৬৬. বৈতরণী

সহযোগী মূলক পরভিাষা

রূপক পরিভাষা

সহযোগী রূপক পরভিাষা

উপমান পরিভাষা

চারিত্রিক পরিভাষা

ছদ্মনাম পরিভাষা

৬৬. বৈতরণী
Styx (স্টেক্স)/ ‘ستإكس’ (সাতায়েক্স)

ভূমিকা (Introduction)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীবাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপান্তরিত মূলক সত্তা। এর বাঙালী পৌরাণিক প্রকৃত মূলক সত্তা যোনিপথ। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা নদী। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা উঠান, দুয়ার পথ। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা ডাঙ্গা, বিরজা যমুনা এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা খাল, নালা সুড়ঙ্গ। এটি একটি বাঙালী পৌরাণিক উপমান প্রধান মূলক সত্তা বিশেষ।

অভিধা (Appellation)
বৈতরণী (বাপৌরূ)বি ১. অলকানন্দা, ইরাবতী, কালিন্দী, কালীগঙ্গা, গঙ্গা, গণ্ডকী, গোদাবরী, গোমতী, চন্দ্রভাগা, তমসা, তিস্তা, পদ্মা, ফল্গু, বিপাশা, বিরজা, বৈতরণী, ব্রহ্মপুত্র, ভাগীরথী, মন্দাকিনী, মেঘনা, যমুনা, শতদ্রু, সংযমনী, সরষু, সুরধুনী, সুরনদী ও সরস্বতী, Styx, ‘ستإكس’ (সাতায়েক্স) ২. উবুদনদী, ঊর্ধ্বনদী, কামনদী, প্রেমনদী, ভবনদী, মায়ানদী, রূপনদী ও স্বরূপনদী (প্র) ১. ভারতীয় পুরাণ মতে; যমদূতের নদী, বাঙালী পৌরাণিক যমদ্বারের নদী ও উড়িষ্যার একটি নদী বিশেষ ২. পারম্পরিক মনীষীদের রূপক বর্ণনা মতে; মর্ত্যধাম হতে স্বর্গধামে গমনের একমাত্র নদী (শ্ববি) স্ত্রী জননপথ, গমননালি (ইংপ) canal (ইপ) দজলা (ﺪﺠﻠﺔ), বরজখ (.ﺒﺮﺯﺥ) (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীবৈতরণী পরিবার প্রধান ও যোনিপথের রূপান্তরিত মূলক ও হিন্দু সাম্প্রদায়িক পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) ১. সাধারণত; ভারতীয় পুরাণ মতে; যমদ্বারের নদীকে বাংলায় ‘বৈতরণী বলা হয় ২. বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, ভগ হতে ভৃগু পর্যন্ত স্ত্রী যোনিপথকে রূপকার্থে ‘বৈতরণী বলা হয় (বাপৌছ) খাল, নালা ও সুড়ঙ্গ (বাপৌচা) ডাঙ্গা, বিরজা ও যমুনা (বাপৌউ) উঠান, দুয়ার ও পথ (বাপৌরূ) নদী (বাপৌমূ) বৈতরণী।

বৈতরণীর সংজ্ঞা (Definition of styx)
ভারতীয় পুরাণে যমদূতের নদীকে বৈতরণী বলে।

বৈতরণীর আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of styx)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, ভগ হতে ভৃগু পর্যন্ত স্ত্রী জননপথকে বিরজা বা বৈতরণী বলে।

পারিবারিক অবস্থান (Domestic position)

মূলক রূপক উপমান চারিত্রিক ছদ্মনাম
বৈতরণী নদী উঠান, দুয়ার ও পথ ডাঙ্গা, বিরজা ও যমুনা খাল, নালা ও সুড়ঙ্গ

প্রাথমিক পরিপত্র (Primary circular)
বৈতরণীর আভিধানিক, রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষা।

বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা; বৈতরণী।
বাংলা আভিধানিক প্রতিশব্দ; অলকানন্দা, ইরাবতী, কামনদী, কালিন্দী, গঙ্গা, গণ্ডকী, গোদাবরী, গোমতী, চন্দ্রভাগা, তমসা, পদ্মা, ফল্গু, বিপাশা, বিরজা, ব্রহ্মপুত্র, ভবনদী, ভাগীরথ, মন্দাকিনী, মেঘনা, যমুনা, শতদ্রু, সরষু, সুরধুনী ও সুরনদী।
সাধারণ অর্থ; যোনিনালি, যোনিপথ ও যৌননালি।
বাঙালী পৌরাণিক রূপক; নদী।
বাঙালী পৌরাণিক উপমান; অঙ্গন, অপগা, অয়ন, অলিন্দ, আঙিনা, আঙ্গিনা, উঠান, উপকূল, উপনগর, উপনদ, উপনদী, উপসাগর, কানছা, কানছি, কালগঙ্গা, কালীগঙ্গা, কূল, গঙ্গানদী, গাঙ, গাঙ্গ,, গিরিতরঙ্গিণী, গিরিনদী, জলধুনী, জলনালী, জলনির্গমনী, জলপথ, জাঙ্গাল, ডাঁড়া, তট, তটভূমি, তটিনী, তরঙ্গিনী, দুয়ার, দেউড়ি, নগনদী, নদ, নদীপথ, নর্দমা, নর্দামা, নর্মাদা, নাল, নালা, নালি, নালীক, নির্ঝরিণী, নৈ, পথ, পন্থ, পন্থা, পয়ঃপ্রণালী, পয়োনালা, পয়োনালী, পাখি, পাড়, পাতাল, পারঘাট, পারঘাটা, প্রাঙ্গন, প্রান্তর, প্রেতনদী, প্রেমনদী, প্রেমবর্ত্ম, প্রেমযমুনা, বহির্দ্বার, বহির্বাটি, রক্তগঙ্গা, রক্তনদী, শোননদ, সরণি সরস্বতীনদী, স্বর্গগঙ্গা, স্বর্গীয় নদী ও হাওড়।
বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক; ইন্দারা, কূলবতী, ঘর্ঘরী, চর্মন্বতী, ডাঙ্গা, তপতী, পম্পা, বিরজা, যমী ও রেবা।
বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম; অশ্বশালা, অহিকোষ, আকাশগঙ্গা, আকাশপথ, আর্যাবর্ত, ইন্দ্রাগার, ইলাবৃত, ঐলাবৃত, কানা, কালিকাশ্রম, কালিনী, কালীদহ, কালীধার, কাসার, খদ, খাড়ি, খাল, খেওয়া, খেয়া, খেয়াঘাট, গগনপথ, গাঁড়া, গাড়া, গূঢ়পথ, গৃহচ্যুত, ঘর্ঘরা, ঘাটা, চেদি, ছায়াপথ, জোলা, তরস্থান, তীর, তুঙ্গভদ্রা, ত্রিপথগা, ত্রিপথগামিনী, দণ্ডকা, ধুনি, নগরবাট, নগরমার্গ, নগরোপকণ্ঠ, নগরোপান্ত, নদীতরস্থান, নালা, পঞ্চাল, পশ্চাদ্ভূমি, পাট৬, পাতালগামী, পিছলঘাট, পৈঠা, প্রপান, ফণীমণ্ডল, ফাগ, বধূসরা, বনপথ, বর্ত্ম, বারদরিয়া, বারবাড়ি, বেত্রবতী, ব্রহ্মবর্ত, ভবপার, ভবপারাবার, ভাগীরথী, ভুবর্লোক, ভোগবতী, মহাখাল, মালিনী, মুরলা, মুরি, যমজাঙ্গাল, যমজাঙাল, যমদ্বার, যোজক, রথ্যা, রাজপথ, রাজবর্ত্ম, রাজমার্গ, লৌহিত্য, শীতলক্ষ্যা, শোণ, সংকট, সমুদ্রকান্তা, সরণ, সুড়ঙ্গ, সেতুবন্ধ, স্থল, স্থলী, স্বর্গঙ্গা, হিরণ্যবাহ, হিরণ্যাক্ষ ও হ্রদ।

