৭৬. মূত্র

সহযোগী মূলক পরভিাষা

রূপক পরিভাষা

সহযোগী রূপক পরভিাষা

উপমান পরিভাষা

চারিত্রিক পরিভাষা

ছদ্মনাম পরিভাষা

৭৬. মূত্র
Urine (ইউরিন)/ ‘ﺑﻮﻞ’ (বাওওয়ালা)

ভূমিকা (Introduction)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীবাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তামূত্র পরিবার প্রধান বিশেষ। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা গরল। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা বিষ। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা চৈনিন এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা বিস্বাদজল। এটি; বাঙালী পৌরাণিক রূপক প্রধান মূলক সত্তা

অভিধা (Appellation)
মূত্র (বাপৌমূ)বি চোনা, প্রস্রাব, পেসাব, urine, ‘ﺑﻮﻞ’ (বাওওয়ালা) (শ্ববি) গরল, বিষ, হলাহল, কালকুট (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীমূত্র পরিবার প্রধান বিশেষ (সংজ্ঞা) সাধারণত; মূত্রথলি হতে প্রবাহিত বর্জ্য জলকে বাংলায় মূত্র বলা হয় (বাপৌছ) বিস্বাদজল (বাপৌচা) চৈনিন (বাপৌউ) বিষ (বাপৌরূ) গরল (বাপৌমূ) মূত্র।

মূত্রের সংজ্ঞা (Definition of urine)
মূত্রাশয় হতে বর্জ্য রূপে প্রবাহিত জলকে মূত্র বলে।

পারিবারিক অবস্থান (Domestic position)

মূলক

রূপক উপমান চারিত্রিক

ছদ্মনাম

মূত্র গরল বিষ চৈনিন বিস্বাদজল

প্রাথমিক পরিপত্র (Primary circular)
মূত্রের আভিধানিক, রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষা।

বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা; মূত্র।
বাংলা আভিধানিক প্রতিশব্দ;            চনা, চৈনিন, চোনা, পেসাব ও প্রস্রাব।
বাঙালী পৌরাণিক রূপক; গরল।
বাঙালী পৌরাণিক উপমান;             বিষ।
বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক;           অম্বল ও চৈনিন।
বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম;             কালকুট, কুট, বর্চ ও বিস্বাদজল।

বাংলা, ইংরেজি ও আরবি (Bengali, English and Arabic)

বাংলা

ইংরেজি

আরবি

৭৬/. মূত্র Urine (ইউরিন) ‘ﺑﻮﻞ’ (বাওওয়ালা)
৭৬/১. গরল Venom (ভেনম) ‘سم’ (সাম্মা)
৭৬/২. বিষ Toxin (টক্সিন) ‘ذيفان’ (যিফান)
৭৬/৩. চৈনিন Piss (পিশ) ‘شخ’ (শাক্ষা)
৭৬/৪. বিস্বাদজল Rancid (র‌্যাংসিড) ‘زنخة’ (ঝানিখা)

প্রস্রাবের রঙ দেখে জেনে নিন আপনি কোন রোগে আক্রান্ত?
ইদানিং কোনো কারণে চিকিৎসকের কাছে গেলেই চিকিৎসক অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার সাথে প্রস্রাব পরীক্ষাও দিয়ে থাকেন। এটি অযথা নয় বরং অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কেননা; দেহের নানা পরিবর্তন বা অসুখের বিষয় ধরা পড়ে প্রস্রাব পরীক্ষার মাধ্যমেই। আর নিজেও ঘরে বসেই জেনে নেওয়া যায় অনেক অসুখের অগ্রিম বার্তা। কিভাবে? প্রস্রাবের রঙ দেখে। দেখে নিন প্রস্রাবের রঙ কেমন হলে মানুষ কোন ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে থাকে?

