গগন

০৭/০২. গগন
Firmament (ফার্মামেন্ট)/ ‘فضاء’ (ফাদায়া)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর আগধড় পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা আগধড়। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা পশ্চিম। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা প্রতীচী এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা অস্তাচল। এ পরিভাষাটি শ্বরবিজ্ঞানের আগধড়জরায়ু ইত্যাদি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীতে বর্ণিত বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার ব্যাপক পরিভাষা রূপে ব্যবহৃত হয়। এজন্য; বর্ণনার ক্ষেত্র অনুযায়ী এর সঠিক দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি উদ্ঘাটন করা একান্ত প্রয়োজন।

অভিধা (Appellation)
গগন (বাপৌরূ)বি ঊর্ধ্বজগৎ, ব্যোম, শূন্য, অম্বর, অন্তরীক্ষ, স্বর্গ, firmament, ‘فضاء’ (ফাদায়া), sky, ‘سماء’ (সামা) (শ্ববি) ঊর্ধ্বাঙ্গ, নাভির ঊর্ধ্বাংশ, নাভি হতে মাথা পর্যন্ত, নাভি হতে ওপরের অংশ, first body, top body, fore body, front body, আওয়ালুল বদন (.ﺍﻮﻞ ﺍﻟﺒﺪﻦ) (রূপ্রশ) গুরু, জ্ঞান, ভৃগু, সাঁই, স্বর্গ, আগধড় (ইপ) আলা (ﺍﻋﻟﻰ), ফাওক্ব (ﻔﻮﻖ), মারফুউ (ﻤﺮﻔﻮﻉ), সাত্বহ (ﺴﻄﺢ) (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর আগধড় পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) . সাধারণত; মাথার ওপরে অবস্থিত মহাশূন্যকে বাংলায় ‘গগন বলা হয় ২. বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, মানবদেহের নাভি হতে ঊর্ধ্বাঙ্গকে উপমার্থে ‘গগন বলা হয় (বাপৌছ) অস্তপাট ও অস্তাচল (বাপৌচা) গগন ও প্রতীচী (বাপৌউ) দ্যুলোক (বাপৌরূ) পশ্চিম (বাপৌমূ) আগধড়।

গগনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of firmament)
১.   “অমাবস্যায় শশী দৃশ্য, হয় না গগনে, আর কতকাল থাকবি চেয়ে, মরিচিকার পানে।” (বলন তত্ত্বাবলী)
২.   “ডুবিল গগনের শশীরে ও শশী ডুবিল গগণে, কিবা হারাইলাম জীবনে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১২৭)
৩.   “ধন্যরে আশিক্বজনা এ দিন দুনিয়ায়, আশিক্ব জোরে গগনের চাঁদ পাতালে নামায়।” (পবিত্র লালন- ৫৬০/১)

গগনের কয়েকটি সাধারণ উদ্ধৃতি (Some ordinary quotations of firmament)
১.   “উঠরে ভাই নন্দের কানু, বাথানেতে বাঁধা ধেনু, গগনে ওঠেছে ভানু, আর তো নিশি নাই, কেন মায়ের কোলে ঘুমিয়ে রইলি, এখনও কী ঘুম ভাঙ্গে নাই।” (পবিত্র লালন- ২৫৬/২)
২.   “গগনের চন্দ্রের প্রমাণ, সবাই দেখতে পাই বর্তমান, যে যেখানে চাঁদ সেখানে, ধরতে কারো সাধ্য নাই।” (পবিত্র লালন- ৫৪৬/১)
৩.   “গগনের চাঁদ গগনে রয়, ঘটেপটে সে জ্যোতির্ময়, তেমনি, যেন খোদ খোদা হয়, অনন্ত রূপ আকৃতি।” (পবিত্র লালন- ৩৪২/২)
৪.   “নিচের চাঁদ রাহুতে ঘিরা, গগনচাঁদ কী যায়রে ধরা, যখন হয় অমাবস্যে, তখন চন্দ্র রয় কোন দেশে, লালন ফকির হারায় দিশে, চোখ থাকতে কানা।” (পবিত্র লালন- ৬৩৬/৪)
৫.   “সাতাশ নক্ষত্র হয় গগন, স্বাতী নক্ষত্র যোগ কখন, না জেনে অধীন লালন, সাধক নাম ধরে বৃথায়।” (পবিত্র লালন- ৪৬৯/৪)

