আস্তিক

৬৪/১. আস্তিক
Theist (থিয়েস্ট)/ ‘مؤمنا’ (মু’মিনা)

ভূমিকা (Prolegomenon)

এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর বিশ্বাসী পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা বিশ্বাসী। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা ধর্মপরায়ণ। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা ধর্মপ্রাণ এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা ধর্মভীরু

অভিধা (Appellation)
আস্তিক (বাপৌরূ)বিণ আস্থাভাজন, নির্ভরযোগ্য, বিশ্বাসস্থাপনকারী, নির্ভর করা যেতে পারে এমন, theist, faithful, ‘مؤمنا’ (মু’মিনা), মুখলেস (.ﻤﺧﻟﺺ) (প্র) ১. কাঁই বা ঈশ্বরের ওপর বিশ্বাসী, স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাসী, সাম্প্রদায়িক সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা ও পুনরুত্থান মতবাদে বিশ্বাসী ব্যক্তি, সাঁই ও কাঁইয়ের ওপর বিশ্বাসী ব্যক্তি বি সাম্প্রদায়িক গ্রন্থ বা শাস্ত্রগ্রন্থে বিশ্বাসী ২. জরৎকারু মুনি ও তাঁর পত্নী নাগরাজ বাসুকির ভগিনী মনসাদেবীর সন্তান। তাঁর মাতা নাগরাজ বাসুকিদেবীর ভগিনী ছিলেন (শ্ববি) ধার্মিক (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর বিশ্বাসী পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা ও ভারতীয় বাঙালী পৌরাণিক দেবতা বিশেষ (সংজ্ঞা) ১. সাধারণত; যে কোনো বিষয়ের ওপর আস্থাশীলকে বাংলায় ‘আস্তিক বলা হয় ২. বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, বর্ণিত দেবদেবীর প্রতি আস্থাশীলকে রূপকার্থে ‘আস্তিক বলা হয় (বাপৌছ) ধর্মভীরু (বাপৌচা) ধর্মপ্রাণ (বাপৌউ) ধর্মপরায়ণ (বাপৌরূ) আস্তিক (বাপৌমূ) বিশ্বাসী বিপ নাস্তিক।

 (প্র) জরৎকারু মুনি ও তাঁর পত্নী নাগরাজ বাসুকির ভগিনী মনসাদেবীর সন্তান। তাঁর মাতা নাগরাজ বাসুকিদেবীর ভগিনী ছিলেন। জরুৎকারু মুনির নিদ্রাভঙ্গ করে অপ্রিয় হওয়ায় তিনি তাঁর গর্ভবতী পত্নীকে ত্যাগ করে যাবার সময় গর্ভস্থ সন্তানকে লক্ষ্য করে বলেছিলেন; “অস্ত্যয়ং সুভসে গর্ভস্তব”। অস্তি পদগুলো বাক্য উচ্চারণ করেছিলেন- সে’জন্য তার নাম হয় আস্তিক। অর্জুনের পৌত্র এবং অভিমন্যুর পুত্র মহারাজ পরীক্ষিতের ব্রহ্মশাপে তক্ষক দংশনে মৃত্যু হওয়াই তাঁর পুত্র জন্মেজয় সর্পসত্র করে নাগবংশ নির্মূল করতে চান। বাসুকি এ ঘটনা ভগিনীর সাহায্যে আস্তিককে জানান। আস্তিক যজ্ঞস্থানে গিয়ে জন্মেজয়কে সন্তুষ্ট করে মাতৃশাপে বিলুপ্তপ্রায় সর্পকুলকে বিনাশের হাত হতে রক্ষা করেন। আস্তিকের নাম স্মরণ করলে সর্পভয় দূর হয়।

আস্তিকের সংজ্ঞা (Definition of theist)
১.   বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; কোনো বিষয়ের ওপর আস্থা বা নির্ভরশীল ব্যক্তিকে আস্তিক বলে।
২.   বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; তথাকথিত শাস্ত্রনির্ভর ও অন্ধবিশ্বাসপ্রসূত সাম্প্রদায়িক নিরাকার উপাস্য বা নিরাকার দেবতা বিশ্বাসীকে আস্তিক বলে।
৩.   বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পৌরাণিক কাহিনী যাচাইবাছাই না করে কেবল অন্ধভাবে বিশ্বাসীকে আস্তিক বলা হয়।
৪.   বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে বর্ণিত উপমা বিশ্বাসীকে আস্তিক বলে। যেমন; সাঁই ও কাঁইয়ের নিরাকার অস্তিত্ব স্বীকারকারী।

