পবন

৯২/৭. পবন
Breezy (ব্রিজি)/ ‘ﻫﻮﺍﺀ’ (হাওয়া)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর শ্বাস পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক প্রকৃত মূলক সত্তা শ্বাস। এর বাঙালী পৌরাণিক সহযোগী মূলক সত্তা প্রাণায়াম। এর বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা বাতাস। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা কুকুর, প্রহরী সুর। এর অন্যান্য বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা অনিল সমীর এবং এর বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা জগৎগুরু ফুৎকার

অভিধা (Appellation)
পবন (বাপৌচা)বি বায়ু, বাও, বাউ, বায়, বাতাস, সমীরণ, সমীর, অনিল, breezy, ‘ﻫﻮﺍﺀ’ (হাওয়া) (প্র) . বায়ুর অন্যনাম পবন . নাসিকার সূর্যশ্বাস ও চন্দ্রশ্বাস বিশেষ (শ্ববি) শ্বাস, নিঃশ্বাস, প্রশ্বাস, breath, respiration, দম (.ﺪﻡ), নাফ্স (.ﻧﻔﺲ) (রূপ্রশ) ঘোণা, সৈনিক, যোদ্ধা, কুকুর, প্রহরী, সুর, ফুঁক,  diarchy (ইংপ) horn, trumpet (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর শ্বাস পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা ও শ্বরবিজ্ঞানের একটি দেবতা বিশেষ (সংজ্ঞা). সাধারণত; বায়ুকে পবন বলা হয়. শ্বরবিজ্ঞানে; নাসিকার শ্বাসকে রূপকার্থে পবন বলা হয় (বাপৌছ) জগৎগুরু ও ফুৎকার (বাপৌচা) অনিল, পবন ও সমীর (বাপৌউ) কুকুর, প্রহরী ও সুর (বাপৌরূ) বাতাস (বাপৌমূ) শ্বাস।

Breezy(GMP)n মৃদুমৃদু বায়ু, মৃদুমন্দ বায়ু, মৃদু বাতাস ২.প্রফুল্ল, স্ফূর্তিযুক্ত {}

 (প্র) বায়ুর অন্য নাম পবন। তিনি রাজা কুশনাভের শতকন্যার রূপে মুগ্ধ হয়ে তাঁদের সঙ্গ কামনা করেন কিন্তু তাঁরা অস্বীকৃত জানালে তিনি তাঁদের বিকলাঙ্গ করে দেন। পরে কম্পিলা নগরের রাজা ব্রহ্মদত্ত এ শতকন্যাদের বিবাহ করেন। সুমেরু পর্বতে বানররাজ কেশরী রাজত্ব করতেন। তাঁর স্ত্রী অঞ্জনা হতে পবন রাজের ঔরসে হনুমানের জন্ম হয় (রামায়ণ- আদি)। তৃতীয় পাণ্ডব ভীম পবন দেবের অংশে কুন্তীর গর্ভে জন্মলাভ করেন (মহাভারত)

পবনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of breezy)
১.   “গুরু বলো নৌকা খোল, সাধের জোয়ার যায়, মনপবনের ঢেউ ওঠেছে, প্রেমের বাদাম দাও নৌকায়।” (পবিত্র লালন- ৪০০/১)
২.   “প্রেমনদীতে এলেরে বান, সর্বনাশা বয়রে পবন, কত ধনী হারায় পরান, ডাঙ্গাতে ডুবে ভরা।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৬৫)
৩.   “মন হয়েছে পবনগতি, উড়ে বেড়ায় দিবারাতি, লালন বলে সে গুরুরতী, রয় না মন সুহালে।” (পবিত্র লালন- ৪৪২/৪)
৪.   “সবে বলে প্রাণপাখি, শুনে চুপে চুপে থাকি, জল কী হুতাসন- ক্ষিতি কী পবন, আমি ধরতে গেলে পাই না তারে।” (পবিত্র লালন- ১২৩/৩)

