নৌকা

৬৮/৪. নৌকা
Boat (বোট)/ ‘ﻔﻟﻚ’ (ফুল্ক)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর ভগ পরিবারের অধীন গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক অশালীন মূলক সত্তা যোনিমুখ। এর রূপান্তরিত মূলক ভগ। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা ঘাট। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা গোধূম ধনুক। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা কুব্জা গাণ্ডিব এবং এর অন্যান্য বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা ব্রজঘাট। এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর দেহভগ প্রভৃতি বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার রূপক বা ব্যাপক পরিভাষা রূপেই ব্যবহৃত হয়। সেজন্য; এর সঠিক আত্মতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি উদ্ঘাটন করা সব পাঠক-পাঠিকার একান্ত প্রয়োজন।

অভিধা (Appellation)
নৌকা (বাপৌছ)বি বুহিত, নাও, তরী, তরণী, পোত, জলযান, দাবা খেলার গুটি বিশেষ, boat, ‘ﻔﻟﻚ’ (ফুল্ক) (শ্ববি) ভগ, যোনিমুখ, vulva, বোদা (.ﺑﺿﻌﻪ) (রূপ্রশ) ধনুক, পথ (ফাপ) গন্দম (ফা.ﮔﻨﺪﻢ), দরজা (ফা.ﺪﺭﻮﺍﺯﻩ) (ইপ) মিম্বর (.ﻤﻧﺒﺮ), সুরাখ (ফা.ﺴﻭﺭﺍﺥ) (ইদে) নুহ (.ﻨﻭﺡ), সুলায়মান (.ﺴﻟﻴﻤﺎﻦ) (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর ভগ পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা) . এক প্রকার জলযানকে নৌকা বলা হয়. শ্বরবিজ্ঞানে; যোনির বহির্দ্বারকে ভগ বা রূপকার্থে নৌকা বলা হয় (বাপৌছ) নৌকা ও ব্রজঘাট (বাপৌচা) কুব্জা ও গাণ্ডিব (বাপৌউ) গোধূম ও ধনুক (বাপৌরূ) ঘাট (বাপৌমূ) ভগ।

নৌকার উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of boat)
১.   “আগে জানলে তোর ভাঙ্গা নৌকায় চড়তাম না, আরে ও আমার দরদী, দূরদেশে পাড়ি ধরতাম না।” (পবিত্র লালন- ৭২/১)
২.   “এ দেশেতে এ সুখ হলো, আবার কোথায় যাই না জানি, পেয়েছি এক ভাঙ্গা নৌকা, জনম গেল সেচতে পানি।” (পবিত্র লালন- ২১৬/১)
৩.   “গুরু বলো নৌকা খোল, সাধের জোয়ার যায়, মন-পবনের ঢেউ ওঠেছে, প্রেমের বাদাম দাও নৌকায়।” (পবিত্র লালন- ৪০০/১)
৪.   “পারে কে যাবি নবির নৌকাতে আয়, রূপ-কাষ্ঠের নৌকাখানি নাই ডুবার ভয়।” (পবিত্র লালন- ৬৩০/১)

