৯৩. সন্তান

সহযোগী মূলক পরভিাষা

রূপক পরিভাষা

সহযোগী রূপক পরভিাষা

উপমান পরিভাষা

চারিত্রিক পরিভাষা

ছদ্মনাম পরিভাষা

৯৩. সন্তান
Progeny (প্রোজেনি)/ ‘أولاد’ (আওলাদ)

এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীপৌরাণিক মূলক সত্তা পরিবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পৌরাণিক মূলক সত্তা এবং সন্তান পরিবার প্রধান বিশেষ। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা মূর্তি। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা প্রতিমা। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা শৈবাল সঞ্জীব এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা অপত্য পরকাল। এটি; একটি পৌরাণিক রূপক প্রধান মূলক সত্তা

সন্তান (বাপৌমূ)বি অপত্য, সন্ততি, পুত্রকন্যা, progeny, ‘أولاد’ (আওলাদ) (শ্ববি) প্রতিমা, প্রতিমূর্তি, প্রতিকৃতি, দেবমূর্তি (ইংপ) offspring, progeny, statue, figure (ইপ).ﺬﺭﻴﺔ’ (জুররিয়া), ‘.ﺍﺒﻨﺎﺀ’ (আবনাউ), ‘.ﺍﺧﺭﺖ’ (আখিরাত), ‘হি.ﭙﺗﻼ’ (পুতলা), ‘ফা.ﻔﺭﺰﻨﺩ’ (ফরজন্দ), ‘.ﺸﺭﻴﻚ’ (শরিক), ‘.ﺤﺸﺭ’ (হাশর) (দেপ্র) এটি ‘বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী’‘সন্তান’ পরিবার প্রধান ও একটি ‘বাঙালী পৌরাণিক প্রকৃত মূলক পরিভাষা’ বিশেষ (সংজ্ঞা) ১. সাধারণত; জীবের পুনর্জন্মকে বাংলায় ‘সন্তান বলা হয় ২. বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, পিতা-মাতার পুনর্জন্মকে রূপকার্থে ‘সন্তান বলা হয় (বাপৌছ) অপত্য ও পরকাল (বাপৌচা) শৈবাল ও সঞ্জীব (বাপৌউ) প্রতিমা (বাপৌরূ) মূর্তি (বাপৌমূ) সন্তান।

সন্তানের সংজ্ঞা (Definition of Progeny)
সাধারণত; জীবের পুনর্জন্মকে সন্তান বলে।

সন্তানের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of progeny)
১.   বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও পুরাণে, পিতা-মাতার পুনর্জন্মকে রূপকার্থে ‘সন্তান বলে।
২.   শ্বরবিজ্ঞানে; পুরুষজাতির শিশ্নকে রূপকার্থে সন্তান বলে।

পারিবারিক অবস্থান (Domestic position)

মূলক

রূপক উপমান চারিত্রিক

ছদ্মনাম

সন্তান মূর্তি প্রতিমা শৈবাল ও সঞ্জীব অপত্য ও পরকাল

প্রাথমিক পরিপত্র (Primary circular)
সন্তানের আভিধানিক, রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষা।

বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা; সন্তান।
আভিধানিক প্রতিশব্দ;         কলি, ছা, ছানা, জাতক, ফল, বাছা, বাছুর, বালবাচ্চা, ভ্রূণ, শাব, শাবক, শিশু ও সন্ততি।
বাঙালী পৌরাণিক রূপক; মূর্তি।
বাঙালী পৌরাণিক উপমান; অতিথি, আগন্তক, কুটুম, কুটুম্ব, কুল, খণ্ড, গোত্র, গোষ্ঠী, ছবি, পক্ষীমূর্তি, পুতুল, পুত্তলিকা, প্রতিকৃতি, প্রতিবিম্ব, প্রতিমা, প্রতিমূর্তি, প্রতিরূপ, প্রেতমূর্তি ও ভাস্কর্য।
বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক; শৈবাল ও সঞ্জীব।
বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম; অংশ, অংশী, অপত্য, উত্তরকাল, উত্তরসূরি, কাশ, কিরাত, খাণ্ডব, গর্ভজ, গলাসি, ঘুস, চারা, চিত্র, চৈতালি, ছাঁট, জলনীলিকা, জলনীলী, তনুদ্ভব, তনুদ্ভবা, তৃণ, থান, দেশান্তর, দেহান্তর, পরকাল, পরলোক, পর্বতবাসী, পিণ্ড, পিণ্ডি, পুনর্বসতি, পুনর্যাত্রা, পৈহিক, প্রতিমান, প্রসৃত, প্রাণসঞ্চার, বংশ, বংশধর, বংশলতা, বনান্তর, ভগ্নাংশ, ভুঁইফোড়, ভুঁইফোড়া, ভোগদেহ, মহারৌরব, যুগান্তর, শেষকাল, শৈবল, শৈবাল, সঞ্জীবন, সুবর্ণপ্রতিমা, সুবর্ণলতা ও হেমলতা।

বাংলা, ইংরেজি ও আরবি (Bengali, English and Arabic)

বাংলা

ইংরেজি

আরবি

৯৩. সন্তান Progeny (প্রোজেনি) ‘أولاد’ (আওলাদ)
৯৩/১. মূর্তি Idol (আইডল) ‘وثن’ (ওয়াসন)
৯৩/২. প্রতিমা Fetish (ফেটিশ) ‘معبود’ (মা‘বুদ)
৯৩/৩. অপত্য Child (চাইল্ড) ‘إِبْن’ (ইবনু)
৯৩/৪. পরকাল Hereafter (হেয়ারয়াফ্টার) ‘الاخرة’ (আলয়াখিরাত)

সন্তানের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of progeny)
১.   “আপনদেশে যেতে পথে, মানুষ খণ্ড হয় মূল হতে, পুনর্জনম কয় সাধু মতে, শাস্ত্রে সন্তান জন্ম হয়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৮৪)
২.   “মুসলমানদের সেই পুনরুত্থান, কৃষিবিদরা কয় পুনর্জন্মদান, সাম্প্রদায়িকরা কয় পরলোকধাম, সন্তানের সব রূপক ছাপাই।” (বলন তত্ত্বাবলী)

ইন্দ্রিয় অর্থে সন্তান পরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology progeny sense for organ)
১.   “সাতাশজন বর যাত্রীসহ সন্তান দশজন, হাজার টাকা ধার্য করে মায়ের বিবাহের পণ, মা জননীর ছয়ননদী- সবাই সে পণ বিরোধী, আবার রঙ্গিন সাজে সাজি- বিয়ে হয় বারটা পরে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২০৬)
২.   “নদীর মাঝখানে বসি, আছে এক মেয়ে রাক্ষসী, তার সুসন্তান বেশি, মালের জাহাজ পেলে ’পরে, সে যে মাল লুটে নেয় চুমুকে।” (পবিত্র লালন- ৪০১/২)
৩.   “বাবা মায়ের বিবাহের দিন সন্তানরা ধার্য করে, (গুরু) অহরহ ঘটে ঘটন কোন অচেনশহরে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২০৬)
৪.   “সিফাতে নবির বিবি তিনজনা, সুসন্তানের হয়েছে মা, আলিফ লাম মীম দেখনা কানা, তিনজন বিবি সায়্যিদিনা।” (পবিত্র লালন- ২৬৮/৩)

শিশ্ন অর্থে সন্তান পরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology progeny sense for penis)
১.   “একটা লালশালু পরে নাতি ঘটক হয়ে যায়, বড়-সন্তান কাজি হয়ে মাকে সামনে বসায়, পাঁচ হাজার তিনশত সাত- শাঁড়িটি পরায় বারহাত, বাপের মাথায় মায়ের হাত- কখন কোন আসরে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২০৬)
২.   “মা করে লালনপালন মা মারে সন্তানের প্রাণ, প্রণাম জননীর চরণে প্রণাম। (গো)।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৫১)

ত্রিধারা অর্থে সন্তান পরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology progeny sense for tristream)
১.   “এক মেয়ের নাম কলাবতী, নয় মাসে হয় গর্ভবতী, এগার মাসে সন্তান তিনটি, মেজটা ফকির হয়।” (পবিত্র লালন- ৯৫৫/৩)
২.   “ছয় মাসের এক কন্যা ছিল, নয় মাসে তার বিয়ে হলো, এগারো মাসে তিন সন্তান হলো, কোনটা করবে ফকিরি।” (পবিত্র লালন- ৪৪০/২)
৩.   “মরা যখন কবরে নেয়, তিনটি সন্তান জন্ম হয়, তিনজনা তিন দেশে যায়, মরা লাশ ফেলে দিয়ে।” (পবিত্র লালন- ৮৫৭/৩)

আঠারোধাম অর্থে সন্তান পরিভাষাটির ব্যবহার
(Using the terminology progeny sense for eighteenspace)
“তিনমাসে আঠারো সন্তান, জাতি-কুল-মান সব গেল, মানুষ না চিনিয়া বাবা, কার সাথে বিয়া দিলো।” (বলন তত্ত্বাবলী)

তিনতার অর্থে সন্তান পরিভাষাটির ব্যবহার
(Using the terminology progeny sense for threestring)
“যে নবির চৌদ্দবিবি ছিল, তিনবিবির সন্তান হলো, এগারো বিবির কী দোষ ছিল, ফকির লালন ভাবে তারই।” (পবিত্র লালন- ৪৭১/৪)