. স্বচ্ছ/সাদা
প্রস্রাব যদি স্বচ্ছ (সাদা) জলের মতো হয়; তবে তাকে সুস্থই বলা চলে। দেহে জলশুন্যতা নেই। সুতরাং; যে পরিমাণ জল পান করছে তা সুস্বাস্থ্য ধরে রাখতে কাজে দিচ্ছে বলাই বাহুল্য!

. হালকা হলুদ
এটি ততটা ঝুঁকিপূর্ণ নয়। তবে; দেহ থেকে অধিবিষ (জীব ও উদ্ভিদের শরীরে উৎপন্ন বিষ/ Toxin) বেরিয়ে যাবার জন্যে আরও খানিকটা জল প্রতিদিন খাবার প্রয়োজন আছে।

. গাঢ় হলুদ
এর অর্থ শরীর যথেষ্ট জল পাচ্ছে না। দেহের জলশুন্যতা রোধে দ্রুত যথেষ্ট জল পান করা প্রয়োজন।

. বাদামী বা কালচে বাদামী
প্রস্রাবের রঙ যদি বাদামী বা কালচে বাদামী রঙের হয়; তাহলে বুঝতে হবে হয়তো লিভারের রোগে আক্রান্ত। অথবা চরম মাত্রার জলশুন্যতাও এর আরেকটি কারণ হতে পারে। অতি দ্রুত চিকিৎসকের সরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন।

. গোলাপী বা লালচে
যদি সম্প্রতি জাম বা বিট জাতীয় ফল না খায়; তাহলে বুঝতে হবে প্রস্রাবের সাথে রক্ত যাচ্ছে। এর নানা কারণ থাকতে পারে। যেমন; কিডনির সমস্যা, মূত্রনালীর সংক্রমণ, টিউমার বা প্রোস্টেটের সমস্যা।

. ফেনাযুক্ত প্রস্রাব
সাধারণত; কিডনির সমস্যার কারণে ফেনাযুক্ত প্রস্রাব হতে থাকে। এটি যদি নিয়মিত হয়; তাহলে; অবশ্যই অতি দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। প্রস্রাবের রঙ দেখে মূলত দেহের জলের ভারসাম্য বুঝা যায়। তবে; যদি এতে কোনো অস্বাভাবিক কিছু দেখে যায়; তবে; অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

মূত্রের পরিচয় (Identity of urine)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীমূত্র পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা বিশেষ। জীবের মূত্রথলি হতে নিঃসৃত বর্জ্যজলকে মূত্র বলা হয়। পাশ্চাত্যের এলোপ্যাথিক চিকিৎসকরাও এটা মেনে নিতে বাধ্য হয়েছেন যে মানুষের দেহের বিষের সঙ্গে যুদ্ধ করতে ও তা বের করে দিতে দেহের মধ্যেই অতি মূল্যবান ঔষধ সৃষ্টি হয়। ঘুমের সময় দেহের চাহিদা অনুসারে দেহ নামক কলটি এ ধরনের প্রাকৃতিক ঔষধ প্রস্তুত করে এবং সকালের প্রথম মূত্রে তা প্রচুর পরিমাণ উপস্থিত থাকে। এজন্য; সকালের প্রথম মূত্র পান করলে দেহের প্রয়োজনীয় সব উপাদান যথাযথ পাওয়া যায়। এটিই হলো এ চিকিৎসার মূলনীতি। সকালের মূত্রের অনেক উপকারের বিষয়টি অনুধাবন করে জাপানের চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা মূত্র হতে অনেক মূল্যবান জীবনরক্ষক ইনেজেকশন নির্মাণ করতে সক্ষম হয়েছেন। জানার পর বিস্মিত হতে হয় যে; যেসব অপরাধীরা স্বমূত্রের উপকারী দিকটি জানে- তারা ধরা পড়ার সাথে সাথেই স্বমূত্র পান করে নেয়। যাতে অধিক মার খেলেও, তা হতে অতি দ্রুত আরোগ্যলাভ করা যায়। দীর্ঘ উপবাসেও স্বমূত্র পান অত্যন্ত উপকারী।

ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেশাই এ স্বমূত্র চিকিৎসার একজন প্রধান প্রবক্তা। ১০০ বছর বয়সে মৃত্যুর পূর্ব অবধি তিনি ৪০ বছর ধরে এ স্বমূত্র পান করতেন ও তাঁর দেহে মালিশ করতেন। শেষ মুহূর্ত অবধি তাঁর ত্বকের রক্তিম বর্ণের রহস্য ছিল এই। তাঁর ত্বক ছিল স্বাস্থ্যে ভরপুর এবং তাতে কোনো কুঞ্চন ছিল না। তা ছিল মসৃণ ও উজ্জ্বল। ৬১ বছর বয়সে তাঁর চোখে ছানি পড়তে আরম্ভ করে। তিনি স্বমূত্র দ্বারা চোখ ধূতে লাগলেন। যারফলে; তিনি চোখের ছানি থেকে ক্রমে ক্রমে আরোগ্যলাভ করেন। অতঃপর; ৯১ বছর বয়স পর্যন্ত তাঁর ছানি কাটাবার প্রয়োজন হয় নি। এভাবে তিনি ৩০ বছর ধরে চোখে ছানি পড়া হতে চোখকে আটকে রেখেছিলেন। সর্বপ্রকার দীর্ঘস্থায়ী অসুখে স্বমূত্র পান করা অধিক ফলদায়ক। যুক্তরাষ্ট্রের ডা. বিয়াট্রিস বার্টার স্বমূত্র চিকিৎসা দ্বারা এইডস্ রোগীদেরও আরোগ্য করতে পারেন বলে ঘোষণা করেছেন।

সতর্কতা (Alertness)
স্বমূত্রের মধ্যে মধুমেহ রোগের কারণে ক্ষরিত চিনি না থাকলে বা দেহে অন্য কোনো মারাত্মক রোগ না থাকলে- চিকিৎসাবিজ্ঞানী ও সাধু ও সন্ন্যাসীগণের সর্ব সম্মতিক্রমে স্বমূত্র পান করা সিদ্ধ। তবে; এটি; ছিল প্রস্তরযুগ, ধাতুযুগ ও আদিমযুগের প্রাকৃতিক চিকিৎসাপদ্ধতি। মানবদেহে খনিজ লবণের ঘাটতি পূরণের জন্যই আদিকালে এমন প্রাকৃতিক চিকিৎসা পদ্ধতির উদ্ভাবন করা হয়েছিল। কিন্তু মধ্যযুগ ও আধুনিকযুগে চিকিৎসা বিজ্ঞানের এত উন্নয়ন ও উন্নতির পরও আদিমযুগের মূত্র সেবনরূপ প্রাকৃতিক চিকিৎসা পদ্ধতি কতটুকুইবা প্রয়োজন রয়েছে তা এখন বিবেচ্য বিষয়। দেহে খনিজ লবণের ঘাটতি পূরণের জন্য বর্তমানে কত না অভিনব সুলভ চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে তার ইয়ত্তা নেই। কিছু কিছু লালনপন্থীরা মূত্র সেবনের কোনো নিয়মনীতি না মেনে যখন তখন মূত্র ত্যাগ করে যখন তখনই তা সেবন করেন। এটা প্রাকৃতিক চিকিৎসা পদ্ধতিতেও পরিষ্কার নিষেধ রয়েছে। মূত্র সেবনের পদ্ধতি না জেনে মূত্র সেবন করলে অনেক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

ব্যবহার বিধি (Rules of access)
সকালের মূত্র ছাড়া দিনের মূত্র পান করা উচিত নয়। প্রথমে কয়েক ফোঁটা ফেলে দিতে হবে। অতঃপর; একটি পরিষ্কার পানপাত্রে ধরে পান করতে হবে। আলোচ্য ‘বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা’র বাঙালী পৌরাণিক রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষার আলোচনা যথাস্থানে করা হয়েছে।

(তথ্যসূত্র; আত্মতত্ত্ব ভেদ (৬ষ্ঠ খণ্ড)লেখকবলন কাঁইজি)

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!