৯২. শ্বাস

সহযোগী মূলক পরভিাষা

রূপক পরিভাষা

সহযোগী রূপক পরভিাষা

উপমান পরিভাষা

চারিত্রিক পরিভাষা

ছদ্মনাম পরিভাষা

৯২. শ্বাস
Breath (ব্রেথ)/ ‘تنفس’ (তানফুস)

 

ভূমিকা (Introduction)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীবাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা এবং শ্বাস পরিবার প্রধান বিশেষ। এর বাঙালী পৌরাণিক সহযোগী মূলক সত্তা প্রাণায়াম। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা বাতাস। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা কুকুর, প্রহরী সুর। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা অনিল, পবন সমীর এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা জগৎগুরু ফুৎকার। এটি একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক প্রধান মূলক সত্তা

অভিধা (Appellation)
শ্বাস (বাপৌমূ)বি নিঃশ্বাস, প্রশ্বাস, breath, ‘تنفس’ (তানফুস) (আল)  অবসর, বিশ্রাম (শ্বাস ফেলার সময় নেই) (প্র) নাসিকার সূর্যশ্বাস ও চন্দ্রশ্বাস বিশেষ (শ্ববি) ঘোণা, সৈনিক, যোদ্ধা, কুকুর, প্রহরী, সুর, ফুঁক, diarchy horn, trumpet (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীশ্বাস পরিবার প্রধান বিশেষ (সংজ্ঞা) সাধারণত; নাসিকাযোগে চলাচলকারী প্রাণবায়ুকে বাংলায় ‘শ্বাস বলা হয় (বাপৌছ) জগৎগুরু ও ফুৎকার (বাপৌচা) অনিল, পবন ও সমীর (বাপৌউ) কুকুর, প্রহরী ও সুর (বাপৌরূ) বাতাস (বাপৌমূ) শ্বাস।

টীকা (Annotation)
সাধারণতভাবে; গুরু বলতে কেবল মানুষগুরুকে বুঝায়। অন্যদিকে; শ্বরবিজ্ঞানে; গুরু বলতে জ্ঞান, শ্বাস, শিশ্ন ও সাঁইকে বুঝায়। কিন্তু এখানে; গুরু বলতে কেবল শ্বাসকে বুঝানো হয়েছে। শ্বাস বা জগৎগুরু প্রকৃতগুরু নয়। প্রকৃত গুরু হলেন সাঁই। এজন্য; প্রকৃতগুরুর সন্ধান না পাওয়া পর্যন্ত শ্বাসের প্রাণায়াম বা সাধন চালিয়ে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। প্রকৃতগুরুর সন্ধানলাভ করার জন্য; একাধিক মানুষগুরুর নিকট দীক্ষা গ্রহণ করা এবং জ্ঞানার্জন করা সর্বকালেই সিদ্ধ। প্রকৃতগুরু বা সাঁইয়ের সন্ধান পাওয়ার পর; আর মানুষগুরু পরিবর্তন করার প্রয়োজন নেই (গুরু যার থাকে সদয়, শমন বলে তার কিসের ভয়, লালন বলে মন তুই আমায়, করলি দোষী”) (পবিত্র লালন- ১৪৩/৪)। তবে; শ্বাসের প্রাণায়াম বন্ধ করার প্রয়োজন নেই। বিশ্বের বিভিন্ন পুরাণে; সর্বদা বিশ্বের সর্বত্র বিরাজমান যে গুরুর কথা বলা হয়, সে গুরুই হলো শ্বাস। শ্বাস সর্বদা বিশ্বের সব মানুষের নিকট বিদ্যমান। শ্বাস একবার ডান ও একবার বাম নাসারন্ধ্র দ্বারা প্রবাহিত হয়ে, সারাবিশ্বের সব মানুষকে সর্বদা ভালো-মন্দ বা শুভাশুভ নির্দেশ করে থাকে। তাই; সারা বিশ্বের বিভিন্ন শ্বরবিজ্ঞান, পুরাণে শ্বাসকে জগৎগুরু বলা হয়। যেমন; মহাত্মা লালন সাঁইজি বলেছেন; (অখণ্ড মণ্ডলাকারং ব্যাপ্তং সারাচরাচর, গুরু তুমি পতিতপাবন পরমও ঈশ্বর”) (পবিত্র লালন- ৪২/১)। আবার লোকনাথ ব্রহ্মচারীর উক্তি রূপে প্রচারিত আছে যে; “রণে, বনে, জলে ও জঙ্গলে যেখানে আমাকে স্মরণ করবে সেখানেই পাবে।” (লোকনাথ)।” অন্যদিকে; মহাধীমান বলন কাঁইজি বলেছেন; (গুরু চেনা সহজ নয়রে গুরু চেনা সহজ নয়, জগৎগুরু চিনতে গেলে মানুষগুরু ভজতে হয়”) (বলন তত্ত্বাবলী- ৯৬)

