নীর

৯৬/৩. নীর
Aqua (এ্যাকোয়া)/ ‘مائية’ (মায়িয়া)

ভূমিকা (Prolegomenon)

এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর সৃষ্টিকর্তা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা সৃষ্টিকর্তা। এর বাঙালী পৌরাণিক সহযোগী মূলক সত্তা মধুচন্দ্রিমা। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা কাঁই। এর অন্যান্য বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা ঘি, পীযূষ, মধু শস্য। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা অসিত, কালা, কালু, কৃষ্ণ ব্রহ্মা এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা আদি, সূর্য, স্রষ্টা, স্বায়ম্ভূ হর। এ পরিভাষাটি শ্বরবিজ্ঞানের বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণীতে বর্ণিত কামরস’, ‘দুগ্ধ’, ‘মূত্র’, ‘রজ’, ‘শুক্র’, ‘পালনকর্তাসৃষ্টিকর্তা এ ৭টি বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার ব্যাপক পরিভাষা রূপে ব্যবহৃত হয়। এজন্য; বর্ণনার ক্ষেত্র অনুযায়ী এর সঠিক দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি উদ্ঘাটন করা একান্ত প্রয়োজন।

অভিধা (Appellation)
নীর (বাপৌউ)বি অম্বু, অশ্রু, উদক, জল, পয়, বর্ষণ, বারি, বৃষ্টি, বৃষ্টিপাত, সলিল, aqua, ‘مائية’ (মায়িয়া) (শ্ববি) . কাঁই, ব্র‏হ্মা, বিরিঞ্চি, কাজলা, কালা, কালু, কেলে, কালিয়া, কৃষ্ণ, শ্যাম, শ্যামল, শ্যামলা, melanin, ‘ميلانين’ (মিলেনিন) . ঈশ্বর, অনন্ত, কালোঈশ্বর, প্রজাপতি, হিরণ্যগর্ভ, বিধাতা, বিবস্বান, স্বায়ম্ভূ (প্রাঅ) নির্মাতা, সৃষ্টিকর্তা, জগৎস্রষ্টা, পিতা, জনক, creator, author, খালিক্ব (.ﺨﺎﻟﻖ) (ইদে) আল্লাহ (.ﺍﻠﻠﻪ), ইসা (.ﻋﻴﺴﻰٰ), মসিহ (.ﻤﺴﻴﺢ), শাম (.ﺷﺄﻢ), শামস (.ﺸﻤﺲ), শিশ (.ﺸﻴﺶ) (ইংপ) Lord, maker, designer (ব্য্য) জল ব্যতীত কোনো জীব সৃষ্টি হতে পারে না বলে জলকে সৃষ্টিকর্তা বলা হয় (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর সৃষ্টিকর্তা পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা). সাধারণত; তরল পানীয়কে জল বা নীর বলা হয় . মানবদেহে প্রাপ্ত কালোবর্ণের অমৃতজলকে সৃষ্টিকর্তা বা রূপকার্থে জল বা নীর বলা হয় (বাপৌছ) আদি, সূর্য, স্রষ্টা, স্বায়ম্ভূ ও হর (বাপৌচা) অসিত, কালা, কালু, কৃষ্ণ ও  ব্রহ্মা (বাপৌউ) ঘি, নীর, পীযূষ, মধু ও শস্য (বাপৌরূ) কাঁই (বাপৌমূ) সৃষ্টিকর্তা।

নীরের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি  (Some highly important quotations of aqua)
১.   “নীরে নিরঞ্জন আমার, আধলীলা করেন প্রচার, হলে আপন জন্মের বিচার, সব জানা যায়।” (পবিত্র লালন- ৮৮৬/৩)
২.   “প্রেমযমুনা চৌদ্দভুবন, তিনঘাটে রয় তিনজন, মাঝখানে স্বরূপ কিরণ, ভাসছে সে নীরাকারে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩০০)
৩.   “বলবো কী সে পড়শির কথা, তার হস্ত পদ স্কন্ধ মাথা, নাইরে, ক্ষণেক থাকে শূন্যের ওপর, আবার ক্ষণেক ভাসে নীরে।” (পবিত্র লালন- ১২৯/৩)
৪.   “মেঘে যেমন সৌদামিনী, এ দেহে সাঁই বাস তেমনি, সকাল সাঁঝে ভাঁসেন তিনি, নীরাকারে বায়ু ধরে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩০৪)

