৮১. রজ

সহযোগী মূলক পরভিাষা

রূপক পরিভাষা

সহযোগী রূপক পরভিাষা

৮১. রজ
Menses (মিনসেস)/ ‘ﺤﻴﺾ’ (হায়েজ)

 

ভূমিকা (Introduction)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীবাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা পরিবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা এবং রজ পরিবার-প্রধান। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা জোয়ার। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা গরল, তিক্তজল, বন্যা, লালবাতি, সংবাদপত্র হলাহল। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা অরুণ, নক্ষত্র, বসিধ, মহল্লাল, রংলাল লালিমাবাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা আদিমাতা, ঘোষক, শতরূপা, শেষবসিধ সরস্বতী। এটি; ১টি বাঙালী পৌরাণিক রূপক প্রধান মূলক সত্তা

অভিধা (Appellation)
রজ (বাপৌমূ)বি ১. ধূলি, রেণু, পরাগ, পুষ্পরেণু ২. আর্তব, স্রাব, menses, ‘ﺤﻴﺾ’ (হায়েজ), কুরউ (.ﻘﺮﺃ), মাহিজ (.ﻤﺤﻴﺾ) (আঞ্চ) ঋতু, মাসিক (রূপ্রশ) ১. অবতার, ঘোষক, জোয়ার, বন্যা, রক্তবন্যা, লালজল, লালবাতি ২. যৌবন অবতার, যৌবনের সংবাদদাতা (ইংপ) messenger (ইপৌচা) নবি (.نبي), পয়গাম্বর (ফা.ﭙﻴﮕﻤﺒﺭ), হাওয়া (.ﺤﻮﺍﺀ) (ইপ) ইঞ্জিল (.ﺍﻧﺠﻴﻝ), যাবুর (.ﺯﺒﻮﺭ) (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীরজ পরিবার প্রধান বিশেষ (সংজ্ঞা) ১. সাধারণত; ধূলি, রেণু, পরাগ ও পুষ্পরেণু ইত্যাদিকে বাংলায় ‘রজ বলা হয় ২. বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, ঋতুমতী রমণীদের জরায়ু হতে প্রকৃতির নিয়মে প্রতি মাসে প্রবাহিত রক্তধারাকে বাংলায় ‘রজ বলা হয় (বাপৌছ) আদিমাতা, ঘোষক, শতরূপা, শেষ-বসিধ ও সরস্বতী (বাপৌচা) অরুণ, নক্ষত্র, বসিধ, মহল্লাল, রংলাল ও লালিমা (বাপৌউ) গরল, তিক্ত-জল, বন্যা, লালবাতি, সংবাদপত্র ও হলাহল (বাপৌরূ) জোয়ার (বাপৌমূ) রজ।

রজের সংজ্ঞা (Definition of menses)
ধূলি রেণু পরাগ ও পুষ্পরেণু ইত্যাদিকে রজ বলা হয়।

রজের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of menses)
প্রাপ্তবয়স্কা ও নিরোগিনী রমণীদের জরায়ু হতে প্রকৃতির নিয়মে প্রতি মাসে যে বর্জ্য রক্তধারা প্রবাহিত হয় তাকে রজ বলে।

পারিবারিক অবস্থান (Domestic position)

মূলক

রূপক উপমান চারিত্রিক

ছদ্মনাম

রজ জোয়ার গরল, তিক্তজল, বন্যা, লালবাতি, সংবাদপত্র ও হলাহল অরুণ, নক্ষত্র, বসিধ, মহল্লাল, রংলাল ও লালিমা আদিমাতা, ঘোষক, শতরূপা, শেষবসিধ ও সরস্বতী

প্রাথমিক পরিপত্র (Primary circular)
রজের আভিধানিক, রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষা।

বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা; রজ।
বাংলা আভিধানিক প্রতিশব্দ; আর্তব, ঋতু, ধস্ত, ধ্বজী, ধ্বসসি, ধ্বস্তি, বর্জ্যরক্ত, মাসিক, রক্ত, রক্তনিশান, রক্তস্রাব, রক্তস্রোত, রুধির, শোণিত, শোণিতধারা, শোণিতপ্রবাহ ও স্রাব।
বাঙালী পৌরাণিক রূপক; জোয়ার।
বাঙালী পৌরাণিক উপমান;  উজান, কটাল, কোটাল, গরল, জউ, জতু, জতুরস, জতুরাগ, জলপ্লাবন, জলস্ফীতি, জলোচ্ছ্বাস, জোয়ার, তিক্তজল, পুষ্প, প্রস্রবণ, প্লাব, প্লাবন, বন্যা, বর্ষা, বান, বিষ, বিসুখ, লাক্ষা, লাক্ষারস, লালবাতি, সংবাদপত্র, স্রোত ও হলাহল।
বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক; অম্বালিকা, অরুণ, অশোক, জতুদেবী, দম্বল, নক্ষত্র, বসিধ, বিশোক, ভার্গব, ভীষ্ম, ভীষ্মা, মহল্লাল, রংলাল, রজক, রজি, রঞ্জক, রঞ্জনী, রঞ্জিতা, লালিমা, শবরী, শৈলুষ, সগর ও সুরঞ্জিত।

বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম; অরুণা, অলক্ত, অলক্ষ্মী, আগমনী, আগ্নেয়, আদিমাতা, আপ্লব, আপ্লাব, আপ্লাবন, আরক্ত, আরক্তিম, আলোহিত, ইন্দ্রধ্বজ, ইন্দ্রসাবর্ণি, ঋক্, কণা, কালকুট, কুট, ক্ষর, গঙ্গাজ, গাঙ্গেয়, গীর্দেবী, গৃহদেবী, গ্রন্থ, ঘোষক, চুনি, চূর্ণ, চ্যুতা, জতুক, জকারু, জৌ, ত্রসরেণু, দূত, দেবদূত, দেবব্রত, দেবসেনাপতি, ধর্মপ্রচারক, ধর্মপ্রবক্তা, ধূল, ধূলা, ধূলি, ধূলো, ধ্বজ, ধ্বজা, পতাকা, পাকল, পুষ্পোৎসব, পুষ্যা, পূর্বফাল্গুনী, পূর্বাষাঢ়া, পূর্বাষাঢ়া, পেত্নী, প্রমতি, প্রসূন, প্রস্রুত, ফল্গুধারা, ফল্গুপ্রবাহ, বজ্রদত্ত, বধূৎসব, বন্দী, বরদা, বসন্তদূত, বাগ্দেবী, বাগবাদিনী, বাগীশা, বাগীশ্বরী, বাগ্বাদিনী, বারিধারা, বারিপ্রবাহ, বিদ্যাদাত্রী, বিদ্যাদেবী, বেনোজল, বৈজয়ন্তী, যাব, যাবক, রক্তাম্বর, রক্তিমা, রক্তোৎপল, রঙলাল, রঙিলা, রঙ্গিলা, কণা, পটল, রাঙ্গা, রাজদূত, লালজল, লালপানি, লালবাতি, লালশালু, লালি, লোহিত, শতরূপা, শনি, শেষবসিধ, শোণা, শোণিতপুঞ্জ, শোণিতরঞ্জিত, শোণিতাক্ত, শোণিমা, শোণী, শৌনক, শ্রুতশ্রবা, শ্রুতি, ষড়ানন, ষষ্ঠী, ষষ্ঠীতলা, ষষ্ঠীদেবী, ষষ্ঠীবুড়ী, সংবর্ত, সংবাদপত্র, সংবাদবহ, সংবাদবাহক, সংবাদবাহী, সংবাদিকা, সত্যব্রত, সনাতন, সন্দেশবহ, সন্দেশহর, সন্ধ্যারাগ, সরস্বতী, সাংবাদিক, সারস্বত, সুনীতি, সুবর্ণকমল, সূর্যসারথি, স্ত্রীধর্ম, স্বর্ণকমল, স্বর্ণসিন্দুর, হংসবাহনা, হংসবাহিনী, হংসরূঢ়া, হড়পা, হলাহল, হিঙ্গুল ও হিঙ্গুলি।

বাংলা, ইংরেজি ও আরবি (Bengali, English and Arabic)

