৭০. ভৃগু

সহযোগী মূলক পরভিাষা

রূপক পরিভাষা

সহযোগী রূপক পরভিাষা

উপমান পরিভাষা

চারিত্রিক পরিভাষা

৭০. ভৃগু
Estuary (এসচুয়ারি)/ ‘بمصب’ (বিমাসাব)

ভূমিকা (Introduction)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীবাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপান্তরিত মূলক সত্তা। এর বাঙালী পৌরাণিক প্রকৃত মূলক সত্তা জরায়ুমুখ। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা ত্রিবেণী। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা খিড়কি, পর্বত, পাখি সিঁধ। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা অর্জুন, জিষ্ণু, দ্বারী মহারাজ এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা অসি, পরশু, স্বর্গদ্বার স্বর্গমুখ। এটি একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক প্রধান মূলক সত্তা

অভিধা (Appellation)
ভৃগু (বাপৌরূ)বি প্রপাত, জলপ্রপাত, নির্ঝরের পতনস্থান, estuary, ‘بمصب’ (বিমাসাব) (প্র) ভারতীয় পুরাণ মতে; জনৈক মুনি। মহান তাপস ও বিখ্যাত সাধক মহাত্মা ভৃগুমুনির অন্যনাম সান্ধিপনি। তিনি স্বয়ং মহামতি শ্রীকৃষ্ণের গুরুদেব ছিলেন (শ্ববি) জরায়ুমুখ, womb aperture (রূপ্রশ) ক্ষুর, তলোয়ার, পরশু, ত্র্যম্বক, নারদ (ইপৌচা) মুসা (. ﻤُﻭْﺴَﻰٰ), হুদহুদ (.ﻫﺪﻫﺪ) (ব্য্য) কামকেলিতে শুক্রপাতের মাধ্যমে মানুষ হতে মানুষ কেটে নিয়ে, আবার সন্তানরূপ মানুষ আকারে বের করে দেয়। তাই; শ্বরবিজ্ঞানে জরায়ুমুখকে ক্ষুর বলা হয় (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীভৃগু পরিবার প্রধান ও জরায়ুমুখের বাঙালী পৌরাণিক রূপান্তরিত মূলক পরিভাষা এবং একটি বাঙালী পৌরাণিক দেবতা বিশেষ (সংজ্ঞা) ১. সাধারণত; ভারতীয় পুরাণ মতে; জনৈক মুনিকে বাংলায় ‘ভৃগু বলা হয় ২. বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, জরায়ুমুখকে রূপকার্থে ‘ভৃগু বলা হয় (বাপৌছ) অসি, পরশু, স্বর্গদ্বার ও স্বর্গমুখ (বাপৌচা) অর্জুন, জিষ্ণু, দ্বারী ও মহারাজ (বাপৌউ) খিড়কি, পর্বত, পাখি ও সিঁধ (বাপৌরূ) ত্রিবেণী (বাপৌমূ) ভৃগু।

ভৃগুর সংজ্ঞা (Definition of estuary)
ভারতীয় পুরাণে  জনৈক মুনিকে ভৃগু বলে।

ভৃগুর আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of estuary)
শ্বরবিজ্ঞানে জরায়ুমুখকে ভৃগু বলে।

পারিবারিক অবস্থান (Domestic position)

মূলক

রূপক উপমান চারিত্রিক

ছদ্মনাম

ভৃগু ত্রিবেণী খিড়কি, পর্বত, পাখি ও সিঁধ অর্জুন, জিষ্ণু, দ্বারী ও মহারাজ অসি, পরশু, স্বর্গদ্বার ও স্বর্গমুখ

প্রাথমিক পরিপত্র (Primary circular)
ভৃগুর আভিধানিক, রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষা।

বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা; ভৃগু।
বাংলা আভিধানিক প্রতিশব্দ; অসি, কুঠার, কুড়াল, কৃপাণ, ক্ষুর, খড়গ, খাঁড়া, ছোরা, টাঙ্গ, তরবারি, তলোয়ার, ত্রিশূল, দা, দাও ও পরশু
বাঙালী পৌরাণিক রূপক; ত্রিবেণী।
বাঙালী পৌরাণিক উপমান;  খিড়কি, গুপ্তদ্বার, গুপ্তপথ, পর্বত, পাখি, সিঁধ, স্বর্গদ্বার ও স্বর্গমুখ।
বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক; অজিত, অম্বরীষ, অর্জুন, কার্তবীর্য, কার্তিক, জটায়ু, জাজলী, জাবালি, জিষ্ণু, দ্বারী, ধনঞ্জয়, নাভাস, নারদ, নিষাদ, পরাশর, বিজয়, ভরদ্বাজ, মহারাজ, মহীন্দ্র, মহীপ, যক্ষ, শমীক ও সুদেব।

বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম; অকম্পন, অগ্নিজিহ্ব, অগ্নিজিহ্বা, অজাতশত্রু, অতট, অন্তর্দ্বার, অপরাজিত, ইন্দ্রকীল, ইন্দ্রপ্রমিতি, উজানবাঁক, উদ্দামক, ঋচীক, ঋতুপর্ণ, ঋষ্যমূখ, একত, একাদশতনু, ককুদ, কপিধ্বজ, কাটাই, কাঠঠোকরা, কার্তিকেয়, কার্ত্তিক, কাশীরাজ, কাষ্ঠকুট, কুঠিয়াল, কুঠেল, কুৎস্য, কুমার, কুম্ভযোনী, কুম্ভী, কৃতবর্মা, কৃপ, কৃপাণপাণি, কৃষ্ণসারথি, কোটাল, কোষাধ্যক্ষ, কৌন্তিক, কৌন্তেয়, ক্ষুরপ্রবাণ, খড়গমৃগ, খড়গী, খাঁড়াতি, খাণ্ডা, গগনমূল, গঙ্গোত্রী, গরুড়াস্ত্র, গদাপাণি, গরুড়, গাণ্ডীবধন্বা, গাণ্ডীবী, গিরিশৃঙ্গ, গিরীন্দ্র, গুহ, গুহক, গৃধিনী, গৃধ্র, গৃধ্রী, গৃধ্ররাজ, ঘাটোয়াল, ঘাতক, ঘাতী, চুড়া, চূড়া, চৈত্যপাল, চোরাপাহাড়, জগদ্দল, জগদ্দলন, জড়ভরত, জনমেজয়, জয়দ্রথ, জরাসন্ধ, জলপ্রপাত, জামদগ্ন্য, টাঙ্গি, টিপাই, টিপারা, তারকাক্ষ, তারকারি, তিয়ারী, তিহরি, তীরভুক্তি, তীরসন্ধি, তীরহুত, তুঙ্গশিখর, তুলাদণ্ড, তুলাধট, তুলাধার, তুলাযন্ত্র, তেওয়ারি, তেকাটা, তেজস্বান, তেজস্বী, তেজোবান, তেজোময়, তেতলা, তেতালা, তেপান্তর, তেমাথা, তেমোহনা, তৈত্তিরীয়, ত্রয়, ত্রয়ী, ত্রিক, ত্রিকণ্টক, ত্রিকূট, ত্রিকোণ, ত্রিগঙ্গ, ত্রিগর্তদেশ, ত্রিচক্র, ত্রিচক্রযান, ত্রিচক্ষু, ত্রিজট, ত্রিজটা, ত্রিত, ত্রিতন্ত্রী, ত্রিতল, ত্রিত্ব, ত্রিনয়ন, ত্রিনয়না, ত্রিনয়নী, ত্রিনেত্র, ত্রিনেত্রা, ত্রিপত্র, ত্রিপদী, ত্রিপর্ণ, ত্রিপাদ, ত্রিপিটক, ত্রিপুণ্ড্রর, ত্রিপুণ্ড্ররক, ত্রিপুর, ত্রিপুরা, ত্রিফলা, ত্রিবর্গ, ত্রিবর্ণ, ত্রিবর্ণক, ত্রিবিদ্যা, ত্রিবিধ, ত্রিবৃত্ত, ত্রিবেণী, ত্রিবেদী, ত্রিভঙ্গ, ত্রিভঙ্গিম, ত্রিভুজ, ত্রিমাত্রিক, ত্রিমূর্তি, ত্রিলোক, ত্রিলোকী, ত্রিলোচন, ত্রিলোচনা, ত্রিলোচনী, ত্রিশঙ্কু, ত্রিশির, ত্রিশিরা, ত্রিশূলী, ত্রিশূলধারী, ত্রিসীমা, ত্রিসীমানা, ত্রিস্রোত, ত্রিস্রোতা, ত্রৈগুণ্য, ত্রৈবিদ্য, ত্র্যক্ষর, ত্র্যংক, ত্র্যঙ্গুল, ত্র্যম্বক, ত্র্যস্র, থানাদার, দণ্ডক, দণ্ডধর, দণ্ডধার, দণ্ডধারী, দণ্ডনায়ক, দণ্ডপাল, দণ্ডপালক, দণ্ডমুণ্ডকর্তা, দত্তাত্রেয়, দধিমুখ, দম, দমঘোষ, দময়িতা, দাঁড়ি, দারুক, দিবস্পতি, দুয়ারী, দুর্গপতি, দুর্গপাল, দুর্গাধিপতি, দুর্মুখ, দেবগুরু, দেবপতি, দেবান্তক, দেবেশ, দ্বারপাল, দ্বারবান, দ্বাররক্ষক, দ্বাররক্ষী, দ্বারিক, দ্বিজরাজ, দ্বিজবর, ধনপাল, ধনাধিকৃত, ধনুষ্কোটি, ধর্মভৃৎ, ধর্মাবতার, ধুন্ধু, ধূম্রাক্ষ, নক্ররাজ, নগরপাল, নগররক্ষী, নগরাধিপ, নগরাধিপতি, নগরাধ্যক্ষ, নদীমুখ, নরসিংহ, নাগান্তক, নাড়ীজঙ্ঘ, নারদমুনি, নির্ঝরীপর্বত, নির্ঝরীপাহাড়, নিষাদরাজ, পক্ষীরাজ, পট্টিশ, পন্নগারি, পন্নগাশন, পন্নাশন, পরশুরাম, পশুরাজ, পাখি, পাণ্ড্রযরাজ, পার্থ, পার্শ্বব, পাশুপত, পাশুপতাস্ত্র, পিপ্পলাদ, পুরদ্বারী, পুররক্ষী, পুরাধ্যক্ষ, পৃষত, প্রপাত, প্রয়াগ, প্রাকশৃঙ্গবান, ফণীভুক, ফল্গুন, ফাল্গুনী, বজ্রকেতু, বজ্রনাভ, বড়বামুখ, বদান্য, বনপাল, বন্ধনী, বর্গিরাজ, বলাধ্যক্ষ, বলীন্দ্র, বসিষ্ঠ, বাগীশ্বর, বারণাবত, বিকুক্ষি, বিনতানন্দন, বিন্ধ্য, বিশ্বামিত্র, বিষ্ণুপদ, বীভৎসু, বীরব্রহ্ম, বৃহদ্বল, বৃহন্নলা, বৃহস্পতি, ব্যুধিতাশ্ব, ব্রহ্মরন্ধ্র, ভগসূর্য, ভাণ্ডারী, ভীষ্মক, ভুজালি, ভূদেব, ভূমীন্দ্র, মান, ভৃঙ্গরাজ, ভৃঙ্গরোল, মগ্নগিরি, মঠাধ্যক্ষ, মনুজেন্দ্র, মহাপ্রতিহার, মহাবাহু, মহারাজা, মহারাজাধিরাজ, মহাশীর্ষ, মহীনাথ, মহীপতি, মহীপাল, মহেষ্বাস, মাণ্ডকর্ণি, মানদণ্ড, মাপক, মাপকাঠি, মুখ্যমন্ত্রী, মৃগরাজ, মৃগেন্দ্র, মঘসন্ধি, মোহনা, যুদ্ধবিশারদ, যুযুধান, যোদ্ধা, রক্তরজা, রক্ষরজা, রক্ষী, রণপণ্ডিত, রণপতি, রাজক, রাজচক্রবর্তী, রাজধর্মা, রাজ্যপাল, রামদা, রোদসী, শকুন, শকুন্ত, শতক্রতু, শতধনু, শতধন্বা, শত্রুঘাতী, শত্রুজয়ী, শত্রুজিৎ, শান্তনু, শিখর, শিখা১, শিয়ান, শীর্ষ, শুভ্র, শৃঙ্গধর, শৃঙ্গী, শ্যেন, শ্রুতবর্মা, শ্রুতসেন, শ্বেতবাহন, সংরক্ষী, সঞ্চান, সনৎসুজাত, সব্যসাচী, সর্বদমন, সর্বার্থসিদ্ধ, সাকল্য, সাচন, সাত্যকি, সান্দীপনি, সিংহ, সিদ্ধপীঠ, সুকেতু, সুতীক্ষ্ণ, সুদর্শন, সুধাহর, সুধাহৃৎ, সুপর্ণ, সুব্রহ্মণ্য, সুরোত্তম, সুশর্মা, সেচান, সেনাধ্যক্ষ, সেনানায়ক, সেনাপতি, সেনানী, সেনাসঞ্চালক, সৈন্যধ্যক্ষ, সৌধশিখর, স্কন্দ, স্থূণাকর্ণ, স্বর্গীয় পাখি, হর্যক্ষ, হিমবান, হিমশৈল, হিমালয়, হিরণ্যবর্মা, হেমকূট, হেমন্ত ও হৈহয়।

