কল্প

৯৯/৪. কল্প
Era (এরা)/ ‘مدة’ (মুদ্দাত)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর হাজার শ্বাস পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা হাজার শ্বাস। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা সহস্রাব্দ। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা হাজার বছর হাজার মাস। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা শবলাশ্ব সহস্রার এবং এর অন্যান্য বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা দিব্যযুগ

অভিধা (Appellation)
কল্প (বাপৌছ)বি সংকল্প, প্রলয়, পক্ষ, অভিপ্রায়, সিদ্ধান্ত, পূজাবিধি, era, ‘مدة’ (মুদ্দাত), period, ‘فترة’ (ফাতরা), Olympian era, ‘حقبة السماوية’ (হুক্ববা আসসামাবিয়া) (রূপ্রশ) কল্পকাল (প্র) ১.ঈষৎ ন্যূনার্থে, অর্থাৎ; মূলের চেয়ে কিঞ্চিৎ স্বল্প অর্থে ব্যবহৃত তদ্ধিত প্রত্যয়বিশেষ ২.আটশত চৌষট্টিকোটি বৎসর ৩.পূজাবিধি সংক্রান্ত বেদাঙ্গ গ্রন্থ বিশেষ বিণ কল্পনা করে এমন, রচনা করে এমন (শ্ববি) হাজার বছর, সহস্রাব্দ, thousand years, আলফি সানা (.ﺍﻠﻒ ﺴﻨﺔ), আলফি আম (.ﺍﻠﻒ ﻋﺎﻢ) (ইপ) ইয়াওমা (.ﻴﻮﻡ), সানাত (.ﺴﻧﺎﺓ), মোহর (.ﻤﻬﺭ) (ইংপ) day, year (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর হাজার শ্বাস পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা ও শ্বরবিজ্ঞানের পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা). বাঙালী পুরাণ মতে; চার হাজার যুগের চৌদ্দজন মনুর অধিকার কালকে কল্প বলা হয় . হাজার শ্বাস পরিমাণ সময়কে সহস্রাব্দ বা রূপকার্থে কল্প বলা হয় (বাপৌছ) কল্পও দিব্যযুগ (বাপৌচা) শবলাশ্ব ও সহস্রার (বাপৌউ) হাজার বছর ও হাজার মাস (বাপৌরূ) সহস্রাব্দ (বাপৌমূ) হাজার শ্বাস।

কল্পের সংজ্ঞা (Definition of era)
বাঙালী পুরাণ মতে; চার হাজার যুগের চৌদ্দজন মনুর অধিকার কালকে কল্প বলে।

কল্পের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of era)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; হাজার শ্বাস সময়কে সহস্রাব্দ বা কল্প বলে।

কল্পের প্রকারভেদ (Variations of era)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; কল্প দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান কল্প ও ২. উপমিত কল্প।

. উপমান কল্প (Analogical era)
সাধারণত; সহস্রাব্দের সমষ্টিকে উপমান কল্প বলে।

. উপমিত কল্প (Compared era)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; হাজার শ্বাস সময়কে উপমিত কল্প বলে।

কল্পের পরিচয় (Identity of era)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর হাজার শ্বাস পরিবারের অধীন একটি বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা বিশেষ। পুরাণ মতে; চার হাজার  যুগের চৌদ্দজন মনুর অধিকারকালকে কল্প বলা হয়। মহাভারত এর শান্তিপর্বে (৩৪৮/৫১-৫২) শ্লোকের ব্যাখ্যায় শ্রীমদ্ভগবত গীতায় বর্ণিত রয়েছে-

      “ত্রেতাযুগাদৌ চ ততো বিবস্বান মনবে দদৌ।
মনুশ্চ লোকভৃত্যর্থং সুতায়েক্ষ্বাকবে দদৌ।
ইক্ষ্বাকুণা চ কথিতো ব্যাপা লোকানবস্থিত।”

অর্থ “ত্রেতাযুগের প্রারম্ভে বিবস্বান মনুকে ভগবৎ-তত্ত্ব-জ্ঞান দান করেন। মানবসমাজের পিতা বা আদিপিতা মনু এ জ্ঞান তাঁর পুত্র সসাগরা (পৃথিবীর অধীশ্বর ও রঘুবংশের জনক) ইক্ষ্বাকুকে দান করেন।” এ রঘুবংশে শ্রীরামচন্দ্র আবির্ভূত হন। সুতরাং ভগবদগীতা মহারাজ ইক্ষ্বাকুর সময় হতেই মানবসমাজে বর্তমান।

