৯৪. সন্তানপালন

সহযোগী মূলক পরভিাষা

রূপক পরিভাষা

সহযোগী রূপক পরভিাষা

উপমান পরিভাষা

চারিত্রিক পরিভাষা

ছদ্মনাম পরিভাষা

৯৪. সন্তানপালন 
Breeding (ব্রিডিং)/ ‘تربية’ (তারবিয়া)

 

ভূমিকা (Introduction)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীবাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা এবং শ্বরবিজ্ঞানের বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীতে বর্ণিত সন্তানপালন পরিবার প্রধান বিশেষ। এর বাঙালী পৌরাণিক সহযোগী মূলক সত্তা সন্তানগ্রহণ। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা মূর্তিপূজা। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা পুত্তলিপূজা এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা সাকারপূজা। এটি; বাঙালী পৌরাণিক রূপক প্রধান মূলক সত্তা

অভিধা (Appellation)
সন্তানপালন ক্রি বংশধর প্রতিপালন, নিজের খণ্ডাংশ প্রতিপালন, breeding, ‘تربية’ (তারবিয়া), তারবিয়াতুল আওলাদ (.ﺗﺭﺒﻴﺔ ﺍﻻﻮﻻﺪ) (শ্ববি) প্রতিমাপূজা, সাকরণ, সাকার উপাসনা (ইংপ) rearing (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীসন্তানপালন পরিবার প্রধান ও একটি বাঙালী পৌরাণিক প্রকৃত মূলক পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) ১. সাধারণত; শিশু প্রতিপালন করাকে বাংলায় ‘সন্তানপালন বলা হয় ২. বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, আপন পুনর্জন্ম প্রতিপালনকে রূপকার্থে ‘সন্তানপালন বলা হয় (বাপৌছ) সাকারপূজা (বাপৌউ) পুত্তলিপূজা (বাপৌরূ) মূর্তিপূজা (বাপৌমূ) সন্তানপালন {বাং. সন্তান + বাং. পালন}

সন্তানপালনের সংজ্ঞা (Definition of breeding)
সাধারণত; শিশু প্রতিপালনকে সন্তানপালন বলে।

সন্তানপালনের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of breeding)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও পুরাণে আপন পুনর্জন্ম প্রতিপালনকে সন্তানপালন বলে।

পারিবারিক অবস্থান (Domestic position)

মূলক

রূপক উপমান চারিত্রিক

ছদ্মনাম

সন্তানপালন মূর্তিপূজা প্রতিমাপূজা সাকারপূজা

প্রাথমিক পরিপত্র (Primary circular)
সন্তানপালনের আভিধানিক, রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষা।

বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা; সন্তানপালন।
বাঙালী পৌরাণিক সহযোগী মূলক সত্তা; সন্তানগ্রহণ।
বাঙালী পৌরাণিক রূপক; মূর্তিপূজা।
বাঙালী পৌরাণিক উপমান; পুত্তলিপূজা ও প্রতিমাপূজা।
বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক; ০০।
ঃবাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম; দেবপ্রতিষ্ঠা ও সাকারপূজা।

বাংলা, ইংরেজি ও আরবি (Bengali, English and Arabic)

বাংলা

ইংরেজি

আরবি

৯৪. সন্তানপালন Breeding (ব্রিডিং) ‘تربية’ (তারবিয়া)
৯৪/০. সন্তানগ্রহণ Annexation (অ্যানেক্সেশন) ‘ضم’ (দম্মা)
৯৪/১. মূর্তিপূজা Idolatry (আইডোলেট্রি) ‘الوثنية’ (আলওয়াছানিয়া)

সন্তানপালনের প্রকারভেদ (Variations of breeding)
শ্বরবিজ্ঞানে; সন্তানপালন দুই প্রকার। যথা; ১. আপন সন্তানপালন এবং ২. অন্যের সন্তানপালন।

. আপন সন্তানপালন (Own breeding)
সাধারণত; আপন পুনর্জন্ম আপনি পালন করাকে আপন সন্তানপালন বলে।

. অন্যের সন্তানপালন (Others breeding)
অন্যের পুনর্জন্ম প্রতিপালন করাকে অন্যের সন্তান পালন বলে।

শ্বরবিজ্ঞানে; সন্তানপালন আবার দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান সন্তানপালন ও ২. উপমিত সন্তানপালন।

. উপমান সন্তানপালন (Analogical breeding)
সাধারণত; যে কোনো শিশু প্রতিপালনকে উপমান সন্তানপালন বলে।

. উপমিত সন্তানপালন (Compared breeding)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও পুরাণে আপন পুনর্জন্ম প্রতিপালনকে উপমিত সন্তানপালন বলে।

সন্তানপালনের উপকার (Benefits of breeding)
১.   সন্তানপালন দ্বারা বংশগতির ধারা রক্ষা করা হয়।
২.   সন্তানপালন দ্বারা জীব প্রজাতি অনন্তকাল পর্যন্ত টিকে থাকে।

সন্তানপালনের পরিচয় (Identity of breeding)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীসন্তানপালন পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা বিশেষ। স্বস্ব পুনর্জন্ম নিজে নিজে পালন করাকে সন্তানপালন বলা হয়। সন্তানই জীবের পরবর্তী প্রজন্ম। এজন্য; শ্বরবিজ্ঞানে; প্রজন্ম পালনকেই সন্তানপালন বলা হয়। প্রজন্ম পালন না করলে প্রজাতি টিকে থাকে না। এজন্য; স্বস্ব প্রজন্ম যথাযথ পালন করা প্রত্যেক প্রজাতিরই স্বস্ব কর্তব্য। শ্বরবিজ্ঞানীদের মতে; প্রত্যেক মানুষের মুক্তিলাভ করা অবশ্য প্রয়োজন। সেজন্য; সন্তান উৎপাদন ও সন্তানপালন বর্জন করা একান্ত প্রয়োজন। অর্থাৎ; শ্বরবিজ্ঞানে; সন্তান উৎপাদন ও সন্তানপালন চির নিষিদ্ধ। আত্মজ্ঞান ঘরানার বড় বড় মনীষীদের মতে; সন্তানগ্রহণ করার দ্বারা মানুষ খণ্ডিত হয়। এজন্য; মানুষ একবার খণ্ডিত হলে আর মুক্তিলাভ করতে পারে না। চির ঘূর্ণায়মাণ প্রাকৃতিক নাগরদোলা চক্রে তাকে চিরদিন কেবল ঘুরতেই হয়। আবার সন্তানগ্রহণ ও সন্তানপালন না করার আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো মৈথুনের সময়ে স্বামীর দেহ কাম আগুনে পুড়ে শুক্ররসে পরিণত হয়। অতঃপর; সে শুক্র স্ত্রীর গর্ভে স্থাপিত হয়। অর্থাৎ; স্বামীর আংশিক ক্ষণ্ডিত হয়ে স্ত্রীর গর্ভে স্থাপিত হয়। অতঃপর; মাত্র দশমাসের ব্যবধানে স্বামী নিজেই আবার সন্তান রূপে আগমন করে। এরূপেই পিতা ও সন্তান একদেহ বা একই ব্যক্তি রূপে বিবেচিত হন। তাইতো; সন্তান পিতার উত্তরাধিকারী হয়।

