কাহিনী

০২/০২. কাহিনী
Story (স্টোরি)/ ‘ﻘِﺼَّﺔُ’ (কিস্সা)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর অতীতকাহিনী পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা অতীতকাহিনী। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা ইতিহাস। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা ইতিবৃত্ত এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা ইতিকথা

অভিধা (Appellation)
কাহিনী (বাপৌউ)বি গল্প, উপন্যাস, বৃত্তান্ত, উপাখ্যান, ছোটকি, লৌকিকা, story, ‘ﻘﺼﺔ’ (কিস্সা) (শ্ববি) ইতিহাস, ইতিবৃত্ত, পূর্ববৃত্তান্ত, অতীতকথা, অতীতকাহিনী, history, তারিখ (.ﺗﺎﺮﻴﺦ) (প্র) প্রত্নতাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক অতীতকাহিনী বিশেষ (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর অতীতকাহিনী পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) . সাধারণত; যে কোনো আদি ও অতীতকাহিনীকে উপামার্থে কাহিনী বলা হয় . বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীতে বর্ণিত বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার রূপক নামে ঈশ্বরায়ন করে নির্মিত পৌরাণিক ঈশ্বর, দেবতায়ন করে নির্মিত পৌরাণিক দেবতা-দেবী ও মানবায়ন করে নির্মিত পৌরাণিক মানুষ, জীবজন্তু, দৈত্য-দানব, গাছ ও অস্ত্র দ্বারা নির্মিত শিক্ষামূলক রূপক বর্ণনাকে রূপকার্থে কাহিনী বলা হয় (বাপৌছ) ইতিকথা (বাপৌচা) ইতিবৃত্ত (বাপৌউ) কাহিনী (বাপৌরূ) ইতিহাস (বাপৌমূ) অতীতকাহিনী।

কাহিনীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of story)
১.    “কী হবে ছাই জাতি দিয়া, অমূল্য-ধন যায় ঝরিয়া, নিদারুণ কাহিনী।” (বলন তত্ত্বাবলী)
২.   “বিষয় বিষে চঞ্চল মন দিনরজনী, মনেরে বুঝালে বুঝে না ধর্মকাহিনী।” (পবিত্র লালন- ৬৯৭/১০)

কাহিনীর সংজ্ঞা (Definition of story)
সাধারণত; যে কোনো আদি ও অতীতকাহিনীকে উপামার্থে কাহিনী বলে।

কাহিনীর আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of story)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে,বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা দ্বারা নির্মিত শিক্ষামূলক রূপক বর্ণনাকে কাহিনী বলে।

কাহিনীর প্রকারভেদ (Variations of story)
সাধারণত; কাহিনী অনেক প্রকার হতে পারে। যেমন; রাজনৈতিক কাহিনী, বৈজ্ঞানিক কাহিনী, দার্শনিক কাহিনী, ভ্রমণকাহিনী, সাম্প্রদায়িক কাহিনী, প্রত্নতাত্ত্বিক কাহিনী ও আবিষ্কার কাহিনী ইত্যাদি। তবুও; কাহিনীকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা; ১. উপমান কাহিনী ও ২. উপমিত কাহিনী।

. উপমান কাহিনী (Analogical story)
সাধারণত; যে কোনো আদি ও অতীতকাহিনীকে ইতিহাস বা উপমান কাহিনী বলে।

. উপমিত কাহিনী (Compared story)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে,বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা দ্বারা নির্মিত শিক্ষামূলক রূপক বর্ণনাকে উপমিত কাহিনী বলে।

কাহিনী ও ইতিহাসের মধ্যে পার্থক্য (Difference between story and history)

