চাঁদ

৭৩/২. চাঁদ
Moon (মুন)/ ‘ﻘﻤﺮ’ (ক্বামরা)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর মানুষ পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা মানুষ। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা গাছ। এর অন্যান্য বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা চতুষ্পদ। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা শর্মা এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা উবুদগাছ কল্পতরু

অভিধা (Appellation)
চাঁদ (বাপৌউ)বি চন্দ্র, শশী, নিশাকর, প্রীতি উৎপাদনের বস্তু (চাঁদের কপালে চাঁদ টিপ দিয়ে যা), বয়সের প্রতি সম্বোধন (চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে), moon, ‘ﻘﻤﺮ’ (ক্বামরা) (ব্য) অসুন্দর বা অবাঞ্ছিত ব্যক্তি (চাঁদসুন্দর যায়) (শ্ববি) মানুষ, মানব, লোক, জন, ম্যান (man), নাছ (.ﻨﺎﺲ), বাশার (.ﺒﺸﺭ), মারয়ু (.ﻤﺭﺀ) (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর মানুষ পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) পৃথিবীর নিকটতম একটি উপগ্রহকে চাঁদ বলা হয় রূপসাহিত্যে সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বস্তুকেই চাঁদ বলা হয় (বাপৌছ) উবুদগাছ ও কল্পতরু (বাপৌচা) শর্মা (বাপৌউ) চতুষ্পদ ও চাঁদ (বাপৌরূ) গাছ (বাপৌমূ) মানুষ।

চাঁদের ওপর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of moon)
১.   “ঊনকোটি দেবতা, সঙ্গে আছে গাঁথা, ব্রহ্মা বিষ্ণু শিব নারায়ণ জয় জয় জয়, সে চাঁদ পাতালে- উদয় ভূমণ্ডলে, মহিন্দ্রযোগে সে চাঁদ দেখা যায়।” (পবিত্র লালন-৯৯৬০/২)
২.   “গুরু-শিষ্যের এমনই ধারা, চাঁদের কোলে থাকে তারা, কাঁচা বাঁশে ঘুণ ধরা, গুরু না চিনলে ঘটে তাই।” (পবিত্র লালন- ৮৩৯/২)
৩.   “চাঁদ হয়েছে চাঁদে উদয়, চাঁদে চাঁদে চন্দ্রগ্রহণ, চাঁদেই বিশ্ব জ্যোতির্ময়।” (বলন তত্ত্বাবলী)
৪.   “চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে, আমরা ভেবে করব কী, ঝিয়ের পেটে মায়ের জন্ম, তাকে তোমরা বলো কী।” (পবিত্র লালন- ৪৪০/১)
৫.   “চাঁদের নদে চাঁদ ভেসে যায়, কোন সাধনে ধরবি তারে, ধরতে গেলে দূরে পালায়।” (বলন তত্ত্বাবলী)
৬.   “চেয়ে দেখ রে মন দিব্য নজরে, চারচাঁদ দিচ্ছে ঝলক, মণিকোঠার ঘরে।” (পবিত্র লালন- ৪৫২/১)
৭.   “পার করো হে দয়ালচাঁদ আমারে, ক্ষম হে অপরাধ আমার, এ ভবকারাগারে।” (পবিত্র লালন- ৬২৮/১)
৮.   “পারে কে যাবি তোরা আয় না ছুটে, নিতাইচাঁদ হয়েছে নেয়ে, ভবের ঘাটে।” (পবিত্র লালন- ৬২৯/১)
৯.   “হিন্দুরা কয় কাশীধামে, মুসলমানরা কয় মদিনে, চাঁদের উদয় হচ্ছে দিনে, রাতে সে চাঁদ গুপ্ত রয়।” (বলন তত্ত্বাবলী)
১০. “যদি আমার গৌর-চাঁদকে পাই, গেলে গেল এ ছার কুল, তাতে ক্ষতি নাই।” (পবিত্র লালন- ৮০৮/১)
১১.  “সে কালাচাঁদ নদে এসেছে, সে বাজিয়ে বাঁশী ফিরছে সদাই, ব্রজঙ্গনার কুল নাশে।” (পবিত্র লালন- ৯৫৯/১)
১২. “হীরা কাঞ্চন জহরত কোটিময়, সে চাঁদ সহস্র যোজন ফাঁকে রয়, কোটি চন্দ্রে জোৎস্নাময়।” (পবিত্র লালন- ৯৯৬/১)