আস্তিকের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of theist)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; সাম্প্রদায়িক পৌরাণিক কাহিনী ও অলীক পৌরাণিক কাহিনী গ্রাহ্যকারীকে আস্তিক বলে।

আস্তিকের প্রকারভেদ (Variations of theist)
আস্তিক দুই প্রকার। যথা; ১. সাধারণ আস্তিক ২. মতবাদী আস্তিক।

. সাধারণ আস্তিক (Common theist)
সাধারণ বিষয়াদি যুক্তি, দর্শন, বিজ্ঞান ও প্রমাণসহ বিশ্বাসকারীকে সাধারণ আস্তিক বলে।

. মতবাদী আস্তিক (Doctrinaire theist)
যুক্তি, দর্শন, বিজ্ঞান ও প্রমাণ ব্যতীত সাম্প্রদায়িকদের সৃষ্টিকর্তা, পালনর্তা ও সংহারকর্তাগুলো বিশ্বাসকারীকে মতবাদী আস্তিক বলে।

আস্তিকের প্রকারভেদ (Variations of theist)
আবার, বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; আস্তিক দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান আস্তিক ও ২. উপমিত আস্তিক।

. উপমান আস্তিক (Analogical theist)
সাধারণত; যে কোনো বিষয়ের ওপর আস্থাশীলকে উপমান আস্তিক বলে।

. উপমিত আস্তিক (Compared theist)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; শ্বরবিজ্ঞানের দেবতাগণের প্রতি আস্থাশীলকে উপমিত আস্তিক বলে।

আস্তিকের পরিচয় (Identity of theist)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর বিশ্বাসী পরিবারের অধীন একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা বিশেষ। তথাকথিত শাস্ত্রনির্ভর ও অন্ধবিশ্বাসপ্রসূত সাম্প্রদায়িক নিরাকার উপাস্য দেবতা মতবাদ বিশ্বাসী এবং বস্তুবাদে অবিশ্বাসীদেরকে বিশ্বাসী বা আস্তিক বলা হয়। না জেনে ও না বুঝে কাউকে অধিক বিশ্বাস করাও ভালো নয় আবার কাউকে অধিক অবিশ্বাস করাও উচিত নয়। যাচাইবাছাই বা প্রমাণ সাপেক্ষে সবকিছুই বিশ্বাস করা উত্তম। তবে; যে কোনো যথাযথ বিচারক মণ্ডলীর দ্বার (উচ্চ বিচারালয়/ নিম্ন বিচারালয়) কোনো বিষয় প্রমাণিত হয়ে গেলে তা বিশ্বাস করাই কোনো অসুবিধা নেই। যদিও বিশ্বাস ও বাস্তবতার মধ্যে অমিল পাওয়া যায়। সমাজে সব সময় প্রায় পাঁচ প্রকার পৌরাণিক কাহিনী শুনতে পাওয়া যায়। যেমন; ১.দার্শনিক কাহিনী ২.বৈজ্ঞানিক কাহিনী ৩.রাজনৈতিক কাহিনী ৪.সাম্প্রদায়িক কাহিনী ও ৫.পারম্পরিক কাহিনী। এদের মধ্যে কেবল সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পৌরাণিক কাহিনীর ক্ষেত্রে আলোচ্য ৯৯ বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা ও অবিশ্বাস পরিভাষাটি প্রযোজ্য। এছাড়াও; অন্যান্য ক্ষেত্রে বিশ্বাস বা অবিশ্বাস কিংবা অবিশ্বাসী বা নাস্তিক পরিভাষাটি নিয়ে তেমন কোনো আলোচনা দেখতে পাওয়া যায় না। বর্তমানে সারাবিশ্বে অসংখ্য সাম্প্রদায়িক মতবাদ থাকলেও কেবল ইসলামী মতবাদেই অত্র পরিভাষাটির অধিক ব্যবহার ও অধিক আলোচনা লক্ষ্য করা যায। সাম্প্রদায়িক বিধিমালা অনুসারে সাম্প্রদায়িক বিষয়বস্তু বিশ্বাসকারীরা সুপথগামী এবং এ বিশ্বাসের ফলে তারা স্বর্গবাসী হবেন। কিন্তু অস্বীকারকারীরা বিপথগামী এবং এ অবিশ্বাসের ফলে অবশ্য অবশ্যই তারা নরকবাসী হবেন। যার যার সাম্প্রদায়িক মতবাদ অনুযায়ী মানুষ মাত্রই বিশ্বাসী। কারণ; প্রত্যেকেই কোনো না কোনো সাম্প্রদায়িক মতবাদ বিশ্বাস করেন। এজন্য; বলা যায় স্বস্ব দৃষ্টি ভঙ্গিতে সবাই বিশ্বাসী। অর্থাৎ; নাস্তিক বলে কেউ নেই।

