অমাবস্যা

৮২/১. অমাবস্যা
Darkling (ডার্কলিং)/ ‘محاق’ (মুহাক্ব)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর রজকাল পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা রজকাল। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা রাত। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা অমাবতী সিনানী এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা কৃষ্ণপক্ষ শনিবার

অভিধা (Appellation)
অমাবস্যা (বাপৌরূ)বি অমা, কৃষ্ণপক্ষের সর্বশেষ তিথি, চন্দ্রকলার অদৃশ্যকাল, darkling new moon, ‘محاق’ (মুহাক্ব) (আল) অন্ধকার, অসুস্থতা, আঁধার (শ্ববি) রজকাল, ঋতুকাল, ঋতুমতীদের রজ চলাকালীন সময়, the period of menstrual discharge, মুদ্দাতুল হায়েজ (.ﻤﺪﺓ ﺍﻟﺤﻴﺾ) (রূপ্রশ) অপবিত্রতা, রাত, শনিবার, সিনানী, messenger period (ইপ) আইয়ামিবিজ (.ﺍﻴﺎﻡ ﺒﻌﺾ), নবুয়াত (.ﻧﺒﻮﺖ), লাইল (.ﻟﻴﻞ), শব (ফা.ﺸﺐ) (ইংপ) night, dust period (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর রজকাল পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) ১. সাধারণত; চন্দ্রকলার সর্বশেষ তিথিকে বাংলায় ‘অমবস্যা বলা হয় ২. বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, ঋতুমতীদের রজকালীন সময়কে রূপকার্থে ‘অমাবস্যা বলা হয় (বাপৌছ) কৃষ্ণপক্ষ ও শনিবার (বাপৌচা) অমাবতী ও সিনানী (বাপৌউ) রাত (বাপৌরূ) অমাবস্যা (বাপৌমূ) রজকাল।

অমাবস্যার ওপর ১টি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (A highly important quotations of darkling)
১.   “অমাবস্যা পূর্ণিমা হয়, মহাযোগ সে দিনে উদয়, লালন কয় সময় নির্ণয়, করে করো সাধনা।” (পবিত্র লালন-৯২১/৪)
২.   “অমাবস্যার পর পূর্ণিমাতে, উদয় হয় সে নদীয়াতে, বলন কয় ভাব বুঝিতে, জীবের কী সে সাধ্য তাই।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১১৭)

