৮২. রজকাল

সহযোগী মূলক পরভিাষা

রূপক পরিভাষা

সহযোগী রূপক পরভিাষা

উপমান পরিভাষা

চারিত্রিক পরিভাষা

ছদ্মনাম পরিভাষা

৮২. রজকাল 
Estrus (অ্যাস্ট্রাস)/ ‘الشياع’ (আশশিইয়া‘য়া)

ভূমিকা (Introduction)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীবাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা এবং রজকাল পরিবার প্রধান । এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা অমাবস্যা। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা রাত। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা অমাবতীসিনানী এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা কৃষ্ণপক্ষশনিবার। এটি; ১টি বাঙালী পৌরাণিক রূপক প্রধান মূলক সত্তা

অভিধা (Appellation)
রজকাল (বাপৌমূ)বি ঋতুকাল, আর্তবা রমণীদের আর্তবকাল, ঋতুমতী রমণীদের রজ চলাকালীন সময়, estrus, ‘الشياع’ (আশশিইয়া‘য়া), menstrual period, ‘فترة الحيض’ (ফাতরা আলহায়িজ) (শ্ববি) অন্ধকার, আঁধার, শনিবার, সিনানী, অপত্রিতা, অমাবস্যা, ঋতুকাল, ঋতুমতীদের রজস্রাব (ইপ) আইয়ামিবিজ (.ﺍﻴﺎﻡ ﺒﻌﺾ), নবুয়াত (.ﻧﺒﻮﺖ), লাইল (.ﻟﻴﻞ), শব (ফা.ﺸﺐ) (ইংপ) night, dust period (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীরজকাল পরিবার প্রধান ও একটি বাঙালী পৌরাণিক প্রকৃত মূলক পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) সাধারণত; ঋতুমতীদের রজ চলাকালীন সময়কে বাংলায় ‘রজকাল বলা হয় (বাপৌছ) কৃষ্ণপক্ষ ও শনিবার (বাপৌচা) অমাবতী ও সিনানী (বাপৌউ) রাত (বাপৌরূ) অমাবস্যা (বাপৌমূ) রজকাল {বাং. রজ + বাং. কাল}

রজকালের সংজ্ঞা (Definition of estrus)
রজস্বলা রমণীদের রজস্রাব চলাকালীন সময়কে রজকাল বলে।

পারিবারিক অবস্থান (Domestic position)

মূলক রূপক উপমান চারিত্রিক ছদ্মনাম
রজকাল অমাবস্যা রাত অমাবতী ও সিনানী কৃষ্ণপক্ষ ও শনিবার

প্রাথমিক পরিপত্র (Primary circular)
রজকালের আভিধানিক, রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষা।

বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা; রজকাল।
বাংলা আভিধানিক প্রতিশব্দ; আর্তবকাল।
বাঙালী পৌরাণিক রূপক; অমাবস্যা।
বাঙালী পৌরাণিক উপমান; অমা, অমানিশা,  অমানিশি, অমাবসু, অসিতপক্ষ, আন্ধার, নিশি, রজনী, রাত ও রাতি।
বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক; অমাবতী, ক্ষণদা, ক্ষপা, তমস্বিনী, তমস্বী, তমা, তমি, তমিস্র, তমিস্রা, তামসী, রাতুল, সিনানী ও সিনিবালী।
বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম; আষাঢ়, কালরাত্রি, কুহোর, কৃষ্ণপক্ষ, তমঃ, তমিস্রপক্ষ, তমোময়, ত্রিযামা, ত্রিরাত্র, তেরাত্রি, দর্শ, ধ্বান্ত, নক্ত, বর্ষাকাল, বর্ষাপাতি, যামিনী, যামী১, রাত্র, রাত্রি, শনিপর্যায়, শনিবার ও সাড়ে তিন দিন।

বাংলা, ইংরেজি ও আরবি (Bengali, English and Arabic)

