৮৭. শুক্র

সহযোগী মূলক পরভিাষা

রূপক পরিভাষা

সহযোগী রূপক পরভিাষা

৮৭. শুক্র
Semen (সিমেন)/ ‘مني’ (মনিয়া)

ভূমিকা (Introduction)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীবাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা পরিবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তাশুক্র পরিবার প্রধান। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা ধন। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা অমির, আঙ্গুর, ধেনু, নির্যাস, পদ্ম, পিতৃধন রুটি। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা দুর্গা, নারাঙ্গী, বেহুলা, রতী, রাধা, সীতা সুন্দরী এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা আদিপিতা, আদিমানব, আদ্যাশক্তি, দৈত্য, মহামায়া, মা স্বর্গীয় ফল। এটি; বাঙালী পৌরাণিক চরিত্র প্রধান মূলক সত্তা

অভিধা (Appellation)
শুক্র (বাপৌরূ)বি ১. শুক্রগ্রহ, শুকতারা ২. বীর্য, রেণু, semen, ‘مني’ (মনিয়া) ৩. চক্ষুপীড়া বিশেষ (প্র) ১. বঙ্গাব্দের একটি দিবস বিশেষ ২. সৌরজগতের একটি গ্রহ বিশেষ . ভারতীয় পুরাণ মতে; দৈত্যগুরু ভার্গব (শ্ববি) শুক্রাণু, বীর্য, বিন্দু, ধাতু, রতী, নুত্বফা (.ﻧﻂﻔﺔ) (রূপ্রশ) গোবিন্দ, জল, বারি, পিতৃধন Jস্ত্রী অহল্যা, কালী, দুর্গা, বৈষ্ণবী, সীতা (ব্য্য) সর্ব সাম্প্রদায়িক মতবাদে শুক্র দ্বারা আদিমানব বা আদিপিতা নির্মাণ করা হয়। যেমন; গোবিন্দ ও ‘.ﺍﺪﻢ’ (আদম) প্রমুখ। এছাড়া; শুক্র দ্বারা সারা বিশ্বের সব শ্বরবিজ্ঞানের ও পুরাণের সর্বক্ষেত্রে নারীচরিত্র নির্মাণ করা হয়। যেমন; কালী ও (.ﺯﻟﻴﺠﺎ) (জুলেখা), ‘. ‘ﺯﻫﺭﺍﺓ’ (জোহরা) (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীশুক্র পরিবার প্রধান ও ভারতীয় বাঙালী পৌরাণিক দেবতা বিশেষ (সংজ্ঞা) ১. সাধারণত; সৌরজগতের একটি গ্রহকে বাংলায় ‘শুক্র বলা হয় ২. বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, মৈথুনের সময়ে শিশ্ন হতে নিঃসৃত শুভ্রবর্ণের তরল পদার্থকে ‘শুক্র বলা হয় (বাপৌছ) আদিপিতা, আদিমানব, আদ্যাশক্তি, দৈত্য, মহামায়া, মা ও স্বর্গীয়-ফল (বাপৌচা) দুর্গা, নারাঙ্গী, বেহুলা, রতী, রাধা, সীতা ও সুন্দরী (বাপৌউ) অমির, আঙ্গুর, ধেনু, নির্যাস, পদ্ম, পিতৃধন ও রুটি (বাপৌরূ) ধন (বাপৌমূ) শুক্র।

শুক্রের সংজ্ঞা (Definition of semen)
সাধারণত; সৌরজগতের একটি গ্রহকে শুক্র বলে।

শুক্রের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of semen)
কাম যজ্ঞের সময়ে শিশ্ন হতে নিঃসৃত শুভ্রবর্ণের তরল পদার্থকে শুক্র বলে।

পারিবারিক অবস্থান (Domestic position)

মূলক

রূপক উপমান চারিত্রিক

ছদ্মনাম

শুক্র ধন অমির, আঙ্গুর, ধেনু, নির্যাস, পদ্ম, পিতৃধন ও রুটি দুর্গা,  নারাঙ্গী, বেহুলা, রতী, রাধা, সীতা, সুন্দরী আদিপিতা, আদিমানব, আদ্যাশক্তি, দৈত্য, মহামায়া ও মা ও স্বর্গীয় ফল

প্রাথমিক পরিপত্র (Primary circular)
শুক্রের আভিধানিক, রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষা।

বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা; শুক্র।
বাংলা আভিধানিক প্রতিশব্দ;  অণু, ধাতু, ধ্বজ, বিন্দু, বীর্য, বিন্দু, রতী, রেতঃ, শক্তি ও শুক্রাণু।
বাঙালী পৌরাণিক রূপক; ধন।
বাঙালী পৌরাণিক উপমান; অন্ন, অমির, আঙ্গুর, উই, উইপোক, উইপোকা, উকুন, গিন্নী, গুঁড়ি, গুড়া, গো, ছাই, জল, জলপাই, ডুমুর, তেল, তৈল, দানব, দানবী, ধেনু, নির্যাস, পঙ্ক, পদ্ম, পরাগ, পিতৃধন, ফল, বস্তু, বরা, বারি, বিম্ব, বীজ, বীর্য, ভস্ম, রুটি, রেণু ও রেতঃ।

বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক; অঞ্জনা, অদিতি, অপ্সরা, অম্বা, অম্বিকা, অলম্বুষা, অহল্যা, উত্তমা, উত্তরা, উমা, ঊর্মিলা, কমলা, কাজলী, কাননবালা, কানীনী, কালী, কৈকসী, কৈকিয়ী, কৈকেয়, কৌশল্যা, কৌসল্যা, গঙ্গা, গান্ধারী, গান্ধিনী, গার্গী, চম্পা, চৈতী, ছায়া, জয়া, জলেশ্বরী, তুলসী, তৃষ্ণা, দিতি, দেবকী, দুর্গা, দেবী, ননিবালা, নবোঢ়া, নারাঙ্গী, নীলা, নীলিমা, পদ্মা, পার্বতী, পৌলস্তী, প্রমীলা, বাসন্তী, বিমলা, বিলাসী, বেহুলা, মনু, মহিমা, মাধবী, মাধুরী, মুক্তা, মেনকা, যশোদা, রতী, রাধা, রাধিকা, রুমা, রেণুকা, লক্ষ্মী, ললিতা, শচী, শ্যামলী, সাবিত্রী, সীতা, সুজাতা, সুদেষ্ণা, সুমিত্রা ও সুরভী।

বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম; অঙ্গনা, অতনুরতী, অদৃশ্যন্তী, অদ্রিকা, অনংশা, অনসূয়া, অনু, অনুজা, অন্নদা, অপরাজিতা, অপর্ণা, অবরা, অবলা, অবোলা, অমিত, অমোঘা, অন্বুজা, অযোনিজা, অযোনিসম্ভবা, অযোনিসম্ভূতা, অরুন্ধতী, অর্ধাঙ্গী, অলোকসুন্দরী, অশ্বমুখী, অষ্টতারিণী, অষ্টভুজা, অসংবৃতা, অসতী, অসম্বৃতা, অসিক্লী, অসিতা, অস্তি, অহিংসা, আকাশদুহিতা, আকাশনন্দিনী, আকাশসম্ভবা, আকুতি, আত্মজা, আত্মরূপা, আত্রেয়ী, আদিপিতা, আদিপুরুষ, আদিমানব, আদ্যশক্তি, আদ্যা, আদ্যাশক্তি, আনন্দময়ী, আমিনী, আর্যা, আহিরিণী, আহীরী, ইন্দির, ইন্দ্রাণী, ইলবিলা, ইলা, ইষ্টক, ইষ্টিকা, ঈর্ষা, ঈশানী, ঈশ্বরী, উগ্রচণ্ডা, উগ্রচণ্ডী, উগ্রতারা, উচ্চশ্রবা, উচ্চৈঃশ্রবা, উড়ুম্বর, উড়ুশ, উদ্বৃত্তান, উদ্যানপালিকা, উন্মাদিনী, উপপত্নী, উপমাতা, উর্বশী, উলূপী, উষসী, ঊর্বরা, ঊর্বশী, ঊলূপী, ঊষসী, একজটা, একপটলা, একপত্নী, একপর্ণা, ঐন্দ্রিলা, ওঘবতী, ওজস্বিনী, ওলা, ওলা, ওলাইচণ্ডী, ওলাবিবি, কইলা, কংসবতী, ককুদমতী, কঙ্কালামালিনী, কণ¦সুতা, কন্দলী, কপিলা, কমলালয়া, কমলাসনা, কমলেকামিনী, কয়াধু, করেণুমতি, কলা,  কলাবতী, কলাবৌ, কল্যাণী, কাকুতি, কাক্ষীবতী, কাত্যায়নী, কাদম্বরী, কাদম্বিনী, কাননকুন্তলা, কাননকুসুম, কান্তা, কান্তিমতী, কামদুঘা, কামধুক, কামধেনু, কামপত্নী, কামপ্রদা, কামরতী, কামাক্ষী, কামাখ্যা, কামারনী, কামিনী, কামুকী, কারণজল, কালকা, কালি, কালিকা, কাশ্যা, কিঞ্জল, কিঞ্জল্ক, কিন্নরী, কিরীটিনী, কিষাণী, কীট, কুচনি, কুঞ্জরী, কুটনী, কুটিনী, কুটনীবুড়ী, কুটিলা, কুন্তি, কুন্তী, কুমাতা, কুমারিকা, কুমারী, কুলকণ্টিকা, কুলকন্যা, কুলকলঙ্কিনী, কুলকামিনী, কুলকুমারী, কুলচ্যুতা, কুলটা, কুলত্যাগিনী, কুলনন্দিনী, কুলনারী, কুলবউ, কুলবতী, কুলবধূ, কুলবালা, কুলবৌ, কুললক্ষ্মী, কুলস্ত্রী, কুসুমকলি, কৃপী, কৃষ্ণা, কেতুমতি, কেলিকুঞ্চিকা, কৈবল্যদায়িনী, কোংকণা, কোচনি, কৌস্তভ, ক্রোধবশা, ক্ষমা, খসা, খ্যাতি, গণিকা, গণ্ডকীশিলা, গণ্ডশৈল, গন্ধবতী, গবী, গর্দভী, গর্ভধারিণী, গর্ভধারী, গিরিকা, গিরিকুমারী, গিরিজা, গিরিজায়া, গিরিনন্দিন, গিরিরাণী, গুণকেশী, গুণবতী, গুরুকন্যা, গুরুপত্নী, গুর্বী, গৃহবধূ, গৃহলক্ষ্মী, গৃহস্বামিনী, গৃহিণী, গোগাল, গোতমী, গোধন, গোপকন্যা, গোপবধূ, গোপবালা, গোপা, গোপাঙ্গনা, গোপালী, গোপিকা, গোপিচন্দন, গোপিনী, গোপী, গোবিন্দ, গোয়ালিনী, গোরি, গৌতমী, গৗরাঙ্গী, গৌরী, ঘটদাসী, ঘরণী, ঘরনী, ঘাটোয়ালী, ঘাম, ঘুসকি, ঘৃতাচী, ঘোষা, চঞ্চলা, চণক, চ-নায়িকা, চণ্ডা, চণ্ডালিনী, চণ্ডালী, চণ্ডিকা, চণ্ডী, চন্দ্রবতী, চন্দ্রলেখা, চন্দ্রাবলী, চপলা,  চরণদাসী, চরণধূলি, চরু, চামুণ্ডা, চারুমতী, চিত্রলেখা, চিত্রাঙ্গদা, চিন্তা, চুতমারাণী, ছিনার, ছিনাল, জগজ্জননী, জগদম্বা, জগদীশ্বরী, জগদ্ধাত্রী, জগদ্ব্যাপিনী, জগন্ময়ী, জগন্মাতা, জগন্মোহিনী, জটিলা, জনকঝিয়ারী, জনকতনয়া, জনকদুহিতা, জনকনন্দিনী, জনকসুতা, জনকাত্মজা, জননী, জনয়িত্রী, জনা, জনিকা, জনিত্রী, জন্মদা, জন্মদাত্রী, জবালা, জয়ন্তী, জয়লক্ষ্মী, জয়শীলা, জয়শ্রী, জরু, জর্জরা, জলধিকুমারী, জলধিসুতা, জহ্নুকন্যা, জহ্নুতনয়া, জহ্নুসুতা, জা, জানকী, জানপদী, জাম্বুবতী, জায়া, জাহ্নবী, জুটেবুড়ী, জোরু, জ্বালা, ঝিয়ারী, ঢেমনী, তনয়া, তনুজা, তপনতনয়া, তপস্বিনী, তরস্বতী, তরস্বিনী, তামস, তারা, তারাবতী, তারিকা, তিলোত্তমা, তুরগী, তুরঙ্গমী, তেজস্বিনী, তেজোবতী, তেজোময়ী, ত্রিগুণা, ত্রিদশবধূ, ত্রিদশবনিতা, ত্রিদিবকন্যা, ত্রিশূলধারিণী, ত্রিশূলিনী, দক্ষকন্যা, দক্ষবালা, দক্ষসাবর্ণি, দক্ষা, দক্ষিণা, দনু, দনুজদলনী, দনুজা, দময়ন্তী, দয়াবতী, দয়াময়ী, দয়াশীলা, দয়িতা, দশবাইচণ্ডী, দশভুজা, দাই, দাক্ষায়ণী, দার, দারা, দারিকা, দারী, দাসী, দি, দিগম্বরী, দিগ্বধূ, দিগ¦ধূ, দিগ্বালিকা, দিদি, দিদিঠাকুরাণী, দিদিমণি, দিদিমা, দিদিশাশুড়ি, দিব্যরথ, দিব্যাঙ্গনা, দুঃশলা, দুরুক্তি, দুষ্মন্ত, দুহিতা, দেয়াসিনী, দেবকন্যা, দেবকুলপ্রিয়া, দেবদাসী, দেববর্ণিনী, দেবমাতা, দেবযান, দেবযানী, দেবরথ, দেবস্ব, দেবহুতি, দেবারি, দেয়াশিনী, দেহজা, দৈত্য, দৈত্যমাতা, দৈত্যসেনা, দৈবকী, দ্রাক্ষা, দ্রৌপদী, ধনদা, ধনদাত্রী, ধনবতী, ধনশালিনী, ধনশালী, ধনাঢ্যা, ধনাধিকারিণী, ধনাধিকৃতা, ধনার্চিতা, ধন্যা, ধবলমৃত্তিকা, ধবলা, ধবলিয়া, ধবলী, ধরণীসুত, ধরণীসুতা, ধর্মকন্যা, ধর্মচারিণী, ধর্মজায়া, ধর্মপত্নী, ধর্মবোন, ধর্মব্রতা, ধর্মভগ্নী, ধর্মভ্রষ্টা, ধর্মমা, ধর্মমাতা, ধর্মমেয়ে, ধর্মসাবর্ণি, ধলী, ধাত্রী, ধূমাবতী, ধ্বজিনী, নকুলী, নগজা, নাগ্নজিতী, নগ্নবীজ, নগ্না, নগ্নিকা, নটকী,  