সন্তানের ওপর একটি পূর্ণাঙ্গ বলন (A full Bolon on the progeny)

বাবা মায়ের বিবাহের দিন সন্তানরা ধার্য করে
(গুরু) অহরহ ঘটে ঘটন কোন অচিন শহরে।

একটা লালশালু পরে নাতি ঘটক হয়ে যায়
বড়-সন্তান কাজি হয়ে মাকে সামনে বসায়
পাঁচ হাজার তিনশত সাত- শাড়িটি পরায় বারহাত
বাপের মাথায় মায়ের হাত- কখন কোন আসরে।

সাতাশজন বরযাত্রীসহ সন্তান দশজন
হাজার টাকা ধার্য করে মায়ের বিবাহের পণ
মা জননির ছয়’ননদী- সবাই সে পণ বিরোধী
সবাই রঙ্গিন সাজে সাজি- বিয়ে হয় বারটা পরে।

তিনশতষাটজন অতিথী সাক্ষী রয় তিনজনা
বত্রিশজনে শেষ করে আশিজনের খানা
উনিশজনা দর্শনার্থী- সত্তরজন প্রতিবেশী
বলন কয় সে বিয়েটি- সদাই হয় আঁধার ঘরে।”
(বলন তত্ত্বাবলী- ২০৬)

সন্তানের প্রকারভেদ (Variations of progeny)
সাধারণত; সন্তান দুই প্রকার। যথা; ১. পুত্রসন্তান ও ২. কন্যাসন্তান।

. পুত্র সন্তান (Sonprogeny)
শিশ্ন চি‎হ্নধারী সন্তানকে পুত্রসন্তান বলে।

পুত্র (বাপৌরূ)বি তনয়, নন্দন, কুমার, ছেলে, পুত্রবৎ স্নেহের পাত্র, পুত্রস্থানীয় ব্যক্তি, আপন পুরুষসন্তান, বিবাহিত স্ত্রীর গর্ভে স্বামীর দ্বারা উৎপন্ন পুত্র, নিজের ঔরসজাত পুত্রকে পুত্র বলা হয় (শ্ববি) পুরুষজাতির শিশ্ন বা পুরুষাঙ্গ (আপ্রশ) শিশ্ন, বাঁড়া, মেঢ়্র, হোল, penis, জকর (.ﺬﻜﺭ) (আঞ্চ) সোনা, পোতা, ধন (রূপ্রশ) বলাই, কামদেব, নারদ, বিম্বল, মদন, মন্মথ, মহাদেব, মাধব, রাবণ, লাঠি, শিব, হাত, পা, গাছ, রশি (ইদে) আসা (.ﻋَﺼَﺎ), জাকারিয়া (.ﺯﻜﺭﻴﺎ), শিমার (.ﺸﻤﺭ), হাবিল (.ﺤﺎﺒﻞ), মারুত (.ﻤﺎﺭﻮﺕ) (ইংপ) finger (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীবলাই পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) . সাধারণত; নৌকা বাওয়া মুখ চওড়া ছোট দাঁড়কে বৈঠা বলা হয় . শ্বরবিজ্ঞানে; পুরুষজাতির শিশ্নকে বলাই বা রূপকার্থে বৈঠা বলা হয় (বাপৌছ) কামগুরু, কিরীটী, বণিক, বাবা, বামন, মরা ও শ্রী-চরণ (বাপৌচা) অনস্থী, আঙ্গুল, কর্ণ, জগাই, জনক, বিম্বল ও শুক্রাচার্য (বাপৌউ) আঁচল, খুঁটি, গাছ, চরণ, দৈত্য, লাঠি ও হাত (বাপৌরূ) বৈঠা (বাপৌমূ) বলাই Jস্ত্রী কন্যা।

ভারতীয় পুরাণে পুত্র ১২ প্রকার। যথা; . ঔরস্য পুত্র . বৈ পুত্র . দুধ পুত্র . পালক পুত্র . দত্তক পুত্র . ধর্ম পুত্র . ভিক্ষা পুত্র . ক্ষেত্রজ পুত্র . জারজ পুত্র ১০. মানস পুত্র ১১. বর পুত্র ও ১২. ব্রহ্ম পুত্র।

. ঔরস্য পুত্র (Legitimate son)
ঔরস্য পুত্র (বাপৌছ)বি তনয়, নন্দন, কুমার, ছেলে, পুত্র সন্তান, legitimate son (প্র) . নিজের বিবাহিতা স্ত্রীর গর্ভে সৃষ্টি নিজের ঔরস্য পুত্র সন্তান বিশেষ . ভারতীয় পুরাণে পুত্র ১২ প্রকার। যথা; ১. ঔরস্য পুত্র ২. বৈপুত্র ৩. দুধ পুত্র ৪. পালক পুত্র ৫. দত্তক ৬. ধর্ম পুত্র ৭. ভিক্ষা পুত্র ৮. ক্ষেত্রজ পুত্র ৯. জারজ পুত্র ১০. মানস পুত্র ১১. বর পুত্র ও ১২. ব্রহ্ম পুত্র Jস্ত্রী ঔরস্য কন্যা {বাং.ঔরস্য+ বাং.পুত্র}

. বৈ পুত্র (Stepe son)
বৈ পুত্র (বাপৌছ)বি সতিন পুত্র, সপত্নী পুত্র, step son (প্র) . স্বামীর অন্য স্ত্রীর গর্ভজাত পুত্র সন্তান বিশেষ . ভারতীয় পুরাণে পুত্র ১২ প্রকার। যথা; ১. ঔরস্য পুত্র ২. বৈপুত্র ৩. দুধ পুত্র ৪. পালক পুত্র ৫. দত্তক ৬. ধর্ম পুত্র ৭. ভিক্ষা পুত্র ৮. ক্ষেত্রজ পুত্র ৯. জারজ পুত্র ১০. মানস পুত্র ১১. বর পুত্র ও ১২. ব্রহ্ম পুত্র Jস্ত্রী বৈ কন্যা {বাং.বৈ+ বাং.পুত্র}

. দুধ পুত্র (Dairy son)
দুধ পুত্র (বাপৌছ)বি স্তনের দুগ্ধ দ্বারা পালিত অন্যের পুত্র, dairy son (প্র) . বিশেষ করে গর্ভধারিণী মাতা মারা যাওয়া, দাম্পত্য বিচ্ছেদ হওয়া বা অন্য কোনো কারণে; অন্যগর্ভ বা অন্য ঔরসের পুত্র হওয়ার পরও; যাকে নিজের স্তনের দুগ্ধ দ্বারা লালনপালন করা হয় . ভারতীয় পুরাণে পুত্র ১২ প্রকার। যথা; ১. ঔরস্য পুত্র ২. বৈপুত্র ৩. দুধ পুত্র ৪. পালক পুত্র ৫. দত্তক ৬. ধর্ম পুত্র ৭. ভিক্ষা পুত্র ৮. ক্ষেত্রজ পুত্র ৯. জারজ পুত্র ১০. মানস পুত্র ১১. বর পুত্র ও ১২. ব্রহ্ম পুত্র Jস্ত্রী দুধ কন্যা {বাং.দুধ+ বাং.পুত্র}

. পালক পুত্র (Obtained son)
পালক পুত্র (বাপৌছ)বি দত্তক, পোষ্য পুত্র, obtained son (প্র) . অন্যের পুত্র হলেও যাকে নিজের পুত্রের মতো পালন করা হয় . স্ত্রীর গর্ভজাত বা স্বামীর ঔরসজাত ব্যতীত পুত্রবৎ লালনপালনকৃত অন্যের পুত্রবিশেষ . ভারতীয় পুরাণে পুত্র ১২ প্রকার। যথা; ১. ঔরস্য পুত্র ২. বৈপুত্র ৩. দুধ পুত্র ৪. পালক পুত্র ৫. দত্তক ৬. ধর্ম পুত্র ৭. ভিক্ষা পুত্র ৮. ক্ষেত্রজ পুত্র ৯. জারজ পুত্র ১০. মানস পুত্র ১১. বর পুত্র ও ১২. ব্রহ্ম পুত্র Jস্ত্রী পালক কন্যা {বাং.পালক+ বাং.পুত্র}

. দত্তক পুত্র (Adopted son)
দত্তক (বাপৌছ)বিণ দত্তক পুত্র, পোষ্য পুত্র, পালক পুত্র, adopting, adoptive (প্র) . সনাতনী সমাজে শাস্ত্রানুষ্ঠান দ্বারা গৃহীত পোষ্য পুত্র . ভারতীয় পুরাণে পুত্র ১২ প্রকার। যথা; ১. ঔরস্য পুত্র ২. বৈপুত্র ৩. দুধ পুত্র ৪. পালক পুত্র ৫. দত্তক ৬. ধর্ম পুত্র ৭. ভিক্ষা পুত্র ৮. ক্ষেত্রজ পুত্র ৯. জারজ পুত্র ১০. মানস পুত্র ১১. বর পুত্র ও ১২. ব্রহ্ম পুত্র Jস্ত্রী দত্তিকা।