চাঁদের কয়েকটি সাধারণ উদ্ধৃতি (Some ordinary quotations of moon)
১.   “অগৌর চন্দন ভূষিত যে সদাই, সে কালাচাঁদ ধুলায় লুটায়, ও না থেকে থেকে বলছে সদাই, সাঁই দরদী কই লো কই।” (পবিত্র লালন- ১৭৩/২)
২.   “অধরচাঁদের যত খেলা, সর্বোত্তম মানুষলীলা, তাই না বুঝে মন হলে ভোলা, হলে মানুষ বিরোধী।” (পবিত্র লালন- ৭৮০/২)
৩.   “অনুভবে ভেবে কত করি সার, শ্যামচাঁদের উত্তমচাঁদ আছে কী আর, চাঁদে চাঁদ হরণ- সে বা কেমন, ভক্তিবিহীন লালন বসে ভাবে তাই।” (পবিত্র লালন- ২৭৮/৪)
৪.   “অবতার আর অবতারী, সেতো অসম্ভব ভারি, দেখ এ জগৎভরি, এক চাঁদে হয় উজালা।” (পবিত্র লালন- ৯৩২/৩)
৫.   “অভক্তেরে দেয় না দেখা, তিনি কেবল ভক্তের সখা, লালন ভেড়ার স্বভাব বাঁকা, অধরচাঁদকে রইল ভুলে।” (পবিত্র লালন- ৯৬৩/৪)
৬.   “অমাবস্যার মর্ম না জেনে, বেড়াই তিথি নক্ষত্র গুণে, প্রতি মাসে নবীন চাঁদ, মরি হায় একি ধরে কায়।” (পবিত্র লালন- ৪৬৯/২)
৭.   “অরসিকের ভোলে ভুলে, ডুবিস না কূপনদীর জলে, কারণ বারির মধ্যস্থলে, ফুটেছে ফুল অচিনদলে, চাঁদ চকোর তাতে খেলে, প্রেমবাণে প্রকাশিয়ে।” (পবিত্র লালন- ৫৬৪/২)
৮.   “আকাশে মই লাগিলে উড়ে পাতালে যায় বাতাসে, সাদা কালো দুটি চন্দ্র তার হাতে আসে অনাসে, পায় না চাঁদ অস্ত গেলে, পাহাড় সাগর খগোলে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১২৮)
৯.   “আজ আমার অন্তরে কী হলো গো সই, ঘুমের ঘোরে চাঁদগউর হেরে, আমার যেন আজ আিম নই।” (পবিত্র লালন- ৮৯/১)
১০. “আজ আমার গউরপদে মন মজল, আর কিছু লাগে না ভালো, সদাই মনে চিন্তা এই, আমার সর্বস্বধন চাঁদগৌরাঙ্গ, সে ধন পাই কিসে তাই শুধাই।” (পবিত্র লালন- ৮৯/২)
১১.  “আপনার আপন খবর নাই, গগনের চাঁদ ধরব বলে মনে করি তাই।” (পবিত্র লালন- ১১২/১)
১২.  “আয় কে যাবি ওপারে, দয়ালচাঁদ মোর দিচ্ছে খেয়া অপার সাগরে।” (পবিত্র লালন- ১৫৭/১)
১৩. “আর কী গৌর আসবে ফিরে, মানুষ ভজে যে যা করো, গৌর-চাঁদ গিয়েছে সেরে।” (পবিত্র লালন- ১৬৯/১)
১৪. “আহার নয় সে উপবাসী, নিত্য করে একাদশী, প্রভাতে উদয় পূর্ণ-শশী, পূর্ণিমার চাঁদ অন্ধকারে।” (পবিত্র লালন- ৩৯২/৩)
১৫. “এক চাঁদে জগৎ আলো, একবীজে সব জন্ম হলো, লালন বলে মিছে কলহ, ভবে শুনতে পাই।” (পবিত্র লালন- ৭০৭/৪)
১৬.  “এমন সৌভাগ্য আমার কবে হবে, দয়ালচাঁদ এসে আমায় পার করবে।” (পবিত্র লালন- ২২৯/১)
১৭. “কত সাধু চাঁদের আশে, যুগ যুগান্তর ঘুরিতেছে, একগাছে দুই চাঁদ ধরে, কত ভ্রমর পাগল করে, চাঁদ পেড়ে চাঁদের মালা, পরবি কে আয় গলায়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৩২)
১৮. “কাজ কী আমার এ ছার কুলে, আমার গৌর চাঁদকে যদি মিলে।” (পবিত্র লালন- ২৭০/১)
১৯.  “কারণনদীর জলে একটা, যুগলমীন খেলছে নীরে, ঢেউয়ের ওপর ফুল ফুটেছে, তার ওপর চাঁদ ঝলক মারে।” (পবিত্র লালন- ২৭৬/১)
২০. “কার্য দ্বারা জ্ঞান হয় যে; অটলচাঁদ নেমেছে ব্রজে, নইলে সে বিষম বিষে, কালীদহে বাঁচত না।” (পবিত্র লালন- ৪৯৯/২)
২১.  “কালাচাঁদকে হারিয়ে হলাম যোগিনী, দিবানিশি না জুড়ায় পরানি, লালন কয় কালার চরণ পেলাম না, এখন কেঁদে হবে কী।” (পবিত্র লালন- ৩২৪/৪)
২২. “কী বলিস গো তোরা, আজ আমারে, চাঁদ গৌরাঙ্গ ভুজঙ্গ ফণী, দংশিল যার হৃদয় মাঝারে।” (পবিত্র লালন- ৩০৯/১)
২৩. “কে দিবে গুরুর উপাসনা, করি আজ কী সাধনা, কাশীতে যাই কী কাননে থাকি, কোথায় গেলে পাব সে চাঁদেরে।” (পবিত্র লালন- ৮২৬/২)
২৪. “কোথায় সূর্য রাতে উদয়, দিনেতে চাঁদ দেখা যায়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৮২)
২৫. “কোন চাঁদের কোন্ দিনে, শুভযোগ হয় তিনজনে, বলন কয় সে ভেদ জেনে, হজ্জ কর অনায়াসে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩০৫)
২৬. “কোন্ দিন সূর্যের অমাবস্যে, দেখি চাঁদের অমাবস্যা মাসেমাসে।” (পবিত্র লালন- ৩৬১/১)
২৭. “খোদা যেদিন হজ ভেজবে, সেদিন মসজিদে নিশান উড়বে, ফাঁদ পেতে চাঁদ ধরতে হবে, কয় আল্লাহ মেহেরবান।” (পবিত্র লালন- ৫২৪/২)
২৮. “গগনের চাঁদ গগনে রয়, ঘটেপটে সে জ্যোতির্ময়, তেমনি, যেন খোদ খোদা হয়, অনন্তরূপ আকৃতি।” (পবিত্র লালন- ৩৪২/২)
২৯. “গুরু শিষ্যের এমনই ধারা, চাঁদের কোলে থাকে তারা, আয়নাতে লাগিয়ে পারা, দেখে ত্রিভুবন।” (পবিত্র লালন- ৩৯৭/২)
৩০. “গোপন প্রকাশ্য দুই ধারা, আদ্যতত্ত্বজ্ঞানী যারা, এই ভবেতে মহান তারা, তারা সাঁইজি দয়ালচাঁন।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১১২)
৩১. “গৌর-চাঁদ দিন গেল বলে, আকুল হলো তিলে তিলে, লালন কয় সে লীলে, সুমাধুরী।” (পবিত্র লালন- ৬৭৫/৫)
৩২. “গৌরপ্রেম করবি যদি ও নাগরী, কুলের গৌরব আর করো না, কুলের লোভে মান বাড়াবি কাজ হারাবি, গৌর চাঁদকে পাবি না।” (পবিত্র লালন- ৪২৯/১)
৩৩. “চরণ পাবার যোগ্য আমি নই, তবু মন রাঙাচরণ চায়, দয়ালচাঁদের দয়া হলে, যেত মনের বিমারি।” (পবিত্র লালন- ১২২/৩)
৩৪. “চাঁদ চকোর খেলে যখন, যুগলমীন মিলন হয়রে তখন, তার ওপরে সাঁইয়ের দর্শন, সুধা ভাসে মৃণাল তীরে।” (পবিত্র লালন- ২৭৬/২)
৩৫. “চাঁদ চকোরে রঙমহল ঘরে, থেকে থেকে ঝলক দিচ্ছে সদাই, দেখলে সে চন্দন সফল হয় নয়ন, আপ্ততত্ত্ব খোঁজে দেখ মনরায়।” (পবিত্র লালন- ৪৩৬/১)
৩৬. “চাঁদ ধরবি নদীর মাঝে, জানগে পুছে সাধুর কাছে, বলন কয় জলে ভাসে, প্রাণনাথ দয়াল সাঁই।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১০৫)
৩৭. “চাঁদ ধরা ফাঁদ জানো না মন, লিহাজ নাই তোমার নাচানাচি সার, একবার লাফ দিয়ে ধরতে চাও গগন।” (পবিত্র লালন- ৪৩৭/১)
৩৮. “চাঁদ পাড়তে যমুনা ঘাটে, ডুবিস না রে মাথা কেটে, উদয়-অস্ত প্রতিমাসে, ভেদ জেনে ভাঙ্গরে বসে, ঐ চাঁদে জগৎ উজ্বালা, বলন কয় তুলনা নাই।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৩২)
৩৯. “চাঁদ মুখেতে মধুর হাসি, আমি ঐরূপ ভালোবাসি, লোকে করে দ্বেষাদ্বেষি, গৌর বলে যাই চলে।” (পবিত্র লালন- ৬৯৯/৪)
৪০. “চাঁদ সুরুজ একই দিনে, চলে প্রভাত অপরাহেৃ, রাতে কোথায় রয় দু’জনে, শূন্যে ওঠে যায় কোথায়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৮২)
৪১. “চাঁদের নদে চাঁদ ভেসে যায়, কোনসাধনে ধরবি তারে, ধরতে গেলে দূরে পালায়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১০৫)
৪২. “জানা চাই অমাবস্যায় চাঁদ, থাকে কোথায়, গগনে চাঁদ উদয় হলে, দেখে সবাই আছে যথায়।” (পবিত্র লালন- ৪৬৯/১)
৪৩. “তিথি যোগ ধরে মাস অন্তে, যুগলমিলন হয় চাঁদে চাঁদে, তাতে আভরণ- সুধার বরিষণ, ক্ষুধা নিবারণ হয় সে সুধায়।” (পবিত্র লালন- ৪৩৬/২)
৪৪. “তের তিথি বারো মাসে, সে চাঁদের নাই অমাবস্যে, ভজনে স্থিতি হয় কিসে, লালন বলে জোয়ারের সাথে, চন্দ্র উদয় সেখানে।” (পবিত্র লালন- ৪০৪/৩)
৪৫. “তোরা থাকরে কুল লয়ে, আমি যাই চাঁদগৌর বলে, আমার দুঃখ বুঝবি না রে, সে মরণে না মরলে।” (পবিত্র লালন- ৬৯৯/৩)
৪৬. “দর্শনে দুর্গতি যায়, পরশে পরশ করে নিশ্চয়, হেন গৌর-চাঁদ আমার, লুকাল কোন শহরে।” (পবিত্র লালন- ৬৮২/৩)
৪৭. “দিলকিতাব খুঁজে দেখরে, মুমিনচাঁন, আছে তাতে সব বয়ান, ইব্রাহিম মুসাল্লা নামে, আছে খুছুসি মুক্বাম।” (পবিত্র লালন- ৫২৪/১)
৪৮. “দৃঢ় বিশ্বাস করেরে মন, ধরো নিতাই চাঁদের চরণ, পার হবি পার হবি তুফান, অপারে কেউ থাকবে না।” (পবিত্র লালন- ৫১৪/২)
৪৯. “দেখবি যদি সে চাঁদেরে, যা যা কারণ সমুদ্রের পাড়ে।” (পবিত্র লালন- ৫৪০/১)
৫০. “দেখলাম কী আশ্চর্যময়, বিনা বীজে আজগুবি গাছ, চাঁদ ধরেছে তায়।” (পবিত্র লালন- ৫৪৫/১)
