অবতার

১১/০৮. অবতার
Incarnation (ইনকার্নেশন)/ ‘تجسد’ (তুজাসিদ)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর ইঙ্গিত পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা ইঙ্গিত। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা প্রত্যাদেশ। এর উপনাম পরিভাষা ঐশিবাণী, দৈববাণী প্রতিভাস। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা গীর্বাণ, বলন সুবোল এবং এর অন্যান্য বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা ঐশিদূত দীপন

অভিধা (Appellation)
ঐশি বিণ ঐশ্বিক, ঐশ্বরিক, ঈশ্বর সম্বন্ধীয়, ঈশ্বরের, ঈশ্বরকৃত।
অবতার (বাপৌছ)বিণ প্রকাশক, বাহক, অবতরণকারী, incarnation, ‘تجسد’ (তুজাসিদ), divine envoy (প্র) . দেহহীন অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও নিষ্পাপ স্বর্গীয় দূত বিশেষ . যেসব স্বর্গীয় দেবতা দেহধাম রূপ মর্ত্যধামে আগমন করেন বা আবির্ভূত হন . পুরুষদেহের দাড়ি ও মুচ এবং রমণী দেহের স্তন, দুগ্ধ, রজ, সুধা ও মধু ইত্যাদি . বাঙালী পুরাণ অনুসারে; যুগে যুগে অবতারিত বিষ্ণুর দশ অবতার। যথা; ১. মৎস্য ২. কূর্ম ৩. বরাহ ৪. নৃসিংহ ৫. বামন ৬. পরশুরাম ৭. রামচন্দ্র ৮. কৃষ্ণ ৯. বুদ্ধ ও ১০. কল্কি (শ্ববি) ইঙ্গিত, চিহ্ন, সঙ্কেত, hint, ইশারা (.ﺍﺸﺎﺭﺓ) (রূপ্রশ) দেবতা, সুর, স্বর্গীয় দূত (ইংপ) angel, idol, divinity, messenger (ইদে) মালাকি (.ملاك), ফেরেস্তা (ফা.ﻔﺮﺸﺗﻪ) (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর ইঙ্গিত পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা ও শ্বরবিজ্ঞানের একটি দেবতা বিশেষ (সংজ্ঞা) . সাধারণত; সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মনীষীদের মতে; জগতের কল্যাণ সাধনের জন্য, বিভিন্ন রূপ ধারণ করে যুগে যুগে ঈশ্বরের পৃথিবীতে অবতরণকারী পৌরাণিক চরিত্রকে অবতার বলা হয়। যেমন; বাঙালী পুরাণ মতে; সত্যযুগে নারায়ণ ও ত্রেতাযুগে রাম অবতার . বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীতে বর্ণিত বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার রূপক নামে দেবতায়ন করে নির্মিত পৌরাণিক চরিত্রকে রূপকার্থে বাংলায় অবতার বলা হয়। যেমন; বিষ্ণুর অষ্টম অবতার কৃষ্ণ ও নবম অবতার বলরাম (বাপৌছ) অবতার, ঐশিদূত ও দীপন (বাপৌচা) গীর্বাণ, বলন ও সুবোল (বাপৌউ) ঐশিবাণী, দৈববাণী ও প্রতিভাস (বাপৌরূ) প্রত্যাদেশ (বাপৌমূ) ইঙ্গিত।