বাংলা, ইংরেজি ও আরবি (Bengali, English and Arabic)

বাংলা

ইংরেজি

আরবি

৭০. ভৃগু Estuary (এসচুয়ারি) ‘بمصب’ (বিমাসাব)
৭০/০. জরায়ুমুখ Cervix (সাভেক্স) ‘دش’ (দাশশা)
৭০/১. ত্রিবেণী Triad (ট্রাইয়ার্ড) ‘ثالوثا’ (ছালুসা)
৭০/২. খিড়কি Hatch (হ্যাচ) ‘كوة’ (কুয়া)
৭০/৩. পর্বত Hill (হিল) ‘تل’ (তাল)
৭০/৪. পাখি Hoopoe (হুপী) ‘ﻫﺪﻫﺪ’ (হুদহুদ)
৭০/৫. সিঁধ Burgle (বার্গেল) ‘سطو’ (সাতুউ)
৭০/৬. অর্জুন Razor (র‌্যাজর) ‘ﻤﻭﺴﻰٰ’ (মুসা)
৭০/৭. জিষ্ণু Victorious (ভিক্টোরিয়াস) ‘منتصرة’ (মুন্তাসিরা)
৭০/৮. দ্বারী Janitor (জ্যানিটর) ‘بواب’ (বাওয়াব)
৭০/৯. মহারাজ Abbot (এ্যাবোট) ‘أبوت’ (আবুত)
৭০/১০. অসি Sword (সোর্ড) ‘ﺴﻴﻒ’ (সাইফ)
৭০/১১. পরশু Axe (এক্স) ‘الفأس’ (আলফায়াস)
৭০/১২. স্বর্গদ্বার Scales (স্কেলস) ‘موازين’ (মাওয়াঝিন)
৭০/১৩. স্বর্গমুখ Balance (ব্যালেন্স) ‘ميزان’ (মিযান)

ভৃগুর ১টি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (A highly important quotations of estuary)
“এ কথা শুনে অসি রক্ত নিয়ে লোকদের ওপর ছিটিয়ে দিয়ে বললেন; “এ সে ব্যবস্থার রক্ত, যে ব্যবস্থা সাঁই তোমাদের জন্য এসব কথা অনুসারে স্থির করেছেন।” (তৌরাত, স্থানান্তর, ২৪/৮)

