নদীয়া

৩৯/৪ নদীয়া
Riparian (রাইপেরিয়ান)/ ‘مشاطئة’ (মাশাত্বায়া)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর নারীদেহ পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা নারীদেহ। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা নিধুবন। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা নাগরদোলা এবং এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা নবদ্বীপ

অভিধা (Appellation)
নদীয়া (বাপৌছ)বি নদে, নবদ্বীপ, নদীমাতৃক, নদীতীরবাসী, riparian, ‘مشاطئة’ (মাশাত্বায়া), ‘ﻨﻬﺭﻯ’ (নাহরিউ) (প্র) বর্তমান ভারতের একটি জেলা বিশেষ (শ্ববি) নারীদেহ, woman body, female body, বাদন আযযাওঝা (.ﺒﺪﻦ ﺍﻟﺯﻮﺟﺔ) (রূপ্রশ) নাগরদোলা, পাতাল, ভূমি (ইপ) ইমরাত (.ﺍﻤﺮﺃﺓ), মারয়াত (.ﻤﺮﺀﺓ) (ইংপ) woman, female (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর নারীদেহ পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) . সাধারণত; অখণ্ড ভারতের বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চলকে নদীয়া বলা হয় . বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, নারীদেহকে রূপকার্থে নদীয়া বলা হয় (বাপৌছ) নদীয়া (বাপৌচা) নবদ্বীপ (বাপৌউ) নাগরদোলা (বাপৌরূ) নিধুবন (বাপৌমূ) নারীদেহ।

নদীয়ার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of riparian)
১.   “আমি কী দেখলাম গো নদীয়ায়, পুত্র মারে কন্যা বাঁচায়, পাহাড় কেটে ঘর গড়িয়া, তার ভিতরে লুকায়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩০)
২.   “আর কী আসবে সে গৌর-চাঁদ এ নদীয়ায়, সে চাঁদ দেখলে গো সখী তাপিত অঙ্গ শীতল হয়।” (পবিত্র লালন- ১৬৮/১)
৩.   “আর কী সে অদ্বৈতগোঁসাই, আনবে গৌর এ নদীয়ায়, লালন বলে সে দয়াময়, কে জানবে এ সংসারে।” (পবিত্র লালন- ১৬৯/৪)(মুখ; আর কী গৌর আসবে ফিরে, মানুষ ভজে যে যা করো, গৌর-চাঁদ গিয়েছে সেরে”)
৪.   “একবার এসে এ নদীয়ায়, মানুষ রূপে হয়ে উদয়, প্রেম বিলালে যথাতথায়, গেলেন প্রভু নিজপুরে।” (পবিত্র লালন- ১৬৯/২)(মুখ; আর কী গৌর আসবে ফিরে, মানুষ ভজে যে যা করো, গৌর-চাঁদ গিয়েছে সেরে”)
৫.   “এনেছে এক নবীন আইন নদীয়াতে, বেদ পুরাণ সব দিচ্ছে দোষে, সে আইনের বিচার মতে।” (পবিত্র লালন- ২২০/১)
৬.   “কিরূপ দেখলাম আমি, রূপের নদীয়ায়, সেরূপে ক্ষণে ক্ষণে সঙ সেজে, খেলছে আমার দয়াময়।” (পবিত্র লালন- ৩১২/১)
৭.   “মাহদি আসিবে ধুলি ধরায় নদীয়ারূপ মদিনায়, পড়ে বিধান বেদ বেদান্ত যে যাহা জানতে পায়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৫৬)