যার যার স্থানে অবস্থান করে সাম্প্রদায়িক, পারম্পরিক, জ্যোতিষী, দার্শনিক ও বিজ্ঞানীরা যার যার স্রষ্টাকে অবশ্যই বিশ্বাস করেন। এজন্য; সবাই আস্তিক। যেহেতু; ইচ্ছায় অনিচ্ছায় সবাই যার যার স্রষ্টাকে বিশ্বাস ও মান্য করেন সেহেতু পৃথিবীতে নাস্তিক বলে কেউ নেই। যারফলে; পৃথিবীতে নাস্তিক ও নাস্তিক্যবাদ বলে কিছুই নেই। আরও বলা যায় মানুষ স্থূলদৃষ্টিতে একে অন্যকে নাস্তিক বলে অবুঝের মতো গালাগালি করলেও সূক্ষ্মদৃষ্টিতে সারাবিশ্বের কোথাও নাস্তিক বা নাস্তিক্যবাদের অস্তিত্ব বলে কিছুই নেই। কার্যত যার যার মনের মতো করে তার তার স্রষ্টার হাত, পা, চোখ, মুখ, কান, নাক, মন, জ্ঞান, রাগ, বিবেক ও বিচার সৃষ্টি করে তা অন্যকে বিনা বিচারে গ্রহণ করতে বা মেনে নিতে বলবেন তখন কেউ মেনে না নিলেই তাকে নাস্তিক বলবেন এটা কখনই হতে পারে না। একটু ভালোভাবে লক্ষ্য করলেও দেখা যায়- কারো স্রষ্টার হাত, পা, –, বিবেক ও বিচার ইত্যাদি আছে আবার কারো স্রষ্টার এসব নেই। তাহলে স্রষ্টা নির্মাণ একান্ত শৈল্পিক বিষয়। যার যার দলের রূপকার গুরু ও গোঁসাইরা ডাকার জন্য স্ব স্ব স্রষ্টা নির্মাণ করে তাঁকে মনের মাধুরিতে রূপদান করেছেন। সেটা হোক সাম্প্রদায়িক স্রষ্টা বা বিজ্ঞানীদের স্রষ্টা।

উল্লেখ্য যে; বিশ্বাসের একেক বিভাগের সৃষ্টিকর্তা একেক প্রকার। যেমন, প্রকৃতিবাদীদের সৃষ্টিকর্তা ‘প্রকৃতি’। বিজ্ঞানীদের একাংশের সৃষ্টিকর্তা ‘শক্তি’। আরেকাংশের ‘সৃষ্টিকর্তা’ ‘তাপ-চাপ-চুম্বক’। দার্শনিকদের সৃষ্টিকর্তা হলো ‘জ্ঞান’। আত্মজ্ঞানী মনীষীদের জৈবিক সৃষ্টিকর্তা ‘পিতা’ ও ‘শুক্র’ এবং ভৌতিক সৃষ্টিকর্তা ‘তাপ-চাপ-চুম্বক’। সাম্প্রদায়িকদের সৃষ্টিকর্তা নিরাকার bogus boo (বোগাস বো) এবং পারপম্পরিকদের একাংশের সৃষ্টিকর্তা যার যার ‘গুরু’। আবার আরেক অংশের সৃষ্টিকর্তা ‘নিরাকার’। সাম্প্রদায়িক বা সাম্প্রদায়িকদের সৃষ্টিকর্তাগুলো হলো;

