জোয়ার

৮১/১. জোয়ার
Tide (টাইড)/ ‘تيار’ (তাইয়ার)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর রজ পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা রজ। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা গরল, তিক্তজল, বন্যা, লালবাতি, সংবাদপত্র হলাহল। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা অরুণ, নক্ষত্র, বসিধ, মহল্লাল, রংলাল লালিমাবাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা আদিমাতা, ঘোষক, শতরূপা, শেষবসিধ, সরস্বতী ধর্মপ্রচারক। এ পরিভাষাটি শ্বরবিজ্ঞানের কামরস’, ‘রজযৌবন এ ৩টি বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তারই ব্যাপক পরিভাষা রূপে ব্যবহৃত হয়। এজন্য; কেবল ব্যবহারের ক্ষেত্রের ওপর ভিত্তি করে এর সঠিক দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি উদ্ঘাটন করা প্রত্যেক পাঠক শ্রোতার একান্ত প্রয়োজন।

অভিধা (Appellation)
জোয়ার (বাপৌরূ)বি চন্দ্র সূর্যের আকর্ষণের ফলে নদী বা সাগরে উৎপন্ন জলোস্ফীতি tide, ‘تيار’ (তাইয়ার) (আল) সৌভাগ্য ও কর্মতৎপরতা ইত্যাদি হঠাৎ বৃদ্ধি (শ্ববি) রজ, আর্তব, স্রাব, menses, dust, menstrual, আদাত (.ﻋﺎﺪﺓ), কুরউ (.ﻘﺮﺃ), মাহিজ (.ﻤﺤﻴﺾ) (আঞ্চ) ঋতু, মাসিক (রূপ্রশ) অবতার, প্লাবন, বন্যা, ভার্গব, ভীষ্ম, রক্তবন্যা, লালজল, সরস্বতী (ইপৌচা) নবি (.نبي), পয়গাম্বর (ফা.ﭙﻴﮕﻤﺒﺭ), হাওয়া (.ﺤﻮﺍﺀ) (ইপ) তোরাহ (ﺗﻮﺭﺍﺓ), ইঞ্জিল (.ﺍﻧﺠﻴﻝ), যাবুর (.ﺯﺒﻮﺭ) (ইংপ) messenger (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর রজ পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা (সংজ্ঞা) ১. সাধারণত; চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণের ফলে নদী বা সাগরে উৎপন্ন জলোচ্ছ্বাসকে বাংলায় রূপকার্থে ‘জোয়ার বলা হয় ২. বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, ঋতুমতী রমণীদের জরায়ু হতে প্রকৃতির নিয়মে প্রতি মাসে প্রবাহিত রক্তধারাকে রূপকার্থে ‘জোয়ার বলা হয় (বাপৌছ) আদিমাতা, ঘোষক, শতরূপা, শেষ-বসিধ ও সরস্বতী (বাপৌচা) অরুণ, নক্ষত্র, বসিধ, মহল্লাল, রংলাল ও লালিমা (বাপৌউ) গরল, তিক্ত-জল, বন্যা, লালবাতি, সংবাদপত্র ও হলাহল (বাপৌরূ) জোয়ার (বাপৌমূ) রজ।

জোয়ারের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of tide)
১.   “আকাশে হয় ভাটা জোয়ার, কূল ভাঙ্গে পাতালে তার, ঢাকানগরের অবাক ব্যাপার, টার্মিনাল মহাখালে।”
২.   “গুরু বলো নৌকা খোল, সাধের জোয়ার যায়, মন-পবনের ঢেউ ওঠেছে, প্রেমের বাদাম দাও নৌকায়।” (পবিত্র লালন- ৪০০/১)