বাংলা, ইংরেজি ও আরবি (Bengali, English and Arabic)

বাংলা

ইংরেজি

আরবি

৬৬. বৈতরণী Styx (স্টেক্স) ‘ستإكس’ (সাতায়েক্স)
৬৬/০. যোনিপথ Vagina (ভেজাইনা) ‘مهبل’ (মিহবাল)
৬৬/১. নদী River (রিভার) ‘ﻨﻬﺮ’ (নাহারা)
৬৬/২. উঠান Yard (ইয়ার্ড) ‘ساحة’ (সাহা)
৬৬/৩. দুয়ার Door (ডোর) ‘مدخل’ (মুদখাল)
৬৬/৪. পথ Path (পাথ) ‘ﺴﺑﻴﻞ’ (সাবিল)
৬৬/৫. ডাঙ্গা Shore (শোর) ‘ضفة’ (দিফা)
৬৬/৬. বিরজা Arethusa (আর্থিজা) ‘ﺒﺮﺯﺥ’ (বারযাখ)
৬৬/৭. যমুনা Lethe (লিদি) ‘نسيان’ (নাসিয়ান)
৬৬/৮. খাল Canal (ক্যানাল) ‘الترعة’ (আত্তুরয়া)
৬৬/৯. নালা Aqueduct (এ্যাকুডাক্ট) ‘مزراب’ (মিঝরাব)
৬৬/১০. সুড়ঙ্গ Tunnel (টানেল) ‘نفق’ (নাফাক্বা)

বৈতরণীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of styx)
১.   “কিসে ত্রাণ পাবি সংকটে, বৈতরণীর তটে, গুরুর চরণতরী তারণ করবে, অকপটে।” (পবিত্র লালন- ২৯৬/১)
২.   “জীবকে তরাতে বৈতরণী, চলাফেরা করেন তিনি, বলন কয় আকাশ-ভূমি, ভেঙ্গেচুরে একত্র করে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩০৬)।
৩.   “বৈতরণী পারের খেয়াঘাট ————–।” (বিজয় সরকার)
৪.    “To seal his sacred vow by styx he swore;
The lake with liquid pitch, the dreary shore.” Dryden.

বৈতরণীর উপকার (Benefits of styx)
১.   শুক্র নিয়ন্ত্রণ বা স্তম্ভন সাধনবলে বৈতরণী হতে বৈকুণ্ঠে গমন করা যায়।
২.   এ বৈতরণী বা যমদূতের নদী অর্থাৎ; কামনদী অতিক্রম করেই জীবের পালনকর্তা সাঁই ও জীবের সৃষ্টিকর্তা কাঁই এর দর্শনলাভ করতে হয়।

বৈতরণীর প্রকারভেদ (Variations of styx)
বৈতরণী দুই প্রকার। যথা; . উপমান বৈতরণী ও. উপমিত বৈতরণী।

. উপমান বৈতরণী  (Analogical styx)
ভারতীয় পুরাণ মতে; যমদ্বারের নদীকে বৈতরণী বলে।

. উপমিত বৈতরণী (Compared styx)
ভগ হতে ভৃগু পর্যন্ত স্ত্রী জননপথকে কামনদী বা রূপকার্থে বৈতরণী বলে।

