ঐশিবাণী

১১/০২. ঐশিবাণী
Prophecy (প্রফিসি)/ ‘نُبُوَّة’ (নুবুওয়া)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর ইঙ্গিত পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা ইঙ্গিত। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা প্রত্যাদেশ। এর অন্যান্য উপনাম পরিভাষা দৈববাণী প্রতিভাস। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা গীর্বাণ, বলন সুবোল এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা অবতার, ঐশিদূত দীপন

অভিধা (Appellation)
ঐশিবাণী (বাপৌউ)বি দৈববাণী, আকাশবাণী, স্বর্গীয় বাণী, স্বর্গ হতে প্রেরিত ইঙ্গিত, অদৃশ্য দেবতাগণের ইঙ্গিত, prophecy, ‘نُبُوَّة’ (নুবুওয়া) (পরি) মানবদেহ হতে প্রকাশিত শুভাশুভ লক্ষণ (শ্ববি) ইঙ্গিত, চিহ্ন, লক্ষণ, কম্পন, স্পন্ধন, সঙ্কেত, wink, hint, ইশারা (.ﺍﺸﺎﺭﺓ) (ইপ) ওহি (.ﻮﺤﻰ), খবর (আﺨﺑﺮ.) (বাদে) গীর্বাণ, গীষ্পতি (ইংপ) orator, speaker, oracle (ইদে) জিব্রাইল (.ﺠﺑﺮﺍﺌﻴﻞ) (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর ইঙ্গিত পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা এবং শ্বরবিজ্ঞানের একটি পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) . সাধারণত; সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মনীষীদের মতে; সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত বাণীকে ঐশিবাণী বলা হয় . বাঙালী শ্বরবিজ্ঞান ও বাঙালী পুরাণ মতে; মরমী ও দেহতাত্ত্বিক মনীষীদের নির্মিত; আত্মদর্শ বিষয়ক সর্বজনীন ও সর্বকালীন রূপক বাণীকেই ঐশিবাণী বলা হয় (বাপৌছ) অবতার, ঐশিদূত ও দীপন (বাপৌচা) ‘গীর্বাণ, বলন ও সুবোল (বাপৌউ) ঐশিবাণী, দৈববাণী ও প্রতিভাস (বাপৌরূ) প্রত্যাদেশ (বাপৌমূ) ইঙ্গিত {বাং.ঐশি+ বাং.বাণী}

ঐশিবাণীর একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (A highly important quotations of prophecy)
“এ দেহের ইঙ্গিত বুঝাতে, বাণী লিখে সাম্প্রদায়িক পুস্তকে, গ্রন্থ তামামী- ঐশিবাণী, গোঁসাইরা কয় কাঁই কথন।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১২৪)

ঐশিবাণীর সংজ্ঞা (Definition of prophecy)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞান ও বাঙালী পুরাণ মতে; সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত বাণীকে ঐশিবাণী বলে।

ঐশিবাণীর আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of prophecy)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞান ও বাঙালী পুরাণ মতে; মরমী ও দেহতাত্ত্বিক মনীষীদের নির্মিত; আত্মদর্শ বিষয়ক সর্বজনীন ও সর্বকালীন রূপক বাণী এবং মানবদেহের বিভিন্ন প্রত্যঙ্গের কোষগুচ্ছের কম্পন ইত্যাদিকে ঐশিবাণী বলে। যেমন; আধ্যাত্মিক গান ও দেহের বিভিন্ন প্রত্যঙ্গের কোষগুচ্ছের কম্পন ইত্যাদি।

ঐশিবাণীর প্রকারভেদ (Variations of prophecy)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; ঐশিবাণী তিন প্রকার। যথা; ১. কায়িক ঐশিবাণী ২. বাচনিক ঐশিবাণী ও ৩. লিখিত ঐশিবাণী।

. কায়িক ঐশিবাণী (1. Corporeal prophecy)
মানবদেহে প্রকাশিত সর্বপ্রকার সঙ্কেত ও কম্পনকে কায়িক ঐশিবাণী বলে। যেমন; জ্বর, ঠাণ্ডা, বমন ইত্যাদি।

. বাচনিক ঐশিবাণী (2. Oral prophecy)
সাধারণত; মুখ দ্বারা প্রকাশিত আত্মদর্শন বিষয়ক বাণীকেই বাচনিক ঐশিবাণী বলে।

. লিখিত ঐশিবাণী (3. Written prophecy)
সাধারণত; আত্মতাত্ত্বিক বিজ্ঞানী ও মরমী কবিগণের নির্মিত আত্মদর্শন বিষয়ক বাণীকেই লিখিত ঐশিবাণী বলে। যেমন; আধ্যাত্মিক গান, গীতি ও বাণী ইত্যাদি।

