নিধুয়া

২৭/০১. নিধুয়া
Beehive (বিহাইভ)/ ‘قفير’ (ক্বাফির)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর জরায়ু পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা জরায়ু। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা কুঞ্জ, ঢাকা, পাতাল, ফুল স্বর্গপুর। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা অম্বর, আকাশ, বৈকুণ্ঠ মিথিলা এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা কাশী, দেবধাম, ব্রজধাম, মথুরা স্বর্গধাম

নিধুয়া (বাপৌরূ)বি গুদাম, ভাণ্ডার, ধনাগার, রত্নাগার, রত্নভাণ্ডার, অমূল্য-ধন রাখার গুদাম, বিশেষ উদ্দেশ্যে সুরক্ষিত ধনাগার, নববযরাব, ‘قفير’ (ক্বাফির), honeycomb, ‘ودفيئة’ (ওয়াদাফিয়া) (প্র) কুবেরের ধন রাখার স্থান বিশেষ (ব্য্য) নিধি উৎপন্ন বা সঞ্চিত হওয়ার স্থানকে নিধুয়া বলা হয় (শ্ববি) জরায়ু, uterus, womb, রেহেম (.ﺮﺤﻢ) (রূপ্রশ) কাশী, ঢাকা, নিধুবন, বৈকুণ্ঠ, মথুরা, মূলাধার, স্বাধিষ্ঠান (ইংপ) heaven, paradise (ফাপ) বেহেস্ত (ফা.ﺒﻬﺷﺖ) (ইপ) জান্নাত (.ﺠﻨﺎﺖ), আরশ (.ﻋﺭﺶ), ক্বলব (.ﻗﻟﺐ), মদিনা (.ﻤﺪﻴﻧﻪ) (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর জরায়ু পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) ১. সাধারণত; সুরক্ষিত নিধি-ভাণ্ডারকে বাংলায় ‘নিধুয়া বলা হয় ২. বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, স্ত্রী জননতন্ত্রের সন্তান ধারণ ও লালনপালনকারী অন্ত্রকে রূপকার্থে ‘নিধুয়া বলা হয় (বাপৌছ) কাশী, দেবধাম, ব্রজধাম, মথুরা ও স্বর্গধাম (বাপৌচা) অম্বর, আকাশ, বৈকুণ্ঠ ও মিথিলা (বাপৌউ) কুঞ্জ, ঢাকা, পাতাল, ফুল ও স্বর্গপুর (বাপৌরূ) নিধুয়া (বাপৌমূ) জরায়ু।অভিধা (Appellation)

নিধুয়ার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some important quotations of beehive)
১.   “অদেখা সাঁইয়ের দেখা, দেখবি যদি আয় যৌবনে, অটলের ঝাণ্ডা নিয়ে, এ বেণুবনে নিধুবনে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩)
২.   “আজ ফাগুনে নিধুবনে, কৃষ্ণলীলা গোপীর সনে, যাব সঙ্গোপনে নিরজনে, বৈষ্ণবেরা ব্রাহ্মণ সাধিতে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৪৬)
৩.   “আজ পাশা খেলবোরে শ্যাম, ও শ্যামরে তোমার সনে, একেলা পেয়েছিরে শ্যাম এ নিধুবনে।” (মরমী কবি দীনহীন ওরফে আব্দুন নূর হোসেনী চিশতী (১৮৫৪- ১৯১৮), হবিগঞ্জ, সিলেট)
৪.   “নিধুবনে খেলব পাশা বুকে বুক মিশাইয়া, প্রেমাগুন নিবারণ করব আলিঙ্গণ করিয়া।” (বলন তত্ত্বাবলী)
৫.   “নিধুবনেই বসে কালা, বংশীটি বাজায় দোতালা, সকাল বিকাল দুই বেলা, তার দু’রঙ্গে আনাগোনা।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৩)
৬.   “নিধুয়াপাথারে নেমেছি বন্ধুরে, ধর বন্ধু আমার কেহ নাই।” (জনৈক মরমী কবি)
৭.   “পাশাখেলতে ফুলবনে, নিত্য আসো নিধুবনে, লালবাতি জ্বালাইয়ারে।” (বলন তত্ত্বাবলী)
৮.   বন্ধু আমার গাড়ি চালায় নিধুয়াবন্দরে, আমি নারী কেমন করে একা থাকি ঘরে।” (জনৈক মরমীকবি)
৯.   “শ্যাম আসিলে নিধুবনে, আয়ান তারে শত্রু জানে, শ্যাম বিনা এ ব্রজধামে, গমনে কী ছাই মিলে।” (বলন তত্ত্বাবলী)