অমাবস্যার কয়েকটি সাধারণ উদ্ধৃতি (Some ordinary quotations of darkling)
১.   “অনেক ভাগ্যের ফলে সে চাঁদ, কেউ দেখতে পায়, অমাবস্যা নাই সে চাঁদে, দ্বিদলে তার কিরণ উদয়।” (পবিত্র লালন- ৫১/১)
২.   “অমাবস্যা অমঙ্গল তিথি, তাতে মিলন পুরুষের ক্ষতি, জল অমাবস্যায়– ওঠে ডাঙ্গায়, লালন কয় থেকো হুঁশিয়ার।” (পবিত্র লালন- ১০৭/৪)
৩.   “অমাবস্যা পূর্ণিমালীলা, জোয়ার চেনে ভাসা ভেলা, দ্বিদলে অটলখেলা, বলন কয় প্রেমনদীতে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩৪)
৪.   “অমাবস্যা পূর্ণিমার যোগ, আজব অসম্ভব সম্ভোগ, জানলে খণ্ডে ভবরোগ, গতি হয় অখণ্ড-দেশে।” (পবিত্র লালন- ৯৫৭/২)
৫.   “অমাবস্যা পূর্ণিমা হয়, প্রথমা সপ্তবিংশে রয়, করিয়া সে যোগ নির্ণয়, ধীরে ধীরে চালাও তরণী।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩৯)
৬.   “অমাবস্যায় সে রয় ঘুমিয়ে, নাড়া তাকে নেয় জাগিয়ে, লালন কয় কামিনীর ঘরে, মানুষ মারে।” (পবিত্র লালন- ২৭৪/৪)
৭.   “অমাবস্যার দিনে চন্দ্র থাকে কোন শহরে, প্রতিপদে উদয় হয় সে, দৃষ্ট হয় না কেন তারে।” (পবিত্র লালন- ৬০/১)
৮.   “অমাবস্যার পর চন্দ্র উদয়, দেখতে যার বাসনা হয়, লালন বলে থাকো সদাই, ত্রিবেণীতে থাকো বসে।” (পবিত্র লালন- ৯৭৬/৪)
৯.   “অমাবস্যার পর পূর্ণমাসী, তাতে মহাযোগ প্রকাশি, ইন্দ্রচাঁদ বাও বরুণাদি, সে যোগ বাঞ্ছা করে, তাই ভেবে লালন কয়, মানুষ সাধনার প্রমাণরে।” (পবিত্র লালন- ৭৮২/৪)
১০. “অমাবস্যার পর প্রতিপদে, দ্বিতীয়ার প্রথম বিভাগে, ভেবে কয় লালন- করে আগমন, সে যোগের দিনে।” (পবিত্র লালন- ৪৮৮/৪)
১১.  “একটি চন্দ্র হাজার তারা, সারা আকাশ ছেয়ে রয়, অমাবস্যা লাগলে সে চন্দ্র, আবার কোথায় গিয়ে লুকায়।” (পবিত্র লালন- ৬৭৯/৩)
১২.  “ঐ অমাবস্যা পূর্ণিমাতে, দ্বিতীয়া যোগ প্রথমেতে, ভাগ্যবানরা পায় দেখিতে, ত্রিবেণীর কোণে নিঠাঁই।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৭৬)
১৩. “কোন্ দিন সূর্যের অমাবস্যে, দেখি চাঁদের অমাবস্যা মাসেমাসে।” (পবিত্র লালন- ৩৬১/১)
১৪. “তুই মদনা চাষা ভাই, তোর জ্ঞান কিছুই নাই, প্রতিপদ বিনা অমাবস্যায়, হাল বয়ে কাল হও কেনে।” (পবিত্র লালন- ১৬২/৩)
১৫. “তেমাথা রাস্তায় বসে কাপুরুষ পাইলে ধরে, জলের চুলায় মরামাথা বাতাসে রান্না করে, জোয়ান কী বালক বৃদ্ধ- একপাকে করে সিদ্ধ, কত করে ত্রিশূল বিদ্ধ, অমাবস্যার পরে সে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২২৬)
১৬.  “তের তিথি বারো মাসে, সে চাঁদের নাই অমাবস্যে, ভজনে স্থিতি হয় কিসে, লালন বলে জোয়ারের সাথে, চন্দ্র উদয় সেখানে।” (পবিত্র লালন- ৪০৪/৩)
১৭. “নিচের চাঁদ রাহুতে ঘিরা, গগনচাঁদ কী যায়রে ধরা, যখন হয় অমাবস্যে, তখন চন্দ্র রয় কোন দেশে, লালন ফকির হারায় দিশে, চোখ থাকতে কানা।” (পবিত্র লালন- ৬৩৬/৪)
১৮. “বলবো কী সে নাড়ার গুণবিচার, চারযুগে তার রূপ নরকেশর, অমাবস্যা নাই সে দেশেতে, দিন সেখানে সদাই রয়।” (পবিত্র লালন- ৪৯২/২)
১৯.  “মন চোরারে ধরবি যদি মন, ফাঁদ পেতে বস ত্রিবেণে, অমাবস্যার পর পূর্ণিমাতে, বারাম দেয় সেখানে।” (পবিত্র লালন- ৭৩৯/১)
২০. “মাসেমাসে চন্দ্রের উদয়, অমাবস্যা মাসান্তে হয়, সূর্যের অমাবস্যার নির্ণয়, জানতে হয় লিহাজ করে।” (পবিত্র লালন- ৬০/২)
২১.  “সাধুর বাজার কী আনন্দময়, অমাবস্যার পর চন্দ্র উদয়, ভক্তি নয়ন যার- চাঁদ দৃষ্ট হয় তাঁর, ভববন্ধন জ্বালা যায় গো দূরে।” (পবিত্র লালন- ১৭০/২)
২২. “সে কথা কী কবার কথা, জানতে হয় নিরলে বসে, অমাবস্যার পর উদয় শশী, পূর্ণিমার পর রয় কোন দেশে।” (পবিত্র লালন- ৯৫৭/১)
২৩. “হৃদকমলে খেলছে আসি, জোয়ার ভাটা দিবানিশি, অমাবস্যার পর উদয় শশী, দেখ তার কারসাজি, সুধা বর্ষে রাশিরাশি, কে জানে সে রূপলীলে।” (পবিত্র লালন- ৬৮৭/৩)

