ইহকাল

৫৭/১. ইহকাল
Armageddon (আর্মাগেডান)/ ‘هرمجدون’ (হারামাজাদুন)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর বর্তমান জন্ম পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা বর্তমান জন্ম। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা ইহধাম এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা ইহলোক। এটি; শ্বরবিজ্ঞানের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা। এর সঠিক আত্মতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি উদ্ঘাটন করা প্রত্যেক পাঠক-শ্রোতার একান্ত দায়িত্ব ও কর্তব্য।

অভিধা (Appellation)
ইহকাল (বাপৌরূ)বি জীবিতকাল, এজন্ম, জন্ম হতে প্রয়াণকাল পর্যন্ত সময় (শ্ববি) বর্তমান জন্ম, জীবিতকাল, armageddon, ‘هرمجدون’ (হারামাজাদুন) বিপ পরকাল, ‘ﺍﺨﺮﺓ’ (আখিরাত) (রূপ্রশ) এপার, ইহজন্ম (ব্য্য) পিতা-মাতার সন্তান রূপে বর্তমান জন্মগ্রহণ (ইপ) হাশর (.ﺤﺸﺭ) (ইংপ) regeneration (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর বর্তমান জন্ম পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা (সংজ্ঞা) বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, বর্তমান জীবনকালকে রূপকার্থে ‘ইহকাল বলা হয় (বাপৌছ) ইহলোক (বাপৌউ) ইহধাম (বাপৌরূ) ইহকাল (বাপৌমূ) বর্তমান জন্ম {বাং. ইহ+ বাং. কাল}

Armageddon [আর্মাগেডান] (GMP)n সৎ ও অসতের সর্বশেষ রণক্ষেত্র {}
ﻋﺎﺠﻠﺔ [আজিল্লা] (বাপৌমূ)বি ইহকাল, তাড়াতাড়ি, তাৎক্ষণাৎ, তাৎক্ষণিক {}
ﺍﺨﺮﺓ [আখিরাত] (বাপৌমূ)বি পরকাল, প্রয়াণোত্তরকাল {}

ইহকালের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of armageddon)
১.   “ইহকালে ভোগ করে সুখ, পরে যদি হলো অসুখ, লালন বলে মনরে, মতবাদের জন্য অসুখ ভালো।” (পবিত্র লালন- ২৪০/৪)
২.   “ইহকালের পরে পরকাল, আছে সেথা হাজার আল, বলন কয় কাটরে বাঁধাল, বায়ু হাজারী সাধু সেজে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৭৩)
৩.   “থেকে সাধুর চরণতলে, স্থুল-জ্ঞান সূক্ষ্ম হলে, পরকাল পাবি ইহকালে, বলন কয় ভেদখানা।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৪৩)
৪.   “মান করো না ওগো রাধে, তোমায় করি মানা, মান করলে ইহকালে, তোমার কাছে কেউ যাবে না।” (পবিত্র লালন- ৭৭৭/১)
৫.   “মান ছেড়ে দাও ওগো রাধে, কৃষ্ণ কেঁদে কেঁদে কয়, কৃষ্ণ গেলে ইহকালে, তোমার কোন গতি নাই।” (পবিত্র লালন- ৭৭৮/১)
৬.   “মন সত্য সূক্ষ্মজগৎ বিনা পরকাল পাবি না, স্থুলজগৎ ইহকাল বলে অভিধানে রচনা।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৪৩)

ইহকালের সংজ্ঞা (Definition of armageddon)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; বর্তমান জীবনকালকে ইহকাল বলে।

ইহকালের পরিচয় (Identity of armageddon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর বর্তমান জন্ম পরিবারের অধীন একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা বিশেষ। বর্তমান জীবনকালকে ইহকাল বলা হয় বা প্রত্যেক মানব জন্মকেই ইহকাল বলা হয়। মানবসন্তান রূপে জন্মগ্রহণ করে জ্ঞান-প্রাপ্ত ও বয়োঃপ্রাপ্ত হওয়ার পর আবার সন্তান রূপে জন্মগ্রহণ করাকে পরকাল বলা হয়। যেমন, পিতা-পুত্রের ক্ষেত্রে পিতা ইহকাল এবং পুত্র পরকাল; তেমনই, মাতা-কন্যার ক্ষেত্রেও মাতা ইহকাল ও কন্যা পরকাল।

