণিগর্গ, কর্দম, কলিঙ্গ, কশ্যপনন্দন, কহোড়, কাঁড়, কাক্ষীবান, কাণ্ডর্ষি, কাত্যায়ন, কানন্দ, কাপি, কামগুরু, কামদেব, কামপ্রদ, কামেশ্বর, কালান্তক, কালিদাস, কাশীনাথ, কাশীশ্বর, কাশ্যপেয়, কিন্নর, কিরীটী, কিশোর, কীলক, কুঞ্জর, কুণাল, কুন্তিভোজ, কুরু, কুলকণ্টক, কুলদেবতা, কুলাচার্য, কুশ, কুশধ্বজ, কুশনাভ, কুশার, কুশিক, কৃত্তিবাস, কৃশাশ্ব, কৃষ্ণকণ্ঠ, কেকয়, কেতুধর্মা, কেশ, কেশরী, কোপি, ক্রৌঞ্চ, কৌণ্ডিণ্য, কৌরব্য, কৌমোদকী, কৌশিক, ক্রোধ, ক্ষপণক, খন্তা, খুন্তি, খন্তিক, খর্বকায়, খলতি, খল্লিট, খুদি, গঙ্গাধর, গজানন, গজাসুর, গণদেব, গণনাথ, গণপতি, গদ, গদাই, গয়, গর্গ্য, গর্দভ, গাধা, গাধি, গাধেয়, গান্ধারেয়, গালব, গিরিশ, গুড়াকেশ, গুহাচর, গুহালীন, গৃহরাজ, গৃহস্বামী, গোঁটনি, গোবরগণেশ, গোবর্ধন, গোষ্ঠীপতি, গ্রন্থকর্তা, গ্রন্থকার, গ্রন্থিক, গ্রহদেবতা, ঘটোৎকচ, ঘট্টজীবী, ঘণ্টাকর্ণ, ঘণ্টেশ্বর, ঘাটমাঝি, ঘানিগাছ, ঘুঁটনি, ঘেঁটু, ঘোর, চণ্ডকৌশিক, চন্দ্রকেতু, চন্দ্রচূড়, চন্দ্রভানু, চন্দ্রশেখর, চর্মকার, চাঁড়াল, চামার, চারুদেষ্ণা, চার্বাক, চিত্রকর, চিত্রকেতু, চিত্রগুপ্ত, চিত্রভানু, চিত্রসেন, চিত্রাঙ্গদ, চেংড়া, চেকিতান, চৈত্য, চৈত্যবৃক্ষ, চ্যাং, চ্যাঁট, ছটি, ছড়ি, ছত্রদণ্ড, ছিপ, ছুঁচ, ছেলে, ছোটলাট, ছোড়ান, জগা, জটা, জটাধর, জটাধারী, জটাল, জটাসুর, জটী, জনক, জনবল্লভ, জনয়িতা, জনিতা, জন্তু, জন্মদ, জন্মদাতা, জম্বুমালী, জম্ভ, জয়দ্বল, জলনর, জলন্ধর, জলবিড়াল, জলমার্জার, জলোকা, জলৌকা, জাঙ্গুলিক, জাম্ববান, জার, জালাপেট, জীয়নকাঠি, জৈমিনি, জ্যামঘ, ঠাকুর, ঢেমনা, তন্তিপাল, তরণীসেন, তরস্বী, তরিক, তরুমৃগ, তাম্রধ্বজ, তারক, তারকনাথ, তারকা, তার্ক্ষ, তালকেতু, তালজঙ্ঘ, তুঙ্গভদ্র, তুণ্ড, তুন্দিভ, তুরগ, তুরঙ্গম, তুর্বসু, তুলারাম, তৃণবিন্দু, তৃণাবর্ত, তোমর, ত্রিপুরারি, ত্রিপুরান্তক, ত্বরমাণ, দণ্ডরায়, দণ্ডার, দণ্ডী, দনুজ, দমন, দম্ভোদ্ভব, দর্দুর, দর্ভপাণি, দর্ভাংকুর, দশানন, দাদুর, দানপতি, দানবীর, দানশীল, দানশৌ-, দানসাগর, দারক, দাশরথ, দাশরথি, দিগম্বর, দিগবসন, দিগ্বসন, দিবোদাস, দীর্ঘতমা, দুন্দুভি, দুরাচার, দূষণ, দেউলা, দেবক, দেবকুলপ্রিয়, দেবদাস, দেবদেব, দেবশর্মা, দেবা, দেবাদিদেব, দৈত্য, দৈত্যগুরু, দৈত্যপতি, দ্যুমতসেন, দ্রুহ্য, দ্রোণ, দ্রোণাচার্য, দ্বিজেন্দ্র, দ্বিজোত্তম, দ্বৈপায়ণ, ধনুর্দ্রুম, ধরণীকিলক, ধর্মঠাকুর, ধর্মধ্বজ, ধর্মপাল, ধর্মপিতা, ধর্মবাপ, ধর্মভাই, ধর্মভ্রাতা, ধার্তরাষ্ট্র, ধুন্ধুমার, ধূম্র, ধূর্জটি, ধৌম্য, নকুল, নকুলেশ্বর, নগ্ন, নগ্নক, নগ্নজিৎ, নগ্নাট, নচিকেতা, নট, নটরাজ, নটেশ্বর, নধর, ননদাই, ননিরপুতুল, নন্দকুমার, নন্দঘোষ, নন্দন, নন্দি, নন্দিকর, নন্দিত, নন্দিবর্ধক, নন্দী, নন্দীমুখ, নন্দীশ্বর, নন্দু, নমুচি, নর্তক, নর্তনপ্রিয়, নর্মসচিব, নর্মসহচর, নল, নলকূপ, নলা, নলিকা, নলিনীরূহ, নহুষ, নষ্টমতি, নাচুনে, নাটক, নাটুয়া, নাটোয়া, নাট্যকার, নাত, নাতি, নাদন, নাদনবাড়ি, নাভী, নায়ক, নারদকাঠি, নারদটিকি, নারদ ঢেঁকি, নারসিংহ, নারাচ, নারাচাস্ত্র, নালক, নালিক, নিগড়, নিতবর, নিকুম্ভ, নিধনপতি, নিপট, নিবাতকবচ, নিবীত, নির্জীব, নীল, নীলকণ্ঠ, নীলধ্বজ, নীললোহিত ও নৈকষেয়। পঞ্চজন, পঞ্চতপা, পঞ্চমুখ, পঞ্চশিখ, পঞ্চাস্য, পদ্মাসন, পবননন্দন, পর্ণমৃগ, পর্ণাদ, পশুপতি, পাঁচানি, পাটনি, পাণ্ডু, পাবনি, পিঙ্গাক্ষ, পিতৃহন্তা, পিতৃহা, পিনাকপাণি, পিনাকী, পুংলিঙ্গ, পুংচিহ্ন, পুত্রক, পুমান, পুরহর, পুরু, পুরুকুৎস, পুরূর্বা, পুরোচন, পুলহ, পুলোমন, পুষ্পকেতন, পুষ্পকেতু, পুষ্পধন্বা, পুষ্পধন্বন, পুষ্পবাণ, পুষ্পশর, পৌণ্ড্ররকিবাসুদেব, প্রজঙ্ঘ, প্রতর্দন, প্রতিবিন্ধ্য, প্রমথেশ, প্রলম্ব, প্রাজন, প্রাস, প্রিয়ব্রত, প্লবগ, প্লবঙ্গ, প্লবঙ্গম, প্লুতক, ফণীভুষণ, ফুলধনু, ফুলবাণ, ফুলবাবু, ফুলশর, বংশদণ্ড, বংশশলাকা, বগ, বগা, বজ্রশলাকা, বণিক, বণ্ডা, বৎস, বৎসাসুর, বদরিনাথ, বনস্পতি, বণিক, বনিজার, বপা, বপুষ্পমান, বভ্রুবাহন, বমচুলি, বমভোলা, বর, বরশা, বরাহ, বরেন্দ্র, বর্চা, বর্তুল, বল, বলভদ্র, বলাক, বসন্তসখা, বসুমনা, বহিত্র, বহুমূর্তি, বহ্নিমন্থ, বাগডোর, বাজশ্রবা, বাণতৃণ, বাণদণ্ড, বাণপাণি, বাণলিঙ্গ, বান্দর, বাবা, বামন, বায়ুতনয়, বায়ুনন্দন, বালখিল্য, বাহুক, বাহ্লিক, বাহ্লিকরাজ, বিকচ, বিকর্ণ, বিটপ, বিদ্যুৎকেশ, বিনায়ক, বিনোদ, বিবস্ত্র, বিভাণ্ডক, বিভূতিভূষণ, বিমূঢ়, বিরাধ, বিরূপাক্ষ, বিরোচন, বিশাখ, বিশ্বপ্রেমিক, বিশ্ববিমোহন, বিশ্ববিমোহী, বীতহব্য, বীরণ, বীরবাহু, বৃকাসুর, বৃষকেতু, বৃষধ্বজ, বৃষপর্বা, বৃষবাহন, বৃষভধ্বজ, বৃষসেন, বৃষাকপি, বৃহদশ্ব, বেণ, বেত্রদণ্ড, বেত্রধর, বেধনিকা, বেধনী, বেন, বৈকর্তন, বৈকল্য, বৈদর, বৈদেহ, বৈদ্যনাথ, বৈরাগী, বৈরোচন, বৈশাখ, বৈশ্য, বৈষ্ট, বৈষ্টম, বোকাকান্ত, বোকাচণ্ডী, বোকাপাঁঠা, বোকারাম, ব্যাপারী, ব্যোমাসুর, ব্রহ্মদত্ত, ভগবৎ, ভগীরথ, ভঙ্গাস্বন, ভবান, ভবানীপতি, ভর্গ, ভল্ল, ভাগুরী, ভারত, ভারবী, ভুজদণ্ড, ভুজাগ্র, ভুজাদল, ভুতনাথ, ভুবনমোহন, ভূঁইয়া, ভূরিশ্রবা, ভূমিজীবী, ভেবাগঙ্গারাম, ভ্যাবলা, ভ্রাতুষ্পুত্র, মউনি, মকর, মকরাক্ষ, মণিগ্রীব, মণিদীপ, মণিযোনি, মণ্ডুকরাজ, মতঙ্গ, মৎস্যজীবী, মদ, মদবান, মধুজীব, মধুজীবী, মধুছন্দস, মধুপ, মধুপায়ী, মধুব্রত, মধুব্রতী, মধুভৃঙ্গী, মধুভৃৎ, মধুমক্ষিকা, মধুরেশ্বর, মধুলিট, মধুলিহ, মধুলিহী, মধুলেহী, মনমথ, মনসিজ, মনোজ, মনোভব, মন্থনদণ্ড, মন্থনী, মন্দপাল, মন্দার, মরণকাঠি, মরা মর্কট, মসিজীবী, মহর্ষি, মহাকায়, মহাকাল, মহান্ত, মহাপার্শ্ব, মহাভিষ, মহাভুজ, মহাভৈরব, মহামুনি, মহারুদ্র, মহাস্থবির, মহীসূত, মহেন্দ্রপর্বত, মহেশান, মহেশ্বর, মহেস, মাকুন্দ, মাকুন্দা, মাণ্ডক্য, মাণ্ডব্য, মাণ্ডুকেয়, মাতঙ্গ, মাতুলপুত্র, মান্ধাতা, মায়াদণ্ড, মার, মারুতি, মার্ত-, মালী, মাহেশ, মিতবর, মিনসা, মীনকেতন, মীনধ্বজ, মুচুকুন্দ, মুঞ্জরি, মুলিবাঁশ, মৃগাঙ্গশেখর, মৃণাল, মেঘানন্দ, মেছুয়া, মেথাতিথি, মেধস, মৈথিল, মৈনাক, মৈন্দ, মোক্ষদ, মোক্ষদায়ক, মোনা, যজ্ঞপশু, যবক্রীত, যমান্তক, যষ্টিকা, যষ্টিমধু, যাজক, যাজ্ঞবল্ক্য, যাঠা, যাতুধান, যুধাজিৎ, যুধামন্যু