বাংলা

ইংরেজি

আরবি

৮২. রজকাল Estrus (অ্যাস্ট্রাস) ‘الشياع’ (আশশিইয়া‘য়া)
৮২/১. অমাবস্যা Darkling ‘محاق’ (মুহাক্ব)
৮২/২. রাত Night (নাইট) ‘ﻠﻴﻝ’ (লাইল)
৮২/৩. অমাবতী Sombre (সোম্ব্রী) ‘مهووسة’ (মাহুউসা)
৮২/৪. সিনানী Cimmerian (সেমিরিয়ান) ‘مظلم’ (মুজলিম)
৮২/৫. কৃষ্ণপক্ষ Blackout (ব্ল্যাকাউট) ‘معتمة’ (মা‘তিমা)
৮২/৬. শনিবার Saturday (স্যাটার্ডে) ‘السبت’ (আসসিবাত)

রজকালের পরিচয় (Identity of estrus)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীরজকাল পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা। প্রতি মাসে প্রকৃতির নিয়মে রজস্বলা রমণীদের জরায়ু হতে রজরক্ত ঝরার সময়কে রজকাল বলা হয়। প্রকৃতির নিয়মে রমণীগণের রজ আগমনের পর প্রায় সাড়ে তিন দিন পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে রজ নিঃসরণ চলার সময়কেই রজকাল ধরা হয়। এ সময় জননতন্ত্রটি অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় থাকে। যারফলে; এ সময় উক্ত রজস্বলার সাথে গমনাগমন সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। সাড়ে তিন দিনের অধিককাল পর্যন্ত রজ নিঃসরণ হতে থাকলে তাকে রক্তভাঙ্গা রোগ বলা হয়। কারণ; সুস্থ দেহের প্রকৃত রজদেবী প্রকৃতির নিয়মে সাড়ে তিন দিনের অধিককাল থাকে না। যারফলে; সাড়ে তিন দিনের অধিক সয়ম রজ নিঃসরণ চলতে থাকলে তাকে রজরোগ বা রক্তভাঙ্গা রোগ বলা হয়। এজন্য; শ্বরবিজ্ঞানে; গড়ে সারাবিশ্বের সব নারীদের ক্ষেত্রে সাড়ে তিন দিন সময়কে রজকাল ধরা হয়। রজকালে রজস্বলাদের সাথে কামকেলি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। রজকালের ওপর বাংভারতীয় রূপক সংস্কার ও আরবীয় রূপক সংস্কারের মধ্যে সামান্য পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। তা হলো বাংভারতীয় সাম্প্রদায়িক সংস্কারগুলোতে রজকাল সমান সাড়ে তিন দিন কিন্তু আরবীয় সাম্প্রদায়িক সংস্কারগুলোতে রজকাল সমান তিনদিন। ভারতবর্ষের সব রমণীদের প্রতি লক্ষ্য করে বাংভারতীয় সাধুগণ গড়ে সাড়ে তিন দিন সময়কে এবং আরবীয় অলিগণ আরবদেশের রমণীদের প্রতি লক্ষ্য করে গড়ে তিনদিন সময়কে রজকাল নির্ধারণ করেছেন। যারফলে; বাংভারতীয় সাম্প্রদায়িক সংস্কার মতে; মাসে সাড়ে তিন দিন হলে বছরে মোট ( ×12) বা ৪২ দিন এবং আরবীয় সাম্প্রদায়িক সংস্কার মতে; মাসে তিনদিন হলে বছরে মোট (৩×১২) বা ৩৬ দিন। এজন্য; বাংভারতীয় ও আরবীয় বাৎসরিক মোট রজকালের মধ্যে (৪২- ৩৬) বা ছয়দিনের পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। গমনাগমন নিষিদ্ধ হতে রূপকভাবে উপবাসব্রত সংস্কার করা হয়। বাংভারতীয় সংস্কার মতে; মাসিক উপবাসব্রত সাড়ে তিন দিন এবং বাৎসরিক মোট উপবাসব্রত মোট ৪২ দিন। কিন্তু আরবীয় সংস্কার মতে; মাসিক কোনো উপবাসব্রত নেই কারণ তারা বাৎসরিক মোট ৩৬টি উপবাসব্রতের মধ্যে  ৩০টি উপবাসকে একমাসের অন্তর্ভুক্ত করেছেন এবং অবশিষ্ট ৬টি পরবর্তীমাসে বা অন্য যে কোনো মাসে সমাপ্ত করার উপদেশ প্রদান করেছেন। আত্মতত্ত্বের এ ঐশ্বরিক বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তাটির ওপর ভিত্তি করে আরবীয় বিজ্ঞ রূপকারগণ যে সাম্প্রদায়িক রূপক সংস্কার করেছেন তাকে আরবিভাষায় সিয়াম (ﺼﻴﺎﻢ) এবং ফার্সিভাষায় রোজা (ﺭﻭﺯﻩ) বলে।

