০৭. আগধড়

সহযোগী মূলক পরভিাষা

রূপক পরিভাষা

সহযোগী রূপক পরভিাষা

উপমান পরিভাষা

চারিত্রিক পরিভাষা

ছদ্মনাম পরিভাষা

নাভির উপরের অংশ

০৭. আগধড় 
Ascender (এ্যাসেন্ডার)/ ‘متفوق’ (মুতাফাওয়াক্ব)

ভূমিকা (Introduction)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীবাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা পরিবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তাআগধড় পরিবার প্রধান বিশেষ। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা পশ্চিম। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা গগন। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা প্রতীচী এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা অস্তাচল। এটি একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক প্রধান মূলক সত্তা

অভিধা (Appellation)
আগধড় (বাপৌমূ)বি ঊর্ধ্বাঙ্গ, নাভির ঊর্ধ্বাংশ, নাভি হতে মাথা পর্যন্ত, নাভি হতে ওপরের অংশ, ascender, ‘متفوق’ (মুতাফাওয়াক্ব), top body, fore body, front body, আওয়ালুল বদন (.ﺍﻮﻞ ﺍﻟﺒﺪﻦ) (রূপ্রশ) অম্বর, অন্তরীক্ষ, ঊর্ধ্বজগৎ, গগন, পশ্চিম, ব্যোম, স্বর্গ (ইংপ) sky, heaven (ইপ) সামায়া (.ﺴﻤﺎﺀ), আলা (ﺍﻋﻟﻰ), ফাওক্ব (ﻔﻮﻖ), মারফুউ (ﻤﺮﻔﻮﻉ), সাত্বহ (ﺴﻄﺢ) (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীআগধড় পরিবার প্রধান ও একটি বাঙালী পৌরাণিক প্রকৃত মূলক পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) . সাধারণত; কোনকিছুর মাথার অংশকে আগধড় বলা হয় . বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, মানবদেহের নাভি হতে মাথা পর্যন্ত অঙ্গকে ‘আগধড় বলা হয় (বাপৌছ) অস্তপাট ও অস্তাচল (বাপৌচা) গগন ও প্রতীচী (বাপৌউ) দ্যুলোক (বাপৌরূ) পশ্চিম (বাপৌমূ) আগধড় {বাং. আগ+ বাং. ধড়}

আগধড়ের সংজ্ঞা (Definition of ascender)
শ্বরবিজ্ঞানে; দেহের নাভি হতে ওপরের অংশকে আগধড় বলে।

পারিবারিক অবস্থান (Domestic position)

মূলক

রূপক উপমান চারিত্রিক

ছদ্মনাম

আগধড় পশ্চিম গগন প্রতীচী অস্তাচল

প্রাথমিক পরিপত্র (Primary circular)
আগধড়ের আভিধানিক, রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষা।

বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা; আগধড়।
বাংলা আভিধানিক প্রতিশব্দ; উত্তমাঙ্গ, ঊর্ধ্বদিক, ঊর্ধ্বদেশ ও ঊর্ধ্বপাশ।
বাঙালী পৌরাণিক রূপক; পশ্চিম।
বাঙালী পৌরাণিক উপমান;   গগন ও দ্যুলোক।
বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক; প্রতীচী।
বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম; অস্তগিরি, অস্তপাট, অস্তাচল, আকাশমণ্ডল, পুরব, পূর্ব, পূর্বকায়, পূর্বঘাট, প্রতীচ্য, প্রাচীত্য, শিতান, শিথান ও শিয়র।

বাংলা, ইংরেজি ও আরবি (Bengali, English and Arabic)

বাংলা

ইংরেজি

আরবি

০৭. আগধড় Ascender (এ্যাসেন্ডার) ‘متفوق’ (মুতাফাওয়াক্ব)
০৭/০১. পশ্চিম West (উয়েস্ট) ‘غرب’ (গারিবা)
০৭/০২. গগন Firmament (ফারমামেন্ট) ‘فضاء’ (ফাদায়া)
০৭/০৩. প্রতীচী Occident (ওকসিডেন্ট) ‘غربية’ (গারবিয়া)

আগধড়ের ১টি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (A highly important quotations of ascender)
আকাশে শিকার ধরিতে ফাঁদ পাতে পাতালে, বাতাসে কৌশল করিয়া বসিয়া রহে জলে, প্রেম নামেরি রশি লাগায়- বাঁন্ধিয়া ভরে জেলখানায়, যদি কেহ ধরা পড়ে যায়- মুক্তি পাওয়ার সাধ্য নাই।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৬০)

