পরকাল

৯৩/৪. পরকাল
Hereafter (হেয়ারাফ্টার)/ ‘الاخرة’ (আলয়াখিরাত)

ভূমিকা (Prolegomenon)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর সন্তান পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা। এর বাঙালী পৌরাণিক মূলক সত্তা সন্তান বাঙালী পৌরাণিক রূপক পরিভাষা মূর্তি। এর বাঙালী পৌরাণিক উপমান পরিভাষা প্রতিমা। এর বাঙালী পৌরাণিক চারিত্রিক পরিভাষা শৈবালসঞ্জীব এবং এর অন্যান্য বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা অপত্য

অভিধা (Appellation)
পর বিণ অন্য, ভিন্ন, পৃথক, অনাত্মীয়, সম্বন্ধহীন, পরম, শ্রেষ্ঠ, চরম, প্রধান বি শত্রু, অরি, বৈরী, রিপু, রুদ্র, অন্যব্যক্তি, মোক্ষ, মুক্তি, নির্বাণ, পরমাত্মা, ব্রহ্ম ক্রিবিণ অতঃপর, অনন্তর, পশ্চাৎ Jস্ত্রী পরা।  পর (বাপৌছ)বি প্রহর।
পর অব্য ওপর এর সংক্ষিপ্তরূপ (গাছের পর)।
পর বিণ নিষ্ঠ, নিরত, আসক্ত, পরায়ণ (স্বার্থপর) Jস্ত্রী পরা।
পরকাল (বাপৌছ)বি পরলোক, ভবিষ্যৎ, উত্তরকাল, hereafter, afterlife, ‘الاخرة’ (আলয়াখিরাত) (প্রাঅ) সন্তান, অপত্য, সন্ততি, পুত্রকন্যা, child, offspring, progeny; বাচ্চা (ফা.ﺒﭼﻪ), আওলাদ (.ﺍﻮﻻﺪ), জুররিয়া (.ﺬﺭﻴﺔ), আবনাউ (.ﺍﺒﻨﺎﺀ) (রূপ্রশ) প্রতিমা, প্রতিমূর্তি, প্রতিকৃতি, দেবমূর্তি (শ্ববি) পুনর্জন্ম, পরজন্ম, পুনরুত্থান, পুনর্দেহধারণ (পরি) পিতা সন্তান রূপে পুনর্জনম, বীর্যপাতরূপ মৃত্যু দ্বারা পুনরায় সন্তান রূপে জন্মগ্রহণ (ইদে) আখিরাত (.ﺍﺧﺭﺖ), পুতলা (হি.ﭙﺗﻼ), ফরজন্দ (ফা.ﻔﺭﺰﻨﺩ), শরিক (.ﺸﺭﻴﻚ), হাশর (.ﺤﺸﺭ) (ইংপ) statue, figure (দেপ্র) এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর সন্তান পরিবারের বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা বিশেষ (সংজ্ঞা). সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুরাণে পরলোককে পরকাল বলা হয় . ঔরসজাত সন্তানকে পরকাল বলা হয় (বাপৌছ) অপত্য ও পরকাল (বাপৌচা) শৈবাল ও সঞ্জীব (বাপৌউ) প্রতিমা (বাপৌরূ) মূর্তি (বাপৌমূ) সন্তান {বাং.পর+ বাং.কাল}

পরকালের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি (Some highly important quotations of hereafter)
১.   “কেউ বলে খ্রিস্টানি, সে শাস্ত্র সত্য জানি, ভজ গে গিয়ে ইসা নবি, মুক্তি পাবি পরকাল।” (পবিত্র লালন- ৬৮৮/২)
২.   “থেকে সাধুর চরণতলে, তোর স্থুল-জ্ঞান সূক্ষ্ম হলে, পরকাল পাবি ইহকালে, বলন কয় ভেদখানা।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৪৩)
৩.   “পরকাল কোনখানেতে গড়েছেন সাঁই কোন কাজে, সারাজগৎ খুঁজে দেখি পরকাল এ দেহমাঝে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৭৩)
৪.   “বৈষ্টমী দেয় শীতের কাঁথা, তখন ইষ্ট গোঁসাই থাকেন কোথা, কোনকালে পরকাল পাবা, তাইতো; ভজো গোস্বামী।” (পবিত্র লালন- ৯১২/৩)