সাম্প্রদায়িক মনীষীগণ কেবল আত্মতত্ত্ব না জানা ও না বুঝার কারণেই বর্তমানকালকে ইহকাল বলে স্বীকার করলেও পরকাল বলতে যার যার সন্তানকে না বুঝিয়ে বরং যার যার প্রয়াণোত্তর অনন্তকালকে বুঝিয়ে থাকেন। এ কারণেই ইহকাল ও পরকাল নির্ণয় করা নিয়ে তাদের প্রায় গোলমেলে ও লেজে গোবরে বর্ণনা বিবরণ দেখতে পাওয়া যায়। সাম্প্রদায়িক মনীষীগণ কেবল আত্মতত্ত্ব না জানা ও না বুঝার কারণেই বর্তমানকালকে ইহধাম বা ইহকাল বলে স্বীকার করলেও- পরকাল বলতে যার যার সন্তানকে না বুঝিয়ে বরং যার যার প্রয়াণোত্তরকালকে বুঝিয়ে থাকেন। এ কারণেই ইহধাম বা ইহকাল ও পরধাম বা পরকাল নির্ণয় করা নিয়ে তাদের প্রায় গোলমেলে ও লেজে গোবরে বর্ণনা-বিবরণ দেখতে পাওয়া যায়। আরবি ভাষায় ইহধাম বা ইহকালকে আলমে দুনিয়া (‘ﺪﻨﻴﺎ ﻋﺎﻟﻢ’) বলা হয়। এবং পরকালকে আলমে আখিরাত বলা হয়। যেমন, পবিত্র কুরানে বলা হয়েছে; “ رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً ” (রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনইয়া হাসানাতাও ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানা)। হে প্রভু!  আমাদেরকে ইহকালেও কল্যাণ দান কর এবং পরকালেও কল্যাণ দান কর” (কুরান, সুরা বাক্বারা- ২০১)

দুনিয়া [ﺪﻨﻴﺎ] (আপৌছ)বি পার্থিবতা, সংসার, ইহকাল, বিশ্ব, জগৎ, ব্রহ্মাণ্ড, ভূমণ্ডল, বিশ্বজগৎ, সৃষ্টিজগৎ, বর্তমানজীবন (শ্ববি) ১. খাদ্য ২. পানীয় ৩. বসন ৪. সুগন্ধি ৫. বাহন ৬. নারী ৭. স্নান ৮. ঘুম ৯. আড্ডা ও ১০. অলসতা; এ দশটি বিষয়স্তুর সাথে অধিক সংশ্লিষ্ট থাকাকে আলমে দুনিয়া (‘ﺪﻨﻴﺎ ﻋﺎﻟﻢ’) বলে থাকেন {}

অত্যন্ত আশ্চর্যের বিষয় এ যে বাংভারতের সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক অনেক খুষ্ক মনীষীই পার্থিবতার অর্থ ইহকাল বা সংসারজীবন বলে মনে করে থাকেন। তারা প্রায় বলেন যে; “পার্থিবতা পরিত্যাগ করতে না পারলে প্রভুর দর্শনলাভ করা কারো পক্ষেই সম্ভব নয়।” পার্থিবতা দ্বারা কী কী বুঝায়, সংসার জীবনের কতটুকুইবা বুঝায় তা তারা পরিষ্কার করে বলে না। আবার কেউ কেউ পার্থিবতা বলতে সারা বিশ্বকেই বুঝেন বা বুঝিয়ে থাকেন। পার্থিবতা বলতে যারা সারা বিশ্ব বুঝেন ও বুঝিয়ে থাকেন তারা পার্থিবতা ত্যাগ করবেন কিভাবে? পরিষ্কার কথা হলো পার্থিবতা বলতে ১. খাদ্য ২. পানীয় ৩. বসন ৪. সুগন্ধি ৫. বাহন ৬. নারী ৭. স্নান ৮. ঘুম ৯. আড্ডা ও ১০. অলসতা; মপ ১০টি বিষয়বস্তুর সাথে অধিক সংশ্লিষ্টতা বুঝায়। উক্ত বিষয়াদি পরিত্যাগ করতে পারলেই প্রভুর দর্শনলাভ করা অত্যন্ত সহজ হয়ে ওঠে। কিন্তু পার্থিবতা পরিভাষাটির অর্থ বা অভিধা গ্রহণ করতে ভুল করলে প্রভুর দর্শনলাভ করা কোনো কালেই সম্ভব নয়।

যেমন, একটি হাদিসের মধ্যে আছে, “ﺍَﻟﺪُّﻨْﻴَﺎ ﺤَﺮَﺍﻢُ ﻋَﻟٰﻰ ﺍَﻫْﻞِ ﺍﻻَﺨِﺮَﺓِ ﻮَ ﺍﻻَﺨِﺮَﺓُ ﺤَﺮَﺍﻢُ ﻋَﻟٰﻰ ﺍَﻫْﻞِ ﺍﻟﺪُّﻨْﻴَﺎ ﻮَ ﻫُﻤَﺎ ﺤَﺮَﺍﻤَﺎﻦِ ﻋَﻟٰﻰ ﺍَﻫْﻞِ ﺍﻟﻟَّﻪِ” উচ্চারণ; “আদ্দুনিয়া হারামুন আলা আহলিল আখিরাতি, ওয়াল আখিরাতু হারামুন আলা আহালিদ দুনিয়াও, ওয়া হুমা হারামানি আলা আহালিল্লাহ।” অর্থ; “পরকাল প্রত্যাশীদের জন্য ইহকাল নিষিদ্ধ, ইহকাল প্রত্যাশীদের জন্য পরকাল নিষিদ্ধ এবং কাঁই প্রেমিকদের (কাঁইজি) জন্য উভয় নিষিদ্ধ।” (আলহাদিস)