কাহিনী ইতিহাস
১. বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীতে বর্ণিত বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার শিক্ষামূলক রূপক বর্ণনাকে কাহিনী বলে। ১. যে কোনো আদি ও অতীতকাহিনীকে ইতিহাস বলে।
২. এটি; সুমহান রূপকারদের দ্বারা নির্মিত। ২. এটি; ঐতিহাসিকদের দ্বারা সংকলিত।
৩. এটি; যে কোনো রূপকার যে কোনো সময়ই নির্মাণ করতে পারে। ৩.  রাজনৈতিক ঘটনা না ঘটলে; এটি; কখনই লেখা যায় না।
৪. এর দ্বারা আত্মদর্শন ও নৈতিকতা শিক্ষা দেওয়া হয়। ৪. এর দ্বারা রাজনীতি শিক্ষা দেওয়া হয়।
৫.  এটি; সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক উপাদান রূপে ব্যবহৃত হয়। ৫. এটি; রাষ্ট্রীয় উপাদান রূপে ব্যবহৃত হয়।
৬.  এটি; ভাবার্থবোধক মনোকল্প প্রধান। ৬. এটি; রাজনৈতিক ঘটনাবলী প্রধান।
৭.  এটি; উপমিত প্রধান সাহিত্য। ৭. এটি; বাস্তব সাহিত্য।
৮.  এটি; রূপক ও কল্পিত। ৮. এটি; বাস্তব ও সংঘটিত।
৯.  এর নায়ক, নায়িকা ও খলনায়ক সবকিছুই উপমিত বাস্তব। ৯. এর নায়ক, নায়িকা ও খলনায়ক সবকিছুই প্রত্যক্ষভাবে বাস্তব।
১০. এর নির্মাতাকে কাহিনীকার বা রূপকার বলা হয়। ১০.এর নির্মাতাকে ঐতিহাসিক বলা হয়।

কাহিনীর পরিচয় (Identity of story)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর অতীতকাহিনী পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে; এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহৃত হওয়ার কারণে; সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না। সাধারণত; অতীতের যে কোনো ঘটনাবলীকেই কাহিনী বলা হয় কিন্তু শ্বরবিজ্ঞানে; বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা দ্বারা রূপকার্থে নির্মিত শিক্ষামূলক বিবরণকে কাহিনী বলা হয়।

এবার সাম্প্রদায়িকদের ঐশিমানব বা নির্মিত অবতারদের সম্পর্কে সামান্য আলোকপাত করা প্রয়োজন। বর্তমান বঙ্গদেশে কেবল সাম্প্রদায়িক মনীষী ও সাম্প্রদায়িক বক্তারাই নয় বরং সর্ব সাধারণ পর্যন্ত প্রবল বিশ্বাস করে যে; তাঁদের নির্মিত অবতারদের ঘটনাবলী ঐতিহাসিক সত্য। কেউ এর বিরুদ্ধাচরণ করলেই সঙ্গে সঙ্গে তারা তার বিরুদ্ধে সমর-সংগ্রাম ঘোষণা করে। আবার যদি কোনো গবেষক লেখনীর মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক অবতারদের ঘটনাবলীকে পৌরাণিক গল্প, রূপকথার গল্প, শিক্ষামূলক গল্প ও উপমান গল্প ইত্যাদি বলে প্রকাশ করে তবে; সাম্প্রদায়িকরা তার বিরুদ্ধে চরমপন্থীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে; ‘ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই’ নাদধ্বনি দিতে দিতে পথে পথে লোক সমাগম আরম্ভ করে। মোটকথা; সাম্প্রদায়িক ঠাক-পুরুৎ ও মোল্লা-মুন্সি হতে আরম্ভ করে সাধারণ মানুষ; এমনকি; দেশের সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, প্রচারকর্মী এবং প্রশাসক নেতৃবৃন্দের অধিকাংশই জানে না যে; তাদের দেব-দেবতা, মালাকি-ফেরেস্তা বা দেবতা সবই কোনো না কোনো পৌরাণিক চরিত্র। তারা আরও জানে না যে; সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুরাণে বর্ণিত পৌরাণিক কাহিনী আদৌ ঐতিহাসিক বিষয়-আশয় নয়। যদি তারা এসব সংবাদ জানতো ও বুঝতো; তবে তাদের মধ্যে এত বিভেদ-বৈষম্য গড়ে উঠত না। তাদের মধ্যে কখনই উগ্রবাদ, আতঙ্কবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও সাম্প্রদায়িক মনোভাব গড়ে উঠত না।