পরকালের ওপর ২টি পূর্ণাঙ্গ বলন (Two full Bolon on the hereafter)
.                 পরকাল কোনখানেতে গড়েছেন সাঁই কোন কাজে
            সারাজগৎ খুঁজে দেখি পরকাল এ দেহমাঝে।

ভজে সাধুর চরণখানা
পরকাল কর ঠিকানা

সাধুশাস্ত্রে কইতে মানা
শিষ্য বিনা অন্যের কাছে।

দেহের মাঝে অন্ধখাড়ি
সেথায় সাঁইয়ের বসতবাড়ি
আপন ঘর আপনি গড়ি
নীর আকারে সে বসে আছে।

উদ্দেশ কর কোথায় পরকাল
আছে সেথা এক হাজার আল
বলন কয় কাটরে বাঁধাল
বায়ু হাজারী সাধু সেজে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৭৩)

.                 সত্য সূক্ষ্মজগৎ বিনা পরকাল পাবি না
            স্থুলজগৎ ইহকাল বলে অভিধানে রচনা।

পরকাল অনুসন্ধানে
জিজ্ঞাসিলাম কতজনে
সব দেখলাম অনুমানে
সত্যকথা কেউ বলে না।

রূপক জ্ঞানের খোলস
চোখ মেলে দেখরে অলস
এখন তোর হলো না হুঁশ
পরকাল কী ভাব কানা।

থেকে সাধুর চরণতলে
তোর স্থুল-জ্ঞান সূক্ষ্ম হলে

পরকাল পাবি ইহকালে
বলন কয় ভেদখানা।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৪৩)

পরকালের সংজ্ঞা (Definition of hereafter)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; পরলোককে পরকাল বলে।

পরকালের আধ্যাত্মিক সংজ্ঞা (Theological definition of hereafter)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; ঔরসজাত সন্তানকে পরকাল বলে।

পরকালের প্রকারভেদ (Variations of hereafter)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে পরকাল দুই প্রকার। যথা; ১. উপমান পরকাল ও ২. উপমিত পরকাল।

. উপমান পরকাল (Analogical hereafter)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; পরলোককে উপমান পরকাল বলে।

. উপমিত পরকাল (Compared hereafter)
বাঙালী শ্বরবিজ্ঞানে ও বাঙালী পুরাণে; ঔরসজাত সন্তানকে উপমিত পরকাল বলে।

পরকালের পরিচয় (Identity of hereafter)
এটি বাঙালী পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী এর সন্তান পরিবারের অধীন একটি বাঙালী পৌরাণিক ছদ্মনাম পরিভাষা বিশেষ। সারাবিশ্বের সর্বপ্রকার সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিক পুস্তক-পুস্তিকায় এর ন্যূনাধিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। আরও লক্ষ্য করা যায় একেক সাম্প্রদায়িক মতবাদের পরকাল একেক প্রকার। যেমন; হিন্দুদের পরকাল একপ্রকার, মুসলমানদের পরকাল অন্যপ্রকার আবার আত্মজ্ঞানী দার্শনিকদের পরকাল ভিন্নপ্রকার। যথা; আত্মজ্ঞানীদের পরকাল হলো যার যার সন্তান। তবে; এ পরিভাষাটি একেক গ্রন্থে একেক ভাষায় ব্যবহার হওয়ার কারণে সাধারণ পাঠক-পাঠিকা ও শ্রোতাদের তেমন দৃষ্টিগোচর হয় না।