৫১. “ধন্যরে আশিক্বজনা এ দিন দুনিয়ায়, আশিক্ব জোরে গগনের চাঁদ পাতালে নামায়।” (পবিত্র লালন- ৫৬০/১)
৫২. “ধর গো ধর গৌরাঙ্গ চাঁদেরে, গৌর যেন পড়ে না ভূমে, বিভোর হয়ে ভূমির ওপরে।” (পবিত্র লালন- ৫৬২/১)
৫৩. “ধররে অধরচাঁদেরে অধর দিয়ে, ক্ষীরোদ মৈথুনের ধারা, ধররে রসিক নাগরা, সে রসেতে অধর ধরা, দেখরে সচেতন হয়ে।” (পবিত্র লালন- ৫৬৪/১)
৫৪. “ধ্যানে যারে পায় না মহামুনি, ফিরে সে অধরচাঁদ মোর, মীন রূপে সে স্বরূপ পানি।” (পবিত্র লালন- ৫৬৮/১)
৫৫. “নবি না চেনে কী আল্লাহ পাবে, নবি দিনের চাঁদ আজ দেখ রে ভেবে।” (পবিত্র লালন- ৫৭৬/১)
৫৬. “নয় দরজা স্বর্ণগীরি, চাঁদ সুরুজে লুকোচুরী, কেমনে সেই অধর ধরি, স্বরূপ দেখি নয়নে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৬৭)
৫৭. “না জেনে চাঁদ ধরার বিধি, কথার কূটসাধন সাধি, লালন বলে বাদী বেদী, বিবাদী সদাই।” (পবিত্র লালন- ১১২/৪)
৫৮. “না দেখি গোকুলের চাঁদ, কোথায় পাতব বিনোদফাঁদ, লালন বলে গৌরাঙ্গ রূপচাঁদ, কেঁদে আকুল হই চিত্তে।” (পবিত্র লালন- ৮১৭/৪)
৫৯. “নিচে পদ্ম উদয় জগৎময়, আসমানে যার চাঁদ চকোরে, কেমন করে যুগল হয়।” (পবিত্র লালন- ৬০২/১)
৬০. “নিচে পদ্ম চরকবাণে, যুগলমিলন চাঁদ চকোরা, সূর্যের সঙ্গে নলিন কিরূপে হয় যুগল মিলন, না জেনে মন হলে কেবল, মায়াবশে মাতোয়ারা।” (পবিত্র লালন- ৬০৩/১)
৬১.  “নিচের চাঁদ রাহুতে ঘিরা, গগনচাঁদ কী যায়রে ধরা, যখন হয় অমাবস্যে, তখন চন্দ্র রয় কোন দেশে, লালন ফকির হারায় দিশে, চোখ থাকতে কানা।” (পবিত্র লালন- ৬৩৬/৪)
৬২. “নিষ্কলঙ্ক ছিলাম ঘরে, কিবারূপ নয়নে হেরে, মনে তো আর ধৈর্য নাই, চাঁদ বটে কী- গৌররূপ দেখি, সদাই আমার মনে পড়ে তাই।” (পবিত্র লালন- ১৩০/২)
৬৩. “হিন্দুরা কয় কাশীধামে, মুসলমানরা কয় মদিনে, চাঁদের উদয় হচ্ছে দিনে, রাতে সে চাঁদ গুপ্ত রয়।” (বলন তত্ত্বাবলী)
৬৪. “পূর্ণিমার যোগাযোগ হলে, শুকনানদী উজান চলে, ত্রিবেণীর পিছলঘাটে, নিঃশব্দে বন্যা ছোটে, চাঁদ-চকোরে ভাটার চোটে, বাঁধ ভেঙ্গে যায় তৎক্ষণা।” (পবিত্র লালন- ৬৩৬/৩)
৬৫. “বলো বলো কে দেখেছ, গৌরাঙ্গ চাঁদেরে, সে চাঁদ গোপীনাথ মন্দিরে গেল, আর তো এলো না ফিরে।” (পবিত্র লালন- ৬৮২/১)
৬৬. “বক্ষঃস্থলে তার চাঁদের ছটা, নাভিমূলে তার ঘুরে লেঠা, দুটি বাহু তার বেলন কাটা, দুটি হস্ত জবাফুল।” (পবিত্র লালন- ৫৪১/৪)
৬৭. “বাঁধ হারা উদাসী মন, করে উইরাম বাইরাম, পাব পাব পাব বলি, দয়ালচাঁদের দরশন।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৫৫)
৬৮. “বামন হয়ে চাঁদ ধরতে যায়, তেমনি, আমার মন মনরায়, লালন বলে কে কোথায়, এমন পাগল দেখেছে।” (পবিত্র লালন- ৭৪৫/৫)
৬৯. “বারে বারে করিরে মানা, লীলার বশে বাস করো না, রেখ তেজের ঘর তেজিয়ানা, ঊর্ধ্বচাঁদ ধরে।” (পবিত্র লালন- ৬৭/৩)
৭০. “ভাবের আসন করে শ্রীপাটে, শুভযোগে যাও স্বরূপ চাঁদের ঘাটে, তারের খবর অকপটে, সহজ হলে হয় উদয়।” (পবিত্র লালন- ১০১/২)
৭১. “মণিকোঠা থাকলে ধিয়ান, চামকুঠিতে আসে বান, দেখা দিবে দয়াল চাঁন, মানবকর্মের হবে সারা।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৮৯)
৭২. “মুখের কথায় কী চাঁদ ধরা যায়, রসিক না হলে, সে চাঁদ দেখলে অমনি, ত্রিজগৎ ভোলে।” (পবিত্র লালন- ৭৯৪/১)
৭৩. “যদি উজান বাঁকে তুলসি ধায়, খাঁটি তার পূজা বটে, চরণচাঁদ পায়।” (পবিত্র লালন- ৮০৭/১)
৭৪. “যা যা ফানার ফিকির জানগে যারে, যদি দেখতে বাঞ্ছা হয় সে চাঁদেরে।” (পবিত্র লালন- ৮১৪/১)
৭৫. “যুগলচাঁদ উদয় হয়, দ্বিদলপদ্মে সদাই রয়, মধুপুর কী মথুরায়, বলন শুধু খায় তলানী।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩৯)
৭৬. “যুগলচাঁদের স্বরূপ আভা, সকাল বিকাল মনলোভা, ভূলোক-দ্যুলোক করে শোভা, ষোড়শী ষোল কলায়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১০৫)
৭৭. “যে আমায় পাঠাল এ ভাবনগরে, মনের আঁধার-হরা চাঁদ সে দয়ালচাঁদ, আর কতদিনে দেখব তারে।” (পবিত্র লালন- ৮২৬/১)
৭৮. “যে করে এ আসমানি কারবার, না জানি কোথায় বাড়ি ঘর, কোন সময় কখন- কোথায় আগমন, চাঁদ চকোরে খেলে কখন এসে।” (পবিত্র লালন- ৩৬১/৩)
৭৯. “যে জানে চন্দ্র-ভেদের কথা, বলবো কী তার ভক্তির ক্ষমতা, অন্বেষণ করো চাঁদের বারতা, যে চাঁদ কেউ না পায় গণে।” (পবিত্র লালন- ৪৪৩/২)
৭০. “যেদিন গৌর হেরেছি, আমাতে কী আমি আছি, কী যেন কী হয়ে গেছি, সদাই মন কাঁদে চাঁদগৌর বলে।” (পবিত্র লালন- ৬৯৯/২)
৭১. “যেদিন চাঁদ দেখতে পাবে, সেদিন হাবুডুবু খাবে, লালন বলে ভবের ঘাটে, ক্ষ্যাপা ডুবে হবি নাশ।” (পবিত্র লালন- ৭৮৯/৪)
৭২. “যেদিন যায় রসিকচাঁদ সরে, হাওয়ার প্রবেশ হয় ঘরে, নিভলে বাতি- অন্ধকার হয় বসতি, ভেসে যায় সব ঘটা।” (পবিত্র লালন- ৩০০/৩)
৭৩. “রস চেনে না অরসিক যারা, লাফিয়ে ধরতে চাই অধর, যায় না চাঁদ ধরা- মিছে শ্রম করা, সে চাঁদের চরণ পাওয়া ভার।” (পবিত্র লালন- ২৩০/২)
৭৪. “রূপের ছটা ধরবি যদি, মৃণালের পর কর স্থিতি, লালন কয় তার গতাগতি, সেখানেতে চাঁদ উদয় হয়।” (পবিত্র লালন- ৯১১/৪)
৭৫. “লালন বলে ত্রিশ হরফ, সিরাজ চাঁদের কাছে, দশহরফ বিলায়েতে আছে, এ চল্লিশ হরফ পাবে।” (পবিত্র লালন- ৬৯০/৪)
৭৬. “শুনে অজানা এক মানুষের কথা, প্রভু গোরাচাঁদ মুড়ালেন মাথা।” (পবিত্র লালন- ৮৯৫/১)
৭৭. “শূন্যশিখর যার নির্জনগোফা, সেথায় স্বরূপচাঁদের আভা, আভা ধরতে চাই- হাতে না পাই, কিরূপে সে রূপ যায় গো সরে।” (পবিত্র লালন- ১৪৭/২)
৭৮. “সখী শুইলে স্বপনে দেখি, শ্যাম এসে ধরে আঁখি, হেঁসে বলে চাঁদমুখী, লালন বলে রাই পরায়, শ্যামের গলে মালা।” (পবিত্র লালন- ৬৪২/৪)
৭৯. “সবে বলে কালো কালো, কালো নয় সে চাঁদের আলো, সে যে কালাচাঁদ– নাই এমন চাঁদ, যে চাঁদের তুলনা তারই সনে।” (পবিত্র লালন- ৪৮৫/২)
৮০. “সরল প্রেমের প্রেমিক হলে, চাঁদ ধরা যায় ভাণ্ড খুলে, লালন ফকির- পায় না ফিকির, হয়ে আছে সদাই ভজনহীন।” (পবিত্র লালন- ৬৫৯/৪)
৮১. “সাদা ও কালো দুটি শশী, আলো জ্বালায় দিবানিশি, চাঁদ কুড়াতে সাধু সন্ন্যাসী, বসে রয় তেমাথায়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১০৫)
৮২. “সাধুর বাজার কী আনন্দময়, অমাবস্যার পর চন্দ্র উদয়, ভক্তি নয়ন যার- চাঁদ দৃষ্ট হয় তাঁর, ভববন্ধন জ্বালা যায় গো দূরে।” (পবিত্র লালন- ১৭০/২)
৮৩. “সামান্যে কী অধরচাঁদ পাবে, যার লাগি হলো যোগী, দেবাধিদেব মহাদেবে।” (পবিত্র লালন- ৯৪৫/১)
৮৪. “সে নদীর পিছলঘাটা, চাঁদ কটালে খেলছে ভাটা, দিন দুনিয়ার পাড়া একটা, মীন রয়েছে মাঝখানে।” (পবিত্র লালন- ১২০/২)
৮৫. “সে প্রেমের প্রেমী যারা, ফণী যেমন মণি-হারা, দেখলে তার মুখ- হৃদয়ে বাড়ে সুখ, দয়ালচাঁদ মোর তার হয় সদয়।” (পবিত্র লালন- ৮৮৫/৩)
৮৬. “সে ভাব উদয় না হলে, কে ধরতে পারে, সে অধরচাঁদের বারাম কোন কালে।” (পবিত্র লালন- ৯৬৯/১)
৮৭. “স্বরূপে রূপ দেখা, যেমন চাঁদের কোলে  চাঁদের আভা, তেমনি, মতো থেকে কোথা, ক্ষণে ক্ষণে বারাম দেয়রে।” (পবিত্র লালন- ৭৮৬/৩)
৮৮. “হরি নামের তরণী লয়ে, ফিরছে নিতাই নেয়ে হয়ে, এমন দয়ালচাঁদকে পেয়ে, শরণ কেন নিলে না।” (পবিত্র লালন- ৫১৪/৩)
৮৯. “হলে সে চাঁদের সাধন, অধর-চাঁদ হয় দর্শন (হয়রে), আবার চাঁদেতে চাঁদের আসন, রেখেছে ফিকিরে” (পবিত্র লালন- ৪৫২/২)
৯০. “হাওয়া-আদমে বেঁধে ভেলা, অধরচাঁদ মোর করছে খেলা, ঊর্ধ্বনালে সদা চলা, বহু সাধনগুণে কেউ দেখেছে।” (পবিত্র লালন- ৮৪১/২)