বৈতরণীর পরিচয় (Identity of styx)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীযোনিপথ বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপান্তরিত মূলক সত্তা বিশেষ। সাধারণত; ভারতীয় পুরাণে বর্ণিত; যমদূতের নদীকে বৈতরণী বলা হয়। শ্বরবিজ্ঞানে; ভগ হতে ভৃগু পর্যন্ত গমনপথ বা কবন্ধের মুখ হতে জরায়ুমুখ পর্যন্ত পথকে বৈতরণী বলা হয়। শ্বরবিজ্ঞানে; মৈথুনের সময়ে শিশ্ন যে পর্যন্ত প্রবেশ করে এ পথটিকে বৈতরণী বা ফল্গু বা বিরজা বলে। ভগ হতে ভৃগু পর্যন্ত প্রায় ছয় ইঞ্চি দৈর্ঘের এ বিপদসংকুল পথটি অতিক্রম করা বিশ্ববাসী অধিকাংশ লোকের নিকটই অধিক কঠিন। প্রশ্ন হতে পারে এ পথটি আবার অতিক্রম করে কিভাবে? উত্তর হলো; বিশ্বের যত পুরাণ রয়েছে প্রায় সব গ্রন্থেই এ মহা বিপদসংকুল পথটির কথা শত শত বার বলা হয়েছে। মানুষ মারা পড়ে এ পথেই। এখানেই; জীবের জন্ম এবং এখানেই; জীবের মরণ। পুরাণে এ পথের ভীষণ বিপদের কথা রূপকার্থে বর্ণনা করা হয়েছে। যেমন; বাঘ, সাপ, কুম্ভীর, যম ইত্যাদি এ পথের বাঁকে বাঁকে বসে থাকে। জ্যান্ত পেলে তাকে খেয়ে ফেলে। অন্যদিকে; মৃত হলে তাকে কেউ স্পর্শও করে না। এ ঘাটে নামতে গেলে অগ্নিকন্যারা কামরসরূপ আগুনের গোলা নিক্ষেপ করে। যে যায় তাকে ধারালো দন্ত দ্বারা চিবিয়ে চর্বণকৃত ভুষির মতো করা হয় ইত্যাদি। শ্বরবিজ্ঞানে; কামরসকে অগ্নিকন্যার আগুনের গোলা বলা হয়। কামরসকেই উষ্মজল, সাপ, বাঘ, কুম্ভীর, যম ইত্যাদি বলা হয়। ভারতীয় পুরাণ মতে; একে বৈতরণী বলা হয়। অন্যদিকে; পারসিক পুরাণ মতে; একে পুলসিরাত বলা হয়। আর গ্রিক পৌরাণিক মনীষীদের মতে; একে styx (স্টেক্স) বলা হয়।

Isthmus [ইজমাস] (GMP)n দুটি বৃহৎ ভূখণ্ডের মধ্যে সংযোগস্থাপক সংকীর্ণ ভূখণ্ড, যোজক। যেমন; পানামা (panama) (বাপৌছ) খাল, নালা ও সুড়ঙ্গ (বাপৌচা) ডাঙ্গা, বিরজা ও যমুনা (বাপৌউ) উঠান, দুয়ার ও পথ (বাপৌরূ) নদী (বাপৌমূ) বৈতরণী {}

