ঐশিদূত

১১/০৯. ঐশিদূত
Divinity (ডিভিনিটি)/ ‘إله’ (ইলা)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর ইঙ্গিত পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা ইঙ্গিত। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা প্রত্যাদেশ। এর উপনাম পরিভাষা ঐশিবাণী, দৈববাণী প্রতিভাস। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা গীর্বাণ, বলন সুবোল এবং এর অন্যান্য বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা অবতার দীপন

অভিধা (Appellation)
ঐশি বিণ ঐশ্বিক, ঐশ্বরিক, ঈশ্বর সম্বন্ধীয়, ঈশ্বরের, ঈশ্বরকৃত।
ঐশিদূত (বাপৌছ)বি জ্যোতিকা, দেবতা, সুর, স্বর্গীয় দূত, divinity, ‘إله’ (ইলা) (প্র) আরবীয় শ্বরবিজ্ঞানে ও আরবীয় পুরাণে বর্ণিত; দেহহীন অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও নিষ্পাপ স্বর্গীয় দূত বিশেষ (শ্ববি) ইঙ্গিত, চিহ্ন, লক্ষণ, সঙ্কেত, wink, hint, ইশারা (.ﺍﺸﺎﺭﺓ) (রূপ্রশ) অবতার, ঈশ্বর, দেবতা, সুর (বাদে) গীর্বাণ, গীষ্পতি, বলন, সুবোল (ইংপ) angel, idol, divinity, messenger (ইদে) ‘ملاك’ (মালাকি), ফেরেস্তা (ফা.ﻔﺮﺸﺗﻪ) (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর ইঙ্গিত পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা ও শ্বরবিজ্ঞানের একটি দেবতা বিশেষ (সংজ্ঞা) . সাধারণত; আরবীয় শ্বরবিজ্ঞানে ও আরবীয় পুরাণে বর্ণিত; দেহহীন অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও নিষ্পাপ স্বর্গীয় দূতকে ঐশিদূত বলা হয় . বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর পৌরাণিক মূলক সত্তার রূপক নামে ঈশ্বরায়িত, দেবতায়িত ও মানবায়িত পৌরাণিক চরিত্রকে রূপকার্থে বাংলায় ঐশিদূত বলা হয় (যেমন; শিশ্ন> বিম্বল) (বাপৌছ) অবতার, ঐশিদূত ও দীপন (বাপৌচা) গীর্বাণ, বলন ও সুবোল (বাপৌউ) ঐশিবাণী, দৈববাণী ও প্রতিভাস (বাপৌরূ) প্রত্যাদেশ (বাপৌমূ) ইঙ্গিত {বাং.ঐশি+ বাং.দুত}

ঐশিদূতের সংজ্ঞা (Definition of divinity)
সাধারণত; আরবীয় শ্বরবিজ্ঞানে ও আরবীয় পুরাণে বর্ণিত; দেহহীন অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও নিষ্পাপ স্বর্গীয় দূতকে ঐশিদূত বলে। যেমন; আদম ও মুহাম্মদ।

ঐশিদূতের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of divinity)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে,পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর পৌরাণিক মূলক সত্তার রূপক নামে ঈশ্বরায়িত, দেবতায়িত ও মানবায়িত পৌরাণিক চরিত্রকে ঐশিদূত বলে।

ঐশিদুতের প্রকারভেদ (Variations of divinity)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; অবতার তিন প্রকার। যথা; ১. পৌরাণিক অবতার ও ২. বাস্তব অবতার।

. পৌরাণিক ঐশিদূত (Mythological divinity)
সাধারণত; সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মনীষীদের মতে; জগতের কল্যাণ সাধনের জন্য, পৃথিবীতে যুগে যুগে ঈশ্বরের বাণী প্রচারকারী পৌরাণিক চরিত্রকে পৌরাণিক ঐশিদূত বলে। আরবীয় পুরাণ মতে; আদিপিতা আদম ও শেষনবী মুহাম্মদ।

সাধারণত; বিশ্বের যে কোনো বিষয়বস্তুতে সাময়িক নরত্বারোপ করে পৌরাণিক অবতার নির্মাণ করা হয়। এই পদ্ধতিকে নরত্বারোপ বলা হয়। নরত্বারোপ করে নির্মিত সব পৌরাণিক অবতার বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীতে বর্ণিত বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার মধ্যে অবস্থিত। আর এসবই হলো; সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মনীষীদের স্বর্গীয় দূত বা স্বর্গীয় অবতার।

. বাস্তব ঐশিদূত (Real divinity)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে বর্ণিত; মানবদেহে অবতারণকারী বিষয়বস্তু, ইন্দ্রিয়াদি, রস ও শক্তিকে বাস্তব ঐশিদূত বলে। যেমন; দাঁত, কথা, জ্ঞান, মন, গোঁফ, দাড়ি, শুক্র, স্তন, দুগ্ধ, রজ, সুধা ও মধু ইত্যাদি।

