গ্রন্থ

৪৮/৩. গ্রন্থ
Book (বুক)/ ‘ﻜﺘﺎﺐ’ (কিতাব)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর পালনকর্তা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা পালনকর্তা। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা সাঁই। এর অন্যান্য বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা অমৃতসুধা, চন্দ্র, জল, তীর্থবারি, পাখি, ফল ফুল। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা ননি, বিষ্ণু, মাণিক, রাজা, রাম, লালন, স্বরূপ হরি এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা ঈশ্বর, উপাস্য, চোর, পতিতপাবন, পরমগুরু, প্রভু, মনেরমানুষ সুধা। এ পরিভাষাটি শ্বরবিজ্ঞানের বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীতে বর্ণিত দেহ, পালনকর্তারজ ইত্যাদি বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার ব্যাপক পরিভাষা রূপে ব্যবহৃত হয়। এজন্য; বর্ণনার ক্ষেত্র অনুযায়ী এর সঠিক দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি উদ্ঘাটন করা একান্ত প্রয়োজন।

অভিধা (Appellation)
গ্রন্থ (বাপৌউ)বি পুঁথি, পুস্তক, পুস্তিকা, শাস্ত্র, book, ‘ﻜﺘﺎﺐ’ (কিতাব) (শ্ববি) এমন তরল-মানুষ; যে এখনও মূর্তাকার ধারণ করে নি। মাতৃগর্ভে ভ্রূণ লালনপালনের দায়িত্ব পালনকারী সুমিষ্ট, সুপেয় ও শ্বেতবর্ণের জল (রূপ্রশ) পালনকর্তা, ঈশ্বর, উপাস্য, নারায়ণ, নিধি, নিমাই, নিরঞ্জন, প্রভু, স্বরূপ (পারদে) খোদা (ফা.ﺨﺪﺍ) (ইদে) মা’বুদ (.ﻤﻌﺑﻭﺪ), মুহাম্মদ (.ﻤﺤﻤﺪ), রব (.ﺮﺐ) রাসুল (.رَسُول) (ইপ) কাওসার (.ﻜﻭﺛﺮ), ফুরাত (.ﻔﺭﺍﺖ) (ইংপ) God, guardian, nectar, elixir (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর পালনকর্তা পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) . লেখনিসহ কাগজের সূত্রবদ্ধ তাড়াকে গ্রন্থ বলা হয়. শ্বরবিজ্ঞানে; অমৃতসুধাকে গ্রন্থ বলা হয় (বাপৌছ) ঈশ্বর, উপাস্য, চোর, পতিতপাবন, পরমগুরু, প্রভু, মনের-মানুষ ও সুধা (বাপৌচা) ননি, বিষ্ণু, মাণিক, রাজা, রাম, লালন, স্বরূপ ও হরি (বাপৌউ) অমৃতসুধা, গ্রন্থ, চন্দ্র, জল, তীর্থবারি, পাখি, ফল ও ফুল (বাপৌরূ) সাঁই (বাপৌমূ) পালনকর্তা।

কিতাব [ﻜﺘﺎﺐ] (আপৌউ)বি গ্রন্থ, পুঁথি, পত্র, আদেশ, আদেশপত্র, পরিমাণ, যাতে লেখা হয়, অবশ্য পালনীয় কাজ (শ্ববি) পালনকর্তা, ঈশ্বর, প্রভু, বিষ্ণু, বুদ্ধ, স্বামী, guardian, রব (.ﺮﺐ) (বাপৌউ) উপাস্য, পালক (বাপৌরূ) সাঁই (বাপৌমূ) পালনকর্তা {}

গ্রন্থের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of book)
১.   “গ্রন্থে যার নাই নিদর্শনা, অরসিকে ভেদ জানে না, ভেদের কথা কইতে মানা, শিষ্য বিনা অশিষ্যায়।” (বলন তত্ত্বাবলী)
২.   “ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি মাত্র, বেদ গ্রন্থে আছে বর্ত, ইঞ্জিলে লেখা দেখি সত্য, ছয়শত ছেষট্টি মান।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৪৪)
৩.   “বাংলা গ্রন্থ সবাই পড়ে, আরবি ফার্সি নাগরী বুলি, কে বুঝতে পারে, শিখবি যদি আরবি বুলি, বাংলা নেগা পানাহ করে।” (পবিত্র লালন- ৬৯৩/২)

গ্রন্থের সংজ্ঞা (Definition of Book)
সাধারণত; লেখনিসহ কাগজের সূত্রবদ্ধ তাড়াকে গ্রন্থ বলে।

গ্রন্থের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of book)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; অমৃতসুধাকে গ্রন্থ বলে।