কুরান [قُرَاٰنُ] (আপৌছ)বি ত্রিতয় ত্রিশৃঙ্গ, ত্রিশিং, শিং, দিক, শতাব্দী, শৃঙ্গ, পাহাড়, দুর্গ, বেণী, চূড়া, আলোক ছটা, ত্রিশবছরের যুগ, এক শতাব্দী, এককালের লোক, ছোট পাহাড়, পাহাড়ের শৃঙ্গ (প্রাঅ) পুস্তক-পুস্তিকা (প্র) ইসলামী পুরাণ অনুসারে; প্রায় দেড় হাজার বছর পূর্বে আরবি ভাষায় নির্মিত মহাগ্রন্থ বিশেষ। যা বর্তমানে মুসলমানদের সাম্প্রদায়িক গ্রন্থ নামে পরিচিত (ব্য্য) রজস্বলাদের জরায়ু হতে রজ, সুধা ও মধু এ ৩টি ধারা প্রবাহিত হয়। এ ৩টি ধারাকেই শ্বরবিজ্ঞানে শিং, চূড়া, শৃঙ্গ, পাহাড়, রাজা, দিক, ধারা, নদী, সাগর ও দাঁত ইত্যাদি ছদ্মনামে প্রকাশ করা হয়। কিন্তু কুরান (قُرَانُ) বলতে শ্বরবিজ্ঞানে নির্দিষ্টভাবে সুধাকেই বুঝায়। আরবি ক্বারন ‘ﻘﺮﻦ’ পরিভাষাটির বহুবচন কুরান (قُرَانُ)। কুরান (قُرَانُ) হতে কুরআন (قُرَاٰنُ) পরিভাষাটির উৎপত্তি। বহুবচনের সর্বোচ্চ কোনো সীমা নেই। তবে; সর্বনিম্ন সীমা তিন। এজন্য; তিনকে বহুবচনের আন্তর্জাতিক প্রতীক ধরা হয়। এ সূত্র হতে শৃঙ্গের বহুবচন ত্রিতয় নির্ধারণ করা হয়েছে (শ্ববি) তরল-মানুষ; যে এখনও মূর্ত আকার ধারণ করে নি। মাতৃগর্ভে ভ্রূণ লালনপালনের দায়িত্বপালনকারী সুমিষ্ট, সুপেয় ও শ্বেতবর্ণের জল (রূপ্রশ) পালনকর্তা, ঈশ্বর, উপাস্য, নারায়ণ, নিধি, নিমাই, নিরঞ্জন, প্রভু, বিষ্ণু, বুদ্ধ, সোম, স্বামী, স্বরূপ, guardian, রব (.ﺮﺐ) (পারদে) খোদা (ফা.ﺨﺪﺍ) (ইদে) মা’বুদ (.ﻤﻌﺑﻭﺪ), মুহাম্মদ (.ﻤﺤﻤﺪ), রাসুল (.رَسُول) (ইপ) কাওসার (.ﻜﻭﺛﺮ), ফুরাত (.ﻔﺭﺍﺖ) (ইংপ) God, nectar, elixir (দেপ্র) এটি; আরবি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর পালনকর্তা পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) মাতৃগর্ভে সর্বজীবের ভ্রূণ লালনপালনে নিয়োজিত রসকে পালনকর্তা বা রূপকার্থে গ্রন্থ বলা হয় (বাপৌছ) ঈশ্বর, উপাস্য, চোর, পতিতপাবন, পরমগুরু, প্রভু, মনের-মানুষ ও সুধা (বাপৌচা) ননি, বিষ্ণু, মাণিক, রাজা, রাম, লালন, স্বরূপ ও হরি (বাপৌউ) অমৃতসুধা, গ্রন্থ, চন্দ্র, জল, তীর্থবারি, পাখি, ফল ও ফুল (বাপৌরূ) সাঁই (বাপৌমূ) পালনকর্তা {.কারনুন. ﻘﺮﻦ> বব}