দত্তক পুত্র (বাপৌছ)বি পোষ্য পুত্র, পালক পুত্র, adopted son (প্র) . অন্যের পুত্র হলেও যাকে নিজের পুত্রের মতো পালন করা হয় . সনাতনী সমাজে শাস্ত্রানুষ্ঠান দ্বারা গৃহীত পোষ্যপুত্র বিশেষ . স্ত্রীর গর্ভজাত বা স্বামীর ঔরসজাত ব্যতীত পুত্রবৎ লালনপালনকৃত অন্যের পুত্র বিশেষ . ভারতীয় পুরাণে পুত্র ১২ প্রকার। যথা; ১. ঔরস্য পুত্র ২. বৈপুত্র ৩. দুধ পুত্র ৪. পালক পুত্র ৫. দত্তক ৬. ধর্ম পুত্র ৭. ভিক্ষা পুত্র ৮. ক্ষেত্রজ পুত্র ৯. জারজ পুত্র ১০. মানস পুত্র ১১. বর পুত্র ও ১২. ব্রহ্ম পুত্র Jস্ত্রী দত্তক কন্যা {বাং.দত্তক+ বাং.পুত্র}

. ধর্ম পুত্র (Godson)
ধর্ম পুত্র (বাপৌছ)বি শিষ্য, ভক্ত, ধর্মছেলে, শিষ্যছেলে, জ্ঞান সন্তান, godson (প্র) . সাম্প্রদায়িক বিধান মতে যাকে পুত্র বলে গ্রহণ করা হয়েছে . সাম্প্রদায়িক মতবাদকে সাক্ষী রেখে সম্পর্ক কৃত শিষ্য বিশেষ (শিষ্য, ভক্ত) . ভারতীয় পুরাণে পুত্র ১২ প্রকার। যথা; ১. ঔরস্য পুত্র ২. বৈপুত্র ৩. দুধ পুত্র ৪. পালক পুত্র ৫. দত্তক ৬. ধর্ম পুত্র ৭. ভিক্ষা পুত্র ৮. ক্ষেত্রজ পুত্র ৯. জারজ পুত্র ১০. মানস পুত্র ১১. বর পুত্র ও ১২. ব্রহ্ম পুত্র Jস্ত্রী শিষ্যা, ধর্ম কন্যা {বাং.ধর্ম+ বাং.পুত্র}

. ভিক্ষা পুত্র (Begging son)
ভিক্ষা পুত্র (বাপৌছ)বি ভিক্ষা দ্বারা যে পুত্র, begging son (প্র) . উপনয়নকালে যে ব্রাহ্মণ কুমাকে ভিক্ষা দিয়ে পুত্র রূপে গ্রহণ করা হয় . ভারতীয় পুরাণে পুত্র ১২ প্রকার। যথা; ১. ঔরস্য পুত্র ২. বৈপুত্র ৩. দুধ পুত্র ৪. পালক পুত্র ৫. দত্তক ৬. ধর্ম পুত্র ৭. ভিক্ষা পুত্র ৮. ক্ষেত্রজ পুত্র ৯. জারজ পুত্র ১০. মানস পুত্র ১১. বর পুত্র ও ১২. ব্রহ্ম পুত্র Jস্ত্রী ভিক্ষা কন্যা {বাং.ভিক্ষা+ বাং.পুত্র}

. ক্ষেত্রজ পুত্র (Agricultural son)
ক্ষেত্র জপুত্র (বাপৌছ)বি নিজ পত্নীর গর্ভজাত অন্যের পুত্র, agricultural son (প্র) . নিজ পত্নীর গর্ভে অন্যের ঔরসজাত পুত্রকে ক্ষেত্রজ পুত্র বলা হয় . ভারতীয় পুরাণে পুত্র ১২ প্রকার। যথা; ১. ঔরস্য পুত্র ২. বৈপুত্র ৩. দুধ পুত্র ৪. পালক পুত্র ৫. দত্তক ৬. ধর্ম পুত্র ৭. ভিক্ষা পুত্র ৮. ক্ষেত্রজ পুত্র ৯. জারজ পুত্র ১০. মানস পুত্র ১১. বর পুত্র ও ১২. ব্রহ্ম পুত্র Jস্ত্রী ক্ষেত্রজ কন্যা {বাং.ক্ষেত্রজ+ বাং.পুত্র}

. জারজ পুত্র (Illegitimate son)
জারজ পুত্র (বাপৌছ)বি জারজাত, বিজন্মা, উপপতির উৎপন্ন পুত্র, illegitimate son (প্র) . স্বামীহীনা কুমারী বা বিধবা রমণীর পুত্র . ভারতীয় পুরাণে পুত্র ১২ প্রকার। যথা; ১. ঔরস্য পুত্র ২. বৈপুত্র ৩. দুধ পুত্র ৪. পালক পুত্র ৫. দত্তক ৬. ধর্ম পুত্র ৭. ভিক্ষা পুত্র ৮. ক্ষেত্রজ পুত্র ৯. জারজ পুত্র ১০. মানস পুত্র ১১. বর পুত্র ও ১২. ব্রহ্ম পুত্র Jস্ত্রী জারজ কন্যা {বাং.জারজ+ বাং.পুত্র}

১০. মানস পুত্র (Desire son)
মানস পুত্র (বাপৌছ)বি মন বা কল্পনা থেকে উৎপন্ন পুত্র, desire son (প্র) . ঔরসজাত পুত্র নয় বটে তবে; মানস জগতের সঙ্গে সাযুজ্য আছে এমন পুত্র-প্রতিম বিশেষ কোনো ব্যক্তি . ভারতীয় পুরাণে পুত্র ১২ প্রকার। যথা; ১. ঔরস্য পুত্র ২. বৈপুত্র ৩. দুধ পুত্র ৪. পালক পুত্র ৫. দত্তক ৬. ধর্ম পুত্র ৭. ভিক্ষা পুত্র ৮. ক্ষেত্রজ পুত্র ৯. জারজ পুত্র ১০. মানস পুত্র ১১. বর পুত্র ও ১২. ব্রহ্ম পুত্র Jস্ত্রী মানস কন্যা {বাং.মানস+ বাং.পুত্র}

১১. বর পুত্র (Blessing son)
বর পুত্র (বাপৌছ)বি ঋষি বা দেবতাগণের নিকট হতে প্রার্থনীয় পুত্র, Blessing son (প্র) . ঔরসজাত পুত্র নয়, তবে; ঋষি বা দেবতাগণের নিকট হতে বর রূপে প্রাপ্ত পুত্র . ভারতীয় পুরাণে পুত্র ১২ প্রকার। যথা; ১. ঔরস্য পুত্র ২. বৈপুত্র ৩. দুধ পুত্র ৪. পালক পুত্র ৫. দত্তক ৬. ধর্ম পুত্র ৭. ভিক্ষা পুত্র ৮. ক্ষেত্রজ পুত্র ৯. জারজ পুত্র ১০. মানস পুত্র ১১. বর পুত্র ও ১২. ব্রহ্ম পুত্র Jস্ত্রী বর কন্যা {বাং.বর+ বাং.পুত্র}

১২. ব্রহ্মপুত্র (Pactolus)
ব্রহ্মপুত্র (বাপৌছ)বি ব্রহ্মপুত্র নদী, Pactolus (প্র) . আসাম ও বাংলাদেশের মধ্যবর্তী নদী বিশেষ . ভারতীয় পুরাণে পুত্র ১২ প্রকার। যথা; ১. ঔরস্য পুত্র ২. বৈপুত্র ৩. দুধ পুত্র ৪. পালক পুত্র ৫. দত্তক ৬. ধর্ম পুত্র ৭. ভিক্ষা পুত্র ৮. ক্ষেত্রজ পুত্র ৯. জারজ পুত্র ১০. মানস পুত্র ১১. বর পুত্র ও ১২. ব্রহ্ম পুত্র Jস্ত্রী ব্রহ্ম কন্যা {বাং.ব্রহ্ম+ বাং.পুত্র}

. কন্যা সন্তান (Daughter progeny)
ভগ চি‎‎হ্নধারী সন্তানকে কন্যা সন্তান বলে।

কন্যা (বাপৌছ)বিস্ত্রী মেয়ে, তনয়া, দুহিতা, আত্মজা, সুতা, নন্দিনী, কুমারী, পাত্রী, বধূ, নববধূ, কুমারী মেয়ে, অবিবাহিতা নারী, বিবাহের উপযুক্তা নারী, ভাবীবধূ, বিবাহ অনুষ্ঠানের নায়িকা (জ্যোশা) কন্যারাশি, রাশি বিশেষের নাম (শ্ববি) শুক্র, শুক্রাণু, বীর্য, বিন্দু, ধাতু, semen, ‘.ﻤﻧﻰ’ (মনি), ‘.ﻧﻂﻔﺔ’ (নুত্বফা) (রূপ্রশ) গোবিন্দ, জল, বারি, পিতৃধন Jস্ত্রী অহল্যা, কালী, দুর্গা, বৈষ্ণবী, সীতা (ইদে).ﺍﺪﻢ’ (আদম), ‘.عُزَّىْ’ (ওয্যা), ‘.ﺠﻦ’ (জিন), ‘الزكاة’ (আজ্ঝাকাত), ‘.ﻟﻮﻄ’ (লুত্ব), ‘ﻴﺯﻴﺪ’ (ইয়াজিদ) Jস্ত্রী.ﺯﻟﻴﺠﺎ’ (জুলেখা), ‘.بلقيس’ (বিলকিস) (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীশুক্র পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা ও শ্বরবিজ্ঞানের একটি দেবতা বিশেষ (সংজ্ঞা). সর্বপ্রকার সম্পদকেই ধন বলা হয় . মৈথুনে শিশ্ন হতে নিঃসৃত শুভ্রবর্ণের তরল পদার্থকে শুক্র বা রূপকার্থে ধন বলা হয় (বাপৌছ) আদিপিতা, আদিমানব, আদ্যাশক্তি, দৈত্য, মহামায়া, মা ও স্বর্গীয়-ফল (বাপৌচা) দুর্গা, নারাঙ্গী, বেহুলা, রতী, রাধা, সীতা ও সুন্দরী (বাপৌউ) অমির, আঙ্গুর, ধেনু, নির্যাস, পদ্ম, পিতৃধন ও রুটি (বাপৌরূ) ধন (বাপৌমূ) শুক্র বিপ পুত্র।