নটিনী, নটী, নন্দা, নন্দিতা, নন্দিনী, নবীনা, নরস্ব, নর্তকী, নর্তনপ্রিয়া, নর্মসখী, নর্মসঙ্গিনী, নর্মসহচরী, নষ্টা, নাগরিকা, নাগরিয়া, নাগরী, নাচওয়ালি, নাচনি, নাচনিওয়ালী, নাচনেওয়ালী, নাচুনি, নাটকী, নাটিকা, নাতনি, নাথবতী, নায়িকা, নারদিয়া, নারসিংহী, নারায়ণী, নারীরত্ন, নারীসত্তমা, নারীশ্বর, নাশিনী, নাশী, নিকষা, নিত্যসঙ্গী, নিরুক্তি, নির্বীরা, নিস্তারিণী, নীরজা, নৃমুণ্ডমালিনী, পঞ্চচূড়া, পঞ্চালী, পটিয়সী, পণ্যাঙ্গনা, পতিতপাবনী, পতিতা, পতিপরায়ণা, পতিপ্রাণা, পতিব্রতা, পত্নী, পদরজ, পদরেণু, পদুমা, পদুমিনী, পদ্মালয়া, পদ্মাসনা, পদ্মিনী, পরনারী, পরপত্নী, পরপুষ্টা, পরমা, পরমাপ্রকৃতি, পরমাসুন্দরী, পরমেশ্বরী, পরস্ত্রী, পরিচারিকা, পর্ণশবরী, পাংশু, পাঞ্চালী, পাটেশ্বরী, পাপীয়সী, পাবনী, পারিজাত, পিতৃধন, পিতৃপুরুষ, পিতৃহন্ত্রী, পিপীলিক, পিপীলিকা, পিয়সী, পুংশ্চলী, পুঞ্জিকস্থলা, পুণ্ডরীক, পুণ্যবতী, পুণ্যশীলা, পুতনা, পুত্তিকা, পুত্রবধূ, পুত্রিকা, পুত্রী, পুনর্ভূ, পুন্নাগ, পুরনারী, পুরন্ধ্রি, পুরন্ধ্রী, পুরাঙ্গনা, পুরোডাশ, পুলোমজা, পুষ্টি, পুষ্পক, পুষ্পরজ, পুষ্পরথ, পুষ্পরেণু, পূজারিণী, পূর্বচিত্তি, পূর্বপুরুষ, পৃথা, পৌলোমী, প্রকৃষ্টা, প্রজা, প্রজায়িনী, প্রণয়িনী, প্রদাত্রী, প্রদ্বেষী, প্রবলা, প্রবালকীট, প্রভুপত্নী, প্রমদ্বরা, প্রম্লোচ্চা, প্রসূতি, প্রাপ্তি, প্রিয়ম্বদা, প্রিয়সখী, প্রিয়া, প্রেমজল, প্রেমধেনু, প্রেমিকা, প্রেমিনী, প্রেয়সী, ফলবতী, ফুল্লরা, বউ, বউটি, বউড়ি, বউদি, বউমা, বগলা, বজ্রজ্বালা, বড়াইবুড়ী, বণিতা, বৎসা, বধূ, বধূজন, বধূটী, বধূধন, বধূমাতা, বনদেবী, বনবাসিনী, বনবিবি, বনিতা, বপুষ্টমা, বপুষ্পমতী, বমকালী, বরনারী, বরন্তী, বরবর্ণিনী, বরযুবতী, বরয়িত্রী, বররামা, বরাঙ্গনা, বরাঙ্গী, বরারোহা, বরুণানী, বর্গা, বর্ণদাসী, বলন্ধরা, বলশালিনী, বল্লভা, বহিন, বহুলা, বাই, বাইজি, বাঁজা, বাঁঝা, বাক্, বান্ধবী, বারনারী, বারবধূ, বারবনিতা, বারবিলাসিনী, বারমুখা, বারযোষিৎ, বারাঙ্গনা, বারানি, বারুণী, বালা, বালিকা, বাল্মীক, বাল্মীকি, বাশুলী, বাহন, বিচিত্রা, বিজয়লক্ষ্মী, বিজয়া, বিদুলা, বিদুষী, বিদেহী, বিনতা, বিন্দুমতী, বিন্দে, বিন্দেদূতী, বিন্ধ্যাবলী, বিন্ধ্যবাসিনী, বিবস্ত্রা, বিমাতা, বিমানবালা, বিমূঢ়া, বিলাসিনী, বিশ্ববিমোহিনী, বিশ্বরূপা, বিশ্বেশ্বরী, বিষকন্যা, বিষ্ণুপ্রিয়া, বিসর্জিতা, বীজীপুরুষ বীটী, বীরা, বীরাঙ্গনা, বীরিণী, বীর্যবতী, বীর্যশালিনী, বুড়ী, বৃদ্ধা, বৃন্দা, বৃষালী, বেগবতী, বেটি, বেদবতী, বেশ্যা, বেহুলা, বৈদর্ভী, বৈভব, বৈষ্ণবী, বৈষ্টমী, বৈষ্ণবী, বোঠান, বোন, বোনঝি, বৌ, বৌটি, বৌঠান, বৌদি, বৌমা, ব্যভিচারিণী, ব্রজকিশোরী, ব্রজদুলালী, ব্রজসুন্দরী, ব্রজাঙ্গনা, ব্রজেশ্বরী, ব্রহ্মচারিণী, ব্রহ্মসাবর্ণি, ব্রহ্মস্ব, ব্রহ্মাণী, ব্রাহ্মণী, ব্রাহ্মিকা, ভগবতী, ভগিনী, ভগ্নী, ভট্টারিকা, ভট্টিনী, ভদ্রকালী, ভদ্রা, ভদ্রানী, ভবতী, ভবানী, ভবিত্রী, ভবী, ভর্ত্রিণী, ভর্ত্রী, ভাইঝি, ভাউজ, ভাউজি, ভাগ্নী, ভাগ্যদেবী, ভাগ্যবতী, ভাতারখাকি, ভাতিজি, ভাতিঝি, ভানুমতী, ভারতী, ভার্যা, ভার্যানী, ভাশুরঝি, ভাস্বতী, ভীমা, ভুবনমোহিনী, ভুবনেশ্বরী, ভুসঙ্গ, ভৃত্যা, ভৈমী, ভৈরবী, ভোলী, ভৌমী, ভ্রমী, ভ্রাতুষ্পুত্রী, ভ্রামরী, মঘবতী, মঘোনী, মঙ্গলচণ্ডিকা, মঙ্গলচণ্ডী, মঙ্গলময়ী, মঙ্গলা, মৎস্যগন্ধা, মৎস্যোদরী, মদনমঞ্জরী, মদয়ন্তী, মদালসা, মধুমতী, মনোন্মথিনী, মনোরমা, মন্দোরদী, মন্মথপ্রিয়া, মন্মথমোহিনী, মহাকালী, মহাদেবী, মহাবেগবতী, মহামায়া, মহামায়া, মহারাজ্ঞী, মহারাণী, মহাশক্তি, মহাশ্বেতা, মহিন্দ্রাণী, মহিষমর্দিনী, মহিষী, মহীসূতা, মহীয়সী, মহেন্দ্রাণী, মহেশানী, মহেশী, মহেশ্বরী, মহোদরী, মা, মাইয়া, মাইয়ালোক, মায়্যা, মাইলানি, মাউই, মাগ, মাগী, মাঘ, মাঠান, মা-বী, মাতঙ্গী, মাতলী, মাতা, মাতাজি, মাতুলকন্যা, মাতুলপুত্রী, মাতুলা, মাতুলানি, মাতুলি, মাতুঃস্বসা, মাতৃ, মাতৃকা, মাদ্রবতী, মাদ্রী, মানসকন্যা, মামানী, মামী, মায়াবতী, মায়াসীতা, মারিষা, মাসী, মাসীমা, মাসীমাতা, মাহেশী, মিতিন, মিতিনী, মিত্রনিন্দা, মীনাক্ষী, মুণ্ডমালিনী, মুরজা, মূর্তিমতী, মূলধন, মূলবস্তু, মৃণালিনী, মৃণ্মময়, মৃণ্মময়ী, মৃতসঞ্জবনী, মৃন্ময়, মৃন্ময়ী, মেছো, মেনা, মেয়ে, মেরুদেবী, মেরুসাবর্ণ, মৈত্রেয়ী, মৈথিলী, মোক্ষদা, মোক্ষদায়িনী, মোতি ও মোহিনী।

