আলো

২৯/২. আলো
Light (লাইট)/ ‘ﻨﻮﺮ’ (নূর)

এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর জ্ঞান পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক প্রকৃত মূলক সত্তা জ্ঞান। এর বাঙালী পৌরাণিক সহযোগী মূলক সত্তা জ্ঞানেন্দ্রিয়। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা গুরু। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা সম্বিত এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা মানুষগুরু

অভিধা (Appellation)
আলো (বাপৌউ)বি আলোক, জ্যোতি, দীপ্তি, প্রভা, দীপ, রূপ, সৌন্দর্য বিণ উজ্জ্বল, আলোকিত, light, ‘ﻨﻮﺮ’ (নূর) (শ্ববি) জ্ঞান, বুদ্ধি, প্রজ্ঞা, knowledge, আক্বল (.ﻋﻘﻝ), ইলিম (.ﻋﻟﻢ) (রূপ্রশ) বিচারক (ইদে) মুর্শিদ (.ﻤﺭﺷﺪ), পির (ফা.ﭙﻴﺭ) (ইংপ) master, teacher (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর জ্ঞান পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা). সাধারণত; আকারী পদার্থ দৃষ্টিগোচর হওয়ার শক্তিকে আলো বলা হয়. বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, জ্ঞানকে রূপকার্থে আলো বলা হয় (বাপৌছ) মানুষগুরু (বাপৌচা) সম্বিত (বাপৌউ) আলো (বাপৌরূ) গুরু (বাপৌমূ) জ্ঞান।

আলো অব্য সম্বোধনসূচক শব্দ (আলো বউ)

আলোর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of light)
১.   “অন্ধকার ঘুচাইয়া যেমন আলোয় দিলো ভরে, আবার কেন বিদায় নিলো বিশ্ব পাগল করে, মনের ব্যথা মনে জানেরে, ব্যথা ফুরাই না জীবনে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১২৭)(মুখ; ডুবিল গগনের শশীরে ও শশী ডুবিল গগণে, কিবা হারাইলাম জীবনে”)
২.   “কত অন্ধকার ঘরে জ্ঞানের আলো জ্বেলেছ, হেলা করে অন্ধকারে আমায়ে ফেলে রেখেছ, আমি বুঝি এত ভারি, তায় অকূলে রাখলে ফেলিয়া।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২১৩)(মুখ; কত অন্ধকার ঘরে জ্ঞানের আলো জ্বেলেছ, হেলা করে অন্ধকারে আমায়ে ফেলে রেখেছ, আমি বুঝি এত ভারি, তায় অকূলে রাখলে ফেলিয়া”)
৩.   “সাদা চাঁদ আলো যোগায়, কালো চাঁদ আঁধার ঘুচায়, ভয় রহে না ঝরে মরায়, যুগল চাঁদ প্রতি মাসে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৮১)(মুখ; পাতালের চাঁদ উদয় আকাশে, তিনদিন রয় সাধনপুরে, দ্বিখণ্ড হয় অনায়াশে”)

আলোর কয়েকটি সাধারণ উদ্ধৃতি (Some ordinary quotations of light)
১.   “উত্তরা সুর বাজে ভালো, হৃদ কমলে জ্বলে আলো, দক্ষিণা সুর বদন কালো, বিখণ্ডন ঘটিয়া যায়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৫৯)
২.   “চন্দ্র সাদা সূর্য্য কালো, যাতে উদয় জ্ঞানের আলো, কোন সাধনে পাবো বল, তা এখন কারে শুধাই।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৮২)