সাধারণত; সাম্প্রদায়িক দর্শন অনুযায়ী প্রয়াণোত্তরকালকে পরকাল বলা হয়। এটি; অন্ধবিশ্বাসনির্ভর একটি দর্শন। এজন্য; এর বাস্তবতা বলে কিছুই নেই। অন্যদিকে; আত্মদর্শন হলো চরম ও পরম বাস্তবমুখী। এ দর্শনে চরম বাস্তবতা ভিন্ন অন্ধবিশ্বাস বা অনুমানের কোনো মূল্য নেই। অধিকাংশ আত্মজ্ঞানী দার্শনিকের মতে; যার যার সন্তানই তার পরকাল। এ সূত্রানুসারে মানুষ পিতা রূপে যেসব কর্ম করে সন্তান রূপে তার ফলাফল ভোগ করে। তাঁদের মতে; সন্তান ব্যতীত পরকালের অন্য কোনো অস্তিত্ব নেই। স্মরণীয় বিষয় যে সাম্প্রদায়িক ও পারম্পরিকদের বর্ণিত প্রয়াণোত্তর সর্বপ্রকার বিচারাচার, স্বর্গ ও নরক কেবল সন্তানের সাথেই সংশ্লিষ্ট। অর্থাৎ; সন্তান হলো পিতা-মাতার পরকাল। পিতা-মাতা যখনই সন্তান রূপে জন্মগ্রহণ করে তখনই তাদের নতুন পরকাল আরম্ভ হয়। অর্থাৎ; পিতা-মাতা হলো ইহকাল এবং সন্তান হলো তাদের পরকাল।

পরকালের অবস্থান (Location of hereafter)
সাম্প্রদায়িক হিন্দু ও মুসলমানদের পরকাল যে কোথায় তা কেউ জানে না। কেবল সাম্প্রদায়িক অন্ধবিশ্বাস যে; প্রয়াণোত্তরকালে আকাশ ও পাতালের মাঝখানে তাদের পরকাল অবশ্যই রয়েছে। আর এ সূত্র ধরেই তারা কাল্পনিকভাবে তাদের পরকালের অনেক বর্ণনাও করেছে। এ সুযোগ গ্রহণ করে সাম্প্রদায়িক মনীষী, বক্তা, আলোচক, অভিধানবিদ ও অনুবাদকরাও স্বস্ব কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। যতই দিন যাচ্ছে, বিজ্ঞান ও দর্শনের অভিনব গবেষণা ও অভিনব শাখা-প্রশাখার উদ্ভব হচ্ছে। আত্মজ্ঞানী দার্শনিকদের দৃঢ় বিশ্বাস যে; আগামী ২০২৫ খ্রিস্টাব্দের মধ্যেই ভুয়া পরকালবাজদের পরকাল ব্যবসা বন্ধ হতে বাধ্য হবে। পরকাল ব্যবসায়ীরা নরকের ভয় ও পুণ্য বাণিজ্য দ্বারা যেভাবে দেশে দেশে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসবাদ, আতঙ্কবাদ ও সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদ সৃষ্টি করছে তা দৃষ্টে মনে হয় না যে; সাম্প্রদায়িক অন্ধবিশ্বাস আরও দীর্ঘায়িত হবে। আলোচনার শেষপ্রান্তে এসে বলা যায় যে; স্বস্ব সন্তান ব্যতীত পরকালের অন্য কোনো অবস্থান নেই। অর্থাৎ; সাম্প্রদায়িকদের পরকাল বলি আর আত্মজ্ঞানীদের পরকাল বলি, পরকাল বলতেই যার যার সন্তানকেই বুঝায়।


পরকালের সত্যতা পেলেন বিজ্ঞানীগণ (Scientists have found the truth of the afterlife)
পৃথিবীর মানুষ প্রতিদিন যে কাজকর্ম করে, তার একটা প্রতিক্রিয়া বিপরীত জগতে সৃষ্টি হওয়া বিপরীত সত্তার ওপর সরাসরি প্রভাব পড়ে। পদার্থ বিজ্ঞানের রীতি অনুযায়ী এটি একটি চিরসত্য বিধান। কণিকা জগৎ বিষয়টি প্রমাণ করে দেখিয়ে দিয়েছে। সুতরাং; বস্তুজগৎ ও প্রতিজগৎ অবশ্যই বিদ্যমান।