এখানেই; তাত্ত্বিক মনীষীগণ দেখেন যে; একই স্বামী স্ত্রীকে একবার স্ত্রী রূপে ব্যবহার করার সময় শুক্রপাতের মাধ্যমে স্ত্রী গর্ভে যায় আবার সন্তান রূপে পুনর্জন্মগ্রহণ করে সে-ই স্ত্রীর দুগ্ধপান করে। কিন্তু এটা করা বা হওয়া কোনো সুস্থ মানুষের জন্যই সমীচীন নয়। তবে; অজান্তে যা হয়েছে তা মার্জনীয়। এজন্য; আত্মজ্ঞানী মনীষীগণ মনে করেন যে; সাধকদের সন্তানগ্রহণ না করা উত্তম। যদি সন্তান নিতেই হয় তবে ঐ রমণীর সাথে আর স্ত্রীসুলভ ব্যবহার করা যাবে না। কারণ; স্বামী শুক্র রূপে স্ত্রীর গর্ভে প্রবেশ করে সন্তান রূপে জন্মগ্রহণ করলে তখন দুগ্ধপান করুক বা না করুক ঐ স্ত্রী আর স্ত্রী থাকেন না বরং উক্ত স্ত্রী তখন রীতিমত স্বামীর মাতা হয়ে যান। অনেক সাধকের জীবনী পাঠ করতে গিয়ে দেখা যায় যে; এ উভয় সংকটের মুখোমুখী হওয়ার ভয়ে তারা কেউ কেউ জীবনে কখনও বিবাহই করেন নি। আবার পবিবার, স্বজন ও সমাজের চাপে যারা বিবাহ করেছেন তারা কেউ বাসররাতে আবার কেউবা একটি সন্তান স্ত্রী গর্ভে প্রবেশ করার পর ঐ যে দেশান্তরী হয়েছেন আর কোনো দিন বাড়ি ফিরে আসেন নি।

শ্বরবিজ্ঞানে; সন্তানপালনকে মুর্তিপূজা বলা হয়। কারণ যেমন; মূর্তিকে পূজা করেও কোনো লাভ নেই; তেমনই; সন্তানপালন করেও কোনো লাভ নেই। যেমন; মূর্তি যজমানকে সুখ সমৃদ্ধি প্রদান করতে পারে না; তেমনই; সন্তান পিতা-মাতার সুখ-শান্তি দিতে পারে না। তাই; পারম্পারীক মনীষীগণ বলেন যে; সন্তান সদৃশ মূর্তির পূজা না করে বরং প্রভুর পূজা করাই প্রত্যেক মানুষের একান্ত কর্তব্য। এবার প্রশ্ন হতে পারে যে; তবে কী মানুষ সন্তানগ্রহণ ও সন্তানপালন একেবারে ছেড়ে দিবেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে আমরা বলতে চাই- সন্তানগ্রহণ না করা ও সন্তান পালন না করা মহামানবীয় স্বভাব। এটা সবার জন্য প্রযোজ্য নয়। যারা কেবল প্রকৃতির জন্ম-মরণের অমোঘচক্র হতে আত্মমুক্তি গ্রহণ করতে চান তাদের জন্যই এ মতবাদটি প্রযোজ্য। অতি সাধারণ মানুষ প্রকৃতির নিয়মানুযায়ী সন্তানগ্রহণ করবে ও প্রতিপালন করবে এটাই স্বাভাবিক।

আবার প্রশ্ন হতে পারে পিতা-মাতা কী তাদের অন্তিমকালে বা শেষ বয়সে সন্তানদের দ্বারা কোনভাবেই উপকৃত হন না? এমন প্রশ্নের উত্তরে বলা যায়- সৃষ্টিকুলে প্রায় কয়েক অর্ব্যুদ প্রজাতির জীব রয়েছে। তারমধ্যে; কোনো প্রাণীই তাদের পিতা-মাতার অন্তিমকালে পিতা-মাতার কোনো উপকার করে না। কেবল মানুষ ব্যতিক্রম। মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠজীব। এজন্য; মানুষের মধ্যে অনেক সন্তানই তাদের পিতা-মাতার অন্তিমকালে তাদের সেবাযত্ন করে থাকেন।