নদীয়ার কয়েকটি সাধারণ উদ্ধৃতি (Some ordinary quotations of riparian)
১.   “অমাবস্যার পর পূর্ণিমাতে, উদয় হয় সে নদীয়াতে, বলন কয় ভাব বুঝিতে, জীবের কী সে সাধ্য তাই।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১১৭)
২.   “আলেক-মানুষ ধররে ধর, অমরাপুর নদীয়ায়, আপন ঘরে পরমনিধি, প্রাতঃ সন্ধা আসে যায়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩৭)
৩.   “অলোক-মানুষ নদীয়ায়, ভাসছে রসে ত্রিধারায়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৭)
৪.   “একদিন সে চাঁদগৌরাঙ্গ, গোপীতলায় গেলো, হারায় সেথায়- সোনার নদীয়া, সে হতে অন্ধকার হয়।” (পবিত্র লালন- ১৬৮/৩)
৫.   “কেউ কারো সঙ্গে না যাবে, সঙ্গের সাথী পাই কিভাবে, রইলাম নদীয়ার ভাবে, খেলতে এসে প্রেমেরপাশা।” (পবিত্র লালন- ২৭১/৩)
৬.   “গভীর প্রেমরাগ দেখে, হরি দিলো দাসখত্ব লিখে, ষড়ৈশ্বর্য ফেলে রেখে, কাঙাল হয়ে ফিরে নদীয়ায়।” (পবিত্র লালন- ৬৪৩/২)
৭.   “গোরা কী আইন আনল নদীয়ায়, এত জীবের সদ্ভাব নয়, আনখা আচার আনখা বিচার, শুনে জীবের লাগে ভয়।” (পবিত্র লালন- ৩২৩/১)
৮.   “গোলকের অটলহরি, ব্রজপুরে হয় বংশীধারী, নদীয়া ধামেতে অবতারী, দয়াল বামন রূপে প্রকাশে।” (পবিত্র লালন- ৪৮৬/২)
৯.   “গোলকের চাঁদ গোকুলের চাঁদ, নদীয়ায় গৌরাঙ্গ সে পূর্ণচাঁদ, আর কী আছে চাঁদ- সে কেমন চাঁদ, ঐ ভাবনা মনে মনে।” (পবিত্র লালন- ৪৩৮/৩)
১০. “গৌরসিংহের হুংকার বারে বার, নদীয়াবাসী কাঁপে থরথর, প্রেমতত্ত্ব রাগতত্ত্ব জানাল সব অর্থ, লালন কয় ঘটল না কপালে।” (পবিত্র লালন- ৪২৬/৪)
১১.  “ঘাট মেড়ে শ্যামরায়, চালান হয় নদীয়া জিলায়, লালন বলে- আমার কপালে, ঘটে যেন কী ঘটনা।” (পবিত্র লালন- ৬৫৩/৪)
১২.  “চারযুগেতে ঐ কেলেসোনা, শ্রীরাধার দাস হতে পারল না, যদি হতো দাস- যেত অভিলাষ, আসত না আর নদীয়ায়।” (পবিত্র লালন- ২৪৬/৩)
১৩. “জীব তরাতে নদীয়ায়, মাসে ঘুরে হয় উদয়, যার নবি সে চিনতে হয়, নইলে মুক্তি মিলে না।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১০)
১৪. “দু’উদ্দীপক লয়ে সাথে, দয়াল আসে নদীয়াতে, রহে ঊষা প্রহরেতে, আবার শুন্যেতে যায়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৯৬)
১৫. “ধন্যরে নদীয়াবাসী, হেরিল গৌরাঙ্গশশী, যে বলে সে জীব সন্ন্যাসী, লালন কয় সে ফেরে পড়লে।” (পবিত্র লালন- ৫৫৯/৪)
১৬.  “ধেনু রাখতে মোদের সাথে, আবাই আবাই ধ্বনি দিতে, এখন এসে নদীয়াতে, হরির ধ্বনি দিস এভাব কী।” (পবিত্র লালন- ৫১৬/৩)
১৭. “নতুন আইন এলো নদীয়াতে, প্রেমের ঘাটে উচিত কর দিতে, না জেনে খবর- করলে জোর, কঠিন সাজায় বাঁচবে না।” (পবিত্র লালন- ৬৫৩/২)
১৮. “নদীয়ানগরে নিরঞ্জন, সবারে বিলালে প্রেমধন, আমি নরাধম- না জানি মরম, চাইলে না হে গৌর, আমার পানেতে।” (পবিত্র লালন- ৪৬৮/২)
১৯.  “নদীয়ার পাড়েতে বসত করে আমার প্রাণনাথ, তার লাগি হৃদয় দুয়ার খুলে রাখি দিবস রাত।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৫০)
২০. “নদীয়ার ভাবের কথা, লালন কী জানে তা, হা হুতাশে শচীমাতা, বলে নিমাই দেখা দেরে।” (পবিত্র লালন- ৩১১/৪)
২১.  “নিতাই শালের নদীয়াতে, নিরাকার সাঁই রয় আকারেতে, ধরতে সাঁই- ডুবে মনরায়, সাধুর পদ সেবা কর।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৪৭)
২২. “নিরাকার সাঁই আকারেতে, বসত করে সদাই নদীয়াতে, চেনাল দ্বারা পায় চিনিতে, পারাপারের পন্থ মোড়ে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৬৯)
২৩. “বেদবিধি ত্যজিয়ে দয়াময়, কী নতুনভাব আনলে নদীয়ায়, ফকির লালন বলে আমি সেভাব, জানবার যোগ্য নই।” (পবিত্র লালন- ১৭৩/৪)
২৪. “ব্রজপুরে নন্দের ঘরে, ছিলামরে ভাই কারাগারে, তাইতো; আমি এলাম ছেড়ে, নদীয়ায় এসে পাই দেখা।” (পবিত্র লালন- ৬৬৭/২)
২৫. “ব্রজবাসী এমনই নির্দয়, এসে ভাই এ নদীয়ায়, কী সুখ পেলিরে, লালন বলে আর- এ রাজরাজ্য কার, সব দেখি মিছেরে।” (পবিত্র লালন- ২৭৩/৪)
২৬. “ভাব জেনে ভাব নেয়া হলো দায়, না জানি কখন কী ভাব উদয়, এলো তিন জনায়- এক নদীয়ায়, লালন ভেবে দিশে না পেল।” (পবিত্র লালন- ২৮০/৫)
২৭. “মনের তিনটি বাসনা, নদীয়ায় করব সাধনা, নইলে মনের বিগাড় যায় না, তাইতো; এ হাল মোরে।” (পবিত্র লালন- ৭৫৪/২)
২৮. “রাধার প্রেমে থেকে হরি, হয়েছিল দণ্ডধারী, এসে এ নদীয়াপুরী, বেহাল হয়ে মুড়ালেন মাথা।” (পবিত্র লালন- ৬৪১/২)
২৯. “সামান্য জ্ঞানে কী তাঁর, মর্ম জানা যায়, যে ভাবে অটরহরি এলো নদীয়ায়।” (পবিত্র লালন- ৯৪৩/১)
৩০. “সে গোরা এসেছে নদীয়ায়, রাধারাণীর ঋণের দায়।” (পবিত্র লালন- ৯৬১/১)
৩১. “হরি বলে হরি গোরা, নয়নে বয় জলধারা, কী ছলে এসেছে গোরা, এ নদীয়া ভুবনে।” (পবিত্র লালন- ৯৮৬/২)
৩২. “হায় মানুষ কোথায় সে মানুষ, বলে প্রভু হলেন বেহুঁশ, দেখে সব নদীয়ায় মানুষ, বলে না তা।” (পবিত্র লালন- ৮৯৫/২)
৩৩. “দাসের গুরু সাঁই কাঁই- অন্ধে কী তা দেখিতে পায়, কুরান পুরান খুঁজে সদাই- আপন ঘর ধুঁড়ে না, গুরু রয় নদীয়ায়– বৃথা বৃন্দাবন কাঁশি যায়, জগৎগুরু ঘরের কোণায়- বলন কয় খুঁজে দেখ মনা।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৩৪)