জোয়ারের সাধারণ উদ্ধৃতি (Some ordinary quotations of Tide)
১.   “অমাবশ্যা পূর্ণিমালীলা, জোয়ার চেনে ভাসা ভেলা, দ্বিদলে অটলখেলা, বলন কয় প্রেমনদীতে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩৪)
২.   “মালখানার শহর ভারী, তাতে আজব কারিগরি, জোয়ারে জল নাই- ভিটে ডুবে ভাই, কী প্রকারি এ কারখানা।” (পবিত্র লালন- ৫২৭/২)
৩.   “একপ্রহর চলে জোয়ার ধারা, একুশদিনে ভাটা সারা, খালের মাঝে নিগূঢ়কারা, ষোল জনে পাহারা দেয়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৭৮)
৪.   “ওরে রসিক যারা, প্রেম জোয়ারে রসের তরী বায়, জোয়ার ভাটা জেনেশুনে, সাবধানে তরী চালায়।” (পবিত্র লালন- ২৫৯/১)
৫.   “কুমির আসে জোয়ার টানে, মাসান্তে যায় ভাটানে, কেমন করে যাই সেখানে, সাদা কালো চাঁদটি ধরি।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৬৬)
৬.   “কৃষ্ণ-শুক্ল ভেদ বিচারে, জোয়ার-ভাটা হয় সাগরে, বলন কয় পেতে তারে, করো গুরুর দাস্যগির।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৩২)
৭.   “কোথায় সে হায়াতনদী, জোয়ার বয় নিরবধি, সে ধারা ধরবি যদি, দেখবি অটলের খেলা।” (পবিত্র লালন- ৭১০/৩)
৮.   “কোন দিনেতে জোয়ার আসে, ঐ দিনের আশে থাকরে বসে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৮৬)
৯.   “ঘরের কোণে ঘর ত্রিধারা, নিঠাঁইয়ে সাঁই নিগমকারা, দুইবেলা বয় জোয়ার ধারা, তিলমাত্র ঠাঁই নাই।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩৭)
১০. “জোয়ার এলে ওঠে সোনা, অজোয়ারে ওঠে লোনা, আচ্ছা মজার ভেলি, সাধক যারা পার হয়ে যায়, অসাধু ডুবে অতল তলি।” (পবিত্র লালন- ১৯৪/২)
১১.  “জোয়ার এলে ওঠে সোনা, ধরে নেয় রসিক জনা, কামনদীর ঘাটে লোনা, লালন কয় সেথায় মানুষ মরে।” (পবিত্র লালন- ৮৩৪/৫)
১২.  “জোয়ার ভাটা না চিনিয়ে, জাল বাইলি অবেলায় গিয়ে, দয়াল সাঁইয়ের নাম ভুলিয়ে, ধরিয়া বাব-দাদার ধারা।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩০৯)
১৩. “জোয়ার ভাটা সন্ধ্যা সকাল, বাও চেনে ধরো হাল, বলন কয় প্লবতাহীন খাল, খাটে না মাঝিগিরী।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৯৯)
১৪. “জোয়ারে আইসা বান্ধব জোয়ারে যায় ভাসিয়া, মনের-মানুষ ফেলিয়া রইলে মরার ঘুমে ঘুমাইয়া, ভাঙ্গাঘরে চন্দ্র উদয়, দিবসে প্রতি মাসে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৫১)
১৫. “তলবিহীন দিঘী কাটা, মাস মাসেতে জোয়ার ভাটা, দুই দরজা কিড়কি আটা, রাখছে সাঁই কী শূন্যেতে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৬)
১৬.  “তের তিথি বারো মাসে, সে চাঁদের নাই অমাবস্যে, ভজনে স্থিতি হয় কিসে, লালন বলে জোয়ারের সাথে, চন্দ্র উদয় সেখানে।” (পবিত্র লালন- ৪০৪/৩)
১৭. “দক্ষিণা বাতাসের পরে, ঐ মহাযোগ ভরা জোয়ারে, সাধিবে তিনযুগ ধরে, বলন কয় নিরালায়, সপ্ততল পাতাল হতে, ভেঁসে উঠবে দয়াল সাঁই।” (বলন তত্ত্বাবলী- ০৭)
১৮. “দেখতে নদী মনমোহিনী- সাবধানে চালাও তরণী, কতজন খায় চুবানি- চমৎকার কাণ্ড কারবার- তেরমাস জোয়ার ভাটায়- সাধুগণ পার হয়ে যায়, করে না মরণের ভয়- গুরুচাঁন যার কর্ণধার।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২১৬)
১৯.  “ধন সিন্ধুকে ভরা, ক্ষণে ক্ষণে দেয় পাহারা, সে শক্তি আকর্ষণে, নদীর জোয়ার ধরে- লেনাদেনা পরেপরে, লালন বলে কূল পাড়ি দে না।” (পবিত্র লালন- ৯২৭/৩)
২০. “নতুনগাঙ্গে জোয়ার আসে, কালকুটে কাম-কুম্ভীর ভাসে, লালন বলে মানুষ গ্রাসে, অসাবধানে নামিস না।” (পবিত্র লালন- ৭২০/৪)
২১.  “পাগল মন ব্যাপারী, শুকনা গঙ্গায় বাইতে তরী, জোয়ার ভাটার ভাও না জেনে, করিস কেন দৌড়াদৌড়ী।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৭৯)
২২. “মধ্যমূলে কোমলকোঠা, খেলছে সদাই জোয়ার ভাটা, দুই দরজা খিড়কি আটা, তারই মাঝে ভাসছে সাঁই।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১০১)
২৩. “রূপনদে স্বরূপ ধর আপন জীবকর্ম সার, রূপ স্বরূপ জোয়ার-ভাটায় ত্রিবেণীতে নিরীক্ষ ধর।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৭৪)
২৪. “রূপনদীর তীর ঘাটে, যে বসেছে মহড়া এঁটে, সে নদীতে জোয়ার এলে, রসিক জনা মাছ ধরে।” (পবিত্র লালন- ৮৩৪/৪)
২৫. “শক্তিজ্যোতিতে রয় দয়াময়, সিন্ধুবারি বিন্দুনালে, জোয়ার ভাটায় সে চলে, লক্ষ্য করে দেখ মনরায়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৮৫)
২৬. “শুকনা গাঙ্গে জোয়ার আসে, তিনশত ষাট বার যৌবন বয়সে, ত্রিধারা বয় ওপর নিচে, প্রাতঃ সন্ধ্যা নিশিকালে। (বলন তত্ত্বাবলী- ১১৫)
২৭. “শুকনা গাঙ্গে জোয়ার আসে, সাদা কালো দুই চাঁদ ভাসে, পাব বলে কূলেই বসে, মরি মুখে লাল পড়ি।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৬৬)
২৮. “সকাল বিকাল জোয়ার ভাটা ত্রিধারা-সাগরে, রক্তিম সাদা পাড়ি দিয়া যাইও কালা ধারে, অমৃতসুধা দুগ্ধ মধু যত পারো খাইতে যাদু, বলন কয় সাবধানে সাধু প্রাণ ভরিয়া খাও।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৫২)
২৯. “সকাল সাঁঝে জোয়ার ভাটা, ধারা সুধা মধু লবণকটা, সাধনে নাই কোন ঘটা, ত্রিধারা জল তল ওপরে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩০৪)
৩০. “সামান্যে কী চেনা যায় সে নদী, বিনা হাওয়ায় ঢেউ ওঠে নিরবধি, শুভযোগে জোয়ার আসে, ত্রিবেণী ভাসে বানে।” (পবিত্র লালন- ৬৪৫/২)
৩১. “সেথা ঘাটরাণী সর্বনাশে, জোয়ার ভাটা বারো মাসে, বলন কয় বাউল বাতাসে, পড়িয়া চুরাশিপাকে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৯৮)
৩২. “হৃদকমলে খেলছে আসি, জোয়ার ভাটা দিবানিশি, অমাবস্যার পর উদয় শশী, দেখ তার কারসাজি, সুধা বর্ষে রাশিরাশি, কে জানে সে রূপলীলে।” (পবিত্র লালন- ৬৮৭/৩)