ভৃগুর উপকার (Benefits of estuary)
ভৃগু মাতৃগর্ভে সন্তান রক্ষণাবেক্ষণে সাহায্য করে।

ভৃগুর পরিচয় (Identity of estuary)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীজরায়ুমুখ রূপ বাঙালী পৌরাণিক প্রকৃত মূলক সত্তাবাঙালী পৌরাণিক রূপান্তরিত মূলক সত্তা বিশেষ। ভারতীয় পুরাণে বর্ণিত; জনৈক মুনিকে ভৃগু বলা হয়। ভগ হতে গয়ানদী বা ফল্গু নদীর প্রায় ছয়ইঞ্চি গভীরে অবস্থিত জঠর বা জরায়ু। জঠর বা জরায়ু নামে এ জননাঙ্গটি উল্টাভাবে দেহের সাথে আন্তঃ সংযোজিত থাকে। শ্বরবিজ্ঞানে; একে মূলাধার বা স্বাধীষ্ঠান বা মূলাধারচক্র বা স্বাধীষ্ঠানচক্র ইত্যাদি বলে। দ্বিপস্ত জীবের ভ্রূণ বা সন্তান লালনপালন এ জননতন্ত্রেই হয়। শ্বরবিজ্ঞানে; এ জঠর বা জরায়ুমুখই ত্রিবেণী বা ভৃগু নামে পরিচিত। শ্বরবিজ্ঞানে; অসির অনেক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। সর্বপ্রকার শ্বরবিজ্ঞানে রমণীদের জরায়ুমুখকে ভৃগু বলা হয়। সহবাস বা সঙ্গমের সময়ে শিশ্নের মাথাকে অবিরত ঠোকাতে থাকে বলে একে ঠোকাই বা কাটঠোকরাও বলা হয়। সঙ্গম চলাকালে ধীরে ধীরে শিশ্নের মাথাকে ঠোকাতে ঠোকাতে এক সময় শুক্রপাতের মাধ্যমে জীব হতে জীব কেটে নিয়ে যায়। অর্থাৎ; মানুষের ক্ষেত্রে সঙ্গমের মাধ্যমে মানুষ হতে মানুষ কেটে নিয়ে জরায়ুতে প্রেরণ করে এবং গড়ে মাত্র তিনশতদশ (৩১০) দিনের মধ্যে তা আবার পূর্ণাঙ্গ মানবসন্তান রূপে বের করে দেয়। যৌনমিলন করার সময় নরপ্রজাতির জীব হতে জীব কেটে টুকরা টুকরা বা খণ্ড বিখণ্ড করে বলে জরায়ুমুখরন্ধ্রকে অসি বলে। কন্যাসন্তান জন্মগ্রহণের পর হতে রজ আগমনের পূর্ব পর্যন্ত এ দ্বারটি চির বন্ধ থাকে। প্রাপ্তবয়স্কা ও রজস্বলা হলে রমণীদের এ দ্বারটি দ্বারা মোট তিনটি ধারা যথা নিয়মে প্রবাহিত হয়। তারমধ্যে; একটি ধারা প্রকৃতির নিয়মেই প্রবাহিত হয়। একে রজধারা বলা হয়। এর বর্ণ লাল এবং এটি; অসার ও দুষিত পদার্থ। কিন্তু সুধা ও মধু নামক অন্য দুটি ধারা বিনা সাধনে প্রবাহিত হয় না। তাই; শ্বরবিজ্ঞানে; বলা হয় বন্ধ ধারা দুটি চালু করাই প্রত্যেক সাধকের প্রকৃত সাধন। আরবীয় শ্বরবিজ্ঞানে; একে ক্বলবজারি বলা হয়।

এ চির রুদ্ধ ধারা দুটিকে দুটি দাঁতও বলা হয়। যেমন; মুসলমানদের সাম্প্রদায়িক পুরাণ অনুযায়ী অখণ্ডের (ওহুদ. .ﺍﺤﺪ) যুদ্ধে বসিধের একটি দাঁত ভেঙ্গে যাওয়া এবং এ কথা শুনে ওয়ায়েশ পাগলের দাঁত ভাঙ্গা ইত্যাদি। এ গুপ্তদ্বার সম্পর্কে বাঙালী মহামানব মহাত্মা লালন সাঁইজি লিখেছেন; আমার ঘরের চাবি পরের হাতে, কেমনে খুলে সে ধন, দেখব চোখেতে। আপন ঘরে বোঝাই সোনা, পরে করে লেনাদেনা, আমি হলাম জনম-কানা, না পাই দেখতে। রাজি হলে দারোয়ানি, দ্বার খুলে দিবেন তিনি, তারে বা কই চিনি জানি, বেড়াই কুপথে। এ মানুষে আছেরে ধন, যারে বলে মানুষ-রতন, লালন বলে পেয়ে সে ধন, পারলাম না চিনতে” (পবিত্র লালন- ১২৪)

