৬২. বিদ্যুৎ

সহযোগী মূলক পরভিাষা

রূপক পরিভাষা

সহযোগী রূপক পরভিাষা

উপমান পরিভাষা

চারিত্রিক পরিভাষা

ছদ্মনাম পরিভাষা

৬২. বিদ্যুৎ
Electricity (ইলেক্ট্রিসিটি)/ ‘كَهْرَبَاء’ (কাহরাবা)

ভূমিকা (Introduction)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীবাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা পরিবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা এবং বিদ্যুৎ পরিবার প্রধান বিশেষ। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা আত্মা। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা পাখি। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা বিজলি এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা জীবাত্মা। এটি একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক প্রধান মূলক সত্তা

অভিধা (Appellation)
বিদ্যুৎ (বাপৌরূ)বি তড়িৎ, অশনি, জিলকি, জ্বলকা, দামিনি, বজ্র, সৌদামিনী, ক্ষণপ্রভা, electricity, ‘كَهْرَبَاء’ (কাহরাবা) (শ্ববি) আত্মা, প্রাণ, জীবন, জীবাত্মা, soul, life, রুহ (.ﺭﻮﺡ) (আঞ্চ) পরান (রূপ্রশ) অলোক, আলেক (ফাপ) জান (ফা.ﺠﺎﻦ), জি (হি.ﺠﻰ) (ইংপ) spirit (পরি) প্রাণীদেহে ব্যাপৃত চৈতন্যময় সত্তা (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীবিদ্যুৎ পরিবার প্রধান বিশেষ (সংজ্ঞা) ১. সাধারণত; পদার্থের সূক্ষ্মকণার প্রবাহকে বাংলায় ‘বিদ্যুৎ বলা হয় ২. বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, জীবকুলের সজিবতা প্রদানকারী শক্তিকে রূপকার্থে ‘বিদ্যুৎ বলা হয় (বাপৌছ) জীবাত্মা (বাপৌচা) বিজলি (বাপৌউ) পাখি (বাপৌরূ) আত্মা (বাপৌমূ) বিদ্যুৎ।

বিদ্যুতের সংজ্ঞা (Definition of electricity)
সাধারণত; পদার্থের এক প্রকার সূক্ষ্মকণার প্রবাহকে বিদ্যুৎ বলে।

বিদ্যুতের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of electricity)
জীবকুলের সজিবতা প্রদানকারী শক্তিকে বিদ্যুৎ বলে।

পারিবারিক অবস্থান (Domestic position)

মূলক

রূপক উপমান চারিত্রিক

ছদ্মনাম

বিদ্যুৎ আত্মা পাখি বিজলি জীবাত্মা

প্রাথমিক পরিপত্র (Primary circular)
বিদ্যুতের আভিধানিক, রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষা।

বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা; বিদ্যুৎ।
বাংলা আভিধানিক প্রতিশব্দ; তড়িৎ।
বাঙালী পৌরাণিক রূপক; আত্মা।
বাঙালী পৌরাণিক উপমান;   প্রাণ, প্রাণপাখি, ময়না ও পাখি
বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক; ইরম্মদ, কঞ্জন ও বিজলি।
বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম;   অলোক, জীবন, জীবাত্মা, ব্যোম, শম্পা, হ্রাদ ও হ্রাদিনী।

বাংলা, ইংরেজি ও আরবি (Bengali, English and Arabic)

বাংলা

ইংরেজি

আরবি

৬২. বিদ্যুৎ Electricity (ইলেক্ট্রিসিটি) ‘كَهْرَبَاء’ (কাহরাবা)
৬২/১. আত্মা Soul (সোল) ‘ﺮﻭﺡ’ (রুহা)
৬২/২. পাখি Bird (বার্ড) ‘ﻄﺎﺌﺮ’ (ত্বয়্যিরা)
৬২/৩. বিজলি Bolt (বোল্ট) ‘الترباس’ (আত্তির্বাস)
৬২/৪. জীবাত্মা Electronegativity ‘كهرسلبية’ (কাহারসিলাবিয়া)