নীরের কয়েকটি সাধারণ উদ্ধৃতি (Some ordinary quotations of aqua)
১.   “অনুরাগের চাষা হয়ে প্রেমের করো চাষ, তাতে শুকাবে ঘাস, জমিনেতে নীর ঝরবে কৃষি হবে, ফলবে যত সোনা।” (পবিত্র লালন- ৪৪৪/২)
২.   “অন্ধকারে রতীদানে, ছিল পতির রূপদর্পণে, হলো পতির সঙ্গে গতি, হলো নীরে নীরে পদ্মময়।” (পবিত্র লালন- ৮৯৮/৩)
৩.   “আছিল সাঁই নিরাকারে, ছিল কুদরতির জোরে, সংসার সৃজনের কালে ধরিল, নীরের আকার।” (পবিত্র লালন- ২০৩/২)
৪.   “আপ্ততত্ত্বে ফাজিল যারা, নিগূঢ়লীলা দেখছে তারা, নীরে নিরঞ্জন অকৈতবধন, লালন খুঁজে বেড়ায় বন জঙ্গলে।” (পবিত্র লালন- ১৭৮/৪)
৫.   “আবিম্ব উথলিয়ে নীর, পুরুষ-প্রকৃতি হয় কে কার, দোহার প্রেম শৃঙ্গার, প্রেম শৃঙ্গারে উভয় উভয়ের, শেষে লেনাদেনা হয়।” (পবিত্র লালন- ৬৫১/৩)
৬.   “আবিম্ব উথলিয়ে নীর, হতেছে সে নীরাকার, ডিম্বরূপ হয় গো তার, সৃষ্টির ছলে।” (পবিত্র লালন- ৯২/৩)
৭.   “একদিন সাঁই নীরাকারে, ভেসেছিল ডিম্বুভরে, ডিম্বু হতে আসমান জমিন, গঠলেন দয়াময়।” (পবিত্র লালন- ৯৩৬/২)
৮.   “একি অনন্তভাব হায় গো ধনী দেখালে এবার, ক্ষণেক পুরুষ ক্ষণেক নারী, ক্ষণেক হও নীরাকার।” (পবিত্র লালন- ২০৩/১)
৯.   “কিবারে কুদরতি খেলা, জলের মাঝে অগ্নিজ্বালা, খবর জানতে হয় নিরালা, নীরে ক্ষীরে আছে জ্যোতি।” (পবিত্র লালন- ২২২/২)
১০. “কারণনদীর জলে একটা, যুগলমীন খেলছে নীরে, ঢেউয়ের ওপর ফুল ফুটেছে, তার ওপর চাঁদ ঝলক মারে।” (পবিত্র লালন- ৯৩৬/১)
১১.  “খেলছে মানুষ নীরে ক্ষীরে, আপনাপন ঘর খুঁজ মন আমার, কেন হাতড়ে বেড়াও কুলের ঘোরে।” (পবিত্র লালন- ৩৮১/১)
১২. “গয়া কাশী বৃন্দাবনে- উদয় হয়রে কত নামে, যে যায় মক্কা মদিনে- নিতে তারই চরণধুলা, সপ্ততল পাতালে গিয়ে- লুকায় সেথা নীর হয়ে, বাতাস রূপে দ্বিদ্বারে- চালায় তার অবলীলা।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১১১)
১৩. “গোলে হরি বললে কী হয়, নিগূঢ়-তত্ত্ব নিরালা পায়, নীরে ক্ষীরে যুগলে রয়, (সাঁইয়ের) বারামখানা সেখানে।” (পবিত্র লালন- ৭০২/৩)
১৪. “নিগূঢ়ে নিগমেতে সাঁই জলাকার স্বরূপ ধরি, নীরাকারে চলেফেরে বলিতে সে রূপ ডরি, হাজার মাস হলে তাপন- নীরাকার হয় নিরঞ্জন, জলাকারে হয় বরিষণ- বানে ভাসে জন্মনালা।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৪০)
১৫. “নীরনদী গভীরে ডুবা কঠিন হয়, ডুবলে কত আজব ফল দেখা যায়, সে নীরভাণ্ড– পোরা ব্রহ্মাণ্ড, কাণ্ড বলতে নয়ন ঝরে।” (পবিত্র লালন- ৩৮১/৩)
১৬. “নীর নূরে গুপ্তবারি, সাঁই রেখেছেন ঘিরে, ছিল নীরাকারে আদ্য-নূর, অচিন-মানুষ কয় যারে।” (পবিত্র লালন- ৬০৫/১)
১৭.  “নীরাকার জ্যোতিতে এ ধরণীতে আসে দিনমণি, ভবে তারা সদাই পায় দরশন যারা জ্ঞানী-গুণী, রাসুল হলো তত্ত্ববাহক- অধ্যাত্ম্যজ্ঞানের ধারক, আত্মা ইন্দ্রিয় উদ্দীপক বহনকারক পানি।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৭৩)