আধুনিক বিজ্ঞান দাবী করছে যে; বস্তুজগতের পাশাপাশি সমান্তরালে বিপরীত জগৎ সৃষ্টি হয়ে আছে। আর সেই জগতে এ পৃথিবীতে যতো প্রকার সত্তা আছে, তার প্রতিটিরই বিপরীত সত্তা সৃষ্টি হয়েছে এবং বিদ্যমান আছে। অর্থাৎ; আমাদের মানব সমাজের প্রত্যেকেরই একটি করে বিপরীত সত্তা সৃষ্টি হয়ে আছে; যাকে বলে Identical twin. আগামীতে যতো মানুষ আসবে পৃথিবীতে, ঠিক ততোজনেরই বিপরীত সত্তা ঐ বিপরীত জগতে সৃষ্টি হবে। যেমন; কুরানে বলা হয়েছে; “তিনি যথাযথভাবে সমগ্র মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন।” (কুরান; সূরা আয্‌ যুমার; আয়াত ৫)। কুরানে আরো বলা হয়েছে; “আমি সৃষ্টি করেছি তোমাদেরকে জোড়ায় জোড়ায়।” (কুরান; সূরা আন্‌ নাবা; আয়াত ৮)

ইতিমধ্যেই বিজ্ঞান প্রমাণ করে দেখিয়েছে যে; বিজড়িত আলোর কণার জোড় থেকে যদি ১টি ফোটন কণিকা আলাদা করে দূরে কোথাও নিয়ে যাওয়া হয় এবং তাকে বিভিন্ন অবস্থায় নাড়াচাড়া করা হয়, তাহলে অপর ফোটন কণিকাটিও একইভাবে নড়াচড়া করে। যদিও তাদের মধ্যে অনেক দূরত্ব বজায় থাকে। এতে প্রমাণিত হলো পৃথিবীর মানুষ যে ধরনেরই আমল করুক না কেন, সাথে সাথে তা বিপরীত জগতে সৃষ্ট তাঁরই বিপরীত সত্ত্বার ওপর হুবহু প্রতিফলিত হবে। এতে কোনো প্রকার ব্যতিক্রম ঘটবে না। কারণ; মানুষসহ প্রত্যেকটি বস্তুই এ মহাবিশ্বে মৌলিকভাবে আলোর কণা ফোটন দিয়েই সৃষ্টি হয়েছে। এ তথ্যও প্রমাণিত সত্য।

তাই এ কারণে এবং আরো অন্যান্য কারণেও বিজ্ঞানীগণ ধারণা করছেন যে; নিশ্চয় আবিষ্কৃত অদৃশ্য বস্তু ও শক্তি বস্তুজগতে (দৃশ্যমান বস্তুর জগতে) এতো প্রভাবশালী হতে পারলে অবশ্যই তাদের প্রভাব প্রতিপত্তিকে কাজে লাগিয়ে তারা আমদের জগতের সমান্তরালে দৃশ্যমান বস্তুর বিপরীতে অদৃশ্য বস্তু ও শক্তি দিয়ে প্রতিবস্তুর জগৎ সৃষ্টি করে থাকবে। অদৃশ্য বস্তু ও শক্তির প্রভাব বিদ্যমান থাকায় মানুষ সেই প্রতিজগতকে কখনও দেখতে পাবে না। এ বিষয়ে আল্লাহ্‌ পবিত্র কুরানে সূরা ‘নামল’-র ৬৫ নং আয়াতে উল্লেখ করেছেন এভাবে; “বলো আল্লাহ্‌ ব্যতীত আর কেউ মহাবিশ্বে অদৃশ্য বিষয়সমূহের পূর্ণ জ্ঞান রাখে না।” প্রতিজগৎ বা পরজগৎ সম্পর্কে কুরান সূরা মুমিনের ৩৯ নং আয়াতে মানব জাতিকে অবহিত করেছে এভাবে; “(মুমিন ব্যক্তিটি বললো) হে আমার সম্প্রদায়! বস্তুজগৎ (ইহজগৎ) তো হচ্ছে অস্থায়ী উপভোগের বস্তু। আর পরকালই (প্রতিজগৎ) হচ্ছে স্থায়ী উপভোগের আবাস।” সুতরাং এই বস্তুজগতে যারা স্রষ্টার কথা মতো জীবন চালাবে, তারা সফলতালাভ করবে, আর তার বিনিময়ে চিরশান্তির স্বর্গে বাস করবে।

