অমৃতসুধা

৪৮/২. অমৃতসুধা
Manna (মান্না)/ ‘الْمَنَّ’ (আলমান্না)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর পালনকর্তা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা পালনকর্তা। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা সাঁই। এর অন্যান্য বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা গ্রন্থ, চন্দ্র, জল, তীর্থবারি, পাখি, ফল ফুল। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা ননি, বিষ্ণু, মাণিক, রাজা, রাম, লালন, স্বরূপ হরি এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা ঈশ্বর, উপাস্য, চোর, পতিতপাবন, পরমগুরু, প্রভু, মনেরমানুষ সুধা। এ পরিভাষাটি শ্বরবিজ্ঞানের বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীতে বর্ণিত দুগ্ধ’, ‘শুক্র’, ‘সুধামধু ইত্যাদি বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার ব্যাপক পরিভাষা রূপে ব্যবহৃত হয়। এজন্য; বর্ণনার ক্ষেত্র অনুযায়ী এর সঠিক দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি উদ্ঘাটন করা একান্ত প্রয়োজন।

অভিধা (Appellation)
অমৃত (বাপৌছ)বি সুধা, সুরা, পীযূষ, মোক্ষ, যা পান করলে অমর হওয়া যায়, অতিশয় সুস্বাদু খাদ্য বা পানীয়, জীবন রক্ষা করে এমন বস্তু বিণ অমর, অতি সুস্বাদু, রসনার তৃপ্তিদায়ক, জীবন রক্ষা করে এমন (প্র) পৌরাণিক বর্ণনা অনুসারে; স্বর্গীয় দেবতাগণ যে জল পান করে অমরত্বলাভ করেন (শ্ববি) সাঁই, বিষ্ণু, গুরু, গোঁসাই, প্রভু, ঈশ্বর (বাপৌরূ) সাঁই (বাপৌমূ) পালনকর্তা।

অমৃতসুধা (বাপৌউ)বি অমির, অমৃত, সর্গীয়জল, সুধা, পীযূষ, মোক্ষ, এমন বস্তু- যা পান করলে অমর হওয়া যায়, অতিশয় সুস্বাদু খাদ্য বা পানীয়, জীবন রক্ষা করে এমন বস্তু, manna, ‘الْمَنَّ’ (আলমান্না), panacea, ‘السلسبيل’ (আসসালসাবিল), nectar, elixir, ambrosia, ‘رحيق’ (রাহিক্ব) বিণ অমর, অতি সুস্বাদু, রসনার তৃপ্তিদায়ক, জীবন রক্ষা করে এমন (প্র) পৌরাণিক বর্ণনা অনুসারে; স্বর্গীয় দেবতাগণ যে জল পান করে অমরত্বলাভ করেন (শ্ববি) এমন তরল-মানুষ; যে এখনও মূর্তাকার ধারণ করে নি। মাতৃগর্ভে ভ্রূণ লালনপালনের দায়িত্ব পালনকারী সুমিষ্ট, সুপেয় ও শ্বেতবর্ণের জল (রূপ্রশ) পালনকর্তা, ঈশ্বর, উপাস্য, গুরু, গোঁসাই, নারায়ণ, নিধি, নিমাই, নিরঞ্জন, প্রভু, বিষ্ণু, সাঁই, স্বরূপ (পারদে) খোদা (ফা.ﺨﺪﺍ), (ইদে) মা’বুদ (.ﻤﻌﺑﻭﺪ), মুহাম্মদ (.ﻤﺤﻤﺪ), রব (.ﺮﺐ), রাসুল (.رَسُول) (ইপ) কাওসার (.ﻜﻭﺛﺮ), ফুরাত (.ﻔﺭﺍﺖ) (ইংপ) God, guardian, (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর পালনকর্তা পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা). যে কোনো সুপেয় পানীয়কে অমৃতসুধা বলা হয়. শ্বরবিজ্ঞানে; অমৃত মানবজলকে অমৃতসুধা বলা হয় (বাপৌছ) ঈশ্বর, উপাস্য, চোর, পতিতপাবন, পরমগুরু, প্রভু, মনের-মানুষ ও সুধা (বাপৌচা) ননি, বিষ্ণু, মাণিক, রাজা, রাম, লালন, স্বরূপ ও হরি (বাপৌউ) অমৃতসুধা, গ্রন্থ, চন্দ্র, জল, তীর্থবারি, পাখি, ফল ও ফুল (বাপৌরূ) সাঁই (বাপৌমূ) পালনকর্তা {বাং.অমৃত+ বাং.সুধা}

Manna [মান্না] (GMP)n অমির, পীযূষ, সুধা, অমৃতসুধা, স্বর্গীয় জল, স্বর্গীয় পানীয়, panacea, ‘الْمَنَّ’ (আলমান্না) (প্র). অপ্রত্যাশিতভাবে প্রাপ্ত মানসিক তৃপ্তিদায়ক পানীয়. (বাইবেলে বর্ণিত) ইসরাইলিদের চল্লিশ বছর মরুপ্রান্তরে কাটানোর সময় প্রভু প্রদত্ত পানীয় বিশেষ. ইসলামী পুরাণ অনুসারে; কুরানে বর্ণিত এক প্রকার স্বর্গীয় পানীয় বিশেষ {}

