কানীন

২৮/০৩. কানীন
Embryo (এমব্রিও)/ ‘ﻋِﻴْﺴٰﻰ’ (ইসা)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর জীবনীশক্তি পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা জীবনীশক্তি। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা সঞ্জীবনী। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা পিতৃহীন এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা ব্রহ্মশক্তি। এ পরিভাষাটি শ্বরবিজ্ঞানের জীবনীশক্তিসৃষ্টিকর্তা প্রভৃতি বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার ব্যাপক পরিভাষা রূপে ব্যবহৃত হয়। এজন্য; বর্ণনার ক্ষেত্র অনুযায়ী এর সঠিক দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি উদ্ঘাটন করা একান্ত প্রয়োজন।

অভিধা (Appellation)
কানীন (বাপৌচা)বি অনূঢ়ার পুত্র, কুমারীর গর্ভজাত সন্তান, embryo, ‘ﻋِﻴْﺴٰﻰ’ (ইসা), ‘ﺠَﻨِﻴْﻦَ’ (জানিনা) (প্রাঅ) জারজ, জারজাত, বিজন্মা, ক্ষেত্রজপুত্র, উপপতির দ্বারা উৎপন্ন পুত্র (ব্য্য) কানন হতে উৎপত্তি। এজন্য; অনূঢ়ার সন্তানকে কানীন বলা হয় (শ্ববি) জীবনীশক্তি, সঞ্জীবনী, ব্রহ্মশক্তি, যে শক্তির বলে বীজ অঙ্কুরিত হয়, vitality, biography, হায়াবিয়া (.ﺤﻴﻮﻴﺔ) (রূপ্রশ) অনাথ, স্বায়ম্ভু, স্বয়ংসৃষ্ট (ইদে) আল্লাহ (.ﺍﻟﻠﻪ), ইসা (.ﻋﻴﺴﻰٰ), মসিহ (.ﻤﺴﻴﺢ), শিশ (.ﺸﻴﺶ) (ইংপ) Lord (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর জীবনীশক্তি পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা ও শ্বরবিজ্ঞানের একটি দেবতা বিশেষ (সংজ্ঞা) . সাধারণত; অবিবাহিতা বা অনূঢ়ার গর্ভজাত সন্তানকে কানীন বলা হয় . বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, সর্বপ্রকার অঙ্কুরকে কানীন বলা হয় (বাপৌছ) ব্রহ্মশক্তি (বাপৌচা) কানীন (বাপৌউ) পিতৃহীন (বাপৌরূ) সঞ্জীবনী (বাপৌমূ) জীবনীশক্তি Jস্ত্রী কানীনী {.কন্যা+ অ(অণ্)>}

Ambryo [এমব্রিও] (GMP)n ভ্রূণ, অঙ্কুর {}

কানীনের সংজ্ঞা (Definition of embryo)
সাধারণত; অবিবাহিতা বা অনূঢ়ার গর্ভজাত সন্তানকে কানীন বলে।

কানীনের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of embryo)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; অঙ্কুর, ভ্রূণ ও কুশিকে কানীন বলে।

কানীনের প্রকারভেদ (Variations of embryo)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; কানীন দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান কানীন ও ২. উপমিত কানীন।

. উপমান কানীন (Analogical embryo)
সাধারণত; অবিবাহিতা বা অনূঢ়ার গর্ভজাত সন্তানকে উপমান কানীন বলে।

. উপমিত কানীন (Compared embryo)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; সর্বপ্রকার অঙ্কুর, ভ্রূণ ও কুশিকে উপমিত কানীন বলে।

কানীনের পরিচয় (Identity of embryo)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর জীবনীশক্তি পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে; এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহৃত হওয়ার কারণে; সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না। অবিবাহিতাকে কুমারী বা অনূঢ়া এবং বিবাহিতাকে নবোঢ়া বলা হয়। বৈবাহিক সম্পর্ক ব্যতীত অনূঢ়ার গর্ভজাত সন্তানকে কানীন বলা হয়। এ সূত্র ধরেই কুরানে বর্ণিত মরিয়মপুত্র ইসাকে কানীন বলা হয়েছে। অবিবাহিতা বা কুমারী মরিয়মের গর্ভে ইসার জন্ম হওয়ার জন্যই ইসাকে কানীন বলা হয়।

বাঙালী পুরাণে পুত্র-কন্যা সৃষ্টি করা হয়েছে মানসিকভাবে। তাই; এদেরকে মানসপুত্র-মানসকন্যা বলা হয়। যেমন; নারায়ণ ও লক্ষ্মী। এছাড়াও; বাঙালী পুরাণে ক্ষেত্রজপুত্র-ক্ষেত্রজকন্যারও ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। অন্যদিকে; আরবীয় পুরাণে পুত্র-কন্যা সৃষ্টি করা হয়েছে মাটি হতে। যেমন; (আদম. ﺁﺪﻢ)। এছাড়াও; দেহ হতে সৃষ্টি করা হয়েছে আদিমাতা হাওয়া (ﺤﻮﺍﺀ)। তারপর; অলৌকিকভাবে অথবা ক্ষেত্রজপুত্র রূপে সৃষ্টি করা হয়েছে ইসা (ﻋﻴﺴﻰٰ)। অর্থাৎ; সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক সৃষ্টিকর্তা, আদিমানব-আদিমানবী ও পুত্র-কন্যা নির্মাণের উপমা বা উপাখ্যান কিছুটা ভিন্ন ভিন্ন। তবে; প্রকৃত বিষয় হলো; অন্তপর্বের সব প্রাণী ও উদ্ভিদই হলো কানীন। সাম্প্রদায়িক বিবাহ মানবিক সংস্কার মাত্র।