বাংলা

ইংরেজি

আরবি

৮১. রজ Menses (মিনসেস) ‘ﺤﻴﺾ’ (হায়েজ)
৮১/১. জোয়ার Tide (টাইড) ‘تيار’ (তাইয়ার)
৮১/২. গরল Poison (পয়জন) ‘سموم’ (সুমুম)
৮১/৩ তিক্তজল Frowzy (ফ্রাওজি) ‘حقير’ (হাক্বিরা)
৮১/৪. বন্যা Flood (ফ্লাড) ‘ﻔﻴﺿﺎﻦ’ (ফাইজান)
৮১/৫. লালবাতি Reddle (রেডেল) ‘متورد’ (মুতাওয়ারেদ)
৮১/৬. সংবাদপত্র Newspaper (নিউজপেপার) ‘صحيفة’ (সহিফা)
৮১/৭. হলাহল Upas (আপাস) ‘مسموم’ (মাসমুম)
৮১/৮. অরুণ Ruddy (রাডি) ‘أَحْمَر’ (আহমার)
৮১/৯. নক্ষত্র Star (স্টার) ‘نجمة’ (নাজমা)
৮১/১০. বসিধ Prophet (প্রফেট) ‘نبي’ (নবি)
৮১/১১. মহল্লাল Reddish (রেডিশ) ‘محمر’ (মুহাম্মার)
৮১/১২. রংলাল Crimson (ক্রিমজোন) ‘قرمزي’ (ক্বিরমিঝি)
৮১/১৩. লালিমা Redness (রেডনেস) ‘حمرة’ (হুমরা)
৮১/১৪. আদিমাতা Ancestress (অ্যান্সেস্ট্রেস) ‘السلف’ (আসসালাফ)
৮১/১৫. ঘোষক Herald (হ্যারল্ড) ‘النذير’ (আন্নাযির)
৮১/১৬. শতরূপা Eve (ইভ) ‘حواء’ (হাওয়া)
৮১/১৭. শেষবসিধ Lastly (লাস্টলি) ‘خاتمة’ (খাতিমা)
৮১/১৮. সরস্বতী Souvenir (সুভিনিয়ার) ‘تذكار’ (তাযকারা)

রজের গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (A highly important quotations of menses)
“বামে ইড়া দক্ষিণে পিঙ্গলা, তমঃ রজগুণে করছে খেলা, মধ্যে সত্ত্বগুণ সুষুম্না বিমলা, ধরো ধরো তারে সাদরে।” (পবিত্র লালন- ১৭২/২)

রজের পরিচয় (Identity of Menses)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীর ‘রজ পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা। ধূলি রেণু পরাগ ও পুষ্পরেণু ইত্যাদিকে রজ বলা হয়। কন্যাসন্তান ক্রমে ক্রমে শৈশবকাল অতিক্রম করে কৈশোরকালে পদার্পণ করে। কৈশোরকাল চলাকালীন দিন কিংবা রাতের কোনো এক সময় হটাৎ জরায়ু হতে লালবর্ণের রক্তধারা ঝরা আরম্ভ করে। এ রক্তধারাকেই রজস্রাব বা রূপকার্থে জোয়ার বলে। এ জোয়ার কিশোরীদের কৈশোরকালকে হত্যা করে যৌবনে বা রজস্বলায় পদার্পণ করায়। জোয়ার অরজা বা কিশোরীদের যুবতী বা রজস্বলা বা রজস্বিনীতে পরিণত করে। জোয়ার আগমন করে রমণীদের সন্তানধারণ বা মৈথুনের উপযোগী বলে ঘোষণা প্রদান করে থাকে। নারীদেহে সর্বশেষে জোয়ার অবতারিত হয় বলে শ্বরবিজ্ঞানে একে সর্বশেষ দেবতাও বলা হয়। এছাড়াও; সাঁইগমন, কাঁইগমন ও বিনোদনের সুসংবাদ প্রদান করে বলে জোয়ারকে সাংবাদিক বলেও আখ্যায়িত করা হয়।