রজকালে রজস্বলা রমণীদের জননাঙ্গটি থাকে অত্যন্ত কাঁচা। এজন্য; এ সময় সর্বপ্রকার গমন ও কাম সম্পূর্ণই চির নিষিদ্ধ। রজস্বলা নারীদের রজকালীন সময়ে মৈথুন যে চির নিষিদ্ধ সে ব্যাপারে পবিত্র কুরানে স্পষ্টই বলা হয়েছে- “ وَيَسْأَلُونَكَ عَنْ الْمَحِيضِ قُلْ هُوَ أَذًى فَاعْتَزِلُوا النِّسَاءَ فِي الْمَحِيضِ وَلَا تَقْرَبُوهُنَّ حَتَّى يَطْهُرْنَ فَإِذَا تَطَهَّرْنَ فَأْتُوهُنَّ مِنْ حَيْثُ أَمَرَكُمْ اللَّهُ إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ التَّوَّابِينَ وَيُحِبُّ الْمُتَطَهِّرِينَ” উচ্চারণ; “ওয়া ইয়াসয়ালুনাকা আনিল মাহিজিন, কুল হুয়া আজা- ফা’তাজিলুন নিছায়া ফিল মাহিজিউ, ওয়া লা তাক্বরাবুহুন্না হাত্তা ইয়াতহুরনা। ফাইজা তাত্বহহারনা ফা’তুহুন্না মিন হাইসু আমারাকুমুল্লাহ, ইন্নাল্লাহা ইউহিব্বুত তাওয়াবিনা ওয়া ইউহিব্বুল মুতাত্বহহারনা” অর্থ; “তারা রজকাল সম্পর্কে তোমাকে জিজ্ঞেস করছে- বলে দাও তা কষ্টকর। অতএব; রজকালে তোমরা রমণীদের পৃথক রেখো। যে পর্যন্ত তারা পবিত্র না হয় তাদের নিকটবর্তী হইও না। তারা পবিত্র হলে কাঁইয়ের আদেশ অনুযায়ী সেখানে যেও। সত্যই কাঁই প্রত্যাবর্তনকারী ও শুদ্ধাচারিদের অধিক ভালোবাসেন” (কুরান- বাক্বারা- ২২২)। নারীদের রজকালীন সময়ে মৈথুন যে চির নিষিদ্ধ সে ব্যাপারে পবিত্র লালনে স্পষ্টই বলা হয়েছে- ১.“অমাবস্যা অমঙ্গল তিথি, তাতে মিলন পুরুষের ক্ষতি, জল অমাবস্যায়- ওঠে ডাঙ্গায়, লালন কয় থেকো হুঁশিয়ার” (পবিত্র লালন- ১০৭/৪) ২.“তুই মদনা চাষা ভাই, তোর জ্ঞান কিছুই নাই, প্রতিপদ বিনা অমাবস্যায়, হাল বয়ে কাল হও কেনে” (পবিত্র লালন- ১৬২/৩)। এর পরই সাঁইয়ের আগমন সময় ও সাধন সময় উল্লেখ করে লালন সাঁইজি রজকালে মৈথুন যে চির নিষিদ্ধ এ বিষয়টি আরও পরিষ্কার করে বলে দিয়েছেন। তিনি আরও বলেছেন; “রজকালরূপ অমাবস্যায় সাঁইরূপ চন্দ্র উদয় হন না বরং অমাবস্যার পরেই সাঁইরূপ শশী উদয় হয়।” এজন্য; তোমরা অমাবস্যার পরে পবিত্রতারূপ পূর্ণিমার যোগ ধরে সাঁইসাধনটি সম্পাদন করবে। নিচে পবিত্র লালন হতে কয়েকটি উদ্ধৃতি তুলে ধরা হলো।