কারবালা [ﻜﺮﺑﺎﻞ]/ [ﻜﺮﺑﻼ] (পাপৌছ)বি চালুনি, শস্য চালার চালুনি, ধনুৎকারের তুলা ধুনার যন্ত্র (ভাঅ) পরীক্ষক, নিরীক্ষক, বাছাইকারী, নির্ণয়কারী (প্র) ইসলামী পুরাণ অনুসারে; সাগরতীরস্থ ঘাসপাতাহীন ধূসর প্রান্তর বিশেষ, যে স্থানে মুয়াবিয়ার পুত্র ইয়াজিদ ও আলির পুত্র হোসেনের মধ্যে ভীষণ যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধে হোসেন সপরিবারে ধ্বংসপ্রাপ্ত হন বলে পৌরাণিক সাহিত্যাদির মধ্যে বর্ণনা পাওয়া যায় (পরি) কানাই দ্বারা টল বা অটল বাছাই বা নির্বাচন করা হয় বলে শ্বরবিজ্ঞানে; কানাইকে চালুনি বলা হয়। উল্লেখ্য যে; স্ত্রী জননাঙ্গকে চালুনি ধরে পৌরাণিক সাহিত্যাদিতে উপমাশৈলী বা উদাহরণগুলো নির্মাণ করা হয় (ব্য্য) হোসেন মন্দ চন্দ্রচেতনা বা কামোত্তেজনা রূপ শত্রু কবলিত হয়ে কামনদীর তীরে মৈথুন করতে গিয়ে শুক্রপাতরূপ মৃত্যুবরণ করা (শ্ববি) যোনি, vagina, ফারজ (.ﻔﺮﺝ) (রূপ্রশ) অযোধ্যা, কানাই, গণ্ডগ্রাম, গোকুল, গোষ্ঠ, নাগিনী, ব্রজ, রজকিনী (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীকানাই পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা ও শ্বরবিজ্ঞানের একটি দেবতা বিশেষ (সংজ্ঞা) . সাধারণত; শস্যাদি চালবার যন্ত্রকে চালুনি বলা হয় . শ্বরবিজ্ঞানে; স্ত্রী যোনিকে রূপকার্থে চালুনি বলা হয় (ইংপ) origin, source (ইপ) মক্কা (.ﻤﻜﺔ) (ইদে) দাজ্জাল (.ﺪﺟﺎﻞ), হামান (.ﻫﺎﻤﺎﻦ), হারুত (.ﻫﺎﺭﻮﺓ) (বাপৌছ) কালনাগিনী, ধন্বন্তরী, ব্রজপুর, মরা (বাপৌচা) কবন্ধ, দস্যু, দানব, বরুণ, বৃত্র, মাধাই, রাক্ষস, হিবাচী (বাপৌউ) অন্ধকূপ, করঙ্গ, গোয়াল, চিতা, চুলা, পাখি, প্রস্তর (বাপৌরূ) রজকিনী (বাপৌমূ) কানাই {.কারবালা. ﻜﺮﺑﺎﻞ> কারবালা. ﻜﺮﺑﻼ}

মুসলমানদের শ্বরবিজ্ঞানে; যে মহান কারবালার কথা শোনা যায় তাও হলো আলোচ্য বৈতরণী। এ নদীটির পাড়ই চিরদিনের জন্য চির রুদ্ধ। কারণ; এ নদীতে সুমিষ্টজল বা অমৃতজল রয়েছে। এ নদীর অমৃতজল যে একবার পান করেন তাঁর জন্ম-মৃত্যু চির রহিত হয়ে যায়। তিনি চিরামর হয়ে যান। এ নদীর প্রহরীদের বাংলায় অসুর এবং আরবি ইয়াজিদ বলে।

ইয়াজিদ [ﻴﺯﻴﺪ] (আপৌছ)বি আপনাপনি বর্ধিত হয় যা (ব্য্য) শুক্র বা বীর্য প্রাপ্তবয়স্ক নরদেহের মধ্যে আপনাপনি বর্ধিত হয় বলে শ্বরবিজ্ঞানে শুক্রকে উদ্বৃত্ত বলা হয় (প্র) ইসলামী পুরাণ অনুসারে; মুয়াবিয়া পুত্র- যে হযরত মুহাম্মদের নাতি হোসেনকে কারবালা প্রান্তরে বা ফুরাত নদীর তীরে হত্যা করেছিল (শ্ববি) . শুক্র, শুক্রাণু, বীর্য, বিন্দু, semen, মনি (.ﻤﻧﻰ), নুত্বফা (.ﻧﻂﻔﺔ) . গোবিন্দ, জল, বারি, পিতৃধন অহল্যা, কালী, দুর্গা, বৈষ্ণবী, সীতা (ইদে) আদম (.ﺍﺪﻢ), ওয্যা (.عُزَّىْ), জিন (.ﺠﻦ), পরি (ফা.ﭙﺮﻯ), আজ্ঝাকাত (.الزكاة), লুত্ব (.ﻟﻮﻄ), ইয়াজিদ (ﻴﺯﻴﺪ) জুলেখা (.ﺯﻟﻴﺠﺎ), বিলকিস (.بلقيس) (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীশুক্র পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা ও শ্বরবিজ্ঞানের একটি দেবতা বিশেষ (সংজ্ঞা) . আপনাপনি উদ্বৃত্ত হয় এমন বস্তুকে ইয়াজিদ (ﻴﺯﻴﺪ) বলা হয়. কামকেলির সময়ে শিশ্ন হতে নিঃসৃত শুভ্রবর্ণের তরল পদার্থকে শুক্র বা রূপকার্থে ইয়াজিদ (ﻴﺯﻴﺪ) বলা হয় (বাপৌউ) আঙ্গুর, খেজুর, রুটি ও ফল (বাপৌছ) আদিপিতা, আদিমানব, আদ্যাশক্তি ও মা (বাপৌচা)  নারাঙ্গী, বেহুলা, রতী, সীতা ও সুন্দরী (বাপৌউ) অমির, আঙ্গুর, ধেনু, নির্যাস, পদ্ম, পিতৃধন, রুটি ও স্বর্গীয় ফল (বাপৌরূ) ধন (বাপৌমূ) শুক্র {.যাইদ. ﺯﻴﺪ>}