ভারতীয় পুরাণে কন্যা ১৫ প্রকার। যথা; . ঔরস্য কন্যা . বৈ কন্যা . দুধ কন্যা . পালক কন্যা . দত্তক কন্যা ধর্ম কন্যা . ভিক্ষা কন্যা . ক্ষেত্রজ কন্যা . জারজ কন্যা ১০. মানস কন্যা ১১. বর কন্যা ১২. ব্রহ্ম কন্যা ১৩. অগ্নি কন্যা ১৪. হিমালয় কন্যা ও ১৫. সাগর কন্যা।

. ঔরস্য কন্যা (Legitimate daughter)
ঔরস্য কন্যা (বাপৌছ)বিস্ত্রী আপন বীর্যে স্বীয় স্ত্রীর গর্ভে জাত কন্যা, legitimate daughter (প্র) . সাম্প্রদায়িক পত্নীজাত কন্যা সন্তান . ভারতীয় পুরাণে কন্যা ১৫ প্রকার। যথা; ১. ঔরস্য কন্যা ২. বৈ কন্যা ৩. দুধ কন্যা ৪. পালক কন্যা ৫. দত্তক কন্যা ৬. ধর্ম কন্যা ৭. ভিক্ষা কন্যা ৮. ক্ষেত্রজ কন্যা ৯. জারজ কন্যা ১০. মানস কন্যা ১১. বর কন্যা ১২. ব্রহ্ম কন্যা ১৩. অগ্নিকন্যা ১৪. হিমালয় কন্যা ও ১৫. সাগর কন্যা বিপ ঔরস্যপুত্র  {বাং.ঔরস্য+ বাং.কন্যা}

. বৈ কন্যা (Stepe daughter)
বৈ কন্যা (বাপৌছ)বিস্ত্রী সতিনকন্যা, সপত্নীকন্যা, stepe daughter (প্র) . স্বামীর অন্য স্ত্রীর গর্ভজাত কন্যাকে বৈকন্যা বলা হয় . ভারতীয় পুরাণে কন্যা ১৫ প্রকার। যথা; ১. ঔরস্য কন্যা ২. বৈ কন্যা ৩. দুধ কন্যা ৪. পালক কন্যা ৫. দত্তক কন্যা ৬. ধর্ম কন্যা ৭. ভিক্ষা কন্যা ৮. ক্ষেত্রজ কন্যা ৯. জারজ কন্যা ১০. মানস কন্যা ১১. বর কন্যা ১২. ব্রহ্ম কন্যা ১৩. অগ্নিকন্যা ১৪. হিমালয় কন্যা ও ১৫. সাগর কন্যা বিপ বৈ পুত্র {বাং.বৈ (নয়)+ বাং.কন্যা}

. দুধ কন্যা (Dairy daughter)
দুধ কন্যা (বাপৌছ)বিস্ত্রী স্তনের দুগ্ধ দ্বারা পালিত অন্যের কন্যা, dairy daughter (প্র) . বিশেষ করে গর্ভধারিণী মাতা মারা যাওয়া, দাম্পত্য বিচ্ছেদ হওয়া বা অন্য কোনো কারণে; অন্যগর্ভ বা অন্য ঔরসের কন্যা হওয়ার পরও; যাকে নিজের স্তনের দুগ্ধ দ্বারা লালনপালন করা হয় . ভারতীয় পুরাণে কন্যা ১৫ প্রকার। যথা; ১. ঔরস্য কন্যা ২. বৈ কন্যা ৩. দুধ কন্যা ৪. পালক কন্যা ৫. দত্তক কন্যা ৬. ধর্ম কন্যা ৭. ভিক্ষা কন্যা ৮. ক্ষেত্রজ কন্যা ৯. জারজ কন্যা ১০. মানস কন্যা ১১. বর কন্যা ১২. ব্রহ্ম কন্যা ১৩. অগ্নিকন্যা ১৪. হিমালয় কন্যা ও ১৫. সাগর কন্যা বিপ দুধ পুত্র  {বাং.দুধ+ বাং.কন্যা}

. পালক কন্যা (Obtained daughter)
পালক কন্যা (বাপৌছ)বিস্ত্রী দত্তিকা, পোষ্যকন্যা, obtained daughter (প্র) . অন্যের কন্যা হলেও যাকে নিজের কন্যার মতো পালন করা হয় . স্ত্রীর গর্ভজাত বা স্বামীর ঔরসজাত ব্যতীত কন্যাবৎ লালনপালনকৃতা অন্যের কন্যা বিশেষ . ভারতীয় পুরাণে কন্যা ১৫ প্রকার। যথা; . ঔরস্য কন্যা . বৈকন্যা . দুধ কন্যা . পালক কন্যা . দত্তক কন্যা . ধর্ম কন্যা . ভিক্ষা কন্যা . ক্ষেত্রজ কন্যা . জারজ কন্যা ১০. মানস কন্যা ১১. বর কন্যা ১২. ব্রহ্ম কন্যা ১৩. অগ্নি কন্যা ১৪. হিমালয় কন্যা ও ১৫. সাগর কন্যা বিপ পালকপুত্র  {বাং.পালক+ বাং.কন্যা}

. দত্তক কন্যা (Adopted daughter)
দত্তিকা (বাপৌছ)বিণস্ত্রী দত্তককন্যা, পোষ্যকন্যা, পালককন্যা, adoptress (প্র) . সনাতনী সমাজে শাস্ত্রানুষ্ঠান দ্বারা গৃহীত পোষ্য কন্যা . ভারতীয় পুরাণে কন্যা ১৫ প্রকার। যথা; . ঔরস্য কন্যা . বৈকন্যা . দুধ কন্যা . পালক কন্যা . দত্তক কন্যা . ধর্ম কন্যা . ভিক্ষা কন্যা . ক্ষেত্রজ কন্যা . জারজ কন্যা ১০. মানস কন্যা ১১. বর কন্যা ১২. ব্রহ্ম কন্যা ১৩. অগ্নি কন্যা ১৪. হিমালয় কন্যা ও ১৫. সাগর কন্যা বিপ দত্তক।

দত্তক কন্যা (বাপৌছ)বিস্ত্রী দত্তিকা, পোষ্যকন্যা, পালককন্যা, adopted daughter (প্র) . অন্যের কন্যা হলেও যাকে নিজের কন্যার মতো পালন করা হয়. সনাতনী সমাজে শাস্ত্রানুষ্ঠান দ্বারা গৃহীত পোষ্যকন্যা বিশেষ . স্ত্রীর গর্ভজাত বা স্বামীর ঔরসজাত ব্যতীত কন্যাবৎ লালনপালনকৃতা অন্যের কন্যা বিশেষ . ভারতীয় পুরাণে কন্যা ১৫ প্রকার। যথা; . ঔরস্য কন্যা . বৈকন্যা . দুধ কন্যা . পালক কন্যা . দত্তক কন্যা . ধর্ম কন্যা . ভিক্ষা কন্যা . ক্ষেত্রজ কন্যা . জারজ কন্যা ১০. মানস কন্যা ১১. বর কন্যা ১২. ব্রহ্ম কন্যা ১৩. অগ্নি কন্যা ১৪. হিমালয় কন্যা ও ১৫. সাগর কন্যা বিপ দত্তক পুত্র {বাং.দত্তক+ বাং.কন্যা}

. ধর্ম কন্যা (God daughter)
ধর্ম কন্যা (বাপৌছ)বিস্ত্রী শিষ্যা, ধর্মমেয়ে, জ্ঞানকন্যা, god daughter (প্র) . সাম্প্রদায়িক মতবাদ অনুসরণকারী কন্যা . সাম্প্রদায়িক মতবাদ অনুযায়ী কন্যা রূপে গ্রহণকৃতা কন্যাকে ধর্ম কন্যা বলা হয় . সাম্প্রদায়িক মতবাদকে সাক্ষী রেখে সম্পর্ককৃতা কন্যা বিশেষ (শিষ্যা) . ভারতীয় পুরাণে কন্যা ১৫ প্রকার। যথা; . ঔরস্য কন্যা . বৈকন্যা . দুধ কন্যা . পালক কন্যা . দত্তক কন্যা . ধর্ম কন্যা . ভিক্ষা কন্যা . ক্ষেত্রজ কন্যা . জারজ কন্যা ১০. মানস কন্যা ১১. বর কন্যা ১২. ব্রহ্ম কন্যা ১৩. অগ্নি কন্যা ১৪. হিমালয় কন্যা ও ১৫. সাগর কন্যা বিপ ধর্মপুত্র {বাং.ধর্ম+ বাং.কন্যা}