জোয়ারের ওপর একটি পূর্ণ বলন (A full Bolon on the tide)
কোন্ দিনেতে জোয়ার আসে
ঐ দিনের আশে থাকরে বসে।

গাঙ্গে আসে মধু জোয়ার
দুই যোগে দুকূল ভাসে তার
প্রাতঃ সন্ধ্যা করে বিহার
মধু খা মধুকর সেজে।

ত্রিবেণীর কোন ঘাটে মধু
সে ভেদ জানে নিষ্ঠাসাধু
সাধুর নিকট জেনে যাদু
মধু খারে হাজার মাসে।

শুকনাগাঙ্গে জোয়ার ভাটা
ত্রিমোহনা পিছলঘাটা
বলন কয় মাথাকাটা
যাস না মধু খেতে এসে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৮৬)

জোয়ারের ওপর একটি পূর্ণ লালন (A full Lalon on the tide)
আমার মনরে তুই হলি কেন পেরেশান,
   অসময়ে কৃষি করে জমিনে ডাকলি বান।

ভাদ্র মাসে লাঙল চষলে,
হাপুর হুপুর বীজ বুনলে,

জোয়ার এসে নেয় ভাসিয়ে,
কিসেরে তোর ফলবে ধান।

আশ্বিন মাসে জোয়ার এলো,
তাতে জমিন ভালো হলো,
লালন কয় রসিকগণ,
কার্তিক মাসে বোনো ধান।” (পবিত্র লালন- ১৩৪)