অবতারের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of incarnation)
১.   “অবতার আর অবতারী, সেতো অসম্ভব ভারি, দেখ এ জগৎভরি, এক চাঁদে হয় উজালা।” (পবিত্র লালন- ৯৩২/৩)(মুখ; সাঁই আমার কখন খেলে কোন খেলা, জীবের কী সাধ্য আছে, গণেপড়ে তাই বলা”)
২.   “অবতার মূলে সংবাদদাতা, আকার রূপে লালনকর্তা, জানগে তার মূল বারতা, ত্রিভঙ্গে পড়ে মরিস না।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৩৮)(মুখ; দয়াল নবি চিনলি না, মানবকর্ম সারা হলো না”)
৩.   “জগৎজোড়া মীন অবতার, প্রমাণ আছে সন্দেহের ওপর, সিরাজ সাঁইজি কয় লালনরে তোর, সন্ধানী কে চিনলি না।” (পবিত্র লালন- ৯২২/৪)(মুখ; সময় বুঝে বাঁধাল বাঁধলি না, জল শুকাবে মীন পালাবে, পস্তাবিরে ভাই মনা”)
৪.   “নিরাকারে জ্যোতির্ময় যে; সাকার আকার হলো সে, যে দিব্যজ্ঞানী হয়- সে জানতে পায়, কলিযুগে হয় মানব অবতার।” (পবিত্র লালন- ৯২৬/৩)(মুখ; সর্ব সাধন সিদ্ধি হয় তার, (ভবে) মানুষগুরু নিষ্ঠা যার”)
৫.   “স্বরূপ শক্তি প্রেমসিন্ধু, মীন অবতার দিনবন্ধু, সিরাজ সাঁইজি বলে, শোনরে লালন- মরলি এখন, গুরু-তত্ত্ব ভুলে।” (পবিত্র লালন- ৪৮৩/৪)(মুখ; ডুবে দেখ রে মন, প্রেমনদীর জলে, (মীন রূপে সাঁই খেলে), প্রেমডুবুরী না হলে মীন, বাঁধবে না জালে”)
৬.   “স্বর্গ হতে অবতরণ কেউ কয়, কেউ বলে নবির জন্ম হয়, নবি দেহের শেষ অবতার হয়, কেউ জানে কেউ জানে না।” (পবিত্র লালন- ৫৭৪/২)(মুখ; নবি নবি বলো কারে, নবি দেখি কয়েকজনা, কোন নবীর করব ভজনা”)

অবতারের কয়েকটি সাধারণ উদ্ধৃতি (Some ordinary quotations of incarnation)
১.   “অবতার আর অবতারী, দু’ রূপে যুগল তারই, তাতে রূপ চড়ন্দারি, রূপের রূপ বলি যারে।” (পবিত্র লালন- ৯৭৯/৩)
২.   “আল্লাহ রাসুল দুটি অবতার, এক নূরেতে মিশাল করা, ঐ নূর সাধলে নিরঞ্জনকে, অতি সহজে যায় ধরা।” (পবিত্র লালন- ২৫২/৩)
৩.   “আল্লাহ রাসুল দুটি অবতার, গাছ বীজ যেমন দেখি যে প্রকার, তোমরা সুবুদ্ধিতে করো বিচার, গাছ বড় কী ফলটি বড় লও জেনে।” (পবিত্র লালন- ৫৬/৩)
৪.   “এমন দিন কী হয় আর, খোদা হয় রাসুল রূপে অবতার।” (পবিত্র লালন- ২২৬/১)
৫.   “জগৎজুড়া মীন অবতার, কারুণ্য বারির মাঝার, বুঝে কালাকাল- বাঁধলে বাঁধাল, অনায়াসে মীন ধরতে পারে।” (পবিত্র লালন- ৯৫০/২)
৬.   “ধন্যরে গৌর অবতার, কলিকালে হলো প্রচার, কলির জীব পেল নিস্তার, লালন পড়ল গোলকধাঁধায়।” (পবিত্র লালন- ৯৪৩/৪)
৭.   “নবির মর্ম অবতার হলে, কোন সংবাদ নিয়ে এলে, সে সংবাদে কিবা পেলে, একদিনও ভেবে দেখলে না।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১০)
৮.   “নীরে নিরঞ্জন অবতার, নীরেতে করে সংহার, সিরাজ সাঁইজি কয় বারবার, দেখরে লালন আত্মতত্ত্বে বসে।” (পবিত্র লালন- ৯০৯/৪)
৮.   “বেদ পুরাণে কয় সমাচার, কলিতে আর নাই অবতার, তবে এ কোন গিরিধর, এসেছে নদেপুরী।” (পবিত্র লালন- ৪২৪/৩)
১০. “শুনেছি সে ত্রেতাযুগে, রাম অবতার ভক্তের লেগে, মহাতীর্থ স্থান যোগে, যুদ্ধে জয় করবে, তুমি গজাসুরকে চরণ দিয়ে, বন্ধু হয়েছে ভক্তিভাবে।” (পবিত্র লালন- ৩৫৮/২)

