পদ্ম

৮৭/৬. পদ্ম
Lotus (লোটাস)/ ‘زنبق’ (ঝাম্বাক্ব)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর শুক্রধর পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা বিশেষ। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা শুক্র। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা ধন। এর অন্যান্য বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা অমির, আঙ্গুর, ধেনু, নির্যাস, পিতৃধন রুটি। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা দুর্গা, নারাঙ্গী, বেহুলা, রতী, রাধা, সীতা সুন্দরী এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা আদিপিতা, আদিমানব, আদ্যাশক্তি, দৈত্য, মহামায়া, মা স্বর্গীয় ফল। এ পরিভাষাটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর জ্ঞান’, ‘দুগ্ধ’, ‘দেহ’, ‘বলাই’, ‘মূত্র’, ‘রজ’, ‘শুক্র’, ‘পালনকর্তাসৃষ্টিকর্তা ইত্যাদি বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তার ব্যাপক পরিভাষা রূপে ব্যবহৃত হয়। এজন্য; বর্ণনার ক্ষেত্র অনুযায়ী এর সঠিক দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি উদ্ঘাটন করা একান্ত প্রয়োজন।

অভিধা (Appellation)
পদ্ম (বাপৌউ)বি কমল, উৎপল, সরোজ, পঙ্কজ, নলিন, শতদল, রাজীব, কোকনদ, কুবলয়, পুণ্ডরীক, অরবিন্দ, ইন্দীবর, পুষ্কর, তামরস, মৃণাল, lotus, ‘زنبق’ (ঝাম্বাক্ব), এক প্রকার জলজ পুষ্প, ১০,০০,০০০,০০,০০,০০০ সংখ্যক (১০১৩) (প্র) ১.তন্ত্রশাস্ত্রোক্ত দেহের অভ্যন্তরীণ চক্র বিশেষশ্বরবিজ্ঞানে বিশেষ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বস্তুর পরে পদ্ম পরিভাষাটি প্রত্যয়ের মতো ব্যবহৃত হয় (গুরুপদ্ম)। পরিভাষাটি গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষার পরে বসে কিন্তু মূল অর্থের কোনো পরিবর্তন ঘটায় না (শ্ববি) শুক্র, শুক্রাণু, বীর্য, বিন্দু, ধাতু, semen, ‘.ﻤﻧﻰ’ (মনি), ‘.ﻧﻂﻔﺔ’ (নুত্বফা) (রূপ্রশ) গোবিন্দ, জল, বারি, পিতৃধন Jস্ত্রী অহল্যা, কালী, দুর্গা, বৈষ্ণবী, সীতা (ইদে).ﺍﺪﻢ’ (আদম), ‘.عزى’ (উয্যা), ‘.ﺠﻦ’ (জিন), ‘ফা.ﭙﺮﻯ’ (পরি), ‘الزكاة’ (আজ্ঝাকাত), ‘.ﻟﻮﻄ’ (লুত্ব), ‘ﻴﺯﻴﺪ’ (ইয়াজিদ) ‘.ﺯﻟﻴﺠﺎ’ (জুলেখা), ‘. ‘ﺯﻫﺭﺍﺓ’ (জোহরা), ‘.بلقيس’ (বিলকিস) (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর শুক্র পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা). সাধারণত; শাপলাজাতীয় এক প্রকার জলজ পুষ্পকে পদ্ম বলা হয় . মৈথুনে শিশ্ন হতে নিঃসৃত শুভ্রবর্ণের তরল পদার্থকে শুক্র বা রূপকার্থে পদ্ম বলা হয় (বাপৌছ) আদিপিতা, আদিমানব, আদ্যাশক্তি, দৈত্য, মহামায়া, মা ও স্বর্গীয় ফল (বাপৌচা) দুর্গা, নারাঙ্গী, বেহুলা, রতী, রাধা, সীতা ও সুন্দরী (বাপৌউ) অমির, আঙ্গুর, ধেনু, নির্যাস, পদ্ম, পিতৃধন ও রুটি (বাপৌরূ) ধন (বাপৌমূ) শুক্র।