, যুপাক্ষ, যুবনাশ্ব, যুযুৎসু, যোগিশ, যোগেন্দ্র, রক্তবীজ, রতীকান্ত, রতীপতি, রন্তিদেব, রম, রমক, রমণ, রহূগণ, রাঘবারি, রাজকবি, রাজকুমার, রাজদুলাল, রাজনন্দন, রাজপুত্র, রাজভৃত্য, রাজশেখর, রাধেয়, রাবণমুখো, রাবণারি, রামভক্ত, রামানুজ, রায়বাঁশ, রাষ্ট্রনায়ক, রাষ্ট্রপতি, রাষ্ট্রপ্রধান, রুইদাস, রুক্মরথ, রুক্মী, রুদ্র, রুদ্রজটা, রুদ্রাক্ষ, রুরু, রুষন্বান, রুহিদাস, রূপকার, রূপবন্ত, রূপস, রেবত, রেবতীরমণ, রৈভা, রোমহর্ষণ, রোহিত, রৌদ্রাশ্ব, রৌম্য, লক্ষণ, লক্ষ্মীবাহন, লবণাসুর, লম্পট, লাঙ্গলী, লীলাকমল, লুইপা, লুইপাদ, লোকপাল, লোমপাদ, লোমশ, লোমহর্ষণ, লোসহর্ষণ, লৌহভীম, শক্ত্রি, শঙ্কু, শঙ্খচূড়, শচীনন্দন, শতমুখ, শতযূপ, শতানন্দ, শতানীক, শম্ব, শম্বরারি, শরদ্বান, শরভ, শরভঙ্গ, শর্ব, শর্বর, শর্যাতি, শল, শল্য, শশিভূষণ, শশিশেখর, শাকল্য, শাখামৃগ, শাণ্ডিল্য, শাম্ব, শায়ক, শাশবিবি, শাল্ব, শিখিধ্বজ, শিতিকণ্ঠ, শিনি, শিবলিঙ্গ, শিবি, শিরোরুহ, শিলীমুখ, শিশুপাল, শুক, শুকদেব, শুণ্ডা, শুনঃশেফ, শুভংকর, শূলপাণি, শূলী, শৈব্যবৃষদর্ভি, শ্রীকণ্ঠ, শ্রীচরণকমল, শ্রীপদ, শ্রীপদপঙ্কজ, শ্রীপদপল্লব, শ্রীপাদপদ্ম, শ্রীবৎস, শ্রুতসোম, শ্রুতায়ু, শ্বেতকেতু, শ্মশানচারী, শ্মশানবাসী, সংকর্ষণ, সংহ্রাদ, সত্য, সত্যক, সত্যকাম, সত্রাজিৎ, সদানন্দ, সদাশিব, সনৎকুমার, সপাদ, সভাকবি, সভাপতি, সমরসচিব, সম্বরারি, সম্রাট, সয়া, সর্বতোমুখ, সর্বনাশা, সর্বেশ্বর, সায়ক, সারণ, সিতিকণ্ঠ, সীবনী, সীর, সীরধ্বজ, সুপর্বা, সুপার্শ্ব, সুপ্রতীক, সুবাহু, সুমন্ত্র, সুমুখ, সুরগুরু, সুশ্রুত, সুষেণ, সুহোত্র, সূত, সৃঞ্জয়, সেনজিৎ, সৌতি, স্তম্ভ, স্থাণীশ্বর, স্থাণু, স্থূলকেশ, স্থূলোদর, স্মর, হংসদেব, হংসধ্বজ, হনু, হনুমৎ, হয়গ্রীব, হয়শীরা, হরিচন্দন, হরিহর, হর্ষশ্ব, হলদণ্ড, হলধর, হলভৃৎ, হলাগ্র, হলাদ, হলায়ুধ, হলী, হস্তীশুশু, হাবলা, হাবা, হারীত, হালি, হালিয়া, হালুয়া, হীনবল, হৃদয়বল্লভ, হৃদয়েশ, হেতালবাড়ি, হেরস্ব, হ্রস্ব, হ্রস্বরোমা, হ্লাদ ও হ্লাদী।