বিদ্যুতের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of electricity)
১.   “মাসেমাসে ভাড়া বাড়ায়, ওয়াসা বিদ্যুৎ গ্যাসের ছুতায়, পথে গাড়ির কালো ধোঁয়া, রাতে জ্বালায় মশা।” (বলন তত্ত্বাবলী, গীতিকার, বলন কাঁইজি)
২.   “যেমন মেঘের কোলে বিদ্যুৎ খেলে, তেমনি সাঁই ফিরে চলে, ভাব না জেনে ধরতে গেলে, পড়বি মারা।” (পবিত্র লালন- ৯২৯/৪)
৩.   “মেঘের বিদ্যুৎ মেঘে যেমন, লুকালে না পায় অন্বেষণ, কালারে হারিয়ে তেমন, ঐরূপ হেরি হৃদ দর্পণে।” (পবিত্র লালন- ৭৯১/৩)
৪.   “শতদল কিংবা সহস্র দল, তাতে রসরতী করে চলাচল, চলে বিদ্যুৎগতি– দ্বিদলে স্থিতি, ষড়দলে বারাম যুগান্তরে।” (পবিত্র লালন- ৩১৫/৩)
৫.   “সোনার-মানুষ ঝলক দেয় দ্বিদলে, যেমন মেঘে বিদ্যুৎ খেলে।” (পবিত্র লালন- ৯৭৫/১)

বিদ্যুতের প্রকারভেদ (Variations of electricity)
বিদ্যুৎ দুই প্রকার। যথা; ১.স্থিরবিদ্যুৎ ও ২.চলবিদ্যুৎ।

. স্থিরবিদ্যুৎ (Static electricity)
যেখানে সৃষ্টি হয় সেখানেই ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় এমন বিদ্যুৎকে স্থিরবিদ্যুৎ বলা হয়। যেমন; শীতকালে চিরুনি দিয়ে মাথা আঁচড়ানোর সময়ে যে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় তা-ই স্থিরবিদ্যুৎ।

. চলবিদ্যুৎ (Running electricity)
যে কোনো পরিবাহির মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত বিদ্যুৎকে চলবিদ্যুৎ বলে। যেমন; পাখা ঘুরানোর বিদ্যুৎ।

চলবিদ্যুৎ বর্তমান বিশ্বের সব শক্তির গুরুত্বপূর্ণ। বলতে গেলে বর্তমান বিশ্বের প্রায় সবকিছুই বিদ্যুৎনির্ভর হয়ে গেছে। বিদ্যুৎ ভিন্ন কোনো ক্রমেই একটি দিবসও কল্পনা করা যায় না। প্রযুক্তিজগৎ তো প্রায় শতভাগই বিদ্যুৎনির্ভর। এছাড়াও; ঘরের রান্নাবান্নার কাজ হতে আরম্ভ করে কলঘর, কার্যালয় ও আড্ডাস্থল পর্যন্ত বিদ্যুৎনির্ভর। এককথায় বলা যায় চলবিদ্যুৎ ব্যতীত প্রায় সারাবিশ্বই অচল। এ চলবিদ্যুৎই হলো জীবের জীবাত্মা। কারণ; চলবিদ্যুৎ না থাকলে একটি মুহূর্ত পর্যন্ত জীবদেহ বেঁচে থাকতে পারে না।