সাধারণ পদ্মঅর্থে পদ্মপরিভাষাটির ব্যবহার
(Using the terminology lotus sense ordinary lotus)
১.   “দেহ ব্যাধি সিদ্ধির, পদ্মপত্রে যেমন নীর, জীবন তেমন রয় অস্থির, কোন সময় কিবা ঘটে।” (পবিত্র লালন- ২৯৬/৪)
২.   “ভরসা নাই এ জিন্দেগানি, যেমন পদ্মপাতার পানি, পড়বে টলে, সুখের বাড়িঘর- কোথায় রবে কার, হক্ব নাহক্ব তাই কী বলে সঙ্গে চলে।” (পবিত্র লালন- ৪৭৯/২)

উপস্থঅর্থে পদ্মপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology lotus sense for genitalia)
১.   “অচিনফুলে বসতি যার, দ্বিদলপদ্মে বারাম তার, দল নিরূপণ হয়েছে যার, মানুষ দেখে অনায়াসে।” (পবিত্র লালন- ৭৮৭/৩)
২.   “যুগলচাঁদ উদয় হয়, দ্বিদলপদ্মে সদাই রয়, মধুপুর কী মথুরায়, বলন শুধু খায় তলানী।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩৯)

জরায়ুঅর্থে পদ্মপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology lotus sense for uterus)
১.   “আগে খুঁজে ধর তারে, ও সে নাসিকাতে চলেফেরে, নাভিপদ্মের মূলদূয়ারে, বসে আছে সর্বক্ষণ।” (পবিত্র লালন- ৫৫০/৩)
২. “ষোল খুঁটি এক আড়া, তিনশত ষাট রগের জোড়া, নাভিপদ্মে হাওয়ার গোড়া, লালন কয় সাতসমুদ্দুর।” (পবিত্র লালন- ৫০৮/৪)

জ্ঞানঅর্থে পদ্মপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology lotus sense for wisdom)
১.   “গুরুপদ্ম শিষ্য-চন্দ্র হয়, শিষ্যপদ্মে গুরু বন্দি রয়, লালন বলে একরূপ হলে, তাদের যুগল আত্মা জানা যায়।” (পবিত্র লালন- ৬০২/৪)
২.   “গুরুর মুখপদ্ম বাক্য, সাধু যারা করে ব্যক্ত, অতি গোপনে, সিরাজ সাঁইজি কয় অবোধ লালন, শক্তি সাধন হয় কোন্ দিনে।” (পবিত্র লালন- ৩৬৮/৪)
৩.   “ঘাট অঘাটায় মনোলোভা, তেমনি, যেন চাঁদের আভা, গুরু বিনা কেবা চেনে, লালন কয় গুরুপদ্ম উপায়।” (পবিত্র লালন- ৫৪৬/৪)

দেহঅর্থে পদ্মপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology lotus sense for corpus)
১.   “আবাদ করি পদ্মবিলে, মন মাতোয়ারা কাম সলিলে, জমিন গেল ধ্বসে, জমিনের বাঁধ বুনিয়াদ ভেসে গেল, কাঁদি জমিনের আলে বসে।” (পবিত্র লালন- ১৪০/৩)
২.   “দলপদ্ম নিরূপণ হয় যার, উপাসনা নাই গো তার, কোথায় কী মিলে, তীর্থব্রতের জন্য- যা করি গণ্য, দেহে তার সব মিলে।” (পবিত্র লালন- ২৯৩/৩)
৩.   “দলপদ্মে রঙ দেখলে পরে, তবেই চেনা যাবে আপনারে, লালন কে বলবে তোরে, করো গুরুর সাধনা।” (পবিত্র লালন- ৫৪৯/৩)

