নিষ্কামিতা

৩১/১. নিষ্কামিতা
Asexuality (এজসেক্সুয়ালিটি)/ ‘اللاجنسية’ (আল্লাজিনসিয়া)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর তীর্থযাত্রা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক সহযোগী মূলক সত্তা পশুবলি। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা তীর্থযাত্রা। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা জিগীষা। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা মুমুক্ষা এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা তীর্থভ্রমণ

অভিধা (Appellation)
নিষ্কাম বিণ বাসনাহীন, কামনাহীন, কামশূন্য, ফল আকাঙ্ক্ষাহীন, asexual.
নিষ্কামী বিণ অটল, অমর, রতীনিয়ন্ত্রণকারী, মৈথুনে রতীরক্ষাকারী, asexual.
নিষ্কামিতা (বাপৌরূ)বি কামহীনতা, কামশূন্যতা, আকাঙ্ক্ষাহীনতা, asexuality, ‘اللاجنسية’ (আল্লাজিনসিয়া) বিণ নিষ্কামী (শ্ববি) অটল গমনাগমন, রতীহীন সঙ্গম (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর তীর্থযাত্রা পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) ১. সাধারাণত; কোনকিছু ক্রম ম্রিয়মান বা নিষ্ক্রিয়মান করাকে বাংলায় ‘নিষ্কামিতা বলা হয় ২. বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে, শুক্র নিয়ন্ত্রণের দ্বারা কামের ওপর বিজয়লাভ করাকে রূপকার্থে ‘নিষ্কামিতা বলা হয় (বাপৌছ) তীর্থভ্রমণ (বাপৌচা) মুমুক্ষা (বাপৌউ) জিগীষা (বাপৌরূ) নিষ্কামিতা (বাপৌমূ) তীর্থযাত্রা {বাং. নি (না) + বাং. কাম}

নিষ্কামিতার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of asexuality)
১.   “কাম থেকে যে নিষ্কামী হয়, কামরতী হয় শক্তির আশ্রয়, লালন ফকিরে- ফাঁকে ফিরে, কঠিন দেখেশুনে।” (পবিত্র লালন- ২৪২/৫)।২.   “কামী থেকে নিষ্কামী কী হয়, আজব কথা এও শোনা যায়, তার মর্ম কে মোরে কয়, লালন তাই ভাবে বসে।” (পবিত্র লালন- ৩৬৬/৪)।৩.   “নিষ্কামী নির্বিকার হয়ে, দাঁড়াও মায়ের স্মরণ লয়ে, বর্তমানে দেখ চেয়ে, স্বরূপে রূপনিশানা।” (পবিত্র লালন- ৮৬/৩)।৪.   “নিষ্কামী নির্বিকার হয়ে, যে থাকবে সে চরণ চেয়ে, শ্রীরূপ এসে তারে লয়ে, যাবে রূপের দ্বারায়।” (পবিত্র লালন- ৭০০/৩)।৫.   “নিষ্কামী নির্বিকার হলে, জিয়ন্তে মরে যোগ সাধলে, তবে খাতায় ওয়াসিল মিলে, নইলে উপায় কই দেখি।” (পবিত্র লালন- ৬৩/৩)।৬.   “বলবো কী সে প্রেমের বাণী, কাম থেকে হয় নিষ্কামী, শুদ্ধ সহজরস- করে বিশ্বাস, দোহার মন করে দোহারভাবে।” (পবিত্র লালন- ৯৪৯/৩)।৭.   “সে প্রেমের করণ করা, কামের ঘরে নিষ্কামী যারা, নির্হেতু প্রেমে অধর ধরা, ব্রজগোপীর ঠাঁই।” (পবিত্র লালন- ৯৬৬/২)

নিষ্কামিতার সংজ্ঞা (Definition of asexuality)
সাধারণত; কোনকিছু ক্রম ম্রিয়মান বা নিষ্ক্রিয়মান করাকে নিষ্কামিতা বলে।

নিষ্কামিতার আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of asexuality)
১.    বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; শুক্র নিয়ন্ত্রণের দ্বারা কামের ওপর বিজয়লাভ করাকে নিষ্কামিতা বলে।
২.   বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; সঙ্গম বা কামের ওপর বিজয়লাভ করাকে নিষ্কামিতা বলে।

নিষ্কামিতার প্রকারভেদ (Variations of asexuality)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে নিষ্কামিতা দুই প্রকার। যথা; ১.শুক্র নিয়ন্ত্রণ নিষ্কামিতা ও ২.কাম বর্জন নিষ্কামিতা।

শুক্র নিয়ন্ত্রণ নিষ্কামিতা (Asexuality of semen control)
১.   মৈথুনে সার্বক্ষণিকভাবে শুক্র নিয়ন্ত্রণ করাকে শুক্র নিয়ন্ত্রণ নিষ্কামিতা বলে।
২.   মৈথুনে শুক্রপাত সম্পূর্ণ বন্ধ রাখাকে শুক্র নিয়ন্ত্রণ নিষ্কামিতা বলে।

কাম বর্জন নিষ্ককামিতা (Asexuality of lust leave)
চিরতরে নারী-সঙ্গম পরিত্যাগ করাকে কাম-বর্জন নিষ্কামিতা বলে।