অমাবস্যা অর্থে অমাবস্যা পরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology darknisity sense ordinary darkling)
অমাবস্যায় শশী দৃশ্য, হয় না গগনে, আর কতকাল থাকবি চেয়ে, মরিচিকার পানে।” (বলন তত্ত্বাবলী)

আমাবস্যার ওপর একটি পূর্ণাঙ্গ লালন (A full Bolon on the darkling)
জানা চাই অমাবস্যায় চাঁদ, থাকে কোথায়,
গগনে চাঁদ উদয় হলে, দেখে সবাই আছে যথায়।

অমাবস্যার মর্ম না জেনে,
বেড়াই তিথি নক্ষত্র গুণে,
প্রতি মাসে নবীন চাঁদ,
মরি হায় একি ধরে কায়।

অমাবস্যা আর পূর্ণমাসী,
কী মর্ম হয় কারে জিজ্ঞাসি,
তোমরা যা জানো তা বলছ,
মন জুড়ায় আজ কোথায়।

সাতাশ নক্ষত্র হয় গগন,
স্বাতী নক্ষত্র যোগ কখন,
না জেনে অধীন লালন,
সাধক নাম ধরে বৃথায়।” (পবিত্র লালন- ৪৬৯)

অমাবস্যার সংজ্ঞা (Definition of darkling)
জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে; চন্দ্রকলার সর্বশেষ তিথিকে অমবস্যা বলে।

অমাবস্যার আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of darkling)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; রজস্বলাদের রজ চলাকালীন সময়কে রজকাল বা অমাবস্যা বলে।

অমাবস্যার প্রকারভেদ (Variations of darkling)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; অমাবস্যা দুই প্রকার। যথা; ১. চান্দ্রীয় অমাবস্যা এবং ২. দৈহিক অমাবস্যা।

. চান্দ্রীয় অমাবস্যা (Lunar darkling)
পৃথিবীর উপগ্রহ চাঁদের অমাবস্যাকে চান্দ্রীয় অমাবস্যা বলে।

. দৈহিক অমাবস্যা (Fleshly darkling)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; রজস্বলাদের রজকালকে দৈহিক অমাবস্যা বলে।

উল্লেখ্য যে; শ্বরবিজ্ঞানে যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বস্তুকে চাঁদ বলা হয়। যেমন; “গুরুচাঁদ প্রসন্ন যার, সব চাঁদ দৃষ্ট হয় তার (হয়রে), লালন কয় বিপদ আমার, গুরুচাঁদ ভুলেরে।” (পবিত্র লালন- ৪৫২/৪)। গুরু অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এজন্য; এখানে; গুরুকে চাঁদ বলা হয়েছে। তেমনই; পবিত্রতা, শিষ্য, নয়ন, জ্ঞান এসবকেও চাঁদ বলা হয়। এ সূত্র ধরেই শ্বরবিজ্ঞানে রজস্বলাদের পবিত্রকালকে চাঁদ বলা হয়। রজস্বলাদের প্রতিমাসে তিনদিন পবিত্রতা নামক চাঁদটি উপস্থিত থাকে না বলেই শ্বরবিজ্ঞানে রজকালকে অমাবস্যা বলা হয়।

বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; অমাবস্যা দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান অমাবস্যা ও ২. উপমিত অমাবস্যা।

. উপমান অমাবস্যা (Analogical darkling)
সাধারণত; চন্দ্রকলার সর্বশেষ তিথিকে উপমান অমবস্যা বলে।