আগধড়ের পরিচয় (Identity of ascender)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীআগধড় পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা বিশেষ। মানবদেহের নাভির ওপরের অংশকেই আগধড় বলা হয়। শ্বরবিজ্ঞানে; শরীরের কটি হতে মাথা পর্যন্ত অংশকে ঊর্ধ্বাঙ্গ, আগধড় ও আকাশ ইত্যাদি বলা হয়। অন্যদিকে; কটি হতে পা পর্যন্ত অংশকে নিম্নাঙ্গ, পাছধড়, পাতাল বা ভূমি ইত্যাদি বলা হয়। প্রকৃতির আকাশ ও ভূমির সাথে সামঞ্জস্য করে উপমা নির্মাণ করার জন্যই এমন ভাগ করা হয়েছে। আগধড়ের অনেক ছদ্মনাম আছে। যেমন; পশ্চিম, স্বর্গ, আকাশ ও পাতাল। তবে; শ্বরবিজ্ঞানের অধিকাংশ ক্ষেত্রে আগধড়কে পশ্চিম ও আকাশ রূপে ছদ্মনামকরণ করে রূপক উপমা নির্মাণ করা হয়। কখনও কখনও শ্বরবিজ্ঞানের কোথাও কোথাও আগধড়কে আকাশ এবং পাছধড়কে পাতাল ধরেও উপমা নির্মাণ করা হয়। শ্বরবিজ্ঞানের আকাশ পাতাল সূত্রগুলো নিচে তুলে ধরা হলো।

শ্বরবিজ্ঞানের আকাশ-পাতাল নির্মাণ সূত্র (Sky-Hades construction formula of the theology)
১.   গুরুকে আকাশ ধরতে হলে; অবশ্যই শিষ্যকে পাতাল ধরতে হবে।
২.   জ্ঞানকে আকাশ ধরতে হলে; অবশ্যই মনকে পাতাল ধরতে হবে।
৩.   আত্মাকে আকাশ ধরতে হলে; অবশ্যই দেহকে পাতাল ধরতে হবে।
৪.   বৈকুণ্ঠকে আকাশ ধরতে হলে; অবশ্যই বৈতরণীকে পাতাল ধরতে হবে।
৫.   পুরুষকে আকাশ ধরতে হলে; অবশ্যই নারীকে পাতাল ধরতে হবে।
৬.   ভৃগুকে আকাশ ধরতে হলে; অবশ্যই ভগকে পাতাল ধরতে হবে।
৭.   সবলকে আকাশ ধরতে হলে; অবশ্যই দুর্বলকে পাতাল ধরতে হবে।

সাধারণত; আভিধানিকভাবে মাথার ওপরে অবস্থিত সুবিশাল মহাশূন্যকে আকাশ বলা হয়। অন্যদিকে; শ্বরবিজ্ঞানে; আত্মা, গুরু, জ্ঞান, পুরুষ, বৈকুণ্ঠ, ভৃগু ও সবল ইত্যাদিকে আকাশ বলা হয়। বেদ, ত্রিপিটক, বাইবেল, তোরাহ, যাবুর, ইঞ্জিল, কুরান, লালন ও বলনের যত স্থানে আকাশ পরিভাষাটি ব্যবহৃত হয়েছে ততস্থানেই “আত্মা, গুরু, জ্ঞান, পুরুষ, বৈকুণ্ঠ, ভৃগু ও সবল” এর যে কোনো একটি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। অর্থাৎ; শ্বরবিজ্ঞানের কোথাও বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষাটিকে আভিধানিক অর্থে ব্যবহার করা হয় না। বরং; শ্বরবিজ্ঞানের বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা দ্বারা উপমিত পরিভাষার বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা অর্থকেই বুঝায়। অর্থাৎ; শ্বরবিজ্ঞানে ব্যবহৃত আকাশ বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষাটি “আত্মা হতে সবল” এ কয়টি অর্থ ব্যতীত অন্য কোনো অর্থে ব্যবহার করা হয় না। অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় যে; পুরাণ না জানা ও না বুঝার কারণে; মানুষের মাথার ওপর অবস্থিত মহাশূন্যের নীল অংশকে ‘আকাশ’ পরিভাষা অভিধা ধরে অনুবাদকরাও অনুবাদ করে যাচ্ছে, পাঠকরাও সেভাবেই পুরাণ ও সাম্প্রদায়িক গ্রন্থাদি পাঠ করে যাচ্ছে। তাদের দেখাদেখি সাধারণ মানুষরাও তা-ই করে যাচ্ছে। এ কারণেই সর্বক্ষেত্রেই মানুষ পথভ্রষ্ট ও দিকভ্রান্ত হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়; “ডুবিল গগণের শশীরে, ও শশী ডুবিল গগণে, কিবা হারাইলাম জীবনে।” এখানে; ‘শশী’ বলতে সাধকগুরু বা সাধক গোঁসাইকে বুঝানো হয়েছে। এখানে; শশী দ্বারা কখনই চাঁদকে বুঝানো হয় নি। এসব আলোচনা করার উদ্দেশ্য হলো শ্বরবিজ্ঞানে বর্ণিত আকাশ দ্বারা যে কেবল মানবদেহের আগধড়কেই বুঝানো হয়েছে তা পুনঃপুন জানান দেওয়া। আলোচ্য বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার রূপক ও ব্যাপক পরিভাষাগুলো যথাস্থানে আলোচনা করা হয়েছে।

(তথ্যসূত্র; আত্মতত্ত্ব ভেদ (৪র্থ খণ্ড); লেখক; বলন কাঁইজি)

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!