অথচ বড় হাস্যকর বিষয় এই যে; আরবি এই দুনিয়া (ﺪﻨﻴﺎ) পরিভাষাটি দ্বারা বাংভারতীয় উপমহাদেশের সাম্প্রদায়িক মুসলমানরা;

কেউ বিশ্ব বুঝে ও বুঝিয়ে থাকে,
কেউ সংসার বুঝে ও বুঝিয়ে থাকে,
কেউ ইহকাল বুঝে ও বুঝিয়ে থাকে,
কেউ কর্ম ব্যবসা রাজনীতি বুঝে ও বুঝিয়ে থাকে,
কেউ সম্পদ ও নারী বুঝে ও বুঝিয়ে থাকে,
কেউ সাম্প্রদায়িক মতবাদ অমান্য করাকে বুঝে ও বুঝিয়ে থাকে,
কেউ অমুসলিমদের বুঝে ও বুঝিয়ে থাকে,
কেউ শাস্ত্রীয় অনুমোদনহীন কাজকর্মকে বুঝে ও বুঝিয়ে থাকে।

অথচ কুরানে “الْحَيَاةِ الدُّنْيَا” এমন কথা শতশত স্থানে রয়েছে। তবে; উপরোক্ত সাম্প্রদায়িকরা কে কী বুঝেন ও বুঝিয়ে থাকেন তা-ই পাঠকদের ভাববার বিষয়! আবার হিন্দি ভাষায় একটি গান শোনা যায়। যেটি হলো “দুনিয়াকা মজা লেলো দুনিয়া তুমহারি হ্যায়।” এখানে; দুনিয়া বলতে কী বুঝানো হয়েছে এবং কতটুকু বুঝানো হয়েছে? আবার বাংলা ভাষায় একটি গান শোনা যায়। আর সেটি হলো;

এই যে দুনিয়া কিসের লাগিয়া
            এত যত্নে গড়াইয়াছেন সাঁই।

ছায়া বাজি পুতুল রূপে বানাইয়া মানুষ
যেমন নাচাও; তেমনি, নাচি পুতুলের কী দোষ
যেমন নাচাও; তেমনি, নাচি
তুমি খাওয়াইলে আমি খাই।

তুমি বেহেস্ত, তুমি দোজখ তুমি ভালো-মন্দ
তুমি ফুল তুমি ফল তুমি তাতে গন্ধ
আমার মনে এই আনন্দ,
কেবল আমি, তোমায় চাই।

হাকিম হইয়া হুকুম কর পুলিশ হইয়া ধর
সর্প হইয়া দংশন কর ওঝা হইয়া ঝাড়ো
তুমি বাঁচাও তুমি মার,
তুমি বিনা কেহ নাই।”

শিল্পী- আব্দুল আলীম

এই গানটির মধ্যে দুনিয়া অর্থইবা কী গ্রহণ করা হয়েছে। দুনিয়া বলতে যদি সারা বিশ্ব বা বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড বুঝায় তবে দুনিয়া হতে বাঁচার উপায়ইবা কী? এমন জটিল সমস্যার উত্তর হলো; দুনিয়া নিয়ে কুরান, হাদিস, মরমীগীতি বা সাহিত্য যাই লেখা হোক না কেন, দুনিয়া পরিভাষাটির দ্বারা কখনই সারাবিশ্ব বা বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড বুঝায় না। বরং দুনিয়া দ্বারা নির্দিষ্ট কিছু বিষয় বুঝায়- যা হতে আত্মরক্ষা করা যায়। আর সেই নির্দিষ্ট বিষয়াদি হচ্ছে; ১. খাদ্য ২. পানীয় ৩. বসন ৪. সুগন্ধি ৫. বাহন ৬. নারী ৭. স্নান ৮. ঘুম ৯. আড্ডা ও ১০. অলসতা।

সাম্প্রদায়িক মনীষী, বক্তা, ব্যৈখ্যিক, টৈকিক, অভিধানবিদ ও অনুবাদকদের এমন মনগড়া ব্যাখ্যা-টীকা হতেই বর্তমানকালে সারা বিশ্বে সৃষ্টি হয়েছে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসবৃত্তি, সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক উগ্রবাদ ও সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসবাদ। সাম্প্রদায়িকদের এমন মানবতা বিধ্বংসী ব্যাখ্যা-টীকা হতে আত্মরক্ষা করতে হলে সমাজের সুশীল ও বুদ্ধিমানদের এখনই এগিয়ে আসা উচিত। আত্মদর্শন বা আত্মতত্ত্ব ভেদ ব্যাপকভাবে প্রচার-প্রসার করতে স্বেচ্ছায় আত্মনিয়োগ করা উচিত।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!