কাশী

২৭/১০. কাশী
Grassy (গ্র্যাসি)/ ‘ﻋُﺸْﺑِﻰُّ’ (উশবিয়্যু)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর জরায়ু পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা জরায়ু। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা নিধুয়া। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা কুঞ্জ, ঢাকা, পাতাল, ফুল স্বর্গপুর। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা অম্বর, আকাশ, বৈকুণ্ঠ মিথিলা এবং এর অন্যান্য বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা দেবধাম, ব্রজধাম, মথুরা ও স্বর্গধাম

অভিধা (Appellation)
কাশী (বাপৌছ)বিণ তৃণগুলো উৎপন্ন হওয়ার স্থান, grassy, ‘ﻋﺸﺑﻴﺔ’ (উশবিয়া) (ব্য্য) কাশ উৎপন্ন হওয়া স্থানকে কাশী বলা হয় (প্র) হিন্দুদের তীর্থস্থান, ভারতের একটি নগরী, বারাণসিতে অবস্থিত তীর্থস্থান বিশেষ (শ্ববি) জরায়ু, গর্ভাশয়, uterus, womb, রেহেম (.ﺮﺤﻢ) (রূপ্রশ) অলকা, অমরা, ঢাকা, নিধুয়া, বেনারস, বারাণসী, বৈকুণ্ঠ, মথুরা, মূলাধার, স্বর্গ, স্বাধিষ্ঠান (ইংপ) heaven, paradise (ফাপ) বেহেস্ত (ফা.ﺒﻬﺷﺖ) (ইপ) জান্নাত (.ﺠﻨﺎﺖ), আরশ (.ﻋﺭﺶ), ক্বলব (.ﻗﻟﺐ), মদিনা (.ﻤﺪﻴﻧﻪ) (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর জরায়ু পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা ও শ্বরবিজ্ঞানের একটি পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) . সাধারণত; কাশ তৃণ উৎপন্ন হওয়ার স্থানকে কাশী বলা হয় . বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, ঋতুমতীর জরায়ুকে রূপকার্থে কাশী বলা হয় (বাপৌছ) কাশী, দেবধাম, ব্রজধাম, মথুরা ও স্বর্গধাম (বাপৌচা) অম্বর, আকাশ, বৈকুণ্ঠ ও মিথিলা (বাপৌউ) কুঞ্জ, ঢাকা, পাতাল, ফুল ও স্বর্গপুর (বাপৌরূ) নিধুয়া (বাপৌমূ) জরায়ু।

কাশীধাম (বাপৌছ)বি তৃণগুলো উৎপন্ন হওয়ার স্থান, lawn (শ্ববি) অলকা, কাশী, কাশিনগরী, ঢাকা, নিধুয়া, বেনারস, বারাণসী, মথুরা, স্বর্গ (প্র) হিন্দুদের তীর্থস্থান, ভারতের একটি নগরী, বারাণসিতে অবস্থিত তীর্থস্থান বিশেষ (ইপ) মদিনা (ﻤﺪﻴﻨﺔ) (বাপৌছ) কাশী, দেবধাম, ব্রজধাম, মথুরা ও স্বর্গধাম (বাপৌচা) অম্বর, আকাশ, বৈকুণ্ঠ ও মিথিলা (বাপৌউ) কুঞ্জ, ঢাকা, পাতাল, ফুল ও স্বর্গপুর (বাপৌরূ) নিধুয়া (বাপৌমূ) জরায়ু।

Grassy [গ্র্যাসি] (GMP)adj ঘেসো, ঘাসময়, প্রচুর ঘাস জন্মে এমন {}
ﻋﺸﺑﻴﺔ [উশবিয়া] বিণ ঘেসো, ঘাসময়, প্রচুর ঘাস জন্মে এমন {}
Cabinat [ক্যাবিনেট] (GMP)n গুপ্তগৃহ, গুপ্তমন্ত্রণা গৃহ {}

কাশীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of grassy)
১.    “আমি গয়া গেলাম, কাশী গো গেলাম (গয়া গেলাম গো), সঙ্গে নাই মোর বৈষ্ণবী (হায়রে)।” (“মুখ; সাধের লাউ বানাইলো মোরে বৈরাগী”) (গীতিকার অজ্ঞাত)
২.   “হিন্দুরা কয় কাশীধামে, মুসলমানরা কয় মদিনে, চাঁদের উদয় হচ্ছে দিনে, রাতে সে চাঁদ গুপ্ত রয়।” (বলন তত্ত্বাবলী)
৩.   “যেতে সাধ হয়রে কাশী, কর্মফাঁসি বাধে গলায়, আমি আর কতদিন ঘুরব, এমন নাগরদোলায়।” (পবিত্র লালন- ৮৪৩/১)