কুরান (ﻗُﺮْﺍٰﻦُ) নামের ব্যাখা; বৌদ্ধদের সাম্প্রদায়িক গ্রন্থের নাম ত্রিপিটক। যার অর্থ; তিনটি ঝুড়ি, তিনটি থলে। ভাবার্থ; জরায়ু হতে প্রবাহিত রজ, সুধা ও মধু এ ত্রিধারা। যা পূর্বেই বর্ণনা করা হয়েছে। অতএব; মুসলমানদের সাম্প্রদায়িক পুস্তকের নাম কুরান (ﻗُﺮْﺍٰﻦُ) বা ত্রিতয় বা ত্রিশৃঙ্গ হওয়া একান্ত যুক্তিযুক্ত ও অনুপম হয়েছে।

কাসাস [ﻘﺼﺺ] (আপৌছ)বি কাহিনী, গল্প, রূপকথা। এটি; আরবি ক্বিস্সা (ﻘﺼﺔ) পরিভাষার বহুবচন {}
কাতিবুল কিসাস [ﻜﺎﺘﺐ ﺍﻟﻘﺼﺺ] (আপৌছ)বি ঔপন্যাসিক, কাহিনীকার {}
হিকায়াত [ﺤﻜﺎﻴﺔ] (আপৌছ)বি কাহিনী, গল্প, রূপকথা {}
তারিখ [ﺘﺎﺭﻴﺦ] (আপৌছ)বি দিন, দিবা, যুগ, অব্দ, বর্ষ, অয়ণ, পুরাকীর্তি, ইতিহাস {}
আম্বিয়া [ﺍﻨﺑﻴﺎﺀ] (আপৌছ)বি সংবাদিকগণ, দেবতাগণ (প্র) ইসলামী পুরাণ অনুসারে; ঐশিবাণীর প্রচারক মহাপুরুষ বা মহামানবগণ (শ্ববি) প্রতিমাসে আগমনকারী রজস্রাব নামক ঐশিদূত বা ঐশিসংবাদিক, যৌবনের ৩০ বছরে অবতরণকৃত গড়ে ৩৬০টি আর্তব বা রজ {.নবি. ﻨﺑﻰ > বব}

এবার কুরানে বর্ণিত আরবীয় পৌরাণিক অবতারদের পৌরাণিক কাহিনী সংকলিত কয়েকটি গ্রন্থ সম্পর্কে সামান্য আলোকপাত করা প্রয়োজন। কাসাসুল কুরান একটি আরবি গ্রন্থের নাম। আরবি কাসাস (ﻘﺼﺺ) পরিভাষাটির অর্থ; রূপক গল্প, রূপককথার গল্প, রূপকথার কাহিনী। কুরান (ﻗُﺮْﺍٰﻦُ) পরিভাষাটির অর্থ; ত্রিতয়, ত্রিবেণী, ত্রিপিটক ইত্যাদি। অর্থাৎ; কাসাসুল কুরান অর্থ কুরানের কাহিনী। অন্যদিকে; আরবি তারিখ (ﺘﺎﺭﻴﺦ) পরিভাষার অর্থ; দিন, দিবস, ইতিহাস, ইতিবৃত্ত।