বিদ্যুতের পরিচয় (Identity of electricity)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীবিদ্যুৎ পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা বিশেষ। পদার্থের সূক্ষ্মকণার প্রবাহকে বিদ্যুৎ বলা হয়। বিগত প্রায় ৫০,০০০ বছর পূর্বে যাযাবর মানুষের জীবন যাত্রার শুভ সূচনা হয় বলে জানা যায়। তখন হতে আরম্ভ করে একবিংশ শতাব্দীর প্রথম দশক পর্যন্ত মানুষ অন্বেষণ করে আসছিল যে; মানুষের তিরোধান হলে মানবদেহ হতে কোনো শক্তিটি চলে যায়? অবশেষে পঞ্চাশ হাজার বছর ধরে জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের সর্বশেষ সমাধানটি হস্তগত হলো। এর সাথে সাথেই পঞ্চাশ হাজার বছর পূর্ব হতে জীবাত্মা সম্পর্কে প্রতিষ্ঠিত দার্শনিকতত্ত্ব, আধ্যাত্মিক মতবাদ, মরমীবাদ, পারম্পরিক মতবাদ ও সাম্প্রদায়িক অন্ধবিশ্বাসপ্রসূত সব মনগড়া মতবাদের চির সমাধি নির্মিত হলো। সঙ্গে সঙ্গেই আত্মার পুনর্জনম, দাদার আত্মা নাতির মধ্যে জগ্মগ্রহণ, নানার আত্মা নাতির মধ্যে জগ্মগ্রহণ, নানীর আত্মা নাতনীর মধ্যে জগ্মগ্রহণ, আত্মার কৃতকর্মের বিচার হওয়া, আত্মার মুক্তি কামনা করা দ্বারা পাপিষ্ঠ আত্মগুলোর মুক্তিলাভ করা, মাটির সমাধির মধ্যে আত্মার শাস্তি হওয়া এবং দেবতাগণের দ্বারা আত্মাকে মারপিট করা ইত্যাদি বিভ্রান্ত মতবাদেরও চিরা অবসান হলো। কেননা আমরা একেবারে শতভাগই নিশ্চিৎ হতে পেরেছি যে; এ চলবিদ্যুৎই হলো জীবের প্রকৃত জীবাত্মা বা আত্মা।

কৃত্রিমভাবে নানা উপায়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। যেমন; জল, বায়ু, গ্যাস, ডিজেল ও কয়লা দ্বারা বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। কিন্তু দেহের মধ্যে কেবল রক্তের কণিকার ঘর্ষণেই বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়। অতঃপর; উক্ত বিদ্যুৎ দেহের প্রতিটি কোষে কোষে পরিবাহিত হয়। এর ফলেই জীবকোষগুলো জীবিত থাকে। জীবকোষের জীবিত থাকা অর্থই হলো জীবের জীবিত থাকা। বর্তমান বিজ্ঞানীদের মতে; মানবদেহে গড়ে প্রায় সাড়ে চার ভোল্ট বিদ্যুৎ বিদ্যমান থাকে। যেমন; বৈদ্যুতিক যন্ত্রাদি বিদ্যুৎ ব্যতীত চলে না; তেমনই; জীবদেহও বিদ্যুৎ ব্যতীত একপলকও চলে না। পূর্বকালের মানুষ যখন বিদ্যুতের সাথে পরিচিত ছিলেন না তখন তারা একে আত্মা বা জীবাত্মা বলতেন। আর তখন হতে এ আত্মা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে মনগড়া ও অন্ধবিশ্বাসপ্রসূত যতসব সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পৌরাণিক কাহিনী। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির যুগে জীবদেহের নিছক এ বিদ্যুৎকে আত্মা নাম দিয়ে সর্বপ্রকার গালগল্প, রূপক কাহিনী ও অন্ধবিশ্বাসপ্রসূত সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পৌরাণিক কাহিনী প্রচার করা; একদিকে; যেমন; জঘণ্যতম অপরাধ; অন্যদিকে; তেমনই; মহা আত্মবিধ্বংসী। আলোচ্য বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার বাঙালী পৌরাণিক রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষার আলোচনা যথাস্থানে করা হয়েছে।