অবতারের সংজ্ঞা (Definition of incarnation)
সাধারণত; সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মনীষীদের মতে; জগতের কল্যাণ সাধনের জন্য, বিভিন্ন রূপ ধারণ করে যুগে যুগে ঈশ্বরের পৃথিবীতে অবতরণকারী পৌরাণিক চরিত্রকে অবতার বলে। বাঙালী পুরাণ মতে; সত্যযুগে নারায়ণ ও ত্রেতাযুগে রাম অবতার।

অবতারের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of incarnation)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার রূপক নামে দেবতায়ন করে নির্মিত পৌরাণিক চরিত্রকে রূপকার্থে বাংলায় অবতার বলে। যেমন; বিষ্ণুর অষ্টম অবতার কৃষ্ণ ও নবম অবতার বলরাম।

অবতারের প্রকারভেদ (Variations of incarnation)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; অবতার তিন প্রকার। যথা; ১. পৌরাণিক অবতার ২. মানব অবতার ও ৩. বাস্তব অবতার।

. পৌরাণিক অবতার (Mythological incarnation)
সাধারণত; সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মনীষীদের মতে; জগতের কল্যাণ সাধনের জন্য, বিভিন্ন রূপ ধারণ করে যুগে যুগে ঈশ্বরের পৃথিবীতে অবতরণকারী পৌরাণিক চরিত্রকে পৌরাণিক অবতার বলে। বাঙালী পুরাণ মতে; সত্যযুগে নারায়ণ ও ত্রেতাযুগে রাম অবতার।

সাধারণত; বিশ্বের যে কোনো বিষয়বস্তুতে সাময়িক নরত্বারোপ করে পৌরাণিক অবতার নির্মাণ করা হয়। এই পদ্ধতিকে নরত্বারোপ বলা হয়। নরত্বারোপ করে নির্মিত সব পৌরাণিক অবতার বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীতে বর্ণিত বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার মধ্যে অবস্থিত। আর এসবই হলো; সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মনীষীদের স্বর্গীয় দূত বা স্বর্গীয় অবতার।

নরত্বারোপ (বাপৌছ)বি নররূপারোপ, ব্যক্তিরূপদান, stereology, personification, anthropomorphism, representationism, ‘التجسيم’ (আত্তাজসিম), ‘الادميه’ (আলয়াদামি), ‘تجسيد’ (তাজসিদ) (প্র) বিষয়বস্তু, জীবজন্তু এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গে মানবীয় চরিত্র আরোপ বা নরত্বারোপ {}

. মানব অবতার (Man incarnation)
সাধারণত; জরায়ু হতে ভূমিষ্ঠ মানব সন্তানকে মানব অবতার বলে।

. বাস্তব অবতার (Real incarnation)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; মানবদেহে অবতারণকারী বিষয়বস্তু, ইন্দ্রিয়াদি, রস ও শক্তিকে বাস্তব অবতার বলে। যেমন; দাঁত, কথা, জ্ঞান, মন, গোঁফ, দাড়ি, শুক্র, স্তন, দুগ্ধ, রজ, সুধা ও মধু ইত্যাদি।

মানব অবতারের ১টি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (A highly important quotations of man incarnation)
“নিরাকারে জ্যোতির্ময় যে; সাকার আকার হলো সে, যে দিব্যজ্ঞানী হয়- সে জানতে পায়, কলিযুগে হয় মানব অবতার।” (পবিত্র লালন৯২৬/)