নিধুয়ার কয়েকটি সাধারণ উদ্ধৃতি (Some ordinary quotations of beehive)
১.   “কৃষ্ণ রয়েছে নিধুবনে, সাধু যারা তারাই চেনে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৭৭)
২.   “চাঁদ ধরেছে নিধুবনে, চাঁদের খবর জানে, শ্রীরাধার কাননে নয় লক্ষ ধেনু চরায়, ভাণ্ড ভেঙ্গে ননি- খায় গোপাল শুনি, লালন কয় দেখা যায়।” (পবিত্র লালন- ৯৯৬/৪)
৩.   “নয় প্রহরী নিধুবনে, কৃষ্ণলীলা গোপীর সনে, বলন কয় প্রাতেঃ মিলে, আপন ঘরের কোণে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৭৭)
৪.   “পাইলে আমার জীবনে, ভজতাম চরণ যতনে, সুজন বুঝি থাকে নিধুবনে, তার জন্য উদাসী হব- তারে বিনা প্রাণ ত্যাজিব, আমি আর আমার নই।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৬২)
৫.   “পাথর উড়েরে মথুরায়, নিধুবনের নভ চুড়ায়, উঁচু নীচু হয় সে স্বেচ্ছায়, কোনো প্রকৌশলী লাগে না।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৪০)
৬.   “ভাবুক দেখে করে লীলা নিগমে গোপনে, দুইজনে হয় মাখামাখি পাইলে নিধুবনে, বলন কাঁইজি ভাবিয়া কয়, ঐ প্রেমে হয় মধুভাব।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৫০)
৭.   “সাদা কালো ফুলের বাসর, পঞ্চরসে পেতেছি আসর- গো, নিধুবনে নাইকো দোসর, রাঙ্গা ঠোঁটী খাইয়া পান।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৫৪)

নিধুয়ার সংজ্ঞা (Definition of beehive)
সাধারণত; সুরক্ষিত নিধি-ভাণ্ডারকে নিধুয়া বলে।

নিধুয়ার আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of beehive)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; স্ত্রী জননতন্ত্রের সন্তান ধারণ ও লালনপালনে নিয়োজিত অন্ত্রকে নিধুয়া বলে।

নিধুয়ার প্রকারভেদ (Variations of beehive)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; নিধুয়া দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান নিধুয়া ও ২. উপমিত নিধুয়া।

. উপমান নিধুয়া (Analogical beehive)
সাধারণত; সুরক্ষিত নিধি-ভাণ্ডারকে উপমান নিধুয়া বলে।

. উপমিত নিধুয়া (Compared beehive)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; স্ত্রী জননতন্ত্রের সন্তান ধারণ ও লালনপালনে নিয়োজিত অন্ত্রকে উপমিত নিধুয়া বলে।

নিধুয়ার পরিচয় (Identity of beehive)এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর জরায়ু পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা বিশেষ। সাধারণত; সুরক্ষিত নিধি-ভাণ্ডারকে নিধুয়া বলা হয়। শ্বরবিজ্ঞানে; নিধুয়া, মথুরা, কাশী, বৈকুণ্ঠ, স্বর্গ ও স্বাধিস্থান ইত্যাদি বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষার ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। এসব বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা দ্বারা সাধুগণ কেবল জরায়ুকেই বুঝিয়ে থাকেন। জরায়ুকে নিধুয়া বলার কারণ হলো; জরায়ু হতে অমৃতসুধা সদৃশ অমূল্য নিধি নিঃসরিত হয়। মানুষের বারোজন প্রধাণ দেবতার মধ্যে জরায়ুর মধ্যেই তিনজন দেবতা অবতরণ করেন। নিধুয়াকে বিশ্বকর্মা সাঁইয়ের আবাসস্থল বলা হয়। এখানে; সাধন-বিশ্বের সব উপাস্য অবতরণ করেন। এজন্য; একে গুপ্তধনাগার (hidden-treasures) বা গুপ্ত ধনভাণ্ডারও বলা হয়। এখানেই; বিশ্বের সব জীব লালিতপালিত হয়। এছাড়া; সর্বপ্রকার ফলবান উদ্ভিদও জরায়ুর মধ্যেই নিষিক্ত হয় ও পরিপূর্ণ বিকশিত হয়। জরায়ু প্রাণী ও উদ্ভিদের ভ্রূণ সৃষ্টি ও প্রতিপালনে যথেষ্ট ভূমিকা পালন করে। তাই; জরায়ুকে জীবের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ বলা হয়।