যক্ষিণী, যক্ষী, যতী, যশস্বিনী, যশোমতী, যাজ্ঞসেনী, যাতুধানী, যাদবী, যামী, যুগিনী, যোগমায়া, যোগিনী, যোজনগন্ধা, যোষা, যোষিত, যোষিতা, রক্ষাকালী, রজতকান্তি, রত্নময়ী, রথ, রবিতনয়া, রবিনন্দিনী, রবিসূতা, রমণী, রমা, রম্ভা, রম্ভোরু, রম্যা, রসিকা, রাই, রাঁড়ি, রাকা, রাঘবপ্রিয়া, রাঘববাঞ্ছা, রাজকন্যা, রাজকুমারী, রাজদুলালী, রাজনন্দিনী, রাজপুত্রী, রাজবালা, রাজমহিষী, রাজরাজেশ্বরী, রাজরাণী, রাজলক্ষ্মী, রাজশ্রী, রাজেন্দ্রাণী, রাজ্ঞী, রাজ্যেশ্বরী, রাড়ি, রাণী, রাণ্ডী, রাধে, রামা, রায়, রাহী, রুক্মিণী, রুচি, রুদ্রসাবর্ণ, রুদ্রাণী, রূপজীবা, রূপজীবী, রূপবতী, রূপসী, রূপালী, রূপোপজীবী, রূপোপজীবিনী, রেবতী, রৈবতমনু, রৌচ্য, লক্ষণা, লক্ষ্মণা, লখিমী, লবণ, ললনা, লীলাপদ্ম, লীলাবতী, লোপামুদ্রা, শকুন্তলা, শক্তিমতী, শক্তিশালিনী, শক্রাণী, শঙ্করী, শচীমাতা, শতদলবাসিনী, শতহ্রদা, শবাসনা, শবলা, শবলী, শয্যাসঙ্গিনী, শয্যাসহচরী, শরণ্যা, শর্বাণী, শর্বরী, শর্মিষ্ঠা, শাকম্ভরী,শান্তা, শারদা, শালগ্রাম, শালিকা, শালী, শিখণ্ডিনী, শিতি, শিবপ্রিয়া, শিবা, শিবানী, শীতলা, শুক্লাম্বরা, শুক্লাম্বরী, শুভা, শুভংকরী, শুভ্রা, শূলমাংস, শূলিনী, শৃঙ্খল, শৈব্যা, শৈলজায়া, শৈলসূতা, শ্যামা, শ্যামাঙ্গা, শ্যামাঙ্গিনী, শ্যামাঙ্গী, শ্যেনী, শ্রদ্ধা, শ্রীমতী, শ্রুতকীর্তি, শ্রুবাবতী, শ্বেতপাথর, শ্বেতপ্রস্তর, শ্মশানকালী, শ্মশানচারিণী, শ্মশানবাসিনী, ষোড়শী, সংকর, সংজ্ঞা, সখী, সচী, সজনী, সঞ্জীবনী, সতীলক্ষ্মী, সতীসাধ্বী, সতীসাবিত্রী সতী, সত্যবতী, সত্যভ্রামা, সত্যা, সধবা, সধর্মচারিণী, সধর্মিণী, সধর্মিণী, সধর্মী, সনাতনী, সন্দীপনী, সবিত্রী, সভানেত্রী, সমিৎ, সমিধ, সম্রাজী, সম্রাজ্ঞী, সয়ানী, সরসিজ, সরসীরুহ, সরোজ, সরোজিনী, সরোরুহ, সর্বমঙ্গলা, সর্বময়ী, সহগামিনী, সহগমনকারিণী, সহচরী, সহচারিণী, সহজন্যা, সহধর্মিণী, সাধনসঙ্গিনী, সাধ্বী, সাবর্ণিমনু, সারদা, সালকটঙ্কটা, সুকন্যা, সুতা, সুদক্ষিণা, সুদর্শনা, সুদর্শনী, সুদূরিকা, সুধাময়ী, সুনন্দা, সুন্দরী, সুপর্ণা, সুপর্ণী, সুপ্রভা, সুবচনী, সুবর্চা, সুবর্ণকমলিনী, সুভদ্রা, সুভ্রূ, সুমতি, সুরকন্যা, সুরবালা, সুরযোষা, সুরসুন্দরী, সুরভি, সুরমা, সুরাঙ্গনা, সুরী, সুরুচি, সুরেশ্বরী, সুলভা, সুশোভন, সূতা, সূরী, সৈরিন্ধ্রী, সৌবলী, স্ত্রী, স্ত্রীধন, স্ত্রীরত্ন, স্থাণীশ্বরী, স্নানোদক, স্নেহপদার্থ, স্বজনী, স্বজল, স্বধা, স্বয়ম্প্রভা, স্বয়ম্বরা, স্বর্গীয় ফল, স্বর্গীয়া, স্বর্বধূ, স্বর্বেশ্যা, স্বাতী, স্বামিনী, স্বায়ম্ভূত, স্বায়ম্ভূব, স্বারোচিষ, স্বাহা, হট্টবিলাসিনী, হবির্ভূ, হরা, হরিপ্রিয়া, হস্তিনী, হিন্দ্রলিনী, হিমালয়নন্দিনী, হিরণ্ময়ী, হীরানটী, হৃদয়েশী, হেমা, হেমাঙ্গী, হেমাঙ্গিনী, হৈমন্তী, হৈমবতী ও হ্লাদিনী।