. ভিক্ষা কন্যা (Begging daughter)
ভিক্ষা কন্যা (বাপৌছ)বিস্ত্রী ভিক্ষা দ্বারা যে কন্যা, begging daughter (প্র) . উপনয়নকালে যে ব্রাহ্মণকুমারীকে ভিক্ষা দিয়ে কন্যা রূপে গ্রহণ করা হয় . ভারতীয় পুরাণে কন্যা ১৫ প্রকার। যথা; . ঔরস্য কন্যা . বৈকন্যা . দুধ কন্যা . পালক কন্যা . দত্তক কন্যা . ধর্ম কন্যা . ভিক্ষা কন্যা . ক্ষেত্রজ কন্যা . জারজ কন্যা ১০. মানস কন্যা ১১. বর কন্যা ১২. ব্রহ্ম কন্যা ১৩. অগ্নি কন্যা ১৪. হিমালয় কন্যা ও ১৫. সাগর কন্যা বিপ ভিক্ষা পুত্র {বাং.ভিক্ষা+ বাং.কন্যা}

. ক্ষেত্রজ কন্যা (Agricultural daughter)
ক্ষেত্রজ কন্যা (বাপৌছ)বিস্ত্রী নিজপত্নীর গর্ভজাত অন্যের কন্যা, agricultural daughter (প্র) . নিজ পত্নীর গর্ভে অন্যের ঔরসজাত কন্যা বিশেষ . ভারতীয় পুরাণে কন্যা ১৫ প্রকার। যথা; . ঔরস্য কন্যা . বৈকন্যা . দুধ কন্যা . পালক কন্যা . দত্তক কন্যা . ধর্ম কন্যা . ভিক্ষা কন্যা . ক্ষেত্রজ কন্যা . জারজ কন্যা ১০. মানস কন্যা ১১. বর কন্যা ১২. ব্রহ্ম কন্যা ১৩. অগ্নি কন্যা ১৪. হিমালয় কন্যা ও ১৫. সাগর কন্যা বিপ ক্ষেত্রজপুত্র {বাং.ক্ষেত্রজ+ বাং.কন্যা}

. জারজ কন্যা (Illegitimate daughter)
জারজ কন্যা (বাপৌছ)বিস্ত্রী জারজাতা, বিজন্মা, উপপতির উৎপন্ন কন্যা, illegitimate daughter (প্র) . স্বামীহীনা, কুমারী বা বিধবা রমণীর কন্যা . ভারতীয় পুরাণে কন্যা ১৫ প্রকার। যথা; . ঔরস্য কন্যা . বৈকন্যা . দুধ কন্যা . পালক কন্যা . দত্তক কন্যা . ধর্ম কন্যা . ভিক্ষা কন্যা . ক্ষেত্রজ কন্যা . জারজ কন্যা ১০. মানস কন্যা ১১. বর কন্যা ১২. ব্রহ্ম কন্যা ১৩. অগ্নি কন্যা ১৪. হিমালয় কন্যা ও ১৫. সাগর কন্যা বিপ জারজ পুত্র  {বাং.জারজ+ বাং.কন্যা}

১০. মানস কন্যা (Desire daughter)
মানস কন্যা (বাপৌছ)বিস্ত্রী মন বা কল্পনা থেকে উৎপন্ন কন্যা, desire daughter (প্র) . ঔরসজাত কন্যা নয়; তবে; মানস জগতের সঙ্গে সাযুজ্য আছে এমন কন্যা-প্রতিম বিশেষ কোনো রমণী . ভারতীয় পুরাণে কন্যা ১৫ প্রকার। যথা; . ঔরস্য কন্যা . বৈকন্যা . দুধ কন্যা . পালক কন্যা . দত্তক কন্যা . ধর্ম কন্যা . ভিক্ষা কন্যা . ক্ষেত্রজ কন্যা . জারজ কন্যা ১০. মানস কন্যা ১১. বর কন্যা ১২. ব্রহ্ম কন্যা ১৩. অগ্নি কন্যা ১৪. হিমালয় কন্যা ও ১৫. সাগর কন্যা বিপ মানস পুত্র {বাং.মানস+ বাং.কন্যা}

১১. বর কন্যা (Blessing daughter)
বর কন্যা (বাপৌছ)বিস্ত্রী ঋষি বা দেবতাগণের নিকট হতে প্রার্থনীয় পুত্র, Blessing daughter (প্র) . ঔরসজাত কন্যা নয়; তবে; ঋষি বা দেবতাগণের নিকট হতে বররূপে প্রাপ্ত কন্যা . ভারতীয় পুরাণে কন্যা ১৫ প্রকার। যথা; . ঔরস্য কন্যা . বৈকন্যা . দুধ কন্যা . পালক কন্যা . দত্তক কন্যা . ধর্ম কন্যা . ভিক্ষা কন্যা . ক্ষেত্রজ কন্যা . জারজ কন্যা ১০. মানস কন্যা ১১. বর কন্যা ১২. ব্রহ্ম কন্যা ১৩. অগ্নি কন্যা ১৪. হিমালয় কন্যা ও ১৫. সাগর কন্যা বিপ বর পুত্র  {বাং.বর+ বাং.কন্যা}

১২. ব্রহ্ম কন্যা (Anahita)
ব্রহ্ম কন্যা (বাপৌছ)বিস্ত্রী সরস্বতী নদী, Anahita (প্র) . ভারতীয় পুরাণে বর্ণিত সরস্বতী নদীকে ব্রহ্মকন্যা বলা হয় . ভারতীয় পুরাণে কন্যা ১৫ প্রকার। যথা; . ঔরস্য কন্যা . বৈকন্যা . দুধ কন্যা . পালক কন্যা . দত্তক কন্যা . ধর্ম কন্যা . ভিক্ষা কন্যা . ক্ষেত্রজ কন্যা . জারজ কন্যা ১০. মানস কন্যা ১১. বর কন্যা ১২. ব্রহ্ম কন্যা ১৩. অগ্নি কন্যা ১৪. হিমালয় কন্যা ও ১৫. সাগর কন্যা বিপ ব্রহ্মপুত্র {বাং.ব্রহ্ম+ বাং.কন্যা}

১৩ অগ্নিকন্যা (Refulgentess)
অগ্নি কন্যা (বাপৌছ)বিস্ত্রী শক্তিশালিনী, বলশালিনী, অধিক শক্তিশালী কন্যা, refulgentess (প্র) . সাধারণত; অত্যন্ত শক্তিশালিনী কন্যাকে অগ্নিকন্যা বলা হয়। কিন্তু শ্বরবিজ্ঞানে শুক্র বা রতীকে অগ্নিকন্যা বলা হয়। শুক্র বা বীর্য ধূম্রহীন বা শিখাহীন কামাগুন হতে সৃষ্টি হয়। এজন্যই; এর এমন নামকরণ করা হয়েছে . ভারতীয় পুরাণে কন্যা ১৫ প্রকার। যথা; . ঔরস্য কন্যা . বৈকন্যা . দুধ কন্যা . পালক কন্যা . দত্তক কন্যা . ধর্ম কন্যা . ভিক্ষা কন্যা . ক্ষেত্রজ কন্যা . জারজ কন্যা ১০. মানস কন্যা ১১. বর কন্যা ১২. ব্রহ্ম কন্যা ১৩. অগ্নি কন্যা ১৪. হিমালয় কন্যা ও ১৫. সাগর কন্যা {বাং.অগ্নি+ বাং.কন্যা}

১৪. হিমালয় কন্যা (Daughter of the Himalayas)
হিমালয় কন্যা (বাপৌছ)বিস্ত্রী নেপাল, পঞ্চগড়, হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত অপরূপ সৌন্দর্যপ্রিয় পার্বত্য অঞ্চল বিশেষ (প্র) . হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত পার্বত্য অঞ্চলকে হিমালয়কন্যা বলা হয়। এ সূত্র ধরেই বর্তমান নেপালকে হিমালয়কন্যা কলা হয়। অন্যদিকে; যেহেতু; হিমালয় পর্বত বাংলাদেশের উত্তরে অবস্থিত, আর পঞ্চগড় বাংলাদেশের সর্ব উত্তরে ও হিমালয়ের কাছাকাছি অবস্থিত জেলা; সেহেতু; পঞ্চগড়কে হিমালয় কন্যা বা হিমালয় দুহিতা বলা হয় . ভারতীয় পুরাণে কন্যা ১৫ প্রকার। যথা; . ঔরস্য কন্যা . বৈকন্যা . দুধ কন্যা . পালক কন্যা . দত্তক কন্যা . ধর্ম কন্যা . ভিক্ষা কন্যা . ক্ষেত্রজ কন্যা . জারজ কন্যা ১০. মানস কন্যা ১১. বর কন্যা ১২. ব্রহ্ম কন্যা ১৩. অগ্নি কন্যা ১৪. হিমালয় কন্যা ও ১৫. সাগর কন্যা (ব্য্য) অর্থাৎ; পৃথিবীর ক্ষেত্রে নেপাল ও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে পঞ্চগড়কে হিমালয়কন্যা বলা হয় {বাং.হিমালয়+ বাং.কন্যা}