কাঁই অর্থে চাঁদপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology moon sense for Lord)
১.   “এস গো দয়াল বন্ধু শ্যাম কালাচাঁদ, মনের বনে ফুল ফুটেছে, প্রেমযমুনায় ভরা বান।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৫৪)
২.   “বলন কাঁইজি ভিক্ষার ঝুলি বান্ধিয়া গলায়, বুকের মাণিক কালাচাঁদরে খুঁজিয়া বেড়ায়, না পাইলে কালার দর্শন, ভেকবসনে কী শোভা আছে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২১৫)
৩.   “সে কালাচাঁদ নদে এসেছে, সে বাজিয়ে বাঁশী ফিরছে সদাই, ব্রজঙ্গনার কুল নাশে।” (পবিত্র লালন- ৯৫৯/১)

শিশ্ন অর্থে চাঁদপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology moon sense for penis)
১.   “অমাবস্যা পর পূর্ণমাসী, তাতে মহাযোগ প্রকাশি, ইন্দ্রচাঁদ বাও বরুণাদি, সে যোগ বাঞ্ছা করে, তাই ভেবে লালন কয়, মানুষ সাধনার প্রমাণরে।” (পবিত্র লালন- ৭৮২/৪)
২.   “এক পিরিতে শক্তিপদে, মজেছিল চণ্ডীচাঁদে, জানলে সে ভাব মনকে বেঁধে, ঘুচে যেত পথের বিবাদী।” (পবিত্র লালন- ৬৩৪/২)

সাধারণ চাঁদঅর্থে চাঁদপরিভাষাটি ব্যবহার (Using the terminology moon sense for ordinary moon)
১.   “অনুমানে শাস্ত্র হয় না, জলে যেমন চাঁদ রহে না, বলন কয় মনরে কানা, সার শূন্যতা ডুবপাড়া।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২০৪)
২.   “জলে যেমন চাঁদ দেখা যায়, ধরতে গেলে হাতে না পায়, লালন অমনি সাধন দ্বারায়, পড়ল গোলমালে।” (পবিত্র লালন- ৯৬৯/৪)
৩.   “জলের মাঝে চাঁদ দেখা যায়, ধরতে গেলে দূরে পালায়, বলন কয় মনের ধোঁকায়, তেমনই ঘুরবি জনম জনমে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৪)
৪.   “জলের মধ্যে চাঁদ দেখা যায়, ধরতে গেলে হাতে কে পায়, তেমনি, আলেক-মানুষ সদাই, থাকে আলেকে মিশে।” (পবিত্র লালন- ৭৮৭/২)
৫.   “নিরীক্ষ বিনা সাধন হয় না, জলেতে চাঁদ মিলে না।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৬৯)

মানুষ অর্থে চাঁদপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology moon sense for man)
“সৃষ্টিতত্ত্ব দ্বাপরলীলা, আমি শুনতে পাই, চাঁদ হতে হয় চাঁদের সৃষ্টি, চাঁদ চাঁদে হয় চাঁদময়।” (পবিত্র লালন- ৯৫৫/১)

উপাস্যের নাম কীর্তনঅর্থে চাদপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology moon sense for the glorification of adored)
চাঁদকে কেউ চাঁদ ডাকিলে, চাঁদে কী আর কথা কয়, দৃশ্যাদৃশ্য বিধির বিধান, মহাশূন্যে ভেঁসে রয়।” (বলন তত্ত্বাবলী)

কৈশোরকাল অর্থে চাঁদপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology moon sense for the adolescence period)
১.   “চাঁদ হয়েছে চাঁদে উদয়, চাঁদে চাঁদে চন্দ্রগ্রহণ, চাঁদেই বিশ্ব জ্যোতির্ময়।” (বলন তত্ত্বাবলী)
২.   “চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে, আমরা ভেবে করব কী, ঝিয়ের পেটে মায়ের জন্ম, তাকে তোমরা বলো কী।” (পবিত্র লালন- ৪৪০/১)

দেহ অর্থে চাঁদপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology moon sense for the corpus)
চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে, আমরা ভেবে করব কী, ঝিয়ের পেটে মায়ের জন্ম, তাকে তোমরা বলো কী।” (পবিত্র লালন- ৪৪০/১)