সাঁই আগমন সময় (Arival time of God)
১.   “অমাবস্যার দিনে চন্দ্র থাকে কোন শহরে, প্রতিপদে উদয় হয় সে, দৃষ্ট হয় না কেন তারে।” (পবিত্র লালন- ৬০/১)
২.   “অমাবস্যার পর চন্দ্র উদয়, দেখতে যার বাসনা হয়, লালন বলে থাকো সদাই, ত্রিবেণীতে থাকো বসে।” (পবিত্র লালন- ৯৭৬/৪)
৩.   “অমাবস্যার পর প্রতিপদে, দ্বিতীয়ার প্রথম বিভাগে, ভেবে কয় লালন- করে আগমন, সে যোগের দিনে।” (পবিত্র লালন- ৪৮৮/৪)
৪.   “অমাবস্যায় সে রয় ঘুমিয়ে, নাড়া তাকে নেয় জাগিয়ে, লালন কয় কামিনীর ঘরে, যাস না রে সেথা মানুষ মারে।” (পবিত্র লালন- ২৭৪/৪)
৫.   “একটি চন্দ্র হাজার তারা, সারা আকাশ ছেয়ে রয়, অমাবস্যা লাগলে সে চন্দ্র, আবার কোথায় গিয়ে লুকায়।” (পবিত্র লালন- ৬৭৯/৩)
৬.   “মন চোরারে ধরবি যদি মন, ফাঁদ পেতে বস ত্রিবেণে, অমাবস্যার পর পূর্ণিমাতে, বারাম দেয় সেখানে।” (পবিত্র লালন- ৭৩৯/১)
৭.   “শুক্লপক্ষে ব্রহ্মাণ্ডে গমন, কৃষ্ণপক্ষে যায় নিজভুবন, লালন বলে- সে রূপলীলে, দিব্যজ্ঞানী সে জানে।” (পবিত্র লালন- ৭৩৯/৪)

উপরোক্ত উদ্ধৃতি হতে দেখা যায় রমণীদের রজকালে মৈথুন করার অনুমতি তো পরের কথা, কোনো ইঙ্গিত পর্যন্তও নেই। এমনকি; এ সময় মৈথুন করার দ্বারা তেমন কোনো লাভের আভাসও পাওয়া যায় না। তবুও; যেহেতু; শ্বরবিজ্ঞানে অমাবস্যা দ্বারা স্রাবণ্য প্রহরকে বুঝায়। এজন্য; বর্তমানে কিছু কিছু নব্য লালন গবেষক- যারা আত্মদর্শন বা শ্বরবিজ্ঞানের বিন্দু বিসর্গও জানে না; তারা সাঁইজির নিচের এ বাণীটিকে প্রমাণ রূপে উপাস্থাপন করে স্রাবণ্য প্রহরে মৈথুন করে অনেক লাভের আভাস বর্ণনা করার ব্যর্থ প্রয়াস চালিয়েছে। বাণীটি নিচে তুলে ধরা হলো; সময় বুঝে বাঁধাল বাঁধলি না, জল শুকাবে মীন পালাবে, পস্তাবিরে ভাই মনা (পবিত্র লালন- ৯২২/১)। যেমন; জল পরিভাষাটির রূপকার্থ রজ হয়; তেমনই; এর রূপকার্থ আদি, দুগ্ধ, শুক্র, সুধা ও মধু এসবও হয়। মীন পরিভাষাটির রূপকার্থ সাঁই। নির্বোধ ও খর্বজ্ঞানী নব্য-গবেষকগণ এ সূত্র হতে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন যে রজকাল বা স্রাবণ্য পেরিয়ে গেলে মীনরূপ সাঁই চলে যায়। এজন্য; রজকালের মধ্যেই সাঁইয়ের দর্শনলাভ করতে হয়। যেহেতু; মৈথুন ব্যতীত সাঁইয়ের দর্শনলাভের কোনো বিকল্প নেই। সেহেতু রজবতী রমণীদের সাথে রজপ্রবাহ অবস্থাতেই কামযজ্ঞ করে মীনরূপ সাঁইয়ের দর্শনলাভ করতে হয়। তারা আরও লিখেছেন; স্রাবণ্য প্রহরেই কামযজ্ঞ নাকি উত্তম। তাদের ধারণা মতে; সাঁইজির বর্ণিত অধর-মানুষ বা সোনার মানুষ নাকি এ স্রাবণ্য প্রহরেই আনিগনি করে থাকে। তাই; তাদের মতে; এ প্রহরেই কামযজ্ঞ করা অধিক উত্তম। যেহেতু; সাঁইজি বলেছেন; জল শুকাবে মীন পালাবে, পস্তাবিরে ভাই মনা।