১৫. সাগর কন্যা (Kuakata/ Daughter of the Sea)
সাগর কন্যা (বাপৌছ)বিস্ত্রী কুয়াকাটা, সাগরের তীরবর্তী অপরূপা সৈকত বিশেষ (প্র) . সাগরের তীরে অবস্থিত অপরূপা সুন্দরী সৈকত বিশেষ। এখন সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা দেশী-বিদেশী ভ্রমণ পিপাসুদের কাছে পরিচিত একটি নাম। এজন্য; একে বাংলাদেশের সাগরকন্যা বলা হয়ে থাকে . ভারতীয় পুরাণে কন্যা ১৫ প্রকার। যথা; . ঔরস্য কন্যা . বৈকন্যা . দুধ কন্যা . পালক কন্যা . দত্তক কন্যা . ধর্ম কন্যা . ভিক্ষা কন্যা . ক্ষেত্রজ কন্যা . জারজ কন্যা ১০. মানস কন্যা ১১. বর কন্যা ১২. ব্রহ্ম কন্যা ১৩. অগ্নি কন্যা ১৪. হিমালয় কন্যা ও ১৫. সাগর কন্যা {বাং.সাগর+ বাং.কন্যা}

আবার সন্তানকে দু’ভাবে ভাগ করা যায়। ১. ঔরসজাত সন্তান ও ২. জ্ঞান-সন্তান।

. ঔরসজাত সন্তান (Legitimate progeny)
নিজের শুক্র দ্বারা উৎপন্ন সন্তানকে ঔরসজাত সন্তান বলে। যেমন; ছেলে মেয়ে।

. জ্ঞান-সন্তান (Wisdom progeny)
যে কোনো জ্ঞান গ্রহণকারীকেই জ্ঞান-সন্তান বলা হয়। জ্ঞান-সন্তান আবার দুই প্রকার। যথা; ১. সাধারণ জ্ঞান সন্তান ও ২. পরম্পরা-জ্ঞান সন্তান।

সাধারণ জ্ঞান-সন্তান (Ordinary wisdom progeny)
যে কোনো শাখা প্রশাখার জ্ঞান গ্রহণকারীকেই সাধারণ-জ্ঞান সন্তান বলে। যেমন;  পাঠশালা ও বিদ্যালয়ের সব ছাত্রছাত্রী।

পরম্পরা জ্ঞান-সন্তান (Sequential wisdom progeny)
পরম্পরা-জ্ঞান গ্রহণকারী শিষ্যকে পরম্পরা-জ্ঞান সন্তান বলে। যেমন; দেহতাত্ত্বিক জ্ঞান গ্রহণকারী শিষ্য ও শিষ্যা ইত্যাদি।

সন্তানের উপকার (Benefits of progeny)
১.   প্রজাতির বংশগতির ধারা রক্ষা করে।
২.   পরম্পরার মাধ্যমে জ্ঞানের প্রচার প্রসার করে।

সন্তানের অপকার (Disservice of progeny)
ঔরসজাত সন্তান সাধন ও স্বাধীনতা বিনষ্ট করে।

সন্তানের পরিচয় (Identity of progeny)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীসন্তান পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা বিশেষ। এখানে আমরা সন্তান বলতে কেবল ঔরস্যপুত্র, ক্ষেত্রজপুত্র ও জারজপুত্র এবং ঔরস্যকন্যা, ক্ষেত্রজকন্যা ও জারজকন্যাকে প্রকৃত সন্তান রূপে গণ্য করে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করতে চেষ্টা করব। কারণ; অবশিষ্ট পুত্র ও কন্যা প্রকৃত সন্তান নয়। তাই; ঐগুলো আমাদের এই আলোচনার অধীনে পড়ে না। সারাবিশ্বের সব পুরাণে সন্তানকে মূর্তি বলা হয়। আর সন্তানপালন করাকে মূর্তিপূজা বলা হয়।

পিতা-মাতার পুনর্জন্মকে সন্তান বলা হয়। প্রাণীকুলের শাবক ও উদ্ভিদকুলের ফলই সন্তান বলে গণ্য। দ্বিপস্থ প্রজাতির প্রাণীদের নর-নারী শুক্রাণু ও ডিম্বাণু একত্র মিলিত হয়ে সন্তান সৃষ্টি হয়। একপস্থ প্রজাতির প্রাণীরা স্ববিভাজন প্রক্রিয়ার বংশ বৃদ্ধি করে। উদ্ভিদের পরাগায়নের মাধ্যমে ফল সৃষ্টি হয়। প্রাণী ও উদ্ভিদ বয়োপ্রাপ্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাদেরকে পুনরায় যার যার বীর্যের মধ্যে স্থাপন করা হয়। উপযুক্ত পরিবেশ ও যথাযথ সময়ে আদি স্বায়ম্ভূশক্তির দ্বারা উক্ত বীজ হতে তারা আপনাপনিই পুনরুদ্গত হয়। বীজ হতে জীবের পুনরোদ্গমকেই আমরা সন্তান বলি।

স্থূলদৃষ্টিতে পিতা-মাতা ও সন্তান ভিন্ন ভিন্ন দেখা গেলেও সূক্ষ্মদৃষ্টিতে জীবের ধড় পরিবর্তন ব্যতীত শৈশব, কৈশোর, যৌবন, বৃদ্ধ, জন্ম ও প্রয়াণ বলতে কিছুই নেই। যেমন;  তেঁতুলগাছ ধড় বা চামড়া পরিবর্তনের জন্য উপযুক্ত সময়ে অতি সূক্ষ্মভাবে তেঁতুল বিচির বীজের ভ্রূণে সংস্থাপিত হয়। মাটিতে পড়ে আলো, বাতাস ও জলসহ সুষম পরিবেশ পেলে আবার সে তেঁতুলগাছটিই উদ্ভিদ রূপে বেরিয়ে আসে। তাতে পূর্বের গাছটি এবং পরের গাছটির মধ্যে চুল পরিমাণ পার্থক্যও পাওয়া যায় না। তেঁতুলের স্বাদ গন্ধ ও খাদ্যসারেরও বিন্দুমাত্র পার্থক্য পাওয়া যায় না। সৃষ্টির আদিতে যে গাছটি ছিল এবং এ নবোদ্গত শিশুগাছটির মধ্যে কোনো পার্থক্যও পাওয়া যাবে না। প্রয়াণ ও জন্ম জীবের ধড় পরিবর্তনের পর্যায়মাত্র। আদি হতে অদ্যাবধি তেতুলগাছ একটিই, কাঁঠালগাছ একটিই ও ইলিশমাছ একটিই। তাদৃশ মানুষও একটিই।

শ্বরবিজ্ঞানে সন্তানকে মূর্তি বলা হয়। যে কোনো শক্তি কোনো কারণে আকার ধারণ করে মূর্তমান হওয়ামাত্রই তাকে মূর্তি বলে। শক্তি মূর্তমান হলে সে শক্তি আর শক্তি থাকে না বরং সে শক্তি তখন বস্তু কিংবা পদার্থ হয়ে যায়। যেমন; বাতাস এক প্রকার শক্তি কিন্তু যখন বাতাস ধরে তরল কিংবা কঠিন করা হয় তখন সে আর শক্তি থাকে না তখন সে পদার্থ হয়ে যায়। তেমনই; শব্দ এক প্রকার শক্তি কিন্তু যখন শব্দ টেপ রেকর্ডার দ্বারা ধারণ করে বাণীবদ্ধ করা হয় তখন তা আর শক্তি থাকে না বরং তা ক্যাসেট বা ডিক্স আকারে বিপণির পণ্যদ্রব্য রূপেই পরিবেশিত হয়। তাদৃশ জলীয় বাষ্পও এক প্রকার শক্তি। একে বাষ্পশক্তি বলে। বাষ্পশক্তিকে ধরে যখন তরল কিংবা কঠিন করা হয় তখন তা আর শক্তি থাকে না ববং পদার্থ বা বস্তুতে পরিণত হয়।

সমীক্ষা (Surveying)
শীতের রাতে লোহা বা টিনজাতীয় প্রশস্ত একটি ফলক উন্মুক্ত মাঠে শূন্যের ওপর স্থাপন করি। অতঃপর; উক্ত ফলকটির নিচে প্রয়োজন মতো জল আহরণের পাত্র স্থাপন করি। রাতে জলীয়বাষ্প কুয়াশা আকারে ফোটে ফোটে পড়ে উক্ত পাত্রে সঞ্চিত হলে সকালে তা সংগ্রহ করি। এবার সংগৃহীত জল হিমাগারে রেখে দিই। যথা সময় পরে দেখতে পাবো জল আর জল নেই তা বরফে পরিণত হয়ে গেছে। আমরা প্রত্যক্ষভাবে দেখতে পেলাম বাষ্পশক্তি কিভাবে পদার্থ বা বস্তুতে পরিণত হয়। পূর্বে বাষ্পশক্তি দ্বারা যেসব কাজ করানো সম্ভব হতো এখন জল বা বরফ দ্বারা ঐ সমস্ত কাজ করানো আর সম্ভব নয়। কারণ; শক্তি বস্তুতে পরিণত হলে শক্তির শক্তিও ব্যাপক লোপ পায়। পদার্থকে আবার শক্তিতে রূপান্তর করলে সে শক্তি পুনরায় ফিরে পায়। এ হতে আমরা বলতে পারি “শক্তির মূর্তমান রূপই মূর্তি”। বিশ্বের প্রতিটি পদার্থ বা বস্তু বা প্রাণীই পূর্বে শক্তি অবস্থায় থাকে। অতঃপর; যখনই সে কোনো কারণে মূর্তমান হয় তখনই তাকে মূর্তি বলা হয়। অতএব; জীবমাত্রই মূর্তি। যেহেতু; সন্তান জীব সেহেতু সন্তানও মূর্তি। যারফলে; শ্বরবিজ্ঞানে; মানুষ বা সন্তান উভয়কেই মূর্তি রূপে প্রতিমান করা হয়। শ্বরবিজ্ঞানে; মূর্তিপূজা দ্বারা সন্তানপালনই বুঝায়।