দেখা যাচ্ছে সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পৌরাণিক কাহিনী কখনই সাম্প্রদায়িক ইতিহাস নয়। বরং এগুলো রূপকথার শিক্ষামূলক উপদেশ। এজন্য; গ্রন্থকার গ্রন্থটির নাম নির্মিত অবতারদের ইতিহাস (‘ﺗﻮﺍﺭﻴﺦ ﺍﻻﻨﺑﻴﺎﺀ’ (তাওরিখুরল আম্বিয়া) না লিখে নির্মিত অবতারদের কাহিনী ‘ﻘﺼﺺﺍﻻﻨﺑﻴﺎﺀ’ (কাসাসুল আম্বিয়া) লিখেছেন। কিন্তু বঙ্গদেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়েও যেসব পুস্তক-পুস্তিকা পাঠদান করা হচ্ছে; তা কেবলই ইসলামের ইতিহাস বলা হচ্ছে। এসব যদি ইসলামের ইতিহাসই হতো; তবে কখনই এসবের নাম কাসাসুল আম্বিয়া বা কাসাসুল কুরান হতো না। বরং এসব পুস্তক-পুস্তিকার নাম হতো তাওয়ারিখুল ইসলাম। এছাড়াও; আরও বলা যায় যে; যারা কাসাসুল আম্বিয়া এর ওপর নির্ভর করে তাওরিখুল আম্বিয়া এবং যারা কাসাসুল কুরান এর ওপর নির্ভর করে তাওয়ারিখুল কুরান নির্মাণ করার মতো দুঃসাহসিকতা প্রদর্শন করেছে। অথবা যারা তাওয়ারিখুল আম্বিয়াতাওয়ারিখুল কুরান এর ওপর নির্ভর করে তাওয়ারিখুল ইসলাম নির্মাণ করেছে; সাধারণ মানুষের পক্ষে তাদের কিবা করার আছে? বর্তমান বাংভারতীয় উপমহাদেশে ইসলামের ইতিহাস নামে যেসব কাহিনী প্রচার-প্রসার করা হচ্ছে; তা আদৌ ইতিহাস নাকি কাহিনী তা কয়জনইবা জানে? অথচ বর্তমানে ইসলামের ইতিহাস হতেই সবচেয়ে অধিক আতঙ্কবাদ, উগ্রবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার উদ্ভব হচ্ছে। যা ইতোমধ্যে সারাবিশ্ববাসী জেনেও গেছে।

অন্যদিকে; দেবতা বা ঐশিমানবদের কাহিনী যদি ইতিহাসই হতো; তবে তাওয়ারিখুল আম্বিয়াতাওয়ারিখুল কুরান কে যখন কোনো ঐতিহাসিক বা সংকলক ভুলে কিংবা স্বেচ্ছায় কাসাসুল আম্বিয়াকাসাসুল কুরান রূপে নামকরণ করে প্রচার-প্রসার করা আরম্ভ করেছিল তখন তাওয়ারিখের সমর্থকরা কেনইবা পৃথিবীর কোনো একটি বিচারালয়েও অভিযোগ করেনি? এমনকি; এখনও কেনইবা অভিযোগ করছে না? তবে এখন শক্ত করেই বলা যায় যে; কাসাসুল আম্বিয়াকাসাসুল কুরান কেই পরিবর্তন করে তাওয়ারিখুল আম্বিয়াতাওয়ারিখুল কুরান করা হয়েছে এবং এ হতেই তাওয়ারিখুল ইসলাম বা ইসলামের ইতিহাস পরিভাষাটির উদ্ভব হয়েছে। এবার বলা যায় যে; আল্লাহ হতে আরম্ভ করে কুরান, হাদিস ও ইতিহাস সবই কাহিনী। পরবর্তীকালে এসব কাহিনীর ওপর নির্মিত হয়েছে বড় বড় ব্যাখ্যা গ্রন্থ। কাহিনীমূলক গ্রন্থাদিকেই পরবর্তীকালে ইতিহাস বলে অভিহিত করা হয়েছে। যতদূর জানা যায়; জারির তাবারী সর্বপ্রথম এ কাজটি করেছিল। স্মরণীয় যে; সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পৌরাণিক কাহিনী নির্মাণ করার জন্য কোনো ঘটনা ঘটার প্রয়োজন হয় না। একজন রূপকার ইচ্ছে করলে; ছয় হাজার বছর পূর্বে গিয়েও অথবা ছয় হাজার বছর পরে গিয়েও অনায়াসে কাহিনী নির্মাণ করতে পারে। কাহিনীর সাথে পাদটীকা রূপে ঘটনার স্থান, কাল, নাম, ধাম, আবাসন, আসন ও বসনের বিবরণ লেখতেও তেমন বেগ পেতে হয় না। সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুরাণ নির্মাণ করা হয় কেবলই আত্মতত্ত্বের সূত্র-তথ্যাদির দ্বারা। শিক্ষামূলক এসব পৌরাণিক কাহিনীকে পরবর্তীকালে সাম্প্রদায়িক পৌরাণিক কাহিনী বলা হয়। যেমন; কারবালা পূর্বকালে আত্মতত্ত্বনির্ভর একটি উপন্যাসই ছিল। কিন্তু বর্তমানে তা শিয়াদের সাম্প্রদায়িক গ্রন্থ পর্যায়ে উন্নীত হতে সমর্থ হয়েছে। তেমনই; রামায়ণও পূর্বকালে আত্মতত্ত্বনির্ভর একটি উপন্যাসই ছিল। কিন্তু বর্তমানে তা হিন্দুদের সাম্প্রদায়িক গ্রন্থ পর্যায়ে উন্নীত হতে সমর্থ হয়েছে। তেমনই; বুখারীশরিফও পূর্বকালে আত্মতত্ত্বনির্ভর একটি হাদিস গ্রন্থই ছিল। কিন্তু বর্তমানে তা আহলে হাদিসদের সাম্প্রদায়িক গ্রন্থ পর্যায়ে উন্নীত হতে সমর্থ হয়েছে।