লিখিত ঐশিবাণীর বৈশিষ্ট্য (Feature of written prophecy)
ঐশিবাণী অর্থ দেবতাগণের কথা। শ্বরবিজ্ঞানে; মানবদেহের সব প্রত্যঙ্গের ইঙ্গিতকেই ঐশিবাণী বলা হয়। কিন্তু; মজার বিষয় হলো; অন্ধবিশ্বাসী সাম্প্রদায়িকরা এখানো মনে করে যে; আড়ালে থেকে বিধাতা যে বাণী প্রেরণ করেন তাকেই ঐশিবাণী বলা হয়। তারা এখনও জানে না যে; ঐশিবাণী রূপে পরিচিত সাম্প্রদায়িক গ্রন্থাদি মানুষেই নির্মাণ করেছে। অর্থাৎ; মানুষের লিখিত বাণীকেই ঐশিবাণী বলা হয়। তবে; সাধারণ বাণী ও ঐশিবাণীর মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। ঐশিবাণীর যেসব গুণ থাকা প্রয়োজন তা নিচে আলোচনা করা হলো।

১.    ঐশিবাণী অবশ্যই রূপকভাবে নির্মিত হয়।
২.   ঐশিবাণী অবশ্যই দেহতাত্ত্বিক হতে হয়।
৩.   ঐশিবাণী বিশ্ববাসীর কল্যাণমূলক হতে হয়।
৪.   ঐশিবাণী সার্বজনীন ও সর্বকালীন হতে হয়।

উপরোক্ত ৪টি গুণ বা বৈশিষ্ট্য সম্বলিত সব বাণীকেই ঐশিবাণী বা দৈববাণী বলা হয়। বাঙালী মরমী সাধক লালন সাঁইজি নির্মিত প্রতিটি লালনের মধ্যেই ঐশিবাণী হওয়ার ৪টি গুণ পরিপূর্ণ রূপেই বিদ্যমান। এজন্য; অনায়াসে লালনগুলোকে ঐশিবাণী, স্বর্গীয় বাণী বা দৈববাণী বলা যায়। যেমন; “কই হলো মোর মাছ ধরা (ও মন), সারা জনম ধাপ ঠেলিয়া, হলাম কেবল বল হারা। বিলে তো ধাপগুলি, তাতে মোর ঠেলাজালি, শুধু ওঠেরে শামুক চাড়া, শুভযোগ না পেয়ে মোর, হলো কেবল জাল ছিঁড়া। কতজন সে গল্প করে, মাছ ধরতে যায় প্রেমসাগরে, চেনে নদীর তিনধারা, মরতে এলাম সে নদীতে, হলো না জাল ধরা। যেজন ডুবুরী ভালো, মাছের ঝিম সে চিনিল, তার শুভ হলো যাত্রা, সে নদীর মাছ ধরে, সে খ্যাতি পেল বিশ্বজোড়া। কানাই বলাই ছিল ভালো, মাছের ধারা তারা পেল, মাছ ধরে যায় তারা, আমি লালন ভাবছি বসে, সার হলো লালপড়া।” (পবিত্র লালন- ৩৪৯)

কই হলো মোর মাছ ধরা, সারাজনম ধাপ ঠেলিয়া, হলাম কেবল বল হারা। কানাই বলাই ছিল ভালো, মাছের ধারা তারাই পেল, মাছ ধরে যায় তারা, আমি লালন ভাবছি বসে, সার হলো মোর লাল পড়া।” আলোচ্য অন্তরাটি নির্মাণের মূল উপাদান; “কানাই, বলাই, মাছ, লালন, লাল ও ধাপ” এ পরিভাষাগুলোর প্রত্যেকটিই পুরোপুরি রূপক। বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তাগুলো নিম্নরূপ;

পর্যবেক্ষণ (Observation)

ক্র উপমা পুরুষ চরিত্র নারী চরিত্র রূপক মূলক
১. কালনাগিনী ধন্বন্তরী রজকিনী কানাই কবন্ধ
২. খুঁটি বিম্বল বলাই শিশ্ন
৩. মাছ স্বামী সাঁই পালনকর্তা
৪. গৌরাঙ্গ লালন সাঁই পালনকর্তা
৫. উল্কা লাল কামরস
৬. বেলা ধাপ আয়ু

 কানাই, বলাই, মাছ, লালন, লাল ও ধাপ; এ পরিভাষাগুলোর প্রত্যেকটিই পুরোপুরি রূপক। অতএব; আলোচ্য লালনের মধ্যে ঐশিবাণীর প্রথম গুণটি পাওয়া গেল। আবার “কানাই, বলাই, মাছ, লালন, লাল ও ধাপ” ইত্যাদির প্রত্যেকটিই দেহতাত্ত্বিক দেবতা।

ক্রমিক রূপক  বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা
১. কানাই যোনি
২. বলাই শিশ্ন
৩. মাছ পালনকর্তা
৪. লালন পালনকর্তা
৫. লাল কামরস
৬. ধাপ আয়ু