মানুষগুরু অর্থে চাঁদপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology moon sense for the metaphysician)
গুরুচাঁদ হলে সদয়, ঊর্ধ্বগমন ভাগ্যেতে হয়, প্রভুময় গোপন আলয়, নিরসে স্ব’রস খনি।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩৯)

মুখমণ্ডল অর্থে চাঁদপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology moon sense for the face)
১.   “তোর চাঁদবদন দেখার আশে, ত্রিবেণীঘাট বাঁধলাম কষে (রে), মদনরাজা বুদ্ধি নাশে, ছয়চোরাতে কাটে ঘর।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৮৭)
২.   “সাধুকুল হারাইয়া আমি, কাঁদি বসে দিনরজনী, ঝরার খালে ঝরছে মণি, দেখা দাও চাঁদবদনে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২০০)

চাঁদের ওপর কয়েকটি পূর্ণ বলন (Some full Lolon on the moon)
১.         অনেক ভাগ্যের ফলে সে চাঁদ, কেউ দেখতে পায়,
অমাবস্যা নাই সে চাঁদে, দ্বি-দলে তার কিরণ উদয়।
বিন্দু মাঝে সিন্ধুবারি, মাঝখানে তার স্বর্ণগিরি,
অধরচাঁদের শূণ্যপুরী, সেতো তিল পরিমাণ জায়গায়।
যেথারে সে চন্দ্র-ভুবন, দিবা-রাত্রির নাই অন্বেষণ,
সহস্র চন্দ্র করে কিরণ, বিজলি সঞ্চারে সদাই।
দর্শনে দুঃখ হরে, পরশনে পরশ করে,
এমন মহিমা সে চাঁদেরে, লালন ডুবেও ডুবে না তায়।”
(পবিত্র লালন- ৫১)

২.         আর কী আসবে সে গৌর-চাঁদ, এ নদীয়ায়,
সে চাঁদ দেখলে গো সখী তাপিত অঙ্গ শীতল হয়।
চাতক রূপ পাখি যেমন, করে সে প্রেম নিরূপণ,
আছি তেমন প্রায়; কারেবা শুধাই,
সে চাঁদের উদ্দেশ কে কয়।

একদিন সে চাঁদগৌরাঙ্গ, গোপীতলায় গেলো,
হারায় সেথায়- সোনার নদীয়া, সে হতে অন্ধকার হয়।
গৌর-চাঁদ যদি স্বচক্ষে, কেউ একবার দেখে,
দুঃখ দূরে যায়- ভজনহীন তাই, লালন কী তা জানতে পারে।”
(পবিত্র লালন- ১৬৮)

.       কোন চাঁদের জন্যে চাঁদ কাঁদেরে
            এ লীলার অন্ত পাই না রে,
দেখেশুনে ভাবছি বসে,
সে কথা কই কারে।

আমরা দেখে এ গৌর-চাঁদ,
ধরব বলে পেতেছি ফাঁদ,
আবার কোন চাঁদেচাঁদের,
মন হরে।

জীবের ভুল জানাতে সাঁই,
গৌর-চাঁদ রূপে কথা কয়,
পাই না এবার কী ভাব,
তার অন্তরে।

চাঁদ সে চাঁদ করে ভাবনা,
মন আমার হলো দোটানা,
লালন কয় পড়লাম এখন,
কী ঘোরে?” (পবিত্র লালন- ৩৫৯)

.       চাঁদ আছে চাঁদে ঘিরা,
আজ কেমন করে সে চাঁদ,
ধরবি গো তোরা।

লক্ষ লক্ষ চাঁদে করছে শোভা,
তারার মাঝে অধর-চাঁদের আভা
দৃষ্টি করে দেখি- ঠিক থাকে না আঁখি
রূপের কিরণে চমকে পারা।

রূপের গাছে চাঁদ ধরেছে ভাই,
থেকে থেকে ঝলক দেখা যায়,
চাঁদের বাজার দেখে- চাঁদ ঘুরানি লাগে
দেখিস পাছে হোস না জ্ঞান-হারা।

আলেকশহরে আজব কুদরতি,
রাতে উদয় ভানু দিবসে চাঁদি,
আলোর খবর যে জানে-
দেখতে পায় নয়নে,
লালন বলে চাঁদ দেখেছে তারা।” (পবিত্র লালন- ৪৩৫)

.       চাঁদ বলে চাঁদ কাঁদে কী কারণে
আমার গৌর-চাঁদ ত্রিজগতের চাঁদ,
চাঁদে চাঁদ ঘিরা প্রেম আবরণে।

গৌরচাঁদে শ্যামচাঁদের আভা,
সহস্র-চন্দ্র যিনি করছেন শোভা,
রূপে মুনির মন- করে আকর্ষণ,
ক্ষুধা শান্ত সুধা বরিষণে।

গোলকের চাঁদ গোকুলের চাঁদ,
নদীয়ায় গৌরাঙ্গ সে পূর্ণচাঁদ,
আর কী আছে চাঁদ– সে কেমন চাঁদ
            ঐ ভাবনা মনে মনে।

লয়ে গলে গৌর-চাঁদের ফাঁদ,
আবার শুনি পরমচাঁদ,
অপরূপ চাঁদের গুণ- কেঁদে কয় লালন
নাই উপায় চাঁদগৌর বিনে।” (পবিত্র লালন- ৪৩৮)

.        চাঁদে চাঁদে চন্দ্রগ্রহণ হয়,
সে যোগের উদ্দীপন যে জানে,
সে হয় মহাশয়।

চাঁদ রাহু চাঁদের গ্রহণ,
সে বড় করণ কারণ,
বেদ পড়ে তার ভেদ নিরূপণ,
পাবে কোথায়।

উভয় যেন বিমুখ থাকে,
মাস অন্তে সুদৃষ্টি রাখে,
মহাযোগ তার গ্রহণযোগে,
তা বলতে লাগে ভয়।

কখন রাহুরূপ ধরে,
কোন চাঁদ কখন উদয় ঘরে,
লালন বলে স্বরূপ দ্বারে,
জানলে জানা যায়।” (পবিত্র লালন- ৪৩৯)

.       চেয়ে দেখ রে মন দিব্যনজরে,
চারচাঁদ দিচ্ছে ঝলক,
মণিকোঠার ঘরে।
হলে সে চাঁদের সাধন,
অধর-চাঁদ হয় দর্শন (হয়রে),
আবার চাঁদেতে চাঁদের আসন,
রেখেছে ফিকিরে।

চাঁদে চাঁদ ঢাকা দেয়া,
চাঁদে দেয় চাঁদের খেয়া (দেয়রে),
জমিনেতে ফলছে মেওয়া,
চাঁদের সুধা ঝরে।

গুরুচাঁদ প্রসন্ন যার,
সব চাঁদ দৃষ্ট হয় তার (হয়রে),
লালন কয় বিপদ আমার,
গুরুচাঁদ ভুলেরে।” (পবিত্র লালন- ৪৫২)

.       দেখলাম সে অধর-চাঁদের অন্ত নাই
নিকটে যার বারামখানা,
হেঁটে মুড়া না পাই।

জলে যেমন চাঁদ দেখি,
ধরতে গেলে সব ফাঁকি,
তেমনি, যেন অধর-চাঁদটি,
নিকটে চাঁদ দূরে ঠাঁই।

গগনের চন্দ্রের প্রমাণ,
সবাই দেখতে পাই বর্তমান,
যে যেখানে চাঁদ সেখানে,
ধরতে কারো সাধ্য নাই।

ঘাট অঘাটায় মনোলোভা,
তেমনি, যেন চাঁদের আভা,
গুরু বিনা কেবা চেনে,
লালন কয় গুরুপদ্ম উপায়।” (পবিত্র লালন- ৫৪৬)

.       না জেনে ঘরের খবর,
            তাকায় আসমানে,
চাঁদ রয়েছে চাঁদে ঘিরা,
ঈশাণ কোণে।

প্রথমে চাঁদ উদয় দক্ষিণে,
কৃষ্ণপক্ষে অধঃ হয় বামে,
আবার দেখি শুক্লপক্ষে,
কিরূপে যায় দক্ষিণে।

খুঁজলে আপন ঘরখানা,
মনরে পাবে সব ঠিকানা,
বারোমাসে চব্বিশ পক্ষ,
অধর ধরা তার সনে।

স্বর্গ-চন্দ্র মণি-চন্দ্র হয়,
তাতে ভিন্ন কিছু নয়,
চাঁদ ধরলে সে চাঁদ মিলে,
লালন কয় তাই নির্জনে।” (পবিত্র লালন- ৫৮৭)