অমৃতসুধার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of manna)
১.   অমৃত-সাগরের সুধা, পান করলে জীবের ক্ষুধা তৃষ্ণা, রয় না, লালন মরল জল পিপাসায়রে, কাছে থাকতে নদী মেঘনা।” (পবিত্র লালন- ২৫৭/৫)(মুখ; ও যার আপন খবর আপনার হয় না”)
২.   “আমার সাড়ে তিন টন- অমৃতসুধা রসরতন, আর মাল্লা বারোজনা- মণিপুর ত্রিবেণে গিয়া- ধনীকে নিঃস্ব বানাইয়া, ডাকাতরা চক্ষু করে কানা।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১০৯)(মুখ; ছয় ডাকাতে দিয়াছে হানা, নৌকাখানা”)
৩.   গোঁসাইর লীলা চমৎকারা, বিষেতে অমৃত পোরা, অসাধ্যকে সাধ্য করা, ছুঁলে বিষ ওঠে ধেয়ে।” (পবিত্র লালন- ৯৮৭/২)(মুখ; হলাম না রে রসিক ভেয়ে, না জেনে রসের ভিয়ান, মরতে হলো গরল খেয়ে”)
৪.   গোপী বিনা জানে কেবা, শুদ্ধরস অমৃতসেবা, গোপীর পাপ-পুণ্য-জ্ঞান থাকে না, কৃষ্ণদর্শনে।” (পবিত্র লালন- ৯৭০/২)(মুখ; সে ভাব সবাই কী জানে, যেভাবে শ্যাম আছে বাঁধা, গোপীর সনে”)
৫.   “চলাফেরা তাহার জলে, সাধুগণ অমৃতসুধা বলে, বলন কয় কপাল ফলে, মনরে ধর তারে ছেড় না।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৩)(মুখ; আপন চিনলি না রে মনা, তোর আপন চিনলি না, যাকে অধিক বাসলি ভালো, সে তোরে ফিরে চাইল না”)
৬.   “চাতক স্বভাব না হলে, অমৃতমেঘের সে বারি, কথায় কী মিলে।” (পবিত্র লালন- ৪৪২/১)
৭.   “দুগ্ধে যেমন থাকে ননি, ভেয়ানে বিভিন্ন জানি, অমৃতসুধা ঢাকা তেমনি, আগে পরে গরল দিয়ে।” (পবিত্র লালন- ৯৮৭/৩)(মুখ; হলাম না রে রসিক ভেয়ে, না জেনে রসের ভিয়ান, মরতে হলো গরল খেয়ে”)।৮.   “ফুলে মধু প্রফুল্লতা, ফলে তার অমৃতসুধা, এমন ফুল দিন দুনিয়ায় পয়দা, জানলে দুর্গতি যায়।” (পবিত্র লালন- ২৬০/২)(মুখ; ও সে ফুলের মর্ম জানতে হয়, যে ফুলে অটলবিহারী, শুনতে লাগে ভয়”)
৯.   মাওলার মহিমা এমনই, সে নদীতে বয় অমৃতপানি, তার একরতি পরশে অমনি, অমর হয় সে জনে।” (পবিত্র লালন- ১২০/৩)(মুখ; আবহায়াতের নদী কোনখানে, যাও জিন্দাপিরের খান্দানে, দেখিয়ে দিবে সন্ধানে”)
১০. “সকাল বিকাল জোয়ার ভাটা ত্রিধারা-সাগরে, রক্তিম সাদা পাড়ি দিয়া যাইও কালা ধারে, অমৃতসুধা দুগ্ধ মধু যত পারো খাইতে যাদু, বলন কয় সাবধানে সাধু প্রাণ ভরিয়া খাও।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৫২)(মুখ; এবার সাজাইয়া লও আপন দেশের নাও, রে মনমাঝি ধীরে ধীরে বাইয়া যাও”)