শ্বাসের সংজ্ঞা (Definition of breath)
শ্বরবিজ্ঞানে; জীবের নাসিকাযোগে চলাচলকারী প্রাণবায়ুকে শ্বাস বলে।

পারিবারিক অবস্থান (Domestic position)

মূলক রূপক উপমান চারিত্রিক ছদ্মনাম
শ্বাস বাতাস কুকুর, প্রহরী ও সুর অনিল, পবন ও সমীর জগৎগুরু ও  ফুৎকার

প্রাথমিক পরিপত্র (Primary circular)
শ্বাসের আভিধানিক, রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষা।

বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা; শ্বাস।
বাংলা আভিধানিক প্রতিশব্দ;  নিঃশ্বাস ও প্রশ্বাস।
বাঙালী পৌরাণিক সহযোগী মূলক সত্তা; প্রাণায়াম।
বাঙালী পৌরাণিক রূপক; বাতাস।
বাঙালী পৌরাণিক উপমান;  কুকুর, প্রহরী, ফুৎকার ও সুর
বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক; অনিল, দুন্দুমার, পবন, প্রভঞ্জন, মহাবল, মারুত ও সমীর।
বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম; জগজীবন, জগজ্জীবন, জগৎগুরু দুয়ারী, নভপ্রাণ, নভস্বান, পবনগুরু, পবমান, পাখি, পৃষোদর, ফণীপ্রিয়, বহ্নিমিত্র, বহ্নিসখ, বহ্নিসখা, বাউ, বাওড়ি, বায়, বায়ু, ভষক, ভষকী, মরুঝড়, মরুৎ মরুত, মরুত্ত, শোয়াস, সতিন, সপত্নী, সমীরণ ও হাঁপ।

বাংলা, ইংরেজি ও আরবি (Bengali, English and Arabic)

বাংলা

ইংরেজি

আরবি

৯২. শ্বাস Breath (ব্রেথ) ‘تنفس’ (তানফুস)
৯২/০. প্রাণায়াম Aeration (এয়ারেশন) ‘تهوية’ (তাহুয়্যিয়া)
৯২/১. বাতাস Wind (উইন্ড) ‘رياح’ (রিইয়াহ)
৯২/২. কুকুর Dog (ডগ) ‘ﻜَﻟْﺐُ’ (কাল্ব)
৯২/৩. প্রহরী Sentry (সেন্ট্রি) ‘خفير’ (খাফির)
৯২/.৪ সুর Tune (টান) ‘لحن’ (লহনা)
৯২/৫. অনিল Breeze (ব্রেজ) ‘نسيم’ (নুসিম)
৯২/৬. পবন Breezy (ব্রিজি) ‘ﻫﻮﺍﺀ’ (হাওয়া)
৯২/৭. জগৎগুরু Inhaler (ইনহ্যালার) ‘مستنشق’ (মুস্তানাশাক্ব)
৯২/৮. ফুৎকার Puff (পাফ) ‘ﻨﻔﺨﺔ’ (নাফখা)

শ্বাসের সাধারণ উদ্ধৃতি (Some ordinary quotations of breath)
১.   “এখনও শ্বাস আছে বজায়, যা করো তাই সিদ্ধি হয়, সিরাজ সাঁইজি তাই, কয় লালনরে।” (পবিত্র লালন- ৩৩২/৪)
২.   “চণ্ডীদাস রজকিনী- লয়ে কাগজ লেখনী, মনযানে যাবি ত্রিবেণে, মহাতল ভবলোকে নতি- গুরুরপাঠ মহামতি, পাল উড়াইয়ারে পবনে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৬৭)
৩.   “জ্যান্ত মরা মরলে সাধক, খিরকা তাজ তহবন বেশ পরায়, যে শ্বাস ছাপাই করে তার, ক্ববর কোথায়।” (পবিত্র লালন- ৭৬৯/২)
৪.   “শোষায় শোষে না ছাড়ে শ্বাস, উজান তরী চালায় বারোমাস, কতজন তাই- চুবানি খায়, সাধুগণ যায় ধামে।” (পবিত্র লালন- ২৪২/৪)

শ্বাসের প্রকারভেদ (Variations of breath)
শ্বাস দুই প্রকার। যথা; ১. সূর্যশ্বাস ও ২. চন্দ্রশ্বাস।

. সূর্যশ্বাস Rightist (রাইটিস্ট)/ ‘يمينية’ (ইয়ামিনিয়া)
নাসিকার ডান ছিদ্রপথে চলাচলকারী নিঃশ্বাসকে সূর্যশ্বাস বলে।