গ্রন্থের প্রকারভেদ (Variations of book)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে গ্রন্থ দুই প্রকার। যথা; ১. সাধারণ গ্রন্থ ও ২.ঐশি গ্রন্থ।

. সাধারণ গ্রন্থ (Ordinary book)
আত্মদর্শন ব্যতীত অন্যান্য সর্বপ্রকার পুস্তক-পুস্তিকাকে সাধারণ গ্রন্থ বলে। যেমন, মেজদিদি, অগ্নিবীণা ও সঞ্চয়িতা ইত্যাদি।

. ঐশিগ্রন্থ (Celestial book)
আত্মদর্শনমূলক সাহিত্যকে ঐশিগ্রন্থ বলে। যেমন; বেদ, ত্রিপিটক, পুরাণ ও কুরান ইত্যাদি।

আবার, বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; গ্রন্থ দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান গ্রন্থ ও ২. উপমিত গ্রন্থ।

. উপমান গ্রন্থ (Analogical book)
সাধারণত; লেখনিসহ কাগজের সূত্রবদ্ধ তাড়াকে উপমান গ্রন্থ বলে।

. উপমিত গ্রন্থ (Compared book)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; অমৃতসুধাকে উপমিত গ্রন্থ বলে।

গ্রন্থের পরিচয় (Identity of book)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর পালনকর্তা পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে; এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহার হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না। সাধারণত; গ্রন্থ বলতে পঠন পাঠন উপযোগী পুস্তক পুস্তিকাকেই বুঝায় কিন্তু শ্বরবিজ্ঞানে; পুস্তক-পুস্তিকা বলতে কেবল বসিধ, সাঁই ও কাঁইকে বুঝায়। আকাশ হতে বা স্বর্গ হতে পুস্তক-পুস্তিকার অবতরণ করা বলতে সাধারণ মানুষ মনে করেণ যে; কাঁই অলৌকিকভাবে অলোকে থেকে হয়তো মানুষের পঠিত পুস্তক-পুস্তিকার মতো কোনো পুস্তক পুস্তিকা প্রেরণ করেন কিন্তু ব্যাপারটি আদৌ তা নয়। প্রকৃত ব্যাপার হলো মানুষ লেখক অত্যন্ত উচ্চ মার্গের রূপক পুস্তক-পুস্তিকা নির্মাণ করেন। পরবর্তীকালের গবেষক মনীষীগণ তা ঐশিবাণী বা ঐশিগ্রন্থ বলে নামকরণ করে থাকেন। কোনো গ্রন্থ কখনও অলৌকিকভাবে অলোকে থেকে কোথাও প্রেরিত হয় নি বা হচ্ছেও না বা হবেও না। যেমন; মরমীকবি লালন সাঁইজি লিখেছেন; “একেক দেশে একেক বাণী, পাঠান কী সাঁই গুণমনি, মানুষের রচিত জানি, লালন ফকির কয়।” (পবিত্র লালন- ৩০৩/৪)

আবার বিদ্রোহী কবি নজরুল লিখেছেন; “পুঁজিছে গ্রন্থ ভণ্ডের দল, মুর্খরা সব শোন, মানুষ এনেছে গ্রন্থ, গ্রন্থ আনে নি মানুষ কোনো।” অর্থাৎ; বিশ্বের সর্বপ্রকার পুস্তক-পুস্তিকা কেবল মানুষই নির্মাণ করেছেন। জ্ঞানরূপ স্বর্গে উদ্ভূত চিন্তা মুখ দ্বারা প্রকাশ করাকে বা কাগজে লেখাকে শ্বরবিজ্ঞানে স্বর্গ হতে ঐশিবাণী অবতরণ হওয়া বলা হয়। এছাড়াও; অমৃতজলের মধ্যে জীবের ইন্দ্রিয়াদি, মন ও জ্ঞান দ্রবিভূত থাকে বলে অমৃতজল বা সাঁই বা পালনকর্তাকে পুস্তক-পুস্তিকাও বলা হয়। এখন পরিষ্কারভাবে বলা যায় যে শ্বরবিজ্ঞানে ব্যবহৃত গ্রন্থ পরিভাষাটির দ্বারা কখনই কাগজে লিখিত পুস্তক-পুস্তিকা বুঝায় না বরং অমৃত, লালন ও রজ এ ত্রিরসের যে কোনো একটি স্বর্গীয় রসকে বুঝায় কিন্তু মজার বিষয় হলো সমাজের অধিকাংশ লেখক, গবেষক, অভিধানবিদ, অনুবাদক, গীতিকার, সাহিত্যিক, ব্যৈখ্যিক ও টৈকিক গ্রন্থ বলতে কেবল কাগজে লিখিত গ্রন্থই বুঝে ও বুঝিয়ে থাকেন।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!