সন্তান নতুন কোনো সৃষ্টি নয় বরং সন্তান হলো পিতা-মাতারই পুনর্জন্ম বা পুনরুত্থান। তাহলে স্বভাবতই প্রশ্ন জাগে “সন্তান আগে নাকি পিতা-মাতা আগে?” যেমন;  বলা হয় “ডিম আগে নাকি কুক্কুট আগে?” এমন দার্শনিক প্রশ্নের উত্তরে কেবল এতটুকু বলা যায় পিতা-মাতা ও কুক্কুটই আগে সন্তান ও ডিম পরে। অধিকাংশ আত্মজ্ঞানী মনীষীর মতে; সন্তানের দেহ (মানবদেহ) মোট আঠার (১৮)টি বিষয়বস্তুর সমন্বয়ে গঠিত। তারমধ্যে বাবার চার। যথা; ১. হাড় ২. হৃদরা ৩. শুক্র ও ৪. ঘিলু। মাতার চার। যথা; ১. চুল ২. চামড়া ৩. মাংস ও ৪. চর্বি এবং প্রভুর দশটি। যথা; ১. চক্ষু ২. কর্ণ ৩. নাসিকা ৪. জিহবা ৫. ত্বক ৬. বাক্ ৭. পাণি ৮. পাদ ৯. পায়ু ও ১০. উপস্থ। সদ্যজাত সন্তান বা সদ্যপ্রসূত সন্তানের নিকট অত্যন্ত ক্ষমতাধর দশটি প্রাকৃতিক প্রযুক্তি বা ইন্দ্রিয় বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও সেসব থাকে প্রায় অকার্যকর (inactive)। শিশুর বয়োবৃদ্ধির সাথে সাথে ইন্দ্রিয়াদি কার্যকর (active) হয়। একেই কেন্দ্র করে আরবীয় সুমহান মুসলমান রূপকারগণ (Fabulist) অত্যন্ত চমৎকার পুরাণ নির্মাণ করেছেন। তারা শিশুর জন্মকে রূপকভাবে ‘পুনরুত্থান’ নামকরণ করে এমন উপমা নির্মাণ করেছেন যে তা সত্যই চমকপ্রদ!

কাল্পনিক গল্প (Mythology)
তারা লিখেছেন; “পুনরুত্থান অত্যন্ত কঠিন হৃদয়বিদারক ঘটনাবলী। একজন বংশীবাদক যখন বংশীতে প্রথম ফুঁক দিবেন তখন আকাশ ও ভূমি ভেঙ্গেচুরে তুলার মতো বাতাসে উড়তে আরম্ভ করবে। অতঃপর; কিছুক্ষণের মধ্যেই সব স্থির হয়ে যাবে। অতঃপর; তিনি যখন আবার যখন দ্বিতীয় ফুঁক দিবেন তখন মানুষের পুনরুত্থান হবে। সমবেত হওয়ার জন্য যখন মানুষের পুনরুত্থান হবে। তখন ‘মানুষের মুখ থাকবে কিন্তু কথা বলতে পারবে না, ‘মানুষের চোখ থাকবে কিন্তু দেখতে পারবে না, ‘মানুষের কর্ণ থাকবে কিন্তু শুনতে পারবে না, ‘মানুষের হাত থাকবে কিন্তু ধরতে পারবে না, ‘মানুষের পা থাকবে কিন্তু চলতে পারবে না এবং ‘মানুষের পা থাকবে কিন্তু দাঁড়াতে পারবে না।” “এমতাবস্থায় দেবতাগণ মারবেন কিন্তু প্রতিবাদ করতে পারবে না। তারপর; দেবতাগণ তাদেরকে স্বভাবসেতুর দিকে তাড়িয়ে নিয়ে যাবেন। যারা পুণ্যবান তারা তাদের বিশ্বাসের আলোতে সেতুটি অতি সহজেই অতিক্রম করতে পারবে কিন্তু যারা পাপী তারা কেটে কেটে সেতুর নিচে পেতে রাখা অগ্নি প্রজ্জ্বলিত নরককুণ্ডে পতিত হবে। সেতুটি হবে ত্রিশ হাজার বছরের পথ সমপরিমাণ। দশ হাজার বছর সময় লাগবে সেতুটিতে উঠতে, দশ হাজার বছর সময় লাগবে সেতুটি পাড়ি দিতে এবং আরও দশ হাজার বছর সময় লাগবে সেতুটির ওপর হতে নিচে নামতে। যারা সেতুটি অতিক্রম করতে পারবে তারাই কেবল স্বর্গে প্রবেশাধিকার পাবে এবং যারা পাড়ি দিতে পারবে না তারা সবাই নরকবাসী হবে।”

আত্মদর্শন (Theology)
উপরোক্ত রূপক ঘটনাটি যে কেবল সদ্যপ্রসূত শিশুর দিকে লক্ষ্য করেই নির্মাণ করা হয়েছে এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। কারণ; উপমায় ব্যবহৃত সব কয়টি উপাদানই শিশুর জন্ম হতে চল্লিশের মধ্যবর্তী বয়স হতে নেওয়া হয়েছে। উপমায় ব্যবহৃত উপাদানাদি একটু ব্যাখ্যা করলেও সবকিছু বুঝা অত্যন্ত সহজ হয়ে যাবে।

গর্ভে সন্তান

ব্যবহৃত উপাদানাদির বিশ্লেষণ ও মূলক সত্তা উদ্ধার
(The incident used elements analysis and recovered radical entity)

বংশীবাদক (Piper)
নাসিকা।

বাঁশীতে প্রথম ফুঁক দেওয়া (Given the first blowing on the flute)
মৈথুনে যার যার পিতার শ্বাস।

আকাশ (Sky)
নরদেহ। অর্থাৎ; পিতার দেহ।

ভূমি (Land)
নারীদেহ। অর্থাৎ; মাতার দেহ।

আকাশ ও ভূমি ভেঙ্গে তুলার মতো বাতাসে উড়া (Break the sky and land and abound like cotton)
কামদেশে গিয়ে কাম আগুনে পুড়ে নরদেহ শুক্ররসে এবং নারীদেহ সুধারসে পরিণত হওয়া। অর্থাৎ; পিতা-মাতার দেহ রসে রপান্তরিত হওয়া।

স্থির হয়ে যাওয়া (Going become stabilize)
কামদেশে গিয়ে শুক্রপাত করা দ্বারা যার যার কামিন্দ্র স্থির হয়ে যাওয়া।

দ্বিতীয় ফুঁক দেওয়া (Given second blowing)
শুক্রপাতের পর পিতার শুক্রাণু মাতৃগর্ভে গিয়ে ভ্রূণ সৃষ্টি করার দ্বারা সন্তান রূপ-ধারণ করা এবং গড়ে তিনশতদশ (৩১০) দিবস পর সন্তান রূপে ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর আবার নাসিকাযোগে শ্বাস গ্রহণ করা।

দ্বিতীয় ফুঁক দেওয়ার পর পুনরুত্থান হওয়া (Be resurrection after second blowing)
প্রথম ফুঁকটি ছিল পিতার শুক্রপাত ঘটানোর সর্বশেষ শ্বাসটি এবং দ্বিতীয় ফুঁকটি হলো সদ্য ভূমিষ্ঠ সন্তানের নাসিকাযোগে প্রাণবায়ু প্রবেশ করে ফুসফুসে গিয়ে ‘উঁয়া উঁয়া’ করে কেঁদে ওঠার প্রথম শ্বাস। অর্থাৎ; প্রথম ফুঁক হলো বাবার এবং দ্বিতীয় ফুঁক হলো সন্তানের। যেহেতু; যিনি বাবা তিনিই সন্তান।

সমবেত হওয়া (Assembly)
সন্তান মাত্র দশমাস দশদিন মাতৃগর্ভ ঘুরে এসে আবার পিতা-মাতার সাথে মিলিত হওয়া।

সেদিন মানুষের মুখ থাকবে কিন্তু কথা বলতে পারবে না, চোখ থাকবে কিন্তু দেখতে পারবে না, কর্ণ থাকবে কিন্তু শুনতে পারবে না, হাত থাকবে কিন্তু ধরতে পারবে না, পা থাকবে কিন্তু চলতে পারবে না এবং পা থাকবে কিন্তু দাঁড়াতে পারবে না (‘That day human there will be mouth but it will not be able to speak, there will be eyes but it will not be able to see, there will be ears but will not be able to hear, ‘there will be hands but will not be able to catch up, ‘there will be legs but will not be able to walk, and ‘there will be legs but will not be able to stand up). সন্তান সদ্য ভূমিষ্ঠ হওয়ার প্রথম তিনমাসের মধ্যে তার কোন ইন্দ্রিয় ব্যবহার করে বল প্রয়োগ বা বল প্রতিরোধ করতে না পারা।

দেবতাগণের মারপিটের প্রতিবাদ করতে না পারা
(Be unable to protest of beatings of the angels)
সন্তান অন্যায় করলে অভিভাবকগণ শাসন করলে শিশুরা তার প্রতিবাদ করতে না পারা।