নৌকার কয়েকটি সাধারণ উদ্ধৃতি (Some ordinary quotations of boat)
১.   “এ দেহের মাঝে নদী আছে, সে নদীতে নৌকা চলছে, ছয়জনাতে গুণ টানে, কেবল হাল ধরে একজনা।” (পবিত্র লালন- ৫২৮/৩)
২.   “দয়াল কতজন হলো পার তোমার নৌকায় চড়ে, সংসারে বন্দি হইয়া আমি একা রইলাম পড়ে, তুমি বিনা হাতে ধরে, গুরু কে নিবে পার করিয়া।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২১৩)
৩.   “নদীর গভীরে থাকে নির্জন, করতে হয় মীন অন্বেষণ, যোগ পেলে ভাটি নৌকা তখন, উজান ধায় আপনি।” (পবিত্র লালন- ৫৬৮/৩)
৪.   “ভাবের ছিপ প্রেমের সুতা, অনুরাগের আদার গাঁথা, যদি সে মীনে গিলে, লালন কয় পারের বেলা, যমেরে দেখিয়ে কলা, গুরু বলে পারের নৌকা খুলো।” (পবিত্র লালন- ১৫৯/৪)
৫.   “মহারসে মত্ত রসবিহারী, সে নৌকায় সাঁই কাণ্ডারী, যার হাতে রসমুরলি- মুখে রসেশ্বরী, লালন বলে সে অখণ্ডশিখর।” (পবিত্র লালন- ২৩০/৪)
৬.   “যে ছুতারের নৌকা গঠন, তারে যদি পেতাম এখন, লালন কয় মনের মতন, সারতাম তরী তার কাছে।” (পবিত্র লালন- ৮০৩/৪)
৭.   “রূপ-কাষ্ঠের নৌকায় চড়ে মাসে মাসে হয় উদয়, কলির জীব তরাতে সাঁই ঘুরতেছে এ জগৎময়, প্রাতঃ সন্ধ্যা দুই ধারাতে- পার করে পার ঘাটাতে, হাত ধরে কাঙ্গলের হাতে- পেলে সঠিক সন্ধানী।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২১৪)
৮.   “লীলা দেখে লাগে ভয়, নৌকার ওপর গঙ্গা বোঝাই, ডিঙ্গি বেয়ে যায়।” (পবিত্র লালন- ৮৮০/১)
৯.   “সাঁইকে যে না চেনে, তারে নৌকায় নিবে কেনে, ফেলে দিবে ঘোর তুফানে, মরবি তখন।” (পবিত্র লালন- ৪৮২/৩)

সাধারণ নৌকাঅর্থে নৌকাপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology boat sense ordinary boat)
১.   “দুই মন এক না হলে, মরণ হয়রে যাঁতাকলে, হেন জনম যায় বিফলে, হাল বিনা নৌকা চলে না।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৬৯)।
২.   “নৌকা ঠিক নয় বিনা দাঁড়ায়, নিরাকারে মন কী দাঁড়ায়, লালন মিছে ঘুরে বেড়ায়, অধর ধরতে চায় বজরক্ব বিনে।” (পবিত্র লালন- ৫৯৬/৪)

দেহঅর্থে নৌকাপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology boat sense for body)
১.   “আমার সোনার নৌকা গেল তলিয়ে, তরী হয়েছে বানকানা, কেমনে যাব ভব পারে, পাড়ি বুঝি আর জমে না।” (পবিত্র লালন- ১৪১/১)
২.   “চৌদ্দতালা নৌকাখানি, বাঁধ মানে না চুঁয়ায় পানি, অটল রাখি কী দিয়ে, বলন কয় দয়া করে, আমায় নেও গো পারে, নিজ হাতে হাত ধরিয়ে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৯৪)
৩.   চৌদ্দতলা নৌকা গড়ে বৈঠাটি হাতে ধরো, অষ্টাঙ্গে ভর করিয়া সাগরে আঘাত করো, ভরা সাগরের বুক চিরিয়া সঙ্গীসহ পাড়ি দিয়া, দয়াল নাম সঙ্গে নিয়া আপনার আপন দেশে যাও।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৫২)
৪.   “ছয় ডাকাতে দিয়াছে হানা, নৌকাখানা।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১০৯)
৫.   “জলের নৌকা বায়ুর বৈঠা, গোপনে সেই জলকোঠা, বলন কয় জল বারতা, জল ছাড়া কল চলে না।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৮৯)
৬.   “তীর্থে কে কে যাবি আয় সাঁই দর্শনে ভাই, আশিজন যাত্রী নিয়ে বিলাপী নৌকায়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৩২)।৭.   “সে যে নদীর নোনাপানি, তিনটি ধারা প্রবল শুনি, পাড়ি ধর ধারা চেনেরে, কুণ্ডধারাতে ফেলে নৌকা, কুম্ভীপাকে যেন মরে না।” (পবিত্র লালন- ১৪১/৩)

নৌকার ওপর দুটি পূর্ণ বলন (Two full Lalon on the boat)

.                 গুরু বলো নৌকা খোল,
সাধের জোয়ার যায়,
মন-পবনের ঢেউ ওঠেছে,
প্রেমের বাদাম দাও নৌকায়।

পাছের নৌকার মাঝি ভালো,
তারা বেয়ে আগে গেল,
তারা ফিরে ফিরে চায়,
আবার মনমাঝি সে ডেকে বলে,
নাও লাগাইও প্রেমতলায়।