বাংলা, ইংরেজি ও আরবি (Bengali, English and Arabic)

বাংলা

ইংরেজি

আরবি

৮৭. শুক্র Semen (সিমেন) ‘مني’ (মনিয়া)
৮৭/১. ধন Riches (রিসেজ) ‘ كنز’ (কানাজা)
৮৭/২. অমির Syrup (সিরাপ) ‘ﺸﺮﺍب’ (শরাব)
৮৭/৩. আঙ্গুর Grapes (গ্রাপ্স) ‘ﻋﻨﺒﺔ’ (ইনাবা)
৮৭/৪. ধেনু Milch (মেলস) ‘حلوب’ (হালুব)
৮৭/৫. নির্যাস Extract (এক্সট্রাক্ট) ‘الزكاة’ (আজ্ঝাকাত)
৮৭/৬. পদ্ম Lotus (লোটাস) ‘زنبق’ (ঝাম্বাক্ব)
৮৭/৭. পিতৃধন Patrimony (প্যাট্রিমনি) ‘ميراث’ (মিরাস)
৮৭/৮. রুটি Bread (ব্রেড) ‘ﺨﺑﺯ’ (খুব্জা)
৮৭/৯. দুর্গা Fortress (ফোর্ট্রেস) ‘قلعتي’ (কাল‘য়াতি)
৮৭/১০. নারাঙ্গী Citron (সিট্রন) ‘اترج’ (আতার্রাজা)
৮৭/১১. বেহুলা Magnesia (ম্যাগনিসিয়া) ‘مغنيزيا’ (মাগনিঝিয়া)
৮৭/১২. রতী Venus (ভিনাস) ‘الزهرة’ (আজ্জোহরা)
৮৭/১৩. রাধা Vesper (ভেস্পার) ‘منوية’ (মিনাওয়্যিয়া)
৮৭/১৪. সীতা Furrow  (ফারৌ) ‘ثلم’ (ছালম)
৮৭/১৫. সুন্দরী Belle (বেলি) ‘حسناء’ (হাসিনা)
৮৭/১৬. আদিপিতা Progenitor (প্রজেনিটর) ‘آدم’ (আদাম)
৮৭/১৭. আদিমানব Primogenitor (প্রাইমোজেনিটর) ‘سلف’ (সালাফা)
৮৭/১৮. আদ্যাশক্তি Od (ওড) ‘إلهة’ (ইলাহা)
৮৭/১৯. দৈত্য Giant (জায়ান্ট) ‘بالشص’ (বিশশিস)
৮৭/২০. মহামায়া Illusionism (ইলুজিনিজম) ‘وهمية’ (ওয়াহমিয়া)
৮৭/২১. মা Mother (মাদার) ‘أم’ (আম্মা)
৮৭/২২. স্বর্গীয় ফল Panacea (প্যানাসিয়া) ‘سلسبيل’ (সালসাবিল)

পৌরাণিক প্রপক (Mythological extensive)
শুক্র ভৃগুর পুত্র। সেজন্য; তিনি ভার্গব নামে পরিচিত। তিনি দৈত্যরাজ বলির গুরু ও দৈত্যদের পুরোহিত ও গুরু ছিলেন। তিনি শ্বেতবর্ণ ও শ্বেতবস্ত্রধারী। তিনি হলেন সর্ব শাস্ত্র প্রবক্তা। তিনি দৈত্যরাজ বীর সর্ব যজ্ঞে উপস্থিত হয়ে যজ্ঞ পরিচালনা করে থাকেন।

শুক্রের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of Semen)
১.   “শোণিত শুক্র চম্পকলি, প্রকৃত স্বরূপ কারে বলি, চম্পকলির অলি যেজন, ভৃঙ্গরতী করো নিরূপণ, গুরু ভেবে কয় লালন, কিসে যাবে তারে ধরা।” (পবিত্র লালন- ৬০৩/৪)
২.   “স্ত্রীর গর্ভে স্বামীর জন্ম, কে বুঝে তার নিগূঢ়-মর্ম, শোণিত শুক্রের পেলে গম্য, মনের আঁধার কেটে যায়।” (পবিত্র লালন- ৫৩৮/৩)
৩.   “শুক্র-চন্দ্র মণি-চন্দ্র হয়, তাতে ভিন্ন কিছু নয়, এ চাঁদ ধরলে সে চাঁদ মিলে, লালন কয় তাই নির্জনে।” (পবিত্র লালন- ৫৮৭/৪)