বিশ্বের সর্বপ্রকার দ্বিপস্থ জীব মাতৃগর্ভ হতে অবতরণ করে। এজন্য; এদেরকে; আভিধানিক অর্থে অবতার বলা হয়। এ সূত্র ধরেই; আত্মতাত্ত্বিক দার্শনিকরা মানুষকে মানব অবতার বলে থাকেন। অর্থাৎ; তাদের মতে; সব মানুষই অবতার। কখনই; তাই এমন ভাবা উচিত নয় যে; “কেবল মহাসাধকরাই প্রকৃত অবতার। যেহেতু; সাধারণ মানুষ তাদের সমকক্ষ বা সমপর্যায়ের নয়। তাই; কখনই; তারা অবতার হতে পারে না।” প্রকৃত বিষয় হলো; সব মানুষ অবতার। যেমন; সাধকরাও আভিধানিক অবতার; তদ্রূপ; সাধারণ মানুষও অবতার। অর্থাৎ; অবতার হলো দেবতা এবং মানব অবতার হলো মানুষ।

পৌরাণিক অবতার ও মানব অবতারের পার্থক্য (Difference between mythological incarnation and man incarnation)

পৌরাণিক অবতার মানব অবতার
১. সব ইঙ্গিতকেই পৌরাণিক অবতার বলা হয়। ১. সাধারণত; মানুষকে মানব অবতার বলা হয়।
২. সাধারণত; কল্পিত স্বর্গধাম হতে অবতরণকারীকে পৌরাণিক অবতার বলা হয়। ২. মানুষের গর্ভ হতে অবতরণকারীকে মানব অবতার বলা হয়।
৩. শ্বরবিজ্ঞানে; মানবদেহে প্রকাশিত সর্বপ্রকার সঙ্কেত বা ইঙ্গিতকে পৌরাণিক অবতার বলা হয়। ৩. সারাবিশ্বে প্রকাশিত সব মানুষকে মানব অবতার বলা হয়।
৪. শ্বরবিজ্ঞানে; বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার রূপক নামে দেবতায়ন করে নির্মিত পৌরাণিক চরিত্রকে পৌরাণিক অবতার বলা হয়। যেমন; শিশ্ন হতে মহাদেব। ৪. শ্বরবিজ্ঞানে; মানুষের বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষাকে মানব অবতার বলা হয়। যেমন; শর্মা ও মনু ইত্যাদি।
৫. এঁদের নিরক্ষর বলা হয়। ৫. এঁদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত বলা হয়।
৬. এঁরা স্বর্গীয় বাণী বাহক। ৬. এঁরা স্বর্গীয় বাণীর প্রচারক।
৭. এঁদের কর্মকাণ্ড অলৌকিক। ৭. এঁদের কর্মকাণ্ড লৌকিক।
৮. এসব পুরাণের বিভিন্ন চরিত্র। ৮. এঁরা পুরাণের নির্মাতা।

ইংরেজি ভাষাভাষী পশ্চিমা গবেষকদের মতে; অবতারবাদ দুই প্রকার। যথা; . ঐশিবাদ (Semitism) ও . অবতারবাদ (Non-Semitism).

Semite [সেমিট] (GMP)n আরব্য জাতি বিশেষ (প্র) ইহুদী, নাসারা ও মুসলমান ইত্যাদি জাতি বিশেষ {}
Semitic [সেমিটিক] (GMP)adj আরব্য জাতি সম্বন্ধীয় (প্র) আরবীয় উপদ্বীপের কোনো বিষয় সম্পর্কীয় {}
Semitism [সেমিটিজম] (GMP)n আরব্য মতবাদ (প্র) আরবীয় ঐশিবাদ, Semitic mythology {}
Non-Semite [নন-সেমিট] (GMP)n অনারব জাতি বিশেষ (প্র) হিন্দু, বৌদ্ধ, লালন ও বলন ইত্যাদি জাতিবিশেষ {}
Non-Semitic [নন-সেমিটিক] (GMP)adj অনারব জাতি সম্বন্ধীয় (প্র) ভারতবর্ষ সম্বন্ধীয় {}
Non-Semitism [নন-সেমিটিজম] (GMP)n অনারবীয় মতবাদ (প্র) ভারতীয় অবতারবাদ, Indians mythology {}

