আদিমানব

৮৭/১৭. আদিমানব
Primogenitor (প্রাইমোজেনিটর)/ ‘سلف’ (সালাফা)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর শুক্র পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা শুক্র। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা ধন। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা অমির, আঙ্গুর, ধেনু, নির্যাস, পদ্ম, পিতৃধন রুটি। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা দুর্গা, নারাঙ্গী, বেহুলা, রতী, রাধা, সীতা সুন্দরী এবং এর অন্যান্য বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা আদিপিতা, আদ্যাশক্তি, দৈত্য, মহামায়া, মা স্বর্গীয় ফল

অভিধা (Appellation)
আদিমানব (বাপৌছ)বি স্বায়ম্ভূ, সর্বপ্রথম মানুষ, primogenitor, ‘سلف’ (সালাফা), ‘إنسان الأول’ (ইনসান আলয়াওয়াল) (প্র)বাঙালী পৌরাণিক গোবিন্দগ্রিক পৌরাণিক এ্যাডাম ৩ আরবীয় পৌরাণিক আদম (.ﺁﺪﻢ) (পরি) স্বয়ংসৃষ্ট অযোনিজাত প্রথমমানব- যা জীবসৃষ্টির অন্ত অনুঘটক রূপে সর্বস্থলেই পরিচিত (শ্ববি) শুক্র, শুক্রাণু, বীর্য, বিন্দু, ধাতু, semen, sperm, ‘.ﻤﻧﻰ’ (মনি), ‘.ﻧﻂﻔﺔ’ (নুত্বফা) (রূপ্রশ) গোবিন্দ, জল, বারি, পিতৃধন  অহল্যা, কালী, দুর্গা, বৈষ্ণবী, সীতা (ইদে) ‘آدم’ (আদাম), ‘.عزى’ (উয্যা), ‘.ﺠﻦ’ (জিন), ‘ফা.ﭙﺮﻯ’ (পরি), ‘الزكاة’ (আজ্ঝাকাত), ‘.ﻟﻮﻄ’ (লুত্ব), ‘ﻴﺯﻴﺪ’ (ইয়াজিদ) Jস্ত্রী.ﺯﻟﻴﺠﺎ’ (জুলেখা), ‘. ‘ﺯﻫﺭﺍﺓ’ (জোহরা), ‘.بلقيس’ (বিলকিস) (ব্য্য) সর্ব সাম্প্রদায়িক মতবাদে কেবল শুক্র দ্বারাই আদিমানব নির্মাণ করা হয়; যেমন;  গোবিন্দ ও ‘.ﺍﺪﻢ’ (আদম) প্রমুখ। এছাড়াও; শুক্র দ্বারা সর্বক্ষেত্রে নারী চরিত্র নির্মাণ করা হয়; যেমন;  কালী ও ‘.ﺯﻟﻴﺠﺎ’ (জুলেখা) প্রমুখ (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর শুক্র পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা ও শ্বরবিজ্ঞানের একটি দেবতা বিশেষ (সংজ্ঞা). সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুরাণে বর্ণিত আদিপিতাকে আদিমানব বলা হয়. শ্বরবিজ্ঞানে; শুক্রকে আদিমানব বলা হয় (বাপৌছ) আদিপিতা, আদিমানব, আদ্যাশক্তি, দৈত্য, মহামায়া, মা ও স্বর্গীয় ফল (বাপৌচা) দুর্গা, নারাঙ্গী, বেহুলা, রতী, রাধা, সীতা ও সুন্দরী (বাপৌউ) অমির, আঙ্গুর, ধেনু, নির্যাস, পদ্ম, পিতৃধন ও রুটি (বাপৌরূ) ধন (বাপৌমূ) শুক্র {বাং.আদি+ বাং.মানব}

আদিমানবের সংজ্ঞা (Definition of primogenitor)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে বর্ণিত; আদিপিতাকে আদিমানব বলে।

আদিমানবের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of primogenitor)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; শুক্রকে আদিমানব বলে।

আদিমানবের প্রকারভেদ (Variations of primogenitor)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে আদিমানব দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান আদিমানব ও ২. উপমিত আদিমানব।

. উপমান আদিমানব (Analogical primogenitor)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে আদিপিতাকে উপমান আদিমানব বলে।

. উপমিত আদিমানব (Compared primogenitor)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; শুক্রকে উপমিত আদিমানব বলে।