আত্মতত্ত্বনির্ভর পৌরাণিক কাহিনী সম্বলিত পুস্তক-পুস্তিকা নির্মাণ করা হয় কেবলই মানসিক নীতি-নৈতিকতার উন্নয়ন ও উত্তরণের জন্য। কিন্তু পরবর্তীকালে সেসব পৌরাণিক কাহিনীই সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পৌরাণিক গল্প-কাহিনীতে রূপান্তর করা হয়েছে, হচ্ছে এবং হবে। দেহতাত্ত্বিক পৌরাণিক কাহিনী যখনই সাম্প্রদায়িক ইতিহাসে রূপ নেয়; তখনই তা জাতীয়ভাবে দেশের সর্বপ্রকার বিদ্যালয়েই পাঠ্যসূচীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আরও আশ্চর্য হওয়ার বিষয় হলো কারবালারামায়ণ উপন্যাস দুটির বর্তমান রাজসিক অবস্থা। এ দুটি গ্রন্থ উপন্যাস আকারেই নির্মিত হয়েছিল। আজও উপন্যাসই রয়েছে। কিন্তু হিন্দুদের একটি গোষ্ঠী রামায়ণ গ্রন্থটিকে তাদের শ্রেষ্ঠ গ্রন্থের স্তরে স্থাপন করেছে। তেমনই; মুসলমানদের শিয়া সম্প্রদায় কারবালা গ্রন্থটিকে তাদের শ্রেষ্ঠ গ্রন্থের স্তরে স্থাপন করেছে। পৃথিবীর অনেক মনীষীই কারবালা গ্রন্থটিকে ভিন্ন ভিন্ন নামে বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করেছে। যেমন; বাংলাদেশের মীর মুশারফ হোসেন বিষাদসিন্ধু নামে বাংলা ভাষায় গদ্যানুবাদ করেছে। কবি কায়কোবাদ মহাশ্মশান নামে বাংলা ভাষায় এর কাব্যিক অনুবাদ করেছে। কোনো কোনো লেখক আবার অনুবাদ না করে পুরো কাহিনীটিকে মনের মাধুরী দিয়ে সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে রূপদান করেছে।