. উপমিত অমাবস্যা (Compared darkling)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; রজস্বলাদের রজকালীন সময়কে উপমিত অমাবস্যা বলে।

অমাবস্যার পরিচয় (Identity of darkling)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর রজকাল পরিবারের অধীন একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা। চন্দ্রকলার সর্বশেষ তিথিকে অমবস্যা বলা হয়। আমরা পূর্বেই উল্লেখ করেছি যে; আত্মতত্ত্বের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম আলোচনা করার জন্য এবং এসব আলোচনা দ্বারা বিশ্ববাসীর নৈতিক ও মানসিক শিক্ষাদীক্ষা প্রদান করার জন্যই শ্বরবিজ্ঞানের বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীতে বর্ণিত বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার বিষয়বস্তু, শক্তি, অবস্থা, স্থান, কাল, বয়স, ইন্দ্রিয়াদি ও বাঙালী পৌরাণিক মূলক সংখ্যাগুলোকে প্রকৃত উপমিত পদ ধরে প্রকৃতি বা সৌরজগতের মধ্য হতে এসবের উপমান পদ নির্ধারণ করা হয়। অতঃপর; আত্মতত্ত্বের উপমিত পদগুলোর সূক্ষ্ম আলোচনা প্রকৃতি ও সৌরজগতের উপমান পদগুলোর দ্বারা করা হয়। এখানে; উপমান পদগুলো হলো রূপক এবং উপমিত পদগুলো হলো বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা। এজন্য; বলা যায় শ্বরবিজ্ঞানে বর্ণিত অমাবস্যা পরিভাষাটির দ্বারা কখনই সৌরজগতের চন্দ্রের অমাবস্যা বুঝায় না বরং কেবলই রজস্বলাদের রজকাল বুঝায়।

অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় এ যে; বেদ, পুরাণ ও কুরানের মতো বিশ্ববিখ্যাত গ্রন্থের মধ্যে বর্ণিত অমাবস্যা বা Darkling ও ‘محاق’ (মুহাক্ব) দ্বারা অধিকাংশ অনুবাদক, ব্যৈখ্যিক ও টৈকিক কেবল সৌরজগতের চাঁদ নামক উপগ্রহের চন্দ্রকলার সাতাশতম তিথির তমময়তাকেই বুঝিয়ে থাকেন। যারা এমন কার্য করে থাকেন তাদের নিকট প্রশ্ন করতে চাই- “অমাবস্যা পূর্ণিমা হয়, মহাযোগ সে দিনে উদয়, লালন কয় সময় নির্ণয়, করে করো সাধনা” (পবিত্র লালন- ৯২১/৪)। এসব ঐশিবাণীর অর্থ চান্দ্রীয় অমাবস্যা দ্বারা করে দেখেন কী উপকার লাভ করতে পারেন? স্মরণীয় যে; শ্বরবিজ্ঞানে যদিও উপমানপদ দ্বারা আলোচনা উপস্থাপন করা হয়, তবুও; উপমিতপদের আলোচনায় করা হয়। কাজেই মনে রাখতে হবে যে; পুরাণ মাত্রই উপমিতপদ প্রধান সাহিত্য। যেমন;  আত্মতত্ত্বের সুধাকে চাঁদ ধরে- চাঁদ দ্বারা যত বর্ণনাই করা হোক না কেন, তা কেবল সাঁই বা কৈশোরকালেরই আলোচনা করা হয়। এখন অমৃতসুধা বা কৈশোরকালকে ত্যাগ করে একজন গবেষক যত গবেষণাই করুক না কেন, আর যত ব্যাখ্যাই উপস্থাপন করুক না কেন, সে অমৃতসুধা ও কৈশোরকালকে চেনা ও জানার নিকটবর্তীও হতে পারবে না। উপমানপদ প্রধান পুরাণকে সম্যকভাবে জানা ও বুঝার জন্য সব সময় উক্ত পদের উপমিতপদ অন্বেষণ করতে হয়। আত্মদর্শনে তার উপমিতপদ পাওয়া গেলেই কেবল উক্ত আলোচনা ও বর্ণনা সঠিকভাবে জানা ও বুঝা যায়।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!