অর্থাৎ; রজকাল অতিক্রম করার সাথে সাথেই মীনরূপ সাঁই দেহ হতে অদৃশ্য হয়ে যায়। উপরোক্ত মতের প্রবক্তা বা নব্য লালন গবেষকগণের এমন ধারণা যে; একেবারেই ভ্রান্ত বা শতভাগই ভুল তা প্রমাণের জন্য পবিত্র কুরানের এ বাণীটি তারা রজকাল সম্পর্কে তোমাকে জিজ্ঞেস করছে- বলে দাও তা কষ্টকর। অতএব; রজকালে তোমরা রমণীদের পৃথক রেখো। যে পর্যন্ত তারা পবিত্র না হয় তাদের নিকটবর্তী হইও না তারা পবিত্র হলে কাঁইয়ের আদেশ অনুযায়ী সেখানে যেও। সত্যই কাঁই প্রত্যাবর্তনকারী ও শুদ্ধাচারিদের অধিক ভালোবাসেন (কুরান, বাক্বারা- ২২২) এবং পবিত্র লালনের এ বাণীদ্বয়ই যথেষ্ট- ১.অমাবস্যা অমঙ্গল তিথি, তাতে মিলন পুরুষের ক্ষতি, জল অমাবস্যায়- ওঠে ডাঙ্গায়, লালন কয় থেকো হুঁশিয়ার” (পবিত্র লালন- ১০৭/৪) ২.তুই মদনা চাষা ভাই, তোর জ্ঞান কিছুই নাই, প্রতিপদ বিনা অমাবস্যায়, হাল বয়ে কাল হও কেনে (পবিত্র লালন- ১৬২/৩)