এ গুপ্ত দ্বারটি উন্মোচন করার গুপ্ত কৌশল কেবল সুবিজ্ঞ পারম্পরিক গুরু ও গোঁসাইয়ের নিকট রক্ষিত থাকে। তাই; গুরুদীক্ষা গ্রহণ করে চির রুদ্ধ ঐ গুপ্ত দ্বারটি খুলে মানবের পালনকর্তা সাঁই ও সৃষ্টিকর্তা কাঁইয়ের দর্শনলাভ করে মানবজন্ম ধন্য করতে হয়। এ ব্যাপারে পবিত্র কুরানে বরা হয়েছে- “جَنَّاتِ عَدْنٍ الَّتِي وَعَدَ الرَّحْمَانُ عِبَادَهُ بِالْغَيْبِ إِنَّهُ كَانَ وَعْدُهُ مَأْتِيًّا” “জান্নাতি আদনিল্লাতি ওয়াদার রহমানু ইবাদাহু বিলগাইবি ইন্নাহু কানা ওয়াদুহু মা’তিয়্যা” অর্থ; “সে নিত্যনিবাস! যা দয়াময় আপন দাসের প্রতি গোপনে অঙ্গীকার করেছেন। নিশ্চয় তার অঙ্গীকার অবশ্যই পূরণযোগ্য” (কুরান, মরিয়ম- ৬১)

এছাড়াও; পবিত্র কুরানে এ গুপ্ত দুয়ার উন্মোচন করার ওপর একটি অনুচ্ছেদই বিদ্যমান রয়েছে। সেটি হলো সুরা ক্বদর। নিচে তা তুলে ধরা হলো।

“ إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ(১) وَمَا أَدْرَاكَ مَا لَيْلَةُ الْقَدْرِ(২) لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِنْ أَلْفِ شَهْرٍ(৩) تَنَزَّلُ الْمَلَائِكَةُ وَالرُّوحُ فِيهَا بِإِذْنِ رَبِّهِمْ مِنْ كُلِّ أَمْرٍ(৪) سَلَامٌ هِيَ حَتَّى مَطْلَعِ الْفَجْرِ(৫)” “ইন্না আনযালনাহু ফি লাইলাতিল ক্বাদর (১) ওয়া মা আদরাকা মা লাইলাতুল ক্বাদর (২) লাইলাতুল ক্বাদরি খাইরুম মিন আলফি শাহর (৩) তানাযযালুল মালায়িকাতু ওয়ার রুহু ফিহা বিইজনি রাব্বিহিম মিন কুল্লি আমর (৪) সালামুন হিয়া হাত্তা মাত্বলাইল ফাজর (৫)” অর্থ; “নিশ্চয় আমরা তা একটি দীর্ঘ সময়ে অবতরণ করি (১) তুমি কী জানো সে দীর্ঘ সময় কতটুকু? (২) সে দীর্ঘ সময়টি হলো হাজার মাসের অধিক (৩) প্রত্যেক আদেশে তার প্রভুর নির্দেশে তারমধ্যে; আত্মা ও দেবতাও অবতরণ করে (৪) যথাযথভাবে তা ঊষা পর্যন্ত অবস্থান করে।”

এ আলোচনাটি যে কেবল আলোচ্য গুপ্তদ্বারটি উন্মোচন করার জন্যই করা হয়েছে এতে কোনো সন্দেহ নেই। ঘটনাটি এমন বলা যায়; যেমন; যাজক সে চির রুদ্ধ দ্বারটির বিষয়ে আলোচনা করতেছিলেন, এমন সময় তার এক অনুসারী বললেন; বাজান কিভাবে সে অমৃতজল অবতরণ করে এবং কতটুকু সময় প্রয়োজন হয়? এর উত্তরে তিনি বললেন; “নিশ্চয় তা একটি দীর্ঘ সময়ে অবতরণ হয় (১) তুমি কী জানো সে দীর্ঘ সময় কতটুকু? (২) সে দীর্ঘ সময়টি হলো হাজার মাসের অধিক (৩) প্রত্যেক আদেশে তার প্রভুর নির্দেশে তারমধ্যে; আত্মা ও দেবতাও অবতরণ করে (৪) যথাযথভাবে তা ঊষা পর্যন্ত অবস্থান করে।” এ গুপ্ত দ্বার উন্মোচন করার গোপন কৌশল কেবল সুবিজ্ঞ পারম্পরিক গুরু ও গোঁসাইয়ের নিকট সুরক্ষিত থাকে। এজন্য; কেবল গুরুদীক্ষা গ্রহণ করেই ঐ গুপ্তদ্বারটি উন্মোচন করে পালনকর্তা সাঁই ও সৃষ্টিকর্তা কাঁইয়ের দর্শনলাভ করে মানবজন্ম ধন্য করতে হয়।

একে আকাশের দুয়ারে স্থাপিত তুলাদণ্ড বলা হয়। এর প্রমাণস্বরূপ পবিত্র কুরানে অনেক প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে। এমন বলার কারণ হলো শ্বরবিজ্ঞানে মানুষের নাভির নিচের অংশকে ভূমি এবং ওপরের অংশকে আকাশ বলা হয়। ভালোভাবে লক্ষ্য করলে দেখা যায় নাভি বরাবর জরায়ুমুখ অবস্থিত এবং নাভি হলো আকাশের সূচনা অর্থাৎ; নাভিমূল হলো আকাশ সীমানার প্রথমস্তর। এজন্য; জরায়ুমুখকে আকাশের দুয়ার বলা হয়। এ দ্বারটি উন্মোচন করার জন্য কামকেলিতে অটল অবস্থায় ন্যূনতম পক্ষে হাজার শ্বাস পর্যন্ত সময় অবিরত ইন্দ্রিয় সঞ্চালন করতে হয়। শ্বরবিজ্ঞানে; এ হাজার শ্বাসকেই হাজার মাস বা হাজার বছর বলা হয়। যা বর্তমান ঘড়ির সময় অনুযায়ী প্রায় বিয়াল্লিশ (৪২) মিনিট। তবে; কাঁইসাধনে আরও অধিক সময়ের প্রয়োজন হয়।