নদীয়ার সংজ্ঞা (Definition of riparian)
সাধারণত; বর্তমান ভারতের বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চলকে নদীয়া বলে।

নদীয়ার আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of riparian)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; ভগচিহ্নধারী দেহকে নারীদেহ বা নদীয়া বলে।

নদীয়ার প্রকারভেদ (Variations of riparian)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে নদীয়া দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান নদীয়া ও ২. উপমিত নদীয়া।

. উপমান নদীয়া (Analogical riparian)
বর্তমান ভারতের বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চলকে উপমান নদীয়া বলে।

. উপমিত নদীয়া (Compared riparian)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে ভগচিহ্নধারী দেহকে নারীদেহ বা উপমিত নদীয়া বলে।

নদীয়ার পরিচয় (Identity of riparian)

এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর নারীদেহ পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা বিশেষ। বর্তমান ভারতের বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চলকে নদীয়া বলা হয়। সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে; এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহার হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না। বাংভারতীয় শ্বরবিজ্ঞানে নদীয়া একটি বিখ্যাত নাম। ভারতবর্ষে গড়ে ওঠা পৌরাণিক সাহিত্যাদি বর্তমানে নদীয়া ভিন্ন কল্পনাই করা যায় না। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় বর্তমানে অনেক লালন গবেষক ও লালন বিশেষজ্ঞগণও লালন সাঁইজির আত্মতত্ত্ব কেন্দ্রিক দর্শনকে নদীয়ার দর্শন বলতে আরম্ভ করেছেন। বর্তমানে অনেক লালন গবেষক নদীয়াকে লালন সাঁইজির জন্মভূমি বলতেও কোনো দ্বিধা করছেন না কিন্তু প্রকৃতপক্ষে শ্বরবিজ্ঞানে নদীয়া বলতে কেবল নারী বা নারীদেহই বুঝায়। উল্লেখ্য যে; নারী বা নারীদেহকে উপমিত নদীয়া এবং নদীয়াকে উপমান কল্পনা করে শ্বরবিজ্ঞানের সব উপমা নির্মাণ করা হয়। উভয় নদীয়ার মধ্যে সাহিত্যগত পার্থক্য হলো একটি নারীর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা এবং অন্যটি নারীদেহের ছদ্মনাম পরিভাষা। উল্লেখ্য যে; নারীদেহে বৈতরণীরূপ স্বর্গীয় নদীটি অবস্থিত বলেই শ্বরবিজ্ঞানে নারীদেহকে নদীয়া বলা হয়।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!