১৮. “নীরাকার হলে নিরঞ্জন, করবে সে সাঁই ভোজনা, বিনয় করে বলে বলন, ভজ সাধুর চরণখানা।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৫৮)
১৯. “নীরাকারে দু’জন নূরী, ভাসছে সদাই, ঝরার ঘাটে যুগান্তরে হচ্ছে উদয়।” (পবিত্র লালন- ৬০৬/১)
২০. “নীরাকারে ভাসছেরে এক ফুল, বিধি বিষ্ণু হর আদিপুরন্দর, সে ফুলের ঊল হয় মাতৃফুল।” (পবিত্র লালন- ৬০৭/১)
২১. “নীরাকারে মর্ত্যে আসে যায়- রূপ ধরে আকারে লুকায়, কৃত্রিমগুরু আকার গায়- ত্রিমণ্ডলে তার খেলা, দেশ বেড়িয়ে রূপ ভাঁড়িয়ে- ধরা দেয় আকারে গিয়ে, প্রেমরশ্মি গলে দিয়ে- নিঠাঁইপুর মিলায় মেলা।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১১১)
২২. “নীরাকারের ওপর, পয়দা করে নবির নূর, নূরের হুজরার ভিতর, নূর-নবির আসন রয়।” (পবিত্র লালন- ৯৩৬/৩)
২৩. “নীরে নিরঞ্জন হলো, নূর ছিল কিরূপ, পাঁচপাঞ্জাতন কোন নূরে হলো।” (পবিত্র লালন- ৬০৮/১)
২৪. “পাক-পাঞ্জাতন সঙ্গে করে, ভাসছেন আল্লাহ নীরাকারে, হাসান হোসাইন ফাত্বিমা আলি, কেউ কাউকে ছাড়া নয়।” (পবিত্র লালন- ৬১৮/৩)
২৫. “বলন কাঁইজি হইল চেতন সাঁই-গতি দেখিয়া, ধরতে তারে বায়ুঘরে সদাই রয় ফাঁদ পাতিয়া, প্রেমসুধা নীর হইয়া- চলেফেরে প্রেমনদ দিয়া, হাজার বছরের তাপ লইয়া মেঘ রূপে হয় বরিষণ।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৯)
২৬. “ভাবের-মানুষ ভাবের খেলা, ভাবে বসে দেখ নিরালা, নীরেতে ক্ষীরেতে ভেলা, বয় জ্যোতি।” (পবিত্র লালন- ৫৩৭/২)
২৭. “মি’রাজের কথা শুধাব কারে, আদমতন নীরাকার মিথ্যা কী করে।” (পবিত্র লালন- ৭৯০/১)
২৮. “যদি ফুলের সন্ধিঘরে, বিন্দু পড়ে ঝরে, রসিক ভেয়ে কী হাতে পায় তারা, নীরে ক্ষীরে মিশায়- পড়ে দুর্দশায়, না মিশালে সফল তারা।” (পবিত্র লালন- ৭৮৮/২)
২৯. “যেদিন সাঁই নীরাকারে, ভেসেছিলেন ডিম্ব ভরে, কিরূপ থেকে তার মাঝারে, কিরূপে গণ্য হয়।” (পবিত্র লালন- ২৮৬/২)
৩০. “লামে আলিফ রয় যেমন, মানুষে সাঁই আছে তেমন, নীরে ক্ষীরে তেমনই মিলন, বলতে নয়ন ঝরে।” (পবিত্র লালন- ৫৭০/২)
৩১. “শূন্যদেশে মেঘের উদয়, নীরদবিন্দু বরিষণ তায়, তাতে ফলছে ফল- রঙ বেরঙ হাল, আজব কুদরতি কল ভাবের ঘরে।” (পবিত্র লালন- ৩৮১/২)।৩২. “সদাই সে নিরঞ্জন নীরে ভাসে, যে জানে সে নীরের খবর, নীর ঘাটায় তারে খুঁজলে পায় অনায়াসে।” (পবিত্র লালন- ৯০৯/১)
৩৩. “সাঁই নীরাকারে বুলি বলে, থেকে সাততল পাতালে, বলন কাঁইজি ভাবিয়া বলে, ঐ ঠিকানা বায়ুর ঘরে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৪৭)
৩৪. “সামান্যে কে গো জানবে তারে, আজব মীন রূপে সাঁই খেলছে নীরে।” (পবিত্র লালন- ৯৫০/১)
৩৫. “সাঁইয়ের নিগূঢ়লীলা বুঝতে পারে, এমন সাধ্য নাই, নীরাকারে হয় সাঁইয়ের স্বরূপ নির্ণয়।” (পবিত্র লালন- ৯৩৬/১)
৩৬. “স্বরূপের নীরাকারা খিড়কি মারা, অজানা অচিনপুরে, আয়তন অবস্থান নাই আপনি ঘুরে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩০৪)