মাঅর্থে শুক্রপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology semen sense for mother)
১.   “মা করে লালনপালন মা মারে সন্তানের প্রাণ, প্রণাম জননির চরণে প্রণাম।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৫১)
২.   “যেজন যায় বেশ্যার দ্বারে, জাত রাখে সে কী প্রকারে, মাতৃহরণ সদাই করে, ঘুষ দিলেও সে ছাড়ে না।” (পবিত্র লালন- ৯১৭/২)

এখানে; মামাতৃ দ্বারা যে কেবল শুক্রকেই বুঝানো হয়েছে এতে বিন্দুমাত্রও সন্দেহের অবকাশ নেই।

শ্বরবিজ্ঞানে; শুক্রকে মা বলার কারণ কী? The reason to say mother at semen in the theology)
সারা বিশ্বের সর্বপ্রকার শ্বরবিজ্ঞানেই শুক্রকে মা বলা হয়। যেমন;  মা কালী, মা ফাতিমা প্রমুখ। কিন্তু হাস্যকর বিষয় হলো আত্মদর্শন জ্ঞানহীন সাম্প্রদায়িক মনীষী, বক্তা, ব্যৈখ্যিক, টৈকিক, অভিধানবিদ ও অনুবাদকরা পুরাণ বা সাম্প্রদায়িক গ্রন্থে বর্ণিত শুক্ররূপ মাতাকে সর্বদা রক্তমাংসে গঠিত মানুষ রূপিনী গর্ভধারিণী মাতা বলেই বুঝেন ও বুঝিয়ে থাকেন। আর এ হতেই তারা স্বস্ব সাম্প্রদায়িক গ্রন্থ বা শ্বরবিজ্ঞানের মূলশিক্ষা হতে সম্পূর্ণরূপে বিচ্যুতি হয়ে পড়েছে। এ সূত্র ধরে সাম্প্রদায়িকদেরকে পরিষ্কারভাবে ছিন্নমূলও বলা যায়। কারণ; বর্তমানে;

সাম্প্রদায়িক হিন্দুদের নিকট পবিত্র গ্রন্থ ‘বেদ’ এর মূলশিক্ষা নেই।
সাম্প্রদায়িক বৌদ্ধদের নিকট পবিত্র গ্রন্থ ‘ত্রিপিটক’ এর মূলশিক্ষা নেই।
সাম্প্রদায়িক ইহুদীদের নিকট পবিত্র গ্রন্থ ‘তৌরাত’ এর মূলশিক্ষা নেই।
সাম্প্রদায়িক যাবুরীদের নিকট পবিত্র গ্রন্থ ‘যাবুর’ এর মূলশিক্ষা নেই।
সাম্প্রদায়িক খ্রিস্টানদের নিকট পবিত্র গ্রন্থ ‘ইঞ্জিল’ এর মূলশিক্ষা নেই।
সাম্প্রদায়িক লালনীদের নিকট পবিত্র গ্রন্থ ‘লালন’ এর মূলশিক্ষা নেই।

তেমনই; অন্যান্য সাম্প্রদায়িকদের বেলাও ঠিক একই। এমন বলার অর্থ হলো সাম্প্রদায়িকদের শাস্ত্রের বাণীর সাথে তাদের স্বস্ব মনগড়া সংস্কারগুলোর তেমন মিল নেই। তবে; সাম্প্রদায়িকদের এসব মনগড়া সংস্কারকে যদি রূপক তত্ত্ব mythology ধরা হয়, তাহলে কিছুটা মেনে নেওয়া যায়। তবুও; তাদের নিকট এসব উদ্ভট কল্পিত fabulous বা mythology এর কোনো আত্মদর্শন theology নেই। শ্বরবিজ্ঞানের যেসব রূপক তত্ত্বের যথাযথ আত্মদর্শন নেই, সেগুলোকে সাম্প্রদায়িক সংস্কার রূপে মেনে নিলে বা গ্রহণ করলেইবা লাভ কী?

পুরাণে যেখানে ‘মা’ বলা হয়েছে সেখানে তার মর্মার্থ হবে ‘শুক্র’। সাম্প্রদায়িকরা কখনই এটা মেনে নিতে সম্মত নন। অর্থাৎ; তারা আত্মদর্শনকে কখনই আত্মদর্শন রূপে গ্রহণ করতে সম্মত নন। তারা কখনই সাম্প্রদায়িক পুস্তক-পুস্তিকার মূলশিক্ষা বা প্রকৃতশিক্ষা গ্রহণ করতে সম্মত নন। সাম্প্রদায়িকরা চটকমারা কথা বলে সর্বদা সাধারণ মানুষকে বোকা করে স্বস্ব পুণ্যব্যবসা, স্বর্গ-বাণিজ্য ও স্বর্গ-নরক বিপণন করতে চায়। এক কথায় সাম্প্রদায়িকদের মূল উদ্দেশ্যই হলো সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দিয়ে বোকা করে তাদের কল্পিত পুণ্য, স্বর্গ, নরক, বর্থ্য ও দেবতার ব্যবসা-বিপণন করা। আলোচনার যবনিকায় উপনীত হয়ে বলা যায়; যেমন; মা সন্তান লালনপালন করেন; তেমনই; শুক্রও শুক্রাণু লালনপালন করে। এজন্য; শ্বরবিজ্ঞানে শুক্রকে মা বলা হয়। আর এ শুক্র সদৃশ ‘মা’ হতেই শ্বরবিজ্ঞানে মা লক্ষ্মী, মা দুর্গা’, ‘মা কালী’, ‘মা ফাতিমা’, ‘মা মরিয়মমা আয়েশা এমন বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষার উদ্ভব হয়েছে।