১০.      পার করো দয়াল চাঁদ আমায়,
            বেলা ডুবিল,
আমার হেলায় হেলায় অবহেলায়,
দিন তো বয়ে গেল।

আছে ভবনদীর পাড়ি,
নিতাইচাঁদ কাণ্ডারী,
কুলে বসে রোদন করি,
চাঁদগৌর এসে গেল।

কুল গৌরবিনী যারা,
কুলে পড়ে থাকে তারা,
কুলের ছাই গৌরব করা,
কুল ধুয়ে কী খাবো জল।

চাঁদগৌর যদি পাই,
কুলের মুখে দিব ছাই,
ফকির লালন অবশেষে তাই,
শ্রীচরণে দাসী হলো।” (পবিত্র লালন- ৬২৭)

১১.      হীরা কাঞ্চন জহরত কোটিময়,
সে চাঁদ সহস্র যোজন ফাঁকে রয়,
কোটি চন্দ্রে জোৎস্নাময়।

ঊনকোটি দেবতা, সঙ্গে আছে গাঁথা,
ব্রহ্মা বিষ্ণু শিব নারায়ণ জয় জয় জয়,
সে চাঁদ পাতালে- উদয় ভূমণ্ডলে,
মহিন্দ্রযোগে সে চাঁদ দেখা যায়।

পূর্ণ করে ষোল কলা ভেদ করে সপ্ততলা
ওপরে বসে কালা মধু খায়,
ষটচক্র পর- আদি-বিধান তার,
মৃণাল ধরে রসিক উজান ধায়।

চাঁদ ধরেছে নিধুবনে যে চাঁদের খবর জানে,
শ্রীরাধার কাননে নয় লক্ষ ধেনু চরায়
ভাণ্ড ভেঙ্গে ননি- গোপাল খায় শুনি
লালন কয় দেখা যায়।” (পবিত্র লালন- ৯৯৬)

চাঁদের ওপর কয়েকটি পূর্ণ বলন (Some full Bolon on the moon)

.            চাঁদ হয়েছে চাঁদে উদয়
চাঁদে চাঁদে চন্দ্রগ্রহণ
চাঁদেই বিশ্ব জ্যোতির্ময়।

আপন গর্ভে রেখে পতি
অনূঢ়া হয় গর্ভবতী
জলের মাঝে জ্বলছে বাতি
আকাশে বসিয়া সাঁই।

হিন্দুরা কয় কাশীধামে
মুসলমানরা কয় মদিনে
চাঁদের উদয় হচ্ছে দিনে
রাতে সে চাঁদ গুপ্ত রয়।

ননি খেতে মদনচোরা
আপন বুকে মারল ছোরা
বলন কয় কেমন গোরা
ভেবে অন্ত নাহি পায়।” (বলন তত্ত্বাবলী)

.            কোথায় সূর্য রাতে উদয়
দিনেতে চাঁদ দেখা যায়।
চাঁদ সুরুজ একই দিনে
চলে প্রভাত অপরাহেৃ
রাতে কোথায় রয় দুজনে
শূন্যে ওঠে যায় কোথায়।

চন্দ্র সাদা সূর্য কালো
যাতে উদয় জ্ঞানের আলো
কোন সাধনে পাবো বল
তা এখন কারে শুধাই।

হিন্দুদের বিষ্ণু ব্রহ্মা
মুসলমানদের রাসুল আল্লাহ
সাম্প্রদায়িকরা পড়ে তওবাতুল্লাহ
বাঙালীদের সাঁই কাঁই।”  (বলন তত্ত্বাবলী- ৮২)

.            চাঁদের নদে চাঁদ ভেসে যায়
কোনসাধনে ধরবি তারে
ধরতে গেলে দূরে পালায়।
সাদা ও কালো দুটি শশী

আলো জ্বালায় দিবানিশি
চাঁদ কুড়াতে সাধু সন্ন্যাসী
বসে রয় তেমাথায়।

যুগলচাঁদের স্বরূপ আভা
সকাল বিকাল মনলোভা
ভূলোক-দ্যুলোক করে শোভা
ষোড়শী ষোল কলায়।

চাঁদ ধরবি নদীর মাঝে
জানগে পুছে সাধুর কাছে
বলন কয় জলে ভাসে
প্রাণনাথ দয়াল সাঁই।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১০৫)

.            তীর্থে কে কে যাবি আয় সাঁইদর্শনে ভাই
আশিজন যাত্রী নিয়ে বিলাপী নৌকায়।

কত সাধু চাঁদের আশে
যুগ যুগান্তর ঘুরিতেছে
একগাছে দুই চাঁদ ধরে
কত ভ্রমর পাগল করে

চাঁদ পেড়ে চাঁদের মালা
পরবি কে আয় গলায়।

চাঁদ পাড়তে যমুনা ঘাটে
ডুবিস না রে মাথা কেটে
উদয়-অস্ত প্রতিমাসে
ভেদ জেনে ভাঙ্গরে বসে
চাঁদে জগৎ উজ্বালা
বলন কয় তুলনা নাই।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৩২)

.            পাতালের চাঁদ ওঠে আকাশে
সে চাঁদ দ্বিখণ্ড হয় অনায়াশে।

মিশ্র-চন্দ্র সাদা কালো
সাদা হতে কালো ভালো
আঙ্গুলের ইঙ্গিতে ভেঙ্গে ফেল
ভেদ বুঝে সাধুর কাছে।

সাদা চাঁদ আলো যোগায়
কালো চাঁদ আঁধার ঘুচায়
ভয় রহে না ঝরে মরায়
যুগল চাঁদ প্রতি মাসে।

এক দশে চাঁদ সাদা রয়
শেষে কালো শশী উদয়
গুরু-চন্দ্র হলে সদয়
আপন চাঁদ হাতে আসে।

উভয় চন্দ্রের গুণপণা
সাধু বিনা কেউ জানে না
বলন কয় পাগলমনা
ঘুররে কালো চন্দ্রের আশে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৮১)

চাঁদের সংজ্ঞা (Definition of moon)
ভূগোলে, পৃথিবীর নিকটতম একটি উপগ্রহকে চাঁদ বলে।

চাঁদের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of moon)
১.    বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বস্তুকে চাঁদ বলে। যেমন; গুরুচাঁদ।
২.   বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; মানুষকে চাঁদ বলে।

চাঁদের প্রকারভেদ (Variations of moon)
চাঁদ ৪ প্রকার। ১. সরল চাঁদ ২. গরল চাঁদ ৩. রোহিণী চাঁদ ও ৪. মোহিনী চাঁদ।

সরল চাঁদ (Simplistic moons)
শ্বরবিজ্ঞানে; সহজে হস্তগত করা যায় বলে দুগ্ধ ও শুক্রকে সরল বলা হয়। আর এ সরলকেই সরলচাঁদ বলা হয়। সারা বিশ্বের সর্বপ্রকার পারম্পরিক, মরমী ও আদ্য-ত্মিক পুস্তক-পুস্তিকার মধ্যে এর অধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়।

সরল চাঁদ (বাপৌছ)বি সরলচাঁদ, সহজে হস্তগত হয় যে চাঁদ (প্র) শ্বরবিজ্ঞানে; বর্ণিত ১. সরল ২. গরল ৩. রোহিণী ও ৪. মোহিনী; এ চার প্রকার চন্দ্রের প্রথম চন্দ্র বিশেষ (শ্ববি) মিষ্টান্ন, সুধা, সুরা, মদ, মধু, শুভ্রজল, অন্নদেবতা, স্বর্গীয় পানীয় (প্রাঅ) দুগ্ধ, দুধ, ক্ষীর, স্তন্য, milk, হালিব (.ﺤﻟﻴﺐ) (ইপ)  দিররা (.ﺪﺭﺓ) (ইংপ) sap, latex, suck (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর দুগ্ধ পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) শ্বরবিজ্ঞানে মাতৃস্তন হতে নিঃসৃত সুপেয় শ্বেতবর্ণের পানীয়কে সরলচাঁদ বলা হয় (বাপৌছ) রস ও শুভ্রাংশু (বাপৌচা) অমৃত (বাপৌউ) অমৃতরস ও জল (বাপৌরূ) ক্ষীর (বাপৌমূ) দুগ্ধ {বাং.সরল +বাং.চাঁদ>}