  1. Semitism (সেমিটিজম)
    সাধারণত; গ্রিক ও আরবীয় ঐশিবাদকেই Semitism বলা হয়। অর্থাৎ; গ্রিক ও আরবীয় পুরাণ নির্ভর সাম্প্রদায়িক মতবাদকেই Semitism বলা হয়। আমাদের জানা মতে; সর্বপ্রথম; এশিয়া মাইনরের মহাকবি হোমার (৪৮৬-৪২৫ খ্রিস্ট পূর্বাব্দ) ইলিয়াডওডিসি নামক দুটি মহাকাব্য নির্মাণ করেন। তারপর; ইটালির মহাকবি ভার্জিল (৭০-১৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) ঈনিড নির্মাণ করেন। ইটালির ঈনিডকে ভারতের পুরাণের সঙ্গে তুলনা করা হয়। বাঙালী পুরাণ ১৮ খণ্ডে সমাপ্ত। অন্যদিকে; ইটালীয় পুরাণ (ঈনিড) ১২ খণ্ডে সমাপ্ত। ইলিয়াড, ওডিসি, ঈনিড ও সমপর্যায়ের অন্যান্য কাব্য হতে সংকলিত হয়েছে বাইবেল। পরবর্তীকালে; বাইবেল হতে তোরাহ, যাবুর, ইঞ্জিল, কুরান, হাদিস ও তাফসির ইত্যাদি পুস্তক-পুস্তিকার উদ্ভব হয়েছে। এসব গ্রন্থের কেন্দ্রীয় চরিত্র আদম। আর আদম উঠে এসেছে উগারিটদের (ফিনিশীয়) পৌরাণিক কাহিনী হতে। আর উগারিট পৌরাণিক কাহিনীর মধ্যে বিখ্যাত ছিল উক্ত দুটি গ্রন্থ।
  1. Non-Semitism (নন-সেমিটিজম)
    পাশ্চাত্য ইংরেজি গবেষকদের মতে; Indian mythology-কে non-Semitism বা ভারতীয় অবতারবাদ বলা হয়। ভারতবর্ষে প্রায় ছয় হাজার (৬,০০০) বছর পূর্বে; পুরাণ নির্মাণের সূচনা হয়। এবং তা শেষ হয় প্রায় তিন সহস্র বছর (৩,০০০) পূর্বে। এরই মধ্যে; এখানে; নির্মিত হয়েছিল; বেদ, রামায়ণ, মহাভারত ও পুরাণের মতো বিশ্ববিখ্যাত মহাগ্রন্থগুলো। এ মতবাদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো; “কখনও কখনও; সৃষ্টিকর্তা নিজেই মানুষ্য রূপ-ধারণ করে এ ধরাধামে আবির্ভূত হন। আবার কখনওবা; অন্য রূপ-ধারণ করে ধরাধামে অবতরণ করেন। বাঙালী পুরাণে বর্ণিত আছে যে; ইতোপূর্বে তিনি দশবার অবতরণ করেছেন। যখনই; পৃথিবী পাপে ভরে উঠে; তখনই; স্রষ্টা মনুষ্য বেশে আবির্ভূত হন। ‘কৃষ্ণ’ ও ‘রাম’ সৃষ্টিকর্তার অবতারদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ। এর ওপর ভিত্তি করে বাংভারতে গড়ে উঠেছে অসংখ্য পুরাণ। গড়ে উঠেছে নাটক, জারি-সারি ও যাত্রাপালা। এমনকি; পূর্ণদৈর্ঘ্য ছায়াছবি পর্যন্ত গড়ে উঠেছে। এখনও; নির্মাণ করা হচ্ছে এসব অবতারের নতুন নতুন গল্প-কাহিনী। তবে; শক্ত করেই বলা যায় যে; মহাগ্রন্থ আর নির্মাণ হচ্ছে না।