আদিপর্বে প্রথম মানুষ, প্রথম হাতি, প্রথম বটগাছ, প্রথম ঘুঘু ও প্রথম ইলিশ প্রকৃতির তাপ, চাপ ও চুম্বকের প্রভাবে পদার্থের পারমাণবিক পরিবর্তনের দ্বারা উদ্ভব। এ সূত্র ধরে বলা যায়; যখন পৃথিবী শীতল ছিল; তখন কোনো জীবের উদ্ভব হয় নি। অতঃপর; পৃথিবী ক্রমে ক্রমে উষ্ণ হতে আরম্ভ করে। তারপর; একটি পর্যায়ে উদ্ভিদ ও প্রাণী উদ্ভব হওয়া আরম্ভ হয়। পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে খেচর, উভচর ও জলজ, প্লবগ, উরগ, সরিসৃপ ও বন্য প্রাণীর উদ্ভব হয়। প্রথমদিকে পৃথিবীর কোনো অঞ্চলে কেবল পুরুষ প্রজাতির প্রাণীর সৃষ্টি হয়েছে। তারা বয়স প্রাপ্ত হয়ে প্রয়াত হয়েছে। আবার অন্য কোনো অঞ্চলে কেবল নারী প্রজাতির প্রাণীর সৃষ্টি হয়েছে। তারাও বয়স প্রাপ্ত হয়ে প্রয়াত হয়েছে। কিন্তু দৈবাৎ যখনই; পুরুষ-নারী একত্র উদ্ভব হয়ে বা সমবেত হয়েছে; কেবল তখনই জীবের প্রজন্ম প্রক্রিয়া উদ্ভাবন হয়েছে। এ প্রজন্ম প্রক্রিয়া দ্বারা উৎপন্ন সব উদ্ভিদ ও প্রাণীকেই কানীন বলা হয়। কুমার, কুমারী, বিবাহ, প্রজন্ম ও সন্তান এসব পরিভাষা মাত্র। শ্বরবিজ্ঞানে; এ সূত্র ধরেই অঙ্কুর, সন্তান, ছানা, পোনা, চারা, মুকুল ও কুশিকে কানীন বলা হয়। অন্যদিকে; উদ্ভিদের যৌনপ্রজনন না থাকার কারণে; সেই আদিলগ্ন থেকেই এদের প্রজন্মকে কানীন বলা হয়।

সাধারণত; পিতৃহীন কাননে উৎপন্ন সন্তানকেই কানীন বলা হয়। অর্থাৎ; পিতার পরিচয় বা পিতার সাহায্য ছাড়াই যে সন্তান সৃষ্টি হয় তাকেই কানীন বলা হয়। কিন্তু প্রাণীকুলের ক্ষেত্রে কানীন সন্তান সৃষ্টি হওয়া কোনো ক্রমেই সম্ভব নয়। কারণ; প্রাণীকুলে পুরুষের কামাচার বা বিকল্পভাবে শুক্রাণু গ্রহণ ছাড়া কোনো ক্রমেই সন্তান সৃষ্টি হয় না। এজন্য; এ পরিভাষাটি প্রাণীকুলের ক্ষেত্রে কোনমতেই প্রযোজ্য নয়। এটি; কেবল উদ্ভিদকুলের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। কারণ; উদ্ভিদের বীজে ভ্রূণ সদৃশ কানীন সৃষ্টি হতে কামাচার বা শুক্রাণু স্থাপনের প্রয়োজন হয় না। বিশ্বের সব উদ্ভিদকেই কানীন বলা হয়। কারণ; প্রায় উদ্ভিদের বিচিই নিজ-নিজ ভ্রূণ বা অঙ্কুর বহন ও লালন করে। এদের সন্তান হলো অঙ্কুর। ভ্রূণ ও অঙ্কুর বিচি সদৃশ মাতৃগর্ভে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সৃষ্টি হয়। এজন্য; অঙ্কুরকে কানীন বলা হয়। উদ্ভিদের অঙ্কুর বা ভ্রূণের কোনো পিতা নেই। এজন্য; তাদের কোনরূপ পিতৃ পরিচয়ও নেই। উল্লেখ্য; বিশ্বের সব সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক শ্বরবিজ্ঞান, পুরাণে যত কানীনের উপমা ও উপাখ্যান বিধৃত হয়েছে; সব কানীনের অর্থই হলো অঙ্কুর। আর তার মাতা হলো বিচি বা বীজ। এ সূত্র ধরে কুরানে বর্ণিত ইসা (ﻋﻴﺴﻰٰ) হলো অঙ্কুর এবং মরিয়ম (ﻤﺮﻴﻢ) হলো বিচি বা বীজ। অর্থাৎ; বীজটি হলো মরিয়ম (ﻤﺮﻴﻢ) এবং শিশু অঙ্কুরটিই হলো ইসা (ﻋﻴﺴﻰٰ)। এখানে; ইসা ও মরিয়মকে কোনো ক্রমেই রক্তমাংসে গড়া মানুষ ভাবা বা কল্পনা করার সুযোগ নেই। সৃষ্টিকর্তার লীলাখেলা, সৃষ্টিকর্তার অসীম ক্ষমতা এসব বলারও কোনো সুযোগ নেই।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!