বাংলা, ইংরেজি ও আরবি (Bengali, English and Arabic)

বাংলা

ইংরেজি

আরবি

৫৮. বলাই Extender (এক্সটেন্ডার) ‘الماذقة’ (আলমাঝিক্বা)
৫৮/০. শিশ্ন Penis (পিনাস) ‘قضيب’ (ক্বাদিব)
৫৮/১. বৈঠা Oar (ফ্রেঞ্জ) ‘مجذاف’ (মিজযাফ)
৫৮/২. আঁচল Fringe (ওর) ‘هدب’ (হাদিবা)
৫৮/৩. খুঁটি Poles (পোলস) ‘عامود’ (আমুদ)
৫৮/৪. গাছ Sapling (স্যাপ্লিং) ‘شتلة’ (শাতলা)
৫৮/৫. চরণ Leg (লেগ) ‘قدم’ (ক্বদিমা)
৫৮/৬. দৈত্য Goliath (গলেথ) ‘جالوت’ (জালুত)
৫৮/৭. লাঠি Stick (স্টিক) ‘ﻋﺼﺎ’ (আসা)
৫৮/৮. হাত Hand (হ্যান্ড) ‘ﻴﺪ’ (ইয়াদ)
৫৮/৯. অনস্থী Invertebrate (ইনভার্টিব্রেট) ‘لا فقاري’ (লা-ফাক্বারি)
৫৮/১০. আঙ্গুল Finger (ফিঙ্গার) ‘إصبع’ (ইসবাউ)
৫৮/১১. কর্ণ Ear (ইয়ার) ‘أُذْن’ (উযন)
৫৮/১২. জগাই Supplier (সাপ্লাইয়ার) ‘مزود’ (মুঝাওয়িদ)
৫৮/১৩. জনক Gen (জেন) ‘ مبدع’ (মুবদা)
৫৮/১৪. বিম্বল Barrel (ব্যারল) ‘برميل’ (বির্মিল)
৫৮/১৫. শুক্রাচার্য Seminiferous (সেমিনিফেরাস) ‘المنوية’ (আলমুনায়্যিয়া)
৫৮/১৬. কামগুরু Cupid (কিউপিড) ‘صولجان’ (সাওলাজান)
৫৮/১৭. কিরীটী Crowned (ক্রোনেড) ‘مُتَوَّجُ’ (মুতাওওয়াজ)
৫৮/১৮. বণিক Merchant (মার্চ্যান্ট) ‘تجاري’ (তুজারি)
৫৮/১৯. বাবা Father (ফাদার) ‘والد’ (ওয়ালিদ)
৫৮/২০. মরা Died (ডাইড) ‘توفي’ (তুফিয়া)
৫৮/২১. শ্রীচরণ Lithe (লাইদ) ‘رشيق’ (রাশিক্ব)

বলাইয়ের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of extender)
১.   “ও মা যশোদা তোর কৃষ্ণধনকে, দে মা গোষ্ঠে যাই, সব রাখাল গেছে গোষ্ঠে, বাকি কেবল কানাই বলাই।” (পবিত্র লালন- ২৫৬/১)
২.   “কানাই বলাই ছিল ভালো, মাছের ধারা তারাই পেল, মাছ ধরে যায় তারা, আমি লালন ভাবছি বসে, সার হলো মোর লালপড়া।” (পবিত্র লালন- ৩৪৯/৫)
৩.   “তোরে জানাই ওরে কানাই, নির্দোষী আমার বলাই, বলন কয় পড়শি জ্বালায়, আমার বলাই চুরি করে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৫৫)
৪.   “বলাই দাদার দয়া নাই মনে, গোষ্ঠে আর যাব না মা, বলাই দাদার সনে।” (পবিত্র লালন- ৬৭৬/১)