শুক্রনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি (Methods of semencontrol)
দ্বিপস্থ জীব মাত্রই কামবাসনার অধীন। কামবাসনা দ্বিপস্থ জীবের সহজাত প্রবৃত্তি। মূলত এ প্রবৃত্তির কারণেই জীবের বংশবৃত্তি হয় এবং প্রজাতি টিকে থাকে। মানুষও অন্যান্য দ্বিপস্থ জীবের মতো একটি জীব। দ্বিপস্থ জীবের মতো মানুষও কাম-বাসনাপ্রবণ। শ্বরবিজ্ঞানে; কামবাসনা বা যৌনোত্তেজনাকে চন্দ্রচেতনা বলা হয়। শ্বরবিজ্ঞানে; চন্দ্রচেতনা একজন দেবতা। চন্দ্রচেতনা কত শক্তিশালী, দেখতে কেমন, দেহের কোথায় অবস্থান করে, এটি; বলার সাধ্য কারো নেই। একে কেবল অনুভব করা যায়। দেখা ও স্পর্শ করা যায় না। তাই; শ্বরবিজ্ঞানে; একেক রূপকার একেক প্রকার বর্ণনা করেছেন। একে ইংরেজি ভাষায় Annihilator এবং আরবি ভাষায় ‘ﻋﺫﺭﺍﺌﻴﻞ’ (আজরাইল) বলা হয়। Annihilator বা ‘ﻋﺫﺭﺍﺌﻴﻞ’ (আজরাইল) এর হাত হতে আত্মরক্ষা করাকেই শুক্রনিয়ন্ত্রণ বলা হয়। অন্যদিকে; মৈথুনে শুক্রপাত করাকেই পুরাণে যমের হাতে মৃত্যুবরণ করা বলা হয়। এখনকার মতো উন্নত চিকিৎসা পদ্ধতি পূর্বকালে ছিল না। তাই; সর্ব রোগের চিকিৎসায় সনাতনী পদ্ধতিতে করা হতো। তখন মৈথুনে শুক্র নিয়ন্ত্রণও সনাতনী পদ্ধতিতে করা হতো। যারা পাকা সাধক গুরুর নিকট হতে ঊর্ধ্বরেতা কৌশল শিক্ষা করতো, তারা পূর্ণ কামতৃপ্তিলাভ করতে পারত। অন্যেরা পারত না। এ ব্যাপারে মহাত্মা লালন সাঁইজি লিখেছেন; “হায়রে মজার তিলেখাজা, দেখলি না মন কেমন মজা, লালন কয় বিজাতির রাজা, পড়ে আছে সে অকূলে।” (পবিত্র লালন- ৬১৬/৪) (মুখ; পড়েশুনে সারলি দফা, করলি রফা গোলেমালে, দেখলি না মন কোথায় সেধন, ভাজলি বেগুন পরের তেলে”)। সনাতনী পদ্ধতিতে শুক্র নিয়ন্ত্রণ করার পাঁচটি স্তর শ্বরবিজ্ঞানে বর্ণিত আছে। তা হচ্ছে- ১.মোহন ২.মাদন ৩.তাপন ৪.শোষণ ও ৫.স্তম্ভন। নিচে এদের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা তুলে ধরা হলো।

মোহন (Allure. অ্যালুয়ার)/ ‘جاذبية’ (জাযিবিয়্যা)
সাধারণত; কোনকিছু পাওয়ার জন্য সম্মোহিত বা বিমোহিত হওয়াকে মোহন বলা হয়। কিন্তু শ্বরবিজ্ঞানে; একমাত্র কামবাসনার বশবর্তী হয়ে মনের মাঝে ব্যাপক আন্দোলন সৃষ্টি হওয়াকে মোহন বলা হয়। উদাহরণ রূপে বলা যায় তীব্র কামবাসনায় উদ্বেলিত হয়ে বিব্রত অবস্থায় পতিত হওয়া। এক কথায় কামযন্ত্রণায় চরমভাবে বিমোহিত বা সম্মোহিত হওয়াই মোহন। একে ইংরেজি ভাষায় Enchanting এবং আরবি ভাষায় ‘ساحر’ (সাহুরু) বলা হয়।

মাদন (Enraging. এনরেজিং)/ ‘إغاظة’ (ইগাজোয়া)
সাধারণত; কোনকিছু করা বা পাওয়ার জন্য চরমভাবে উন্মাদন হওয়াকে মাদন বলা হয়। তবে; শ্বরবিজ্ঞানে; কেবল কামবাসনার বশবর্তী হয়ে মনের মাঝে চরম উন্মাদনা সৃষ্টি হওয়াকে মাদন বলা হয়। উদাহরণ রূপে বলা যায় কামবাসনা প্রশমন করার জন্য মোরগ মুরগীর পিছে পিছে ছুটতে থাকা। হাঁসা হাঁসীর পিছে পিছে ছুটতে থাকা। অর্থাৎ; মনের মাঝে চরমভাবে কামোন্মাদনা সৃষ্টি হওয়াই মাদন। একে ইংরেজি ভাষায় Enraging এবং আরবি ভাষায় ‘مجنون’ (মাজনুন) বলা হয়।

তাপন (Heating. হিটিং)/ ‘صلاة’ (সলাত)
সাধারণত; কোনকিছুতে তাপ বৃদ্ধি-অপসারণ করাকে তাপন বলা হয়। কিন্তু শ্বরবিজ্ঞানে; শিশ্ন দ্বারা কবন্ধের তাপ অপসারণ করানোকে তাপন বলা হয়। মৈথুনে ব্রতী হয়ে ইন্দ্রিয় স্থাপন করার পর ক্রমে ক্রমে শিশ্ন দ্বারা কবন্ধের তাপ অপসারণ করাই তাপন। একে ইংরেজি ভাষায় Heating এবং আরবি ভাষায় ‘صلاة’ (সলাত) বলা হয়।

শোষণ (Absorption. অ্যাবসর্বশন)/ ‘امتصاص’ (ইমতেসাস)
সাধারণত; কোনকিছু হতে তাপমাত্রা বা তরল গ্রহণ করাকে শোষণ বলা হয়। কিন্তু শ্বরবিজ্ঞানে; শিশ্ন দ্বারা কবন্ধের তাপ শোষণ করানোকে শোষণ বলা হয়। মৈথুনে ব্রতী হয়ে ইন্দ্রিয় স্থাপন করার পর ক্রমে ক্রমে শিশ্ন দ্বারা কবন্ধের তাপ শোষণ করানোই শোষণ। একে ইংরেজি ভাষায় Absorption এবং আরবি ভাষায় ‘امتصاص’ (ইমতেসাস) বলা হয়।