আদিমানবের পরিচয় (Identity of primogenitor)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর শুক্র পরিবারের অধীন একটি বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে; এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহার হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না। সাম্প্রদায়িক আদিমানব যার যার কিন্তু বৈজ্ঞানিক আদিমানব সবার জন্য প্রযোজ্য। যেমন; হিন্দুদের আদিমানব মনু, গোবিন্দ ও বিবস্বার এবং মুসলমানদের আদিমানব আদম, নুহ ও ইব্রাহিম। হিন্দুদের একদল মনুকে আরেকদল গোবিন্দকে এবং আরেকদল বিবস্বানকে আদিমানব রূপে মান্য করে থাকে। তেমনই; মুসলমানদের একদল আদমকে; আরেকদল নুহকে এবং আরেকদল ইব্রাহিমকে আদিমানব রূপে মান্য করে থাকে। এভাবে বিশ্বের যতটি সাম্প্রদায়িক মতবাদ রয়েছে অন্তত ততটি আদিমানব রয়েছে। আদিমানবগুলো শ্বরবিজ্ঞানের জন্যই নির্মাণ করা হয়েছে কিন্তু মজার বিষয় হলো বর্তমান সাম্প্রদায়িকরা ঐসব রূপক আদিমানবকে প্রকৃত আদিমানব রূপে মান্য করে থাকেন। সেজন্য; তারা বৈজ্ঞানিক, প্রত্নতাত্ত্বিক ও দার্শনিক কোনো তথ্য উপাত্তের সাথে এঁদের মিলাতে বা সাযুজ্য করতে পারেন না। অন্যদিকে; বিজ্ঞানী, দার্শনিক ও প্রত্নতাত্ত্বিকরা ঐসর রূপক আদিমানব কখনই গ্রহণ কিংবা মান্যও করেন না। তাদের কথা হলো সাম্প্রদায়িক অন্ধবিশ্বাস হতে মুক্ত হতে না পারলে কখনই গবেষণার সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায় না।

বাস্তব আদিমানব ও কল্পিত আদিমানবের পার্থক্য (Difference between real primogenitor and fabulous primogenitor)

বাস্তব আদিমানব কল্পিত আদিমানব
১.  সর্বপ্রথম সৃষ্টি নরকে বাস্তব-আদিমানব বলে। ১. নির্মিত আদিপুরুষকে কল্পিত আদিমানব বলে। যেমন; গোবিন্দ ও আদম।
২. এঁদের নাম, বংশ ও বসতির কোনো পরিবর্তন করা হয় না। ২. এঁদেরর নাম, বংশ ও বসতি সম্পূর্ণ রূপকার্থে নির্মিত।
৩. এঁদের সত্তা ৩টি; ১. ব্যক্তি-সত্তা ২. কাব্য-সত্তা ও ৩. লৌকিক সত্তা। ৩. এঁদের সত্তা ৩টি; ১. কাব্য-সত্তা ২. লৌকিক সত্তা ও ৩. দৈবসত্তা।
৪.  এঁদের জন্ম ও প্রয়াণ রয়েছে। ৪. এঁদের জন্ম ও প্রয়াণ নেই।
৫. এঁরা বাস্তবমানব। ৫. এঁরা স্বর্গীয় দেবতা।
৬. এঁদেরকে বিশ্বের সব মানুষের মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায় না। ৬. এঁদেরকে বিশ্বের সব মানুষের মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায়।
৭.  এঁরা অলৌকিক। ৭. এঁরা লৌকিক।
৮. এঁরা অ, ﺍ, অ ইত্যাদি বর্ণমালার দ্বারা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত। ৮. এঁরা বর্ণমালার দ্বারা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত নন বরং এঁরা দৈবজ্ঞানে জ্ঞানী।
৯.  এঁদের সাধন-ভজনের বাস্তবতা পাওয়া যায় না। ৯ এঁদের সাধন ভজনের বাস্তবতা পাওয়া যায়।
১০. এঁদের নাম, জন্মস্থান ও সামাজিক পরিচয় পাওয়া যায় না। ১০. এঁদের নির্মিত নাম, জন্মস্থান ও সামাজিক পরিচয় অবিকল পাওয়া যায়।

আদিমানব-আদিমানবী নির্মাণ পদ্ধতি (Construction methodology of progenitor and firstmother)

