তীর্থবারি

৪৮/৬. তীর্থবারি
Kickshaw (কিকশো)/ ‘لذيذ’ (লাজিয)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর পালনকর্তা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা পালনকর্তা। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা সাঁই। এর অন্যান্য বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা অমৃতসুধা, গ্রন্থ, চন্দ্র, জল, পাখি, ফল ফুল। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা ননি, বিষ্ণু, মাণিক, রাজা, রাম, লালন, স্বরূপ হরি এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা ঈশ্বর, উপাস্য, চোর, পতিতপাবন, পরমগুরু, প্রভু, মনেরমানুষ সুধা

অভিধা (Appellation)
তীর্থবারি (বাপৌউ)বি তীর্থোদক, তীর্থজল, kickshaw, ‘لذيذ’ (লাজিয), ambrosia, ‘الشهي’ (আশশাহি) (প্র) সাম্প্রদায়িক হিন্দু মনীষীদের মতে; তীর্থধামের পুণ্যময় ও মহাপবিত্র জল বিশেষ (শ্ববি) এমন তরল-মানুষ; যে এখনও মূর্তাকার ধারণ করে নি। মাতৃগর্ভে ভ্রূণ লালনপালনের দায়িত্ব পালনকারী সুমিষ্ট, সুপেয় ও শ্বেতবর্ণের জল (রূপ্রশ) ১.জীবজল, জীবোদক, জীবাম্বু, জীবনজল ২.উপাস্য, নারায়ণ, নিধি, নিমাই, নিরঞ্জন, সাঁই ও স্বরূপ (প্রাঅ) পালনকর্তা, ঈশ্বর, বুদ্ধ, পতি, স্বামী, ‘رب’ (রাব্বা) (পারদে) খোদা (ফা.ﺨﺪﺍ) (ইদে) মা’বুদ (.ﻤﻌﺑﻭﺪ), মুহাম্মদ (.ﻤﺤﻤﺪ), রাসুল (.رَسُول) (ইপ) কাওসার (.ﻜﻭﺛﺮ), ফুরাত (.ﻔﺭﺍﺖ) (ইংপ) God, nectar, elixir (পরি) এমন তরল-মানুষ যে এখনও মূর্ত আকার ধারণ করে নি (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর পালনকর্তা পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা). সাধারণত; তীর্থধামের সুপেয় জলকে তীর্থবারি বলা হয়. শ্বরবিজ্ঞানে; অমৃত মানবজলকে তীর্থবারি বলা হয় (বাপৌছ) ঈশ্বর, উপাস্য, চোর, পতিতপাবন, পরমগুরু, প্রভু, মনের-মানুষ ও সুধা (বাপৌচা) ননি, বিষ্ণু, মাণিক, রাজা, রাম, লালন, স্বরূপ ও হরি (বাপৌউ) অমৃতসুধা, গ্রন্থ, চন্দ্র, জল, তীর্থবারি, পাখি, ফল ও ফুল (বাপৌরূ) সাঁই (বাপৌমূ) পালনকর্তা {বাং.তীর্থ+ বাং.বারি}

তীর্থবারির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of kickshaw)
১.   অমৃত-সাগরের সুধা, পান করলে জীবের ক্ষুধা তৃষ্ণা, রয় না, লালন মরল জল পিপাসায়রে, কাছে থাকতে নদী মেঘনা।” (পবিত্র লালন- ২৫৭/৫)(মুখ; ও যার আপন খবর আপনার হয় না, একবার আপনারে চিনতে পারলেরে, যায় অচেনারে চেনা”)
২.   “আমার সাড়ে তিন টন- অমৃতসুধা রসরতন, আর মাল্লা বারোজনা- মণিপুর ত্রিবেণে গিয়া- ধনীকে নিঃস্ব বানাইয়া, ডাকাতরা চক্ষু করে কানা।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১০৯)(মুখ; ছয় ডাকাতে দিয়াছে হানা, নৌকাখানা”)
৩.   চাতক স্বভাব না হলে, অমৃতমেঘের সে বারি, কথায় কী মিলে।” (পবিত্র লালন- ৪৪২/১)
৪.   মাওলার মহিমা এমনই, সে নদীতে বয় অমৃতপানি, তার একরতি পরশে অমনি, অমর হয় সে জনে।” (পবিত্র লালন- ১২০/৩)(মুখ; আবহায়াতের নদী কোনখানে, যাও জিন্দাপিরের খান্দানে, দেখিয়ে দিবে সন্ধানে”)
৫.   “সকাল বিকাল জোয়ার ভাটা ত্রিধারা-সাগরে, রক্তিম সাদা পাড়ি দিয়া যাইও কালা ধারে, অমৃতসুধা দুগ্ধ মধু যত পারো খাইতে যাদু, বলন কয় সাবধানে সাধু প্রাণ ভরিয়া খাও।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৫২)(মুখ; এবার সাজাইয়া লও আপন দেশের নাও, রে মনমাঝি ধীরে ধীরে বাইয়া যাও”)
৬.   “সেই পঞ্চরস অমৃতসুধার বাণিজ্য মেলায়, দুগ্ধ রতী সুধা মধু কত যে ভেঁসে বেড়ায়, বলন কাঁইজি ভেবে বলে, ত্রিবেণীর দরজা খুলে, পঞ্চরস নিও গো তুলে জনমভরি (ও ভোলা মন)।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৪১)