উপরোক্ত মতের প্রবক্তা অজ্ঞ, মূর্খ, খুষ্ক ও দিব্যজ্ঞানহীন লেখক ও গবেষকদের উদ্দেশ্যে আমরা বলবো যে; এসব লেখক আত্মতত্ত্ব, আধ্যাত্মিক তত্ত্ব প্রাকৃতিক চিকিৎসাবিদ্যা, বৈজ্ঞানিক চিকিৎসাবিদ্যা ও সাম্প্রদায়িক মতবাদ কিছুই জানেন না। আত্মজ্ঞানী দার্শনিক, চিকিৎসাবিজ্ঞানী ও সাম্প্রদায়িক মনীষীদের সর্ব সম্মতিক্রমেই নারীদের স্রাবণ্য প্রহরে কামযজ্ঞ বা কামসাধন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সাম্প্রদায়িক মতবাদ নামক অন্ধবিশ্বাস শিল্পে স্রাবণ্য প্রহরে নারীদের সঙ্গে কামযজ্ঞ তো পরের কথা, কোনে কোনো সাম্প্রদায়িক মতবাদে পুরুষের সঙ্গে এক বিছানায় শুয়াও রজস্বলাদের চির নিষিদ্ধ। এমনকি; সাংসারিক রান্নাবান্না করা পর্যন্তও কোনো কোনো সাম্প্রদায়িক মতবাদে চির নিষেধ রয়েছে। এছাড়াও; সাম্প্রদায়িক অন্ধ মনীষীদের মতে; স্রাবণ্য প্রহরে নারীদের সারা দেহই অপবিত্র থাকে। আলোচনার শেষ প্রান্তে এসে বলতে হয়- যেসব লালন গবেষক, লালনপন্থী, লালনভক্ত, লালন অনুসারী, লালন প্রেমিক ও লালন অনুরাগীরা রমণীদের স্রাবণ্য প্রহরে কামযজ্ঞকে সিদ্ধ বা বৈধ বলে থাকেন- তারা চরম ভুলে পতিত হয়েছেন। যেসব লেখক ও গবেষক তাদের পুস্তক-পুস্তিকার মধ্যে মানবতাবিধ্বংসী এমন মতামত ব্যক্ত করেছেন তাঁরা চরম অপরাধ বা অমার্জনীয় ণ্ডনীয় অপরাধ করেছেন। নিরীহ ও প্রায় অশিক্ষিত লালন সম্প্রদায়কে স্রাবণ্য প্রহরে কামযজ্ঞ সাধনের মতো অত্যন্ত গর্হিত ও জঘণ্য কাজে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে উস্কে দেওয়া বা উদ্বুদ্ধ করা মারাত্মক ণ্ডনীয় ও অমার্জনীয় অপরাধ। কারণ; পবিত্র লালন ও পবিত্র কুরানের কোথাও স্রাবণ্য প্রহরে মৈথুনের বৈধতা তো পরের কথা, এর ইঙ্গিত পর্যন্তও নেই। পক্ষান্তরে; একে অত্যন্ত কড়াভাবে চির নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সমাধান (solution)
ঊষা প্রহরে সাঁইসাধন করে সাঁইদর্শন ও অর্যমা প্রহরে কাঁইসাধন করে কাঁই-দর্শনলাভ করতে হয়। অবশিষ্ট ২১ দিনের মধ্যে বিনোদন করার জন্য সাধক গুরুদেবের নিকট হতে উত্তমভাবে জেনে নেওয়ার জন্য পরামর্শ রইল। পবিত্র লালনের- জল শুকাবে মীন পালাবে, পস্তাবিরে ভাই মনা এ ঐশিবাণীটির প্রকৃত অর্থ হলো; প্রতিটি রমণীর রজ আগমনের পর গড়ে ত্রিশ বছর পর্যন্ত অব্যাহতভাবে তা প্রতি মাসে, একবার করে আসতে থাকে। আর এ সময়টি হলো; নারীদের গড়ে এগার হতে চল্লিশ (১১- ৪০) বছর বয়স পর্যন্ত সময়। অতঃপর; চল্লিশ বছর অতিক্রম করলেই রমণীদের রজরূপ জল আগমন বন্ধ হয়ে যায়। অর্থাৎ; জল শুকিয়ে যায়। এ জল শুকিয়ে গেলে আর মীনরূপ সাঁই আগমন করেন না। এজন্য; সাঁইজি বুঝাতে চেয়েছেন যে; কিশোরীরা কুসুমিতা বা রজস্বলা হওয়ার পর প্রতি পবিত্রতায় ঊষা ও নিশা প্রহরদ্বয়ে প্রায় সাতদিন সময় পাওয়া যায়। নবীন দম্পতি গুরুদীক্ষা গ্রহণ করলে তারা এ সময়ের মধ্যেই সাঁইসাধন দ্বারা সাঁই দর্শনলাভ করতে সমর্থ হবে। যেমন;  তিনি বলেছেন; অমাবস্যায় সে রয় ঘুমিয়ে (পবিত্র লালন- ২৭৪/৪) অমাবস্যার পর উদয় শশী (পবিত্র লালন- ৬৮৭/৩) অমাবস্যার পর চন্দ্র উদয় (পবিত্র লালন- ৯৭৬/৪) অমাবস্যার পর প্রতিপদে, দ্বিতীয়ার প্রথম বিভাগে (পবিত্র লালন- ৪৮৮/৪) অমাবস্যার পর পূর্ণিমাতে, বারাম দেয় সেখানে (পবিত্র লালন- ৭৩৯/১) অমাবস্যা লাগলে সে চন্দ্র, আবার কোথায় গিয়ে লুকায় (পবিত্র লালন- ৬৭৯/৩) প্রতিপদে উদয় হয় সে (পবিত্র লালন- ৬০/১) শুক্লপক্ষে ব্রহ্মাণ্ডে গমন, কৃষ্ণপক্ষে যায় নিজভুবন (পবিত্র লালন- ৭৩৯/৪)