আবার, বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; অবতার দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান অবতার ও ২. উপমিত অবতার।

. উপমান অবতার (Analogical incarnation)
সাধারণত; সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মনীষীদের মতে; জগতের কল্যাণ সাধনের জন্য, বিভিন্ন রূপ ধারণ করে যুগে যুগে ঈশ্বরের পৃথিবীতে অবতরণকারী পৌরাণিক চরিত্রকে উপমান অবতার বলে। বাঙালী পুরাণ মতে; সত্যযুগে নারায়ণ ও ত্রেতাযুগে রাম অবতার।

. উপমিত অবতার (Compared incarnation)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার রূপক নামে দেবতায়ন করে নির্মিত পৌরাণিক চরিত্রকে রূপকার্থে বাংলায় উপমিত অবতার বলে। যেমন; মানবদেহে সৃষ্ট কালো জল হতে বিষ্ণুর অষ্টম অবতার কৃষ্ণ ও সাদা জল হতে বিষ্ণুর নবম অবতার বলরাম।

অবতারের পরিচয় (Identity of incarnation)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর ইঙ্গিত পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকায় এর সর্বাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে; এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহৃত হওয়ার কারণে; সাধারণ পাঠক-শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না।

সাধারণত; স্বর্গীয় দেবতাকে ঐশিদূত বা দৈবদূত বলা হয়। ঐশিদূত বা দৈবদূতকেই অবতার বলা হয়। শ্বরবিজ্ঞানে; দেহধাম, আগধড় ও জরায়ুকে স্বর্গধাম বলা হয়। তবে; এখানে; কেবল দেহধামকেই স্বর্গধাম বলা প্রযোজ্য হবে। দেহের মধ্যে যেসব ইঙ্গিত প্রকাশিত হয়; তা সবই ঐশিদূত বা দৈবদূত বা অবতার। যেমন; দাঁত, কথা, জ্ঞান, মন, গোঁফ, দাড়ি, শুক্র, স্তন, দুগ্ধ, রজ, সুধা ও মধু ইত্যাদি। তবে; দাঁত, কথা, জ্ঞান, মন, গোঁফ, দাড়ি, শুক্র, স্তন, দুগ্ধ, রজ, সুধা ও মধুকে সরাসরি ঐশিদূত বলা যায় না। কারণ; এসব বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার আভিধানিক শব্দ। আভিধানিক শব্দ কখনই দেবতা হতে পারে না। এদের রূপক ও ব্যাপক পরিভাষার রূপক নামে ঈশ্বরায়ন, দেবতায়ন ও মানবায়ন করার পর তাকে ঐশিদূত বা অবতার বলা হয়। যেমন; বলন (কথা), কমলা (শুক্র), বসিধ (রজ), সাঁই (সুধা), কাঁই (মধু), ডালিম (স্তন) ও ক্ষীর (স্তন্য)। অর্থাৎ; বলন, কমলা, বসিধ, সাঁই, কাঁই, ডালিম ও ক্ষীর এসব ঐশিদূত বা অবতার। কিন্তু কথা, শুক্র, রজ, সুধা, মধু, স্তন ও স্তন্য এসব ঐশিদূত বা অবতার নয়। উল্লেখ্য; শ্বরবিজ্ঞানে; বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীতে বর্ণিত বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার আভিধানিক নামের পরিবর্তে সর্বদা রূপক ও ব্যাপক পরিভাষাই ব্যবহার করা হয়। এজন্যই; সাধারণ সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মতবাদের অনুসারীরা বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীতে বর্ণিত বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার রূপক ও বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা বুঝতে ও জানতে পারে না। তাই; সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক ঠাক-পুরুৎ ও মোল্লা-মুন্সিরা পৌরাণিক চরিত্রের দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি উদ্ঘাটন করতে পারে না। সেজন্যই; সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক ঠাক-পুরুৎ ও মোল্লা-মুন্সিরা বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তাবাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষাকে ঐশিদূত বা দৈবদূত বা স্বর্গীয় অবতার নামে প্রচার-প্রসার করতে থাকে।