পৃথিবীতে এখন কলিযুগের পাঁচ হাজার বছর (৫,০০০) চলছে। কলিযুগের স্থায়িত্বকাল চার লাখ বত্রিশ হাজার বছর (৪,৩২,০০০)। তার আগে দ্বাপরযুগ ছিল আটলক্ষ (৮,০০,০০০) বছর। তার আগে ত্রেতাযুগ ছিল বারোলক্ষ বছর (১২,০০,০০০)। এ গণনা মতে; প্রায় বিশ লাখ পাঁচ হাজার বছর (২০,০৫,০০০) পূর্বে তিনি তাঁর পুত্র ও পৃথিবীর অধীশ্বর ইক্ষ্বাকুকে গীতার জ্ঞান দান করেন। বর্তমান মনুর বয়স ত্রিশকোটি তিপ্পান্নলাখ বছর (৩০,৫৩,০০,০০০)। তারমধ্যে; বারোকোটি চারলাখ বছর (১২,০৪,০০,০০০) অতিবাহিত হয়েছে। আমরা যদি মনে করি আদি-মনুর জন্মের সময় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বিবস্বানকে ভগবদগীতার জ্ঞান দান করেছিলেন, তাহলেও গীতা প্রথমে বলা যায়। অর্থাৎ; গীতা প্রায় বারোকোটি চারলাখ বছর (১২,০৪,০০,০০০) এবং মানবসমাজে এ জ্ঞান প্রায় বিশলাখ বছর ধরে বর্তমান।

আবার গত পাঁচ হাজার বছর (৫,০০০) পূর্বে ভগবান এ জ্ঞান অর্জুনকে দান করেন। গীতার বক্তা স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণের বর্ণনা অনুযায়ী এ হচ্ছে গীতার ইতিহাস। ভগবান সর্বপ্রথম এ জ্ঞান বিবস্বানকে দান করেন কারণ বিবস্বানও হচ্ছেন একজন ক্ষত্রিয় এবং সূর্যবংশজাত। সব ক্ষত্রিয়দের তিনিই হলেন আদিপিতা। স্বয়ং ভগবানের কাছ থেকে আমরা ভগবদগীতা প্রাপ্ত হয়েছি বলে ভগবদগীতা বেদের মতোই তত্ত্বজ্ঞান সমন্বিত। তাই; বলা হয় গীতার জ্ঞান অপৌরুষেয়। যেমন; বৈদিক জ্ঞানকে যথানুরূপ ভাবে গ্রহণ করতে হয়। মানুষের কল্পিত ব্যাখ্যা সেখানে প্রযোজ্য নয়। তেমনই; ভগবদগীতাও জড়বুদ্ধি প্রসূত ব্যাখ্যার কলুষমুক্ত অবস্থায় গ্রহণ করতে হয়। প্রাকৃত তার্কিকরা ভগবানের দেয়া ভগবদগীতার ওপর তাদের পাণ্ডিত্য প্রকাশ করতে চেষ্টা করেন কিন্তু তা যথাযথ ভগবদগীতা নয়। ভগবদগীতার যথার্থ মর্ম উপলব্ধি করতে হয় গুরু পরম্পরার ধারায়। এবং এখানে; বর্ণনা করা হয়েছে যে; ভগবান এ জ্ঞান প্রথমে বিবস্বানকে দান করেন। বিবস্বান দেন মনুকে অতঃপর; মনু ইক্ষ্বাকুকে এভাবে গুরু-শিষ্য পরম্পরাক্রমে এ গীতা প্রবাহিত হয়ে আসতে থাকে (শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা যথাযথ)

সাধারণত; যদিও যে কোনো সময়কেই কল্প বলা হয়। কিন্তু শ্বরবিজ্ঞানে; হাজার শ্বাস পরিমাণ সময়কে এক কল্প বলা হয়। সুমহান আত্মজ্ঞানীগণের মতে; কেবল রতীরুদ্ধ কামযুদ্ধ দ্বারা বৈতরণী অতিক্রম করে বৈকুণ্ঠের চির রুদ্ধ দ্বার উন্মোচন করতে যে ১,০০০ শ্বাস (৪২ মিনিট) সময় প্রয়োজন হয় তাকেই কল্প বা হাজার মাস বা হাজার বছর ইত্যাদি বলা হয়। কল্প বা কল্পকাল বলতে সাম্প্রদায়িক হিন্দু ও সাম্প্রদায়িক মুসলমান মনীষীগণ যে যা-ই বলুন না কেন, মূলে এর প্রকৃত অর্থ শুক্রহীন কামযুদ্ধে ব্যয়িত ১,০০০ শ্বাস পরিমাণ সময়। কল্পের প্রকৃত অভিধা না জেনেই হিন্দু সাম্প্রদায়িক মনীষীগণ এর কত যে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ উপস্থাপন করেছেন; যা আজ সাধারণ মানুষের নিকট কেবল হাস্যোপহাসের বিষয়বস্তুতেই পরিণত হয় নি বরং সব পুরাণকে রীতিমত চরমভাবে কলুষিত ও পদদলিতও করেছে বটে।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!