অর্থাৎ; সাঁইজির বাণী- জল শুকাবে মীন পালাবে, পস্তাবিরে ভাই মনা এ কথার অর্থ রজস্বলা রমণীদের কোনো কারণে রজ আগমন বন্ধ হয়ে গেলে বা গড়ে চল্লিশ বছর পর রজ আগমন বন্ধ হয়ে গেলে তারা পরিপূর্ণ গতার্তবায় পরিণত হয়। রমণীরা গতার্তবায় পরিণত হলে বা মাসিক রজ আগমন বন্ধ হয়ে গেলেই কেবল মীনরূপ সাঁই নারীদেহ হতে চির বিদায় গ্রহণ করে থাকেন।

পরিশেষে বলা যায়- রমণীদের রজকালে সর্বপ্রকার কাম, মৈথুন, সঙ্গম ও সম্ভোগ চির নিষিদ্ধ। সামান্য খর্বজ্ঞানী দুয়েকজন নব্য লালন গবেষকের ভুল সিদ্ধান্তের দ্বারা এমন ক্ষতিকারক ও জঘণ্য কুকর্মে লিপ্ত হওয়া কোনো বুদ্ধিমানের কাজ নয়। জল শুকাবে মীন পালাবে, পস্তাবিরে ভাই মনা এ ভাবটির ব্যাখ্যা- মাসিক রজকালের সময় নয় বরং প্রত্যেক নারীজীবনের চল্লিশ ঊর্ধ্ব এমন সময় যখন রমণীদের রজরূপ জোয়ার ভাটা আর থাকে না। কারণ; নারীদের মাসিক আসা যাওয়া বন্ধ হয়ে গেলে সাঁইয়ের আগমনও বন্ধ হয়ে যায়। এজন্য; জল থাকাকালে অর্থাৎ; যৌবনকালে মীনরূপ সাঁইদর্শন করা না হলে বৃদ্ধকালে শুধু অনুশোচনা করা ও আক্ষেপ করা ভিন্ন উপায় থাকে না। অর্থাৎ; জল শুকাবে মীন পালাবে, পস্তাবিরে ভাই মনা এ কথার অর্থ হলো; রমণীদের বয়স গড়ে চল্লিশবছর অতিক্রম করলে রজরূপ জল আসা-যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু কেবল রজস্রাব চলাকালে মীনরূপ সাঁই থাকবে আর পবিত্রতার পরে থাকবে না এমন অর্থ গ্রহণ করা চরম দৈন্যতা ও বোকামি বৈ নয়। এছাড়াও; সাঁইজি অন্য একটি বাণীতে বিষয়টি আরও পরিষ্কার করে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন; “পূর্ণিমার যোগে সে মীন ভাসে, কারুণ্য তারুণ্য এসে, স্রাবণ্যে যখন মিশে, সাধক মীন ধরতে পারে সে দিনে।” (পবিত্র লালন- ৬৪৫/৪)। এত পরিষ্কার করে বলার পর আর কোনো সংশয় থাকতে পারে না বলে আমরা আশা করি।