রজস্বলাদের জননাঙ্গ হতে প্রতি মাসে নিঃসৃত লালবর্ণের রক্তধারাই জোয়ার বা রজস্রাব নামে পরিচিত। নারীদেহের অন্যান্য সত্তা (যেমন; বুক ও মাজা ইত্যাদি) সুগঠিত হওয়ার পর; জীবের সৃষ্টিকর্তা কাঁই স্বর্গধাম বা অলোকধাম হতে মর্ত্যধামে (অর্থাৎ; নারীদেহে) অবতরণ করেন। সৃষ্টিকর্তা কাঁইই বিদ্যুৎ বা জীবাত্মারূপ পরম-সত্তা বহন করেন। সৃষ্টিকর্তা পরমাত্মা নিয়ে মানবদেহে প্রবেশ করলে ব্যাপক আন্তঃআলোড়ন সৃষ্টি হয়। এ আলোড়ন দ্বারা সৃষ্টিকর্তা বিশেষ প্রক্রিয়ায় স্থূল পালনকর্তা সৃষ্টির মানসে দেহের মূল রক্তরসের ওপর ব্যাপক চাপ ও তাপ প্রয়োগ করেন। যারফলে; রক্ত পুনরায় বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরিপাক হয়ে পালনকর্তারূপ স্বরূপ বা সুধারস পৃথক হয়। যারফলে; রক্তের অসার অংশ বা বর্জ্য পদার্থগুলো জোয়ার বা রজস্রাব রূপে বের হয়ে যায়।

রক্তকে পুনঃ পরিপাক করে রক্ত হতে সুধারস বা অমৃতরসকে বের করে নেওয়ার ফলে জোয়ার বা রজ রূপে প্রবাহিত রক্তের মধ্যে আর কোনো সার পদার্থ অবশিষ্ট থাকে না। এজন্য; জোয়ার বা রজ রূপে প্রবাহিত রক্তধারা মানবের জন্য সম্পূর্ণরূপে বর্জ্য পদার্থ রূপে গণ্য হয়। মলমূত্রের মতোই জোয়ার বা রজরক্ত অপবিত্র ও অব্যবহার্য পদার্থ। যেমন; মানুষের পাকস্থলি খাদ্যবস্তু পরিপাক করে খাদ্যসার বের করে নেয়। অতঃপর; মানুষ যে মল ত্যাগ করে; তারমধ্যেও তেমন খাদ্যসার থাকে না। তবে; আধুনিক বিজ্ঞানীদের গবেষণা অনুযায়ী মানুষের পাকস্থলী প্রায় ৮৭% খাদ্যসার বের করতে সক্ষম। অবশিষ্ট ১৩% খাদ্যসার পশুপাখির খাদ্য রূপে মানুষের মলের মধ্যেই থেকে যায়। মানবীয় পাকস্থলির দ্বারা উক্ত খাদ্যসার বের করা সম্ভব নয়। আরও কঠিন ও শক্তিশালী পাকস্থলি ব্যতীত উক্ত ১৩% খাদ্যসার বের করতে পারে না। পশুপাখিদের পাকস্থলি মানুষের পাকস্থলির চেয়ে অনেক গুণ শক্তিশালী ও কার্যকরী। পশুপাখির পাকস্থলিই পারে খাদ্য হতে সম্পূর্ণ খাদ্যসার নিঃসারণ করতে।