সাধারণ আকাশ অর্থে গগনপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology firmament sense ordinary sky)
১.   “কানা যেমন তারা গণে, হাত ছোঁয়ায় বসে গগণে, চলে সে অনুমানে, মন বড় আনন্দময়।” (বলন তত্ত্বাবলী)
২.   “গগনচুম্বী দালানকোঠা, গড়ে বাস কর সেথা, ভাবলি না তোর পারের কথা, কী হবে গণনার দিনে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২২১)
৩.   “চাঁদ ধরা ফাঁদ জানো না মন, লিহাজ নাই তোমার নাচানাচি সার, একবার লাফ দিয়ে ধরতে চাও গগন।” (পবিত্র লালন- ৪৩৭/১)
৪.   “জানা চাই অমাবস্যায় চাঁদ, থাকে কোথায়, গগনে চাঁদ উদয় হলে, দেখে সবাই আছে যথায়।” (পবিত্র লালন- ৪৬৯/১)
৫.   “দু’দিনের এ মায়ারশি, সবই মন পড়বে খসি, রবে না রে গগণে শশী, পরম ভাবনা ভাবলি না।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৫৭)

জরায়ু অর্থে গগনপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology firmament sense for uterus)
১.   “আপনার আপন খবর নাই, গগনের চাঁদ ধরব বলে মনে করি তাই।” (পবিত্র লালন- ১১২/১)
২.   “তিনজনেই এক সঙ্গে ঘুরে বরফ বাষ্প পানি, মিছে করো জাতির গৌরব মিছে কানাকানি, বলন কয় কামের জয়ে, গগনে হয় আগমন।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১২৯)
৩.   “সপ্ততল পাতালের ভানু উদয় হলো গগনে, শুভলগ্ন হারাইলে বান্ধব পাবে না জীবনে, দেখ মনের-মানুষ দোল দিয়ে যায়, উত্তরা বাতাসে।” (বলন তত্ত্বাবলী)

গগনের সংজ্ঞা (Definition of firmament)
সাধারণত; মাথার ওপরে অবস্থিত মহাশূন্যকে গগন বলে।

গগনের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of firmament)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; মানবদেহের নাভি হতে ঊর্ধ্বাঙ্গকে গগন বলে।

গগনের প্রকারভেদ (Variations of firmament)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; গগন দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান গগন ও ২. উপমিত গগন।

. উপমান গগন (Analogical firmament)
সাধারণত; মাথার ওপরে অবস্থিত মহাশূন্যকে উপমান গগন বলে।

. উপমিত গগন (Compared firmament)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; মানবদেহের নাভি হতে ঊর্ধ্বাঙ্গকে উপমিত গগন বলে।

পৌরাণিক আকাশভূমি সূত্র (Mythological sky-land formula)

ভূমিকা (Prolegomenon)
সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার শ্বরবিজ্ঞান, পুরাণ, মরমী গীতি এবং সাম্প্রদায়িক-পারম্পরিক শাস্ত্রীয় পুস্তক-পুস্তিকায় আকাশভূমি, আকাশপাতালদ্যুলোকভূলোক ইত্যাদি পরিভাষার অসংখ্য ব্যবহার দেখা যায়। আর সাধারণত সাম্প্রদায়িক-পারম্পরিক ঠাক-পুরুৎ, মোল্লা-মুন্সি, প্রেমিক, অনুসারী, অনুরাগী, পাঠক, শ্রোতা, বক্তা, ওয়ায়েজিন, আলোচক, পালাগান গায়ক, বৈখ্যিক, টৈকিক, অভিধানবিদ ও অনুবাদকরা উক্ত আকাশভূমি, আকাশপাতালদ্যুলোকভূলোক ইত্যাদি পরিভাষা দ্বারা কেবল নভমণ্ডল ও ভূমণ্ডলকে বুঝে ও বুঝিয়ে থাকে। কিন্তু পৌরাণিক বিশ্বে আকাশ ও দ্যুলোক পরিভাষা দ্বারা কখনই কেবল নভমণ্ডলকে যে বুঝানো হয় না; বরং আগধড়, আত্মা, আলো, গুরু, জরায়ু, জ্ঞান, দ্যুলোক, নাভির ঊর্ধ্বাংশ, পুরুষ, বৈকুণ্ঠ, পিতা ও সুস্থতা বুঝানো হয়। অনুরূপভাবে; পৌরাণিক বিশ্বে ভূমি ও পাতাল পরিভাষা দ্বারা কখনই কেবল ভূমণ্ডলকে যে বুঝানো হয় না; বরং ক্ষেত্রবিশেষে অন্ধকার, অসুস্থতা, দেহ, জননপথ, নাভির নিম্নাংশ, নারী, পাছধড়, পুত্র, বৈতরণী, ভূলোক মন ও শিষ্য ইত্যাদি বুঝানো হয়। বিষয়টি তারা জানেও না বুঝেও না। আর না বুঝার কারণেই সাম্প্রদায়িক-পারম্পরিক অঙ্গনে এত জাতিভেদ ও দলাদলি। আবার; একই সম্প্রদায়ের মধ্যে অসংখ্য শাখা-প্রশাখা ও দল উপদল। আর যুগে যুগে সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিকরাই রাজনৈতিক বলির পাঁঠা। তাই; সাম্প্রদায়িক-পারম্পরিকদের উদ্দেশ্যে নিচে বিষয়টি সংক্ষিপ্তভাবে আলোচনা করা হলো।