মজার বিষয় হলো; বাংভারতের অধিকাংশ অভিধানবিদ, অনুবাদক, বৈখ্যিক, টৈকিক ও বক্তা স্বর্গধাম বলতে কল্পিত ভূতুড়ে স্বর্গকেই বুঝে ও বুঝিয়ে থাকে। যারফলে; ঐশিগ্রন্থ, সাম্প্রদায়িক গ্রন্থ ও সাম্প্রদায়িক পুস্তক-পুস্তিকার পাঠক ও শ্রোতারাও ঐশিদূত বলতে ঐরূপ কল্পিত ভূতুড়ে দেবতাকেই বুঝে থাকে। এরফলে; সাধারণ মানুষ আত্মতত্ত্বের বাইরে স্বর্গের অবস্থান ও স্বর্গসুখ অন্বেষণ করতে থাকে। এ হতেই সৃষ্টি হয় প্রবল সাম্প্রদায়িক মতবাদ প্রীতি। আর সাম্প্রদায়িক মতবাদ-প্রেম হতেই আত্মদান, আত্মবলি ও আত্মহননের আগ্রহ সৃষ্টি হয়। যারফলে; এসব আগ্রহ হতেই সারা বিশ্বের সর্বপ্রকার উগ্রবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার সৃষ্টি বা উদ্ভব হচ্ছে। পক্ষান্তরে; সাম্প্রদায়িকরা একটিবারও চিন্তা করে না যে; বিশ্বের কোনো সাম্প্রদায়িক গ্রন্থের মধ্যেই আত্মতত্ত্বের বাইরে স্বর্গের অবস্থানের কথা বলা হয় নি। এমনকি; আত্মতত্ত্বের বাইরে কোনো দেবতার কথাও বলা হয় নি। বরং; বিশ্বের সব সাম্প্রদায়িক গ্রন্থে বলা হয়েছে; “যা আছে ব্র্রহ্মাণ্ডে; তা আছে মানবভাণ্ডে।” যেমন; কুরানে রয়েছে; “ وَفِي الْأَرْضِ آيَاتٌ لِلْمُوقِنِينَ(২০) وَفِي أَنفُسِكُمْ أَفَلَا تُبْصِرُونَ(২১)” উচ্চারণ; “ওয়া ফি আলয়ারদি আয়াতু লিলমুক্বিনিন (২১) ওয়া ফি আনফুসিকুম, আফালা তুবসিরুন (২২)। অর্থ; “বিশ্বাসীদের জন্য বিশ্বের সব নিদর্শন (২১) তোমাদের মধ্যে রয়েছে, তোমরা করো না দর্শন (২২)।” (কুরান; যারিয়াত- ২১-২২)। প্রকৃত বিষয় হলো; সব বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার চারিত্রিক ও ছদ্মনামকেই ঐশিদূত বা অবতার বলা হয়। যেমন; শিশ্ন বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার ছদ্মনাম; মদন, মন্মথ, বিম্বল, রাবণ, গণেশ ও বলাই ইত্যাদি।