মুমুর্ষু রোগীর প্রাণ বাঁচানোর জন্য একই গ্রুপের রক্তের লোকের দেহ হতে যে রক্ত এনে রোগির দেহে প্রবেশ করানো হয় তা জীবন্ত রক্ত। এ রক্তের মধ্যে রক্তের সব গুণাগুণ অক্ষুণ্ম বা বিদ্যমান থাকে। কিন্তু জোয়ার বা রজ রূপে ক্ষরিত রক্তের মধ্যে রক্তের সারবস্তু বা অনেক গুণাগুণ অবশিষ্ট থাকে না। এজন্য; কোনমতে জোয়ার রূপে ক্ষরিত রক্তধারা সেবন, সাধন, ভজন বা পূজনযোগ্য নয়। পরম্পরা-জ্ঞানধারী কোনো কোনো অজ্ঞব্যক্তি জোয়ার বা রজধারাকে অমৃতসুধা ভেবে তা সেবন বা ভজন করে থাকেন। এটা অত্যন্ত মন্দ, নিকৃষ্ট ও গর্হিত কার্য বৈ নয়। তাদের একবার ভেবে দেখা প্রয়োজন যে দুর্লভ বা দুষ্প্রাপ্য বস্তু পথেঘাটে যত্রতত্র পাওয়া সম্ভব নয়। মহার্ঘ বা দুষ্প্রাপ্য বিষয়বস্তু পেতে হলে তার জন্য অধিক কষ্ট-ক্লেশ বা সাধন প্রয়োজন। বিনা সাধনে দুর্লভ বস্তু কখনও হস্তগত করা যায় না। আরবিভাষার মহাগ্রন্থ পবিত্র কুরানে পরিষ্কারভাবে বলে দেওয়া হয়েছে যে রক্ত পান করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যেমন; “إِنَّمَا حَرَّمَ عَلَيْكُمْ الْمَيْتَةَ وَالدَّمَ وَلَحْمَ الْخِنزِيرِ وَمَا أُهِلَّ بِهِ لِغَيْرِ اللَّهِ فَمَنْ اضْطُرَّ غَيْرَ بَاغٍ وَلَا عَادٍ فَلَا إِثْمَ عَلَيْهِ إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَحِيمٌ” উচ্চারণ; ইন্নামা হাররামা আলাইকুমুল মাইতাতাও ওয়াদ্দামাও ওয়া লাহমুল খিঞ্জির, ওয়া মা উহিল্লা বিহি লিগাইরিল্লাহি ফা মাদতররা গাইরা বাগিন, ওয়া লা আদিন, ফা লা ইসমা আলাইহি, ইন্নাল্লাহা গাফুরুর রাহিম অর্থ; “অবশ্যই তোমাদের জন্য শব (মৃতদেহ), শোনিত (রক্ত) ও বরাহমাংস (শূকর) নিষিদ্ধ এবং তোমাদের জন্য তাও বৈধ নয়- যা কাঁই ভিন্ন অন্য উদ্দেশ্যে সংহার করা হয়। অতঃপর; যে ব্যক্তি অত্যাচার ও সীমালঙ্ঘন না করে, একান্ত ঠেকাবশত করে তাতে কোনো পাপ নেই। নিশ্চয় কাঁই অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও দয়ালু।” He has forbidden you only the dead, blood and the flesh of swine, and that which is slaughtered as a scrifice for others than Lord. But if one is forced by necessity without wilful disobedience nor transgressing due limits, then there is no sin on him. Truly, Lord is oft-forgiving, most merciful) “হি হ্যাজ ফরবিডেন ইউ ওনলি দি ডেড, ব্লাড এন্ড দি ফ্লাস ওপ সোয়াইন, এন্ড দ্যাট হুইস ইজ স্লাওটার্ড এ্যাজ এ স্ক্রিফিস ফর আদারস দেন লর্ড. বাট ইফ ওয়ান ইজ ফোর্সড বাই নেসেসসিটি উইদাউট উইলফুল ডিসওবিডিয়েন্স নর ট্রেন্সগ্রেসিং ডিউ লিমিটস, দেন দেয়ার ইজ নো সিন ওন হিম” (কুরান, বাক্বারা- ১৭৩)

পর্যালোচনা (Review)
“حُرِّمَتْ عَلَيْكُمْ الْمَيْتَةُ وَالدَّمُ وَلَحْمُ الْخِنزِيرِ” উচ্চারণ; (হুররিমাত আলাইকুমুল মাইতাতাও ওয়াদ্দামুও ওয়া লাহমুল খিঞ্জির …..) অর্থ; “তোমাদের জন্য মৃতজন্তু, রক্ত ও শূকরের মাংশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে” Forbidden to you are blood, the flesh of swine (ফরবিডেন টু ইউ আর ডেড, ব্লাড এন্ড দি ফ্লেস ওপ সুইন ….) (কুরান, মায়িদা- ৩)। “إِنَّمَا حَرَّمَ عَلَيْكُمْ الْمَيْتَةَ وَالدَّمَ وَلَحْمَ الْخِنْزِير” উচ্চারণ; (ইন্নামা হাররামা আলাইকুমুল মাইতাতাও ওয়াদ্দাম, ওয়া লাহমুল খিঞ্জির …..) অর্থ; “অবশ্যই তোমাদের জন্য শব (মৃতদেহ), শোনিত (রক্ত) ও বরাহ (শূকর) মাংস নিষিদ্ধ।” He has forbidden you only dead, blood and the flesh of swine “হি হ্যাজ ফরবিডেন ইউ অনলি ডেড, ব্লাড এন্ড দি ফ্লেস অফ স্ইুন” (কুরান, নহল-১১৫)