জোয়ারের সংজ্ঞা (Definition of tide)
সাধারণত; জ্যোতিষশাস্ত্রে; অমাবস্যা ও পূর্ণিমায় চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণের ফলে নদী বা সাগরে উৎপন্ন জলোস্ফীতিকে জোয়ার বলে।

জোয়ারের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of tide)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; রজস্বলা রমণীদের জরায়ু হতে প্রকৃতির নিয়মে প্রতিমাসে প্রবাহিত রক্তধারাকে রজ বা জোয়ার বলে।

জোয়ারের প্রকারভেদ (Variations of tide)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; জোয়ার চার প্রকার। যথা; ১. নব জোয়ার ২. ভরা জোয়ার ৩. মরা জোয়ার ও ৪. প্রসূত জোয়ার। আবার এদেরকে ভরা কটাল ও মরা কটালও বলা হয়।

. নব্য জোয়ার (Newly tide)
১.   সাধারণত; সদ্য আগমনকৃত জোয়ারকে নব জোয়ার বলে।
২.   সাধারণত; কিশোরীদের জীবনের সর্বপ্রথম নিঃসৃত রজধারাকে নব জোয়ার বলে।

. ভরা জোয়ার (Tide-flood)
১.   সাধারণত; জোয়ারের জল দ্বারা নদী-নালা কানায় কানায় পরিপূর্ণ হওয়াকে ভরা জোয়ার বলে।
২.   সাধারণত; রজস্বলাদের জীবনের দ্বিতীয় রজস্রাব হতে প্রথম গর্ভধারণের পূর্ব পর্যন্ত সব রজস্রাবকে ভরা জোয়ার বলে।

. মরা জোয়ার (Dead tide)
১.    সাধারণত; জোয়ারের জল নেমে যাওয়াকে মরা জোয়ার বলে।
২.   সাধারণত; যৌবন ভাটির দিকে যাওয়াকে মরা জোয়ার বলে।

. প্রসূত জোয়ার (Resulted tide)
ধাত্রীবিদ্যা অনুসারে; প্রসূতীদের প্রসবোত্তর রজকে প্রসূত জোয়ার বলে।
আবার, বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে জোয়ার দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান জোয়ার ও ২. উপমিত জোয়ার।

. উপমান জোয়ার (Analogical tide)
সাধারণত; চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণের ফলে নদী বা সাগরে উৎপন্ন জলোস্ফীতিকে উপমান জোয়ার বলে।

. উপমিত জোয়ার (Compared tide)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে রজস্বলা রমণীদের জরায়ু হতে প্রকৃতির নিয়মে প্রতি মাসে প্রবাহিত রক্তধারাকে রজ বা উপমিত জোয়ার বলে।

জোয়ারের উপকার (Benefits of tide)
১.    নিয়মিত জোয়ার বা রজস্রাব আগমন করলে রজস্বলাদের শরীর সুস্থ থাকে।
২.   জোয়ার বা রজস্রাব আগমন ও নিগমনের দ্বারা সাঁই ও কাঁইয়ের অবতরণের দিন ক্ষণ জানা যায়।
৩.   যেমন; নদী ও সাগরের জোয়ারে মাছের আগমন ঘটে; তেমনই; দৈহিক জোয়ারে সাঁই ও কাঁই সদৃশ মাছের আগমন ঘটে।
৪.   জোয়ার বা রজস্রাব কাম বা রমণের ১৬ কলার নির্দেশ প্রদান করে।

জোয়ারের অপকার (Disservice of tide)
অনিয়মিত জোয়ার বা রজস্রাব রজস্বলাদের শরীরকে অসুস্থ করে তোলে।

জোয়ারের পরিচয় (Identity of tide)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর রজ পরিবারের অধীন একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা। অমাবস্যা ও পূর্ণিমায় চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণের ফলে নদী বা সাগরে উৎপন্ন জলোস্ফীতিকে জোয়ার বলা হয়। কন্যাসন্তান ক্রমে ক্রমে শৈশবকাল অতিক্রম করে কৈশোরকালে পদার্পণ করে। অতঃপর; কৈশোরকাল চলাকালীন দিন কিংবা রাতের কোনো এক সময় হঠাৎ জরায়ু হতে লালবর্ণের রক্তধারা ঝরা আরম্ভ করে। এ রক্তধারাকেই রজস্রাব বা রূপকার্থে জোয়ার বলে। এ জোয়ার কিশোরীদের কৈশোরকালকে হত্যা করে যৌবনে বা রজস্বলাই পদার্পণ করায়। জোয়ার অরজা বা কিশোরীদের যুবতী বা রজস্বলা বা রজস্বিনীতে পরিণত করে। জোয়ার আগমন করে রমণীদের সন্তানধারণ বা মৈথুনের উপযোগী বলে ঘোষণা প্রদান করে থাকে। নারীদেহে সর্বশেষে জোয়ার অবতারিত হয় বলে শ্বরবিজ্ঞানে একে সর্বশেষ দেবতাও বলা হয়। এছাড়াও; সাঁইগমন, কাঁইগমন ও বিনোদনের সুসংবাদ প্রদান করে বলে জোয়ারকে সাংবগুলোক বলেও আখ্যায়িত করা হয়।