মজার বিষয় হলো; বাংলাদেশেই নিধুয়া, নিধুয়া-পাথার ও নিধুয়া-বন্দর নিয়ে এ যাবত অনেক মরমীগীতি নির্মিত হয়েছে এবং বর্তমানেও হচ্ছে। বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা আড়ালে রেখে বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা দ্বারাই যে পুরাণ নির্মাণ করা হয়; তা প্রমাণ করার জন্য এ একটি উপমায় যথেষ্ট। কারণ; এখনও বাংলাদেশের কোথাও নিধুয়া, নিধুয়া-পাথার ও নিধুয়া-বন্দর আছে বলে জানা নেই।

কোন নিধুয়া-প্রেমিক; নিধুয়া নামে গাড়ি, গ্রাম, বিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠান এখনও নির্মাণ করে নি। আরও কয়েকশত বছর পর যদি নিধুয়া নামে বিপণি, বিদ্যালয়, প্রতিষ্ঠান ও বন্দর গড়ে ওঠে; তবে তার পরবর্তীকালের লোকজন বলবে নিধুয়া নামক এসব প্রতিষ্ঠান হতেই গীতিকাররা নিধুয়া পরিভাষাটি গ্রহণ করে; গীতিকাব্য নির্মাণ করেছেন। বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা বিদ্বেষীরা একবার ভেবে দেখবে কী, নিধুয়া, নিধুয়া-বন্দর ও নিধুয়া-পাথার নামক বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা আগে নির্মিত; নাকি নিধুয়া নামে স্থাপিত প্রতিষ্ঠান আগে নির্মিত? অর্থাৎ; ডিম আগে নাকি মুরগী আগে সৃষ্টি এমন আরকি?

এরূপেই সুবিজ্ঞ রূপকারগণের দ্বারা অযোধ্যা, গয়া, কাশী ও মথুরা পরিভাষা আগে নির্মিত; নাকি এসব স্থানের নাম হতে পরে শ্বরবিজ্ঞান, পুরাণের পরিভাষা নির্মিত? তেমনই; সুবিজ্ঞ রূপকারগণের দ্বারা মক্কা, মদিনা, জেরুজালিম ও তায়েফ পরিভাষা আগে নির্মিত; নাকি এসব স্থানের নাম হতে পরে শ্বরবিজ্ঞান, পুরাণে ব্যবহৃত পরিভাষা নির্মিত? এসব প্রশ্নের উত্তর হলো; সুমহান ও সুবিজ্ঞ রূপকারগণ আগে অনুপম শ্বরবিজ্ঞান, পুরাণ নির্মাণ করেন। ঐসব সাহিত্যের মধ্যে চরিত্র ও স্থানের মধ্যে অনেক সুন্দর সুন্দর নাম থাকে। ঐসব চরিত্রের নাম হতে মানুষ ছেলেমেয়ে ও প্রতিষ্ঠানগুলোর নামকরণ করে। আবার শ্বরবিজ্ঞান, পুরাণে বর্ণিত স্থানের নাম অনুসারে অনেকেই স্থানের নামকরণ করে। যেমন; মহাত্মা লালন সাঁইজির নামানুসারে ‘লালনসেতু’ নামকরণ করা হয়েছে। আর বর্তমানে একথা তো সর্বজন স্বীকৃত যে; বাঙালী পুরাণে বর্ণিত চরিত্রগুলোর নামানুসারে হিন্দুরা এখনও তাদের ছেলেমেয়েদের নামকরণ করে। অন্যদিকে; ইসলামী পুরাণে বর্ণিত বিভিন্ন চরিত্রের নামানুসারে মুসলমানরা এখনও তাদের ছেলেমেয়েদের নামকরণ করে। পরিশেষে একথা বলা যায় যে; সারাবিশ্বেই শ্বরবিজ্ঞান, পুরাণে চরিত্র ও স্থানের নাম আগে নির্মিত হয়। অতঃপর; তা দ্বারা মানুষ যুগে যুগে সন্তানের ও স্থানের নামকরণ করে।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!