অমৃতসুধার কয়েকটি সাধারণ উদ্ধৃতি (Some ordinary quotations of manna)
১.   “অগ্নি রয়েছে ভস্মে ঢাকা, অমৃত রয়েছে গরলে মাখা, সেরূপে কত রসিক সুজন, ডুবে তার অন্বেষণ করছে।” (পবিত্র লালন- ৭২৯/২)
২.   “অমৃতঔষধ খেলি, তাতে মুক্তি নাহি পেলি, লোভ লালসে ভুলে রইলি, ধিক তোর লালসেরে।” (পবিত্র লালন- ৮৭৫/৩)
৩.   “কখন অমৃতমেঘের বরিষণ, চাতক স্বভাব জানরে মন, তার এক বিন্দু পরশিলে, শমন-জ্বালা ঘুচে যায়।” (পবিত্র লালন- ৯১৬/২)
৪.   “দাঁড়াতে গেলে হয় দ্বিগুণ ক্ষতি, হারিয়ে যায় অমৃতসুধা মতি।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৪১)
৫.   “নাম শুনেছি অমৃতসুধা, পান করা মোর হলো না, একটি ফোটা দয়া করে, আমায় ভোজন করাও না।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৫৭)
৬.   “ফলে যার অমৃতসুধা, ফুলে মধু প্রফুল্লতা, পান করলে হরে ক্ষুদা, দারিদ্রতা দূরে যায়।” (পবিত্র লালন- ৫৪৫/৩)
৭.   “যে জলে এ তরী চলে, যারে অমৃতসুধা বলে, তারে আমি অবহেলে, জল সাধনা হলো না।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৮৯)
৮.   “যে পেয়েছে সে বুঝেছে, অমৃতফলের চাকা, তারে বর্তমানে সাধন করো, ত্রিবেণীতে পাবি দেখা।” (পবিত্র লালন- ৬৮১/২)
৯.   “শুদ্ধপ্রেম রসিক হলে, রসরতী উজান চলে, ভিয়ানে সুধা ফলে, অমৃতমিছরি ওলা, লালন বলে আমার কেবল, প্রেমজল তোলা ফেলা।” (পবিত্র লালন- ২৬৫/৫)
১০. “সাতাশনক্ষত্র সাঁইত্রিশ যোগেতে, কোন সময় চলে সাঁইত্রিশেতে, যোগের এমনই লক্ষণ, অমৃতফলের স্থান, জানত যদি দরিদ্র মন, অসার কিছুই থাকত না।” (পবিত্র লালন- ৬৩৬/২)
১১.  “সাধুরচরণ পরশিলে, অমৃতসুধার গুদাম মিলে, একবিন্দু পান করিলে, জন্ম-মরণ রহে না।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৫৭)
১২.  “সুবুদ্ধি সুস্বভাব গেল, কাকের স্বভাব মনের হলো, ত্যেজিয়ে অমৃতফল, মাকালফলে মন মজিলরে।” (পবিত্র লালন- ১৪৬/২)
১৩. “সেই পঞ্চরস অমৃতসুধার বাণিজ্য মেলায়, দুগ্ধ রতী সুধা মধু কত যে ভেঁসে বেড়ায়, বলন কাঁইজি ভেবে বলে, ত্রিবেণীর দরজা খুলে, পঞ্চরস নিও গো তুলে জনমভরি (ও ভোলা মন)।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৪১)

অমৃতসুধার সংজ্ঞা (Definition of manna)
সাধারণত; যে কোনো সুপেয় পানীয়কে অমৃতসুধা বলে।

অমৃতসুধার আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of manna)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; অমৃত মানবজলকে অমৃতসুধা বলে।

অমৃতসুধার প্রকারভেদ (Variations of manna)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; অমৃতসুধা চার প্রকার। যথা; ১. দুগ্ধ ২. শুক্র ৩. সুধা ও ৪. মধু।

. দুগ্ধ (Milk)
সাধারণত; মাতৃস্তন্য হতে নিঃসৃত সুপেয় সাদাবর্ণের পানীয়কে দুগ্ধ বলে।

. শুক্র (Semen)
সাধারণত; মৈথুনের সময়ে পুরুষদেহ হতে শিশ্নের মাধ্যমে শ্বেতবর্ণের যে তরল পদার্থ স্খলিত হওয়ার পর পুরুষজাতির কাম বাসনা প্রশমিত হয় তাকে শুক্র বলে।

. সুধা (Nectar)
সাধারণত; যে কোনো সুপেয় পানীয়কে সুধা বলে।

. মধু (Honey)
সাধারণত; মানবদেহে প্রাপ্ত মধুবৎ মিষ্ট ও সুপেয় কালোবর্ণের মানবজলকে মধু বলে।

বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে অমৃতসুধা দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান অমৃতসুধা ও ২. উপমিত অমৃতসুধা।

. উপমান অমৃতসুধা (Analogical manna)
সাধারণত; যে কোনো সুপেয় পানীয়কে উপমান অমৃতসুধা বলে।

. উপমিত অমৃতসুধা (Compared manna)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; অমৃত মানবজলকে উপমিত অমৃতসুধা বলে।

অমৃতসুধার পরিচয় (Identity of manna)
এটি ‘বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী’ এর ‘পালনকর্তা’ পরিবারের একটি ‘বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা’ বিশেষ। অমৃতসুধা ও সুধার মধ্যে আভিধানিক ও পারিভাষিক তেমন কোনো পার্থক্য নেই। সেজন্য; এ পরিভাষাটি কোথাও সুধা ও কোথাও অমৃতসুধা রূপেই ব্যবহৃত হয়। আভিধানিকভাবে সর্বপ্রকার অমৃত বস্তুকেই অমৃতসুধা বলা হয়। কিন্তু শ্বরবিজ্ঞানে; কেবল মানবদেহে প্রাপ্ত দুগ্ধ, শুক্র, সুধা ও মধুকে একত্রে অমৃতসুধা বলা হয়। আবার এদেরকে ভিন্ন ভিন্ন ভাবেও অমৃতসুধা বলা হয়।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!