রজস্বলাদের জননাঙ্গ হতে প্রতি মাসে নিঃসৃত লালবর্ণের রক্তধারাই জোয়ার বা রজস্রাব নামে পরিচিত। নারীদেহের অন্যান্য সত্তা (যেমন; বুক ও মাজা ইত্যাদি) সুগঠিত হওয়ার পর; জীবের সৃষ্টিকর্তা কাঁই স্বর্গধাম বা অলোকধাম হতে মর্ত্যধামে (অর্থাৎ; নারীদেহে) অবতরণ করেন। সৃষ্টিকর্তা কাঁইই জীবাত্মারূপ বিদ্যুৎ বহন করেন। সৃষ্টিকর্তা জীবনীশক্তি নিয়ে মানবদেহে প্রবেশ করলে ব্যাপক আন্তঃআলোড়ন সৃষ্টি হয়। এ আলোড়ন দ্বারা সৃষ্টিকর্তা বিশেষ প্রক্রিয়াই স্থূল পালনকর্তা সৃষ্টির মানসে দেহের মূল রক্তরসের ওপর ব্যাপক চাপ ও তাপ প্রয়োগ করেন। যারফলে; রক্ত পুনরায় বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরিপাক হয়ে পালনকর্তারূপ স্বরূপ বা সুধারস পৃথক হয়ে যায়। যারফলে; রক্তের অসার অংশ বা বর্জ্য পদার্থগুলো জোয়ার বা রজস্রাব রূপে বের হয়ে যায়।

রক্তকে পুনঃ পরিপাক করে রক্ত হতে সুধারস বা অমৃতরসকে বের করে নেওয়ার ফলে জোয়ার বা রজ রূপে প্রবাহিত রক্তের মধ্যে আর কোনো সার পদার্থ অবশিষ্ট থাকে না। এজন্য; জোয়ার বা রজ রূপে প্রবাহিত রক্তধারা মানবের জন্য সম্পূর্ণরূপে বর্জ্য পদার্থ রূপে গণ্য হয়। মল-মূত্রের মতোই জোয়ার বা রজরক্ত অপবিত্র ও অব্যবহার্য পদার্থ। যেমন;  পাকস্থলী খাদ্যবস্তু পরিপাক করে প্রায় ৮৭% খাদ্যসার বের করে নেওয়ার পর যে মল ত্যাগ করা হয়; তার মধ্যেও তেমন কোনো খাদ্যসার থাকে না। পশুপাখির খাদ্য রূপে ব্যবহারের জন্য তাতে মাত্র ১৩% খাদ্যসার অবশিষ্ট থাকে। যা মানবীয় পাকস্থলির দ্বারা উক্ত খাদ্যসার বের করে নেওয়া সম্ভব নয়। আরও কঠিন ও শক্তিশালী পাকস্থলি ব্যতীত উক্ত ১৩% খাদ্যসার বের করা সম্ভব নয়। মানুষের পাকস্থলির চেয়ে অনেক অনেক গুণ শক্তিশালী ও কার্যকরী পাকস্থলি হলো পশুপাখিদের। পশুপাখিদের পাকস্থলিই পারে খাদ্য হতে সম্পূর্ণ খাদ্যসার একেবারে নিঃসারণ করতে।