সাধারণ আলো অর্থে আলোপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology light sense for ordinary light)
১.   “একচাঁদে জগৎ আলো, একবীজে সব জন্ম হলো, লালন বলে মিছে কলহ, ভবে শুনতে পাই।” (পবিত্র লালন- ৭০৭/৪)(ভক্তের দ্বারে বাঁধা আছেন সাঁই, হিন্দু কী যবন বলে, জাতির বিচার নাই”)
২.   “দীপের আলো দেখে যেমন, উড়ে পড়ে পতঙ্গগণ, অবশেষে হারায় জীবন, আমায় মন তাই করলি হায়রে।” (পবিত্র লালন- ৩৩৬/৩)(মুখ; কেন মরলি রে মন, ঝাঁপ দিয়ে তোর বাবারপুকুরে, দেখি চিত্ত কামে মত্ত, পাগলপারা প্রায় তোরে”)
৩.   “নিশিতে সূর্য উদয় কোন দেশে, দিনে চাঁদের আলো আসে (গো), চাঁদ-সুরুজ এক অক্ষে ভাসে, তাকালে কেউ দেখে না।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৫)(মুখ; আপনদেশের মধুরবাণী, গুরু আমায় শোনাও না, দেশবাসী কয় উল্টাকথা, সোজা করে শোনায় না”)
৪.   “পূর্ণিমাশশী বিলীন হইলে তমসা নেমে আসে, মনের-মানুষ ছাড়িয়া গেলে নয়ন-জলে ভাসে, ডুবিয়া গেলে রবি শশীরে, ঐ আলো জ্বলে কী কিরণে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১২৭)(মুখ; ডুবিল গগনের শশীরে ও শশী ডুবিল গগণে, কিবা হারাইলাম জীবনে”)
৫.   “শতদল আর সহস্র দল, এক রূপে করছে আলো, সেরূপে যে নয়ন দিলো, মহাকাল তার কী করবে।” (পবিত্র লালন- ৭১৯/২)(মুখ; ভাবের উদয় যেদিন হবে, সেদিন হৃদকমলে রূপ ঝলক দিবে”)
৬.   “সাদা ও কালো দুটি শশী, আলো জ্বালায় দিবানিশি, চাঁদ কুড়াতে সাধু সন্ন্যাসী, বসে রয় তেমাথায়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১০৫)(মুখ; চাঁদের নদে চাঁদ ভেসে যায়, কোন সাধনে ধরবি তারে, ধরতে গেলে দূরে পালায়”)

———————————————————————————

১.   “আছে নূরের শ্রেষ্ঠ নূর, জানে সদাই সুচতুর, জীব যারা, যে নূরের আলোতে হয়, নূর জোহরা।” (পবিত্র লালন- ৪৬১/৩)
২.   “আজবলীলা মানুষ-গঙ্গায়, আলোর ওপর জলময়, যেদিন শুকায় জল- সব হয় বিফল, মীন পালায় শূন্য ’পরে।” (পবিত্র লালন- ৯৫০/৩)
৩.   “আঠারো মুক্বামে জানা, মহারসের বারামখানা, সে রসের ভিতরে কিনা, আলো করে সাঁই।” (পবিত্র লালন- ১১২/৩)
৪.   “আলেক শহরে আজব কুদরতি, রাতে উদয় ভানু দিবসে চাঁদি, আলোর খবর যে জানে- দেখতে পায় নয়নে, লালন বলে চাঁদ দেখেছে তারা।” (পবিত্র লালন- ৪৩৫/৪)
৫.   “আলোক উদ্ভব নিত্যগোলক, তাতে বিরাজে পূর্ণব্রহ্ম আলেক, হলে দ্বিদল নির্ণয়- জানা যায়, বাঁধা থাকে না সাধনদ্বারে।” (পবিত্র লালন- ৩১৫/২)
৬.   “কৌশলী বিন্দুতরু তেলে, অবিরত প্রদীপ জ্বলে, পূর্ব পশ্চিম মধ্য মূলে, আলোতে উজ্বালাময়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৮৬)
৭.   “ছেলের রূপে ভুবন আলো হলো, কোথায় অকস্মাৎ জন্ম হলো, লালন বলে সে ছেলের গুণ, কারো কারো হৃদয়ে গাঁথা।” (পবিত্র লালন- ৫৫২/৪)
৮.   “জগৎ আলো করেছে সাঁই, ফুটিয়ে প্রেমের কলি, কী শোভা করেছে সাঁই, তার কাননে এক মালি।” (পবিত্র লালন- ৪৫৪/১)
৯.   “দেখ আজগুবি একফুল ফুটেছে, ক্ষণেক্ষণে মুদিত হয় ফুল, ক্ষণে আলো করছে।” (পবিত্র লালন- ৫৩২/১)
১০. “নূরেতে মুক্বাম ঘিরা, তার ভিতরে সাত সিতারা, তার ওপরে যুগলতারা, আলো করে ত্রিভুবন।” (পবিত্র লালন- ৪৫/২)
১১.  “প্রদীপ দানিতে দীপ রাখা, কম আলোতে বেশি দেখা, ঊর্ধ্বমুণ্ডে চেরাগ সেথা, চিমনি ঘিরা সদাই।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৮৬)
১২.  “প্রদীপ যেন তারকা দেখায়, একতরু তেলে জ্বলে সদাই, পূর্বে কিংবা পশ্চিমেও নয়, আলো রয় বিজলিময়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৮৬)
১৩. “ফুল ফুটে হয় জগৎ আলো, তারে দেখে মন শীতল হলো, লালন কয় উপায় বলো, খেলছে সাধু দরবেশ অলি।” (পবিত্র লালন- ৪৫৪/৩)
১৪. “বিকার যার শান্ত হলো, হৃদকমলে সদাই আলো, যথায় মন্দ তথায় ভালো, অবশ্য সে পায় দেখা।” (পবিত্র লালন- ৬৯৮/২)
১৫. “মাধবীতলায় গায়, মাধবী-লতার ছায়, দেখ দেখ সই লতায় পাতায়, বন্ধু রূপে আলো।” (পবিত্র লালন- ৭৭৫/২)
১৬.  “যেমন দেখি তাইতো; আঁখি, হয়ে যায়রে বিভোল, দীপের আলো দেখে যেমন, পতঙ্গ পুড়ে মরল।” (পবিত্র লালন- ৩৯৯/২)
১৭. “লালন বলে দেখবি ভালো, চাররঙে করেছে আলো, একরঙ গোপনে রয়, চারদিকে লাল জহুরা।” (পবিত্র লালন- ৫৪২/৪)
১৮. “সবে বলে কালো কালো, কালো নয় সে চাঁদের আলো, সে যে কালাচাঁদ- নাই এমন চাঁদ, যে চাঁদের তুলনা তারই সনে।” (পবিত্র লালন- ৪৮৫/২)
১৯.  “সাধক যদি হয় বিহারী, সাঁই আলোক হয় সবারি, কেউ মরা মরে না- ধরা সে দেয় না, ধরতে গেলে পালায় অচিনদেশে।” (পবিত্র লালন- ৭৭২/৩)