পবনের কয়েকটি সাধারণ উদ্ধৃতি (Some ordinary quotations of breezy)
১.   “আব খাকে পিঞ্জিরা বর্ত্ম, আতশে হলো পোক্ত, পবন আড়া সে ঘরে, আছে শুকপাখি সেথায়, প্রেমশিকল পায়, আজব খেলা খেলছে গুরু গোঁসাই মেরে।” (পবিত্র লালন- ১২১/২)
২.   “উজান ভাটি তিনটিনালে, দম দমাদম বেদম কলে একশব্দ হয়, গুরুর গুরু পবনগুরু প্রেমানন্দে, সাঁতার খেলায়।” (পবিত্র লালন- ৪১/২)
৩.   “এখনও ঘরে বইছে পবন, হতে পারে কিছু সাধন, সিরাজ সাঁইজি কয়রে লালন, এবার গেলে আর হবে না।” (পবিত্র লালন- ৪০২/৪)
৪.   “এড়ে যায় চক্ষু বাঁধন, দেখিনা স্বরূপ কিরণ, পাল উড়ায় উতাল পবন, চুঁইয়ে তলে মূলাধার।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৯১)
৫.   “কোন্ দিন পবন ছেড়ে যাবে, এ দেহ শ্মশানে যাবে, কোঠা বালা ঘর- কোথায় রবে কার, লোভ লালসে কেবল দু’কূল হারায়।” (পবিত্র লালন- ২১৭/৩)
৬.   “তিনশত ষাট রগের জোড়া, জুড়েছে এক পবনঘোড়া, জগৎজুড়ে একজন নাড়া, উল্টোদাঁড়ায় তার ভ্রমণ।” (পবিত্র লালন- ৪৫/৪)
৭.   “মন্মথ কবন্ধখানি, লয়ে কাগজ লেখনী, মনযানে যাবি ত্রিবেণে- মহাতলে দিয়ে প্রণতি, হয়ে যাও ঊর্ধ্বগতি, পাল উড়াও বাম পবনে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৬৭)
৮.   “শহর বেড়া অগাধ দোরে, তার মাঝখানে ভাবমন্দিরে, সে নিগম জায়গায়, পবনদ্বারে– চৌকি ফিরে, এমন ঘরে চোর আসে যায়।” (পবিত্র লালন- ১৯৮/২)
৯.   “শহরে সহস্র পাড়া, তিন পথে তার এক মহড়া, আলেক সোয়ার পবনঘোড়া, ফিরছে সেখানে।” (পবিত্র লালন- ৩৯৩/৩)
১০. “সপ্ততলে চতুর্দলে, কুলকুণ্ডলিনী সদা স্থির, তার ঊর্ধ্বদলে, কমলের ওপর মণিপুর, তার ঊর্ধ্বদলে, ঊনপঞ্চাশ পবনের ঘর, প্রাণ অপান উদ্বান ব্যান ও সমান, পঞ্চবায়ু গতিকার।” (পবিত্র লালন- ৫৪৮/৩)
১১.  “সে যখন দরজা খুলে, মানুষ পবন হিল্লোলে চলে, ভয় কী আছে তার লালন বলে, সেতো জপ সাধন করেছে।” (পবিত্র লালন- ৯০৬/৪)
১২.  “সোনার দাঁড় ছিল একখানা, পবনের বৈঠা ময়ূরপঙ্খি না, গলুইতে ছিল ফুল তোলা গহণা, চন্দ্র সূর্য তারা জোৎস্না।” (পবিত্র লালন- ৭২/২)
১৩. “স্বরূপে আসন যার, পবন হিল্লোলে নিহার, পক্ষান্তরে; দেখ এবার, দিব্যচক্ষু প্রকাশ করে, সাঁই দ্বিপক্ষেতে খেলছে খেলা, নর-নারীরূপ ধরে।” (পবিত্র লালন- ৭৮২/৩)

সাধারণ বাতাস অর্থে পবন পরিভাষাটির ব্যবহার  (Using the terminology breezy sense for wind)
১.   “আসমান জমিন জলাদি পবন, যে নূরীর নূরে হয় সৃজন, বলো কিসে ছিল সে নূরের আসন, পুরুষ কী প্রকৃতি আকার তখনে।” (পবিত্র লালন- ৫৬/২)
২.   “কোন নূরে হয় আসমান জমিনি, কোন নূরে হয় পবন পানি, কোন নূরে ভাসলেন গনি, সে নূরে কোন নূর এলো।” (পবিত্র লালন- ৬০৮/২)
৩.   “চারপথের চার লায়েক্ব জানি, খাক আতশ পবন পানি, গুরু বলে কারে মানি, দেখ দেখি হিসাব করে।” (পবিত্র লালন- ৭৯৭/৩)
৪.   “না ছিল আসমান জমিন পবন জল সাঁই তখন নীর আকারে, ইলাহি আলামিন সিদরাতুর এক্বিন, কুদরতি গাছ পয়দা করে।” (পবিত্র লালন- ৫৮৪/১)

পবনের সংজ্ঞা (Definition of breezy)
সাধারণত; বায়ুকে পবন বলে।

পবনের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of breezy)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; নাসিকার শ্বাসকে পবন বলে।

পবনের প্রকারভেদ (Variations of breezy)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; পবন দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান পবন ও ২. উপমিত পবন।

. উপমান পবন (Analogical breezy)
সাধারণত; প্রকৃতির বায়ুকে উপমান পবন বলে।

. উপমিত পবন (Compared breezy)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; নাসিকার শ্বাসকে উপমিত পবন বলে।

পবনের পরিচয় (Identity of breezy)
এটি ‘বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী’ এর ‘শ্বাস’ পরিবারের অধীন একটি ‘বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা’ বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে; এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহার হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না। সাধারণত; বাতাসকে পবন বলা হয়। অন্যদিকে; শ্বরবিজ্ঞানে কেবল নাসিকার শ্বাসকেই পবন বলা হয়। মানুষের নাসিকায় চলাচলকারী শ্বাসের ‘বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা’টিই হলো পবন। উল্লেখ্য যে; নাসিকার শ্বাসরূপ সত্তাকে যখন পবনরূপ ‘বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা’ দ্বারা প্রকাশ করা হবে, তখন সুবিজ্ঞ আত্মজ্ঞানীদের মতে; একে অবশ্যই দেবতা বলতে হবে। এ সূত্র ধরে; এখানে; পবন একজন দেবতা। অথচ পবন তো দূরের কথা সাম্প্রদায়িক মনীষী, বক্তা, ব্যৈখ্যিক, টৈকিক, অভিধানবিদ ও অনুবাদকরা বাতাসের ‘বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা’ কিংবা উপমিতপদেরই তো সংবাদ রাখে না।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!