পরিশেষে বলা যায় কেবল প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিষ্য বা ভক্ত ভিন্ন কোনো সাধারণ মানুষ এ গুপ্ত দ্বারটি উন্মোচন করতে পারেন না। প্রশিক্ষণহীন সাধারণ মানুষ কামনদীতে নৌকা বাইতে গেলে মাত্র কয়েক মিনিটেই কামনদীর পাড়েই ডুবে যায়। কিন্তু প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অটল সাধকরা ঐ গুপ্তদ্বার উন্মোচন করে অমৃতসুধা আহরণ করে নিয়ে আসে। পথিক বা যাত্রীরা টল নাকি অটল তা পরিমাপ করে বলে একে পরিমাপকারী দাঁড়িপাল্লা বা তুলাদণ্ড বলা হয়। যেমন; বলন কাঁইজি লিখেছেন; “আকাশে এক দাঁড়িপাল্লা, দয়াল স্থাপন করেছে, দয়াল দেখা সে পেয়েছে, মাপে যে ঠিক হয়েছে। একদিন সমান হাজার বছর, বসে থাকো অষ্টাঙ্গের ওপর, নিঠাঁই তালা- খুলে রঙ্গিলা, স্বরূপটি দেখ বসে। ঘর চোরারে চেনে ধর, পঞ্চবাণ পাঁচ পঞ্চে মার, আগে মর- যা নিগম ঘর, দয়াল দেখ অনায়াসে। দুইসাগর সঙ্গেতে চলে, সাদা কালো রক্তিম গেলে, মহাগুরু সাঁই- বলনকে কয়, যাস না পরবাসে” (বলন তত্ত্বাবলী- ৯)

আবার আরবি ভাষায় একে কারবালা (.ﻜﺮﺑﻼ) বা চালুনি বলা হয়। যেমন; চালুনি দ্বারা চাল, গম ও আটা চালা বা পরিমাপ করা হয়; তেমনই; জরায়ুমুখ (ভৃগু) কামসাধক টল না অটল তা চেলে নেয় বলে একে চালুনি বলা হয়। এ কামযুদ্ধ হতেই মুসলমানদের চালুনিযুদ্ধ (কারবালার যুদ্ধ. হারবুল কারবালা. ﺤﺮﺐ ﺍﻠﻜﺮﺒﻼ) বলা হয়। আবার আরবি ভাষায় একে মিযান বা আকাশে দুয়ারে স্থাপিত দাঁড়িপাল্লাও বলা হয়। যেমন; পবিত্র কুরানে বলা হয়েছে;

১.   “وَالسَّمَاءَ رَفَعَهَا وَوَضَعَ الْمِيزَانَ(৭) أَلَّا تَطْغَوْا فِي الْمِيزَانِ(৮) وَأَقِيمُوا الْوَزْنَ بِالْقِسْطِ وَلَا تُخْسِرُوا الْمِيزَانَ(৯)” “ওয়াসসামায়া রাফায়াহা ওয়া ওয়াদয়াল মিযান (৭) আল্লা তাত্বগাও ফিল মিযান (৮) ওয়া আক্বিমুল ওয়াজনা বিলকিসত্বি ওয়া লা তুখসিরুল মিযান (৯)” অর্থ; “তিনি আকাশকে করেছেন সমুন্নত এবং স্থাপন করেছেন তুলাদণ্ড (৭) সহজে যাতে তোমরা তুলাদণ্ড লঙ্ঘন করতে না পারো (৮) তোমরা সঠিক পরিমাপ প্রতিষ্ঠা করো এবং পরিমাপে হ্রাস করো না (৯)” (কুরান, রহমান- ৭-৯)

২.   “وَلَا تَقْرَبُوا مَالَ الْيَتِيمِ إِلَّا بِالَّتِي هِيَ أَحْسَنُ حَتَّى يَبْلُغَ أَشُدَّهُ وَأَوْفُوا الْكَيْلَ وَالْمِيزَانَ بِالْقِسْطِ لَا نُكَلِّفُ نَفْسًا إِلَّا وُسْعَهَا وَإِذَا قُلْتُمْ فَاعْدِلُوا وَلَوْ كَانَ ذَا قُرْبَى وَبِعَهْدِ اللَّهِ أَوْفُوا ذَلِكُمْ وَصَّاكُمْ بِهِ لَعَلَّكُمْ تَذَكَّرُونَ” অর্থ; “অনাথের সম্পদগুলোর নিকটবর্তী হয়ো না, যে পর্যন্ত তারা যৌবনপ্রাপ্ত না হয় কিন্তু উত্তম পন্থায় যাওয়ার কথা ভিন্ন। ন্যায় সঙ্গতভাবে তুল্য পরিমাণ পরিপূর্ণ করো। আমরা কোনো ব্যক্তিকে তার সাধ্যাতীত ক্লেশ দান করি না। যখন তোমরা কথা বলবে স্বগণ বা স্বজন হলেও ন্যায়সঙ্গত আচরণ করো এবং কাঁইয়ের অঙ্গীকারগুলো পরিপূর্ণ করো, তোমাদের এ নির্দেশ দিয়েছেন যাতে তোমরা সংযত হও” (কুরান, আনয়াম- ১৫২)