আলোর সংজ্ঞা (Definition of Light)
সাধারণত; আকারী পদার্থগুলো দৃষ্টিগোচর হওয়ার শক্তিকে আলো বলে।

আলোর আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of light)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; জ্ঞানকে রূপকার্থে আলো বলে।

আলোর প্রকারভেদ (Variations of light)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে আলো দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান আলো ও ২. উপমিত আলো।

. উপমান আলো (Analogical light)
সাধারণত; আকারী পদার্থগুলো দৃষ্টিগোচর হওয়ার শক্তিকে উপমান আলো বলে। যেমন; সূর্যরশ্মি।

. উপমিত আলো (Compared light)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; জ্ঞানকে উপমিত আলো বলে।

আলোর পরিচয় (Identity of light)
এটি ‘বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী’ এর ‘জ্ঞান’ পরিবারের একটি ‘বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা’ বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে; এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহার হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না। সাধারণত; আকারী পদার্থগুলো দৃষ্টিগোচর হওয়ার শক্তিকেই আলো বলা হয় কিন্তু শ্বরবিজ্ঞানে; জ্ঞানকে আলো বলা হয়। যেমন; আলো ব্যতীত কোনকিছুই দেখা ও বুঝা যায় না; তেমনই; জ্ঞান ব্যতীত কোনকিছুই জানা ও বুঝা যায় না। এজন্য; জ্ঞানকে আলোর সাথে তুলনা করা হয়। উল্লেখ্য; শ্বরবিজ্ঞানে; ব্যবহৃত আলো পরিভাষাটির দ্বারা প্রায় সর্বক্ষেত্রেই জ্ঞান অর্থ প্রকাশ করে। অন্যদিকে; অত্যন্ত মজার বিষয় হলো; বাংভারতের খুষ্কমুষ্ক সাম্প্রদায়িক মনীষী ও শ্ববিজ্ঞানের জ্ঞানহীন সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক বক্তা, লেখক, গবেষক, অভিধানবিদ, অনুবাদক, ব্যৈখ্যিক, টৈকিক ও আলোচকরা শ্বরবিজ্ঞানের আলো পরিভাষাটির দ্বারা কেবল জ্যোতি গ্রহণ করে আসছে দীর্ঘদিন হতে। যারফলে; মানবকল্যাণের জন্য নির্মিত বিশ্ববিখ্যাত সাম্প্রদায়িক গ্রন্থাদিও বর্তমানে মুখথুবড়ে পড়তে বাধ্য হয়েছে। সেজন্য; সারাবিশ্বে আতঙ্কবাদ, উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদের মরণ কবলে পতিত হয়েছেন কেবল ঐশিবাদিরাই। আতঙ্কবাদ, উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদের মূল হোতা বলতে বিশ্ববাসী কেবল ঐশিবাদী ও অবতারবাদীদেরকেই চেনেন ও জানেন।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!