বলাইয়ের কয়েকটি সাধারণ উদ্ধৃতি (Some ordinary quotations of extender)
১.   “অভাগিনীর আর কেউ নাই, কেবল মাত্র একা কানাই, সে ধন হারা হলে বলাই, কিসের ঘরকন্না।” (পবিত্র লালন- ৪২০/৩)
২.   “আমারে বুঝারে বলাই, তোদের সেভাব দেখি নাই, লালন বলে তার- ভাব বুঝা ভার, এ সংসারে।” (পবিত্র লালন- ৬৭৩/৪)
৩.   “কঠিন হইয়া মা যখনে, সাধের বলাই দাও আগুনে, ছেলের কান্না মা না শোনে, হৃদয়ে দয়া মায়া নাই।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩১৩)
৪.   “কালিমা মানসুর দেখেছিল, দেখে ইশক্বেতে মশগুল হলো, আনাল হক্ব ফুকারিল, লালন কয় বলাই কই তোরে।” (পবিত্র লালন- ৪৬/৫)
৫.   “ক্ষুধাতে মন আকুল হয় মা, ধেনু রাখার বল থাকে না, বলাই দাদা বোল বুঝে না, কথা কয় হেনে।” (পবিত্র লালন- ৬৭৬/৩)
৬.   “গোপাল আর গোষ্ঠে যাবে না, যারে যা বলাই তোরা সবে যা।” (পবিত্র লালন- ৪২০/১)
৭.   “চুরি করে ছয়টি চোরা, আমার বলাই পড়ে ধরা, মারিস না রে নিষ্ঠুর মারা, তোর অথৈ পারাপারে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৫৫)
৮.   “বনে গিয়ে রাখাল সবাই, বলে এসো খেলি কানাই, হারলে মোর স্কন্ধে বলাই, চড়ে সেই বনে।” (পবিত্র লালন- ৬৭৬/৪)
৯.   “বলরে বলাই তোদের শাস্ত্র কেমন হায়রে, তোরা বলিস চিরকাল, ঈশ্বর ঐ গোপাল, মানিস কইরে।” (পবিত্র লালন- ৬৭৩/১)
১০. “বলাই যাস না যমুনা ঘাটে, নিবে তোর মাথা কেটে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৯৮)
১১.  “বলেছিল মা যশোদে, বলাইকে দিলাম কানাইয়ের হাতে, লালন কয় মরলে তাতে, কী বলবে মাকে গিয়ে।” (পবিত্র লালন- ৯০৩/৪)
১২. “বৃন্দাবনের কানাই বলাই, ব্রজধামে গৌর নিতাই, ধরতে গেলে দেয় না ধরা কৃষ্ণ হরি দয়াময়, ব্রহ্মাণ্ড যার ভাণ্ডে রয়, সেকি ভুলে দই চিড়ায়।” (পবিত্র লালন- ৯৬১/২)
১৩. “মারিস না কানাই ওরে, যতনের অবুঝ বলাইরে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৫৫)
১৪. “সুদাম বলে নিব খুঁজে, পালাবে কোন বনমাঝে, বলাই বলে আর বুঝি সে, দেখা দিবে না ভাই।” (পবিত্র লালন- ৬৬৯/৩)

বলাইয়ের প্রকারভেদ (Variations of extender)
শ্বরবিজ্ঞানে; বলাই দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান বলাই ও ২. উপমিত বলাই।

. উপমান বলাই (Analogical extender)
যা ক্রমে ক্রমে বলে (বৃদ্ধি পায়) তাকে উপমান বলাই বলে।

. উপমিত বলাই (Compared extender)
শ্বরবিজ্ঞানে; পুরুষজাতির শিশ্নকে উপমিত বলাই বলে।