সরল চাঁদ (বাপৌছ)বি সরল-চন্দ্র, সহজে হস্তগত হয় যে চাঁদ (প্র) শ্বরবিজ্ঞানে; বর্ণিত ১. সরল ২. গরল ৩. রোহিণী ও ৪. মোহিনী; এ চার প্রকার চন্দ্রের প্রথম চন্দ্র বিশেষ (শ্ববি) শুক্র, শুক্রাণু, বীর্য, বিন্দু, semen, মনি (.ﻤﻧﻰ), নুত্বফা (.ﻧﻂﻔﺔ) (রূপ্রশ) গোবিন্দ, জল, জীবনজল, জীবনবারি, পিতৃধন, বারি, মাটি, রতী Jস্ত্রী অহল্যা, কালী, দুর্গা, বৈষ্ণবী, সীতা (ইদে) আদম (.ﺍﺪﻢ), ওয্যা (.ﻋﺯﻯٰ), জিন (.ﺠﻦ), পরি (ফা.ﭙﺮﻯ), আজ্ঝাকাত (.الزكاة), লুত্ব (.ﻟﻮﻄ), ইয়াজিদ (ﻴﺯﻴﺪ) Jস্ত্রী জুলেখা (.ﺯﻟﻴﺠﺎ), বিলকিস (.بلقيس) (ব্য্য) বিশ্বের সব সাম্প্রদায়িক আদিমানব নির্মাণের ক্ষেত্রে শুক্র দ্বারা পুরুষ চরিত্র রূপায়ন করা হয়। যেমন; গোবিন্দ ও আদম (.ﺍﺪﻢ) ইত্যাদি। এছাড়াও; শুক্র দ্বারা সর্বদা সর্বক্ষেত্রে নারীচরিত্র রূপায়ন করা হয়। যেমন; কালী ও জুলেখা (.ﺯﻟﻴﺠﺎ) ইত্যাদি (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর শুক্র পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) শ্বরবিজ্ঞানে মৈথুনে শিশ্ন হতে নিঃসৃত শুভ্রবর্ণের তরল পদার্থকে শুক্র বা রূপকার্থে সরলচাঁদ বলা হয় (বাপৌছ) আদিপিতা, আদিমানব, আদ্যাশক্তি ও মা (বাপৌচা) নারাঙ্গী, বেহুলা, রতী, সীতা ও সুন্দরী (বাপৌউ) অমির, আঙ্গুর, ধেনু, নির্যাস, পদ্ম, পিতৃধন, রুটি ও স্বর্গীয় ফল (বাপৌরূ) ধন (বাপৌমূ) শুক্র {বাং.সরল +বাং.চাঁদ>}

সরল চাঁদের সংজ্ঞা (Definition of simplistic moons)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; কেবল দুগ্ধ বা শুক্রকে সরল চাঁদ বলে।

সরল চাঁদের প্রকারভেদ (Variations of simplistic moons)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; সরল চাঁদ দুই প্রকার। যথা; ১. দুগ্ধ ও ২. শুক্র।

. দুগ্ধ (Milk)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; মাতৃস্তন্য হতে নিঃসৃত দুগ্ধকে সরলচাঁদ বলে।

. শুক্র (Semen)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; মৈথুনের সময়ে শিশ্নের মাধ্যমে স্খলিত শুক্রকে সরলচাঁদ বলে।
যথাস্থানে উক্ত শিরোনামের অধীনে সবিস্তার আলোচনা করা হয়েছে।

গরল চাঁদ (Venom moons)
গরল বা বিষ মানব দেহের জন্য যেমন ভয়ঙ্কর ক্ষতিকর; তাদৃশ মূত্র ও রজরক্ত দেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর বলেই শ্বরবিজ্ঞানে মূত্র ও রজকে গরল বলা হয়। শ্বরবিজ্ঞানে; এ গরলকেই গরলচাঁদ বলা হয়। পারম্পরিক, মরমী ও আধ্যাত্মিক পুস্তক-পুস্তিকায় এর অধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়।

গরল চাঁদ (বাপৌছ)বি গরল-চন্দ্র, গরলবৎ যে চাঁদ (প্র) শ্বরবিজ্ঞানে বর্ণিত ১. সরল ২. গরল ৩. রোহিণী ও ৪. মোহিনী; এ চার প্রকার চন্দ্রের প্রথম চন্দ্র বিশেষ (শ্ববি) গরল, বিষ, হলাহল, কালকুট (প্রাঅ) মূত্র, চোনা, প্রস্রাব, পেসাব, বাওয়ালা (.ﺒﻮﻞ), urine, ‘ﺑﻮﻞ’ (বাওওয়ালা) (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর মূত্র পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) মূত্রথলি হতে প্রবাহিত বর্জ্য জলকে মূত্র বা শ্বরবিজ্ঞানে রূপকার্থে গরলচাঁদ বলা হয় (বাপৌছ) বিস্বাদজল (বাপৌচা) চৈনিন (বাপৌউ) বিষ (বাপৌরূ) গরল (বাপৌমূ) মূত্র {বাং.গরল +বাং.চাঁদ}

গরল চাঁদ (বাপৌছ)বি গরল-চন্দ্র, গরলবৎ যে চাঁদ (প্র) শ্বরবিজ্ঞানে বর্ণিত ১. সরল ২. গরল ৩. রোহিণী ও ৪. মোহিনী; এ চার প্রকার চন্দ্রের প্রথম চন্দ্র বিশেষ (শ্ববি) রজ, আর্তব, স্রাব, menses, dust, menstrual, আদাত (.ﻋﺎﺪﺓ), কুরউ (.ﻘﺮﺃ), মাহিজ (.ﻤﺤﻴﺾ) (আঞ্চ) ঋতু, মাসিক (রূপ্রশ) অবতার, প্লাবন, বন্যা, ভার্গব, ভীষ্ম, রক্তবন্যা, লালজল, সরস্বতী (ইদে) নবি (.نبي), পয়গাম্বর (ফা.ﭙﻴﮕﻤﺒﺭ), হাওয়া (.ﺤﻮﺍﺀ) (ইপ) ইঞ্জিল (.ﺍﻧﺠﻴﻝ), যাবুর (.ﺯﺒﻮﺭ) (ইংপ) messenger (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর রজ পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) শ্বরবিজ্ঞানে; রজকে রূপকার্থে গরলচাঁদ বলা হয় (বাপৌছ) আদিমাতা, ঘোষক, শতরূপা, শেষ-বসিধ ও সরস্বতী (বাপৌচা) অরুণ, নক্ষত্র, বসিধ, মহল্লাল, রংলাল ও লালিমা (বাপৌউ) গরল, তিক্ত-জল, বন্যা, লালবাতি, সংবাদপত্র ও হলাহল (বাপৌরূ) জোয়ার (বাপৌমূ) রজ {বাং.গরল +বাং.চাঁদ}

গরল চাঁদের সংজ্ঞা (Definition of venom moons)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে;; রজকে গরলচাঁদ বলে।

গরল চাঁদের প্রকারভেদ (Variations of venom moons)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; গরলচাঁদ দুই প্রকার। যথা; ১. মূত্র ও ২. রজ।

. মূত্র (Urine)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; মূত্রকে গরলচাঁদ বলে।

. রজ (Menses)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; রজকে গরলচাঁদ বলে।
যথাস্থানে উক্ত শিরোনামের অধীনে সবিস্তার আলোচনা করা হয়েছে।

রোহিণী চাঁদ (Ascending moons)
মরমী ও আত্মজ্ঞানী সাধকরা সাধনের একটি বিশেষ স্তরে উপনীত হওয়ার পর মনবের পালনকর্তার সন্ধানলাভ করে থাকেন। শ্বরবিজ্ঞানে; এ হতেই মানবের পালনকর্তা বা সাঁইকে রোহিণী বস্তু বলা হয়। শ্বরবিজ্ঞানে; এ রোহিণী বস্তুকেই রোহিণীচাঁদ বলা হয়।