পর্যালোচনা (Review)
এসব মিথ্যা কথা দ্বারা যারা এখনও যারা মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে; তাদের উদ্দেশ্যে আত্মতাত্ত্বিক বিজ্ঞানীগণ বলেন যে; কুরানে বর্ণিত ইহকাল হলো পিতামাতা ও পরকাল হলো সন্তান। পিতামাতা যেমন কর্ম করবে সন্তানের ওপর সেরূপ প্রভাব পড়বে এটাই স্বাভাবিক। যেমন; পিতামাতা নিঃস্ব হলে সন্তানও উত্তরাধিকার সূত্রে নিঃস্বতার কষ্ট করবে। অন্যদিকে; পিতামাতা ধনী হলে সন্তানও উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পদের সুখ ভোগ করবে। আবার; পিতামাতা কোনো দুরারোগ্য রোগ বহন করলে সন্তানও উত্তরাধিকার সূত্রে সেই রোগই বহন করবে। অন্যদিকে; পিতামাতা সুস্থ দেহ বহন করলে সন্তানও উত্তরাধিকার সূত্রে সেই সুস্থ দেহই বহন করবে।

কিন্তু এই জগতের কর্মের প্রতিফলন ঘটবে প্রতিজগতে; “কিন্তু অদৃশ্য বস্তু ও শক্তির প্রভাব বিদ্যমান থাকায় মানুষ সেই প্রতিজগতকে কখনও দেখতে পাবে না।” এসব একেবারেই মনগড়া কথা। এগুলো বৈজ্ঞানিক কথা নয়।

কারণ; কুরানে বলা হয়েছে; “তিনি যথাযথভাবে সমগ্র মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন।” এখানে বর্ণিত মহাবিশ্ব দ্বারা কখনই সৌরজগতের মতো মহাবিশ্ব বুঝায় না। বরং সাম্প্রদায়িক ধর্মগ্রন্থে বা পারম্পরিক পুরাণে বর্ণিত বিশ্ব, মহাবিশ্ব, জগত ও পৃথিবী এসব পরিভাষা দ্বারা সর্বদাই দেহ, দেহঘড়ি, দেহতরী, দেববিশ্ব ও দেহজগত বুঝায়। কুরানের আরেক নাম জীবনবিধান। তাই; বলা যায়; কুরান শতভাগই দেহতত্ত্ব। দেহের সাথে বা জীবনের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত নয়; এমন কথা কুরানের কোথায় লেখা নেই।

আবার; কুরানে বলা হয়েছে; “আমি সৃষ্টি করেছি তোমাদেরকে জোড়ায় জোড়ায়।” এই জোড়া দ্বারা ইলেক্ট্রন, প্রোটন, নিউটন, মিশন ও পজিটন কনার জোড়া বুঝায় নাই। বরং এই জোড়া দ্বারা অবশ্যই পুরুষ-নারীর জোড়া বুঝানো হয়েছে। যেমন; গোরুর পুরুষ-নারী, ছাগলের পুরুষ-নারী, মাছের পুরুষ-নারী ইত্যাদি। এগুলো হলো জীবন। আর এসবের বিধান হলো কুরান। এখানে বিশেষভাবে স্মরণীয় যে; আগড়তলার সাথে তালতলা মিলিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা ছাড়তে হবে। কুরানের নামে আর বিজ্ঞানের নামে সাধারণ মানুষকে আর বিভ্রান্ত করা যাবে না।

তথ্যসূত্র (References)

(Theology's number formula of omniscient theologian lordship Bolon)