পৌরাণিক আকাশভূমি সূত্র (Mythological sky-land formula)
“কোনো প্রবল শক্তিশালী সত্ত্বাকে আকাশ ধরতে হলে অবশ্যই সমগোত্রীয় অপেক্ষাকৃত দুর্বল সত্ত্বাকে পাতাল ধরতে হবে।”

পৌরাণিক আকাশভূমি সূত্রের সংজ্ঞা (Definition of mythological sky-land formula)
পৌরাণিক কাহিনী নির্মাণের সময়ে মানুষে বিদ্যমান প্রবল কোনো সত্তাকে আকাশ ধরা ও সমগোত্রীয় অপেক্ষাকৃত দুর্বল সত্তাকে ভূমি ধরার নিয়মকে পৌরাণিক আকাশভূমি সূত্র বলে।

       আকাশ  (Sky)                                   ভূমি  (Land)
১.    আগধড়কে আকাশ ধরতে হলে;      পাছধড়কে অবশ্যই ভূমি ধরতে হবে।
২.   আত্মাকে আকাশ ধরতে হলে;          দেহকে অবশ্যই ভূমি ধরতে হবে।
৩.   আলোকে আকাশ ধরতে হলে;         অন্ধকারকে অবশ্যই ভূমি ধরতে হবে।
৪.   গুরুকে আকাশ ধরতে হলে;             শিষ্যকে অবশ্যই ভূমি ধরতে হবে।
৫.   জরায়ুকে আকাশ ধরতে হলে;         জননপথকে অবশ্যই ভূমি ধরতে হবে।
৬.   জ্ঞানকে আকাশ ধরতে হলে;           মনকে অবশ্যই ভূমি ধরতে হবে।
৭.   নাভির ঊর্ধ্বাংশকে আকাশ ধরতে হলে; নাভির নিম্নাংশকে অবশ্যই ভূমি ধরতে হবে।
৮.  পুরুষকে আকাশ ধরতে হলে;          নারীকে অবশ্যই ভূমি ধরতে হবে।
৯.   বৈকুণ্ঠ আকাশ ধরতে হলে;              বৈতরণীকে অবশ্যই ভূমি ধরতে হবে।
১০. পিতাকে আকাশ ধরতে হলে;         পুত্রকে অবশ্যই ভূমি ধরতে হবে।
১১.  ভৃগুকে আকাশ ধরতে হলে;           ভগকে অবশ্যই পাতাল ধরতে হবে।
১২. সবলকে আকাশ ধরতে হলে;         দুর্বলকে অবশ্যই পাতাল ধরতে হবে।
১৩. সাঁইকে আকাশ ধরতে হলে;           রতীকে অবশ্যই পাতাল ধরতে হবে।
১৪. সুস্থতাকে আকাশ ধরতে হলে;       অসুস্থতাকে অবশ্যই ভূমি ধরতে হবে।

অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় হলো; শ্বরবিজ্ঞানের আকাশ ও পাতাল পুরোটাই কেবল বাক্যের ভাবের ওপর নির্ভর করে। কিন্তু সাম্প্রদায়িক মনীষী ও বক্তারা মরমী, সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকার মধ্যে আকাশ-পাতাল পরিভাষা দেখা মাত্রই মানুষের মাথার ওপরে অবস্থিত মহাশূন্য ও ভূমির সর্বনিম্নতল বুঝে এবং বুঝিয়ে থাকে। যেমন; এতে কোনো জ্ঞান অর্জিত হয় না, তেমনই; এটি; কোনো উপকারেও আসে না।

গগনের পরিচয় (Identity of firmament)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর আগধড় পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে; এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহৃত হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না। গগন বলতে মানুষের মাথার ওপরে অবস্থিত বিশাল মহাশূন্যকে বুঝায়। একথা কে না জানে; প্রায় পাঁচ হাজার বছর পূর্ব হতে প্রায় দেড় হাজার বছর পূর্ব পর্যন্ত যখন বেদ, ত্রিপিটক, বাইবেল, রামায়ণ, মহাভারত, তোরাহ, যাবুর, ইঞ্জিল ও কুরান প্রভৃতি গ্রন্থ নির্মাণ প্রক্রিয়া চলছিল; তখন আজকের মতো এমন মহাকাশ গবেষণা ছিল না। তখন ছিল না হাবল, ছিল না পাথফাইন্ডার এবং ছিল না দুরদর্শন (টেলিস্কোপ)। তবে; রূপকারদের গগন নিয়ে লেখালেখির হেয়ালিখেলায় মেতে ওঠার কারণটাইবা কী? এ প্রশ্নের উত্তর রূপে বলা যায়; রূপকারগণ বিশ্ববিখ্যাত মহা গ্রন্থাদির মধ্যে যে গগনের আলোচনা করেছেন; তা আদৌ মানুষের মাথার ওপরে অবস্থিত মহাশূন্য নয়। বরং; তা হলো দেহের ঊর্ধ্বাঙ্গ, আত্মা, গুরু, জ্ঞান, পুরুষ, বৈকুণ্ঠ, ভৃগু, সবল ও সাঁই। শ্বরবিজ্ঞানে; এগুলোকে গগন বলা হয়। তবে; এখানে; কেবল আগধড় বা ঊর্ধ্বাঙ্গকে গগন বলা হয়েছে। এ বিষয়ে বলন কাঁইজি একটি সূত্র প্রয়ণন করেছেন; কোনো প্রবল সত্ত্বাকে আকাশ ধরতে হলে অবশ্যই সমগোত্রীয় অপেক্ষাকৃত দুর্বল-সত্ত্বাকে ভূমি ধরতে হয়।

কিন্তু মজার বিষয় হলো; বিশ্বের সব অনুবাদক, অভিধানবিদ, লেখক, গবেষক, বৈখ্যিক ও টৈকিকরা গগন বলতে ঊর্ধ্বাঙ্গ কিংবা আত্মা, গুরু, জ্ঞান, পুরুষ, বৈকুণ্ঠ, ভৃগু ও সবলকে না বুঝিয়ে; বরং তারা কেবল মহাশূন্যকে বুঝিয়ে থাকে। তাই; বর্তমানে সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মতবাদ নির্ভর এত সন্ত্রাসবাদ বা উগ্রবাদের উৎপত্তি হতে আরম্ভ করেছে। যতক্ষণ আত্মতত্ত্বনির্ভর পুস্তক-পুস্তিকাগুলোর আত্মতত্ত্বমূলক ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করা না হবে; ততক্ষণ ঐসব পুস্তক-পুস্তিকা দ্বারা মানুষের উপকারের দ্বিগুণ অপকার হতে থাকবে। শ্বরবিজ্ঞানের ব্যাপারে সর্বপ্রকার মনগড়া, আনুমানিক ও অন্ধবিশ্বাসপ্রসূত চিন্তাচেতনা হতে এখন মানুষের বেরিয়ে আসার সময় হয়েছে। আত্মতত্ত্ব ও আত্মদর্শন বুঝার সময় হয়েছে। তাই; সবাইকে বিশ্ববিখ্যাত সাম্প্রদায়িক গ্রন্থাদির আত্মতত্ত্বনির্ভর ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করা একান্ত প্রয়োজন।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!