এখানে বিশেষভাবে স্মরণীয় যে; মানব সন্তান জরায়ু হতে ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরে যাকিছু অবতরণ করে সেগুলোকেই বাস্তব ঐশিদূত বলা হয়। বাস্তবে দেখা যায়; পুত্রসন্তান জন্মের পর তার দেহে দাঁত, কথা, জ্ঞান, মন, গোঁফ, দাড়ি ও শুক্র অলোকধাম হতে অবতরণ করে। সেজন্য; এগুলোকে বাস্তব ঐশিদূত বলা হয়। অন্যদিকে; কন্যাসন্তান জন্মের পরে তার দেহে দাঁত, কথা, জ্ঞান, মন, স্তন, দুগ্ধ, রজ, সুধা ও মধু অবতরণ করে। সেজন্য; এগুলোকে বাস্তব ঐশিদূত বলা হয়।

কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হলো; চরম অজ্ঞ সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক ঠাক-পুরুৎ ও মোল্লা-মুন্সিরা বাস্তব ঐশিদূতের আলোচনা না করে কেবল পৌরাণিক ঐশিদূতের আলোচনায় ব্যস্ত থাকে। কারণ; বাস্তব ঐশিদূতের প্রতি নরত্বারোক করে পৌরাণিক ঐশিদূত নির্মাণ করার পৌরাণিক সূত্রটি তারা জানেও না এবং বুঝেও না। তাই; অন্যান্য সাম্প্রদায়িক মতবাদকে মিথ্যা ভাবে। আর সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক আগ্রাসন ও উগ্রবাদে জড়িয়ে পরে।

আবার, বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; ঐশিদূত দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান ঐশিদূত ও ২. উপমিত ঐশিদূত।

. উপমান ঐশিদূত (Analogical divinity)
সাধারণত; আরবীয় শ্বরবিজ্ঞানে ও আরবীয় পুরাণে বর্ণিত; দেহহীন অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও নিষ্পাপ স্বর্গীয় দূতকে উপমান ঐশিদূত বলে। যেমন; আদম ও মুহাম্মদ।

. উপমিত ঐশিদূত (Compared divinity)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে বর্ণিত; মানবদেহে অবতারণকারী বিষয়বস্তু, ইন্দ্রিয়াদি, রস ও শক্তিকে উপমিত ঐশিদূত বলে। যেমন; দাঁত, কথা, জ্ঞান, মন, গোঁফ, দাড়ি, শুক্র, স্তন, দুগ্ধ, রজ, সুধা ও মধু ইত্যাদি।

ঐশিদূতের পরিচয় (Identity of divinity)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর ইঙ্গিত পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে; এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহৃত হওয়ার কারণে; সাধারণ পাঠক-শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না। সাধারণত; স্বর্গীয় দেবতাকে ঐশিদূত বলা হয়। শ্বরবিজ্ঞানে; দেহ, আগধড় ও জরায়ুকে স্বর্গধাম বলা হয়। তবে; এখানে; কেবল দেহধামকেই স্বর্গধাম বলা প্রযোজ্য হবে। দেহ সদৃশ স্বর্গ হতে যেসব ইঙ্গিত প্রকাশিত হয় তা সবই ঐশিদূত। যেমন; দাঁত, কথা, জ্ঞান, মন, গোঁফ, দাড়ি, শুক্র, স্তন, দুগ্ধ, রজ, সুধা ও মধু ইত্যাদি। তবে; এগুলোকে সরাসরি ঐশিদূত বলা যায় না। কারণ; এসব বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার আভিধানিক শব্দ। পৌরাণিক মূলক সত্তার আভিধানিক শব্দ কখনই ঐশিদূত হতে পারে না। অর্থাৎ; কেবল এদের রূপক ও উপমান পরিভাষাই হলো ঐশিদূত। যেমন; বলন (কথা), কমলা (শুক্র), বসিধ (রজ), সাঁই (সুধা), কাঁই (মধু), ডালিম (স্তন) ও ক্ষীর (স্তন্য)। অর্থাৎ; বলন, কমলা, বসিধ, সাঁই, কাঁই, ডালিম ও ক্ষীর এসব ঐশিদূত। কিন্তু; কথা, শুক্র, রজ, সুধা, মধু, স্তন ও স্তন্য এসব ঐশিদূত নয়। অর্থাৎ; বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীতে বর্ণিত পৌরাণিক মূলক সত্তার আভিধানিক নামের পরিবর্তে সর্বদা রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনামই ব্যবহার করা হয়। পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর পৌরাণিক মূলক সত্তার রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম পরিভাষার দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি উদ্ঘাটন করতে না পেরেই সাম্প্রদায়িকরা পৌরাণিক মূলক সত্তার ছদ্মনামকে ঐশিদূত নামে প্রচার করে।