১.    ইয়াজিদীদের স্রষ্টা         Tanrı (তানরি)।
২.   ইয়ারসানীদের স্রষ্টা        ‘خداوند’ (খোদাওন্দ)।
৩.   মুসলমানদের স্রষ্টা         ‘الله’ (আল্লাহ)।
৪.   ইহুদীদের স্রষ্টা             ‘לורד’/ Jehovah (জোভ)।
৫.   কনফুসীদের স্রষ্টা          老爺 (লাংইয়ে)।
৬.   ক্যাওদাইদের স্রষ্টা         Chúa tể (চো তে)।
৭.   খ্রিস্টানদের  স্রষ্টা           Lord (লর্ড)/ ‘לורד’ ()।
৮.   জরথুস্ত্রদের স্রষ্টা            ‘خدا’ (খোদা)/ ‘خداوند’ (খোদাওন্দ)।
৯.   জুসিদের স্রষ্টা               범천 (হামসান)।
১০. জেনদের স্রষ্টা               ব্রহ্মা।
১১. জৈনদেরস্রষ্টা                ব্রহ্মা।
১২. তাওদের স্রষ্টা               主 (চু)।
১৩. তেনরিকোদের স্রষ্টা        ロード (এয়াদা)
১৪. দ্রুজদের স্রষ্টা               ‘לורד’ ()।
১৫. নিওপ্লাটোদের স্রষ্টা        ‘خدا’ (খোদা)।
১৬. বাহাইদের স্রষ্টা             ‘اللہ’ (আল্লাহ)।
১৭. বৌদ্ধদের স্রষ্টা              ঈশ্বর।
১৮. মাজদাকদের স্রষ্টা          ‘خدا’ খোদা।
১৯. মান্দাইদের স্রষ্টা            ব্রহ্মা।
২০. রাস্তাফারীদের স্রষ্টা         Here (হিরিই)।
২১. শাক্তদের স্রষ্টা              ব্রহ্মা।
২২. শিখদের স্রষ্টা               ওয়াহিগুরু।
২৩. শিন্তোদের স্রষ্টা             ロード (এয়াদা)
২৪. সামারিতানদের             স্রষ্টা ‘לורד’ ()।
২৫. হিন্দুদের স্রষ্টা               ব্রহ্মা।
২৬. হোয়া-হাওদের স্রষ্টা        Chúa tể (চো তে)।

এছাড়াও; বাঙালীদের কাঁই ও অন্যান্যদের ব্রহ্মা ও ‘خدا’ (খোদা)/ ‘خداوند’ (খোদাওন্দ) ইত্যাদি। উপরোক্ত সৃষ্টিকর্তাগুলোর ভিন্ন ভিন্ন নির্মাণশৈলী বা নির্মাণ কাহিনী রয়েছে। কারো সৃষ্টিকর্তা সৃষ্টি হয়েছে স্বায়ম্ভু আকারে, কারো সৃষ্টিকর্তা সৃষ্টি হয়েছে ডিম্ব হতে। কারো সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টিরহস্য কেউ জানে না, কারো সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টিরহস্য প্রকাশ করলে মানুষের সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক বিশ্বাস (ধর্মীয়বিশ্বাস) থাকে না ইত্যাদি।

এসব কারণে কোনো বিষয়বস্তু নিয়ে কিছু বলার পূর্বে তা ভালোভাবে জানা ও বুঝা একান্ত প্রয়োজন। মূল বিষয় হলো সুবিজ্ঞ রূপকাররা যার যার স্রষ্টার যতসব রূপক বর্ণনাগুলো যার যার মনের রঙতুলি দিয়ে মনের মাধুরিতে অন্যন্য রূপে অংকন করেছেন। এজন্য; একজনের স্রষ্টা অন্য জনের অবিশ্বাস হওয়াই স্বাভাবিক। একজনের স্রষ্টার বর্ণনার চেয়ে অন্যজনের স্রষ্টার বর্ণনা ভিন্ন ভিন্ন বা ভালো ও মন্দ হওয়াই স্বাভাবিক। সর্বশেষে বলবো আসুন আমরা আস্তিক ও নাস্তিক এমন অতি সাধারণ পরিভাষা দ্বারা আত্মতৃপ্তি বা কটুক্তি না করে বরং সবাই আত্মসংযম করি। স্রষ্টা বিষয়ে একে অন্যকে গালি দেওয়া হতে বিরত থাকি। এক রূপকারের নির্মিত স্রষ্টা অন্যের ওপর চাপিয়ে দিয়ে, সে তা গ্রহণ করতে না চাইলেই তাকে নাস্তিক, যবন বা অবিশ্বাসী বলে গালি দিয়ে নিজের জ্ঞানের চরম দৈন্যতার পরিচয় দেওয়া হতে বিরত থাকি।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!