জরায়ু অর্থে নীরপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology aqua sense for uterus)
১.   “নীরনদী গভীরে ডুবা কঠিন হয়, ডুবলে কত আজব ফল দেখা যায়, সে নীরভাণ্ড- পোরা ব্রহ্মাণ্ড, কাণ্ড বলতে নয়ন ঝরে।” (পবিত্র লালন- ৩৮১/৩)
২.   “স্বরূপের নীরকারা খিড়কি মারা, অজানা অচিনপুরে, আয়তন অবস্থান নাই আপনি ঘুরে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩০৪)

নীরের ওপর একটি পূর্ণ লালন (A full Lalon on the aqua)
সদাই সে নিরঞ্জন নীরে ভাসে,
যে জানে সে নীরের খবর,
নীর ঘাটায় তারে খুঁজলে, পায় অনায়াসে।

বিনা মেঘে নীর বরিষণ,
করতে হয় তার অন্বেষণ,
জগৎ সৃজন ডিম্বের কারণ,
ভেসে অবিম্ব শম্ভু-রসে।

যথা নীরের হয় উৎপত্তি,
সে আবেশে জন্মে শক্তি,
মিলন হয় যুগলরতী,
ভাসে তখন নীরাকারে এসে।

নীরে নিরঞ্জন অবতার,
নীরেতে করে সংহার,
সিরাজ সাঁইজি কয় বারবার, দেখরে লালন আত্মতত্ত্বে বসে” (পবিত্র লালন- ৯০৯)

নীরের সংজ্ঞা (Definition of aqua)
সাধারণত; তরল পানীয়কে নীর বলে।

নীরের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of aqua)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; মানবদেহে প্রাপ্ত কালোবর্ণের অমৃতজলকে সৃষ্টিকর্তা বা রূপকার্থে নীর বলে।

নীরের প্রকারভেদ (Variations of aqua)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; নীর দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান নীর ও ২. উপমিত নীর।

. উপমান নীর (Analogical aqua)
সাধারণত; তরল পানীয়কে উপমান নীর বলে।

. উপমিত নীর (Compared aqua)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে মানবদেহে প্রাপ্ত কালোবর্ণের অমৃতজলকে সৃষ্টিকর্তা বা উপমিত নীর বলে।

নীরের পরিচয় (Identity of aqua)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর সৃষ্টিকর্তা পরিবারের অধীন একটি বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে; এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় একেক প্রকার পরিভাষায় ব্যবহার হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না। সাধারণত; তরল পানীয়কে নীর বলা হয় কিন্তু শ্বরবিজ্ঞানে; দুগ্ধ, শুক্র, সুধা, মধু, কামরস, মূত্র ও রজকে নীর বলা হয়। তবে; এখানে; কেবল সৃষ্টিকর্তাকেই নীর বলা হয়েছে। সারা বিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুরাণে ব্যবহৃত নীর পরিভাষাটির দ্বারা উক্ত ৭টি সত্তাকেই বুঝানো হয়। তবে; কেবল ব্যবহারের ক্ষেত্র অনুযায়ী অত্যন্ত সতর্কতার সাথে এর অভিধা উদ্ঘাটন করা সব পাঠক-পাঠিকা ও অনুরাগীদের একান্ত প্রয়োজন।

সারা বিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক এবং পারম্পরিক পুরাণে এ ‘নীর’ পরিভাষাটির অধিক অধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা গেলেও এটি; কোথাও সাধারণ জল অর্থে ব্যবহার হওয়ার দৃষ্টান্ত পাওয়া যায় না। আমরা সম্পূর্ণ লালন ও বলন অন্বেষণ করে দেখেছি কোথাও সাধারণ জলকে নীর বলা হয় নি। তাহলে এ হতে অনুমান করা যায় যে; বিশ্বের সর্ব সম্প্রদায়ের সাম্প্রদায়িক গ্রন্থাদির মধ্যে ব্যবহৃত নীর পরিভাষাটির দ্বারা কোথাও সাধারণ জল বুঝানো হয় নি। অথচ বড় অবাক হবার বিষয় হলো, সারা বিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মনীষী, বক্তা, ব্যৈখ্যিক, টৈকিক, অভিধানবিদ ও অনুবাদকরা শ্বরবিজ্ঞানে ব্যবহৃত নীর পরিভাষাটির দ্বারা কেবল জল বুঝেন ও বুঝিয়ে থাকেন। এজন্য; সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিকরা কখনই প্রকৃত আত্মদর্শন বা দিব্যজ্ঞানের সন্ধান পায় না। যেমন; সাম্প্রদায়িক মনীষী ও বক্তারা নিজেরাও কানা; তেমনই; তাদের অনুসারীরাও কানা।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!