পালনকর্তাঅর্থে পদ্মপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology lotus sense for guardian)
১.   “নিচে পদ্ম উদয় জগৎময়, আসমানে যার চাঁদ চকোরে, কেমন করে যুগল হয়।” (পবিত্র লালন- ৬০২/১)
২.   “নিচে পদ্ম চরকবাণে, যুগলমিলন চাঁদ চকোরা, সূর্যের সঙ্গে নলিন কিরূপে হয় যুগল মিলন, না জেনে মন হলে কেবল, মায়াবশে মাতোয়ারা।” (পবিত্র লালন- ৬০৩/১)
৩.   “ষড়দলের হাজার যোজন পরে, ষোল কলা গণ্য শরীরে, বিশুদ্ধ-চক্রের ঊর্ধ্বে মহাবিজ্ঞান, দ্বিদল কমলের পরে, জীবের বিন্দু ঝরে পড়ে সিন্ধু পাথারে, লালন বলে জোড়াপদ্ম নীলপদ্ম, ভেদ করো অতি দীপ্তকার।” (পবিত্র লালন- ৫৪৮/৪)
৪.   “সুজনায় সুজনাতে সহজে হয় সাধতে, যাবি নিত্যধামেতে প্রেমপদ্মের বাসনাতে, প্রেমের গতি বিপরীতে সবাই জানে না, কৃষ্ণপ্রেমের বেচাকিনা অন্য বেচাকিনা নাইরে।” (পবিত্র লালন- ৪৩৪/২)
৫.   “হেরি তাঁকে মাতোয়ারা, ভ্রমরহীন তার কমলপুরা, না দেখে লালন সারা, কেবল কোমলপদ্ম ধিয়াই।” (পবিত্র লালন- ৪৮৪/৪)

বলাইঅর্থে পদ্মপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology lotus sense for extender)
“লীলা দেখে কম্পিত ব্রজধাম, রাধার মান ঘুচাতে যোগী হলেন শ্যাম, দুর্জয় মানের দায়- বাঁকা শ্যামরায়, নারীর পাদপদ্ম মাথায় নিলে।” (পবিত্র লালন- ২৪৪/৩)

শুক্রঅর্থে পদ্মপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology lotus sense for semen)
১.   “অন্ধকারে রতীদানে, ছিল পতির রূপদর্পণে, হলো পতির সঙ্গে গতি, হলো নীরে নীরে পদ্মময়।” (পবিত্র লালন- ৮৯৮/৩)
২.   “যেজন পদ্মহীন সরোবরে যায়, অটল অমূল্যনিধি সে অনায়াসে পায়।” (পবিত্র লালন- ৮৩৬/১)

শুক্রধরঅর্থে পদ্মপরিভাষাটির ব্যবহার (Using the terminology lotus sense for semen keeper)
১.   “জলের নিচে স্থলপদ্ম, তার নিচে কত মধু, কালোভ্রমর জানে মধুর মর্ম, অন্য কেউ জানে না।” (পবিত্র লালন- ৭২০/৩)
২.   “বারি নামে বারি ইলাহি, নাইরে তার তুলনা নাহি, হাজার দলপদ্মে সেহি, মৃণালগতি বহে ধারা।” (পবিত্র লালন- ৬৫৫/২)

সৃষ্টিকর্তাঅর্থে পদ্মপরিভাষাটির ব্যবহার
(Using the terminology lotus sense for Creator)
১.   “কৃষ্ণপদ্মের কথা কররে দিশে, রাধাকান্তি পদ্মের উদয় হয়, মাসেমাসে।” (পবিত্র লালন- ৩২৩/১)
২.   “কোন রাগে সে মানুষ, রয় মহারসের ধনী, পদ্মে মধু চন্দ্রে সুধা, জোগায় বসে রাত্রদিনি।” (পবিত্র লালন- ২৯৬/১)
৩.   “বেদ-বিধির অগোচর সদাই, কৃষ্ণপদ্ম নিত্য উদয়, লালন বলে মনের দ্বিধায়, দেখে দেখ মনা।” (পবিত্র লালন- ৪৬৫/৪)

পদ্মের ওপর ২টি পূর্ণাঙ্গ লালন (Two full Lalon on the lotus)
.                 জানগে পদ্ম নিরূপণ,
কোন পদ্মে জীবের স্থিতি,
কোন পদ্মে গুরুর আসন।

অধোপথে ঊর্ধ্বপদ্ম,
নিত্যলীলার এ সরহদ্দ,
যে পদ্মে সাধকের বর্ত্ম,
সে পদ্ম কেমন বরণ।

আড়াপদ্মের কোড়া ধরে,
ভৃঙ্গরতী চলেফেরে,
সে পদ্ম কোন পদ্মের পরে,
বিকশিত হয় কখন।

গুরুর মুখপদ্ম বাক্য,
যে হৃদয়েতে করে ঐক্য,
সে জানে সেসব পদ্ম,
কয় দিনহীন লালন।” (পবিত্র লালন- ৪৬২)