১ মূলক সংখ্যা সূত্র (Radical number formula)
"আত্মদর্শনের বিষয়বস্তুর পরিমাণ দ্বারা নতুন মূলক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়।"

রূপক সংখ্যা সূত্র (Metaphors number formula)

২ যোজক সূত্র (Adder formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে ভিন্ন ভিন্ন মূলক সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন যোজক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, গণিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা-সহগ যোগ করে নতুন রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায় না।"

৩ গুণক সূত্র (Multiplier formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে এক বা একাধিক মূলক-সংখ্যার গুণফল দ্বারা নতুন গুণক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৪ স্থাপক সূত্র (Installer formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে; এক বা একাধিক মূলক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে স্থাপন করে নতুন স্থাপক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

৫ শূন্যক সূত্র (Zero formula)
"শ্বরবিজ্ঞানে মূলক সংখ্যার ভিতরে ও ডানে শূন্য দিয়ে নতুন শূন্যক রূপক সংখ্যা সৃষ্টি করা যায়; কিন্তু, মূলক সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় না।"

< উৎস
[] উচ্চারণ ও ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
() ব্যুৎপত্তির জন্য ব্যবহৃত
> থেকে
√ ধাতু
=> দ্রষ্টব্য
 পদান্তর
:-) লিঙ্গান্তর
 অতএব
× গুণ
+ যোগ
- বিয়োগ
÷ ভাগ

Here, at PrepBootstrap, we offer a great, 70% rate for each seller, regardless of any restrictions, such as volume, date of entry, etc.
There are a number of reasons why you should join us:
  • A great 70% flat rate for your items.
  • Fast response/approval times. Many sites take weeks to process a theme or template. And if it gets rejected, there is another iteration. We have aliminated this, and made the process very fast. It only takes up to 72 hours for a template/theme to get reviewed.
  • We are not an exclusive marketplace. This means that you can sell your items on PrepBootstrap, as well as on any other marketplate, and thus increase your earning potential.

পৌরাণিক চরিত্রায়ন সত্তা সারণী

উপস্থ (শিশ্ন-যোনি) কানাই,(যোনি) কামরস (যৌনরস) বলাই (শিশ্ন) বৈতরণী (যোনিপথ) ভগ (যোনিমুখ) কাম (সঙ্গম) অজ্ঞতা অন্যায় অশান্তি অবিশ্বাসী
অর্ধদ্বার আগধড় উপহার আশ্রম ভৃগু (জরায়ুমুখ) স্ফীতাঙ্গ (স্তন) চন্দ্রচেতনা (যৌনোত্তেজনা) আশীর্বাদ আয়ু ইঙ্গিত ডান
চক্ষু জরায়ু জীবনীশক্তি দেহযন্ত্র উপাসক কিশোরী অতীতকাহিনী জন্ম জ্ঞান তীর্থযাত্রা দেহাংশ
দেহ নর নরদেহ নারী দুগ্ধ কৈশোরকাল উপমা ন্যায় পবিত্রতা পাঁচশতশ্বাস পুরুষ
নাসিকা পঞ্চবায়ু পঞ্চরস পরকিনী নারীদেহ গর্ভকাল গবেষণা প্রকৃতপথ প্রয়াণ বন্ধু বর্তমানজন্ম
পালনকর্তা প্রসাদ প্রেমিক বসন পাছধড় প্রথমপ্রহর চিন্তা বাম বিনয় বিশ্বাসী ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বৃদ্ধা মানুষ মুষ্ক বার্ধক্য মুমুর্ষুতা পুরুষত্ব ভালোবাসা মন মোটাশিরা যৌবন
রজ রজপট্টি রজস্বলা শুক্র মূত্র যৌবনকাল মনোযোগ রজকাল শত্রু শান্তি শুক্রপাত
শুক্রপাতকারী শ্বাস সন্তান সৃষ্টিকর্তা শুক্রধর শেষপ্রহর মূলনীতি সন্তানপালন সপ্তকর্ম স্বভাব হাজারশ্বাস
ADVERTISEMENT
error: Content is protected !!