বৈজ্ঞানিক যুগে সাম্প্রদায়িকদের চরমভাবে অন্ধবিশ্বাস গ্রহণ, ধারণ ও লালনের যে ধারা অব্যাহত দেখা যাচ্ছে; তাতে মনে হয় আগামী কিছুদিনের মধ্যেও কাসাসুল কারবালাতাওয়ারিখে কারবালায় পরিণত হবে। এই তো সেদিন এক শাইখুল হাদিস চালুনি উপন্যাস বা কাসাসুল কারবালা বা sieve novel এর নাম আমার মুখে শুনে- আমাকে পুনঃ এটিকে উপন্যাস বা novel বলতে নিষেধ করলো। সে বড় দৃঢ়তার সাথেই বলে গেল যে; “এটি; তারিখ না হয়ে কেবল কাসাস হলে; এদেশের বড় বড় পির- মুর্শিদরা ‘আশুরা’ অনুষ্ঠান পালন করতো না।” বিশ্বের বিভিন্ন বড় বড় গবেষণা প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, বিশ্ববিখ্যাত তথ্যভাণ্ডার (এনসাইক্লোপিডিয়া) ও ইন্টারনেট ব্যতীত শেষ পর্যন্ত তাঁর প্রমাণ হলো অশিক্ষিত ও গণ্ডমূর্খ ভণ্ড পির-মুর্শিদ। আরও আশ্চর্য হবার বিষয় হলো; অন্ধবিশ্বাসী মুসলমানদের দর্শন হলো; দশই মহরম দিবসে তাদের সাম্প্রদায়িক আদিপিতা আদম স্বর্গ হতে বহিষ্কৃত হন। আবার; ঐ দিবসেই তিনি মন্দ কৃতকর্ম হতে মুক্তিলাভ করেন। ঐ দিবসেই নুহ মহাপ্লাবন হতে মুক্তিলাভ করেন। ইউনুস মাছের পেট হতে মুক্তি পেয়েছিলেন ঐ দিনে। ইব্রাহিমকে আগুনের কুণ্ডলীতে নিক্ষেপ করা হয়েছিল ঐ দিনে। ঐ দিনেই কারবালায় হুসাইন নিহত হন এবং ঐ দিবসেই পৃথিবী ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে ইত্যাদি।”

কিন্তু কেউ একটিবারের জন্য ভেবে দেখেছে কী পঞ্জিকা আবিষ্কারের বয়স কত? সাম্প্রদায়িক আদিমানব আদমকে বহিষ্কারের সময় তো দিবস, মাস ও বছরের গণনাও ছিল না। এমনকি; তখন পঞ্জিকাও আবিষ্কার হয় নি। আধুনিক গবেষকরা বলে যে; মাত্র ৪,৬০০ বছর পূর্বে পঞ্জিকা আবিষ্কার হয়েছে। পঞ্জিকা আবিষ্কার করেছে মিশরীয়রা। কিন্তু অধিকাংশ আত্মজ্ঞানী দার্শনিক বলেন যে; পঞ্জিকার প্রকৃত আবিষ্কারক ভারতবর্ষের আত্মজ্ঞানী মনীষীরা। তারা আরও বলেন যে; প্রায় ছয় হাজার বছর পূর্বে দিবস, মাস ও বছর গণনা পদ্ধতি সর্বপ্রথম বাংভারতীয় সাধুরাই আবিষ্কার করেছিলেন। এর পূর্বে একসূর্য, দুইসূর্য এভাবে সময়ের গণনা করা হতো। আলোচনা সমাপ্তির দ্বারপ্রান্তে উপনীত হয়ে বলতে হয়; মুসলমানরা তাদের সাম্প্রদায়িক মতবাদের কাহিনীকে ‘ইতিহাস’ মনে করে; আম্বিয়া, আসহাব ও শুহাদাদের মতো সাম্প্রদায়িক অনুশাসন প্রতিষ্ঠা করা এবং তাদের মতো সংগ্রামী জীবন গঠন করতে গিয়েই বর্তমানে উগ্রবাদ, সন্ত্রাসবাদ, আতঙ্কবাদ ও চরম সাম্প্রদায়িকতার পথ গ্রহণ করেছে। ইসলামী বিশ্বের সাম্প্রদায়িক ও রাজনৈতিক উগ্রবাদ, আতঙ্কবাদ ও সন্ত্রাসবাদ; তাদের সাম্প্রদায়িক কাহিনীকে ইতিহাস মনে করা হতেই উৎপত্তি হয়েছে বা হচ্ছে ও হবে; এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহের অবকাশ নেই।