তীর্থবারির সংজ্ঞা (Definition of kickshaw)
সাধারণত; তীর্থধামের সুপেয় জলকে তীর্থবারি বলে।

তীর্থবারির আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of kickshaw)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; অমৃত মানবজলকে তীর্থবারি বলে।

তীর্থবারির প্রকারভেদ (Variations of kickshaw)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে তীর্থবারি দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান তীর্থবারি ও ২. উপমিত তীর্থবারি।

. উপমান তীর্থবারি (Analogical kickshaw)
সাধারণত; সাম্প্রদায়িক কর্মের অংশ রূপে অতীত পাপমোচন করার উদ্দেশ্যে তীর্থধামের পবিত্র জল দ্বারা স্নান করাকে উপমান তীর্থস্নান বলে।

. উপমিত তীর্থবারি (Compared kickshaw)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; পুরুষ-নারীর সঙ্গমকে উপমিত তীর্থস্নান বলে।

তীর্থবারির পরিচয় (Identity of kickshaw)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর পালনকর্তা পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা বিশেষ।

তীর্থবারি সম্পর্কে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর মিলন কবিতায় বলেছেন;
“নিবি তোরা তীর্থবারি সে অনাদি উৎসের প্রবাহে
অনন্তকালের বক্ষ নিমগ্ন করিতে যাহা চাহে
বর্ণে গন্ধে রূপে রসে, তরঙ্গিত সংগীত উৎসাহে
জাগায় প্রাণের মত্ত হাওয়া।”

তিনি চণ্ডালিকা নাটকে আরও বলেছেন;
“সেই বারি তীর্থবারি
যাহা তৃপ্ত করে তৃষিতেরে,
যাহা তাপিত শ্রান্তেরে স্নিগ্ধ ক’রে
সেই তো পবিত্র বারি।”

সাধারণত; তীর্থধামের সর্বপ্রকার সুপেয় জলকেই তীর্থবারি বলা হয়। তবে; শ্বরবিজ্ঞানে; কেবল অমৃত মানবজলকেই তীর্থবারি বলা হয়। এর কারণ হচ্ছে শ্বরবিজ্ঞানে দেহকে তীর্থ বলা হয়। শ্বরবিজ্ঞানে এমন বলা হয় যে; “বৈতরণীর ওপর কোনো তীর্থ নেই, বৈকুণ্ঠের ওপর ধাম নেই।” বৈতরণী ও বৈকুণ্ঠ এই মানবদেহে অবস্থিত। তাই; বলা যায় দেহের চেয়ে উত্তম কোনো তীর্থস্থান নেই। অতএব; মানবদেহে প্রাপ্ত সুপেয় পবিত্র জলের চেয়ে উত্তম কোনো জল নেই। অর্থাৎ; দেহ নামক তীর্থে যে পবিত্র জল পাওয়া যায় তার চেয়ে উত্তম জল সারা পৃথিবীর কোথাও নেই। এ কারণে শ্বরবিজ্ঞানে বর্ণিত তীর্থবারি বলতে কেবল পবিত্র মানবজলকে বুঝায়। পবিত্র মানবজলগুলো হচ্ছে ১. দুগ্ধ ২. শুক্র ৩. সুধা ও ৪. মধু।

অন্যদিকে; বড় আশ্চর্য হবার বিষয় হলো সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মনীষী, বক্তা, ব্যৈখ্যিক, টৈকিক, অভিধানবিদ ও অনুবাদকরা শ্বরবিজ্ঞানে বর্ণিত ‘তীর্থবারি’ পরিভাষাটির দ্বারা কেবল স্বস্ব তীর্থধামের কূপ, কুয়া, নদী, বিল, খাল, হাওড়, বাওড় ও টিপকলের জলকেই বুঝেন ও বুঝিয়ে থাকেন। তাই; সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিকরা চিরদিনের জন্য আধ্যাত্মিক-জ্ঞান বা আত্মতত্ত্বের জ্ঞানে চির অন্ধ। এই জন্য সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিকরা যার যার তীর্থে গিয়ে তীর্থধামের জল নিজে পান করে এবং বোতলে ও ড্রামে ভরে নিজ নিজ বাড়িতে নিয়ে আত্মীয়-স্বজনসহ তৃপ্তি সহকারে পান করে। উদাহরণত মুসলমানদের কথা বলা যায়। মুসলমানরা মক্কায় যায় তীর্থকর্ম শেষ করে জমজমের (কূপ) জল পান করে ও ড্রাম ভরে নিয়ে বাড়ির সবাইকে পান করিয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!