অতএব; আলোচ্য লালনের মধ্যে ঐশিবাণীর দ্বিতীয় গুণটিও পাওয়া গেল। আলোচ্য অন্তরাটির মধ্যে মানব মনের পশুত্বভাব তিরোহিত করে মনুষত্বভাব অর্জন করে সারাজগতের প্রতিপালক সাঁইয়ের সাথে দেখা করার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এটা নিশ্চয় বিশ্ববাসীর আধ্যাত্মিক কল্যাণমূলক অমূল্যবাণী। অতএব; আলোচ্য লালনের মধ্যে ঐশিবাণীর তৃতীয় গুণটিও পাওয়া গেল।

কই হলো মোর মাছ ধরা, সারাজনম ধাপ ঠেলিয়া, হলাম কেবল বল হারা। কানাই বলাই ছিল ভালো, মাছের ধারা তারাই পেল, মাছ ধরে যায় তারা, আমি লালন ভাবছি বসে, সার হলো মোর লাল পড়া।” আলোচ্য অন্তরাটি স্থান, কাল, পাত্র, জাতি, মতবাদ ও বর্ণ কোনকিছুর সাথেই সম্পৃক্ত নয়। এজন্য; নিশ্চয় এটা বিশ্বজনীন বা সার্বজনীন। অতএব; আলোচ্য লালনের মধ্যে ঐশিবাণীর চতুর্থ গুণটিও পাওয়া গেল। পরিশেষে; নিঃসন্দেহে বলা যায় যে; মহাত্মা লালন সাঁইজি নির্মিত প্রত্যেকটি লালন ঐশিবাণী বা স্বর্গীয় বাণী। এটা বাঙালী জাতির সর্বকালের ও সর্বশ্রেণির মানুষের জন্য স্বর্গীয় বাণী সদৃশ সাহিত্য সম্পদ। তেমনই; প্রতিটি লালন বিশ্বের সর্বশ্রেণির মানুষের জন্য অত্যন্ত পুজনীয় ও অত্যন্ত পবিত্র পুরাণ সম্পদ। অর্থাৎ; উপরোক্ত চারটি বৈশিষ্টপূর্ণ সর্বপ্রকার বাণীই ঐশিবাণী রূপে পরিগণিত। বিশ্ববিখ্যাত সাম্প্রদায়িক গ্রন্থাদি অবশ্যই ঐশিবাণী। কারণ; এর মধ্যে উক্ত চারটি গুণ বিদ্যমান। এরপরও কাঁই দেবতার মাধ্যমে বাণী প্রেরণ করেন; তিনি পুস্তক-পুস্তিকা প্রেরণ করেন; এমন ঠুনকো কথা বলার কোনোই অবকাশ নেই। মানুষই উক্ত বৈশিষ্টপূর্ণ বাণী নির্মাণ করে। পূর্ববর্তী রূপকারদের নির্মিত মহান বাণীগুলোকে পরবর্তীকালের বৈখ্যিক ও টৈকিকরা ঐশিবাণী বা স্বর্গীয় বাণী বলে প্রচার-প্রসার করে। সারাবিশ্বেই রূপকার মহামানবদের নির্মিত মহান বাণীগুলোকে বিধাতা-প্রেরিত ঐশিবাণী বলে প্রচার-প্রসার হয়েই আসছে। আজ এমন অন্ধবিশ্বাস হতে বেরিয়ে আসার সময় হয়েছে।

আবার, বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; ঐশিবাণী দুই প্রকার। ১. উপমান ঐশিবাণী ও ২. উপমিত ঐশিবাণী।

. উপমান ঐশিবাণী (1. Analogical prophecy)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত বাণীকে উপমান ঐশিবাণী বলে।

. উপমিত ঐশিবাণী (2. Compared prophecy)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞান ও বাঙালী পুরাণ মতে; মরমী ও দেহতাত্ত্বিক মনীষীদের নির্মিত; আত্মদর্শ বিষয়ক সর্বজনীন ও সর্বকালীন রূপক বাণী ও মানবদেহে প্রকাশিত সর্ব প্রকার ইঙ্গিতকেই উপমিত ঐশিবাণী বলে। যেমন; আধ্যাত্মিক গান, জ্বর, ঠাণ্ডা ও দেহের বিভিন্ন প্রত্যঙ্গের কোষগুচ্ছের কম্পন ইত্যাদি।

ঐশিবাণীর পরিচয় (Identity of prophecy)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর ইঙ্গিত পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে; এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহৃত হওয়ার কারণে; সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না। ঐশিবাণী কয়েক প্রকার হতে পারে। যেমন; ১. কায়িক ঐশিবাণী ২. বাচনিক ঐশিবাণী ও ৩. লিখিত ঐশিবাণী। ওপরে এসবের ভিন্ন ভিন্ন সংজ্ঞা বর্ণিত হয়েছে। এছাড়াও; রয়েছে ১. উপমান ঐশিবাণী ও ২. উপমিত ঐশিবাণী। ওপরে এসবের ভিন্ন ভিন্ন সংজ্ঞা বর্ণিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!