এ বিষয়টি আবার বিপরীতক্রমে বিচার করলে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। উপযুক্ত পুত্র, পুত্রবধূ ও জামাতগুলো বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও তাদের বৃদ্ধ পিতা-মাতা জীবন সায়াহ্নে অনাথাশ্রম বা বৃদ্ধাশ্রমে সম্পূর্ণ নিঃসঙ্গ জীবন কাটাচ্ছেন। অতঃপর; তিলে তিলে ও ধুকে ধুকে জীবন তাড়ার ভুলের গণনা মিলাচ্ছেন। আবার অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়- পিতা-মাতার কষ্টার্জিত অর্থকড়ি দ্বারা লেখাপড়া শিখে; তারপর; অনেক অর্থকড়ি ব্যয় করে অনেক সন্তান বিদেশ গিয়ে আর ফিরে আসেন না কোনো দিন। এমনকি; পিতা-মাতার প্রয়াণ সংবাদ পেলেও অনেকে এসে পিতা-মাতা শেষকৃতটুকুও করে যেতে সময় পান না। এমন সন্তানরাইবা পিতা-মাতার কী উপকারে আসে?

এবার যদি এমন সমীক্ষা করা হয় যে; বাস্তবে কয়জন সন্তান পিতা-মাতার সেবায় আত্মনিয়োগ করে? তবে এর উত্তরটা হবে বড় কঠিন। প্রায় দেখা যায় বৃদ্ধ অবস্থায় পিতা অর্থ উপার্জন করে। নিজে হাটে গিয়ে হাট করে আনেন। অতি বৃদ্ধা মাতা রান্নাবান্না করে। তারপর; বুড়াবুড়ী খায়। অথচ তখনো তাদের যুবকপুত্র ও যুবতীপুত্রবধু পাশেই পৃথক অন্নে খায়। এজন্য; দেখেও না দেখার কলা করে। আবার অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়- অত্যন্ত বৃদ্ধা অবস্থায়ও মাতা নিজেই তার বসন ও বাসন ধৌত করে ও অতি কষ্টেই রান্নাবান্না করে খায়। কন্যা ও পুত্রবধুরা তাদের কোনো উপকারেই আসে না। এ ব্যাপারে বলন কাঁইজির একটি উদ্ধৃতি তুলে ধরা যায়। যেমন;  তিনি লিখেছেন; “সুখের ভাগ কেউ দেয় না দয়াল, দুঃখের ভাগ দেয় সকলে, জানি না কোনো দোষে দয়াল, আমায় দোষিলে। ভাই বন্ধু আর স্ত্রী স্বজন, সবার শুধু দাও দাও ধ্বনন, চাওয়ার অংক হয় না পূরণ, গায়ের মাংস বেচিলে। ভেঙ্গে গেল যৌবনের ডাল, সুখপাখিটা দিলো উড়াল, জনমদুঃখী নিঃস্ব কাঙাল, আমায় করে রাখিলে। বিদ্যা-বুদ্ধি শূন্য এ ধড়, পরানপাখি করে ধড়ফড়, ভাবিয়া কয় বলন ত্রিগড়, সস্তি পাবো মরিলে।” (বলন কাঁইজি)

পরিশেষে বলা যায়; সন্তানগ্রহণ ও সন্তানপালন কেবলি সামাজিকতা। মায়ার জালে আবদ্ধ সামাজিক জীব রূপেই মানুষ সন্তানগ্রহণ ও সন্তানপালন করে থাকে। কিন্তু যার যার অন্তিমকালে কোনো পিতা-মাতাই সন্তানদের নিকট হতে তেমন উপকার পায় না। অত্র গ্রন্থের মূর্তিপূজা পরিভাষাটির অনুকূলে অবশিষ্ট আলোচনা করা হয়েছে। আলোচ্য বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার বাঙালী পৌরাণিক রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষাগুলো যথাস্থানে আলোচনা করা হয়েছে।

(তথ্যসূত্র; আত্মতত্ত্ব ভেদ (৭ম খণ্ড)লেখকবলন কাঁইজি)

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!