যাইদ [ﺯﻴﺪ] (আপৌছ)বি উদ্বৃত্ত, আধিক্য, অধিক, অত্যন্ত {}

এ নদীতেই একসাথে তিনটি ধারা প্রবাহিত হয়। এর প্রথম ধারাটি লাল, দ্বিতীয় ধারাটি সাদা এবং তৃতীয় ধারাটি নিকষ কালো। এ ত্রিধারা হতেই এক মহাকাব্যের নাম রাখা হয়েছে কুরান (قُرَاٰنُ) (ত্রিশৃঙ্গ) এবং অন্য মহাকাব্যের নাম রাখা হয়েছে ত্রিপিটক (ত্রিথলি)।

এ নদীর ধারা ব্যাপারে মরমীকবি কালুশাহ লিখেছেন; “নদীতে জোয়ার যায় যখন তিন প্রকারের জল আসে, লাল সাদা কালা বরণ”।

এ ব্যাপারে পবিত্র কুরানে উল্লেখ করা হয়েছে- “ أَلَمْ تَرَى أَنَّ اللَّهَ أَنْزَلَ مِنْ السَّمَاءِ مَاءً فَأَخْرَجْنَا بِهِ ثَمَرَاتٍ مُخْتَلِفًا أَلْوَانُهَا وَمِنْ الْجِبَالِ جُدَدٌ بِيضٌ وَحُمْرٌ مُخْتَلِفٌ أَلْوَانُهَا وَغَرَابِيبُ سُودٌ”
“আলাম তারা আন্না আল্লাহ আনজালা মিন আছামায়ি মায়া, ফা আখরাজনা বিহি সামারাতি মুখতালিফান আলওয়ানুহা, ওয়া মিন আলজিবালি জুদাদু বাইজু ওয়া হুমরু মুখতালিফুন আলওয়ানুহা ওয়া গারাবিবু ছুউদ।” অর্থ; “তুমি কী দেখ নাই যে; কাঁই আকাশ হতে বৃষ্টি বর্ষণ করেন, অতঃপর; আমরা তা দ্বারা ফলপুঞ্জ বের করি, সে সবের বর্ণ বিভিন্ন প্রকার এবং পাহাড়ে বিভিন্ন বর্ণের গীরিপথ রয়েছে, পন্থাদি বিভিন্ন বর্ণের- তা হলো লাল সাদা ও নিকষ কালো (কুরান- ফাতির- ২৭)
এছাড়াও;
১. “লাল ঘোড়া সাদা ঘোড়া ও কালো ঘোড়া।” (ইঞ্জিল)
. লালসুতা সাদা লোম ও কালো ছানা (তৌরাত)
৩. “তিনি অপ্রতিহত গতি এবং লাল, সাদা ও কৃষ্ণবর্ণ জ্বালাগুলোতে পরিব্যাপ্ত।” (বেদ)
এমন প্রমাণ বিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকায় অসংখ্য রয়েছে।

(তথ্যসূত্র; আত্মতত্ত্ব ভেদ (৬ষ্ঠ খণ্ড)লেখকবলন কাঁইজি)

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!