বলাইয়ের পরিচয় (Identity of extender)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীশিশ্ন রূপ বাঙালী পৌরাণিক প্রকৃত মূলক সত্তাবাঙালী পৌরাণিক রূপান্তরিত মূলক সত্তা বিশেষ। যা কিছু ক্রমে ক্রমে বাড়ে তাকেই বলাই বলা হয়। বলা পরিভাষাটির দুটি আভিধানিক অভিধা পাওয়া যায়। যথা; ১.কথা বলা ও ২.বৃদ্ধি পাওয়া। এ বৃদ্ধি পাওয়াকেই বলা বলা হয়। যেমন; রুটি বলা, গাছটি দ্রুত বলেছে এবং তিনবছরে এত অধিক বলেছে যে দেখে মনে হয় পাঁচ বছরের শিশু। এ বলা ধাতুটির সাথে আই প্রত্যয় যুক্ত হয়ে (বলা + আই) বলাইরূপ বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষাটি সৃষ্টি করা হয়েছে। নতুন অভিধা প্রকাশ করার জন্যই বলাইরূপ নতুন পরিভাষাটি সৃষ্টি করা হয়েছে। অর্থাৎ; যে বা যা বলে তা-ই বলাই। সৃষ্টিকুলের প্রায় সব জীবই ন্যূনাধিক বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়। এজন্য; বলা যায় জীব মাত্রই বলাই। অত্যন্ত মজার বিষয় হলো নরজীবের শিশ্ন কামোদ্দিপনার সময়ে ক্রমে ক্রমে বলে (বৃদ্ধি পায়) বলে; পুরাণ নির্মাতাগণ বলাই পরিভাষাকে শিশ্নের সাথে সম্পৃক্ত করে শ্বরবিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা রূপে গ্রহণ করেছেন। কোনো শব্দকে যখন একটি পরিভাষা রূপে গ্রহণ করা হয় তখন শব্দটি অভিধা সংকুচিত হয়ে কেবল একটি মাত্র অভিধা প্রকাশ করতে বাধ্য হয়। এ সূত্র মতে; আলোচ্য বলাই পরিভাষাটি এখন কেবল শিশ্ন অর্থ প্রকাশ করতে বাধ্য। যেহেতু; এটি একটি পরিভাষা।

যা বলে তাই বলাই। সব জীব বলে। এজন্য; জীব মাত্রই বলাই। কিন্তু ব্যাপক অভিধা বহনকারী এ শব্দটি যখন শ্বরবিজ্ঞানের নির্দিষ্ট একটি পরিভাষায় পরিণত হয়েছে তখন অত্যন্ত অসহায় ও নতজানু হয়েই কেবল শিশ্ন অর্থ প্রকাশ করতে বাধ্য হয়েছে। অর্থাৎ; শ্বরবিজ্ঞানে; চিরদিনই বলাই অর্থ শিশ্ন। অনেক পৌরাণিক কাহিনীর মধ্যেই বলাই চরিত্রটি লক্ষ্য করা যায়। এজন্য; অনেক পাঠকই মনে করে যে; এ বলাই-ই হলো বলরাম। যিনি গোকুল বা নন্দালয়ের নন্দের জ্যেষ্ঠপুত্র বলরাম নামে পরিচিত। বাল্যকালে নন্দ ও যশোদা দম্পতি মহামতি শ্রীকৃষ্ণকে লালনপালন করেছিলেন বলে বলরাম শ্রীকৃষ্ণের বড় ভাইও বটে। কিন্তু মূল ব্যাপারটি তা নয়। বলাই মূলত রূপক চরিত্র। এজন্য; পুরাণের যেখানে যে চরিত্রেই বলাই উপস্থাপিত হোক না কেন তার মূল অভিধা হবে শিশ্ন। কেবল শিশ্ন ব্যতীত অন্য কোনো অভিধায় এ পরিভাষাটি আদৌ ব্যবহার হয় না। অতীতে কোনো দিন হয় নি এবং ভবিষ্যতেও কোনো দিন হবে না। মূলকথা হচ্ছে পুরাণের সব চরিত্রই ব্যক্তির কোনো না কোনো অঙ্গপ্রত্যঙ্গ। তেমনই; বলাইও একটি প্রত্যঙ্গ। এজন্য; বলাইও অবশ্যই বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীতে বর্ণিত বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার পৌরাণিক চরিত্র। কিন্তু স্থূলাকারে বলা হয় যা বলে (ক্রম বৃদ্ধি হয়) তাই বলাই।

 বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীতে বর্ণিত বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার যে মূল হতে উৎপন্ন করা হয় সে মূল নির্বাচন বা নির্ধারণ করা ব্যতীত কোনক্রমেই পুরাণে বর্ণিত বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষাগুলোর আত্মতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি উদ্ঘাটন করা কারো পক্ষেই সম্ভব নয়। আর পুরাণে বর্ণিত পরিভাষাগুলোর মূলোদ্ঘাটন করতে না পারলে পুরো শিল্পটিই ব্যর্থতায় পর্যবসিত হতে বাধ্য হয়। এজন্য; পৌরাণিক কাহিনী শোনা, পড়া বা নির্মাণের পূর্বে এ সাহিত্যের বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা, রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনামগুলো ভালোভাবে জানা ও বুঝা একান্ত প্রয়োজন। পুরাণ সঠিকভাবে বুঝতে না পারা হতেই বিশ্বে সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক যতসব সন্ত্রাসবাদ, উগ্রবাদ ও সহিংসবাদের উদ্ভব হতে আরম্ভ করেছে। এখনও পৌরাণিক সাহিত্যাদি ভালোভাবে জানা ও বুঝার জন্য যদি সামাজিক, প্রাতিষ্ঠানিক ও রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা না হয়; তবে অদূর ভবিষ্যতে পৃথিবী হবে সাধারণ মানুষের জন্য প্রকাশ্য নরক (Open hell)। এবং সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক উগ্রবাদী ও সন্ত্রাসীদের জন্য পৃথিবী হবে শোষণ-নির্যাতনের নির্ভয়শিবির। এজন্য; এ সাহিত্যটি সমাজের সর্বশ্রেণির মানুষের জানা ও বুঝা একান্ত প্রয়োজন। অর্থাৎ; শ্বরবিজ্ঞানে; ব্যবহৃত বলাইকে সবাই যদি একজন মানুষ কল্পনা করতে থাকেন তবে এ সাহিত্যের মূল শিক্ষা সম্পূর্ণই পরিবর্তন হয়ে যায়।

বলাই পরিভাষাটির ব্যাখ্যা (Explanation of extender terminology)
বাংলা শ্বরবিজ্ঞানে; বলাই পরিভাষাটির ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। এ পরিভাষাটির মূল ভাবার্থ হলো নুনু বা শিশ্ন ইত্যাদি। এটি; পুরুষদের অত্যন্ত গোপনীয় ও লজ্জাস্কর একটি অঙ্গ। কাজেই শ্বরবিজ্ঞানে; এ পরিভাষাটির পুনঃপুন ব্যবহার চরম নিলজ্জতার পরিচায়ক বটে। আবার; শ্বরবিজ্ঞানে; এ পরিভাষাটির ব্যবহার এত অধিক যে তা নির্ণয় করাই কঠিন। এমন কঠিন সমস্যা সমাধানের জন্য পূর্বকালের আত্মজ্ঞানী মনীষীগণ পরিভাষাটির মূল ঠিক রেখে সুকৌশলে বৃদ্ধি পাওয়া ও বাড়া, বেড়ে ওঠা ইত্যাদি ক্রিয়াপদের প্রতি লক্ষ্য করে বলা শব্দের সাথে ‘আই’ প্রত্যয় যুক্ত করে বলাই (বলা + আই) শব্দের সৃষ্টি করেন। যেমন, (ঢাকা + আই) ঢাকাই। এতে, যেমন পরিভাষাটির উন্মুক্ত ব্যবহারও সুনিশ্চিত হয়; তেমনই, পরিভাষাটির লজ্জাস্করতাও চিরতরে পরিহার হয়। এভাবেই যুগে যুগে পৌরাণিক লজ্জাস্কর পরিভাষাগুলোর লজ্জাস্করতা পরিহার করে পূর্বকালের সুমহান মনীষীগণ পুরাণকে লজ্জাস্করতার হাত হতে অবমুক্ত করেন। আলোচ্য বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার বাঙালী পৌরাণিক রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষাগুলো যথাস্থানে আলোচনা করা হয়েছে।

(তথ্যসূত্র; আত্মতত্ত্ব ভেদ (৬ষ্ঠ খণ্ড); লেখক; বলন কাঁইজি)

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!