৩.   “ وَإِلَى مَدْيَنَ أَخَاهُمْ شُعَيْبًا قَالَ يَاقَوْمِ اعْبُدُوا اللَّهَ مَا لَكُمْ مِنْ إِلَهٍ غَيْرُهُ قَدْ جَاءَتْكُمْ بَيِّنَةٌ مِنْ رَبِّكُمْ فَأَوْفُوا الْكَيْلَ وَالْمِيزَانَ وَلَا تَبْخَسُوا النَّاسَ أَشْيَاءَهُمْ وَلَا تُفْسِدُوا فِي الْأَرْضِ بَعْدَ إِصْلَاحِهَا ذَلِكُمْ خَيْرٌ لَكُمْ إِنْ كُنتُمْ مُؤْمِنِينَ” অর্থ; “আমরা নিধুয়ার প্রতি তার ভাই সুড়ঙ্গকে প্রেরণ করছি। তিনি বললেন; হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা কাঁই সাধন করো। তিনি ব্যতীত তোমাদের অন্য কোনো উপাস্য নেই। তোমাদের প্রত্যেকের নিকট তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে প্রমাণ এসেছে। এজন্য; তোমরা তোমাদের মাপাকাঠি ও পরিমাপ সঠিক করো এবং মানুষকে তাদের পাওনা ন্যূন দিও না এবং সংশোধনের পর পৃথিবীতে উপদ্রব করো না। এ হলো তোমাদের জন্য কল্যাণকর যদি তোমরা বিশ্বাসী হও” (কুরান, আরাফ- ৮৫)

কাইলা [كَيْلَ] (আপৌমূ)বি তুলাদণ্ড, মাপকাঠি, যা দিয়ে পরিমাপ করা হয় {}

৪.   “ وَإِلَى مَدْيَنَ أَخَاهُمْ شُعَيْبًا قَالَ يَاقَوْمِ اعْبُدُوا اللَّهَ مَا لَكُمْ مِنْ إِلَهٍ غَيْرُهُ وَلَا تَنقُصُوا الْمِكْيَالَ وَالْمِيزَانَ إِنِّي أَرَاكُمْ بِخَيْرٍ وَإِنِّي أَخَافُ عَلَيْكُمْ عَذَابَ يَوْمٍ مُحِيطٍ” অর্থ; “আমরা নিধুয়ার প্রতি তার ভাই সুড়ঙ্গকে প্রেরণ করেছি। তিনি বললেন; হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা কাঁইসাধন করো। তিনি ব্যতীত আমাদের কোনো উপাস্য নাই এবং মাপকাঠি ও পরিমাপ ন্যূন দিও না। আজ আমি তোমাদের সম্পদশালী দেখছি কিন্তু আমি তোমাদের আবেষ্টন দিবসের শাস্তিকে ভয় করছি” (কুরান, হুদ- ৮৪)

৫.   “ وَيَاقَوْمِ أَوْفُوا الْمِكْيَالَ وَالْمِيزَانَ بِالْقِسْطِ وَلَا تَبْخَسُوا النَّاسَ أَشْيَاءَهُمْ وَلَا تَعْثَوْا فِي الْأَرْضِ مُفْسِدِينَ” অর্থ; “আর হে আমার সম্প্রদায়! ন্যায় ও নিষ্ঠার সাথে সঠিকভাবে মাপকাঠি ও পরিমাপ পরিপূর্ণ করো। মানুষকে তার প্রাপ্যাংশ ন্যূন দিও না। উপদ্রবকারী হয়ে পৃথিবীতে অহিতাচরণ করো না।” (কুরান, হুদ- ৮৫)

৬.   “ اللَّهُ الَّذِي أَنْزَلَ الْكِتَابَ بِالْحَقِّ وَالْمِيزَانَ وَمَا يُدْرِيكَ لَعَلَّ السَّاعَةَ قَرِيبٌ” অর্থ; “কাঁই যিনি সত্যতাসহ গ্রন্থাদি ও তুলাদণ্ড অবতরণ করেছেন এবং তোমাকে কী সম্ভাব্য সময় জানানো হয়নি?” (কুরান, শুরা- ১৭)

৭.   “ لَقَدْ أَرْسَلْنَا رُسُلَنَا بِالْبَيِّنَاتِ وَأَنْزَلْنَا مَعَهُمْ الْكِتَابَ وَالْمِيزَانَ لِيَقُومَ النَّاسُ بِالْقِسْطِ وَأَنْزَلْنَا الْحَدِيدَ فِيهِ بَأْسٌ شَدِيدٌ وَمَنَافِعُ لِلنَّاسِ وَلِيَعْلَمَ اللَّهُ مَنْ يَنْصُرُهُ وَرُسُلَهُ بِالْغَيْبِ إِنَّ اللَّهَ قَوِيٌّ عَزِيزٌ” অর্থ; “আমরা সুস্পষ্ট নিদর্শনসহ সাংবাদিকদের প্রেরণ করেছি এবং তাদের সাথে গ্রন্থ ও তুলাদণ্ড অবতরণ করেছি- যাতে মানবসম্প্রদায় ন্যায় প্রতিষ্ঠা করে এবং আমরা লোহা অবতরণ করেছি এবং তারমধ্যে; প্রচণ্ড রণশক্তি রয়েছে আর রয়েছে মানুষের বহুবিধ উপকার। এটা এজন্য; যে এবং কাঁই জেনে নেওয়ার জন্য যে তাঁকে এবং তাঁর সাংবাদিককে গোপনে সাহায্য করে। নিশ্চয় কাঁই অত্যন্ত শক্তিধর ও পরাক্রমশালী” (কুরান, হাদিস- ২৫)