মুমুর্ষু রোগির প্রাণ বাঁচানোর জন্য একই গ্রুপের রক্তের লোকের দেহ হতে যে রক্ত এনে রোগির দেহে প্রবেশ করানো হয় তা জীবন্ত রক্ত। এ রক্তের মধ্যে রক্তের সব গুণাগুণ অক্ষুণ্ম বা বিদ্যমান থাকে। কিন্তু জোয়ার বা রজ রূপে ক্ষরিত রক্তের মধ্যে রক্তের সারবস্তু বা অনেক গুণাগুণ অবশিষ্ট থাকে না। এজন্য; কোনমতে জোয়ার রূপে ক্ষরিত রক্তধারা সেবন, সাধন, ভজন বা পূজনযোগ্য নয়। পরম্পরা-জ্ঞানধারী কোনো কোনো অজ্ঞব্যক্তি জোয়ার বা রজধারাকে অমৃতসুধা ভেবে তা সেবন বা ভজন করে থাকেন। এটা অত্যন্ত মন্দ, নিকৃষ্ট ও গর্হিত কার্য বৈ নয়। তাদের একবার ভেবে দেখা প্রয়োজন যে দুর্লভ বা দুষ্প্রাপ্য বস্তু পথেঘাটে যত্রতত্র পাওয়া সম্ভব নয়। মহার্ঘ বা দুষ্প্রাপ্য বিষয়বস্তু পেতে হলে তার জন্য অধিক কষ্ট-ক্লেশ বা সাধন প্রয়োজন। বিনা সাধনে দুর্লভ বস্তু কখনও হস্তগত করা যায় না।

আরবি ভাষার মহাগ্রন্থ পবিত্র কুরানে পরিষ্কারভাবে বলে দেওয়া হয়েছে যে রক্ত পান করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যেমন; “إِنَّمَا حَرَّمَ عَلَيْكُمْ الْمَيْتَةَ وَالدَّمَ وَلَحْمَ الْخِنزِيرِ وَمَا أُهِلَّ بِهِ لِغَيْرِ اللَّهِ فَمَنْ اضْطُرَّ غَيْرَ بَاغٍ وَلَا عَادٍ فَلَا إِثْمَ عَلَيْهِ إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَحِيمٌ” উচ্চারণ; “ইন্নামা হাররামা আলাইকুমুল মাইতাতাও ওয়াদ্দামাও ওয়া লাহমুল খিঞ্জির, ওয়া মা উহিল্লা বিহি লিগাইরিল্লাহি ফা মাদতররা গাইরা বাগিন, ওয়া লা আদিন, ফা লা ইসমা আলাইহি, ইন্নাল্লাহা গাফুরুর রাহিম” অর্থ; “অবশ্যই তোমাদের জন্য শব (মৃতদেহ), শোনিত (রক্ত) ও বরাহমাংস (শূকর) নিষিদ্ধ এবং তোমাদের জন্য তাও বৈধ নয়- যা কাঁই ভিন্ন অন্য উদ্দেশ্যে সংহার করা হয়। অতঃপর; যে ব্যক্তি অত্যাচার ও সীমালঙ্ঘন না করে, একান্ত ঠেকাবশত করে তাতে কোনো পাপ নেই। নিশ্চয় কাঁই অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও দয়ালু।” He has forbidden you only the dead, blood and the flesh of swine, and that which is slaughtered as a scrifice for others than Lord. But if one is forced by necessity without wilful disobedience nor transgressing due limits, then there is no sin on him. Truly, Lord is oft-forgiving, most merciful “হি হ্যাজ ফরবিডেন ইউ ওনলি দি ডেড, ব্লাড এন্ড দি ফ্লাস ওপ সোয়াইন, এন্ড দ্যাট হুইস ইজ স্লাওটার্ড এ্যাজ এ স্ক্রিফিস ফর আদারস দেন লর্ড. বাট ইফ ওয়ান ইজ ফোর্সড বাই নেসেসসিটি উইদাউট উইলফুল ডিসওবিডিয়েন্স নর ট্রেন্সগ্রেসিং ডিউ লিমিটস, দেন দেয়ার ইজ নো সিন ওন হিম” (কুরান, বাক্বারা- ১৭৩)

পর্যালোচনা (Review)
“حُرِّمَتْ عَلَيْكُمْ الْمَيْتَةُ وَالدَّمُ وَلَحْمُ الْخِنزِيرِ” উচ্চারণ; (হুররিমাত আলাইকুমুল মাইতাতাও ওয়াদ্দামুও ওয়া লাহমুল খিঞ্জির …..) অর্থ; “তোমাদের জন্য মৃতজন্তু, রক্ত ও শূকরের মাংস নিষিদ্ধ করা হয়েছে” ÒForbidden to you are blood, the flesh of swine (ফরবিডেন টু ইউ আর ডেড, ব্লাড এন্ড দি ফ্লেস ওপ সুইন ….) (কুরান, মায়িদা- ৩)। “إِنَّمَا حَرَّمَ عَلَيْكُمْ الْمَيْتَةَ وَالدَّمَ وَلَحْمَ الْخِنْزِيرِ” উচ্চারণ; (ইন্নামা হাররামা আলাইকুমুল মাইতাতাও ওয়াদ্দাম, ওয়া লাহমুল খিঞ্জির …..) অর্থ; “অবশ্যই তোমাদের জন্য শব (মৃতদেহ), শোনিত (রক্ত) ও বরাহ (শূকর) মাংস নিষিদ্ধ।” ÒHe has forbidden you only dead, blood and the flesh of swine “হি হ্যাজ ফরবিডেন ইউ অনলি ডেড, ব্লাড এন্ড দি ফ্লেস অফ স্ইুন” (কুরান, নহল-১১৫)