পবিত্র কুরানের উপরোক্ত মন্ত্রগুলো হতে পরিষ্কার বুঝা যায় শোণিত বা রক্ত পান করা নিষিদ্ধ। আমরা সাধারণভাবে দেখি রক্ত পান করার কোনো ব্যবস্থা বা সংস্কৃতি সমাজে প্রচলিত নেই। তবে; কেন রক্ত পান করা নিষিদ্ধের কথা পুনঃপুন বলা হচ্ছে। কারণটি সাধারণ লোকেরা না জানলেও পরম্পরায় বিচরণকারীদের অনেকেরই জানা আছে। একদল অজ্ঞ ও মূর্খ পারম্পরিকরা রজরক্তকে অমৃতসুধা ভেবে রজপট্টি ভিজিয়ে তা পান করে আসছে দীর্ঘদিন হতে। এ প্রবণতা পূর্ববর্তী সমাজেও ছিল এবং এখনও তা বিদ্যমান রয়েছে। এ কারণেই মহা গ্রন্থাদির মধ্যে ইঙ্গিতে ইঙ্গিতে পুনঃপুন শোণিত বা রক্ত পান চির নিষিদ্ধ এমন কথা বলা হয়েছে। সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টিশক্তি প্রাপ্তবয়স্ক জীবের দেহের মধ্যে প্রবেশ করলেও দেহের মধ্যে আন্তঃ-আলোড়ন সৃষ্টি হয়। সে আলোড়নের ফলস্বরূপ কান্নার জলরূপ জোয়ার বা রজধারা বের হয়ে আসে। জোয়ার বা রজধারা জীবের সৃষ্টিকর্তা কাঁই এবং জীবের পালনকর্তা সাঁইয়ের আগমনবার্তা বহন করে। সাধু, সন্ন্যাসী, ঋষি ও মনীষীগণ এ জোয়ার বা রজবার্তা দ্বারা ঊষা ও অর্যমা গণনা করে পরিষ্কারভাবে শিষ্যদের বলে দেন যে; আগামী এততম দিবসে সাঁই ও আগামী এততম দিবসে কাঁই মর্ত্যধামে অবতরণ করবেন। তোমরা যারা সাঁই ও কাঁইয়ের দর্শনলাভ করতে চাও তারা উক্ত দিবসে অবশ্যই এ যোগব্রত পালন করবে।

বাংলাভাষার জোয়ার বা রজস্রাবকে আরবি ভাষায় আদাত (ﻋﺎﺪﺓ), কুরউ (ﻘﺮﺃ), লাকাহ (ﻟﻘﺢ), হায়েজ (ﺤﻴﺾ) ও মাহিজ (ﻤﺤﻴﺾ) ইত্যাদি বলা হয়। আরবি অলি (ﻮﻠﻮ) ও আব্দালগণ (ﺍﺑﺪﺍﻞ) তাঁদের আরবি ভাষার হায়েজ (ﺤﻴﺾ) সত্তাকে শ্বরবিজ্ঞানে নবি রূপে (نبي) এবং ফার্সি দরবেশগণ (ﺪﺭﻭﻴﺶ) তাঁদের ফার্সি ভাষার শ্বরবিজ্ঞানে পয়গম্বর (ﭙﻴﻐﻤﺒﺮ) বলে আখ্যায়িত করে থাকেন। এছাড়াও; সংস্কৃত ভাষার আত্মজ্ঞানী মনীষীগণ রজকে সরস্বতী বা আদিমাতা বলে থাকেন।