উপরোক্ত সর্বক্ষেত্রেই তুলাদণ্ড দ্বারা সে নির্ণায়ককে বুঝিয়েছে- যা হাজার শ্বাস (৪২ মিনিট) পূর্বে উন্মোচিত হয় না। যদি কারো অবিশ্বাস হয় নিজেই প্রমাণ করে দেখতে পারেন। জরায়ুমুখ এমনই এক স্বয়ংক্রিয় তুলাদণ্ড যে প্রায় হাজার শ্বাস রতীরুদ্ধ ইন্দ্রিয় সঞ্চালনের পূর্বে এর দুয়ার কোনো ক্রমেই খুলা সম্ভব নয়। (বিকল্প ভাবে বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তির কথা ভিন্ন)। এ হাজার শ্বাস সম্পর্কে পবিত্র মহা গ্রন্থাদির মধ্যে যা বলা হয়েছে তার একটি করে নিচে তুলে ধরা হলো।

১.   “হে উগ্র ইন্দ্র! তোমার অমোঘ রক্ষণাবেক্ষণ দ্বারা আহবে এবং লাভযুক্ত হাজার মহা যুদ্ধে আমাদের রক্ষা কর।” (ঋবেসপ্রখপ্রম সূ-৭, ঋ-৪)
২.   “সাধক ভিক্ষু যদি হাজার ভিক্ষুর মধ্যে উপবিষ্ট থেকে একাগ্র মনে ধ্যান নিমগ্ন থাকেন তথাপি তাকে একাসনে উপবিষ্ট বলে মনে করা হয়।” (ত্রিপিটক-ধম্মপদ-৩৬৩)
৩.   “ইসরাইল জাতির মধ্যে ভালো বুদ্ধি দেবার লোক নেই তাদের বিচার বুদ্ধি বলে কিছুই নেই। বুদ্ধি থাকলে এ কথাটা তারা বুঝত, বুঝত তাদের শেষ দশাটা কী হবে। কী করে একজন হাজার জনকে তাড়ায়, কী করে দুইজনকে দেখে দশ হাজার লোক পালায়, যদি না তাদের আশ্রয়পাহাড় শত্রুদের হাতে বিক্রি দিয়ে থাকেন।” (তৌরাত, দ্বিতীয় বিবরণ, ৩২/২৮-৩০)
৪.   “তোমার চোখে হাজার বছর চলে যাওয়া যেন গতকাল, যেন রাতের একটা প্রহর মাত্র।” (জাবুর, ৯০/৪)
৫.   “প্রিয় বন্ধুরা এ কথাটি ভুলে যেও না যে; প্রভুর নিকট একদিন তোমাদের হাজার বছরের সমান এবং হাজার বছর একদিনের সমান।” (ইঞ্জিল-২২শ খণ্ডঃ পিতর-২, ৩/৮-৯)
৬.   (ক) “ يُدَبِّرُ الْأَمْرَ مِنْ السَّمَاءِ إِلَى الْأَرْضِ ثُمَّ يَعْرُجُ إِلَيْهِ فِي يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُ أَلْفَ سَنَةٍ مِمَّا تَعُدُّونَ” অর্থ; তিনি স্বর্গ হতে পৃথিবী পর্যন্ত কাজের চর্চা করেন, অতঃপর; তোমাদের গণনা অনুসারে যার পরিমান হাজার বছর হয় এমন একদিনে তা তার দিকে গমন করে থাকেন।” (কুরান, সিজদা- ৫)
৬.   (খ) “ لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِنْ أَلْفِ شَهْرٍ” অর্থ; “সে সময়টি হাজার মাস হতে অধিক।” (কুরান, ক্বদর- ৩)
৭.   “সবেতে পাখি একটা, হাজার কুঠরি কোঠা, আছে আড়া পাতিয়ে, নিগমে তার- মূল একটি ঘর, সেথা রয় অচিন হয়ে।” (পবিত্র লালন- ৫৩৫/২)
৮.   “সাতাশজন বর যাত্রীসহ সন্তান দশজন, হাজার টাকা ধার্য করে মায়ের বিবাহের পণ, মা জননীর ছয়ননদী- সবাই সে পণ বিরোধী, আবার রঙ্গিন সাজে সাজি- বিয়ে হয় বারটা পরে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২০৬)

উপরোক্ত সব হাজার দ্বারা কেবল সে গুপ্তদ্বারটি উন্মোচনের হাজার শ্বাস সময়ের কথাই প্রকাশ করা হয়েছে। বিষয়টি সাধকগুরু ও গোঁসাইয়ের নিকট হতে ভালোভাবে বুঝে নেওয়া প্রত্যেক শিষ্যের অবশ্য কর্তব্য।

(তথ্যসূত্র; আত্মতত্ত্ব ভেদ (৬ষ্ঠ খণ্ড)লেখকবলন কাঁইজি)

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!