এবার শক্ত করেই বলা যায়; “মদন, মন্মথ, বিম্বল, রাবণ, গণেশ ও বলাই” এঁরা প্রত্যেকেই দেবতা বা অবতার। কিন্তু ‘শিশ্ন’ দেবতাও নয় কিংবা অবতারও নয়। তেমনই; আরবি ভাষাতেও ফারজ (.ﻔﺮﺝ) বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার ছদ্মনাম হলো; মক্কা (.ﻤﻜﺔ), দাজ্জাল (.ﺪﺟﺎﻞ), হামান (.ﻫﺎﻤﺎﻦ) ও হারুত (.ﻫﺎﺭﻮﺓ), হেরা (ﺤﺭﺍ), হাজরে আসুদ (حجر أسود) ইত্যাদি। এ সূত্রানুসারে বলা যায়; “মক্কা (.ﻤﻜﺔ), দাজ্জাল (.ﺪﺟﺎﻞ), হামান (.ﻫﺎﻤﺎﻦ) ও হারুত (.ﻫﺎﺭﻮﺓ)” এঁরা প্রত্যেকেই ঐশিদূত বা অবতার। কিন্তু; ফারজ (.ﻔﺮﺝ) বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তাটি দেবতাও নয় কিংবা অবতারও নয়। আলোচ্য অবতারকে ইংরেজি ভাষায় incarnation, angel, divinity, messenger এবং আরবি ভাষায় ‘تجسد’ (তুজাসিদ) ও ‘ملاك’ (মালাকি) এবং ফার্সি ভাষায় ‘ﻔﺮﺸﺗﻪ’ (ফেরেস্তা) বলা হয়। আত্মজ্ঞানী দার্শনিক মনীষীদের মতে; angel, ‘ملاك’ (মালাকি) ও ‘ﻔﺮﺸﺗﻪ’ (ফেরেস্তা) এর অবস্থান, উদ্ভব, আবাস-নিবাস ও কর্মস্থল মানবদেহের বাইরে নয়। আরও হাস্যকর বিষয় হলো; সাম্প্রদায়িক বা পারম্পরিক মনীষীরা এসব দেবতাকে মানবদেহের ভিতরে না দেখিয়ে বাইরে দেখিয়ে থাকে। যেমন; তারা বলে; দেবতাগণ অদৃশ্য, বিশ্বব্যাপী পরিভ্রমণশীল, মহাশক্তিধর, পাখির মতো পাখাযুক্ত, আকাশে উড্ডয়নশীল, প্রতিটি পশমের গোড়া দিয়ে প্রবেশ করার ক্ষমতা রাখে, যুদ্ধের সময় সাহায্য করে, সাগরের মাঝে পথহারানো নাবিককে পথ দেখিয়ে দেন, সমাধির মধ্যে কৃতকর্মের গণনা গ্রহণ করেন, ঘুমন্ত মানুষকে পাহারা দেন, প্রয়াণোত্তর আত্মা বহন করেন, প্রভুর সৈনিক, আকাশী সৈনিক, আকাশবাহিনী এবং মানব-দানবের কৃতকর্মের লেখক ইত্যাদি। আর এ হতেই দীর্ঘ প্রায় তিন হাজার বছর পূর্ব হতে সাধারণ মানুষের মনের ভিতরে দেবতা সম্পর্কে যে কিংবদন্তি সৃষ্টি হয়েছে; তা হতে বেরিয়ে আসা অনেকটাই কঠিন বলে মনে হয়।

এখনও দেবতা নিয়ে যে অজস্র তুচ্ছ-ঠুনকো লেখা পাঠাগার ও গ্রন্থাগারে দেখা যায়; তা বলা-ই বাহুল্য। এখনও কিছু কিছু চরম অজ্ঞ ও চরম খুষ্ক এবং কুরুচিপূর্ণ সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক লেখক ও পটুয়া Indian, Greek and Roman mythology এর মধ্যে বর্ণিত কল্পিত ভুতুড়ে সাম্প্রদায়িক দেবতার গুদামপচা অপদ্রব্যের খিচুড়ি সাধারণ মনুষকে আরও খাওয়ানোর জন্য উঠেপড়ে লেগে আছে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ স্বপ্নে দেবতার সঙ্গে দর্শনলাভকারী এবং কেউ কেউ চক্ষুবন্ধ করে দেবতার দর্শনলাভকারী।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!