বিশ্বের প্রত্যেক দেশের মন্ত্রিসভা হতে আরম্ভ করে শিক্ষানীতি নির্ধারণকারী পর্ষদ পর্যন্ত এ বিষয়টি অবশ্যই জানা ও বুঝা একান্ত প্রয়োজন। সাথে সাথে সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মতবাদ সমর্থিত রূপকথাগুলো বা রূপক কাহিনীগুলোকে রূপক গল্প বলে ব্যক্তিগত উদ্যোগে বা রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে সর্বপ্রকার প্রচার মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া উচিত। পূর্বকালের সুমহান লেখক, গবেষক ও রূপকারগণ স্বর্গীয় দেবতার রূপক বিবরণগুলোকে রূপকথা বা পৌরাণিক কাহিনী ধরেই তার ওপর কাসাসুল আম্বিয়া, কাসাসুল কুরানকাসাসুল আউলিয়া ইত্যাদি পুস্তক-পুস্তিকা প্রণয়ন করে গেছেন। কিন্তু বর্তমানে ঐসব পৌরাণিক কাহিনীকেই মুসলমান মনীষীরা সাম্প্রদায়িক ইতিহাস না বলে; উল্টো ইসলামের ইতিহাস বলে প্রচার-প্রসার করে বেড়াচ্ছে। এখন এসব ভালোভাবে যাচাইবাছাই করার সময় এসেছে।

বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর হতে পারে; সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিকদের দ্বারা বড় প্রকার বাঁধা আসতে পারে এবং দেশে বিশাল নৈরাজ্য সৃষ্টি হতে পারে। তবুও; সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পৌরাণিক কাহিনীকে কখনই ইতিহাস রূপে গ্রহণ করা যাবে না। এর দ্বারা সন্ত্রাসবাদ, আতঙ্কবাদ, উগ্রবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা সৃষ্টি করা চিরতরে বন্ধ করতে হবে। আবার কেউ বলতে পারে; ঐশিযুগের সব ঘটনাবলীকে হয়তো কাহিনী বলে ধরে নেওয়া যায়; কিন্তু প্রতিনিধি ও অনুসারীদের যুগকে তো কোনো ক্রমেই কাহিনী বলে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এর উত্তরে বলা যায়; সাম্প্রদায়িক গ্রন্থে নির্মিত কাহিনী একান্তই গ্রন্থ নির্মাতার নির্মিত। কিন্তু একটি রূপক গ্রন্থকে ঐশিগ্রন্থ বলে প্রমাণ করা, রূপক গ্রন্থের একটি বিশেষ চরিত্রকে ঐশিমানব বলে প্রমাণ করা ও অনুসারীদের সোনার-মানুষ রূপে প্রমাণ করার জন্য; যেসব প্রেমকাহিনী, দেশান্তর কাহিনী, দস্যুবৃত্তি কাহিনী, দাস্যবৃত্তি কাহিনী, রাজবংশ নির্মাণ কাহিনী, যুদ্ধ-কাহিনী, ও রাষ্ট্রনির্মাণ কাহিনী নির্মাণ করা হয়েছে, হচ্ছে এবং হবে তা অবশ্য অবশ্যই রূপক কাহিনী। পূর্বোক্ত বিবরণকে আশিভাগ রূপক কাহিনী বলা হলে; এ অংশকে শতভাগই রূপক কাহিনী বলতে হবে। সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পৌরাণিক কাহিনী কোনো ক্রমেই ইতিহাস নয়; কখনই ইতিহাস নয়, কোনমতেই ইতিহাস নয়, কোনো যুক্তিতেই ইতিহাস নয় এবং কোনো কারণেই ইতিহাস নয়।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!