রজকালীন সঙ্গম প্রবণতা (Copulation tendency during the menstrual period)
সারা সৃষ্টিকুলে মাত্র দুটি জাতি- তা হলো নর ও নারী। নারীজাতির কিশোরী হতে যুবতীতে পদার্পণের একমাত্র মাধ্যম ঘোষক ‘রজ’ যাকে শ্বরবিজ্ঞানে ঐশিদূত বা বসিধ বলা হয়। গড়ে ১০ বছর হতে ১৬ বছর বয়সী কিশোরীদের মধ্যে বসিধ নামক স্বর্গীয় অবতার আগমন না করলে, কেউ তাকে যুবতী বলে না। তেমনই; পুত্রসন্তান বা কিশোরদের যুবকে পরিণত হওয়ার চি‎হ্ন দাড়ি ও গোঁফ। অর্থাৎ; দাড়ি ও গোঁফ কিশোরের যুবকে পরিণত হওয়ার নিদর্শন এবং রজ কিশোরীদের যুবতীতে পরিণত হওয়ার স্পষ্ট নিদর্শন। কিশোরীদের জীবনে রজরূপ স্বর্গীয় বসিধ দেবতা একবার আগমন আরম্ভ করলে গড়ে প্রায় ৪০ বছর পর্যন্ত তা চলতেই থাকে। নর-নারী উভয়ের জীবনের মোট সময়কে প্রায় পাঁচভাগে ভাগ করা হয়। পুরুষের ক্ষেত্রে; ১. শিশু ২. কিশোর ৩. যুবক ৪. বৃদ্ধ ও ৫. পৌঢ় এবং নারীদের ক্ষেত্রে; ১. শিশু ২. কিশোরী ৩. যুবতী ৪. বৃদ্ধা ও ৫. পৌঢ়া। এছাড়াও; নারীদের গড়ে এগার হতে চল্লিশ (১১-৪০) বছরের মধ্যবর্তী রজ চলাকালীন সময়কে- নয় প্রহরে ভাগ করা হয়। যথা; ১. স্রাবণ্য ২. ঊষা ৩. নিশা ৪. ঊর্ধ্বা ৫. শঙ্কা ৬. বিপদ ৭. নীরব ৮. নিরাপদ ও ৯. অর্যমা। নারীদের জন্ম হতে মৃত্যু পর্যন্ত সময়কে আবারো সাতভাগে ভাগ করা হয়। যথা; ১. শুক্ল ২. শনি ৩. মঙ্গল ৪. সোম ৫. রবি ৬. বুধ ও ৭. বৃহৎপতি।

উক্ত নয় প্রহরের মধ্যে প্রতি মাসে রজ প্রবাহিত হওয়ার সময়কে বলা হয় স্রাবণ্য। স্রাবণ্য প্রহরে নারীদের দেহ থাকে অত্যন্ত নাজুক বা কোমল। এসময় তাদের ভারী কোনো কাজ করাই উচিত নয়। এছাড়াও; ভ্রমণ, গমন, সাধন ও ভজন কিছুই করা উচিত নয়। একান্ত অগত্যা পড়ে কেবল সাংসারিক সাধারণ কাজকর্মটুকুই করার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। নারীদের স্রাবণ্য প্রহরের নাজুক সময়ের মধ্যে সর্বপ্রকার- মৈথুন, কাম, সঙ্গম বা সম্ভোগ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। বিশ্বে যত সাম্প্রদায়িক মতবাদ ও যত পরম্পরা রয়েছে- প্রায় সব সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মতবাদে এ সময় কামযজ্ঞ চির নিষিদ্ধ। আরও একটি বিষয় উল্লেখ করা একান্ত প্রয়োজন। শ্বরবিজ্ঞানে কুসুমিতাদের রজকালকে রূপকার্থে অমাবস্যা ও পবিত্রকালকে রূপকার্থে পূর্ণিমা বলা হয়। পৃথিবীর সব শ্বরবিজ্ঞান, মরমীবাণী, আত্মতত্ত্ববিদ্যা, শ্বরবিজ্ঞান প্রণয়নের সময়ে এ নিয়মটি শতভাগই মেনে চলা হয়। কিন্তু শ্বরবিজ্ঞানের রূপক তত্ত্ব না জানার কারণে নব্য অনুবাদক, নব্য গবেষক ও সাম্প্রদায়িক মনীষীগণ অমাবস্যা ও পূর্ণিমাকে সৌরজগতের চাঁদের অমাবস্যা ও পূর্ণিমা বলেই পুস্তক-পুস্তিকা লিখে যাচ্ছেন। এজন্য; তাদের লেখগুলো মানবকল্যাণে পরিবেশিত না হয়ে বরং মানবের অকল্যাণেই ব্যবহার হচ্ছে অধিক। আলোচ্য ‘বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা’র বাঙালী পৌরাণিক রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষার আলোচনা যথাস্থানে করা হয়েছে।

(তথ্যসূত্র; আত্মতত্ত্ব ভেদ (৭ম খণ্ড)লেখকবলন কাঁইজি)

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!