স্বভাবসেতু (Disposition bridge)
মানুষের যৌবনকাল বা যৌবনকালের ত্রিশ বছর সময়।

স্বভাবসেতুর দিকে তাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া
(Was taken to drive at disposition bridge’s side)
মানবসন্তানের শৈশব ও কৈশোরকাল অতিক্রম করে যৌবনের দিকে অগ্রসর হওয়া।

পুণ্যবান (Virtuous)
অটল ও অখণ্ডব্যক্তি।

বিশ্বাসের আলো (The lights of beliefs)
আত্মতত্ত্ববাদী সাধকগুরুর বাস্তবমুখী বাণীর কার্যকারিতা।

বিশ্বাসের আলোতে সেতু পার হওয়া (The bridge crossing by the lights of beliefs)
যারা গুরুর বাণী মতো অটল প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবে তারা অনায়াসে বৈতরণী অতিক্রম করতে পারবে।

পাপী (Sinner)
শুক্রপাতকারী।

সেতুর নিচে প্রস্তুত রাখা অগ্নি প্রজ্জ্বলিত নরককুণ্ডে পাপীদের কেটে কেটে পড়া
(The abyss-pit of fire ignite prepared under the bridges, sinners fallen cut off)
স্বয়ং কানাই হলো নরককুণ্ড এবং শুক্রপাত করাকে কেটে পড়া বলা হয়।

ত্রিশ হাজার বছরের সেতুপথ (The bridge way of thirty thousand years)
যৌবনকালের ত্রিশ বছর। কারণ; শ্বরবিজ্ঞানে; এক বছরকে এক হাজার বছর বলা হয়। এজন্য; ত্রিশ হাজার বছর সমান ত্রিশ বছর। অর্থাৎ; মানুষের ১১ হতে ৪০ বছর বয়সের মধ্যবর্তী ত্রিশ বছর বয়স। এছাড়াও; আধ্যাত্মিক বিজ্ঞানের আরও একটি সূত্র রয়েছে। যেমন; পৌরাণিক মূলক সংখ্যায় শূন্য (০) হ্রাস-বৃদ্ধি করলে; গাণিতিকভাবে দশগুণ পরিবর্তন হয়, কিন্তু; শ্বরবিজ্ঞানে পৌরাণিক মূলক সংখ্যার কোনো পরিবর্তন হয় না।” এ সূত্র দ্বারাও আমরা পৌরাণিক মূলক সংখ্যা ত্রিশ রেখে অবশিষ্ট তিনশূন্য (০০০) ফেলে দিলেও ত্রিশ পৌরাণিক মূলক সংখ্যা পাই। এ ত্রিশই হলো মানুষের যৌবনের ত্রিশ বছর। বর্তমানে সারাবিশ্বের মানুষের গড় আয়ু ছেষট্টি বছর এবং গড় যৌবনকাল ৩০ বছর।

দশ হাজার বছর ধরে সেতুতে ওঠা (Rise the bridge until ten thousand year)
এগার বছর হতে বিশ বছরের মধ্যবর্তী দশ বছর পর্যন্ত যৌবন বাড়তে থাকা।

দশ হাজার বছর ধরে সেতুটি পাড়ি দেওয়া (Crossed over the bridge until ten thousand year)
একুশ বছর হতে ত্রিশ বছরের মধ্যবর্তী দশ বছর পর্যন্ত যৌবন স্থির থাকা।

দশ হাজার বছর ধরে সেতুটি হতে নামা (Dismount from the bridge until ten thousand year)
একত্রিশ বছর হতে চল্লিশ বছরের মধ্যবর্তী দশ বছর যৌবন ভাটির দিকে যেতে থাকা।

সেতু অতিক্রম করা (Overpass the bridge)
মানুষের চল্লিশ বছর বয়স উত্তীর্ণ হওয়া।

স্বর্গে প্রবেশ করা (To enter heaven)
গুরুদীক্ষা গ্রহণ করার দ্বারা অটল হওয়া।

নরকবাসী হওয়া (Be a resident of hell)
সন্তান ও সংসারের ঝামেলায় আবদ্ধ হয়ে পড়া।

এবার একটু ব্যাখ্যা করে লেখা প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি। পুণ্যবানরা বিশ্বাসের শক্তিতে সেতুটি পার হয়ে যেতে পারে কিন্তু পাপীরা কেটে কেটে নরককুণ্ডে পতিত হয়। এর অর্থ হলো; গুরুদীক্ষা গ্রহণকারীরা শুক্রনিয়ন্ত্রণ কৌশল জানার ফলে পুনঃপুন কামনদী পাড়ি দিয়ে থাকেন, তবুও; তাদের শুক্রপাত হয় না। কিন্তু সাধারণ মানুষ গুরুদীক্ষা না নেওয়ার কারণে কামনদীতে নাইতে গেলে নদীর পাড়ে নামতে না নামতেই শুক্রপাত করে ফেলে। একেই কেটে টুকরা টুকরা হয়ে নরককুণ্ডে পতিত হওয়া বলা হয়। এবার হয়তো উন্মোচিত হয়েছে মুসলমানদের পুনরুত্থান মতবাদ নামক চির গুপ্ত রহস্যটি। পিতা-মাতাকে বলা হয় ইহকাল এবং তাদের ক্ষেত্রে তাদের সন্তানকে বলা হয় পরকাল। শ্বরবিজ্ঞানে; অধিকাংশ ক্ষেত্রে পরকালকে ভয় করতে বলা হয়েছে। এর কারণ হলো; কোনো মানুষের জীবনে সে যতটুকু সততা অটুট রাখতে পেরেছে কিন্তু সে যদি আবার সন্তান রূপে পুনর্জন্ম গ্রহণ করে ফিরে আসে। তবে; যদিও সন্তান ও সে একই ব্যক্তি, তবুও; তারা ভিন্ন দুটি মানুষে পরিণত হবেই হবে। তখন সন্তান যদি পিতার মতো সৎ ও সততা অর্জন না করে, এমনকি; সে যদি অন্যায়পথ গ্রহণ করে তবে ব্যক্তির পূর্ব জন্ম বা পিতা রূপে অর্জিত যশ ও সম্মান সব ধুলিস্যাৎ হয়ে যাবে। তাই; শ্বরবিজ্ঞানে; সন্তানরূপ পুনর্জন্মকে অধিক ভয় করতে বলা হয়েছে।

সন্তানের দ্বারা পিতা-মাতা উপকৃত হয় কী না? এমন প্রশ্নের উত্তরে বলা যায়- সন্তানের দ্বারা পিতা-মাতা সামান্য পরিমাণ উপকৃত বটে তবে তাকে একটি সন্তান লালনপালন করতে পিতা-মাতার যে পরিমাণ কষ্ট হয় তার তুলনায় শতকরা এক (১%) ভাগও বলা যায় না। আবার অনেক ক্ষেত্রে পিতা-মাতা সন্তানের নিকট হতে তাদের প্রয়াণের পর কেবল কাঁধে করে শববহন ভিন্ন আর কোনো উপকার লাভই করতে পারেন না। আবার অনেক সন্তান যারা বিদেশ থাকে তারা পিতা-মাতার প্রয়াণের পর তাদের শববহনটুকুও করতে পারে না। শ্বরবিজ্ঞানে; এমনই নানা চিন্তা গবেষণা করেই সন্তানগ্রহণ বা পুনরুত্থান করা বা পুনর্জন্মগ্রহণ করা একেবারেই নিষিদ্ধ। আবার প্রশ্ন হতে পারে বিশ্বের বড় বড় মহামানবগণ কী সন্তান গ্রহণ করেননি? সবাই যদি সন্তান গ্রহণ না করে তবে পৃথিবীতে মানুষই থাকবে না ইত্যাদি। এমন প্রশ্নের উত্তর হলো; পরকালকে ভয় করো! পুনঃপুন পুনর্জন্ম গ্রহণ করতে থাকলে জন্ম-মৃত্যু হতে মুক্তিলাভ করা সম্ভব হয় না। এমন কথা সব সাধু ও মনীষীরা বলতে থাকলেও কেবল দুয়েকজনেই এ কথা সঠিকভাবে গ্রহণ করে থাকে। আর সবাই এককান দিয়ে ঢুকিয়ে অন্যকান দিয়ে বের করে দেন। তাই; শ্বরবিজ্ঞানের বর্ণনার ওপর ভিত্তি করে পৃথিবী জনশূন্য হওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই নগণ্য। পুরাণ আজকের নতুন নয়। বরং এটি; প্রায় তিন হাজার বছরের পুরোনো। তবুও; যখন লোকসংখ্যা হ্রাস পায় নি। তবে; এখনকার কথায়ও লোকসংখ্যা কখনই হ্রাস পাবে না। মহামানবদের কোনোই ঔরসজাত সন্তান নেই এ কথা শক্ত করেই বলা যায়। তবে; শ্বরবিজ্ঞানের মধ্যে যেসব সন্তান সন্ততির আলোচনা পাওয়া যায় তা পুরোটাই রূপক। এবং তার সবই মানস সন্তান। অর্থাৎ; সেসব হলো মহামানবদের মানসপুত্র ও মানসকন্যা। আলোচ্য পৌরাণিক মূলক সত্তার রূপক ও ব্যাপক পরিভাষাগুলো নিচে আলোচনা করা হলো।

(তথ্যসূত্র; আত্মতত্ত্ব ভেদ (৭ম খণ্ড)লেখকবলন কাঁইজি)

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!