রোহিণী চাঁদ (বাপৌছ)বি নির্দিষ্ট সাধনস্তরে আরোহণের দ্বারা লব্ধ যে চাঁদ (প্র) শ্বরবিজ্ঞানে বর্ণিত ১. সরল ২. গরল ৩. রোহিণী ও ৪. মোহিনী; এ চার প্রকার চন্দ্রের প্রথম চন্দ্র বিশেষ (শ্ববি) উপাস্য, নারায়ণ, নিধি, নিমাই, নিরঞ্জন, স্বরূপ (রূপ্রশ) ঈশ্বর, গুরু, গোঁসাই, পতি, প্রভু, বিষ্ণু, বুদ্ধ, সাঁই, স্বামী (ইদে) খোদা (ফা.ﺨﺪﺍ), মা’বুদ (.ﻤﻌﺑﻭﺪ), মুহাম্মদ (.ﻤﺤﻤﺪ), রাসুল (.رَسُول) (ইপ) কাওসার (.ﻜﻭﺛﺮ), ফুরাত (.ﻔﺭﺍﺖ) (ইংপ) God, nectar, elixir (পরি) এমন তরল-মানুষ যে এখনও মূর্ত আকার ধারণ করে নি (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর পালনকর্তা পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) শ্বরবিজ্ঞানে; শ্বেতবর্ণের মানবজলকে পালনকর্তা বা রূপকার্থে রোহিণী চাঁদ বলা হয় (বাপৌছ) ঈশ্বর, উপাস্য, চোর, পতিতপাবন, পরমগুরু, প্রভু, মনের-মানুষ, রাজা ও স্বরূপ (বাপৌচা) রাম ও লালন (বাপৌউ) অমৃতসুধা, গ্রন্থ, চন্দ্র, জল, ননি, পক্ষী, ফল, ফুল, মাণিক ও সুধা (বাপৌরূ) সাঁই (বাপৌমূ) পালনকর্তা {বাং.রোহণ +বাং.চাঁদ>}

রোহিণী চাঁদের সংজ্ঞা (Definition of ascending moons)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; শ্বেতবর্ণের মানবজলকে পালনকর্তা বা রোহিণীচাঁদ বলে।

মোহিনী চাঁদ (Seductress moons)
মরমী ও আত্মজ্ঞানী সাধকরা কাঁইকে সর্বদা মোহনীয় বস্তু বলে অভিহিত করে থাকেন। শ্বরবিজ্ঞানে বর্ণিত এ মোহনী বস্তু হতেই মোহিনী চাঁদ পরিভাষাটির উদ্ভব। শ্বরবিজ্ঞানে; এ মোহিনী চাঁদ দ্বারা সর্বদা কাঁইকে বুঝায়।

মোহিনী চাঁদ (বাপৌছ)বি বিশ্বাবাসীকে বিমোহন বা সম্মোহন করে রাখে এমন চাঁদ (প্র) শ্বরবিজ্ঞানে বর্ণিত ১. সরল ২. গরল ৩. রোহিণী ও ৪. মোহিনী; এ চার প্রকার চন্দ্রের প্রথম চন্দ্র বিশেষ (শ্ববি) সৃষ্টিকর্তা, নির্মাতা, পিতা, জনক, Creator, খালিক্ব (.ﺨﺎﻟﻖ) (রূপ্রশ) ঈশ্বর, অনন্ত, বিধাতা, স্বায়ম্ভু (বাদে) কাঁই, কালা, কৃষ্ণ, বিরিঞ্চি, ব্রহ্মা, শ্যাম, স্রষ্টা (ইদে) আল্লাহ (.ﺍﻠﻠﻪ), ইসা (.ﻋﻴﺴﻰٰ), মসিহ (.ﻤﺴﻴﺢ), শাম (.ﺷﺄﻢ), শামস (.ﺸﻤﺲ), শিশ (.ﺸﻴﺶ) (ইংপ) Lord, maker, designer (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর সৃষ্টিকর্তা পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) শ্বরবিজ্ঞানে; সৃষ্টিকর্তাকে মোহিনীচাঁদ বলা হয় (বাপৌছ) আদি, স্রষ্টা, স্বায়ম্ভু ও হর (বাপৌচা) অসিত, কালা, কালু ও কৃষ্ণ (বাপৌউ)  ঘি, নীর, পীযূষ, মধু, শস্য ও সূর্য (বাপৌরূ) কাঁই (বাপৌমূ) সৃষ্টিকর্তা {বাং.মোহন + বাং. চাঁদ>}

মোহিনী চাঁদের সংজ্ঞা (Definition of seductress moons)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; সৃষ্টিকর্তাকে মোহিনী চাঁদ বলা হয়
আবার, বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; চাঁদ দুই প্রকার। যথা; ১.উপমান চাঁদ ও ২.উপমিত চাঁদ।

১ উপমান চাঁদ (Analogical moons)
সাধারণত; পৃথিবীর নিকটতম একটি উপগ্রহকে উপমান চাঁদ বলে।

২ উপমিত চাঁদ (Compared moons)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; মানুষকে উপমিত চাঁদ বলে।

চাঁদের পরিচয় (Identity of moons)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর মানুষ পরিবারের অধীন একটি বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে; এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহার হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না। সাধারণত; পৃথিবীর একটি উপগ্রহকে চাঁদ বলা হয়। অন্যদিকে; শ্বরবিজ্ঞানে মানুষে বিদ্যমান সর্বপ্রকার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বস্তুকে চাঁদ বলা হয়। যেমন; গুরুচাঁদ, নয়ন-চাঁদ ও শিষ্য-চাঁদ ইত্যাদি। তবে; এখানে; কেবল মানুষকেই চাঁদ বলা হয়েছে। কেবল শ্বরবিজ্ঞানে নয় সাধারণ সাহিত্যেও মানুষকে চাঁদ বলার প্রমাণ লক্ষ্য করা যায়। যথা; “আয় আয় চাঁদ-মামা তাড়াতাড়ি আ; চাঁদের কপালে চাঁদ টিপ দিয়ে যা।” পরিষ্কারভাবেই বুঝা যায় যে; এখানে; কেবল শিশুকেই চাঁদ বলা হয়েছে।

অথচ বড় হাস্যোপহাসের বিষয় হলো বর্তমানকালে প্রায় সারা বিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মতবাদের ধ্বজাধারী মনীষী, বক্তা, ব্যৈখ্যিক, টৈকিক, অভিধানবিদ, অনুবাদক, বেতার ও দূরদর্শনের সংবাদ পাঠক, সাংবাদিক ও প্রবন্ধকাররা শ্বরবিজ্ঞানে বর্ণিত ‘চাঁদ’ পরিভাষাটির দ্বারা কেবল সৌরজগতের একটি জ্যোতিষ্ক বা পৃথিবীর নিকটতম উপগ্রহকে চাঁদ রূপে বুঝে ও বুঝিয়ে থাকে। তারা একটিবারও চিন্তা করে না যে; পূর্বকালে নির্মিত পৌরাণিক সাহিত্যাদি বর্তমানকালের মানুষের জীবনবিধান। আর জীবনবিধান কখনও সৌরবিধান হতে পারে না। এজন্য; জীবন বিধানের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণও সৌরবিধান দ্বারা করা যায় না। শ্বরবিজ্ঞানের প্রকৃতশিক্ষা সমাজে নতুন করে প্রতিষ্ঠা করতে হলে, মানুষকে সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদ হতে বের করে আনতে হলে অবশ্যই বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষাগুলোর উপমিত পদ গ্রহণ করতে হবে। মনে রাখতে হবে বন্যরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে। যেহেতু; পুরাণ উপমিত পদের অর্থ প্রধান শিল্প। সেহেতু; এর অর্থ উপমিত পদ দ্বারা করাই উত্তম।

সর্বশেষে; আবারও স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে; সারাবিশ্বের সব সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক শ্বরবিজ্ঞান, পুরাণ ও মরমী বাণীতে ব্যবহৃত চাঁদ ও চন্দ্র পরিভাষা দ্বারা উদাহরণ দেওয়ার জন্য মাত্র দুয়েকটি স্থানে সৌরজগতের জ্যোতিষ্ক চাঁদকে বুঝানো হয়। এছাড়া সর্বক্ষেত্রেই চাঁদ, চন্দ্র —— (যত প্রতিশব্দ আছে) পরিভাষা দ্বারা উপাস্য, কাঁই, কৈশোরকাল, জ্ঞান, দুগ্ধ, দেহ, মানুষ, শিশ্ন, শুক্র ও সাঁই ইত্যাদি পৌরাণিক মূলক সত্তাকেই বুঝানো হয়।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!