পবিত্র কুরানের উপরোক্ত মন্ত্রগুলো হতে পরিষ্কার বুঝা যায় শোণিত বা রক্ত পান করা নিষিদ্ধ। আমরা সাধারণভাবে দেখি রক্ত পান করার কোনো ব্যবস্থা বা সংস্কৃতি সমাজে প্রচলিত নেই। তবে; কেন রক্ত পান করা নিষিদ্ধের কথা পুনঃপুন বলা হচ্ছে। কারণটি সাধারণ লোকেরা না জানলেও পরম্পরায় বিচরণকারীদের অনেকেরই জানা আছে। একদল অজ্ঞ ও মূর্খ পারম্পরিকরা রজরক্তকে অমৃতসুধা ভেবে রজপট্টি ভিজিয়ে তা পান করে আসছে দীর্ঘদিন হতে। এ প্রবণতা পূর্ববর্তী সমাজেও ছিল এবং এখনও তা বিদ্যমান রয়েছে। এ কারণেই মহা গ্রন্থাদির মধ্যে ইঙ্গিতে ইঙ্গিতে পুনঃপুন শোণিত বা রক্ত পান চির নিষিদ্ধ এমন কথা বলা হয়েছে। সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টিশক্তি প্রাপ্তবয়স্ক জীবের দেহের মধ্যে প্রবেশ করলেই দেহের মধ্যে আন্তঃ-আলোড়ন সৃষ্টি হয়। সে আলোড়নের ফলস্বরূপ কান্নার জলরূপ জোয়ার বা রজধারা বের হয়ে আসে। জোয়ার বা রজধারা জীবের সৃষ্টিকর্তা কাঁই এবং জীবের পালনকর্তা সাঁইয়ের আগমনবার্তা বহন করে। সাধু, সন্ন্যাসী, ঋষি ও মনীষীগণ এ জোয়ার বা রজবার্তা দ্বারা ঊষা ও অর্যমা গণনা করে পরিষ্কারভাবে শিষ্যদের বলে দেন যে আগামী এততম দিবসে সাঁই ও আগামী এততম দিবসে কাঁই মর্ত্যধামে অবতরণ করবেন। তোমরা যারা সাঁই ও কাঁইয়ের দর্শনলাভ করতে চাও তারা উক্ত দিবসে অবশ্যই এ যোগব্রত পালন করবে। বাংলাভাষার জোয়ার বা রজস্রাবকে আরবি ভাষায় আদাত (ﻋﺎﺪﺓ), কুরউ (ﻘﺮﺃ), লাকাহ (ﻟﻘﺢ), হায়েজ (ﺤﻴﺾ) ও মাহিজ (ﻤﺤﻴﺾ) ইত্যাদি বলা হয়। আরবি অলি (ﻮﻠﻮ) ও আব্দালগণ (ﺍﺑﺪﺍﻞ) তাঁদের আরবি ভাষার হায়েজ (ﺤﻴﺾ) সত্তাকে শ্বরবিজ্ঞানে নবি রূপে (نبي) এবং ফার্সি দরবেশগণ (ﺪﺭﻭﻴﺶ) তাঁদের ফার্সি ভাষার শ্বরবিজ্ঞানে পয়গম্বর (ﭙﻴﻐﻤﺒﺮ) বলে আখ্যায়িত করে থাকেন। এছাড়াও; সংস্কৃত ভাষার আত্মজ্ঞানী মনীষীগণ রজকে সরস্বতী বা আদিমাতা বলে থাকেন।