.                 নিচে পদ্ম উদয় জগৎময়,
আসমানে যার চাঁদ চকোরে,
কেমন করে যুগল হয়।

নিচে পদ্ম দিবসে মূদিত,
আসমানে চন্দ্র হয় বিকশিত,
তারা দুয়েতে এক যুগল আত্মা,
সহস্র যোজন ছাড়া রয়।

চন্দ্রপদ্ম কান্ত শান্ত যে;
মালির সঙ্গে রসরঙ্গে যোগ করছে সে
মালী যেমন সাজিয়ে ডালি,
বসে আছে দরজায়।

গুরুপদ্ম শিষ্য-চন্দ্র হয়,
শিষ্যপদ্মে গুরু বন্দি রয়,
লালন বলে একরূপ হলে,
যুগল আত্মা জানা যায়।” (পবিত্র লালন- ৬০২)

পদ্মের সংজ্ঞা (Definition of lotus)
সাধারণত; শাপলাজাতীয় এক প্রকার জলজ পুষ্পকে পদ্ম বলে।

পদ্মের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of lotus)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; মৈথুনে শিশ্ন হতে নিঃসৃত শুভ্রবর্ণের তরল পদার্থকে রূপকার্থে পদ্ম বলে।

পদ্মের প্রকারভেদ (Variations of lotus)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; পদ্ম দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান পদ্ম ও ২. উপমিত পদ্ম।

. উপমান পদ্ম (Analogical lotus)
সাধারণত; শাপলাজাতীয় এক প্রকার জলজ পুষ্পকে উপমান পদ্ম বলে।

. উপমিত পদ্ম (Compared lotus)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে মৈথুনে শিশ্ন হতে নিঃসৃত শুভ্রবর্ণের তরল পদার্থকে উপমিত পদ্ম বলে।

পদ্মের পরিচয় (Identity of lotus)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর শুক্র পরিবারের অধীন একটি বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা বিশেষ। সারা বিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে; এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় একেক প্রকার পরিভাষায় ব্যবহার হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না। সাধারণত; শাপলা জাতীয় এক প্রকার পুষ্পকে পদ্ম বলা হয় কিন্তু শ্বরবিজ্ঞানে; দুগ্ধ, শুক্র, সুধা, মধু, কামরস, মূত্র ও রজকে পদ্ম বলা হয়। তবে; এখানে; কেবল শুক্রকেই পদ্ম বলা হয়েছে। সারা বিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুরাণে ব্যবহৃত পদ্ম পরিভাষাটির দ্বারা উক্ত ৭টি সত্তাকেই বুঝানো হয়। তবে; কেবল ব্যবহারের ক্ষেত্র অনুযায়ী অত্যন্ত সতর্কতার সাথে এদের অভিধা উদ্ঘাটন করা সব পাঠক-পাঠিকা ও অনুরাগিদের একান্ত প্রয়োজন।

এছাড়াও; শ্বরবিজ্ঞানে; প্রায় সর্বপ্রকার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বস্তুকেই পদ্ম বলা হয়। যেমন; গুরুপদ্ম, নয়ন-পদ্ম, অটল-পদ্ম, ঊর্ধ্বপদ্ম ইত্যাদি। এ পরিভাষাটি শ্বরবিজ্ঞানে; প্রায় প্রত্যয়ের মতো ব্যবহৃত হয়। পরিভাষাটি যখন প্রত্যয় রূপে ব্যবহার হয় তখন শব্দের পরে বসে কিন্তু অর্থের কোনো পরিবর্তন ঘটায় না। অথচ বড় চমৎকার বিষয় হলো বিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক মনীষী, বক্তা, ব্যৈখ্যিক, টৈকিক, লেকক, গবেষক, অনুবাদক ও অভিধানবিদ শ্বরবিজ্ঞানে; ব্যবহৃত পদ্ম পরিভাষাটির দ্বারা কেবল শাপলা জাতীয় জলজ পুষ্পকেই বুঝে ও বুঝিয়ে থাকে। সেজন্য; সাম্প্রদায়িক পৌরাণিক সাহিত্যাদির মূলশিক্ষা বা প্রকৃতশিক্ষা বা আত্মদর্শন হতে সাধারণ পাঠক শ্রোতারা চির বঞ্চিত।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!