প্রাচীন পিলারের মূল্য কোটি টাকা (Ancient pillars price crore taka)
বৃটিশদের অখণ্ড ভারত শাষণকালে এসব পিলারের ফ্রিকুয়েন্সি অনুযায়ী একটি থেকে আরেকটির নির্দিষ্ট দূরত্বে মাটির নীচে পুতে রাখা হয়েছিল। এগুলো পিতল, তামা, লোহা, টাইটেনিয়মসহ ধাতব চুম্বক সমন্বয়ে গঠন করা হয়েছিল। এজন্য; বজ্রপাত হবার সময়ে যে ইলেকট্রিক চার্য উৎপন্ন হতো; পিলারগুলো সরাসরি এই চার্য শোষণ করে আর্থিং এর কাজ করতো। তাই; তখন বজ্রপাত হতো কিন্তু মানুষ মরত না।

ব্রিটিসদের স্থাপনকৃত বিদ্যুৎ নিরোধক পিলার

বিগত বিংশ শতাব্দীর আশি ও নব্বইয়ের দশক হতে কিছু অসাধু-লোক এই পিলারগুলো অনেক মূল্যে বিক্রি করা যায়; এমন গুজব ছড়াতে আরম্ভ করে। পরবর্তীকালে ইন্ডিয়া ও বাংলাদেশ সিমান্ত অঞ্চলে প্রাথমিকভাবে এগুলো কিছু পাওয়া যায়। এ কারণে; একে সিমান্ত পিলারও বলা আরম্ভ হয়। অন্যদিকে; এর মধ্যে ছিল তামা, পিতল, টাইটেনিয়াম জাতীয় ধাতব পদার্থ। এছাড়াও; এগুলো ছিল বিদ্যুৎ সুপরিবাহি। তাই; একে মহামুল্যবান বলে অপপ্রচার করা হয়েছিল। এরফলে; দেশের বিভিন্ন স্থান হতে এগুলো চুরি হতে আরম্ভ হয়।

মুলত বৃটিশ শাষণকালে বজ্রপাত থেকে বাঁচার জন্য এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে এমন পিলার প্রস্তুত করা হয়েছিল। অতঃপর; এগুলোর ফ্রিকুয়েন্সি মেপে মেপে, একটি নিদ্রিষ্ট দুরত্ব পর পর সারাদেশেই মাটির নিচে পুতে রাখা হয়েছিল। বর্তমানে মোবাইল ফোনের টাউয়ার বসানোর সাথে এর তুলনা করা যায়। যেমন; টাওয়ারগুলোর একটা থেকে আরেকটার দুরত্ব ও ফ্রিকুয়েন্সি যথাযথ পরিমাপ করে বিশেষজ্ঞ মনীষীগণ বসিয়ে থাকেন।

বজ্র শোষণকারী ঐসব পিলার মাটির নিচে পুতে রাখার কারণে; তখন বজ্রপাতে মানুষ বা অন্য প্রাণী মরত না। অতীতের সরকার প্রধানদের গুরুত্ব না দেওয়ার কারণে; যখন ঐ পিলারগুলো সব চুরি হয়ে গেল। তখন থেকেই বজ্রপাতে মানুষ ও অন্যান্য প্রাণী মরা আরম্ভ হলো। এমনকি; বর্তমানে অনেক মূল্যবান গাছও বজ্রপাতে মারা যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিকার করতে এগিয়ে আসে নি কোনো সরকার প্রধান বা এনজিও।

এখন কেউ কেউ বুঝতে আরম্ভ করছেন; কেন বৃটিশ শাসনকালে একটি নির্দিষ্ট দুরত্বে মাটির নিচে পিলারগুলো পুতে রাখা হয়েছিল। আর এখন এগুলো চুরি হওয়ার কারণে; এ অঞ্চলবাসীর কী সর্বনাশ হয়েছে। এখন দেখতে হবে বজ্রপাত রোধের জন্য সরকারি উদ্দোগে এধরনের নতুন কিছু উদ্ভাবন ও স্থাপন করা যায় কিনা। যার দ্বারা বজ্রপাতের হাত হতে পরিবেশ, প্রাণী ও উদ্ভিদ বাঁচানো যায়।

(তথ্যসূত্র; আত্মতত্ত্ব ভেদ (৬ষ্ঠ খণ্ড)লেখকবলন কাঁইজি)

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!