মজার ব্যাপার হলো রজকে আরবীয় ও ভারতীয় উভয় শ্বরবিজ্ঞানেরই আদিমাতা বলা হয়। হিন্দুরা একে বিদ্যার দেবী ‘সরস্বতী’ রূপে পূজা করে থাকেন। যেহেতু; কিশোরী-কুমারীদের রজস্রাবের আগমন ঘটলেই কেবল দিনগণনা বা পবিত্রতা ও অপবিত্রতা গণনার সূচনা হয়। রজস্রাবের আগমন হওয়ার পূর্বে কিশোরীদের স্মরণরাখা বা মনেরাখার কোনকিছুই নেই (বিদ্যার্জন ব্যবস্থা ও বিদ্যালয় নিতান্তই অল্পদিনের সংস্কার মাত্র। এজন্য; শিক্ষা ব্যবস্থা এ আলোচনার মধ্যে গণ্য নয়)। রজ আগমন করলেই যে দিনক্ষণ স্মরণ রাখতে হয়- সে-ই হতেই স্মরণের বিষয় রূপে স্বীকৃতি পেয়েছে ‘রজ’। কিন্তু কালক্রমে সে স্মরণের রজই আজ ‘মা সরস্বতী’ রূপে উন্নীত হয়েছেন। যেমন;  রামায়ণের নায়কচরিত্র ‘রাম’ আজ ‘ভগবান শ্রী রামচন্দ্র’ রূপে উন্নীত হয়েছেন। শ্বরবিজ্ঞানে ব্যবহৃত সরস্বতী দেবীই যে আভিধানিক অর্থে রজ বা রজস্রাব তা আজ সাধারণ্যের বোধগমের বাইরে। সরস্বতী দেবী বলার সঙ্গে সঙ্গেই অনেকে রূপকথার কল্পিত দেবী ভেবে বসে। আলোচ্য ‘বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা’র বাঙালী পৌরাণিক রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষার আলোচনা যথাস্থানে করা হয়েছে।

লালসালুর ইতিহাস (The history of Lalsalu (red cloth))
রাস্তার লালবাতি; সাধকের লাল পাগড়ি; কবরে লালশালু ও বিরিয়ানির হাঁড়িতে লাল কাপড়ের পেছনের রহস্য।

লালসালু

বিরিয়ানি ও মোগলাই খাবার হলেও বেশির ভাগ বাঙালীরই প্রথম প্রেম। বিরিয়ানির প্রথম প্রচলন হয় দিল্লি এবং লখনউতে, মোগলাই এবং অওধি ক্যুইজিন রূপে। কিন্তু বাঙালীর মন জয় করতে এই পদের অধিক সময় লাগে নি। আর এখন কী নগর কী পল্লী সর্বত্র বিরিয়ানির দোকান ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।

একটা বড় হাঁড়ি, তার গায়ে একটা লাল শালু জড়ানো। এটুকু থাকলেই যথেষ্ট। ওটাই বিরিয়ানি প্রেমীদের আসল ‘সিগন্যাল’। লাল শালু দেখে বিরিয়ানি প্রেমীরা স্পেনীয় ষাঁড়ের মতো দৌড়বেন, এমনটাই কি ভাবেন পরিবেশকরা?

বিরিয়ানি কয়েক দেখা যায়। যেমন; চিকেন বিরিয়ানি, মটন বিরিয়ানি, আণ্ডা বিরিয়ানি, আলু বিরিয়ানি বা ভেজ বিরিয়ানি ইত্যাদি। তবে কোনদিন কী ভেবে দেখেছেন, কেন বিরিয়ানির ডেকচি লাল-কাপড়ে ঢাকা থাকে?

একটু সহজভাবে চিন্তা করে দেখুন; বিদেশী অতিথি যখন আসেন; তখন তাকে কেন লালগালিচা সংবর্ধনা দেয়া হয়? নীল বা হলুদ নয় কেন? এই যে এত মাজার, উরস হচ্ছে সেখানে বাঁশের মাথায় লাল শালুর পতাকা ঝোলে কেন? বিরিয়ানি, হালিমের ডেগেইবা লাল কাপড় কেন? কালো বা চকমকে মখমল বা দামি কারুকাজ করা কাপড়ও তো ব্যবহার করা যায়? পান ও পনিরওয়ালারাও এই লাল শালু ব্যবহার করেন কেন?