. চন্দ্রশ্বাস Leftist (লেপ্টিস্ট)/ ‘يسارية’ (ইয়াসারিয়া)
নাসিকার বাম ছিদ্রপথে চলাচলকারী নিঃশ্বাসকে চন্দ্রশ্বাস বলে।

আবার শ্বাসকে দু’ভাগে ভাগ করা যায়। যথা; ১. ডানশ্বাস ও ২. বামশ্বাস।

. ডানশ্বাস Righty (রাইটি)/ ‘يميني’ (ইয়ামিনি)
নাসিকার ডান ছিদ্রপথে চলাচলকারী নিঃশ্বাসকে ডানশ্বাস বলে।

. বামশ্বাস Lefty (লেপ্টি)/ ‘يساري’ (ইয়াসারি)
নাসিকার বাম ছিদ্রপথে চলাচলকারী নিঃশ্বাসকে বামশ্বাস বলে।

শ্বাসের উপকার (Benefits of breath)
১.   শ্বাস গ্রহণের দ্বারা জীবকুল জীবনধারণ করে।
২.   যে কোনো কাজের আগাম ফলাফল নির্নয় করা যায়।
৩.   পুত্র কিংবা কন্যা সন্তান উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা হয়।
৪.   সূর্য ও চন্দ্র শ্বাসের দ্বারা বিশ্ববিধাতা প্রদত্ত শুভাশুভ সংবাদাদি জানা যায়।

শ্বাসের পরিচয় (Identity of breath)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীশ্বাস পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা বিশেষ। জীবের নাসিকাযোগে চলাচলকারী প্রাণবায়ুকে শ্বাস বলা হয়। নাসিকাযোগে চলাচলকারী নিঃশ্বাসই শ্বাস রূপে পরিচিত। শ্বাসযোগে জীবকুল বিশ্বাত্মা বাতাসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে জীবন ধারণ করে থাকে। মানুষের নাসিকাযোগে চলাচলকারী বাতাসকেই শ্বাস বলা হয়। মানবসন্তান জন্মগ্রহণের সঙ্গে সঙ্গেই সর্বপ্রথম সন্তানের নাসিকা বা শ্বসনিন্দ্রিয়টি চালু হয় এবং তার প্রয়াণ সংঘটনের ঠিক পূর্বক্ষণে এ ইন্দ্রিয়টি আবার অচল হয়ে যায়। অর্থাৎ; মানুষের শ্বসনিন্দ্রিয়টি সবার আগে সচল হয় এবং সবার শেষে বিকল হয়। শ্বসনক্রিয়া দ্বারা মানুষ বাতাস হতে অম্লজান গ্রহণ করে এবং অঙ্গারাম্লজান ত্যাগ করে। কিন্তু নাসিকাহীন প্রাণীদের ক্ষেত্রে ঠিক এর উল্টোটা দেখা যায়। নাসিকাহীন প্রাণী ও উদ্ভিদরা বাতাস হতে অঙ্গারাম্লজান গ্রহণ করে এবং অম্লজান ত্যাগ করে। শ্বরবিজ্ঞানে; শ্বাস দুই প্রকার। যথা; চন্দ্রশ্বাস ও সূর্যশ্বাস। চন্দ্রশ্বাসকে সুধা ধারাও বলা হয়।

একজন মানুষ প্রতিদিন গড়ে ৩টি সিলিন্ডার অক্সিজেন গ্রহণ করে। প্রতি সিলিন্ডারের বর্তমান মূল্য ৭০০/= (টাকা)। এই গণনা অনুযায়ী প্রতিদিনের ব্যয় ৭০০ × ৩ = ২,১০০/= (টাকা)। তাহলে; বাৎসরিক ব্যয় ২১০০ × ৩৬৫ = ৭,৬৬,৫০০/= (টাকা)। এখন; বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ৭০ বছর। তাহলে; একজন মানুষ তার জীবদ্দশায় প্রায় ৭,৬৬,৫০০ × ৭০ = ৫,৩৬,৫৫,০০০/= (টাকার) অক্সিজেন গ্রহণ করে। গাছ জীবের জীবনদায়ী। কারণ; উদ্ভিদকুল বিনামূল্যে জীবকুলকে অক্সিজেন প্রদান করে। সুতরাং; গাছ রোপণ ও প্রতিপালন করা সবারই নৈতিক দায়িত্ব। আলোচ্য বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার বাঙালী পৌরাণিক রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষার আলোচনা যথাস্থানে করা হয়েছে।

(তথ্যসূত্র; আত্মতত্ত্ব ভেদ (৭ম খণ্ড)লেখকবলন কাঁইজি)

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!