মজার বিষয় হলো; বাংভারতের অধিকাংশ অভিধানবিদ, অনুবাদক, বৈখ্যিক, টৈকিক, পাঠক ও বক্তা স্বর্গধাম বলতে ভূতুড়ে স্বর্গকেই বুঝে ও বুঝিয়ে থাকে। যারফলে; ঐশিগ্রন্থ, সাম্প্রদায়িক গ্রন্থ ও সাম্প্রদায়িক পুস্তক-পুস্তিকার পাঠক ও শ্রোতারাও ঐশিদূত বলতে ভূতুড়ে দেবতাকে বুঝে ও বুঝিয়ে থাকে। এরফলে; সাধারণ মানুষ আত্মতত্ত্বের বাইরে স্বর্গের অবস্থান ও স্বর্গসুখ অন্বেষণ করতে থাকে। এ হতেই; সাম্প্রদায়িক মতবাদের জন্য আত্মদান, আত্মবলি ও আত্মহননের আগ্রহ সৃষ্টি হয়। যারফলে; এসব আগ্রহ হতেই সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার উগ্রবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার সৃষ্টি হয়। পক্ষান্তরে; সাম্প্রদায়িকরা একবারও চিন্তা করছে না যে; বিশ্বের কোনো সাম্প্রদায়িক গ্রন্থেই আত্মতত্ত্বের বাইরে স্বর্গের অবস্থানের কথা বলা হয় নি। আত্মতত্ত্বের বাইরে কোনো দেবতার কথা বলা হয় নি। বরং; বিশ্বের সব সাম্প্রদায়িক গ্রন্থে বলা হয়েছে; যা আছে ব্র্রহ্মাণ্ডে তা আছে মানব ভাণ্ডে যেমন; কুরানে রয়েছে; “وَفِي الْأَرْضِ آيَاتٌ لِلْمُوقِنِينَ(২০) وَفِي أَنفُسِكُمْ أَفَلَا تُبْصِرُونَ(২১)” উচ্চারণ; “ওয়া ফিল আরদি আয়াতু লিলমুক্বিনিনা (২০) ওয়া ফি আনফুসিকুম, আফালা তুবসিরুন (২১) অর্থ; বিশ্বের সব নিদর্শন (২১) তোমাদের মধ্যে, তোমরা করো না দর্শন (২২) (কুরান, যারিয়াত- ২১-২২)

প্রকৃত বিষয় হলো; সব পৌরাণিক মূলক সত্তার রূপক নামে দেবতায়ন করে নির্মিত পৌরাণিক চরিত্রকে ঐশিদূত বলা হয়। যেমন; যোনি বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার ছদ্মনাম; গঙ্গা, পদ্মা, বিপাশা, বিরজা, মেঘনা ও যমুনা ইত্যাদি। এবার শক্ত করেই বলা যায় যে; “গঙ্গা, পদ্মা, বিপাশা, বিরজা, মেঘনা ও যমুনা” এগুলো অবশ্যই ঐশিদূত। কিন্তু; যোনি দেবতাও নয় কিম্বা ঐশিদূত নয়। তেমনই; আরবি ভাষাতেও ‘مهبل’ (মিহবাল) আরবীয় পৌরাণিক মূলক সত্তার ছদ্মনাম হলো; ‘ﺪﺠﻠﺔ’ (দজলা), ‘ﺒﺮﺯﺥ’ (বরজখ), ‘نسيان’ (নাসিয়ান) ও ‘فرات’ (ফোরাত) ইত্যাদি। এবার শক্ত করেই বলা যায় যে; “‘ﺪﺠﻠﺔ’ (দজলা), ‘ﺒﺮﺯﺥ’ (বরজখ), ‘نسيان’ (নাসিয়ান) ও ‘فرات’ (ফোরাত)” এগুলো সবই ঐশিদূত। কিন্তু; ‘مهبل’ (মিহবাল) দেবতাও নয় কিম্বা ঐশিদূত নয়। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত শ্বরবিজ্ঞানের পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীতে বর্ণিত ৯৯টি পৌরাণিক মূলক সত্তার যে কোনটির রূপক, উপমান, চারিত্রিক ও ছদ্মনাম এর প্রতি দেবতায়ন করে নির্মিত পৌরাণিক চরিত্রকে দেবতা, ঐশিদূত, angel, ‘ملاك’ (মালাকি) ও ‘فرشته’ (ফেরেস্তা) বলা হয়। অর্থাৎ; মানুষে বিদ্যমান পৌরাণিক মূলক সত্তা এর প্রতি দেবতায়ন বা ‘تجسيد’ (তাজসিদ) করে শ্বরবিজ্ঞানে বর্ণিত দেবতা, ঐশিদূত, angel, ‘ملاك’ (মালাকি) ও ‘فرشته’ (ফেরেস্তা) নির্মাণ করা হয়।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!