কাশীর কয়েকটি সাধারণ উদ্ধৃতি (Some ordinary quotations of grassy)
১.   “একবার ভাবি যাই কাশীতে, আবার সাজি পেড়োয় যেতে, দিন গেল মোর দোটানাতে, যাই বা কোথায়।” (পবিত্র লালন- ৫৯১/৩)
২.   “কাশী কী গয়াতে যাই, ভেবে কিছু দিশে না পাই, ও কথা কারে শুধাই, কী মিলে মক্কাতে গেলে।” (পবিত্র লালন- ৬৮৯/২)
৩.   “কাশী কী মক্কায় যাবিরে মন চল দেখি যাই, দোটানাতে ঘুরলে পথে, সন্ধ্যা বেলায় উপায় নাই।” (পবিত্র লালন- ২৯২/১)
৪.   “কে দিবে গুরুর উপাসনা, করি আজ কী সাধনা, কাশীতে যাই কী কাননে থাকি, কোথায় গেলে পাব সে চাঁদেরে।” (পবিত্র লালন- ৮২৬/২)
৫.   “হিন্দুরা কয় কাশীধামে, মুসলমানরা কয় মদিনে, চাঁদের উদয় হচ্ছে দিনে, রাতে সে চাঁদ গুপ্ত রয়।” (বলন তত্ত্বাবলী)
৬.   “গয়া কাশী বৃন্দাবনে, হরি পেলে কেউ ফিরত না রে, গির্জাগৃহে গড পেলে, খ্রিস্টানেরা ভুলত না রে, লালন বলে থাকলে গুরুর চরণতলে, পাবিরে নিরঞ্জন।” (পবিত্র লালন- ১০৩/৩)
৭.   “গয়া কাশী বৃন্দাবনে- উদয় হয়রে কত নামে, যে যায় মক্কা মদিনে- নিতে তারই চরণধুলা, সপ্ততল পাতালে গিয়ে- লুকায় সেথা নীর হয়ে, বাতাস রূপে দ্বিদ্বারে- চালাই তার অবলীলা।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১১১)
৮.   “গয়া কাশী মক্কা মদিনা, বাইরে খুঁজলে ধান্ধা যায় না, দেহরতী খুঁজলে পাবি মনা, সব তীর্থের ফল গিয়ে।” (পবিত্র লালন- ৯৯১/৩)
৯.   “গুরুজি ভজনের মূল, তার চরণ করে ভুল, লালন কয় নামাকুল, ধায় কেন গয়া-কাশী।” (পবিত্র লালন- ৮১০/৪)
১০. “তীর্থকর্ম গয়া কাশী, বালাকুঞ্জ বারানসী, মথুরা বৃন্দাবনে, তীর্থে যদি গৌর পেত, ভজন সাধন করে মানব কী জন্যে।” (পবিত্র লালন-৩৬৮/৩)
১১.  “মক্কায় গিয়ে ধাক্কা খেলে, যেতে চাও কাশীস্থলে, এমনই ভাবে কাল কাটালে, ঠিক পাবি না কোথাও ভাই।” (পবিত্র লালন- ২৯২/২)
১২.  “মক্কা কিংবা মদিনাতে, বৃন্দাবন কী কাশীতে, কোথাও পাবি না রে তাতে, পাবি আপন ঘর ধুঁড়ে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৬৯)
১৩. “মুসলমানের মক্কাতে মন, হিন্দুরা করে কাশী ভ্রমণ, দেহের মধ্যে অমূল্য-ধন, কে দূরে যায়।” (পবিত্র লালন- ১০৯/২)
১৪. “যেতে চাও মক্কা, যদি পাও ধাক্কা, ফিরে দাঁড়াও তৎক্ষণা, এতে কার্য নাই- কাশীধামে যাই, করে সহজ বিবেচনা।” (পবিত্র লালন- ৩৬৩/২)
১৫. “সাম্প্রদায়িক গ্রন্থের দুটি মানে, এক প্রকাশ্য এক গোপনে, প্রেমলীলা রয় নিগমে, গয়া কাশী বৃন্দাবনে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৫৪)

কাশীর সংজ্ঞা (Definition of grassy)
সাধারণত; কাশ উৎপন্ন হওয়ার স্থানকে কাশী বলে।

কাশীর আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of grassy)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; ঋতুমতীর জরায়ুকে কাশী বলে।

কাশীর প্রকারভেদ (Variations of grassy)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; কাশী দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান কাশী ও ২. উপমিত কাশী।

. উপমান কাশী (Analogical grassy)
সাধারণত; কাশ উৎপন্ন হওয়ার স্থানকে উপমান কাশী বলে।

. উপমিত কাশী (Compared grassy)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; ঋতুমতীর জরায়ুকে উপমিত কাশী বলে।

কাশীর পরিচয় (Identity of grassy)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর জরায়ু পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে; এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহৃত হওয়ার কারণে; সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না। সাধারণত; কাশের বিস্তীর্ণ মাঠকে কাশী বলা হয়। হিন্দু মনীষীদের মতে; এ পরিভাষাটির দ্বারা কখনই কাশবন বুঝায় না। বরং এর দ্বারা বর্তমান ভারতের বারানসীতে অবস্থিত পুণ্যময় তীর্থস্থানকে বুঝায়। কিন্তু শ্বরবিজ্ঞানে; কাশী বলতে কেবল বৈকুণ্ঠকে বুঝায়। বৈকুণ্ঠের বাঙালী পৌরাণিক প্রকৃত মূলক সত্তা জরায়ু। অর্থাৎ; কাশী বলতে আত্মতত্ত্ব দর্শনে কেবল জরায়ুকে বুঝায়। যেমন; কাশবন হতে কাশের অঙ্কুর সৃষ্টি হয়; তেমনেই জরায়ু হতেও নতুন নতুন ভ্রূণ বা সন্তান সৃষ্টি হয়। এজন্য; শ্বরবিজ্ঞানে; জরায়ুকে কাশবন বা কাশীর সাথে সার্থক তুলনা করা হয়। হাস্যকর বিষয় হলো; সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মনীষী, বৈখ্যিক, টৈকিক, অভিধানবিদ ও অনুবাদকরা শ্বরবিজ্ঞান, পুরাণে ব্যবহৃত কাশী পরিভাষাটি দেখে বা শুনেই ভারতের কোনো একটি স্থানকে বুঝে ও বুঝিয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!