স্তম্ভন (Stagnancy. স্ট্রংনেন্সি)/ ‘جمود’ (জুমুদ)
সাধারণত; কোনকিছু বন্ধ করা, থামিয়ে দেওয়া, স্থির করা বা প্রতিষ্ঠিত করাকে স্তম্ভন বলা হয়। কিন্তু শ্বরবিজ্ঞানে; কেবল মৈথুনে শুক্রনিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা অর্জন করে জননপথে শুক্রপাত বন্ধ করাকে স্তম্ভন বলা হয়। অর্থাৎ; কামযজ্ঞকালে জননপথে শুক্রপাত বন্ধ করাই স্তম্ভন। একে ইংরেজি ভাষায় Stagnancy বা Stupefaction এবং আরবি ভাষায় ‘استقرارها’ (ইস্তেকরারাহা) বা ‘ذهول’ (জুহুল) বলা হয়। কামযজ্ঞ করার জন্য পুরুষ-নারী উভয়ে আগে বিমোহিত ও উন্মাদিত হওয়া। তারপর; ইন্দ্রিয় স্থাপন করে শিশ্ন দ্বারা কবন্ধের তাপ শোষণ করা। অতঃপর; ইন্দ্রিয় সঞ্চালন আরম্ভ করা। তাহলে মৈথুনে শুক্র নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়। এছাড়াও; অতিরিক্ত কৌশল হচ্ছে বিশেষ প্রক্রিয়ায় চন্দ্রশ্বাস চালু করা ও হস্ত-পদ বন্ধ করা। স্মরণীয় যে; সনাতনী পদ্ধতিতে শুক্র নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষ একটি কামাসন রয়েছে। বিষয়গুলো যার যার গোঁসাই-গুরুর নিকট হতে জেনে নেওয়ার পরামর্শ রইল। শুক্র নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে যৌবন ধরে রাখা বা কামযজ্ঞ পূর্ণ করা কারো পক্ষেই সম্ভব নয়। উপরোক্ত ৫টি পদ্ধতি অবলম্বন করে সনাতনী পদ্ধতিতে শুক্র নিয়ন্ত্রণ করা হয়। বাংলা ভাষায় এগুলোকে একত্রে পঞ্চবাণ বলা হয়। একে ইংরেজি ভাষায় Pentadart এবং আরবি ভাষায় ‘خماسي نبلة’ (খুমাসি নিবলা) বলা হয়।

শুক্রের পরিচয় (Identity of semen)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীশুক্র পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা বিশেষ। দ্বিপস্থ জীবের নর-নারীর সঙ্গমের সময়ে শিশ্ন হতে শ্বেতবর্ণের যে তরল পদার্থ ক্ষরিত হয় তাকে শুক্র বলা হয়। শুক্রকে পুরুষদেহের রাজা বলা হয়। এ শুক্ররক্ষা করার দ্বারা নরদেহ দীর্ঘজীবী হয় এবং অধিক শুক্রক্ষরণের দ্বারা নরগণের অল্প বয়সেই প্রয়াণসাধিত হয়। এজন্য; প্রত্যেক পুরুষের সর্বপ্রধান সাধন হলো শুক্ররক্ষা করা। শুক্ররক্ষা করা ব্যতীত মানুষ যত সাধন ভজনই করুক না কেন তা সবই অসার বা অন্তঃসারশূন্য। শুক্ররক্ষা করে অটল হওয়া ব্যতীত কোনো সাধকই সাঁইদর্শন ও কাঁই-দর্শন করতে পারেন না। এককথায় বলা যায় আত্মদর্শন বা গুরুবাদী বিদ্যার মূলই হলো শুক্ররক্ষা বিদ্যা। যেসব গুরু গোঁসাইয়ের আখড়া ও আশ্রমে শুক্ররক্ষা করার শিক্ষা ব্যবস্থার প্রচলন নেই সেসব গুরু গোঁসাইয়ের আশ্রম ও আখড়া পরিত্যাগ করে সঙ্গে সঙ্গেই শুক্ররক্ষা করার পদ্ধতি শিক্ষা প্রদান করেন এমন একজন সাধকগুরু ও সাধক গোঁসাইয়ের সন্ধান করে তাঁদের নিকট দীক্ষা গ্রহণ করা প্রত্যেকের উচিত।

বলতে গেলে শ্বরবিজ্ঞানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সত্তাই হলো এটি;। এর অনেক রূপক, ব্যাপক, উপমান ও চরিত্রগত নাম রয়েছে। স্মরণ রাখতে হবে যে; কেবল সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মতবাদের আদিমানব নির্মাণের সময় শুক্রের নরচরিত্র রূপায়ন করা হয়। যেমন;  গোবিন্দ ও আদম (ﺍﺪﻢ)। এছাড়াও; সর্বক্ষেত্রেই শুক্রদ্বারা নারী চরিত্র রূপায়ন করা হয়। যেমন; ভারতবর্ষের সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মতবাদের নারী চরিত্রগুলো হলো অহল্লা, কমলা, কালী, দুর্গা, বেহুলা, লক্ষ্মী ও সীতা ইত্যাদি। তেমনই; আরববিশ্বের সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মতবাদের নারী চরিত্রগুলো হলো আয়েশা, আছিয়া, কুলসুম, জয়নব, জোলেখা, ফাত্বিমা, মরিয়ম, সারা, সকিনা ও হাজেরা ইত্যাদি। আবার শুক্রের নাম রতী রেখে তাকে মদনের (শিশ্ন) সাথে বিবাহ দেওয়ার উপমাও একেবারে বিরল নয়। এককথায় কেবল আদিমানবী ব্যতীত (সরস্বতী ও হাওয়া. ﺤﻮﺍﺀ) পৃথিবীর সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মতবাদের সব পৌরাণিক কাহিনীর সব নারীচরিত্র হলো আলোচ্য এ শুক্র। এছাড়াও; শ্বরবিজ্ঞানে বর্ণিত সে নারী, যে নারী, ঐ নারী এবং এ নারী ইত্যাদি দ্বারাও শুক্রই বুঝায়। তা’ছাড়া শ্বরবিজ্ঞানে বর্ণিত অপ্সরা, কন্যা, ঝি, বউ, বুড়ী, বেশ্যা, বোন, ভাগনি, ভাতিঝি, মা, রাজকন্যা, রাণী ও সম্রাজ্ঞী ইত্যাদি পরিভাষা দ্বারাও কেবল শুক্রকেই বুঝায়।

মহাত্মা লালন সাঁইজি শুক্রকে সৃষ্টিকর্তা বলেছেন। যেমন;  তিনি বলেছেন; “আল্লাহ আদম না হলে, পাপ হতো সিজদা দিলে, শিরিক পাপ যারে বলে, এ দিন-দুনিয়ায়।” (পবিত্র লালন- ১১১/২)। (মুখ; “আপন সুরাতে আদম গঠলেন দয়াময়, নইলে কী ফেরেস্তাকে সিজদা দিতে কয়”)। যেহেতু; আদম শুক্র; সেহেতু; এখানে; পরিষ্কার বুঝা যায় যে; শুক্রকেই রূপকার্থে কাঁই বলা হয়েছে। আর ভক্তি দেওয়ার অর্থ হলো শুক্র নিয়ন্ত্রণ করা। আলোচ্য ‘বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা’র বাঙালী পৌরাণিক রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষার আলোচনা যথাস্থানে করা হয়েছে।

(তথ্যসূত্র; আত্মতত্ত্ব ভেদ (৭ম খণ্ড)লেখকবলন কাঁইজি)

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!