এসবের কারণ; মানুষের ভাষার মতো রংয়েরও কিন্তু ভাষা আছে। আপনার চিন্তায় কিন্তু রং প্রভাব রাখে। তাই নয় কি? তেমনই পৃথিবীর প্রত্যেক দেশেই রংয়ের ভিন্ন ভিন্ন অর্থ ও ব্যবহার রয়েছে। পতাকাগুলো দেখুন, বেশির ভাগ ইসলামী রাষ্ট্রগুলোর পতাকার রঙ সবুজ ও সাদা। কেন? কারণ; সবুজকে শান্তি আর সাদাকে স্বচ্ছন্দতা ও শুদ্ধতার প্রতীক মানা হয়।

তেমনই লাল রংয়ের ব্যবহার একেক দেশে ভিন্ন ভিন্ন। কোনো দেশে লাল শৌর্য, আক্রমণ, বিপদ অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন; যুদ্ধে লাল চিহ্ন শত্রুর মোকাবিলায় সৈন্যদের নির্দেশনা দান করে। আবার; দেখুন ট্রেনের বা রাস্তার সিগনাল। শুধু কি তাই! মাঠে ফুটবল রেফারীও কিন্তু প্রথমে সতর্কতা রূপে হলুদ কার্ড ও পরে বিপদজনক আচরণের জন্য লাল কার্ড ব্যবহার করেন।

তবে; সাধারণত লাল বর্ণকে সৌভাগ্য, উষ্ণতার, আনন্দ-উৎসব ও ভালোবাসার আবেগের প্রতীক রূপে ধরা হয়। হৃদয়ের রং কী? শুধু তাই নয়, উষ্ণ অভ্যর্থনা প্রকাশের ক্ষেত্রেও হৃদয়ের লাল রং ব্যবহৃত হয়।

গোড়ার দিকের মুঘল শাসকরা ছিলেন পারস্য সংস্কৃতি প্রভাবিত। তারা তাদের জীবনে এই ধারা অনুকরণ করতেন। সম্রাট হুমায়ুন হলেন এর পথপ্রদর্শক। কারণ; যখন তিনি রাজ্য হারিয়ে ইরানে আশ্রয় নিয়েছিলেন; তখন তাকে পারস্য সম্রাট সেই লালগালিচার উষ্ণ অভ্যর্থনাই দিয়েছিলেন।

খাদ্য পরিবেশনে আশ্রম ও আখড়ার রীতিগুলোতে বিশেষত্ব, রুপোলি পাত্রের খাবারগুলোর জন্য লাল কাপড় আর ধাতব ও চিনামাটির জন্য সাদা কাপড় দিয়ে ঢেকে নিয়ে আসা হতো। যা মুঘলরাও তাঁদেরর আশ্রমে চালু করেন। শুধু তাই নয়; সম্মানিত ব্যক্তি বা আধ্যাত্মিক সাধকদের জন্য ছিল লাল পাগড়ির ব্যবস্থা।

বিরিয়ানি ভারতে পা রাখে মুঘল আমলে। খাদ্য পরিবেশনে এই প্রথা ও রঙের ব্যবহার লক্ষৌ নগরের নবাবরাও অনুসরণ করতেন। সমাজ জীবনে তাই অভিজাত্য, বনেদি, উষ্ণতা প্রকাশে লাল বা লাল শালুর ব্যবহার যুগ যুগ ধরে চলে আসছে।

লালসালুর দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি (Theological etymology of Lalsalu (red cloth))
সব লাল কাপড়কে লালসালু বলা যাবে না। কেবল সেই কাপড়কে লালসালু বলা যাবে; যেটি সাধনের কাজে ব্যবহার করা হয়; যেটি ভেক রূপে ব্যবহার করা হয়, যেটি আশ্রমের পতাকা রূপে ব্যবহার করা হয়, যেটি সমাধির আবরণ (গিলাফ (ﻏﻼﻑ)) রূপে ব্যবহার করা হয় এবং যেটি প্রসাদের ডেগের (ﺪﻴﮓ) আরবরণ রূপে ব্যবহার করা হয়।

নারীজাতির রজ রক্তের রঙের প্রতীক রূপে লালসালু ব্যবহার করা হয়। এটি আদিকাল হতে এখন পর্যন্ত ব্যবহার হয়ে আসছে।

(তথ্যসূত্র; আত্মতত্ত্ব ভেদ (৭ম খণ্ড)লেখকবলন কাঁইজি)

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!