নরদেহের শুক্রকে আদিমানবের সত্তা ধরে এ পরিবারের সদস্যদের দ্বারা রূপকভাবে এঁর প্রয়োজনীয় পূর্বপুরুষ ও পরপুরুষের নাম, আবাসন ও গোত্রগুলো নির্ধারণ করা হয়। তারপর; একেক জনকে স্রষ্টার প্রতিনিধি রূপে উপস্থাপন করা হয়। তবে; কেবল আদিমানব নির্মাণের ক্ষেত্রেই শুক্র-সত্তা ব্যবহার করা হয়। যেমন; গোবিন্দ ও আদম। অন্যত্র কোথাও শুক্র পরিবারের সদস্যগুলোর দ্বারা পুরুষ চরিত্র নির্মাণ, নির্ধারণ ও নির্ণয় সম্পূর্ণই অবৈধ ও নিষিদ্ধ। উল্লেখ্য যে; শুক্র পরিবারের সদস্যদের দ্বারা সর্বদা নারী চরিত্র নির্মাণ করা হয়। যেমন; দুর্গা, পার্বতী, হাজিরা, জুলেখা ও ফাত্বিমা প্রমুখ। পরিশেষে বলা যায়; শুক্র পরিবারের সদস্যদের দ্বারাই শ্বরবিজ্ঞানের আদিমানব ও রজ পরিবারের সদস্যগুলোর দ্বারা আদিমানবী নির্মাণ করা হয় কিন্তু সাধারণ মানুষ এসব চরিত্রকে রক্তমাংসে গড়া মানুষ মনে করে থাকে।

এছাড়া; বিষয়টি সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক নির্বোধ মনীষী ও বক্তারাই ঘোলাটে করে থাকে অধিক। পুরাণ বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চমার্গের সর্বোন্নত প্রেমরসময়ী সাহিত্য। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো; এর ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করতে প্রায় দেখা যায় একেবারে মূর্খ লোকদের। কোনমতে প্রাতিষ্ঠানিক সামান্য বিদ্যা অর্জন করেই একদল গণ্ডমূর্খ মতবাদ-ব্যবসা, পুণ্য-ব্যবসা ও স্বর্গ-বাণিজ্য দ্বারা জীবিকা নির্বাহের পথ বেছে নেন। অতঃপর; শুচিবাই রোগির মতো এটা নিষিদ্ধ, ওটা নিষিদ্ধ, এটা অবৈধ, ওটা অবৈধ ইত্যাদি বাণী দ্বারা বাংভারতের মতবাদ ভীরু মানুষকে শিক্ষাদীক্ষা দেওয়া আরম্ভ করে। সরলপ্রাণ বাঙালীরাও তাদের পিছে পিছেই চলাফেরা করতে আরম্ভ করে থাকে। তবে; এসব বিষয় হতদরিদ্র বাংভারত ব্যতীত অন্য কোনো সভ্যদেশে যে করতে পারবে না তা শক্ত করেই বলা যায়। এখানে; বাঙালীদের অশিক্ষা, কুশিক্ষা ও অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে গড়ে ওঠেছে গুরুতন্ত্র, গোঁসাইতন্ত্র, ঠাকতন্ত্র, পুরুৎতন্ত্র, মোল্লাতন্ত্র, মুন্সিতন্ত্র, পিরতন্ত্র ও ধর্মতন্ত্র। এর সাথে সাথে গড়ে ওঠেছে বাউলতন্ত্র, বৈষ্ণবতন্ত্র, ফকিরীতন্ত্র, পাগলতন্ত্র। উপরোক্ত তন্ত্রগুলোর তাপে-চাপে মানুষ একেবারেই আত্মতত্ত্ব ও আত্মদর্শন ভুলে গেছে। শ্বরবিজ্ঞানে; ব্যবহৃত আদিমানব পরিভাষাটির উপমিত অভিধা যে পুরুষজাতির শুক্র তাও তারা জীবনের তরে ভুলে গেছে। আলোচনার শেষ প্রান্তে উপনীত হয়ে বলতে চাই, শ্বরবিজ্ঞানে; ব্যবহৃত আদিমানব পরিভাষাটির দ্বারা কখনই প্রজাতির আদিপুরুষকে বুঝায় না। বরং এর দ্বারা পুরুষজাতির শুক্রকেই বুঝায়।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!