নিষ্কামিতার উপকার (Benefits of asexuality)
১.   নিষ্কামিতা অর্জন করলে সহজে চুল দাড়ি পাকে না।
২.   এর দ্বারা মৈথুনে পূর্ণ তৃপ্তিলাভ করা যায়।
৩.   এর দ্বারা সুস্বাস্থ্য রক্ষা করা যায়।
৪.   এর দ্বারা জন্ম নিয়ন্ত্রণের কোনো প্রয়োজন হয় না। এজন্য; অর্থও সাশ্রয় করা যায়।
৫.   এর দ্বারা কামজয়ী সাধকগণ সাঁই ও কাঁইয়ের দর্শনলাভ করে থাকেন।
৬.   যৌবনকাল হতে নিষ্কামিতা অবলম্বন করলে দীর্ঘায়ুলাভ করা যায়।

নিষ্কামিতার পরিচয় (Identity of asexuality)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর তীর্থযাত্রা পরিবারের একটি বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা বিশেষ। কোনকিছু ক্রম ম্রিয়মান বা নিষ্ক্রিয়মান করাকে নিষ্কামিতা বলা হয়। মৈথুন দ্বিপস্থ জীবের সহজাত প্রবৃত্তি। এজন্য; জীবমাত্রই মৈথুন ব্যতীত উপস্থ সংযম করতে ব্যর্থ। অনেক অজ্ঞ-সাধক ভেবে থাকেন, নিষ্কাম অর্থ মৈথুন হতে চিরতরে বিরত থাকা। কিন্তু বিষয়টি আদৌ তা নয়। মৈথুন হতে চিরতরে বিরত হলে, জীবন ও জন্ম পরিপূর্ণই ব্যর্থতায় পর্যবশিত হয়। তাই; নিষ্কাম অর্থ এমন ভাবা কখনও ঠিক হবে না যে; কখনও মৈথুন করাই যাবে না। বিশ্বের প্রায় জীবই মৈথুন প্রিয় এবং তারা মৈথুনে রত হয়। অবশেষে সব প্রাণীই মৈথুনে শুক্রপাত করেই চরম পুলকলাভ করে। মানুষ শ্রেষ্ঠ-জীব রূপে চিন্তা করা প্রয়োজন যে; অবোধ ও নির্বোধ প্রাণীরা তো এমন করতেই পারে কিন্তু আমরা মানুষ শ্রেষ্ঠ-জীব রূপে নির্বোধ পশুপাখির মতো শুক্রপাতকেই চরমপুলক ধারণা করলে, শুক্রপাতের দিক দিয়ে নির্বোধ পশুপাখি ও বুদ্ধিমান মানুষের মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকে না। তারাও শুক্রপাত করে আমরাও শুক্রপাত করি, তবে তাদের এবং মানুষের মধ্যে শুক্রপাতকারী জীব রূপে কোনো পার্থক্য থাকে না। এ দিকটি বিবেচনা করে আদিকালের সাধু ও সন্ন্যাসীগণ জ্ঞানীদের জন্য নিষ্কামিতা পদ্ধতির আবিষ্কার করেন। কারণ; পুরুষ জীবনে নিষ্কামিতার কোনো বিকল্প নেই।

নিষ্কামিতা হলো; কামের সময় পুরুষজাতি তাদের শুক্র নিয়ন্ত্রণ করবে। অর্থাৎ; নিয়মিত মৈথুন  করেও তাদের একফোঁটা শুক্রও ক্ষয় হবে না। পশুপাখি যেখানে শুক্রপাত দ্বারা চরম পুলকলাভ করে, জ্ঞানীরা সেখানে শুক্ররক্ষার দ্বারা কামের পরিপূর্ণ তৃপ্তিলাভ করে বা পরিপূর্ণ প্রশান্তিলাভ করে। এজন্য; নিষ্কামী হতে হলে মৈথুন একেবারে ছেড়ে দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। তবে; প্রয়োজন হলো কামের নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং এ প্রশিক্ষণের জন্য প্রয়োজন দিব্যজ্ঞানী গুরুদেবের দীক্ষা। একজন আধ্যাত্মিক-জ্ঞানী গুরুদেবের নিকট হতে, যথাযথ গুরুপাঠ গ্রহণ করে, ক্রমান্বয়ে কামের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করলে, অনায়াসে নিষ্কামী হওয়া যায়। নিষ্কামী হওয়ার জন্য এ আত্মদর্শনের মধ্যেই শুক্র-নিয়ন্ত্রণ ছোড়ান (চাবি) রয়েছে। উক্ত ছোড়ান চেপে ধরে মন মতো সময় মৈথুন  করলেও একবিন্দুও শুক্রপাত হয় না। বিস্তারিত সাধকগুরু ও গোঁসাইয়ের নিকট জানার জন্য পরামর্শ রইল। মানবকুলে জন্ম নিয়ে মৈথুন বিজয়ী হওয়া কষ্টসাধ্য ব্যাপার। সবার দ্বারা এহেন কঠিন সাধন সম্ভব নয়। তবু সবারই মৈথুন হতে ক্রমান্বয়ে নিষ্কামী হওয়ার চেষ্টা বা প্রয়াস করা একান্ত প্রয়োজন। মৈথুন হতে নিষ্কামী হতে না পারলে জীবনে কখনই মৈথুন বা সঙ্গমের প্রকৃত স্বাদ আস্বাদন করা যায় না। এছাড়াও; নিষ্কামী না হতে পারলে সাঁইসাধন ও কাঁইসাধন করা সম্ভব নয়। এ ব্যাপারে মহাত্মা লালন সাঁইজি লিখেছেন; “হায়রে মজার তিলেখাজা, দেখলি না মন কেমন মজা, লালন কয় বিজাতির রাজা, পড়ে আছে সে অকূলে।” (পবিত্র লালন- ৬১৬/৪)। অর্থাৎ; নিষ্কামী হওয়ার পূর্বে কেউ সঙ্গমের কোনো স্বাদই আস্বাদন করতে পারে না।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!