মজার ব্যাপার হলো রজকে আরবীয় ও বাংভারতীয় উভয় শ্বরবিজ্ঞানেরই আদিমাতা বলা হয়। হিন্দুরা একে বিদ্যার দেবী ‘সরস্বতী’ রূপে পূজা করে থাকেন। যেহেতু; কিশোরী-কুমারীদের রজদেবীর আগমন ঘটলেই কেবল দিনগণনা বা পবিত্রতা ও অপবিত্রতা গণনার সূচনা হয়। রজদেবী আগমন হওয়ার পূর্বে কিশোরীদের স্মরণরাখা বা মনে রাখার কোনকিছুই নেই (বিদ্যার্জন ব্যবস্থা ও বিদ্যালয় নিতান্তই অল্পদিনের সংস্কার মাত্র। এজন্য; শিক্ষা ব্যবস্থা এ আলোচনার মধ্যে গণ্য নয়)। রজ আগমন করলেই যে দিনক্ষণ স্মরণ রাখতে হয়- সে-ই হতেই স্মরণের দেবী রূপে স্বীকৃতি পেয়েছে ‘রজ’ কিন্তু কালক্রমে সে স্মরণের দেবীই আজ ‘মা সরস্বতী’ রূপে উন্নীত হয়েছেন। যেমন; রামায়ণের নায়ক চরিত্র ‘রাম’ আজ ভগবান শ্রী রামচন্দ্র রূপে উন্নীত হয়েছেন।

তৌরাত হতে বন্যার প্রমাণ (Evidence of flood from the tawrat)
“জাহাজটা তুমি এভাবে প্রস্তুত করবে, সেটা লম্বায় হবে তিনশত হাত, চওড়ায় পঞ্চাশ হাত এবং উচ্চতা ত্রিশ হাত। তার ছাদ হতে নিচে একহাত পর্যন্ত চারদিকে একটা উম্মুক্তস্থান রাখবে এবং দুয়ার হবে জাহাজের এক পাশে। তার প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা থাকবে। দেখবে আমি এমন একটা বন্যার সৃষ্টি করব, যাতে আকাশের নিচে যেসব প্রাণী শ্বাস গ্রহণের দ্বারা বেঁচে আছে তারা সব ধ্বংস হয়ে যাবে। পার্থিব প্রায় সব প্রাণীই মারা যাবে” (তৌরাত, সূচনাক্রম- ৬/১৫- ১৭, কিতাবুল মোকাদ্দস, বি, বি, এস- ঢাকা বাংলাদেশ- ২০০৬)

বসিধকে সর্বশেষ অবতার বলার কারণ কী? (What to say the prophet the latest incarnation?)
নারীদেহ সুসমভাবে সুগঠিত হওয়ার পর (যেমন; অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, দেহ, মাজা ও স্ফীতাঙ্গ ইত্যাদি) সর্বশেষে বসিধ (রজ) আগমন করে বলে বসিধকে সর্বশেষ অবতার বলা হয়। অর্থাৎ; রমণীদেহে রজ সবার শেষে আগমন করে বলেই শ্বরবিজ্ঞানে রজকে সর্বশেষ অবতার বলা হয়। কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণের পর আগে অবতরণ করে দাঁত, তারপর; স্ফীতাঙ্গ (স্তন) এবং সর্বশেষে অবতরণ করে রজ। এজন্য; নারীদেহের ক্ষেত্রে রজকে সর্বশেষ অবতার বলা হয়। আর রজের বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা হলো বসিধ। তাই; শ্বরবিজ্ঞানে বসিধকে সর্বশেষ অবতার বলা হয়। বসিধ কিসের সর্বশেষ অবতার, কোনো ভূমির সর্বশেষ অবতার তা সাম্প্রদায়িক ও পরিম্পরিক মনীষী, বক্তা, ব্যৈখ্যিক, টৈকিক, অনুবাদক ও অভিধানবিদরা কখনই অন্বেষণই করতে চায় না। এর কারণ হলো সাম্প্রদায়িক মতবাদটা তো একেবারে অন্ধবিশ্বাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত। এটি; রীতিমত রাবারের টেপও বটে। একে যে যত টানবে ততো বাড়বে। যেমন; গোবিন্দ একবার একদেশে গিয়ে ——–, কৃষ্ণ মথুরায় একদিন ————, মুসা একদিন আল্লাহর নিকট গিয়ে বললেন ———–, একদিন ফেরাউন এক পাহাড়ে উঠে ——, ইত্যাদি। কাল্পনিকতত্ত্বকে রাবারের টেপ বলাতে কোনো সমস্যা নেই। তবে; আত্মতত্ত্ব সঠিক ও নির্দিষ্ট। একে টেনে দীর্ঘ করার কোনো সুযোগ নেই।

৮১/২. গরল

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!