একে তো মোর জীর্ণ তরী,
পাপে বোঝাই হয়েছে ভারি,
কোন্ দিন যেন তরী ডুবে যায়,
লালন বলে গুরু এসে হও কাণ্ডারী,
এ প্রেমনৌকায়।” (পবিত্র লালন- ৪০০)

.                 তোরা দেখরে দিনের রাসুল,
যার কাণ্ডারী এ ভবে,
ভবনদীর ঘোর তুফানে,
তার নৌকা কী ডুবে।

ভুলো না মন কারো ধোঁকায়,
চড় ত্বরিক্বার নৌকায়,
বিষম ঘোর তুফানের দায়,
বাঁচবি তবে।

ত্বরিক্বার নৌকাখানি,
ইশক্ব নাম তার বলে শুনি,
বিনা বাওয়ায় চলছে তেমনি,
রাত্র দিবে।

সে নৌকাতে না চড়ি,
কেমনে দিবে ভব পাড়ি,
লালন বলে ডুবল গাড়ি,
দেখ রে ভেবে।” (পবিত্র লালন- ৫০১)

নৌকার সংজ্ঞা (Definition of boat)
সাধারণত; এক প্রকার জলযানকে নৌকা বলে।

নৌকার আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of boat)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; যোনির বহির্দ্বারকে রূপকার্থে নৌকা বলে।

নৌকার প্রকারভেদ (Variations of boat)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; নৌকা দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান নৌকা ও ২. উপমিত নৌকা।

. উপমান নৌকা (Analogical boat)
সাধারণত; এক প্রকার জলযানকে উপমান নৌকা বলে।

. উপমিত নৌকা (Compared boat)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; যোনির বহির্দ্বারকে রূপকার্থে উপমিত নৌকা বলে।

নৌকার পরিচয় (Identity of boat)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর ভগ পরিবারের অধীন একটি বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে; এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহার হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না। সাধারণত; এক প্রকার জলযানকে নৌকা বলা হয়। অন্যদিকে; শ্বরবিজ্ঞানে স্ত্রী জননাঙ্গ ও ভগ উভয়কেই নৌকা বলা হয়। তবে; এখানে; কেবল ভগকেই নৌকা বলা হয়েছে। বিশ্বের সব সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুরাণের মধ্যে ব্যবহৃত নৌকা পরিভাষাটির দ্বারা কেবল ভগ ও স্ত্রী জননাঙ্গকেই বুঝানো হয়। যোনির বহির্দ্বার দেখনে নৌকার মতো বলেই এর এমন নামকরণ করা হয়েছে। অথচ অত্যন্ত মজার বিষয় হলো বাংভারতের অধিকাংশ সাম্প্রদায়িক, পারম্পরিক, অভিধানবিদ, অনুবাদক, লেখক ও গবেষক পর্যন্ত শ্বরবিজ্ঞানে ব্যবহৃত নৌকাকে কেবল জলযান বলেই বুঝেন ও বুঝিয়ে থাকেন। আত্মতত্ত্বের বিষয়বস্তুকে যখন বহির্জগতের বিষয়বস্তু দ্বারা বুঝানো হয় তখন সাম্প্রদায়িক গ্রন্থাদির মূলশিক্ষা চরমভাবে ব্যহত হয়। পরিশেষে বলতে চাই বর্তমানে আত্মদর্শনের বা শ্বরবিজ্ঞানের সূত্র ও তথ্যাদি সমাজে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যারফলে; এমন অভিধা বিভ্রাটের হাত হতে আত্মরক্ষা করা সব বুদ্ধিমানের একান্ত দায়িত্ব ও কর্তব্য। আলোচনার মূলকথা হলো শ্বরবিজ্ঞানে ব্যবহৃত নৌকা পরিভাষাটির পারিভাষিক অভিধা হলো স্ত্রী জননাঙ্গ। হাস্যকর বিষয় হলো সাম্প্রদায়িকরা শ্বরবিজ্ঞানে ব্যবহৃত এ নৌকা পরিভাষাটিকে জলযান কল্পনা করে, কেউ একে সাধারণ কাঠ দ্বারা নির্মিত ও তিনতলা বলে উল্লেখ করেছে। আবার কেউ একে স্বর্গীয় কাঠ দ্বারা নির্মিত ও চৌদ্দতলা বলে উল্লেখ করেছে।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!